Author: adminb

  • রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

    রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

    সবুজ হোসেন রাজা, স্টাফ রিপোর্টার।

    ১লা বৈশাখ ১৪৩৩ (১৪ এপ্রিল ২০২৬) সোমবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ৯:০০টায় বৈশাখী শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দিবসের আরম্ভ হয়। শোভাযাত্রাটি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ থেকে শুরু হয়ে শাহজাদপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-২ এ গিয়ে শেষ হয়।

    শোভাযাত্রা শেষে বৈশাখী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হাসান তালুকদার। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩-এর শুভেচ্ছা জানান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩। এদিনটি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ আবহমান সংস্কৃতির অন্যতম স্তম্ভ, উদার মানবিক সংস্কৃতির উজ্জ্বলতম নিদর্শন। এদেশের জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় পহেলা বৈশাখ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে আসছে। এটি আমাদের শক্তি যাকে অবলম্বন করে, ৭১ এবং ২৪-এর চেতনাকে লালন করে আগামীর সমৃদ্ধ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে।

    ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় বলেন, পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩, নতুন বছর বয়ে আনুক গণমানুষের অধিকার, ন্যায় বিচার ও সমতার নতুন অঙ্গীকার। দেশের অগ্রগতি, শান্তি ও উন্নয়নের পথে শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ প্রতিষ্ঠায় আমরা সবাই একসাথে এগিয়ে যাবো এই হোক নববর্ষের প্রত্যাশা এবং আমাদের দৃর প্রত্যয়।

    তিনি বলেন, নববর্ষ অতীতের সকল জরাজীর্ণতা, গ্লানি এবং অপসংস্কৃতিকে ঝেড়ে ফেলে আমাদের সবার জীবনে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। তিনি আবারও সবাইকে পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩-এর শুভেচ্ছা জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

    এছাড়াও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-২ এ বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় মেলার স্টল পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) জনাব নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, ছাত্রহল ও ছাত্রীহলের প্রভোস্ট এবং হাউজ টিউটরবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

    পরবর্তীতে বিকাল ৩:৩০ মিনিটে ব্যান্ডদল কৃষ্ণপক্ষ-এর পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • শাহজাদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন

    শাহজাদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন

    আবু সুফিয়ান নোমান, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

    বিপুল উৎসাহ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম দিন ১লা বৈশাখ।

    এ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
    সকালে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাসফিকা হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে।
    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
    দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে শাহজাদপুরের ঐতিহাসিক রবীন্দ্র কাছারি বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যা নতুন বছরের আগমনে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়।

  • বর্ণিল আয়োজনে কাপ্তাইয়ে বৈশাখ বরণ, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    বর্ণিল আয়োজনে কাপ্তাইয়ে বৈশাখ বরণ, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উদযাপন উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ বরণ করা হয়েছে।

    কাপ্তাই  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে  মঙ্গলবার  সকালে বের করা হয় এক বর্ণিল বৈশাখী শোভাযাত্রা এবং অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    দিনের শুরুতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর থেকে একটি বর্ণিল শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার প্রধান সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ চত্বরে এসে শেষ হয়।

    শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। ঢোল-বাদ্যের তালে তালে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও গ্রামীণ হস্তশিল্পের সমাহারে শোভাযাত্রা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষকে বরণ করে নেন স্থানীয়রা।

    পরে উপজেলা পরিষদ রেস্ট হাউজ চত্বরে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি, কাপ্তাইয়ের শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তের পরিচালনায় এবং বাচিক শিল্পী নুর মোহাম্মদ বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত ও “এসো হে বৈশাখ এসো এসো” পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর একে একে পরিবেশিত হয় বৈশাখী গান, বাউল সংগীত, নৃত্য ও লোকজ পরিবেশনা, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে।

    অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন সভাপতির বক্তব্যে সকলকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    এসময় সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, ওসি (তদন্ত) আমীর সোহেল, সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ ঘোষসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও শিল্পকলা একাডেমির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    অন্যদিকে, নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে রূপসী কাপ্তাইয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠানস্থলে গ্রামীণ খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। খেলাগুলো পরিচালনা করেন রূপসী কাপ্তাইয়ের সম্পাদক সাংবাদিক কাজী মোশাররফ হোসেন।

