Author: adminb

  • কাউখালীতে ৫৪ তম শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    কাউখালীতে ৫৪ তম শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল,মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে, ৫৪ তম শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ৭ই জানুয়ারি(বুধবার) বিকাল ৩ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার হালদার,উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার রিয়াজুল হক, ৩নং সদর চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
    এ সময় অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশুনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা,নেতৃত্বগুণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলে।
    আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত
    দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক,সহকারী শিক্ষক, ক্রীড়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী ক্রীড়াবিদ,অভিভাবক ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন, কেউন্দিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের সহঃ প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান।

  • অর্থ সংকটে  দীর্ঘ ২১বছরের কাপ্তাই স্বর্ণ টিলা জামে মসজিদটি নির্মাণ হয়নি 

    অর্থ সংকটে  দীর্ঘ ২১বছরের কাপ্তাই স্বর্ণ টিলা জামে মসজিদটি নির্মাণ হয়নি 

    কবির হোসেন- কাপ্তাই।

    রাঙামাটির  কাপ্তাই স্বর্ণটিলা জামে মসজিদটি দীর্ঘ ২১ বছরেও অর্থসংকটে পূর্ণ নির্মাণ হয়নি।

    কাপ্তাই উপজেলার ৪নং ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ডে স্বর্ণটিলা জামে মসজিদটি স্থাপিত হয়। স্থাপিত হওয়ার দীর্ঘ বছরেও পূর্ণ নির্মাণ না হওয়ায় এলাকার লোকজন, মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারছেনা। এছাড়া এলাকার শতাধিক শিশু কুরআন শিক্ষা হতে বঞ্চিত রয়েছে।

    জানাযায়, স্বর্ণটিলা মসজিদ এলাকায় ১৩০পরিবার প্রায় পাঁচ শতাধিক লোক বসবাস করে। অত্র এলাকার লোকজন নিম্ন আয়ের মানুষ। দিনে আনে দিনে খায়।কেউ বা নদীতে মাছ শিকার করে সংসার চালায়। এলাকার লোকজন এবং মসজিদ কমিটি সকলে মিলে  মসজিদ নির্মাণের জন্য সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে দশটি  পিলার নির্মাণ করেছে। মসজিদে বাকিঅংশসহ আনুষাঙ্গিক নির্মাণ কাজ অর্থ সংকটের ফলে  বন্ধ রয়েছে।

    মসজিদ কমিটির সভাপতি মো: সেলিম, সদস্য মো.নুরুল আলম জানান,আমরা মসজিদের বাকিঅংশ অর্থের কারনে করতে পারছিনা। এটি পূর্ণ নির্মাণ করতে আরও ১০/১২ লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু এলাকার লোকজন অসহায়, দরিদ্র খেটে খাওয়া তাদের পক্ষে এত টাকা দিয়ে মসজিদটি পূর্ণ নির্মাণ করা সম্ভব হয়। তাই কোন বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তি বা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করছেন।

    মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান,আপনারা সহযোগিতার হাত বাঁড়িয়ে দিলে মসজিদ অবশ্যই ইনশাআল্লাহ পূর্ণ নির্মাণ হবে।তাই মসজিদ টি নির্মাণে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

  • কাউখালীতে মৎস্যজীবীদের মাঝে দেশীয় বকনা বাছুর বিতরণ

    কাউখালীতে মৎস্যজীবীদের মাঝে দেশীয় বকনা বাছুর বিতরণ

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের “দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন প্রকল্প”-এর আওতায় নিবন্ধিত মৎজীবীদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশীয় বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।

    উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৫ জানুয়ারী(সোমবার) দুপর ২ঃ৩০ ঘটিকার সময়, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৬০ জন নিবন্ধিত জেলের মাঝে একটি করে দেশীয় বকনা বাছুর প্রদান করা হয়। প্রকল্পের আওতায় জেলেদের জীবিকায় বৈচিত্র্য আনা এবং মাছের প্রজনন মৌসুমে বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।
    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান,দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণে জেলেদের সম্পৃক্ত করতে এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছ আহরণে চাপ কমাতে এ ধরনের সহায়তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি গবাদি পশু পালনের মাধ্যমে জেলেদের আর্থিক স্বাবলম্বিতাও বাড়বে।
    এ সময় বকনা বাছুর পরিদর্শন সহ বিতরণে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ,উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরেনারী সার্জন ডা. মোঃ মিনহাজুল ইসলাম,৩নং সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক মোঃ মেহেদী হাসান নয়ন, মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও উপকারভোগী মৎসজীবীরা।

  • চিৎমরম ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা

    চিৎমরম ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    দেশনেএী বেগম খালেদা জিয়ার,রুহের মাগফেরাত, ও ছাত্রদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে,৩নং চিৎমরম ইউনিয়ন ছাত্রদল শীতার্তদের মাঝে কম্বল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার সকাল ১১টায় চিৎমরম মুসলিম পাড়া এলাকায় ইউনিয়ন ছাত্রদলের  সভাপতি মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন নিজ উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ ও সাধারণ শিক্ষাথীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

    এসময় ৩নং,চিৎমরম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক সাবেক চেয়ারম্যান ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন,কাপ্তাই উপজেলা তাঁতী দলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কাশেম, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন,ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সিংমং মারমা,উপজেলা তাঁতীদলের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মো. সুজন,চিৎমরম ইউনিয়ন শ্রমিক,দলের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রুবেল,ছাত্রদলের সদস্য, জাফর,মুন্না,নয়ন,সজিব,রাকিব,জুয়েল,নাহিদ, বিজয়,টিপু উপস্থিত ছিলেন।

    পরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় দোয়া মাহফিল ও মুনাজাত করেন হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

  • কেপিএম স্কুলে খালেদা মুজাহিদ টেক সেন্টার উদ্বোধন 

    কেপিএম স্কুলে খালেদা মুজাহিদ টেক সেন্টার উদ্বোধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই  চন্দ্রঘোনা  কর্ণফুলী পেপার মিলস স্কুলে খালেদা মুজাহিদ টেক সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বেসরকারি সংস্থা যত্ন ফাউন্ডেশন এর অর্থায়নে, প্যারাডাইস শিফট এডুকেশন ইন্ক এর বাস্তবায়নে ও কর্ণফুলী পেপার মিলস স্কুল  এর সহযোগিতায় রবিবার ( ৪ জানুয়ারি)  খালেদা মুজাহিদ টেক সেন্টার নামে নবনির্মিত কম্পিউটার ল্যাবরেটরীর উদ্বোধন কার্যক্রমের শুরু করা হয়।

    কেপিএম লিমিটেডের মহা ব্যবস্থাপক ( প্রশাসন)  আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং কেপিএম স্কুল এর শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মাবুদ এর সঞ্চালনায় এতে  প্রধান অতিথি  উপস্থিত ছিলেন কেপিএম লিমিটেডের এমডি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

    বিশেষ অতিথি  ছিলেন যত্ন ফাউন্ডেশনের কো ফাউন্ডার এন্ড প্রেসিডেন্ট নাসরিন মিয়া।

    এসময় কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড এর বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ,অন্যান্য  কর্মকর্তাগণ, সিবিএ নেতৃবৃন্দ, স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ  উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যত্ন ফাউন্ডেশন এর এই উদ্যোগের ফলে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

  • কাউখালিতে জাতীয় সমাজ সেবা দিবস পালিত

    কাউখালিতে জাতীয় সমাজ সেবা দিবস পালিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে “প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যান ও সমতায়,, আস্থা আজ সমাজসেবায়” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে জাতীয় সমাজ সেবা দিবস পালিত হয়েছে।
    দিবসটি উপলক্ষে ৩রা জানুয়ারী(শনিবার) সকাল ১১ ঘটিকার সময় সমাজ সেবায় উপকার ভোগী সদস্যদের নিয়ে এক বর্নাঢ্য র‍্যালি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে, শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।
    র‍্যালি পরবর্তী এক আলোচনা সভা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ মতিউর রহমান এর সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিষয়ের ওপর বক্তব্য রাখেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইয়াকুব হোসেন, ৩নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,এনামুল হক, মোঃ ওমর ফারুক,মোঃ নুরুজ্জামান খোকন সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সুবিধাভোগী সদস্যবৃন্দ ও নানা শ্রেনিপেষার মানুষ।
    আলোচনা শেষে উপকার ভোগী সদস্যদের মাঝে ঋণ সহায়তা সহ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে সুবর্ন নাগরিক কার্ড বিতরণ করা হয় বলে জানা গেছে।

