Category: অপরাধ

  • কাপ্তাইয়ে বিজিবির অভিযানে ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ও সিএনজিসহ ২ জন আটক

    কাপ্তাইয়ে বিজিবির অভিযানে ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ও সিএনজিসহ ২ জন আটক

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।
    রাঙামাটির কাপ্তাই বর্ডার গার্ড ৪১ বিজিবি গোপন সুত্রে অভিযান চালিয়ে ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা একটি অটোরিকশাসহ দুইজনকে আটক করেছে।
    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ৮টা ৫ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর ১ নম্বর জিপি গেটের কাছে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস, অধিনায়ক, কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর দিকনির্দেশনায় হাবিলদার মো. এখলাছ উদ্দিনের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।

    এসময় কাপ্তাইয়ের ব্যাঙছড়ি গ্রামের উছিলা মারমার ছেলে নিঠু মারমা (৩৩) এবং রাঙামাটি সদরের নাওভাঙা গ্রামের সুনীল চাকমার ছেলে সুপ্রিয় চাকমা (২০)কে আটক করা হয়। বিজিবি জানান অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা ২৮ লাখ ৪৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা, একটি সিএনজি অটোরিকশা (চট্টগ্রাম-থ-১৫-১৭৬৪), একটি স্মার্টফোন, একটি বাটন ফোন, দুটি সিম কার্ড এবং ব্যক্তিগত নগদ ২ হাজার ৯৬০ টাকা জব্দ করা হয়।

    জব্দ করা মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩৪ লাখ ৭০ হাজার ৩৬০ টাকা।
    আটক দুই ব্যক্তি, জব্দ করা মালামাল ও গাড়ি কাপ্তাই থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান।
    কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান দমন, মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশ ও পাচার রোধ এবং সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    বিশেষ প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুরের কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে দুই ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে  ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পিরোজপুরের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায়ের নেতৃত্বে উপজেলার দক্ষিণ ও উত্তর বাজারে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
    অভিযান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ বাজারের ‘কামরুল স্টোর’-এর মালিক মোহাম্মদ কামরুল ইসলামকে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখা ও সয়াবিন তেলের বোতলের মোড়কে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি লেখা থাকার অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া উত্তর বাজারের ‘বিসমিল্লাহ স্টোর’-এর মালিক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনকে একই ধরনের অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
    অভিযানে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোঃ নুরুল আলম বখতিয়ার, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মেহেদী হাসান এবং কাউখালী থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।
    অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায়  বলেন,
    “আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে আজ কাউখালী বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছি। দক্ষিণ ও উত্তর বাজারের দুটি দোকানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখার দায়ে  ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে ও ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
  • কাউখালীতে ৬৯ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

    কাউখালীতে ৬৯ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

    কাউখালী পিরোজপুর প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে অভিযান চালিয়ে ৬৯ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ, দুটি ওয়াকিটকি, দেশীয় অস্ত্র, খেলনা পিস্তল ও পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ডসহ শাওন ইসলাম অপু (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে কাউখালী থানার পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর দিকনির্দেশনায় এবং কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে থানার পুলিশ ও ফোর্সের সমন্বয়ে একটি চৌকস টিম গঠন করা হয়। সোমবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের বিশেষ অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের শিয়ালকাঠী চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানে মৃত শাখাওয়াত হোসেনের দোতলা ভবনের ছাদ থেকে শাওন ইসলাম অপুকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৬৯টি শটগানের কার্তুজ, দুটি ওয়াকিটকি সেট, দুটি ছোরা, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স, একটি ভুয়া পুলিশ আইডি কার্ড এবং একটি চামড়ার অস্ত্রের কভার উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেপ্তার শাওন ইসলাম অপু কাউখালী থানার শিয়ালকাঠী গ্রামের মৃত শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে।

    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ইবাদ আলী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শটগানের কার্তুজ, ওয়াকিটকি ও পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ডসহ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃতকে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হচ্ছে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

  • পিরোজপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে পিরোজপুর গোয়েন্দা পুলিশ।

    পিরোজপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে পিরোজপুর গোয়েন্দা পুলিশ।

    নিউজ ৫২ বাংলা।

    পিরোজপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী এর দিক-নির্দেশনায়, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মো: মাহাবুব এর তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে একটি চৌকস আভিযানিক টিম ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার পিরোজপুর থানা এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে পিরোজপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের পূর্ব খানাকুনিয়ারী সাকিনস্থ জনৈক আনজিরা বেগম এর পরিত্যক্ত ঘরের সামনে হইতে ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম গাঁজাসহ ২জন আসামিকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা, পিরোজপুর ।

    গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন –
    ১। মোঃ আলমগীর মোল্লা(৪৬), পিতা-মোঃ মোক্তার মোল্লা, সাং-মুক্তারকাঠী, ১নং ওয়ার্ড, পিরোজপুর পৌরসভা।

    ২। মোঃসাগর হাওলাদার(৩১), পিতা-মৃত হাবিবুর রহমান, সাং-খানাকুনিয়ারী, ১নং ওয়ার্ড, পিরোজপুর পৌরসভা, থানা ও জেলা-পিরোজপুর।

    তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার রুজু প্রক্রিয়াধীন। ।

    মাদক নির্মূলে পিরোজপুর জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।

  • কাপ্তাইয়ে অবৈধ সারসহ ট্রাক আটক করেছে বিজিবি

    কাপ্তাইয়ে অবৈধ সারসহ ট্রাক আটক করেছে বিজিবি

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কাগজপত্রবিহীন ৩৬ বস্তা ইউরিয়া সারসহ একটি ট্রাক আটক করেছে কাপ্তাই  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) অধীন ঢংছড়ি বিজিবি চেকপোস্টে যানবাহন তল্লাশির সময় এসব সার ও ট্রাক আটক করা হয়।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, আটক করা ৩৬ বস্তা ইউরিয়া সারের পরিমাণ ১ হাজার ৮০০ কেজি। এসব সারের কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। অবৈধভাবে মজুত কিংবা পাচারের উদ্দেশ্যে সারগুলো নেওয়া হচ্ছিল বলে ধারণা করছে বিজিবি।

    আটক করা সারসহ ট্রাকটি কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    বিজিবি জানায়, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধ পণ্য পাচার এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে মাদকসহ অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ প্রতিরোধে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

    এছাড়া কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র-গোলাবারুদ, মাদক ও সার পাচারের সম্ভাব্য রুটগুলো শনাক্ত করে টহল, নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও কঠোর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানান  বিজিবি।

  • বরগুনায় নারী নির্যাতন মামলার তদন্তে গড়িমসির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাদীর আবেদন

    বরগুনায় নারী নির্যাতন মামলার তদন্তে গড়িমসির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাদীর আবেদন

    বরগুনা প্রতিনিধি:

    বরগুনার পাথরঘাটায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা একটি মামলার তদন্তে গড়িমসি, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বিলম্ব এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মামলার বাদী মোসাঃ তানজিলা আক্তার।

    এ বিষয়ে গত ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেন তানজিলা আক্তার। আবেদনের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, বরগুনার পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর এবং মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবেদনে মামলার এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে (১) মোঃ আল আমিন (৩০), পিতা—মোঃ ফারুক হোসেন; (২) মোঃ ফারুক হোসেন (৫৮), পিতা—মৃত আহম্মেদ খন্দকার; এবং (৩) মোসাঃ হাজেরা বেগম (৪৮), স্বামী—মোঃ ফারুক হোসেন-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই বরগুনার বামনা উপজেলার দক্ষিণ রামনা, ৩ নম্বর রামনা ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবেদনে তানজিলা আক্তার অভিযোগ করেন, গত ৮ মে ২০২৬ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বিবাদীরা তাকে মারধর ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। পরে ওই দিন তিনি বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং ১০ মে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    এরপর ১৩ মে নিজের জীবনের নিরাপত্তা, কাবিননামা উদ্ধার, যৌতুক নির্যাতনের প্রতিকার, ন্যায়বিচার এবং অভিযুক্ত ১ নম্বর ব্যক্তির বিদেশ গমন স্থগিতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন বলে জানান তিনি।

    তানজিলার অভিযোগ, এর পরদিন ১৬ মে ১ নম্বর বিবাদী ছাড়া অন্যান্য বিবাদীরা তাদের বাড়িতে এসে যৌতুকের বিষয় নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তাকে পুনরায় মারধর করেন। এ ঘটনায় ওই দিনও তিনি বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পরবর্তীতে ১৭ মে ২০২৬ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরগুনায় পিটিশন মামলা নং-১৪২/২০২৬ দায়ের করেন তানজিলা আক্তার। আদালতের নির্দেশনার পর সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বাদীর অভিযোগ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার এসআই মোঃ হুমায়ুন আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কালক্ষেপণ করছেন। তদন্তের বিষয়ে তাকে বিভিন্নভাবে প্রশ্ন করে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    আবেদনে তানজিলা আরও অভিযোগ করেন, আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে উল্টো প্রশ্ন করে বলেন—‘কোন কোন বিবাদীকে ধরব?’ তদন্তকারী কর্মকর্তার এমন আচরণে তিনি উদ্বিগ্ন ও হতাশ হয়ে পড়েছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন।