    উৎসবের এই আয়োজন কাপ্তাইবাসীর মাঝে বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির আবহকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে।

  • কাপ্তাই বিএফআইডিসি মডেল সঃপ্রাঃবিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি 

    কাপ্তাই বিএফআইডিসি মডেল সঃপ্রাঃবিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই বিএফআইডিসি সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরচক্র গভীর রাতে স্কুলের লোহার জানালা ভেঙে সিসি ক্যামেরা, মনিটর,হার্ডডিক্স,, রাউটার, তবলা,নতুন স্কুল ভবনের কল সেটিংস,বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে যায়।এবং স্কুলের কোকারিজ জিনিসপত্র সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলে চলে যায়।

    সোমবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভীন সুলতানা (ভারপ্রাপ্ত)তিনি জানান, সরকারি ভাবে তিনদিন বাংলা নববর্ষ ও চৈত্র সংক্রান্ত বিদ্যালয়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।কিন্তু যারা পঞ্চম শ্রেণীতে বৃত্তি পরীক্ষা দিবে আমরা তাদের কোচিং করার জন্য বিদ্যালয়ে আসি।এবং  চাবি খুলে দেখি প্রধান শিক্ষকসহ সরকারি শিক্ষকদের কক্ষে  কোকারিজ ভাঙ্গাচুরা পড়ে আছে। পরে আরো দেখতে  পাই অন্যান্য জিনিসপত্র  নেই। পরে সকল শিক্ষকদের খবর দেই।এবং বিদ্যালয় হতে সরকারি মালামাল চুরি বিষয়ে শিক্ষা অফিসারসহ সকলকে বিষয়টি অবগতকরি।

    সহকারী শিক্ষক ইসলাম হোসেন জানান, আমরা স্কুলে প্রাথমিক পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি শিক্ষার্থীদের কোচিং করতে এসে দেখি স্কুলের দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

    নতুন স্কুল ভবন নির্মাণ  ঠিকাদারের লোক নাসিম জানান,কাজ করতে এসে দেখি নতুন ভবনের বাথরুমের কল সেটিংসসহ বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে গেছে।

    কাপ্তাই ৪নম্বর ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান জানান, আমি বিষয়টা জেনেছি এবং এ বিষয়ে খোজ খবর নিচ্ছি।

    ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পারভীন সুলতানা জানান, আমরা এ বিষয়ে বিষয়টি কাপ্তাই থানাকে অবগত করেছি। থানার লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিহিত ব্যবস্থা নিবে বলে জানান। উল্লেখ কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক চুরির ঘটনা ঘটে চলছে বলে এলাকার সচেতন মহল জানান।

  • চিৎমরম দূর্গম এলাকায় বন্যহাতির আক্রমণে  নিহত-১

    চিৎমরম দূর্গম এলাকায় বন্যহাতির আক্রমণে  নিহত-১

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির  কাপ্তাই উপজেলা ৩ নম্বর চিৎমরম ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড দূর্গম চাকুয়াপাড়া বন্যহাতি আক্রমণে মংখ্যাইচিং মারমা প্রকাশ মাষ্টার(৬০) নামে একজন নিহত হয়েছেন ।

    তিনি একই ইউনিয়ন এর চিৎমরম বড় পাড়ার  মৃত সাথোয়াই প্রু মারমার ছেলে বলে জানান চিৎমরম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়েশ্লিমং চৌধুরী।

    ইউপি চেয়ারম্যান আরোও জানান, রবিবার (১২ এপ্রিল)  সন্ধ্যা ৭টায়  চাকুয়া পাড়া এলাকায় তিনি বন্য হাতির মুখোমুখি হলে তাকে শুড় দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

    চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  এস এম সাকের(ওসি) জানান  ঘটনাস্থল অনেক দূর্গম হওয়ায় আমরা বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

    এ বিষয়ে দক্ষিণ বন বিভাগ কর্ণফুলী রেঞ্জ কর্মকর্তা আবু নাঈম জানান দূর্গম এলাকা হওয়ার দরুণ আমরা নিরাপত্তা জনিত কারণে রাতে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

