Author: adminb

  • সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী

    সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী

    স্টাফ রিপোর্টার।

    সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলেন হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী।

    নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে প্রশাসনের অন্ধ সমর্থন, নগ্ন হস্তক্ষেপ, নির্বাচনি কাজে উদাসীনতা ও ‘প্রার্থীর নিরাপত্তা সংকটের কথা জানিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারী রাত ৯: ৩০ ঘটিকায় নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন ২৯৮নং খাগড়াছড়ি আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মোস্তফা।

    এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা তার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন। গত ০৮ ফেব্রুয়ারি নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ্য করে জেলা প্রশাসক/জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা বরাবর একজন গানম্যানের আবেদন করেন।

    আবেদন গ্রহণ হলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা/ জেলা প্রশাসক কোনোরূপ পদক্ষেপ বা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। এতে প্রশাসনের উদাসীনতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

    এসময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর থেকে খাগড়াছড়িতে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচার – প্রচারণা করে আসছে ক্ষমতাধর কিছু প্রার্থী। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের দিয়ে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করিয়ে ক্ষমতাধর প্রার্থীগণ প্রচার প্রচারণা করা করিয়ে আসছিলো। আমি সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আচরণ বিধি লঙ্ঘন এর বিচার চেয়ে গত ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ খাগড়াছড়ি ( দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক) নির্বাচনি অপরাধ এবং নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত “নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি” বরাবর লিখিত আবেদন করি।

    আবেদনের ৪৮ ঘন্টা পার হয়ে গেলে উক্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি বা কোনোরূপ বিচার হয়নি। অথচ আমার আবেদনের একদিন পরে হওয়া অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। অনুসন্ধান কমিটি ইচ্ছাকৃতভাবে কালক্ষেপন করছে এবং আমার অভিযোগে উল্লেখিত ব্যক্তিগন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কার্মকর্তা কর্মচারি হওয়ায় এবং জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকায় বিচারিক আদালত পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের আচরণ বিধি লংঘনের ভিডিও এবং ছবি থাকার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে বিচারক আদালত কালক্ষেপণের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করিয়ে অবৈধভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়লাভে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।

    খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ অত্র অঞ্চলের প্রশাসনিক কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জেলা পরিষদের হস্তক্ষেপে অত্র জেলার সম্পূর্ণ প্রশাসনিক কাঠামোকে নিয়ন্ত্রণ করে তাদের মনগড়া মোতাবেক চালাতে পারে। আমার অভিযোগে জেলা পরিষদ সদস্য ও কর্মকর্তাগণ রয়েছেন তাই এই নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হওয়ার কোনোরূপ সম্ভাবনা নাই।কারন যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচার প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছে, তাদেরকে নির্বাচনের দিনের জন্য বিভিন্ন কেন্দ্রে পোলিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব সরকারি কর্মচারী দ্বারা নিরপেক্ষ ভোট আশা করা যায় না। আদালত কালক্ষেপণ মূলক আচরণ করে জেলাপরিষদ সদস্য ও কর্মকর্তা কর্মচারিদের রক্ষা করছেন।

    আমি ৮ ই ফেব্রুয়ারি তারিখের পূর্বেও জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা / জেলা প্রশাসক মহোদয়কে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছি তিনি কোনোরূপ কর্ণপাত করেন নাই। আমি একজন প্রার্থী হিসাবে প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার চেয়েও পাইনি।

    আমার অভিযোগের বিচার করে দোষীদের শাস্তি প্রদান পূর্বক ও প্রশাসনের নগ্ন হস্তক্ষেপ বন্ধ করা নিশ্চিতকরণ পূর্বক নির্বাচন স্থগিত রাখার আহবান জানিয়ে উচ্চ আদালতের দারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেন তিনি।

    হারিকেন মার্কা প্রতীকের কর্মী সমর্থকদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, খাগড়াছড়িতে এই প্রশাসনের মাধ্যমে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। খাগড়াছড়ি জেলার ১৮৯টি কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ সবগুলো কেন্দ্র ক্ষমতাধর প্রার্থী দখল করে দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    খাগড়াছড়িতে নির্বাচনি রেজাল্ট পরিবর্তনেরও তথ্য রয়েছে তাই আমি পূনরায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবো, উচ্চ আদালতে রায় নিয়ে পক্ষপাতমূলক নির্বাচন ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বাস্তবায়ন করতে যাওয়া প্রশাসনের অপসারণের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বাস্তবায়ন পর্যন্ত সকলকে শান্ত থাকার আহবান জানান।

