Author: adminb

  • জাজিরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    জাজিরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধি:

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    ১৬ ডিসেম্বর ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, থানা পুলিশ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও দেশাত্মবোধক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান এবং তাঁদের স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।

    সব কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালিত হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

  • ১০আর ই ব্যাটালিয়ন কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণ 

    ১০আর ই ব্যাটালিয়ন কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি রিজিয়নের ১০আর ই ব্যাটালিয়ন কর্তৃক শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করেছে।

    সোমবার সকালে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন জীবতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাড়া ও মগবান ইউনিয়নের পানছড়ি পাড়া এলাকায় শীত মৌসুম উপলক্ষে ৩৭টি পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

    শীত বস্ত্র বিতরণ করেন ১০আর ই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এ এস এম সাদিক শাহরিয়ার পিএসসি।

    তিনি জানান সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানের নির্দেশনায় এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় ।

    এলাকার লোকজন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক শীতবস্ত্র কম্বল পেয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    ১০আর ই ব্যাটালিয়ন জানান, ভবিষ্যতে এধরনের সুবিধা বঞ্চিত জনসাধারণের পাশে আমরা আছি এবং থাকব।

  • কাউখালীতে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

    কাউখালীতে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে সোমবার ১১ টায় থানা পুলিশের আয়োজনে পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ এই প্রতিপাদকে সামনে রেখে, মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে কাউখালী থানা প্রাঙ্গনে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়।

    কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইয়াকুব হোসাইন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নেছারাবাদ সার্কেল সাবিহা মেহেবুবা।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সিনিয়র সাংবাদিক এনামুল হক, উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মোঃ আলী হোসেন হাওলাদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মোঃ হাফিজুল্লাহ, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কাউখালী শাখার সভাপতি শিক্ষক মেহেদী হাসান নয়ন, ইউপি সদস্য আজম আলী খান, রুবেল রিয়াজি, মেহেদী হাসান রুবেল, ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক, দফাদার আব্দুল মান্নান, গৃহিণী খাদিজা বেগম।

    অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্ব পালন করেন, কাউখালী থানার এসআই মাসুদ।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধান অতিথি সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাবিহা মেহবুবা বলেন, পুলিশ হল জনগণের বন্ধু। যারা মাদকের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে গ্রেফতার করে মাদকমুক্ত এলাকা করতে হবে। অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ সংক্রান্ত কোনো ঘটনা ঘটলে পুলিশকে তথ্য দিবেন। আগামী জাতীয় সংসদ সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সাথে আপনারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করুন।অনুষ্ঠানের সভাপতি ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, এ দেশটা আমাদের সবাই, সবাইকে মিলেমিশে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা ইতিমধ্যেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছি।

  • কাপ্তাইয়ে দারুল উলুম বড়ইছড়ি নুরানী মাদ্রাসা’র বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ 

    কাপ্তাইয়ে দারুল উলুম বড়ইছড়ি নুরানী মাদ্রাসা’র বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি : 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দারুল উলুম বড়ইছড়ি নুরানী মাদ্রাসা’র বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্টিত হয়েছে।

    সোমবার ১৫ ( ডিসেম্বর)  সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে এ অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়।

    দারুল উলুম বরইছড়ি মাদ্রাসার আয়োজনে এবং মাওলানা সোলায়মান এর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন।

    এসময়  আরো উপস্থিত ছিলেন কর্ণফুলী সরকারি কলেজের  অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজ উদ্দিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো: দিলদার হোসেন, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বারেক,উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান,সহকারী তথ্য অফিসার মো: দোলোয়ার হোসেন,বিএফআইডিসি

    মসজিদের  ইমাম মুফতি   আনোয়ার হোসেন সাইফী  ও সুইডিশ মসজিদের ইমাম মুফতি আব্দুর রহমান । এ সময় বক্তারা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নুরানী  শিক্ষা’র আহবান জানান। অনুষ্টান শেষে অতিথি’রা কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও দেশ ও মানুষের কল্যাণে  বিশেষ দোয়া করা হয়।

  • কাউখালীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শহীদ বেদিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ

    কাউখালীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শহীদ বেদিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তানী বাহিনী পরাজয় নিশ্চিত জেনে তারা নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দুর্বল এবং পঙ্গু করে দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করতে থাকে।
    সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ই ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিজ নিজ গৃহ হতে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। এই পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত।
    ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর ১৪ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
    এরই ধারাবাহিকতায় পিরোজপুরের কাউখালীতে ১৪ই ডিসেম্বর বিকাল ৪ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা দাস,কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াকুব হোসাইন,সরকারী কেজি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুর রহমান,সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায়,সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াদ মাহামুদ সিকদার, মোঃরফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন,উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান, শিক্ষক ও সাংবাদিকবৃন্দ।
    আলোচনা শেষে ১৪ই ডিসেম্বরের সকল শহীদ বুদ্ধিজীবিদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান।
    পরিশেষে বিকাল ৫ ঘটিকার সময় কাউখালি লঞ্চঘাট সংলগ্ন বধ্যভূমির শহীদ বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে দিবসটির সমাপ্তি করা হয়

  • কাপ্তাই হ্রদে পানিস্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন  হচ্ছে ৪০ মেগাওয়াট 

    কাপ্তাই হ্রদে পানিস্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন  হচ্ছে ৪০ মেগাওয়াট 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই হ্রদের পানি  হ্রাস পাওয়ার দরুণ পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। পাঁচটি  ইউনিট হতে মোট  ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে। পানি স্বল্পতার ফলে একটিমাত্র ইউনিট চালু রেখে গড়ে ৪০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

    রবিবার পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র  ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান,  শুষ্ক মৌসুমে দিন দিন কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়ার কারণে বর্তমানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে একটি  ইউনিট চালু  রাখা হয়েছে। কেন্দ্রের ৫ নং ইউনিট হতে গড়ে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

    রুলকার্ভ অনুযায়ী  বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে পানি থাকার কথা ১০৪.৮০  ফুট মিন সি লেভেল। কিন্তু হ্রদে পানি আছে  ৯৮.৯০  ফুট মিন সি লেভেল। পানি কমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন আরোও কমে যেতে পারে বলে তিনি জানান।

  • কাপ্তাইয়ে আইস প্লান্ট উদ্বোধন করেন রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স সভাপতি

    কাপ্তাইয়ে আইস প্লান্ট উদ্বোধন করেন রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স সভাপতি

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটি মাছ,বাঁশ,গাছসহ বিভিন্ন ফসল আমাদের সম্পাদ।আমরা এ সম্পাদককে কাজে লাগিয়ে দেশের  চাকা আরও সুন্দর ও জনকল্যাণে কাজে লাগাতে পারি। মাছ ব্যবসাকে সুরক্ষা করতে আইস অতি প্রয়োজন  । মাছকে রাঙামাটি জেলা তথা কাপ্তাই উপজেলা  হতে অন্য জেলা বা শহরে পরিবহন করে নিতে হলে বরফ  প্রয়োজন।

    শুক্রবার সকাল ১১টায় কাপ্তাই নতুন বাজার আইস প্লান্ট উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথি রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স সভাপতি মোঃ মামুনুর রশিদ মামুন উপরোক্ত বক্তব্যে রাখেন।

    নুর মোহাম্মদ বাবুর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করে কাপ্তাই আইস প্লান্ট পরিচালক মো আবু বক্কর ছিদ্দিক। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিচালক মো ইমতিয়াজ সাকিব। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ আবাসিক প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত),কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন, কাপ্তাই মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো বেলাল হোসেন, কাপ্তাই প্রেসক্লাবে সভাপতি মো কবির হোসেন, মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির অর্থ সম্পাদক মো.শাহাবুদ্দিন ও মৎস্য ব্যবসায়ী  সম্পাদক নবী হোসেন। এর আগে সকালে দোয়া মাহফিল, কুরআন খতম পড়ানো হয়। এবং প্রধান অতিথি সুইচ টিপে আইস প্লান্ট উদ্বোধন করে। এসময় সকল মৎস্য ব্যবসায়ীগন উপস্থিত ছিলেন।

  • হাদীর উপর হামলার প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে  বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    হাদীর উপর হামলার প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে  বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।  