  • কাউখালীতে রাস্ট্রীয় আইন বাস্তবায়নে পুলিশের অভিযান পরিচালিত

    কাউখালীতে রাস্ট্রীয় আইন বাস্তবায়নে পুলিশের অভিযান পরিচালিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে রাস্ট্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক আইনশৃঙ্খলার সঠিক বাস্তবায়নে দিনব্যাপি পুলিশের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
    ১২ই এপ্রিল(রবিবার) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও প্রধান প্রধান সড়ক এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী এর নির্দেশক্রমে, কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইয়াকুব হোসাইনের নেতৃত্বে উপজেলায় ব্যাপক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
    অভিযান চলাকালে বাংলাদেশ সরকারের প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার পর দোকানপাট,শপিং মলসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে মাদক,অবৈধ অস্ত্র ও অন্যান্য নিষিদ্ধ দ্রব্যের বিরুদ্ধে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা,অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ ধরনের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনবহুল এলাকায় টহলও জোরদার করা হয় বলে জানা গেছে।
    এ বিষয়ে ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, “সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং জনগণের জানমাল রক্ষায় আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা সর্বদা তৎপর রয়েছি।
    তিনি আরও জানান,অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে কাউখালী উপজেলায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের এই কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

  • জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে দেশব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

    জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে দেশব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

    রবিবার (১২ এপ্রিল ২০২৬) দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে এ স্মারকলিপি পাঠানো হয়।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। দুপুর ১২টায় ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: আব্দুল ওয়ারেছ আনসারীর নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেন, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি গাজী মামুন, জাতীয় প্রেস কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুর রহমান পাভেল, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমা সুলতানা নীলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ খায়রুল আলম, যুগ্ম-সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, দফতর সম্পাদক জাকির হোসেন, অর্থ সম্পাদক সোহেল পারভেজ, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি জাকির হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রনি, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেতা মরিয়ম আক্তার মারিয়া, রোজি আক্তার, পাথর আহমেদ,শাকিল হোসেন সহ ঢাকা জেলা ও মহানগর সহ যাত্রাবাড়ি, ডেমরা শাখার নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়,গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও দেশের সাংবাদিক সমাজ এখনো যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত।

    স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১-৭ মে ১০ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হলে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা আরও সুসংহত হবে।

    নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে মৎস্য, কৃষি, শিক্ষা, পুলিশ, সেনা, আনসার, পুষ্টি ও চিকিৎসা সপ্তাহসহ নানা পেশাভিত্তিক সপ্তাহ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হলেও সাংবাদিকদের জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেই। এমনকি সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা, সুরক্ষা আইন, তালিকা বা নিজস্ব অধিদপ্তর না থাকায় পেশাজীবীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

    স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ৩ মে “বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস” থাকলেও তা বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হয় না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ হাত দোয়া, পা দোয়া দিবসও রাষ্ট্র আয়োজন করে। এ প্রেক্ষিতে, “১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ” রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।

    সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনার মাধ্যমে দেশের সাংবাদিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা ফিরে পাবে।

  • কাপ্তাইয়ে তনচংগ্যা সম্প্রদায়ের বিষু উৎসব  বর্ণিল  র‍্যালি এবং আলোচনা সভা 

    কাপ্তাইয়ে তনচংগ্যা সম্প্রদায়ের বিষু উৎসব  বর্ণিল  র‍্যালি এবং আলোচনা সভা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি: 

    তনচংগ্যা সম্প্রদায়ের বিষু  উৎসব উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বর্ণাঢ়্য র‍্যালি নদীতে ফুল ভাসানো  ও  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বাংলাদেশ তনচংগ্যা কল্যান সংস্থা কাপ্তাই অঞ্চল কমিটি ও দেবতাছড়ি রৈস্যাবিলি অঞ্চল এর যৌথ উদ্যোগে  রবিবার  (১২এপ্রিল) সকাল সাড়ে  ৯ টায় কাপ্তাই  উপজেলা কর্ণফুলি স্টেডিয়াম হতে শুরু হয়ে   র‍্যালিটি কাপ্তাই উপজেলা সদরে এসে শেষ হয়।

