Author: adminb

  • সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবি

    সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবি

    স্টাফ রিপোর্টার।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা, টকশো ব্যক্তিত্ব এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন তৌহিদকে গ্রেফতার করেছে স্বরূপকাঠি থানা পুলিশ।

    আজ শনিবার সকালে একদল মব সৃষ্টিকারী তার গ্রামের বাড়িতে তাকে অবরুদ্ধ করে। এ সময় তিনি মবের শিকার থেকে মুক্তি পেতে পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। পুলিশ এসে তাকে নিরাপত্তার কথা বলে থানায় নিয়ে যান।

    জানা গেছে, জিয়া উদ্দিন তৌহিদের নামে একদল দুর্বৃত্ত ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কিছু পোস্টার ছেপে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় শাটিয়ে দেন। এতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হলে তার বাড়িতে মবের সৃষ্টি হয়।  সম্প্রতি জিয়া উদ্দিন তৌহিদের স্ত্রী সন্তানের দেখাশোনার জন্য আমেরিকা গেলে কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্থ অবস্থায় পৈতৃক বাড়ি স্বরুপকাঠিতে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সমসাময়িক, ঐতিহাসিক, আন্তর্জাতিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে লেখালেখি করেন। সাংবাদিক জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে অযথা হয়রানি না করে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি করে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। 

    তিনি বলেন, মব সৃষ্টি করে এভাবে একজন প্রবীণ সাংবাদিককে হয়রানি করা আইনের শাসনের মধ্যে পড়েনা। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি অবিলম্বে তাকে মুক্তির দাবি তুলে সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

  • কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

    কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

    বিশেষ প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালী থানা পুলিশের অভিযানে ৬০ গ্রাম গাঁজা ও পাঁচ পিস ইয়াবাসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোর রাতে উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,কাউখালী উপজেলার আস্পদ্দি গ্রামের নিরঞ্জন দাসের ছেলে ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের নাইট গার্ড সঞ্জীব দাস (৩৫) এবং পার্শ্ববর্তী রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ শাহিন হোসেন (৩৪)।
    অভিযানে নেতৃত্ব দেন, কাউখালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মহিউদ্দিন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোর রাতে কাউখালী থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভেতর থেকে নাইটগার্ড সঞ্জীব দাসকে ৬০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। একই রাতে উপজেলার বাশরী এলাকার একটি ভাড়াটিয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মোঃ শাহিনকে ০৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের  বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • কাপ্তাইয়ে শহীদ জিয়া স্মৃতি অলিম্পিক মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন  সোনালী অতীত

    কাপ্তাইয়ে শহীদ জিয়া স্মৃতি অলিম্পিক মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন  সোনালী অতীত

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই প্রজেক্ট(বিউবো) এলাকায় অনুষ্ঠিত শহীদ জিয়া স্মৃতি অলিম্পিক মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সোনালী অতীত ফুটবল একাদশ।

    শুক্রবার (১৪ আগষ্ট ) বিকেলে কাপ্তাই নিউ মার্কেট স্কুল মাঠে  অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় নিমকি বাজার ফুটবল একাদশের মুখোমুখি হয় সোনালী অতীত।

    প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের  ২-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সোনালী অতীত। খেলা শেষে সোনালী অতীতের কামরুল ইসলাম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত করা হয়। ম্যাচটি পরিচালনা করেন প্রধান রেফারি মাইনুল হক সুমন।

    খেলায় প্রধান অতিথি  ছিলেন কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এর নির্বাহী প্রকৌশলী কয়সুল বারী।

    জাতীয়তাবাদী বিদ্যুৎ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-১৮৮৬) কাপ্তাই শাখার সভাপতি ও টুর্নামেন্ট আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক মো. বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এসময়  বিশেষ অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলায় সাবেক চেয়ারম্যান মো: দিলদার হোসেন,উপজেলা বিএনপি’র  সভাপতি লোকমান আহম্মেদ,পিডিবির উপ-পরিচালক মো: হাসান,জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মো: কবিরুল ইসলাম কবির,কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক কামাল হাকিম।

    ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সোলাইমান মাহুমুদের ধারাভাষ্যকারে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী বিদ্যুৎ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সহসভাপতি মো: আব্দুল মোহাসেন,সাংগাঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন,উপজেলা তাঁতীদলের সভাপতি আফসার উদ্দীন,উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফয়েজ আহমেদ, সম্পাদক  আল নাহিয়ান খান ডালিম,নতুন বাজার  বনিক কল্যান সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন,সাবেক ক্রিড়াবীদ সালাউদ্দিন  মিনু চৌধুরী, সাবেক ছাত্র নেতা মোশর্দ আলম, ধারাভাষ্যকার ও ক্রীড়াবিদ ওসমান গনি তনু প্রমুখ।

  • কাপ্তাই টু রাঙামাটি আগর বাগান সড়কের ওপর বন্য হাতি, বন বিভাগের প্রচেষ্টায় রক্ষা পেল অনেক যাত্রী 

    কাপ্তাই টু রাঙামাটি আগর বাগান সড়কের ওপর বন্য হাতি, বন বিভাগের প্রচেষ্টায় রক্ষা পেল অনেক যাত্রী 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই টু রাঙামাটি আগর বাগান সড়কে  সাড়ে তিন ঘন্টা বন্য হাতি সড়কের মধ্যে অবস্থান। বন বিভাগের প্রচেষ্টায় রক্ষা পেল অনেক যাত্রী।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট২৬) বিকাল ৫টা হতে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত বন্যহাতি একটি দল কাপ্তাই টু-রাঙ্গামাটি আগর বাগানের সড়ক ও সড়কের পাশে চুপে দাঁড়িয়ে থাকে হাতির পাল।

    সড়ক দিয়ে যান চলাচলের সময় চালক ও যাত্রী বিষয়টি নজরে আসলে দক্ষিণ বন বিভাগ কাপ্তাই রেঞ্জ কে খবর দেয়।

    কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান দ্রুত তাঁদের লোকজন ও ইআরটি সদস্যদের সংবাদ দিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আতশবাজি, গুলিছুড়ে ও গাড়ির হর্ণ বাজিয়ে হাতি কে বনের মধ্যে সড়িয়ে দেয়। একপাশ দিয়ে সড়িয়ে দেয়ার পর আবার  কাপ্তাই প্রবেশ পথে এসে বন্য হাতি সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে।

    এসময় দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এস এম সাজ্জাদ হোসেন(ডিএফও), বন্য হাতির তান্ডবের মুখে পড়ে। বিভাগীয় কর্মকর্তা, বনকর্মী ও ইআরটি সদস্যদের প্রচেষ্টায় ওই সড়ক দিয়ে যান চলাচল দ্রুত বন্ধ করে দেয়। ফলে বন্য হাতির আক্রমণ থেকে অনেক যাত্রী প্রাণে রক্ষা পায়।

    কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ জানান আমি এই সড়ক দিয়ে রাঙামাটি থেকে কাপ্তাই আসতে ছিলাম হঠাৎ হাতি সড়কে দেখা যায়। তিনি সন্ধ্যার পর ওই সড়ক দিয়ে  চলাচল করতে সকলকে সর্তক করেন।

    কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান ও  বরকল রেঞ্জ কর্মকর্তা ওমর ফারুক স্বাধীন জানান সন্ধ্যার পর কোন যানবাহন কাপ্তাই টু রাঙামাটি সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল না করে।

    রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগীয় কর্মকর্তা এস এম সাজ্জাদ (ডিএফও)জানান,কেউ যেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সন্ধ্যার পর ওই পথে চলাচল না করে। সকলকে এ বিষয়ে  সর্তক থাকার জন্য অনুরোধ করেন।

  • বিশ্ব হাতি দিবসে কাপ্তাইয়ে র‍্যালি ও আলোচনা সভা: হাতির আবাসস্থল রক্ষার আহ্বান

    বিশ্ব হাতি দিবসে কাপ্তাইয়ে র‍্যালি ও আলোচনা সভা: হাতির আবাসস্থল রক্ষার আহ্বান

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হাতির সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও খাদ্যসংকটসহ নানা কারণে হাতি লোকালয়ে চলে আসছে। হাতির চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করা, আবাসস্থল ধ্বংস না করা এবং হাতির কাছাকাছি গিয়ে মোবাইল ফোনে ছবি বা ভিডিও ধারণ করে জীবনের ঝুঁকি না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

