Category: সারাদেশ

  • বাঘাবাড়ীতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, প্রশাসনের আশ্বাসে প্রত্যাহার

    বাঘাবাড়ীতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, প্রশাসনের আশ্বাসে প্রত্যাহার

    সবুজ হোসেন রাজা, স্টাফ রিপোর্টার। 

    বাঘাবাড়ীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকরা বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।

    খবর পেয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন ও শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং শ্রমিকদের বিভিন্ন বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

    পরে প্রশাসনের আশ্বাসে শ্রমিকরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন। এতে বগুড়া–নগরবাড়ী মহাসড়কে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং যাত্রী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে আসে।

  • কাউখালীতে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে একজন নিহত

    কাউখালীতে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে একজন নিহত

    কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে একজন নিহত হয়েছে।
    জানাযায়, বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০.৩০ মিনিটের সময় উপজেলার শিয়ালকাঠি চৌরাস্তার ২নং ওয়ার্ডের মোবাইল টাওয়ারের পিছনে মৃত নুরুল হকের ছেলে মোঃ সিরাজুল ইসলাম হাইজুল হক (৬০) নিজের পালিত ছাগলের খাবারের জন্য বাড়ির পিছনে কাঁঠাল গাছে উঠে পাতা ও ডাল কাটতে গিয়ে কাউখালী-ভান্ডারিয়া বিদ্যুতের ৩৩ হাজার ভোল্টের তারের সাথে স্পর্শ হলে মুহূর্তেই বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।
    খবর পেয়ে কাউখালী পল্লী বিদ্যুৎ ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লোকজন এসে উক্ত স্থান থেকে উদ্ধার করে।

    কাউখালী পল্লী বিদ্যুতের ইনচার্জ কামাল হোসেন জানান, ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের লাইনের পাসের গাছ থেকে ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়েছে। কিন্তু উক্ত মৃত ব্যক্তি গাছ কাটার সময় আমাদেরকে অবহিত করেননি বিদ্যুৎ বন্ধ করার জন্য।
    কাউখালী থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, বিদ্যুৎপৃষ্টে মৃত ব্যক্তির ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের জন্য জন্য মরদেহ পিরোজপুরে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • কাউখালীতে নতুন পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ:  ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ

    বিশেষ প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুর সড়ক বিভাগাধীন গড়িয়ারপাড়-বানারীপাড়া-ছারছীনা-স্বরূপকাঠী-কাউখালী-নৈকাঠী (জেড-৮০৩৩) জেলা মহাসড়কের ৪৪তম (অংশ) কিলোমিটারে কচুয়াকাঠী বেইলী সেতুর স্থানে একটি আধুনিক পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
    নতুন সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় উক্ত সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন।
    সেতু নির্মাণের সুবিধার্থে কচুয়াকাঠী বেইলী সেতুর উত্তর পার্শ্বে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের মালিকানাধীন জমিতে গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স্থাপনা  ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
    সওজ সড়ক উপ-বিভাগ, কাউখালীর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ আল-আমীন স্বাক্ষরিত ৮ সেপ্টেম্বর এক নোটিশে জানানো হয়, কচুয়াকাঠী মৌজার (জে এল নং-২৪, বিএস খতিয়ান নং-৩, বিএস দাগ নং-১৬৩) সওজ-এর জমিতে গড়ে তোলা টিনশেড, আধাপাকা বাড়ি ও দোকানঘরসহ সব ধরণের অবৈধ স্থাপনা জরুরি ভিত্তিতে অপসারণ করতে হবে।
    নোটিশে  সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত তারিখ  ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে স্থান খালি না করা হলে “মহাসড়ক আইন, ২০২১ অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। জনস্বার্থে ও সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বার্থে বিষয়টিকে অতীব জরুরী হিসেবে গণ্য
  • কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা  মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ কিন্নরীতে  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে  সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. হোসেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আঁখি তালুকদার।

    এসময়  উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রশংসায় সিক্ত কাউখালী থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন

    প্রশংসায় সিক্ত কাউখালী থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী ​।

    পিরোজপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান এবং প্রশংসনীয় সাফল্যের জন্য সম্মাননা সনদ ও নগদ অর্থ পুরস্কার পেয়েছেন কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন।
    ৬ই সেপ্টেম্বর(রবিবার) পিরোজপুর পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে আয়োজিত মাসিক কল্যাণ সভার সভাপতি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী নিজ হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(মঠবাড়িয়া সার্কেল)পার্থ চক্রবর্তী (পিপিএম) জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
    জানা যায় চলতি জুন-জুলাই মাসে রেকর্ড পরিমাণ মাদক উদ্ধার এবং সফলতার সাথে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার করায় কাউখালী থানা পুলিশের এ অর্জনকে পুরো জেলার মধ্যে একটি দৃষ্টান্তমূলক সাফল্য হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
    ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেনের এই অর্জন কেবল ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়,বরং তা কাউখালী থানা পুলিশের নিরলস পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং পলাতক আসামীদের আইনের আওতায় আনতে কাউখালী থানা যে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে, এই পুরস্কার তারই স্বীকৃতি।
    ​সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের সার্বিক কল্যাণ সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পেশাদারিত্ব ও জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মাধ্যমেই জনগণের পূর্ণ আস্থা অর্জন করতে হবে।
    ​পুরস্কার প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় কাউখালী থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান,এই সম্মাননা আগামী দিনে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি বাস্তবায়নে পুরো থানা পুলিশকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি আশাবাদী।
    কাউখালীর সচেতন জনসাধারণ অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেনের এ অর্জন, পুলিশের কর্মস্পৃহা বাড়াতে খুবই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে ধারনা পোষণ করেন।
    ​অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন, সহকারী পুলিশ সুপার(নেছারাবাদ সার্কেল) প্রণয় রায়।

  • কাপ্তাই টু চট্টগ্রাম সড়ক ৩ বছর ধরে পাইলিং জটিলতায় থমকে আছে ব্যাঙছড়ি সেতুর নির্মাণ কাজ

    কাপ্তাই টু চট্টগ্রাম সড়ক ৩ বছর ধরে পাইলিং জটিলতায় থমকে আছে ব্যাঙছড়ি সেতুর নির্মাণ কাজ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের ব্যাঙছড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন পাকা সেতুর কাজ পাইলিং জটিলতায় প্রায় তিন বছর ধরে থমকে আছে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ অস্থায়ী বেইলি ব্রিজ দিয়েই প্রতিদিন শত শত ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করছে। এতে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্যাঙছড়ি এলাকার পুরোনো কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় সেখানে নতুন পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। নির্মাণকাজ শুরু হলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পাশে একটি অস্থায়ী বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পাইলিং-সংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে মূল সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।কাপ্তাই গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা হওয়ায় প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক এখানে আসেন। পাশাপাশি স্থানীয় ও দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বেইলি ব্রিজটি ব্যবহার করতে গিয়ে ঝুঁকি ও ভোগান্তি দুটোই বাড়ছে।স্থানীয় সিএনজি চালক আবু বক্কর ও গিয়াস উদ্দিন, মোটরসাইকেল আরোহী পাইসু মারমা এবং ট্রাকচালক জব্বার বলেন, পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনার পরিবর্তে নতুন পাকা সেতু নির্মাণ শুরু হওয়ায় তারা আশাবাদী হয়েছিলেন। দ্রুত কাজ শেষ হলে নিরাপদে যানবাহন চলাচল করবে—এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ তিন বছর যাবত  কাজ বন্ধ থাকায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। সংস্কার না করার ফলে সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে একাধিকবার সড়ক দূর্ঘটনায় পড়তে হয়েছে বলে চালকগন অভিযোগ করে।   চট্টগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস সমিতির সভাপতি নুর হোসেন জানান,  দীর্ঘদিনেও পাকা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। দ্রুত কাজ শেষ করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।

    দক্ষিণ চট্টগ্রাম ট্রাক সমিতির সভাপতি মির্জা নাজিম উদ্দীন খোকন বলেন, পাকা সেতুর নির্মাণকাজ শুরুর পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। কাজ বন্ধ থাকায় যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তিও হচ্ছে।ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইরফান উল করিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে পাইলিং জটিলতার কারণে কাজের মেয়াদ বাড়ানোর (ওয়ার্ক এক্সটেনশন) প্রয়োজন হয়েছে।নির্মাণকাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, কয়েক মাস ধরে তিনি বেতন পাচ্ছেন না। দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকায় নির্মাণস্থলে রাখা রডসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীও পড়ে থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান,আমি বিষয়টি নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে কথা বলবে বলে জানান। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মাইদুল ইসলাম জানান,  কারিগরি ত্রুটির কারণে কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। দ্রুতই নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করা হবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত পাইলিং জটিলতা নিরসন করে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করা হলে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজের ওপর নির্ভরতা কমবে। একই সঙ্গে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

  • জাজিরায় রান্নাঘরে ককটেল বিস্ফোরণ, গৃহবধূ গুরুতর আহত

    জাজিরায় রান্নাঘরে ককটেল বিস্ফোরণ, গৃহবধূ গুরুতর আহত

    শাহাজাদী সুলতানা , স্টাফ রিপোর্টারঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় রান্নাঘরে মজুত করে রাখা ককটেল বিস্ফোরণে রোকেয়া বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়েছেন।

