Author: adminb

  • কাশ্মীরে শোরগোল (২য় পর্ব)—- মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    কাশ্মীরে শোরগোল (২য় পর্ব)—- মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    কাশ্মীরে শোরগোল
    —– মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    দ্বিতীয় পর্ব
    বৃটিশরা ভারত উপমহাদেশ ছেড়ে যাওয়ার পূর্বে তাঁদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ছোট-বড় ৫৬৫ টি রাজ্যগুলোকে তাঁদের পছন্দ মাফিক পাকিস্তান অথবা ভারতের সাথে একত্রিত হতে নির্দেশনা দেন। বেশিরভাগ রাজ্যই বৃটিশদের নির্দেশনা মেনে নিয়ে রাজ্যগুলো সুবিধা অনুযায়ী কেউ ভারত আবার কেউ পাকিস্তানের সাথে সম্পৃক্ত হয়। তবে কয়েকটি রাজ্য যুক্ত হওয়ার বিষয়ে কোনো আগ্রহ দেখায়নি। যে রাজ্যগুলো দ্বিধান্বিত তাদের মধ্যে কাশ্মীর ছিল অন্যতম। কশ্মীর ভারত বা পাকিস্তান কারো সাথেই যুক্ত হয়নি ।
    তৎসময়ে কাশ্মীরের জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অর্থাৎ তিন-চতুর্থাংশ মতান্তরে পঁচাশি ভাগই ছিল মুসলিম জনগোষ্ঠী । তবে সেখানে রাজ্যের শাসক ছিলেন একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, যার নাম মহারাজা হরি সিং। এ সময় কাশ্মীরের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসাধারণ চাইছিলো পাকিস্থানের সাথে যোগ দিতে। অন্যদিকে মহারাজা হরি সিং’র পছন্দ ভারত। এমন পরিস্থিতিতে বৃটিশরা কাশ্মীরের রাজপুত্রদের স্বাধীন থাকার বিষয়ে তাঁদের পছন্দ মাফিক পাকিস্তান বা ভারত বা নির্দিষ্ট সংরক্ষণের সাথে স্বাধীন থাকার অধিকার ভোগ করবে মর্মে কাশ্মীর মহারাজা হরি সিংকে নির্দেশনা দিয়ে ভারতবর্ষ থেকে তাঁদের শাসন গুটিয়ে চলে যান।
    মহারাজা হরি সিং রাজ্যের স্থিতি বজায় রাখতে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের সাথেই চুক্তি করতে মনস্থ করেন। কিন্তু তিনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। এছাড়া উপজাতীয় মুসলিম বিপ্লব থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য তিনি তেমন কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সামর্থ্য হন নি। এ কারনেই হরি সিং ১৯৪৭ সালে অক্টোবরে ভারতীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভূক্তির জন্য এক উপকরণে স্বাক্ষর করেন। যদিও সেটা কোনো চুক্তি ছিল না, অতপরও কাশ্মীরের সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা না করে তিনি কেবলমাত্র নিজেকে রক্ষার জন্য ভারতের কাছে সামরিক সহযোগিতা চান । সাধারণ জনগনের পক্ষে পাকিস্তান মমদপুষ্ট উপজাতি গোষ্ঠির আক্রমন প্রতিহত করতে হরিসিং এর আমন্ত্রণে কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনী দমন অভিযান পরিচালনা করে এবং নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান পাকাপোক্ত করে। ইতোমধ্যে মহারাজা হরি সিং পালিয়ে জম্মু শহরে চলে যান।
    ভারতীয় বাহিনীর অভিযানে কাশ্মীরে শান্তি ফিরে আসেনি বরং এ অভিযানের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রথম যুদ্ধ শুরু হয়। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ১৯৪৯ সালের জানুয়ারি মাসে যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হয় এবং যুদ্ধ বিরতি লাইনকে নিয়ন্ত্রন রেখা হিসাবে মেনে নিয়ে এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারত ও পাকিস্তান উভয়পক্ষ অঙ্গীকার করে।