  • কাপ্তাইয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে  নির্বাচনী সরঞ্জাম 

    কাপ্তাইয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে  নির্বাচনী সরঞ্জাম 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের ২২ টি ভোট কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে   নির্বাচনী সরঞ্জাম।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টা হতে কাপ্তাই উপজেলা বিআরডিবি  অফিস হতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিতা পারিয়াল হতে স্ব-স্ব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসাররা নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত ব্যালেট পেপার, সিল, স্বচ্ছ ব্যালেট বাক্স, অমোচনীয় কালি, স্ট্যাম্প প্যাড সহ অন্যান্য সরঞ্জাম বুঝে নেন। এসময় কাপ্তাই সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, কাপ্তাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেলী রুদ্র,  কাপ্তাই  থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল সহ পুলিশ,  আনসার সদস্য এবং  ভোট গ্রহনে সংশ্লিষ্ট  কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিতা পারিয়াল জানান, কাপ্তাই উপজেলার  ৫ টি ইউনিয়নে মোট  ভোটার ৫০ হাজার ৯ শত ৫৯ জন, তৎমধ্যে পুরুষ ভোট ২৬ হাজার ৪ শত ৪১ জন এবং মহিলা ভোটার ২৪ হাজার ৫ শত ১৮ জন।

    ২২ টি ভোট কেন্দ্রে ১০০ টি পুলিং বুথে ২২ জন  প্রিসাইডিং অফিসার  ৯৯ জন   সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং ১ শত  ৯৮ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।

  • কাপ্তাই আনসার ভিডিপি নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ

    কাপ্তাই আনসার ভিডিপি নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    সততা ও দক্ষতার সাথে নির্বাচনে  আনসার ভিডিপি ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর  সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।  মনে রাখতে হবে এবার একটি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহন করা হবে, তাই প্রতিটি ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সেই জন্য অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে আনসার সদস্যদের আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে বলে জানান  কাপ্তাই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাপ্তাই উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো রুহুল আমিন।

    তিনি মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা রেস্ট হাউজ চত্বরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী কাপ্তাই উপজেলার ২২ টি কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার  সদস্যদের

    নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশে একথা বলেন। এসময় কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জহুরা খাতুন বক্তব্য রাখেন। কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিতা পারিয়াল জানান,ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সুন্দর ও শান্তি শৃঙ্খলাভাবে কাপ্তাইয়ের সকল ভোট কেন্দ্রে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।

    কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জহুরা খাতুন বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার ২২ টি কেন্দ্রে সর্বমোট ২শত ৮৬ আনসার ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, তৎমধ্যে পুরুষ আনসার সদস্য  ১শত ৯৮ জন এবং  মহিলা আনসার সদস্য  ৮৮ জন দায়িত্ব পালন করবেন।

