Category: অপরাধ

  • সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য’র ছেলে রাসেল নিহত

    সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য’র ছেলে রাসেল নিহত

    কাপ্তাই(রাঙামাটি) প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই – চট্টগ্রাম সড়কের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কাটাখালী তক্তারপুল এলাকায় লাল-সবুজ পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় মো. রাসেল (২৩) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় তার ডান পা উরু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    ঘটনাটি ঘটেছে   বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত দশটায়।

    নিহত রাসেল রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২নং রাইখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের  বর্তমান ইউপি সদস্য শেখ মোহাম্মদ নাছের মেম্বারের একমাত্র  ছেলে।

    স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম বাপ্পা, আবুল কাসেম জানান,  চট্টগ্রাম শহর থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে নিজ বাড়ি কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ফিরছিলেন রাসেল। পথিমধ্যে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের কাটাখালী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী ‘লাল-সবুজ পরিবহন’-এর একটি বাস প্রথমে একটি ভ্যানগাড়িকে ধাক্কা দেয়। ঠিক তার পেছনেই থাকা রাসেলের মোটর সাইকেলটিকেও বাসটি সজোড়ে পিষ্ট করে দেয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন এবং তার ডান পা উরু থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    ঘটনার পর যাত্রী নিয়ে রাঙ্গুনিয়া আসা হাটহাজারী এলাকার সিএনজি চালক বাদশা এবং চন্দ্রঘোনা বুইজ্জার দোকান এলাকার নেছারুলসহ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইছাখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে নিহতের চাচা আব্দুল বারেক জানান, শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন রাসেল।

    বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির উদ্দিন জানান, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি দুর্ঘটনা কবলিত যান দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও উদ্ধার অভিযান চালান। এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মোঃ মেহেদী হাসান ,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে রনজিৎ চন্দ্র মাঝি (৫৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    ​৩রা আগস্ট(সোমবার) রাত ১ঃ৩০ ঘটিকার সময় উপজেলার ০১নং সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের পূর্ববেতকা সাকিনস্থ মোঃ আবু সুফিয়ানের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তা থেকে, গাঁজা ও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এস আই রহমাতুল্লার নেতৃত্বাধীন কাউখালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,​আটককৃত রনজিৎ চন্দ্র মাঝি দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া তিনি মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিদের সাথেও জড়িত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে, আসামীকে আটক করা হয়েছে।
    এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। যাহার বাজার মূল্য আসামীর কথিত মতে =৫০০০/-(পাঁচ হাজার) টাকা ও ১০ (দশ) পিস হালকা কমলা রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট, ওজন= ১.০০ গ্রাম, যাহার মূল্য =৩০০০(তিন হাজার) টাকা।
    প্রতিনিয়ত মাদক নির্মূলে, মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পরিচালিত অভিযান, উপজেলার প্রতিটি মহল্লায় ব্যাপক সারা যুগিয়েছে। একইসাথে জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বস্ততা সহ আস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে।
    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাকদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র পুলিশের অভিযান দিয়ে মাদক ও অপরাধ দমন একেবারে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এলাকার সচেতন নাগরিক ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্ঠায় সকল ধরনের অপরাধ দমন করা সম্ভব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

  • কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার

    কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী মোঃ ইব্রাহিম(২০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    ​২ আগস্ট(রবিবার) রাত ৩ ঘটিকার সময় উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের হাওলাদার ও চৌকিদার বাড়ি সংলগ্ন মোঃ মিজানুর রহমান খানের, ফলজ বাগান থেকে সাত ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দুটি গাজা গাছ উদ্ধার করেন, এস আই মহিউদ্দিন ও এএসআই খাইরুল হাসানের নেতৃত্বাধীন, কাউখালী থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
    ​পুলিশ সূত্রে জানা যায়,​আটককৃত মোঃ ইব্রাহিম(২০) অবৈধভাবে, নিজ হাতে মোঃ মিজানুর রহমান খানের ফলজ বাগানে গাঁজার বীজ রোপণ করে। যা পরবর্তীতে বীজ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ গাছে পরিনত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে, গাছ সহ মোঃ ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মোঃ আব্দুল হালিম ও মোসাঃ রেহানা দম্পতির ছেলে।
    প্রতিনিয়ত মাদক নির্মূলে, মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পরিচালিত অভিযান, উপজেলার প্রতিটি মহল্লায় ব্যাপক সারা যুগিয়েছে। একইসাথে জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বস্ততা সহ আস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে।
    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাকদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • রাইখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস

    রাইখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী বাজারে  নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিম্নমানের পণ্য পুনঃপ্যাকেটজাতের অভিযোগে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. তোফায়েল আহাম্মদের নেতৃত্বে বাজারের মুদি দোকান, বেকারি, হোটেল ও রেস্টুরেন্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে বেলাল স্টোর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ চিপস, চকলেট, চানাচুর ও লজেন্সসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া মেসার্স আজগর স্টোর ও মেসার্স খাজা স্টোরে নিম্নমানের পণ্য পুনঃপ্যাকেটজাতের প্রস্তুতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

    নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. তোফায়েল আহাম্মদ জানান, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও বাজার মনিটরিং নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। তিনি খাদ্যপণ্য কেনার আগে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করার জন্য ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

  • কাপ্তাই শিল্প এলাকায় দোকানের দামি জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায় 

    কাপ্তাই শিল্প এলাকায় দোকানের দামি জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায় 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই ৪ নম্বর ইউনিয়ন ৬নম্বর ওয়ার্ড বিএফআইডিসি শিল্প এলাকায় দোকান চুরির ঘটনা ঘটেছে।

    বুধবার(৮ জুলাই ২৬) ভোর রাতে মসজিদ কমিটির ভাড়া কৃত জয়নাল সওদাগরের দোকানে চুরি হয়। দোকান মালিক মোঃ জয়নাল সওদাগর প্রতিদিনের মত দোকানে বেচা -বিক্রি শেষে রাতে বাসায় চলে যায়। ভোর বেলা এলাকার লোকজন দোকানে এসে দেখে দোকানের দরজা খোলা, সিটকারি ভাঙা।

    পরে দোকান মালিককে সংবাদ দেয়া হয়।দোকান মালিক জয়নাল সওদাগর দোকানে এসে দেখে সিটকারি ভেঙে চোরেরা দোকানের ঢুকে মূল্যবান জিনিসপত্র তৈল,দুধ পাউডার, সাবানসহ বিভিন্ন দামি জিনিসপত্র এবং ক্যাশে থাকা প্রায় তিন হাজার ভাংতি টাকা নিয়ে যায়।

    দোকান মালিক জানান,আমি কিছুদিন আগে একটি দূর্ঘটনায় পা ভেঙে চলাফেরা করতে পারছিনা। তাই চুরির বিষয়ে আইনী কোন ব্যবস্থায় আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।তিনি আরও জানান আল্লাহর নিকট বিচার দিলাম।

    এদিকে একের পর এক দোকান,ঘর ও বাসা বাড়ি চুরির ঘটনা ঘটায় এলাকাবাসীর মাঝে আতংক বিরাজ করছে।

    কাপ্তাই ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ মজিবুর রহমানকে এ বিষয়ে একাধিক বার মোবাইল করে বক্তব্য নিতে গেলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    কাপ্তাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাবুল আকতার জানান, কেউ কোন অভিযোগ করেনি। আপনার নিকট সংবাদ পেলাম।এর আগেও তিনজন চোরকে আটক করে রাঙামাটি আদালতে সোপর্দ করেছি।জয়নাল সওদাগরের দোকানের বিষয়টা পুলিশ সদস্য পাঠিয়ে আমি খোঁজ খবর নিবো বলে জানান।

  • আখাউড়ায় ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা ও স্কফ, র‍্যাব-৯ এর অভিযানে, ট্রেন চালক শাহজাহান গ্রেফতার

    আখাউড়ায় ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা ও স্কফ, র‍্যাব-৯ এর অভিযানে, ট্রেন চালক শাহজাহান গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা একটি কন্টেইনার ট্রেনের ইঞ্জিনে অভিযান চালিয়ে বস্তাভর্তি গাঁজা উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)।

    এ ঘটনায় ট্রেনের লোকোমাস্টার শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে সহকারী লোকোমাস্টার পালিয়ে গেছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ৬০৩ আপ কন্টেইনার ট্রেন আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে পৌঁছালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯ অভিযান পরিচালনা করে।

