Category: অপরাধ

  • কাপ্তাই নতুন  বাজার হতে ইয়াবাসহ আটক-১

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই নতুন বাজার রাজধানী ক্লাবের সামনে থেকে ইয়াবাসহ মোঃ আবুল কাশেম(২৯)কে আটক করেছে পুলিশ।

    সোমবার সকাল ১০টায় আসামিকে রাঙামাটি আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। কাপ্তাই  পুলিশ পরিদর্শক সৈয়দ বাবুল আকতার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে   এএসআই মামুন মিয়া, এএসআই পরীক্ষিত দেবনাথ  ফোর্সের সহায়তায় আট পিচ ইয়াবাসহ আসামি-মোঃ কাশেম (২৯)কে আটক করা হয়।আসামি কাপ্তাই ৪নং ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড কেপিএম টিলার  মোঃ সাত্তার ছেলে।

    এছাড়া একসপ্তাহ পূর্বে ১৭লিটার মদসহ আব্দুল শুক্কুর নামে আরও একজনকে আটক রাঙামাটি আদালতে নিয়মিত সোপর্দ করা হয়েছে।এবং এদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

    কাউখালীতে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

    পিরোজপুরের কাউখালীতে নিজ ঘর থেকে জেসমিন বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের বেলতলা বান্দাকান্দা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

    ওই এলাকার মরহুম কেরামত আলীর স্ত্রী ও তার বাবার নাম আফজাল হোসেন ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে স্থানীয় এক কিশোর ওই বাড়িতে সুপারি পাড়তে এসে জেসমিনতে ডাকাডাকি করে। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে সে বাড়ির পেছনের দিকে গিয়ে ঘরের ভেতরে খাটের ওপর তার  লাশ পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় ঘরের মালামাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ও এলোমেলো অবস্থায় ছিল।

    স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, দুর্বৃত্তরা রাতের কোনো এক সময় ঘরের পেছনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করে। হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    খবর পেয়ে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার, সিআইডির তদন্ত দল ও কাউখালী থানা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় সিআইডির কারিগরি দল অপরাধের আলামত সংগ্রহ করে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কাউখালী থানার ওসি মো: আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পিরোজপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া ও মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

  • কাপ্তাইয়ে বিজিবির ওপর হামলা, দুই ভারতীয় সন্দেহভাজনকে ছিনিয়ে নিল সংঘবদ্ধ দল

    কাপ্তাইয়ে বিজিবির ওপর হামলা, দুই ভারতীয় সন্দেহভাজনকে ছিনিয়ে নিল সংঘবদ্ধ দল

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন মালামালসহ আটক দুই সন্দেহভাজন ভারতীয় চোরাকারবারীকে বিজিবির হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দেড় শতাধিক মানুষের একটি সংঘবদ্ধ দল বিজিবির টহল দলের ওপর হামলা চালায় বলে জানিয়েছে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)।

    রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর অধীন দুমদুমিয়া বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার মো. লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে একটি টহল দল দুমদুমিয়া চেকপোস্টে যানবাহনে তল্লাশি চালায়। এ সময় বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় মালামালসহ দুই সন্দেহভাজন ভারতীয় চোরাকারবারীকে আটক করা হয়।

    বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অধিকতর তদন্তের জন্য তাদের রাজস্থলী থানায় হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে দেড় শতাধিক মানুষের একটি সংঘবদ্ধ দল বিজিবির টহল দলের ওপর হামলা চালায়।

    এ সময় হামলাকারীরা নারীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বিজিবির হেফাজতে থাকা দুই সন্দেহভাজন ভারতীয় চোরাকারবারীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি। ছিনিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের পুনরায় আটক এবং হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস বলেন, “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি অবৈধ পুশ-ইন ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকসহ সব ধরনের চোরাচালান দমনে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্তের নিরাপত্তা ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় বিজিবির এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

    .