  • আপনাদের কাছে ভোট চাইনা,দোয়া চাইঃ মাহামুদ হোসেন

    আপনাদের কাছে ভোট চাইনা,দোয়া চাইঃ মাহামুদ হোসেন

    মোঃ মেহেদী হাসান,স্টাফ রিপোর্টার।

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায়,শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে পিরোজপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহামুদ হোসেন বলেন,আপনাদের কাছে ভোট চাইনা, আপনাদের দোয়া চাই।
    তিনি আরও বলেন, আমার পরিবার একটি রাজনৈতিক পরিবার হওয়া সত্ত্বেও আমরা কখনও ক্ষমতার দাপট কিংবা প্রতিহিংসার রাজনীতির সাথে পরিচিত নই। সব সময় চেষ্টা করেছি মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে। আর এই শিক্ষা আমরা আমাদের পরিবার থেকে পেয়েছি। তাই আগামী নির্বাচনে জয়ী হলে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজগুলো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
    গত ৯ই ফেব্রুয়ারী(সোমবার) ভান্ডারিয়া শহীদ জিয়া ময়দানে ঘোড়া মার্কার সমর্থনে সর্বজনীনভাবে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।
    উল্লেখ্য মাহামুদ হোসেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়ার ভাতিজা।
    অন্যান্যদের মধ্যে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন,বিশিষ্ট শিল্পপতি জাকির হোসেন নিজাম, ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন সরদার, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ রুস্তম আলী খাঁন, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা শরীফ, উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি মামুনুর রশিদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মাহফুজুর ইসলাম উজ্জ্বল, উপজেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বাহাদুর সরদার, ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়ন জেপির সভাপতি রেজা আহমেদ দুলাল প্রমুখ।
    এ সময় ঘোড়া মার্কার সমর্থনে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো জনসভাস্থল,একইসাথে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী মাহামুদ হোসেনের মার্কাকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বলে জানা গেছে।

  • দিনের ভোট দিনে ঝুঁকি নয়, খুঁজুন আস্থার পথ–আহমেদ আবু জাফর

    দিনের ভোট দিনে ঝুঁকি নয়, খুঁজুন আস্থার পথ–আহমেদ আবু জাফর

    দিনের ভোট দিনে ঝুঁকি নয়, খুঁজুন আস্থার পথ-আহমেদ আবু জাফর, সভাপতি, নির্বাহী কমিটি ও চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম।

    জাতীয় নির্বাচন একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক শক্তি ও পরিপক্বতার প্রতিফলন। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ যত স্বচ্ছ ও প্রশ্নমুক্ত হবে, ততই জনগণের আস্থা দৃঢ় হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স ভোটকেন্দ্রে পাঠানোর প্রচলন দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিতর্কিত ও অবিশ্বাসের মুখে ফেলেছে।
    এই প্রেক্ষাপটে “দিনের ভোট রাতে নয়” বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফরের আহ্বানটি বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে। আমরা দেখেছি ইতিপূর্বে ভোটের আগের রাতে ভোট কেন্দ্র গুলো চরম ঝুকিপূর্ণাবস্থা। যেখানে প্রিজাইডিং-পুলিং অফিসার থেকে শুরু করে প্রশাসনের লোকজন কেন্দ্রের ব্যালট-বাক্স পাহারা দিতে গিয়ে চরম খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। গোলাগুলি, হতাহত, ব্যালট বাক্স ছিনতাই কিংবা অধিকাংশ ব্যালটে রাতেই সিল মারার মত চরম নষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে। ফলে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোট খুঁজে পায়নি, এমনকি মৃত্যু ব্যক্তির ভোটও সেরে ফেলেছিলো।

    কেনো দেশের জনগনের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পারা ঐ রাষ্ট্রের পরবর্তী মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হওয়ার প্রথম সফল উদাহরণ। তবে ভোটাধিকার প্রশ্নে বাংলাদেশে তা দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে অনুপস্থিত।

    অনেকেই যুক্তি দেন, ভোটের দিন সকালে ব্যালট পাঠালে ভোটের আগের রাত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ব্যালট পেপার ও বাক্স যদি ভোটের আগের রাতে ভোটকেন্দ্রে না রেখে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রিত হেফাজতেই থাকে, তবে সেই রাত আর ঝুঁকিপূর্ণ থাকে না, বরং ঝুঁকিমুক্ত হয়। এতে অনিয়মের আশঙ্কা, গুজবের সুযোগ এবং অস্বচ্ছতার অভিযোগ অনেকাংশে কমে যায়।

    ভোটের দিন সকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ব্যালট সামগ্রী কেন্দ্রে পৌঁছানো হলে দায়িত্বের সীমারেখা স্পষ্ট হয়। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব পক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। একই সঙ্গে ভোটারদের মনে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মায় যে ভোট শুরুর আগেই তাদের ভোট নিয়ে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার সুযোগ নেই।

    আমরা আশা করছি দীর্ঘদিনের এই পুরানো রুট পরিবর্তন করে নতুন রুটে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশে দিনের ভোট রাতের প্রথাটি বিলুপ্ত হতে বাধ্য। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কেবল ভোট গ্রহণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; ভোটের আগের প্রস্তুতিই নির্ধারণ করে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা। প্রশ্নবিদ্ধ প্রস্তুতি শেষ পর্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ ফলাফলই জন্ম দেয়, যার খেসারত দিতে হয় জনগন, রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রকে।