    গ্রেফতার ঐ মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনের ড্রাইভার শাহজাহান মিয়া (৫২)নোয়াখালী বেগমগঞ্জ থানার কুতুবপুর ইউপির, আবদুল্লাহপুর গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার পুত্র।

    র‍্যাব-৯-এর কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ নুরুন্নবী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন ট্রেনটির ইঞ্জিনে মাদকদ্রব্য বহন করা হচ্ছে। ট্রেনটি আখাউড়া স্টেশনে পৌঁছানোর পর তল্লাশি চালাতে গেলে লোকোমাস্টার প্রথমে বাধা দেন এবং র‍্যাব সদস্যদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন। পরে অতিরিক্ত সদস্য এনে ইঞ্জিনে তল্লাশি চালানো হলে একটি বস্তার ভেতর থেকে ৮টি গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক ওজন ১৬ কেজি। এছাড়া একটি স্কফের বোতলও উদ্ধার করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছানোর পর থেকেই র‍্যাব সদস্যরা লোকোমাস্টারকে তল্লাশির বিষয়ে অবহিত করেন। তবে তিনি তল্লাশিতে সহযোগিতা না করে উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে অতিরিক্ত র‍্যাব সদস্য এসে ইঞ্জিনে তল্লাশি চালান। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান শেষে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে নতুন একজন লোকোমাস্টার দিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    র‍্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত লোকোমাস্টার শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষে, তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    অভিযানের সময় আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, আখাউড়া রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং স্টেশন মাস্টার নুরুন্নবী উপস্থিত ছিলেন।

  • রায়গঞ্জে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

    রায়গঞ্জে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,স্টাফ রিপোর্টার,সিরাজগঞ্জ

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি মোটরসাইকেলসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে সলঙ্গা থানা পুলিশ।

    সোমবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সলঙ্গা থানার ঘুড়কা এলাকায় বগুড়াগামী মহাসড়কের পাশে রূপসী বাংলা হোটেলের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

    আটক ব্যক্তি মো. টিপু সুলতান (৫৫)। তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার চরুয়াপাড়া গ্রামের মৃত গোলাম আম্বিয়ার ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে টিপু সুলতানের কাছ থেকে ৮৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।

    সলঙ্গা থানার ওসি আসলাম আলী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

    তিনি আরও বলেন, এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপরাধ দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ ৬ জন গ্রেফতার

    কাউখালীতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ ৬ জন গ্রেফতার

    বিশেষ প্রতিনিধি।  

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদি এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    জানা যায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২২ জুন সোমবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত কাউখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৬ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ১। মোঃ মোস্তফিজুর রহমান পিনটু(৪০), পিতা- মৃত আলী আজগর হাওলাদার, সাং- মুক্তারকাঠি, কাউখালী, ২। মোঃ ফেরদৌস শিকদার(৩৯),পিতা- মৃঃ অলিউর রহমান, সাং- লক্ষী পুরা শিকদার বাড়ী ৩। মোঃ আলআমিন মুন্সী (৪০), পিতা- হাজী মাহাতাবউদ্দিন ওরফে ডালিম মুন্সী, সাং- লক্ষীপুরা মুন্সী বাড়ী,৪। প্রবীর কুমার বিশ্বাস (৩৭), পিতা- জহর লাল বিশ্বাস, সাং- কানুয়া ৫। মোঃ মিলন হোঃ রুবেল (৪০), পিতা-মোঃ কাঞ্চন আহমেদ, সাং-০২ নং ওয়াড কলেজ রোড,সর্ব থানা- ভান্ডারিয়া, জেলা-পিরোজপুর,৬। হৃদয় কুমার দাস(২৬), পিতা- মানিক কুমার দাস,সাং- মহিস কান্দী,থানা- কাঠালিয়া,জেলা- ঝালকাঠি।

    এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
    গ্রেফতারকৃতদের ২৩ জুন মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার

    শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, শরীয়তপুর:

    শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভা এলাকার কবিরাজ কান্দি গ্রামে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