    বুধবার (১২ আগস্ট) বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে আয়োজিত র‍্যালি ও আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জের আয়োজনে বুধবার(১২ আগস্ট)  সকাল সাড়ে ১১টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    দক্ষিণ বন বিভাগ এর সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ জামাল হোসেন তালুকদার এর সভাপতিত্বে এবং  সহকারী তথ্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্ত মোঃ মামুনুর রহমান।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ এবং কর্ণফুলী রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার ফজলে রাব্বি সরকার।

    বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে হাতির সংখ্যা ছিল ৩৬টি। বর্তমানে সেখানে আনুমানিক ৪২ থেকে ৪৫টি হাতি রয়েছে। বনাঞ্চলে হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও খাবারের সংকটের কারণে অনেক সময় হাতি লোকালয়ে চলে আসে। এতে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়।

    তারা বলেন, ‘নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় হাতিকে বাঁচাতে হবে।’ মানুষের প্রয়োজনেই বন উজাড় করা হয়েছে। ফলে হাতির প্রাকৃতিক আবাসস্থল ও খাবারের উৎস সংকুচিত হচ্ছে। তাই হাতির আবাসস্থল রক্ষা এবং বন সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    বক্তারা আরও বলেন, হাতি চলাচলের করিডোরে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। হাতির আবাসস্থল ধ্বংস কিংবা দখল করা থেকে বিরত থাকতে হবে। একই সঙ্গে হাতি লোকালয়ে এলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বন বিভাগকে খবর দিতে হবে। কৌতূহলবশত হাতির কাছে গিয়ে ছবি বা ভিডিও ধারণ করা থেকে বিরত থাকার জন্যও তারা আহ্বান জানান।

    এর আগে বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে স্কুলশিক্ষার্থী, বন বিভাগের কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বনের ওপর নির্ভরশীল উপকারভোগীদের অংশগ্রহণে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।

    আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব হাতি দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০০ শিক্ষার্থীর মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।পরে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

  • সাংবাদিক সুরক্ষা আইন ৩ মাসের মধ্যেই করতে হবে

    সাংবাদিক সুরক্ষা আইন ৩ মাসের মধ্যেই করতে হবে

    স্টাফ রিপোর্টার।

    সাংবাদিক সুরক্ষা আইন আগামী ৩ মাসের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে। অনেক টালবাহানা দেখেছি, বৈষম্য দেখেছি- আর নয়।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি ঢাকা জেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারের টালবাহানা দেখেছি। আর দেখতে চাইনা, এবার আইন চাই।

    তিনি বলেন, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের ব্যাপারে ৮ আগস্ট কুমিল্লায় আমরা আল্টিমেটাম দিয়ে এসেছি। নভেম্বর পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করবো। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে আইনটি প্রণয়ন করা না হলে আন্দোলন ছাড়া গতি নেই।

    তিনি বলেন, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন এবং পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। পেশার অস্তিত্ব ও মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করে সাংবাদিকতা অঙ্গনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিতে সরকারের নিকট আহবান জানান তিনি।

    জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ঢাকা জেলার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন। চলতি মাসের মধ্যে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের এক সভা অনুষ্ঠিত।

    মঙ্গলবার (১১আগস্ট২৬) সকাল ১১টায় রাইফেল ক্লাবের সভা উপজেলা কার্যালয়ে নির্বাহী অফিসার মোঃ রায়হানুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রাইফেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম কাদেরী, সহসাধারণ সম্পাদক সিএম এ কাদের বাচ্চু, অর্থ সম্পাদক কাজী মোশাররফ হোসেন, আজিবন সদস্য ফিরোজ  আলম চৌধুরী ,  সদস্য  জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি  ডাঃ রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, শাহাবুদ্দিন চৌধুরী,  নুর বেগম মিতা,লাকী তনচংগ্যা,বিদর্শন বড়ুয়া, মংসুইপ্রু মারমা,ইঞ্জিনিয়ার আদিল হোসেন চৌধুরী, সরোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ। সভায় কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের গৃহ নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এবং কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী জাতীয় শুটিং ফেডারেশন আহবায়ক কমিটির  সদস্য লাভ করার সভায় কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের পক্ষ হতে অভিনন্দন জানানো হয়।

  • কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫দিন  নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু, প্রথম দিন রাজস্ব আয় ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা

    কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫দিন  নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু, প্রথম দিন রাজস্ব আয় ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫ দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু হয়েছে।

    সোমবার (১০ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে কাপ্তাইয়ের জেটিঘাটে অবস্থিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। ফলে  কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিকদের মাঝে।

    মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কাপ্তাই লেকের বিভিন্ন এলাকা—বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, বিলাইছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে জেলেরা নানা প্রজাতির মাছ নিয়ে আসতে থাকেন। সারি সারি বোটে চাপিলা, কাচকি, টেংরা, আইড়, বাইম, বাচা, কালিগুনিয়া, পাবদাসহ বিভিন্ন জাতের মাছের ড্রাম নিয়ে ঘাটে ভিড় করতে দেখা যায়।

    মৎস্য ব্যবসায়ীরা শুল্ক পরিশোধের পর মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে ট্রাকে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলায়  পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর জেলে, ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিকদের ব্যস্ততায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

    মৎস্য ব্যবসায়ী জিয়াউল হক জিয়া, সাজ্জাদ, মো. মাইনুদ্দীন এবং ঘাট শ্রমিক আজগর আলীসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে  জেলেরা ইঞ্জিনচালিত বোট ভর্তি  করে মাছ নিয়ে আসছেন। প্রথম দিন কাচকি, চাপিলা, টেংরা, বাচা, আইড়, কালিগুনিয়া, পাবদা ও বাইম মাছ বেশি ধরা পড়েছে। লেকের পানি কমে এলে ধীরে ধীরে বড় আকারের মাছও বেশি ধরা পড়বে বলে তারা জানান।

    তারা আরও জানান, কাপ্তাই লেক থেকে আহরিত এসব মাছ চট্টগ্রাম, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।

    কাপ্তাই মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নবী হোসেন ও অর্থ সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দীন জানান, দীর্ঘ ৩ মাস ১৫ দিন পর নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। রাঙামাটির মাইনি, শুভলং, বিলাইছড়ির গাছকাটা ছড়া, রাইংখং খালসহ লেকের বিভিন্ন এলাকা থেকে জেলেরা মাছ ধরে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসছেন। এসব মাছ শুল্ক পরিশোধের পর চট্টগ্রাম, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। তবে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাশে লেকে কচুরিপানা থাকায় অবতরণ কেন্দ্রে বোট ভীড়তে কষ্ট হচ্ছে।

    কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন উপকেন্দ্রের প্রধান জসিম উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ অবতরণ শুরু হয়। এদিন বেলা ১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ২৮ হাজার ৮৬৬ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অবতরণ হয়েছে। এসব মাছের বিপরীতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। উল্লেখ্য রাঙামাটি জেলা প্রশাসক   কাপ্তাই লেকে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি বছর ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের জন্য মাছ আহরণ, বাজারজাত ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। পরে লেকের পানির পরিস্থিতি বিবেচনায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়।

    নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সোমবার মধ্যরাত থেকে পুনরায় কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়।

  • আখাউড়ায় ১০ আগষ্ট কল্লাশহীদের ওরশ উদযাপন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

    আখাউড়ায় ১০ আগষ্ট কল্লাশহীদের ওরশ উদযাপন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ায় ঐতিহ্যবাহী খড়মপুর হযরত শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ প্রকাশ্য শাহ্পীর কল্লা শহীদ (র:) সপ্তাহ ব্যপী বার্ষিক ওরশ মোবারক আগামী ১০ আগষ্ট থেকে শুরু হবে।

    শনিবার (৮ আগস্ট) ২০২৬ ইং তারিখ সকাল পৌর শহরের খড়মপুর মাজার শরীফ পরিচালনা কমিটির সভা সম্মেলন কক্ষে ওরশের সার্বিক বিষয় নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মাজার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু ও সদস্য কাজী শরীফ খাদেম।

    কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু বলেন, আগামী ১০ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত সপ্তাহ ব্যপী ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহ শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