    অতএব দিনের ভোট দিনের আলোতেই হওয়া উচিত। ভোটের দিন সকালে ব্যালট পেপার ও বাক্স কেন্দ্রে পাঠানো কোনো ঝুঁকির সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি নির্বাচনকে ঝুঁকিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জনআস্থাভিত্তিক করার একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ। নির্বাচন কমিশনের উচিত এই বাস্তবতা অনুধাবন করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া, যা প্রশ্ন নয়, আস্থা তৈরি করে।

  • কাপ্তাইয়ে ধানের শীষ প্রার্থী শেষ শোডাউনে মুখরিত নেতাকর্মী 

    কাপ্তাইয়ে ধানের শীষ প্রার্থী শেষ শোডাউনে মুখরিত নেতাকর্মী 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই ৪নম্বর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ধানের শীষ প্রার্থী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান এর শেষ প্রচারণায় মুখরিত নেতা কর্মীরা।

    সোমবার বিকাল ৫টায় ৪ নম্বর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে সকল অঙ্গ অসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ধানের শীষে ভোট চেয়ে মিছিল করতে দেখা যায়। মিছিলটি কাপ্তাই জেটিঘাট, নতুন বাজার, শিল্প এলাকা, নেভী রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পরে এক সমাবেশ নতুন বাজার আনন্দ মেলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

    ৪নম্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল হাকিম এর সঞ্চালনায় ৪নম্বর  ইউনিয়ন বিএনপির  সভাপতি মোঃ ইউসুফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় ।

    এতে প্রধান অতিথি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লোকমান আহমেদ।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রুবেল, কাপ্তাই তাঁতীদলের সম্পাদক তরিক উল্লাহ, কাপ্তাই ৫নম্বর ওয়ার্ড  নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মো. হারুন।

    এসময় জেলা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক একরাম হোসেন বেলাল, কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাবুদ্দিনসহ ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বলেন,আগামি ১২ফেব্রুয়ারী সকল নেতৃবৃন্দ একসাথে মিলেমিশে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রার্থী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান কে বিজয়ী করার আহবান জানান।

  • সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন না এমন সিদ্ধান্ত ইসির কিনা জানতে চায় বিএমএসএফ

    সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন না এমন সিদ্ধান্ত ইসির কিনা জানতে চায় বিএমএসএফ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)।
    আজ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতিতে বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ, ছবি ও ভিডিও ধারণ, তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন পাঠানোসহ নানাবিধ কাজ করেন। এ ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন সাংবাদিকদের জন্য একটি অপরিহার্য কর্ম-উপকরণ।

    তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশনায় ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হলেও, সাংবাদিকদের বিষয়ে আলাদা করে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় মাঠপর্যায়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

    বিএমএসএফ মনে করে, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে অযথা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে নির্বাচন সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন ব্যাহত হবে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ইতিবাচক নয়।

    বিবৃতিতে আহমেদ আবু জাফর আরও বলেন, সাংবাদিকদের ভোটাধিকার ও পেশাগত স্বাধীনতা রক্ষায় নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট, লিখিত ও বাস্তবসম্মত নির্দেশনা জরুরি। নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য যদি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হয়, তবে দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যতিক্রম ও সুযোগ রাখা উচিত।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান এবং সাংবাদিকদের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা জারির আহ্বান জানাচ্ছে।