    শনিবার (২০ জুন)-বিকেল ৩ ঘটিকার সময় ককটেল বোম বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে, খবর পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেমায়েত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত ও অভিযান পরিচালনা করেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণস্থল থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে স্থানীয় শাজাহান বেপারীর পারিবারিক কবরস্থান থেকে এক বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে, তারা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকৃত ককটেল ভর্তি বালতি জাজিরা থানায় নিয়ে যান।
    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেখানে বিস্ফোরণের আলামত ও পোড়া গন্ধ এখনও রয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি নালা ও পুকুর রয়েছে। আশপাশে কিছু বসতবাড়ি থাকলেও স্থানটি তুলনামূলক নির্জন। কবরস্থানের পাশেই একটি ঘর নির্মিত থাকলেও সেখানে কেউ বসবাস করে না। চারপাশে রয়েছে ফসলি জমি।
    ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে জানতে চাইলে নিকটবর্তী বাড়ির বাসিন্দা সুরুজ বেপারীর স্ত্রী বলেন, “আমরা নতুন বাড়ি নির্মাণ করেছি। অল্প কিছুদিন হলো এখানে আসা-যাওয়া করছি। সবসময় এখানে থাকি না। আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে, তাদের বয়স ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে। আমার স্বামী প্রবাসী । এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়েছে, চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে উদ্ধার অভিযান চালায়।”
    স্থানীয় বাসিন্দা লতিফ বেপারীর স্ত্রী বলেন, “আমার তিন ছেলে বাইরে থাকে, স্বামী কৃষিকাজ করেন। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানি না। তবে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি এবং চারদিকে ধোঁয়া দেখতে পেয়েছি। পরে শুনেছি কবরস্থান থেকে পুলিশ একটি বালতি উদ্ধার করেছে।”
    আরেক এলাকাবাসী নূর মোহাম্মদ শেখ, পিতা আব্দুল শেখ, জানান, “বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কারা করেছে বা কেন করেছে সে বিষয়ে কিছুই জানি না।”
    এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। তবে এ বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেয়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    জাজিরা থানার ওসি সালেহ আহমেদ বলেন, জাজিরা কবিরাজ কান্দি ককটেল বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, এক বালতি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। তদন্ত করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে কে বা কারা এ ঘটনার সাথে জড়িত। সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা জাজিরা থানা পুলিশ জাজিরা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে ককটেল বোমা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এ অভিযান চলমান আছে আইনশৃঙ্খলা  স্বাভাবিক রয়েছে।

  • শাহজাদপুরে আ.লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ জালাল গ্রেফতার

    শাহজাদপুরে আ.লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ জালাল গ্রেফতার

    স্টাফ রিপোর্টার, সবুজ হোসেন রাজা। 

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ জালাল মিয়াকে পাবনা থেকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশের একটি দল।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তাকে গ্রেফতার করে রাতেই শাহজাদপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।

    শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে শাহজাদপুর আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় শাহ জালাল মিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া শাহজাদপুর থানায় তার বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলাতেও তিনি আসামি। ওই মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহ জালাল মিয়া সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের মুখে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন উপাধ্যক্ষ শাহাদত হোসেন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তার কাছে আর্থিক হিসাব চাইলে তিনি অসদাচরণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য মো. লুৎফুর রহমান লাল মিয়ার হাতের একটি আঙুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

    এদিকে, গ্রেফতারকৃত আওয়ামী লীগ নেতার ভাগিনা জামিল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শাহ জালাল মিয়া তার নানা-নানীর সম্পত্তি জোরপূর্বক নিজের নামে লিখে নেন এবং তাদেরকে বাসায় আটকে রেখে নির্যাতন করতেন। তিনি দাবি করেন, তার মা ও খালাদের নানা-নানীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হতো না। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করে মৃত্যুবরণ করেন।

    জামিল হোসেন আরও অভিযোগ করেন, শাহ জালাল মিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক হলেও অতীতে দলের রাজনীতির সঙ্গে তার তেমন সম্পৃক্ততা ছিল না। অর্থের বিনিময়ে পদ লাভ করে তিনি সেই প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িয়ে পড়েন। সরকারি দলের প্রভাব ব্যবহার করে তাদের পরিবারের ওপর বিভিন্ন সময় নির্যাতন চালানো হয় এবং বাড়িছাড়া করারও চেষ্টা করা হয়। এছাড়া ভূমিহীনদের সরকারি জমি লিজ দেওয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

    শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনা জেলার শালগারিয়া এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে শাহ জালাল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেম উদ্দিন তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।