    রাজা হরি সিংস এর অদূরদর্শিতা এবং ইচ্ছের মূল্য চোকাতে গিয়ে অখণ্ড কাশ্মীর বিভক্ত হয়ে পড়ে, একদিকে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট-বালতিস্তান অন্যদিকে ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর। কাশ্মীরের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের আশা আকাঙ্খা অন্ধকারের অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়। স্বাধীনতার বদলে কাশ্মীর নিয়ে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক রশি টানাটানি চলমান এবং এটা বিশ্বের অন্যতম বিপদজনক এক সামরিক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে । স্বাধীন জীবন ব্যবস্থার বিপরীতে কাশ্মীরের নিরীহ জনগণ আজ পরাধীনতার শিকলে বন্দী। একজন অবিবেচক হীন স্বার্থান্বেষী রাজার ইচ্ছে জনদূর্ভোগ কতটা নির্মম হতে পারে সেটা কাশ্মীরে পরিস্থিতি দেখে উপলদ্ধি করা যায়।
    ভূ-স্বর্গ কাশ্মীরের ইতিহাস কখনই মসৃণ ছিল না। ১৯৬২ সালে লাখাদ নিয়ে ভারত- চীন এবং ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান পরস্পরের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯৬৬ সালে তাসখন্দ (উজবেকস্তান) এবং ১৯৭২ সালে সিমলা চুক্তি অনুসারে পারস্পারিক সু-সম্পর্ক বজায় রেখে সহাবস্থান নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন। তবে ১৯৯৯ সালে কারগিল যুদ্ধের কারণে পরিস্থিতি আবারো খারাপ আকার ধারণ করে। অবশেষে ২০০৪ সালে উভয়ের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়। কিন্তু কাশ্মীরে শান্তি আসেনি, ২০০৮ সালে অমরনাথ গুহার মাজারে তীর্থযাত্রীদের আগমন নিয়ে আবারো সহিংসতা শুরু হয়। তীর্থযাত্রীদের জন্য সরকার বনভূমি হস্তান্তরের অনুমোদন দেয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তে কাশ্মীর উপত্যকায় ব্যাপক বিক্ষোভের জন্ম দেয়। বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতারা এবং স্থানীয়রা মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে জনসংখ্যা পরিবর্তনের আশঙ্কা প্রকাশ করে সরকারী সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। পরবর্তীতে সরকার বিক্ষোভের গুরুত্ব আমলে নিয়ে বনভূমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।
    ভারতের হিন্দুবাদী বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারত শাসিত অঞ্চলের স্বায়ত শাসন এবং ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে সেখানে কার্ফু জারি করে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সম্প্রদায় ও ভিন্নমতের উপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। কাশ্মীরে মুসলিম সংগোরিষ্ঠতার স্থলে হিন্দু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ানোই হলো হিন্দুত্ববাদ সরকারের মূল লক্ষ্য বলে অনেকেই আশঙ্কা করেন। অন্যদিকে কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের ধারণা মুসলমান জনগোষ্ঠীকে নির্যাতনের মাধ্যমে দমিয়ে রেখে উগ্রবাদী হিন্দু জনগোষ্ঠীর সুবিধা দিতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এখানে নিপিড়নমূলক তৎপরতা চালাচ্ছে।
    কাশ্মীর ভারত-পাকিস্তান-চীন এ ত্রিদেশীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ধর্মীয় বিভাজন এবং প্রতিকূল পরিবেশ এখানকার নিত্য সঙ্গী। এখানকার মানুষের আচার আচরণ এবং সংস্কৃতিবোধ অনেকটাই আলাদা। সাধারণ মানুষের পক্ষে কশ্মীরের রীতি-নীতি এবং সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হওয়া ও মানিয়ে চলা মোটেও সহজ নয়।
    চলবে