  • কানায় কানায় পরিপূর্ণ সোহেল মনজুর সুমনের কাউখালীর নির্বাচনী জনসভা

    কানায় কানায় পরিপূর্ণ সোহেল মনজুর সুমনের কাউখালীর নির্বাচনী জনসভা

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, পিরোজপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী, আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনের এক নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করেন কাউখালী উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন।
    ৮ই ফেব্রুয়ারী(রবিবার) বিকাল ৪ ঘটিকার সময় উপজেলা বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ের সন্মুখে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় হাজারো নেতা কর্মীদের কন্ঠে ধানের শীষের স্লোগানে মুখরিত হয়ে,কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে মাঠের সবুজ চত্বর। দীর্ঘদিন পরে যেন এক বাধভাঙ্গা আনন্দে বিমোহিত হয়ে,আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী তারা তাদের দলের প্রতি পুঞ্জিভূত ভালবাসার প্রতিফলন ঘটাতে চাচ্ছেন।
    কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস.এম. আহসান কবিরের সভাপতিত্বে উক্ত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক(বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান, প্রধান বক্তা এমপি প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,পিরোজপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন,ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান সোহান,
    স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক সদস্য সচিব
    আল বিরুনি সৈকত,কাউখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া,সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান নিক্সন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুদ্দোজা মিয়া,শাফিউল আজম দুলাল, গিয়াস উদ্দিন অলি,সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক।
    এ সময় বক্তারা আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনকে বিজয়ী করার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তারা আরও বলেন, ইতিমধ্যে আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন তার শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৮০০০(আট হাজার) লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। নির্বাচিত হলে বেকারযুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবেনও বলে তারা জনসম্মুখে আস্বস্ত করেন।
    প্রধান বক্তা আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন বলেন, নির্বাচিত হয়ে আমার সর্প্রবথম কাজ হবে অবহেলিত এই কাউখালীর হাসপাতাল,রাস্তাঘাট,বেড়ীবাঁধ সহ সার্বিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। তাই তিনি তার কর্মপরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে উপস্থিত সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।
    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত তালুকদার, শ্রমিক দলের সভাপতি আবু তাহের বেপারী,শাহ ইমরান ফারুক,উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মামুন, যুবদলের সদস্য সচিব শারিফুল আজম সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ, সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল মাহমুদ সুমন,সদস্য সচিব শোয়াইব সিদ্দিক সহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের পাঁচটি ইউনিয়নের নেতা কর্মী ও সমর্থকবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. দ্বীন মোহাম্মদ।

  • নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে বিএমএসএফের স্মারকলিপি প্রদান

    নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে বিএমএসএফের স্মারকলিপি প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার।

    নির্বাচনকালীন সময়ে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সারাদেশের হাজার হাজার সাংবাদিক মাঠে থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু নির্বাচনকালীন দায়িত্বের কারণে অনেক সাংবাদিক নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে না পারায় ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হন, যা একজন নাগরিক হিসেবে তাদের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।

    বিএমএসএফ নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিতে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ভোট প্রদানের সুযোগ যেমন পোস্টাল ব্যালট, অগ্রিম ভোট বা বিকল্প ভোটিং ব্যবস্থার দাবি জানান এবং এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যকর ও সুস্পষ্ট উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

    স্মারকলিপি প্রদানকালে বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, দপ্তর সম্পাদক মো: জাকির হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন প্রমূখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় বিএমএসএফ নেতারা বলেন, “সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপেক্ষ তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করেন। অথচ সেই সাংবাদিকরাই যদি ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হন, তা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য উদ্বেগজনক। আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন সাংবাদিক সমাজের এই যৌক্তিক দাবি বিবেচনায় নেবে।”

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল ৫ হাজার) পিস ইয়াবা সহ মাসুদ গ্রেফতার

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল ৫ হাজার) পিস ইয়াবা সহ মাসুদ গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ০৭/০২/২০২৬ ইং তারিখ রাত অনুমান ৮ ঘটিকার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর অভিযানে, সরাইল থানাধীন শাহবাজপুর বাজারস্থ বায়তুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদ গেইট সংলগ্ন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপর , অভিযান চালিয়ে তল্লাশি করে ৫ হাজার পিস ইয়াবা, ট্যাবলেট উদ্ধারপূর্বক তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়।

    আসামি মাসুদ আহমদ (৫০) পিতা- মৃত তছির উদ্দিন, মাতা- হোসনেআরা বেগম, সাং- কাপনা, ০৪নং ওয়ার্ড, খলাছড়া ইউপি, পো: ঈদগাহ্ বাজার, থানা- জকিগঞ্জ, জেলা- সিলেট।

    আসামীর বিরুদ্ধে সহকারী উপপরিদর্শক রবিউল হাসনাত মামলার বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায় আসামির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে, আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।