    ওরশ উপলক্ষে দেশ ও দেশের বাহির থেকে খড়মপুর মাজারে লাখ লাখ ভক্ত মেহমানের সমাগম হয়ে থাকে। উরশ শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে মাজার পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি খাদেম স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবে। ৩৮ সিসি টিভি ক্যামেরা দ্বারা মাজার শরীফ এলাকা সার্বক্ষনিক মনিটরিং করা হবে।

    মাজার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও ইউএনও তাপসী রাবেয়া জানান, ওরশ চলাকালীন সময়ে মাজার শরীফ এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিন শতাধিক পুলিশ, দুই প্লাটুন ব্যাটালিয়ন আনসার নিয়োজিত থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি, র‌্যাব, বিজিবি, নৌ পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করবেন। ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল টিমও থাকবে। এছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকবেন। আশা করি সকলের সহযোগিতায় সুষ্ঠুভাবে ওরশ উদযাপন করতে পারবো।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ কফিন উদ্দিন মাহমুদ, আখাউড়া থানার সেকেন্ড অফিসার জাহেদুল কাদের, মাজার কমিটির সদস্য তাকদীর খান খাদেম,কামরুল হাসান খাদেম,কাজী রুপম খাদেম, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ আরো অনেকেই ছিলেন।

  • সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন

    সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন

    স্টাফ রিপোর্টার।
    ‎গণমাধ্যম কমিশন গঠন করে সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

    তিনি বলেন, দেশে বিভিন্ন কারণে সাংবাদিক নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে চলেছে। এবং সাংবাদিক হত্যারও বিচারও সেভাবে হচ্ছেনা। দেশ গঠনের পর এ যাবত অনেক সাংবাদিক হত্যার শিকার হলেও অধিকাংশ হত্যা মামলার বিচার হয়নি।
    ‎বাসন মেট্রো থানার প্রেসক্লাবের সভাপতি সাজ্জাকুল ইসলাম রাজ্জাকের সভাপতিত্বে জার্নালিস্ট ওয়েলফার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহীম খলিল ও বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসান মিয়ার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর আরো বলেন, এভাবে চলতে থাকলে নিরাপদে এই পেশায় কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। এখনও সময় আছে, পেশাটির মান রক্ষায় সকলের এগিয়ে আসা উচিত। চারিদিকে ভিন্ন পেশার মানুষেরা সাংবাদিকতায় অনুপ্রবেশ করে পেশাটি কলুষিত করছে, তাদেরকে রুখে দেওয়া উচিত। তাই দ্রুত পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করতে সরকারের নিকট আহবান জানান। এই তালিকায় যেনো অন্য কোনো পেশার মানুষের নাম না ওঠতে পারে সেদিকে সাংবাদিকদের নজর রাখতে হবে। গাজীপুরে কর্মরত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    শুক্রবার ৭ আগস্ট সকাল ১০টায় গাজীপুর চৌরাস্তায় তুহিন চত্বরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার এক বছর উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন।
    ‎তুহিন হত্যা দিবস ও সারাদেশের সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ এবং শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকটি ব্যানারে গাজীপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন গুলো একাত্বতা প্রকাশ করে দ্রুত তুহিন হত্যার বিচার দাবি করেন।

    ‎সমাবেশে বক্তব্য আরো রাখেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, প্রতিদিনের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক।

    এছাড়াও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা সিকান্দার আলী কাবুল, জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আখতারুজ্জামান, ভাওয়াল প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাজহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম হোসেন, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের গাজীপুর মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল বারী, জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের মোঃ ইব্রাহিম খন্দকার, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ গাজী মামুন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সদস্য মোঃ হাসান মিয়া, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা গাজীপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফিরোজ মিয়া, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার সোসাইটির আহবায়ক মো: মানিক, মহানগর প্রেসক্লাবের মো: শহিদুল ইসলাম, বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনজুর আলম সরকার, মোঃ রানা সাংবাদিক ও অভিনেতা, হেলেনা আক্তার, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়াসহ গাজীপুর জেলা, মহানগরের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রোনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

    প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে তৃহিন চত্বরে কয়েকটি ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং মেট্টো থানা প্রেস ক্লাবে দোয়া মিলাদ ও তবারক বিতরণ করা হয়।