  • কাউখালীতে অভিযানে উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার 

    কাউখালীতে অভিযানে উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার 

    কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা ।
    পিরোজপুরের কাউখালীতে  অভিযানে থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদককে গ্রেফতার করেছে।
    কাউখালী থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে কাউখালী থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কবির লিটন (৫৬)কে উপজেলা সদরের দক্ষিণ বাজার থেকে গ্রেফতার করেছে।
    তার বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার বিল্ডিং নির্মাণে চাঁদা দাবি, মারধর ও আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ককটেল বিস্ফোরণ করার অপরাধ দেখানো হয়েছে।
    এ ব্যাপারে কাউখালী থানার ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি সহ ককটেল বিস্ফোরণের মামলা রয়েছে।
    আজ শনিবার  আসামিকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
  • কাপ্তাইয়ে শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল 

    কাপ্তাইয়ে শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ইনকিলাবের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের বিচারের দাবিতে কাপ্তাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে।

    শুক্রবার বাদ জুমা কাপ্তাই বিএফআইডিসি শিল্প এলাকা বটতল হতে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর  সাধারণ শিক্ষার্থীরা কাপ্তাই নতুন বাজার ও কার্গো মসজিদ পযন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল করে।

    মিছিলটি নতুন বাজার সিএনজি স্টেশনে এসে শেষ হয়। পরে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুইডেন  পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সাধারণ শিক্ষার্থী মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, মো. অনিক ও মো. নাদিমসহ প্রমুখ।

    বিক্ষোভ সভায় ভারতীয় আদিপত্যবাদের মোকাবেলার কন্ঠস্বর শহীদ ওসমান হাদীকে যারা নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত শাস্তির  দাবি জানানো হয়।

  • কাপ্তাইয়ে গুলির শব্দ শুনে গাছ চুরির সরঞ্জাম রেখে পলায়ন

    কাপ্তাইয়ে গুলির শব্দ শুনে গাছ চুরির সরঞ্জাম রেখে পলায়ন

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    কাপ্তাই বনে গাছ চুরি  করতে এসে বন বিভাগের গুলির শব্দ শুনে গাছ চুরির সরঞ্জাম ও নৌকা রেখে চোর পলায়ন।

    শনিবার বেলা ১২টায় একদল গাছ চোর দক্ষিণ বন বিভাগ কাপ্তাই রেঞ্জের শুকনাছড়ি বন বিটের পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় গাছ চুরি করতে আসে।

    এসময় কাপ্তাই রেঞ্জের বন বিভাগের লোকজন গাছ চোরের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। দূর হতে বন বিভাগ এক রাউন্ড গুলি করলে সঙ্ঘবদ্ধ চোর গাছ,নৌকা,গাছ কাটার করাতসহ সরঞ্জাম রেখে পালিয়ে যায়।

    কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা ওমর ফারুক স্বাধীন জানান, আমরা কাপ্তাই পুলিশ ক্যাম্প এর  মাধ্যমে গোপনে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই, যেয়ে দেখি চারজন গাছচোর দূরে রির্জাভ বনের গাছ কর্তন করছে। এসময় আমি এক রাউন্ড ফায়ার করি।

    ফায়ার করার পর চোরদ্বয় গাছকাটার সরঞ্জাম রেখে পালিয়ে যায়। আমরা কর্তনকৃত গাছ,নৌকাসহ উদ্বার করে অফিসে নিয়ে আসি।

    এ বিষয়ে বন মামলা করা হবে বলে জানান।

  • পরিবারে ফিরলো ভারতে পাচার হওয়া ৬জন নারী শিশু

    পরিবারে ফিরলো ভারতে পাচার হওয়া ৬জন নারী শিশু

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ভারতে পাচার হওয়া ৬জন নারী শিশুদের দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
    বেঙ্গালুরু ভারত থেকে এই ৬ জন শিশু নারী পুরুষকে রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রামের বাড়ির খুলনার রুপসায় পাঠানে হয়েছে।

    স্বদেশে ফেরত আনার বিষয়ে পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থার চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম, নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশের এই বন্দী নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করলেন।