    ইনকিলাব মঞ্চের মূখ্য সমন্বয়ক ওসমান হাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর প্রতিবাদে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বিএনপির  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি এবং এর  অঙ্গ ও সহযোগী  সংগঠনের উদ্যোগে  কাপ্তাই উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর হতে উপজেলা  বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি  বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে  সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডাঃ মোঃ রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক  উথোয়াই মং মারমা।  সমাবেশে  বক্তব্যরা জানান  ওসমান হাদীর ওপর হামলা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিরোধী কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এসময়  উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন কন্ট্রাক্টর, ওয়াগ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম হাবিব মিলু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লা নাহিয়ান ডালিম, উপজেলা তাঁতীদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রহমত উল্লাহ মনু, উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক উহ্লাচিং মারমা, কর্ণফুলি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব রিয়াজ উদ্দিন আকাশ, উপজেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল করিম, সদস্য মোঃ মাসুদসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • কাশ্মীরে শোরগোল (১ম পর্ব)—- মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    কাশ্মীরে শোরগোল (১ম পর্ব)—- মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    কাশ্মীরে শোরগোল
    —– মোহাম্মদ হাসানুর রহমান।

    প্রথম পর্ব

    জনশ্রুতি আছে কাশ্যপ নামক একজন তপস্বী বিশাল এক হ্রদ থেকে এ ভূখণ্ডটি পুনরুদ্ধার করেন। যেটা কাশ্যপামার এবং পরবর্তীকালে কাশ্মীর নামে পরিচিতি লাভ করে। ঐতিহাসিকভাবে কাশ্মীরকে “কাশ্মীর উপত্যকা” নামেই অবিহিত করা হয়। বর্তমানে কাশ্মীর বলতে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু, কাশ্মীর উপত্যকা এবং লাখাদের সমন্বয়ে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য, পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিত-বালতিস্তান এবং চীন নিয়ন্ত্রিত আকসাই চীন ও ট্রান্স-কারাকোরাম ট্র্যাক্ট অঞ্চলকে বোঝানো হয়। এটি উত্তর-পশ্চিম ভারত এবং উত্তর-পূর্ব পাকিস্তানের ৮৬,০০০ (ছিয়াশি হাজার বর্গমাইল) এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি একটি ভূ-স্বর্গ যা জম্মু ও কাশ্মীর নামে পরিচিত।
    সম্রাট অশোক খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে এখানে বৌদ্ধ ধর্মের সূচনা করেন। এরপর ৯ম থেকে ১২শ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত হিন্দু সংস্কৃতির পূণ্যভূমিতে পরিণত হয় এবং হিন্দু রাজার উত্তরসূরীরা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করে। ১৩৩৯ সালে শাহ মীর প্রথম মুসলিম শাসক হিসাবে মীর রাজবংশের গোড়াপত্তন করেন। এরপর মুসলমান শাসকেরা প্রায় পাঁচশত বছর রাজত্ব করেন। যার মধ্যে মুঘল সম্রারাটগণ ১৫৮৬ সাল থেকে ১৭৫১ সাল পর্যন্ত, আফগান দূররানী সম্রারাটগণ ১৭৪৭ সাল থেকে ১৮১৯ সাল পর্যন্ত এ অঞ্চলটি শাসন করেন। মুসলিম সভ্যতার উত্থানে পূর্ববর্তী হিন্দু এবং বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিলোপ না হয়ে বরং এখানে ইসলামী রাজনীতি এবং সংস্কৃতিতে হিন্দু ও বৌদ্ধ সংস্কৃতি বহুলাংশে মিশে যায়। এসময় এখানে নতুন ভাবধারা কাশ্মীরি সুফিবাদের জন্ম হয় । তবে জম্মু ডোগ্রারাজ্য অধিভূক্ত হওয়ার পর এখানে মুসলিম শাসনের ইতি ঘটে।