    তনচংগ্যা সম্প্রদায়ের নারী, পুরুষ সকলে মিলে ঢাক, ঢোল  বাজিয়ে এবং  নেচে, গেয়ে এই র‍্যালিতে অংশ নেন। এর আগে তনচংগ্যা সম্প্রদায়ের নারী- পুরুষ নতুন পোষাকে সজ্জিত হয়ে  সকলে মিলে কর্ণফুলী নদীতে ফুল ভাসিয়ে দিনের সুচনা করে।

    পরে কাপ্তাই উপজেলা অফিসার্স ক্লাব চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিষু উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব রূপময় তনচংগ্যার সঞ্চলনায় এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চিরনজীত তনচংগ্যা।

    প্রধান অতিথির  বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন। এসময় তিনি বলেন, আজকের বিষু উৎসবে সকল সম্প্রদায়ের লোকজন অংশ নিয়েছেন। এটা আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এই ফুল ভাসানোর উৎসব একদিন বিশ্ব দরবারে পৌঁছে যাবে।

    বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক নির্মল চন্দ্র তনচংগ্যা এবং বাংলাদেশ তনচংগ্যা কল্যান সংস্থা কাপ্তাই অঞ্চল কমিটির সভাপতি অজিত কুমার তনচংগ্যা।

  • কাপ্তাইয়ে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন ও  পুরষ্কার বিতরণ

    কাপ্তাইয়ে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন ও  পুরষ্কার বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি ।

    রাঙামাটির  কাপ্তাই  উপজেলা পর্যায়ে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে। এবং ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও ১০ম বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী  অনুষ্ঠিত  হয়েছে।

    শনিবার সকালে   কাপ্তাই  উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে   উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষ কিন্নরীতে খুদে  বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও  বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ২টি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন।

    ২য় পর্বে  এক আলোচনা সভা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহামুদ হাসান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন  কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন। তিনি বলেন,  তথ্য প্রযুক্তিতে যেই দেশ এগিয়ে সেই দেশ অনেক শক্তিশালী। আমরা যদি বহিঃ বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে চাই,তাহলে  আগামীর শিক্ষার্থীদেরকে তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ করতে হবে।  এসময় বিশেষ অতিথিট  বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ এনামুল হক হাজারী,  সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী,  উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আবদুল্লা আল বাকের, উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সোশেল চাকমা।

    পরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে  বিজয়ী খুদে  বিজ্ঞানীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

  • আমি আপনাদেরই সন্তান,আপনাদের অধিকার আদায়ের একটি কণ্ঠস্বর,আপনাদের সমর্থনই আমার শক্তি–শাহজাদি সুলতানা

    আমি আপনাদেরই সন্তান,আপনাদের অধিকার আদায়ের একটি কণ্ঠস্বর,আপনাদের সমর্থনই আমার শক্তি–শাহজাদি সুলতানা

    বিশেষ প্রতিনিধি।

    আসসালামু আলাইকুম। আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই ঘরের মেয়ে। আজ আমি এখানে দাঁড়িয়েছি কোনো বড় নেতা হিসেবে নয়, বরং আপনাদের সেবক হওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে। শাহজাদী মানে শুধু একটি নাম নয়, শাহজাদী মানে আপনাদের অধিকার আদায়ের একটি কণ্ঠস্বর। আগামী নির্বাচনে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করুন, আমি কথা দিচ্ছি—এই এই এলাকার গণমানুষের সমস্ত দুঃখ দুর্দশা আমার কলমের মাধ্যমে তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ । আপনাদের সমর্থনই আমার শক্তি।”
    সমাজের অর্ধেক আকাশ আপনারা। অথচ নীতি নির্ধারণে আপনাদের কথা সব সময় গুরুত্ব পায় না। শাহজাদী আপনাদেরই প্রতিনিধি। আমি চাই আমাদের এলাকার প্রতিটি নারী যেন নিরাপদে এবং সম্মানের সাথে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে। আপনাদের প্রতিটি সমস্যার সমাধানে আমি সব সময় পাশে থাকব। আমাকে একটিবার সুযোগ দিন, আমি আপনাদের আস্থার প্রতিদান দেব।”