1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News 52 Bangla : Nurul Huda News 52 Bangla
  3. [email protected] : News 52 Bangla : Nurul Huda News 52 Bangla
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
নিরব এলাকার শব্দের মাত্রা, মানমাত্রার আড়াই গুণ- পরিজা গ্যাস সিলিন্ডার হতে অগ্নিকান্ড কাপ্তাইয়ের ফকিরাঘোনা অগ্নিকান্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতাল চন্দ্রঘোনায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বিষয়ক সভা কাপ্তাইয়ের রাইখালীতে বন্যহাতি হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখা হাড়গোড় উদ্ধার করেছে বন বিভাগ গণিত উৎসবের বিজয়ী মেডেল নিয়ে বাসায় ফেরা হলো না ওমরের প্রেসক্লাব দ্বন্দ্বে বরগুনার সাংবাদিক তালুকদার মাসুদের মৃত্যুতে বিএমএসএফ’র শোক নলছিটিতে উদ্বোধন হলো কওমী মাদরাসা ও এতিমখানা কাউখালীতে উত্তরায়ন খেলাঘর আসরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত শিলছড়ি ভেলাপাড়া বৌদ্ধ বিহাড় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাপ্তাই বিউবো রাইটব্যাংক এলাকায় দুটি পরিবারকে অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও বাসা বরাদ্দ বাতিল জানিয়ে বিক্ষোভ

নতুন শিক্ষা ব্যবস্থা–আহমেদ আবু জাফর

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার। 

নতুন শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে যারা ট্টল করছেন তারা হয়তো ভাবছেন শিক্ষকরা কেনো এমন আচরণ করবেন। নতুন এ শিক্ষা পদ্ধতি মানতে কষ্ট হচ্ছে অনেকের। শিক্ষকরা কেনো গান গাইবে,নাচবে বা জোকারি করবে,এমনটা গুঞ্জন নানা মহলের। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নত দেশসমূহের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে। এগিয়ে যাক প্রিয় বাংলাদেশ এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

তবে নতুন যেকোন পদ্ধতিগত শিক্ষার সাথে প্রথমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরামর্শ বা সমন্বয় করে নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। এতে করে দু’পক্ষেরই জানা এবং বোঝার জায়গাটা পরিস্কার হয়ে যেতে পারে। ফলে অতিমাত্রায় সমালোচনার ঝুঁকিমুক্ত হতে পারে। চায়ের দোকান থেকে অফিস, পাড়া মহল্লায় নানা বয়সী মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও কন্টেন্ট দেখে মজা নিচ্ছেন কেউ কেউ।

যারা বাংলাদেশের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ভিডিও নিয়ে ট্রল করছেন তাদের হয়তোবা আন্তর্জাতিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কোন ধারণা নেই। বিশ্বের উন্নত দেশ গুলোতে কোমলমতি শিশুদের আনন্দঘন পরিবেশে এভাবেই শিক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে।

আগেকার শিক্ষা ব্যবস্থায় লাঠিয়াল পদ্ধতি আজকাল কিন্তু দেশে অচল। আমাদের সমাজ ব্যবস্থাপনায় কোন ব্যক্তিকে বিনাবিচারে মারধোরের চরম বিরোধীতা করে থাকে। আগেকার দিনে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা না পারলে যেমন প্রকাশ্যে স্কুলের মাঠে কান ধরে ওঠ বস, বেত্রাঘাত, টেবিলের নীচে মাথা ঢুকিয়ে বসিয়ে রাখা, নারিকেলের আইচার ওপর দাড় করিয়ে রাখা, স্কুলে অনুপস্থিত থাকলে প্যাদা পাঠিয়ে ধরে আনা পদ্ধতি চালু ছিলো, এখন কিন্তু তা নেই।

তবে; একটি কথা না বললে নিজেকে বেশ দোষি মনে হচ্ছে সেটি হলো বাংলাদেশের পাঠ্য পুস্তক, বোর্ড ফি, বই পরিবর্তন করা চরম অস্বস্তিকর বলে মনে হচ্ছে। এর ফলে অর্থ ব্যয় বাড়ছে অভিভাবকদের। এমনকি বছরে একাধিকবারও বই পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, যা অসহনীয়। বিষয়টি রাষ্ট্রযন্ত্রের দেখা উচিত বলে মনে করছি।

আহমেদ আবু জাফর,চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড ও সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, বিএমএসএফ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY LatestNews