    মুসলিম শাসনের অবসান হলে রঞ্জিত সিংহের নেতৃত্বে ১৮১৯ সালে কাশ্মীর পাঞ্জাবের শিখরাজ্যের সূচনা হয়। ১৮৪৬ সালে প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধে শিখরা ইংরেজদের কাছে পরাজিত হলে এখানে বৃটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। লাহোর-অমৃতসর চুক্তি অনুসারে জম্মুর ডোগ্রা শাসক রাজা গোলাব সিংহ ব্রিটিশদের নিকট থেকে এ ভূ-খন্ডটি ক্রয় করে কাম্মীরের নতুন শাসক হন। গোলাব সিংহ ও তাঁর বংশধরগণ ব্রিটিশ রাজমুকুটের অনুগত শাসক হিসাবে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত কাশ্মীর শাসন করেন।
    সিন্ধু নদীর পূর্বদিকে এবং রাভি নদীর পশ্চিম দিকে বিস্তৃত অংশ হিমালয় রাজ্য এবং এ অঞ্চলটিকে আক্ষরিক অর্থে স্পষ্টভাবে সজ্ঞায়িত করা হয়নি। অনুগত রাজপরিবারের সহায়তায় ব্রিটিশরা এ রাজ্যের উত্তরদিক সিন্ধুর অগ্রভাগ এবং পরের অংশে’র সুরক্ষিত করেছিল। উনিশ শতকে অঞ্চলটির সীমানা নির্ধারণের জন্য ইংরেজ শাসন আমলে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। মহারাজাদের আধিপত্য সুদূর উত্তরে কারাকরাম পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও দেশের ভৌগলিক প্রকৃতি এবং স্থায়ী জনবসতির অভাবে সে উদ্যোগ তেমনভাবে সফল হয় নি। এছাড়া মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্তান এবং জিনজিয়াং সীমান্তে বিতর্কীত অঞ্চল থাকায় এ সমস্যার বিষয়ে সীমানা নির্ধারণ করা সম্ভবপর হয় নি।
    সীমান্ত প্রস্তুতিকরণ সম্পর্কে উত্তরের অঞ্চলটি- পূর্বদিকে আকসাই-চীন যা তিব্বতের সাথে সুনির্দিষ্টভাবে সীমানা সম্পৃক্ত লাখাদ অঞ্চল নামে পরিচিত। অন্যদিকে ব্রিটিশরা পশ্চিমদিকে আফগানস্থান এবং রাশিয়ার সাথে আলোচনার সময় পারিমিস অঞ্চলে সীমাবদ্ধ করে দেয় যদিও গিলগিত কাশ্মীরের অংশ হিসাবে বোঝানো হতো যা এখন মূলত পাকিস্তান ও চীনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
    র্রিটিশরা রাজ্যটিকে ভারতীয় সাম্রাজ্য, রাশিয়া এবং চিনের মধ্যে এক জটিল রাজনৈতিক বাফার জোনের সৃষ্টি করেছিল, যদিও চীন এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি। ব্রিটিশরা যতদিন এখানে শাসন করে তখন কাশ্মীর সমস্যার তীব্রতা তেমন একটা ছিল না। এমনকি পরবর্তী সময়ে বিষয়টা এতটা জটিল হয়ে উঠবে তখন সেটা উপলদ্ধি করা যায়নি। তবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অবসানের পর থেকেই এ অঞ্চলটি ভারত, পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে সাংঘার্ষিক এক রক্তক্ষয়ী জটিল সমীকরণে বিভক্ত হয়ে পড়ে। বৃটিশরা ভারতবর্ষ ত্যাগের পর এ অঞ্চলে দখলদারিত্বের জন্য সবাই শক্তির প্রসার ঘটিয়েছে । এখানকার ভূ-রাজনৈতিক হিসাবনিকাশ ও বিবাদমান সমস্যার সমাধান কুটনীতির সমাধানের বদলে বন্দুকের উপর নির্ভরতা পেয়েছে। পরাশক্তিধর দেশগুলোর মধ্যকার কৌশলগত দখলদারিত্বের কারনে ১৯৪৭ এর পর থেকে কাশ্মীরের সাধারণ জনগোষ্ঠী যুদ্ধাবস্থা ছাড়া কখনও এ ভূ-স্বর্গের শান্ত রূপ দেখেনি।

  • মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

    মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে ‘মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাব’।

    গত ২০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে আয়োজিত এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২২ সদস্যের একটি কমিটি চূড়ান্ত করা হয় এবং ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধায় আনুষ্ঠানিক ভাবে এই কমিটি আত্মপ্রকাশ করেছে। এই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো: মহিব্বুল্লাহ (তুষার) এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন শান্তনু বিশ্বাস।