    বিস্ফোরণের ঘটনায় রান্নাঘরের টিনের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আশপাশের দুটি বসতঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত নারীকে প্রথমে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া চরকান্দি এলাকায় ফারুক ছৈয়ালের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রোকেয়া বেগম ওই বাড়ির মালিক ফারুক ছৈয়ালের স্ত্রী।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে রান্নার কাজে রান্নাঘরে প্রবেশ করেন রোকেয়া বেগম। এ সময় সেখানে রাখা ককটেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের ধাক্কায় রান্নাঘরের টিনের চালা উড়ে গিয়ে পাশের বাঁশবাগানে পড়ে। পাশাপাশি সামাদ ছৈয়াল ও হাকিম ছৈয়ালের দুটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
    বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহত রোকেয়া বেগমকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন।
    স্থানীয়রা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মূলনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল শিকদার ও তমিজ খাঁর পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। এর আগে গত ১০ আগস্ট একই এলাকায় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, ওই সময় ব্যাপক ককটেল বিস্ফোরণ হয়। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং একজনের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়। পরে ককটেল বিস্ফোরণে আহত ৭০ বছর বয়সী মান্নান সরদারের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
    এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক ফারুক ছৈয়ালকে রেজাউল শিকদারের সমর্থক বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তবে রেজাউল শিকদার এ দাবি সরাসরি নাকচ করে বলেন, ফারুক তার মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নিতে পারেন, আবার নিজ ইউনিয়নের রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারেন। তাই তাকে সরাসরি নিজের সমর্থক বলা ঠিক হবে না। ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন বলেও জানান।
    জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর আহম্মেদ বলেন, দুপুরে রোকেয়া বেগমকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে বিস্ফোরণে আহত হওয়ার মতো গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
    জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ্ আহম্মেদ বলেন, রান্নাঘরে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে বিপুল পরিমাণ ককটেল মজুত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিস্ফোরণে রান্নাঘরের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি একজন আহত হয়েছেন।
    তিনি আরও বলেন, ককটেলগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে সেখানে মজুত করেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কাপ্তাই দারুস সালাম নূরানী মাদ্রাসা পাহাড় ধ্বসে ভাঙ্গনের মুখে 

    কাপ্তাই দারুস সালাম নূরানী মাদ্রাসা পাহাড় ধ্বসে ভাঙ্গনের মুখে 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা ১নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের বারঘোনিয়া বন বিট অফিসের পাশে  অবস্থিত দারুস সালাম নূরানী মাদ্রাসাটি ভাঙ্গনের মুখে ।

    বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে কয়েক শিফটে পাঠদান করাচ্ছেন অত্র মাদ্রাসার চারজন শিক্ষক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার শিক্ষার মান উন্নয়নে কিছু সংকট রয়েছে সেগুলো থেকে উত্তরণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ  ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে নেয়া সম্ভব।

    প্রতিষ্ঠানটি পাশের পাহাড় ধসের কারনে যেকোনো মুহূর্তে ভয়াবহ ভাঙ্গনের কবলে পড়তে পারে।

    দারুসসালাম নূরানী মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান,মাদ্রাসার পাশের পাহাড় ধ্বসের  কারণে মাদ্রাসাটি অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মাদ্রাসা ভবনটি গাইড ওয়ালের মাধ্যমে টেকসই  প্রকল্প গ্রহণ করলে অবকাঠামো উন্নয়নসহ শিক্ষার মান উন্নত হবে।

    এ বিষয়ে কথা হলে স্থানীয় সমাজ সেবক মো: কামাল হোসেন জানান,এবারের বৃষ্টিতে পাশের পাহাড়ের কিছুটা অংশ ধ্বস নেমেছে। আমরা বিষয়টি  দ্রুত কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।

    এ বিষয়ে কথা হলে স্থানীয় মেম্বার আবুল হাসেম জানান, মাদ্রাসার সংস্কারের জন্য পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ড একটা প্রকল্প গ্রহণ করে। প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন হলে মাদ্রাসা টি পাহাড় ধ্বসের ঝুঁকি মুক্ত হবে।  মসজিদ কমিটির  সভাপতি এম আর হোসাইন জহির জানান,মাদ্রাসার টেকসই  উন্নয়নে ও পাহাড় ধ্বসের ঝুঁকি এড়াতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো এবং দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

  • দ্য স্টুডেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রামের উদ্যোগে অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