    যারা আজ পরিবারের কাছে ফিরে আসলেন তারা হলেন
    খুলনা জেলার রুপসা থাবার সোবহান আলীর মেয়ে হালিমা খাতুন, খুলনার ছরোয়ার মল্লিক এর ছেলে মোঃ রাজু মল্লিক,মোঃ মোহর আলী শেখ এর সন্তান
    মোঃ জাহিদুল ইসলাম,কালাম মাতুব্বার এর সন্তান মোঃ মাহাবুর মাতুব্বার, রাজু মল্লিক এর ছেলে তামিম মল্লিক ও ইব্রাহিম মল্লিক।
    এরা সবাই খুলনা জেলার রুপসা থানার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
    এই সহ ৬ জনকে খুলনা থেকে সিলেট অঞ্চলের দুর্গম এলাকা দিয়ে আসাম হয়ে বেঙ্গালুরু -ভারতে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করা হয় বলে জানান ফিরে আসা ভিকরিমরা।

    ১৬ ডিসেম্বর সকাল ০৯.০০ ইনডিগো ফ্লাইটে বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই এবং চেন্নাই থেকে ১৬.০৫ মিনিটে ঢাকার পথে রওনা হয়ে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে অবতরণ করে রাত ৭.৩০।

    উল্লেখ্য ভারতে পাচার হয়ে বেঙ্গালুরে এরা ভারতীয় পুলিশের কাছে আটক হয়ে দীর্ঘদিন জেলখানা ও শেল্টার হোমে বন্দি ছিল এতদিন। বাংলাদেশ ও ভারতের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে তাদেরকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন বিষয়ে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও পাচারের শিকার মানব উদ্ধার শিশু সুরক্ষা সংস্থার চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম এ বিষয়ে সকল সহযোগিতা করে তদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভুমিকা রেখেছেন।

    এ বিষয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান সৈয়দ খায়রুল আলম জানান মহান বিজয়ের মাসে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বাংলাদেশে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণ করে এই মানবিক কাজটি উৎসর্গ করেছেন।
    খায়রুল আলম জানান ,নিউ আর্ক মিশন অপ ইন্ডিয়া হোমের প্রতিষ্ঠাতা অটো রাজা এবং ম্যানেজার শ্রীবাস কুমার এ বিষয়ে আমার সাথে সর্বকালীন যোগাযোগ করে ভিকটিমদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সহযোগিতা করে থাকেন। অটো রাজার প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন অতি শীঘ্রই আরো যেসকল নারী শিশু ঐ প্রতিষ্ঠানে আছে তাদেরকে ও দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে পারবো।
    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমদ আবু জাফর বলেন ,এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কাজ বাস্তবায়নে সবার সহযোগিতা করা দরকার। আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে আনন্দিত এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি, এরা যেন ঘুরে দাড়াতে পারে। স্হানীয় প্রশাসন তাদেরকে পুর্নবাসনে সহযোগিতা করা দরকার বলেও তিনি জানান।

  • মিডিয়ার ওপর হামলা এবং সাংবাদিক মিলন হত্যার ঘটনায় বিএমএসএফের উদ্বেগ

    মিডিয়ার ওপর হামলা এবং সাংবাদিক মিলন হত্যার ঘটনায় বিএমএসএফের উদ্বেগ

    স্টাফ রিপোর্টার।
    রাজধানীসহ দেশজুড়ে প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবিরের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা এবং খুলনার ডুমুরিয়ার সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে।

    একটি স্বাধীন দেশে গণমাধ্যমের উপর রাজনৈতিক দল কিংবা কোনো গোষ্ঠীর নামে দমনপীড়ন এবং হত্যাযজ্ঞ চরম নিন্দনীয়।

    শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর বলেছেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভখ্যাত গণমাধ্যমকে পুরোপুরি নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে।

    তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় নানা ইস্যুতে গণমাধ্যমের ওপর হামলা, দমন-পীড়ন যেনো রুটিনে পরিণত হয়ে গেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সমালোচনা সহ্য করতে না পারেন তবে সেটা তাদের অদক্ষতা কিংবা গোড়ামী বলে আমরা মনে করি।

    উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যুবরণ করার পরপরই ছাত্র ও তৌহিদী জনতার নামে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ভবনসহ তাদের অধিকাংশ বিভাগীয় ব্যুরো অফিসে হামলা এবং ভাঙচুর চালায়। যা গোটা দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তবে এ ঘটনা গুলোর পুনরাবৃত্তি থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্তি দিতে দ্রুত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা উচিত।

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে তরুণ প্রজন্মের কিংবদন্তি সাহসী যোদ্ধা, বাংলাদেশপন্থী অগ্রনায়ক শরীফ ওসমান হাদী এবং খুলনার ডুমুরিয়ার নির্ভীক সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে তার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

    কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও স্থানীয় ব্যক্তি বর্গের সাথে মতবিনিময় করেছেন নবাগত জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।
    বৃহস্পতিবার (১৮ই ডিসেম্বর) সকাল ১১ঃ৩০ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন,কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াকুব হোসাইন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও কাউখালি উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস.এম. আহসান কবির,সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম দ্বীন মোহাম্মদ,জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ কাউখালী উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম,কাউখালি উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাগন,উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ,শিক্ষক ও সাংবাদিক সহ উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ।
    মত বিনিময় সভায় উপস্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুশীল সমাজ, কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরলে, জেলা প্রশাসক সরকারের সাধ্যের মধ্যে দিয়ে সেগুলো সমাধান করার আশ্বাস প্রদান করেন।
    তিনি আরও বলেন,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা যেন শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এবং সচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষে সকল মহলের সহযোগিতাও কামনা করেন।
    এক পর্যায়ে জেলা প্রশাসক কাউখালীর পূনর্নির্মিত গনপাঠাগার ও নবর্নির্মিত অফিসার্স ক্লাব ভবনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
    অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনায় ছিলেন,উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান।

  • কাপ্তাই সেনা জোনের তত্ত্বাবধানে বিজয় দিবস উদযাপন ও জোন কমান্ডার্স স্কলারশিপ বিতরণ

    কাপ্তাই সেনা জোনের তত্ত্বাবধানে বিজয় দিবস উদযাপন ও জোন কমান্ডার্স স্কলারশিপ বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি রিজিয়নের আওতাধীন কাপ্তাই সেনা জোনের তত্ত্বাবধানে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

    কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিজয় দিবস উদযাপন শেষে ‘জোন কমান্ডার্স স্কলারশিপ–২০২৫’ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। স্কুলের শিশুরা নানা রঙে সজ্জিত হয়ে বিজয় দিবস পালন করে।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকালে কাপ্তাই শিশু নিকেতন বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  উপস্থিত ছিলেন অধিনায়ক রণজয়ী ৩৮ বীর-এর জোন কমান্ডার লেঃকর্ণেল  মো. নাজমুল কাদির শুভ, পিএসসি।

    অনুষ্ঠানে কাপ্তাই শিশু নিকেতন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ ও মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। পরে প্রধান অতিথি জোন কমান্ডার্স স্কলারশিপ–২০২৫ এ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    জোন কমান্ডার্স স্কলারশিপ–২০২৫ পরীক্ষায় মোট ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেড মিলিয়ে ৫৩ জন শিক্ষার্থী স্কলারশিপ অর্জন করে। স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম থেকে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে কাপ্তাই শিশু নিকেতন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী স্কলারশিপ অর্জনের মাধ্যমে বিদ্যালয়টি পুনরায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

    অনুষ্ঠানে  অধিনায়কের সহধর্মিনী মিসেস মৌসুমী ইয়াসমিন, শিশু নিকেতন স্কুলের তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা ও জোন উপ- অধিনায়ক  মেজর মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান,অধ্যক্ষ রেহানা আক্তার,ডা: সাদিয়া ফারজানা দৃষ্টি,মিসেস তামান্না মুজাহিদ,৩৮ বীরের পদস্থ কর্মকর্তা  সহ কাপ্তাই উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় জোন কমান্ডার মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান এবং স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান।