    নতুন এই কমিটি গঠনে উপস্থিত সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত ঐক্য এবং দায়িত্ববোধের ওপর জোর দেন। তারা বলেন, মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাব শুধুমাত্র একটি সংগঠন নয়, বরং এটি সাংবাদিকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা তাদের অধিকার রক্ষা এবং সমাজের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে।

    পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা:
    সভাপতি মো: মহিব্বুল্লাহ (তুষার), সি: সহ-সভাপতি মো: সাজ্জাদ হোসেন হাওলাদার, সহ-সভাপতি শাহরিয়ার মাসুম, সাধারণ সম্পাদক শান্তনু বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন (রাজীব), সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম (শিপন), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক (মুন্না), দফতর সম্পাদক তানভীর হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মো: বিল্লাল হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো: মিজানুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এস.এম স্বাধীন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নয়ন আলী,
    নারী বিষয়ক সম্পাদিকা সোনিয়া আক্তার, প্রযুক্তি ও প্রকাশনা সম্পাদক আরমান হোসেন (শান্ত), কার্যকরী সদস্য লাল মিয়া, কার্যকরী সদস্য শ্রী উজ্জ্বল, কার্যকরী সদস্য আরাফাত হোসেন, কার্যকরী সদস্য নাজমুল হোসেন, সদস্য মো: মেহেদী হাসান (রাফী), সদস্য লিটন আফরোজ, সদস্য রিহাম উদ্দিন, সদস্য মো: মিজানুর রহমান,

    সিনিয়র সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মি মোঃ শফিকুল বাশার বলেন, আমি মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির উত্তর উত্তর সফলতা কামনা করছি। সেই সাথে মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর সকল সদস্যদের প্রতি আহ্ববান থাকবে, নির্যাতিত, নিপিড়ীত গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়ীত্য পালন ও ভাগ্য উন্নয়নে সর্বদা একে অপরের পরিপূরক হয়ে পাশে থাকবে, এবং সৎ ও সততার পক্ষে কলম ধরবে অন্যায়, অনিয়ম, দূর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সদা জাগ্রত থাকবে।

    সাধারণ সম্পাদক শান্তনু বিশ্বাস বলেন, মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের জন্য একটি মিলনস্থল হবে, যেখানে তারা নিজেদের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারবে এবং সমাধান খুঁজে নিতে পারবে। আমরা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা এবং সমাজের প্রতি আমাদের দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ। নবগঠিত এই কমিটি সর্ব সম্মতিতে আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

    কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি মো: মহিব্বুল্লাহ (তুষার) বলেন, আমাদের এই নতুন যাত্রা সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা বিশ্বাস করি, একসাথে কাজ করার মাধ্যমে আমরা সাংবাদিকতার মানকে আরও উন্নত করতে পারব।আমি মনে করি মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাব ঐক্য বদ্ধ্য ভাবে প্রশাসনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মোহাম্মদপুর আদাবর শেরে-বাংলা নগরের সকল অন্যায়, অনিয়ম, দূর্নীতি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই বন্ধ করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ ।

    মোহাম্মদপুর প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহতাবুর রহমান বলেন, ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি এবং বিভিন্ন নির্যাতনের স্বীকার হয়েছি। মোহাম্মদপুর এরিয়ায় কাজ করতে গিয়ে কোনো সাংবাদিক সংগঠন বা সাংবাদিকদের সহযোগিতা না পেয়ে হতাশ হয়েছি। সেখান থেকেই মোহাম্মদপুরে সকল গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে একটি সংগঠন করার চিন্তা করি এবং তারই প্রেক্ষিতে আজ মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব এর ২০২৫-২০২৬ কার্যনির্বাহী কমিটির সকলে সাংবাদিকদের পাশে থাকবে এই কামনা করছি। আমার বিশ্বাস মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব মোহাম্মদপুরের সকল অন্যায়, অনিয়ম, দূর্নীতি, চাদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চারভাবে কাজ করবে এবং জনগণের পাশে থেকে বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করবে।