    বাদীর দাবি, তদন্তে এ ধরনের বিলম্ব ও তদন্তকারী কর্মকর্তার আচরণের কারণে মামলাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত নাও হতে পারে এবং তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগসাজশ বা প্রভাবের কারণে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন কি না, সে বিষয়টিও নিরপেক্ষভাবে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার এসআই মোঃ হুমায়ুন বলেন, মামলার এজাহারে ১ নম্বর আসামি মোঃ আল আমিন বিদেশে অবস্থান করছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত ওই আসামিকে কীভাবে গ্রেপ্তার করা হবে, সে বিষয়ে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আসামিরা সত্যিই বাদীকে মারধর করেছেন কিনা, সে বিষয়েও তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

    তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে বাদীর দাবি, মামলার তদন্তে অযথা বিলম্ব করা হচ্ছে এবং তিনি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা ও নিরপেক্ষ তদন্ত চান।

    উল্লেখ্য, বাদীর করা পিটিশন মামলার নথিতে ১ নম্বর আসামি মোঃ আল আমিনের বিদেশে অবস্থান এবং দেশে ফিরে আসার বিষয়ে তথ্য রয়েছে। ফলে তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্যে উল্লিখিত ‘বিদেশে অবস্থান’ সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি মামলার মূল নথিতে থাকা সংশ্লিষ্ট তথ্যও যাচাই করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    এ অবস্থায় বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনবোধে তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন এবং কোনো ঊর্ধ্বতন বা নিরপেক্ষ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটির তদন্তের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন বাদী। একই সঙ্গে এজাহারনামীয় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি, চাপ বা হয়রানির শিকার হতে না দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    আবেদনের সঙ্গে ৮ মে ও ১৬ মে তারিখের চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র, ১০ মে দায়ের করা অভিযোগের অনুলিপি, ১৩ মে বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া আবেদনের অনুলিপি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরগুনায় দায়ের করা পিটিশন মামলা নং-১৪২/২০২৬-এর কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর হামলায় আটক-১

    কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর হামলায় আটক-১

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে সরকারি দায়িত্ব পালনকালে নৌ পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
    ১৯শে আগস্ট(বুধবার) দুপুর পৌনে দুইটার দিকে উপজেলার ২ নং আমরাজুড়ি ইউনিয়নের কুমিয়ান এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ পন্টুন সংলগ্ন গোপাল স্টোরের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
    এ সময় এক পুলিশ কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত ও ইট দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধারে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পরিদর্শকসহ আরও পাঁচ পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়,সন্ধ্যা নদীতে নিয়মিত টহল শেষে নৌ পুলিশের একটি দল ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট এলাকায় ফুট পেট্রোল করছিল। এ সময় একই এলাকার মোঃ কালাম ব্যাপারীর পুত্র মোঃ শান্ত(২২), পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে গালিগালাজ করতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা তার এ অশোভন আচরণের কারণ জানতে চাইলে তৎক্ষনাত সে পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

    খবর পেয়ে কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে শান্তকে শান্ত করার চেষ্টা করলে এ সময় শান্ত ও তার সহযোগীরা বাঁশের লাঠি,ইট ও ধারালো চাকু নিয়ে নৌ পুলিশের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। হামলাকারীরা কনস্টেবল মোঃ জাকির হোসেনকে চাকু ও ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে
    কনস্টেবল জাকিরকে উদ্ধারে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন,এসআই প্রসেনজীৎ দেবনাথ, কনস্টেবল শ্যামলেশ কুমার মন্ডল,কনস্টেবল মোঃ সাকির হোসেন ও কনস্টেবল মোঃ পারভেজ শিকদার এগিয়ে এলে তারাও হামলায় আহত হয় বলে জানা গেছে।
    এ সময় পুলিশ সদস্যদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে কাউখালী থানা পুলিশ আহত নৌ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
    এ ঘটনায় নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা,পুলিশ সদস্যদের মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
    কাউখালী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মোঃ শান্তকে আটক করে এবং বাকী আসামিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।
    কাউখালী থানার ওসি(তদন্ত) এবাদ আলী মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত শান্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বাজারে ঘোরাফেরা করায় ৬ শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর

    বাজারে ঘোরাফেরা করায় ৬ শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর

    কাউখালী(পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

    ক্লাস চলাকালীন বিদ্যালয়ের বাইরে অবস্থান ও ঘোরাফেরা করায় পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ছয় শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বুধবার(১৯ আগস্ট) বিদ্যালয়সংলগ্ন কেউন্দিয়া বাজারে তাদের অবস্থান করতে দেখা যায়।
    বিদ্যালয়ের এক শুভাকাঙ্ক্ষী ও দায়িত্বশীল অভিভাবক মো. রুবেল হোসেনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগী করা এবং বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতির বিষয়ে সচেতন করার উদ্যোগ হিসেবে তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মো. রুবেল হোসেনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