  • কাপ্তাইয়ে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি দিনের বেলায় গাছের গুড়ি জ্বালিয়ে শীত নিবারণ 

    কাপ্তাইয়ে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি দিনের বেলায় গাছের গুড়ি জ্বালিয়ে শীত নিবারণ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    পৌষের শীতে জনজীবন কর্মহীন হয়ে পরেছে খেটে খাওয়া লোকজন। দুপুর পর্যন্ত গাছের গুড়ি জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা যায় খেটে খাওয়া লোকজনকে। এদিকে পাহাড়ি পল্লিতে বেলা ১২/১টা পর্যন্ত সূর্যের কোন দেখা মিলছেনা।

    শীত নিবারণ করতে রাত ও দিন পর্যন্ত গাছের গুড়ি, বনের লতাপাতা জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে বলে জানান, মংথুউ মং মারমা, রনাজয়মং মারমা।

    শীতে বয়োবৃদ্ধ, শিশু ও মহিলারা ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে স্থানীয় হাসপাতাল ও ফার্মেসী গুলোতে চিকিৎসা নিচ্ছে।

    কাপ্তাই উপজেলা স্থানীয় ফার্মেসি হক মেডিকেল হল পল্লি চিকিৎসক বুলবুল ও সুমন দাশ জানান, আমাদের নিকট বেশিরভাগ শিশু ও বয়োবৃদ্ধ লোক চিকিৎসা সেবা নেয়ার জন্য আসে। সর্দি,ঠান্ডা কাশি,হাপানি ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বেশি।

    কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ রুইহলা অং মারমা জানান, তাঁদের হাসপাতালে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত সংখ্যা বেশি। তাঁর মধ্যে বয়োবৃদ্ধ, শিশু সংখ্যা বেশি। তাই এই শীতে সকলকে সর্তক হওয়ার জন্য গরম পোশাক , গরম পানিসহ ডাক্তারের পরামর্শ নেয়ার জন্য আহবান জানান।

  • কাউখালীতে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ

    কাউখালীতে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তিন বারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক থাকায় এ বছর অনানুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ করা হয় ।

    কোনরূপ অনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সকালে কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণে আসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিবুর রহমান, কাউখালী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সবুজ কান্তি সিকদার ও মোঃ রফিকুল ইসলাম ।

    প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে ব‌ই বিতরণ কার্যক্রম ঘুরে দেখান ।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন । নতুন বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে আনন্দের ঝলক দেখা যায়। এভাবে কাউখালী উপজেলার ৬৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ করা হয় ।

  • সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কাউখালীতে দোয়া অনুষ্ঠিত

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কাউখালীতে দোয়া অনুষ্ঠিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, স্টাফ রিপোর্টার।

    সম্প্রতি প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশব্যাপী বাদ জুমা বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    এরই ধারাবাহিকতায় পিরোজপুরের কাউখালীতে ২রা জানুয়ারী (শুক্রবার) কাউখালী দক্ষিণ বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পবিত্র জুমআর নামাজ আদায়ের শেষে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. দ্বীন মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান তালুকদার মামুন সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    জানা যায় উপজেলার প্রতিটি জামে মসজিদে জুময়ার নামাজ শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত এবং তার পরিবারের প্রতি আল্লাহর রহমত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে শোকে বিহ্বল সকল শ্রেণিপেশার মানুষ অশ্রু সিক্ত চোখে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনা পরিচালনা করা হয়।

    দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা ইমরান ফরহাদ।

  • কাশ্মীরে শোরগোল (৩য় পর্ব)—- মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    কাশ্মীরে শোরগোল (৩য় পর্ব)—- মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    কাশ্মীরে শোরগোল
    —– মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    তৃতীয় পর্ব
    আগে জম্মু, কাশাীর উপত্যকা এবং লাদাখ তিনটি আলাদা আলাদা প্রশাসনিক অঞ্চল ছিল। হরি সিং ভারতীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভূক্তির উপকরণে স্বাক্ষর করার পর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী এ অঞ্চল নিয়ে ভারত, পাকিস্তানের প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে ভারত, পাকিস্তান, চীন সকলেই এ অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি শক্তিশালী করে এবং এ অঞ্চলে এখন সার্বক্ষণিক যুদ্ধাবস্থা বজায় রয়েছে।
    ১৯৪৯ সালের যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে “জম্মু”, “কাশ্মীর উপত্যকা” এবং “লাদাখ” ভারতের নিয়ন্ত্রনে থাকে অন্যদিকে “আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর” এবং “গিলগিট-বালতিস্তান” পাকিস্তানের আওতাধীন। নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা আজও বজায় আছে। তবে উভয় দেশ মাঝেমধ্যে অখণ্ড কাশ্মীর নিজেদের কব্জায় নেওয়ার উচ্চাকাঙ্খা পোষণ করে। ভূ-রাজনৈতিক কারনে ভারত-পাকিস্তান এ দু’দেশই কাশ্মীরের জনগণের দুঃখ-দুর্দশাকে উপেক্ষা করে এখানে নিজেদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মহড়াস্থল বানিয়ে রেখেছে।
    বর্তমান প্রেক্ষাপটে কাশ্মীরের জনগণের আশা-আকাঙ্খা তাঁদের নিজেদের ইচ্ছের উপর নির্ভর করে না। কাশ্মীরে রাজনৈতিক সমাধানের চেয়ে ভারত ও পাকিস্তান সামরিক উপায়ে কাশ্মীর সমস্যার সমাধানকে বেশি প্রাধান্য দেয়। যে কারনে কাশ্মীরের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ভারত ও পাকিস্তান দু’দেশের কাছেই বরবারই উপেক্ষিত। প্রত্যেকেই ধর্মীয় বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে কাশ্মীরে যুদ্ধাবস্থা বিরাজমান।
    সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম জনগোষ্ঠির আকাঙ্খা ছিল পাকিস্তানের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর জনগণের ইচ্ছের প্রতিফল ঘটে এবং এ এলাকা নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয় না। কিস্তু ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগণের মতামত অগ্রাহ্য করে ভারতের সাথে জবরদোস্তি অন্তর্ভূক্তির ফলে কাশ্মীর নিয়ে নানামুখী বিতর্ক চলমান আছে এবং সেটা হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল।
    স্থানীয় কাশ্মীর মুসলিম নেতাদের দাবী অনুযায়ী হরি সিং রজ্যের মানুষের কথা সে একটি বারের জন্যও ভাবেননি। মহারাজা হরি সিং এর উচিত ছিল রাজা হিসাবে রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতের মূল্যায়ন করা তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু কাশ্মীরের জনগণের বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা করে সেনাবাহিনী দিয়ে দমন-পীড়ন শুরু করেন। ফলে রাজ্যের মানুষের হরি সিং এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা ছাড়া আর তাঁদের সামনে আর কোনো উপায় ছিল না। রাজার ভূমিকা পালনা না করে তিনি একজন কট্টর হিন্দুত্ববাদী ব্যক্তি হিসাবে নিজেকে ভারতের কাছে সোপার্দ করেছেন এবং ভারতের সাথে বিতর্কিত অন্তর্ভূক্তির উপকরণে স্বাক্ষর করেন। ফলস্বরূপ ভারত সেনা অভিযান পরিচালনা করে জোরজবরদস্তি কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে । হরি সিং প্রকৃত অর্থে কাশ্মীরের জনগণের সাথে প্রতারণা করেছেন।