    দ্য স্টুডেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রামের উদ্যোগে অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    দারিদ্র্য ও অসচ্ছলতার কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেছে দ্য স্টুডেন্ট সোসাইটি অব চট্টগ্রাম।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায়  চন্দ্রঘোনা  খ্রিস্টান কুষ্ঠ  হাসপাতাল চত্বরের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অসহায় ও দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে দ্য স্টুডেন্ট সোসাইটি অব চট্টগ্রামের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষাসামগ্রী তুলে দেন।দ্যা স্টুডেন্ট সোসাইটি সম্মনয় কমিটির সিনিয়র সদস্য ও আহবায়ক কলিম উল্লাহ এর সঞ্চালনায় এবং প্রতিষ্ঠতা সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম পারভেজের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দ্যা স্টুডেন্ট সোসাইটি অব চট্টগ্রাম এর উপদেষ্টা ও কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন , প্রধান শিক্ষক ও উপদেষ্টা ফজলুল করিম, সাংবাদিক শান্তি রঞ্জন চাকমা, শিক্ষক মোঃ ফারুক, নয়ন সরকার  আয়োজকরা বলেন, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন

    শিক্ষাসামগ্রী পেয়ে শিক্ষার্থীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানায়।এসময় দ্যা স্টুডেন্ট সোসাইটি অব চট্টগ্রাম এর সদস্য ইসপাত আহমেদ, মোঃ জিহাদ,সাকিন বড়ুয়া লিখন,সাখাওয়াত হোসেন ও সাজ্জাদ হোসেন  উপস্থিত ছিলেন।

  • সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস হত্যা; মূল আসামীকে খালাস দেওয়ায় ক্ষুব্ধ মা

    সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস হত্যা; মূল আসামীকে খালাস দেওয়ায় ক্ষুব্ধ মা

    রংপুর প্রতিনিধি।

    রংপুরে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মশিউর রহমান ওরফে উৎস রহমান হত্যা মামলায় ১১ বছর পর পলাতক একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন। তবে এ রায়ে খুশি হতে পারেননি সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎসের মা নুর জাহান বেগম। তিনি মামলার সকল আসামীদের মৃত্যুদন্ড কামনা করে উচ্চ আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

    এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ রায়ের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। তিনি বলেন, বহুল আলোচিত রংপুরের সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস হত্যাকান্ডে চার্জশীটভুক্ত সকল আসামীর মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিত ছিল। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তৎকালীন সময়ে ঢাকা, রংপুর সহ সারাদেশে সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ সমাবেশ করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছিলেন। কিন্তু এ রায়ে মুল আসামী জহিরন আক্তার জুঁইকে খালাস দেওয়ায় আমরা খুশি হতে পারিনি। মাদককারবারি জুঁইয়ের পরিকল্পনা ও অর্থায়নে ভাড়াটে খুনিদের দ্বারা সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎসকে হত্যা করা হয়। উচ্চ আদালতে মামলাটি পরিচালিত হলে আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে আইনগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছি।

    এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন রুবেল হেমরম। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন এলিন ও শুভ কুমার। দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই পলাতক রয়েছেন। একই মামলায় মূল অভিযুক্ত জহিরন আক্তার জুঁই ওরফে গেদিসহ অন্য আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদী বেলাল।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রংপুরের স্থানীয় দৈনিক যুগের আলো কার্যালয়ে যান পত্রিকাটির স্টাফ রিপোর্টার মশিউর রহমান ওরফে উৎস রহমান। ওই রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকালে নগরীর ধর্মদাস এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
    এ ঘটনায় নিহতের মা নুরজাহান বেগম নুরী রংপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। পরে আদালত ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

    দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে চলা বিচারপ্রক্রিয়ায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে বুধবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
    রায় ঘোষণার পর আদালতের বারান্দায় কান্নায় ভেঙে পড়েন মামলার বাদী ও নিহত সাংবাদিক উৎস রহমানের মা নুরজাহান বেগম। তিনি বলেন, ‘ন্যায় বিচার পাইলাম না। আমি এতদিন আদালতে ঘুরি, কিন্তু ন্যায়বিচার হইল না।’

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হাদী বেলাল ও বাদীপক্ষের আইনজীবী পলাশ কান্তি নাগ বলেন, ‘মামলার অভিযোগ অনুযায়ী জহিরন আক্তার জুঁই ওরফে গেদি ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে সাংবাদিক উৎস রহমানকে হত্যার পরিকল্পনা ও অর্থায়ন করেছিলেন। অথচ আদালত মামলার মূল অভিযুক্তকে খালাস দিয়েছেন।’

    তারা বলেন, ‘এই রায়ে আমরা আইনজীবীসহ নিহতের পরিবার সংক্ষুব্ধ। এ মামলার বিষয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা যদি পার পেয়ে যায়, তাহলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা আরও বাড়বে।’

    এদিকে একমাত্র পুত্র উৎসকে হারিয়ে এবং পুত্রের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বিপাকে মা নুর জাহান বেগম। তিনি চেয়েছিলেন পুত্র হত্যাকারীদের বিচার নিজ চোখে দেখে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবেন। কিন্তু এখন তা হবে কি-না সন্দেহ মা নুর জাহানের। তিনি প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলাটির সঠিক বিচার দাবি করেন।