    এ বিষয়ে কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক চন্দ্র হালদার বলেন, “ক্লাস চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ের বাইরে বাজারে ঘোরাফেরা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে পাঠদান গ্রহণ করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব। অভিভাবকদেরও সন্তানের বিদ্যালয়ে যাওয়া ও ক্লাসে উপস্থিতির বিষয়টি নিয়মিত খোঁজ নিতে হবে।”
    তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অকারণে ক্লাস ফাঁকি দেওয়া, বিদ্যালয়ের বাইরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা কিংবা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। মাদক,ইভটিজিং,কিশোর গ্যাং, মারামারি,চুরি, অনলাইনভিত্তিক অপরাধসহ যেকোনো অপরাধ থেকে তাদের দূরে থাকতে হবে। এসব বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই বয়স ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই আইন মেনে চলা, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার চর্চা করতে হবে।”
    প্রধান শিক্ষক বলেন, “শিক্ষার্থীদের শাসন করার উদ্দেশ্য শাস্তি দেওয়া নয়,বরং তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা। কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দিলে বা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। অভিভাবক,শিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে শিক্ষার্থীদের বিপথে যাওয়া রোধ করা সম্ভব।”
    তিনি ছয় শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের আগামী ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় খোলার সময় প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
    এদিকে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,ম্যানেজিং কমিটি,অভিভাবক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মো. রুবেল হোসেনকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলেন,শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এমন সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

  • কাউখালীতে ভাত খাওয়া নিয়ে কলহে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    কাউখালীতে ভাত খাওয়া নিয়ে কলহে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    কাউখালী(পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে কাঠের ডাসা দিয়ে মাথায় আঘাত করে কানন বালা(৬৫) নামে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলে সুজন বালার(৩০)বিরুদ্ধে।
    এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রি বুলু বাদী হয়ে কাউখালী থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

    মামলার এজাহার ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণী অনুযায়ী,গত ১৬ আগস্ট রবিবার কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালকাঠী গ্রামের একটি বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কানন বালা ওই গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত সুজন বালা তাঁর ছেলে।
    এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন,পারিবারিক বিষয় নিয়ে সুজন বালার সঙ্গে তাঁর মা কানন বালার বিরোধ চলছিল। ঘটনারদিন রাতে সুজন বাহির থেকে এসে ভাত খেতে গেলে,পাতিলে কম ভাত দেখে দেখে এ নিয়ে সুজন বালা তাঁর মায়ের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি কাঠের ডাসা দিয়ে কানন বালার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে কানন বালা গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।
    অভিযোগে আরও বলা হয়, গুরুতর আহত অবস্থায় কানন বালা ঘরের ভেতরে ছিলেন। পরে সুজন ঘুম থেকে উঠে আহত মাকে পরিবারের সহযোগিতায় উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তার অবস্থার গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল ৯ঃ৩০ সময় তাঁর মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রি বুলু বাদী হয়ে ১৭আগস্ট কাউখালী থানায় মামলা করেন। মামলায় সুজন বালাকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

    কাউখালী থানার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে ঘটনাস্থল হিসেবে শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালকাঠী গ্রামের নিহত কানন বালার বসতঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশের একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কার কী ভূমিকা ছিল,তদন্তের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হবে।
    এটি এজাহার ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর ভিত্তিতে তৈরি সংবাদ। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করতে হবে।

    এ বিষয়ে কাউখালী থানা ওসি (তদন্ত)মোঃ এবাদ আলী মোল্লা বলেন, উক্ত বিষয়ে থানায় নিহত কানন বালার ভাই বাদী হয়ে একটি মামলা করেন, আসামি সুজনকে আটক করে,আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১৮ আগষ্ট মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

    কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

    বিশেষ প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালী থানা পুলিশের অভিযানে ৬০ গ্রাম গাঁজা ও পাঁচ পিস ইয়াবাসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোর রাতে উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,কাউখালী উপজেলার আস্পদ্দি গ্রামের নিরঞ্জন দাসের ছেলে ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের নাইট গার্ড সঞ্জীব দাস (৩৫) এবং পার্শ্ববর্তী রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ শাহিন হোসেন (৩৪)।
    অভিযানে নেতৃত্ব দেন, কাউখালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মহিউদ্দিন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোর রাতে কাউখালী থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভেতর থেকে নাইটগার্ড সঞ্জীব দাসকে ৬০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। একই রাতে উপজেলার বাশরী এলাকার একটি ভাড়াটিয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মোঃ শাহিনকে ০৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের  বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।