    যদিও হরি সিং এর পুত্র ডঃ করণ সিং মনে করেন পাকিস্তানের মদদে কাশ্মীরের জনগন বিদ্রোহ করে, যে কারনে তাঁর পিতা ভারতের সাথে অন্তর্ভূক্তির উপকরণে স্বাক্ষর করে এবং কাশ্মীর ভারতের সাথে সম্পৃক্ত হতে বাধ্য হয়েছিল।
    অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবী হরি সিং যখন সংযুক্তি চুক্তি করেছে তখন তাঁর চুক্তি করার কোন অধিকারই ছিল না। সে কারনে পাকিস্তান স্থানীয় কাশ্মীরীদের রক্ষার্থে সমর্থন ও সহায়তা দিতে বাধ্য হয়েছে। পাকিস্তান ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন বন্ধ করার জন্য কাশ্মীরের জনগণকে সহায়তা করেছে। সুতরাং এ নিয়ে পাকিস্তানকে মোটেও সমালোচনা করা যায় না।
    ১৯৪৭ সাল থেকে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের কাছে জম্মু ও কাশ্মীর গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। জম্মু ও কাশ্মীর বিতর্কের অবসান ঘাটানোর উদ্যোগ হিসাবে জাতিসংঘ গণভোটের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরে ভাগ্য নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়। তবে জাতিসংঘ পূর্বশর্ত হিসাবে প্রথমে পাকিস্তানকে জম্মু ও কাশ্মীর হতে সম্পূর্ণ সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভারতকে আংশিক সৈন্য প্রত্যাহার করতে বলে। ভারতের অনড় দাবী পাকিস্তানকে আগে সম্পূর্ণ সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে তারপর ভারত তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করবে। পাকিস্তানের প্রশ্ন তোলে ভারত কাশ্মীর থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করবে এর নিশ্চয়তা কোথায়। পাকিস্তানের কাছে ভারতের অবস্থান বিশ্বাসযোগ্য না হওয়ায় পাকিস্তান তাদের সম্পূর্ণ সৈন্য প্রত্যাহরে রাজি হয়নি।
    অন্যদিকে জাতিসংঘের তৎকালীন নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি জেনারেল ম্যাকনটেন কাশ্মীর সমস্যার স্থানী সমাধানের জন্য ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশকে একই সাথে সকল সৈন্য প্রত্যাহার করার প্রস্তাবনা দেন। কিন্তু ভারত সরাসরি ম্যাকনটন প্রস্তাবকে প্রত্যাখান করে । এরপর স্যার ওয়েন ডিক্সন এর প্রস্তাবও ভারত মেনে নিতে অস্বীকার করে।
    ডিক্সন মিশনের ব্যর্থতার পর মার্কিন রাষ্ট্রদূত লয় হেন্ডারসনের নিজে কাশ্মীর উপত্যকা ভ্রমণ করেন। সে সময় তিনি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন কাশ্মীরের জনগণকে ভারত বা পাকিস্তানের মধ্যে একটিকে দেশকে বেছে নেওয়ার সুযোগ দিলে কাশ্মীর উপত্যকার বেশিরভাগ মানুষই পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হবার আকাঙ্খা প্রকাশ করেন। তবে তাঁদের তৃতীয় একটা পথ বেছে নেওয়ার সুযোগ দিলে সেটা অবশ্যই কাশ্মীরের জনগণের উত্তর “স্বাধীনতা”।
    অন্যদিকে লাদাখ সংলগ্ন আকসাই চিন বৃহত্তর কাশ্মীরের একটি অংশ যা ১৯৬২ সালে চীন ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধের ফলে চীন দখল করে নেয় এবং ১৯৬৩ সাল হতে চীন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তারপর থেকেই আসকাই চিন সংলগ্ন লাদাখ নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে একটা অস্বস্তিকর অবস্থা বিরাজ করছে। লাদাখ সীমান্তে ভারত এবং চীনের সামরিক উপস্থিতি অনেক বেড়েছে এবং এ অঞ্চলেও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
    —-চলবে