  • অর্থ সংকটের ফলে ৩৮ বছরেও সংস্কার হয়নি কাপ্তাই বাদশা মিয়ার টিলা জামে মসজিদ 

    অর্থ সংকটের ফলে ৩৮ বছরেও সংস্কার হয়নি কাপ্তাই বাদশা মিয়ার টিলা জামে মসজিদ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    অর্থসংকটের ফলে  দীর্ঘ ৩৮বছরেও সংস্কার করা হয়নি জরাজীর্ণ বাদশা মিয়ার টিলা জামে মসজিদটি।

    রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার ৪নং ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে কাপ্তাই হ্দের পাশে ১৯৮৭সনে বাদশা মিয়ার টিলা নামে জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

    উক্ত টিলায়  প্রায় ২৫/৩০ মুসলিম পরিবার ৩৮ বছর যাবত বসবাস করে আসছে। এলাকার বসবাসরত লোকজন অতি দরিদ্র দিনে আনে দিনে খায়।কেউ সাম্পান,নৌকা চালিয়ে চলে,আবার কেউ হ্রদে মাছ শিকার করে  দিনাতিপাত করে থাকে।তাঁদের স্বল্প  আয় দিয়ে কোন রকম মসজিদটি চলে।

    অর্থ সংকটের ফলে  দীর্ঘ বছর যাবত মসজিদটি ,সংস্কার না করার ফলে মসদিজেদর টিন,গাছের খুঁটি এবং হ্রদের পাশে থাকায় মসজিদটির মাটি ধবসে যাচ্ছে।পুরাতন টিন গুলো ছিদ্র হয়ে গেছে।

    মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন জানান,অর্থঅভাবে মসজিটি সংস্কার হচ্ছে না। এটি সংস্কার করা না হলে  এখানকার লোকজন নিয়মিত মসজিদে এসে নামাজ আদায় করতে  পারছেনা। তাই মসজিদ সংস্কারে জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

    মসজিদের মুসল্লী সত্তর উর্ধ্বে মো. শহীদ উল্লাহ জানান,প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান তাদের মসজিটি সংস্কার করার জন্য।

    উক্ত মসজিদের ইমাম আমির হোসেন জানান,মসজিদটি জরাজীর্ণ অবস্থায় দীর্ঘ বছর যাবত অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি,  হ্রদে পানি বৃদ্ধি এবং ইঞ্জিন চালিত বোটের ডেউয়ে মসজিদের ভিতর ফাঁটল,মাটি ধস  নেমেছে। অর্থ সংকটের ফলে এটি সংস্কার করা হচ্ছে না। তিনি প্রশাসনস, সমাজের বৃত্তবান ও  এলাকার সর্বস্তরের নিকট মসজিদটি পূর্ণ সংস্কারের জন্য জোর দাবি জানান ।

  • আখাউড়ায় ১৫০ পিস ইয়াবা সহ একরামুল ও শাওন গ্রেফতার

    আখাউড়ায় ১৫০ পিস ইয়াবা সহ একরামুল ও শাওন গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া থানা পুলিশের বিশেষ
    অভিযানকালে এস.আই(নিরস্ত্র) মোহাম্মদ আলী সঙ্গীয় ফোর্স সহ ধরখার পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার ডিউটি করাকালীন সময়ে ইং-১৭/১২/২০২৫ তারিখ, রাত ৯টা:৪৫ ঘটিকার সময় আখাউড়া থানাধীন ২নং ধরখার ইউপিস্থ বনগজ পূর্বপাড়া কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ এর প্রবেশ মুখে পাকা রাস্তার উপর হইতে ১৫০(একশত পঞ্চাশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১। মোঃ একরামুল ইসলাম(৩৫), পিতা-মৃত আঃ জলিল, মাতা-মৃত ফুলবানু, স্থায়ী সাং-মনিয়ন্দ(চেয়ারম্যান বাড়ীর পাশে), বর্তমানে মসজিদপাড়া (করিম মিয়ার বাড়ী) থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২। শাওন মিয়া(২২), পিতা-বাচ্চু মিয়া, মাতা-খোসনা বেগম, সাং-বনগজ (পূর্বপাড়া), থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়াদ্বয়কে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। উপরোক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।