  • কাপ্তাইয়ের চিৎমরমে সরকারের লিফলেট বিতরণের সময় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-১

    কাপ্তাইয়ের চিৎমরমে সরকারের লিফলেট বিতরণের সময় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-১

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই চিৎমরম ইউনিয়নে সরকারের লিফলেট বিতরণকালে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলায় এক বিএনপি কর্মী আহত হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১১টায় বিএনপি, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ সরকার কর্তৃক দেয়া  ‘গ্যাস খাতের সংকট উৎস থেকে উত্তরণের পথে সরকার’এ  লিফলেট চিৎমরম বাজারে বিতরণ করা হয়। এসময় বিএনপির ৮/১০ জনের  প্রতিপক্ষ  একটি গ্রুপ লিফলেট বিতরণ কারীদের ওপর  অর্তকিতভাবে  হামলা করার  অভিযোগ পাওয়া যায়।

    হামলায় কাপ্তাই উপজেলা যুব দলের সদস্য ও চিৎমরম ইউনিয়ন যুব বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হক (৩৫) কে   হামলা করে গুরুতরভাবে আহত করে।

    এসময় নাজমুলের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ঢুকে হামলাকারীরা বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়।

    চিৎমরম ইউনিয়ন ছাত্র দল সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,আমরা সরকারের লিফলেট বিতরণ করছি, এসময় রাঙামাটি ২৯৯ নং আসনের এ্যাড.দীপেন দেওয়ান এমপি বিরোধী এবং লিফলেট বিরোধী উবাচিং মারমার নেতৃত্বে   ৫আগস্টের পরের লোকজন এসে আমাদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামালা আমাদের এক কর্মীকে  পিটিয়ে রক্তাক্ত করেএবং আহত কর্মীর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ঢুকে লুটপাট করার অভিযোগ করে।  বর্তমানে আহত কর্মী কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    এ্যাড.দীপেন দেওয়ান এমপি’র কাপ্তাই প্রতিনিধি মংসুইপ্রু মারমা অভিযোগ করেন সরকারের দেয়া গ্যাস সংকট থেকে উত্তরণের পথে এ লিফলেট বিতরণ করার সময় চিৎমরম ইউনিয়ন এক বিএনপি নেতার ইশারায়  প্রতিপক্ষ ৫ আগস্টের একটি গ্রুপ লিফলেট  বিতরণের সময় হামলা করে। এতে আমাদের এক কর্মীকে গুরুতরভাবে আহত করে এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়।তিনি আরও জানান হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ জানান, আমি ঘটনা শুনেছি এবং এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বলে জানেন। বিষয়টা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা  উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিয়ে দু’গ্রুপের মধ্যে চাপা ক্ষোভ  বিরাজ করছে।

  • কাপ্তাইয়ে বিজিবির অভিযানে ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ও সিএনজিসহ ২ জন আটক

    কাপ্তাইয়ে বিজিবির অভিযানে ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ও সিএনজিসহ ২ জন আটক

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।
    রাঙামাটির কাপ্তাই বর্ডার গার্ড ৪১ বিজিবি গোপন সুত্রে অভিযান চালিয়ে ২৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা একটি অটোরিকশাসহ দুইজনকে আটক করেছে।
    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ৮টা ৫ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর ১ নম্বর জিপি গেটের কাছে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস, অধিনায়ক, কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর দিকনির্দেশনায় হাবিলদার মো. এখলাছ উদ্দিনের নেতৃত্বে বিজিবির একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।

    এসময় কাপ্তাইয়ের ব্যাঙছড়ি গ্রামের উছিলা মারমার ছেলে নিঠু মারমা (৩৩) এবং রাঙামাটি সদরের নাওভাঙা গ্রামের সুনীল চাকমার ছেলে সুপ্রিয় চাকমা (২০)কে আটক করা হয়। বিজিবি জানান অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা ২৮ লাখ ৪৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা, একটি সিএনজি অটোরিকশা (চট্টগ্রাম-থ-১৫-১৭৬৪), একটি স্মার্টফোন, একটি বাটন ফোন, দুটি সিম কার্ড এবং ব্যক্তিগত নগদ ২ হাজার ৯৬০ টাকা জব্দ করা হয়।

    জব্দ করা মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩৪ লাখ ৭০ হাজার ৩৬০ টাকা।
    আটক দুই ব্যক্তি, জব্দ করা মালামাল ও গাড়ি কাপ্তাই থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান।
    কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান দমন, মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশ ও পাচার রোধ এবং সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    বিশেষ প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুরের কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে দুই ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে  ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পিরোজপুরের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায়ের নেতৃত্বে উপজেলার দক্ষিণ ও উত্তর বাজারে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
    অভিযান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ বাজারের ‘কামরুল স্টোর’-এর মালিক মোহাম্মদ কামরুল ইসলামকে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখা ও সয়াবিন তেলের বোতলের মোড়কে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি লেখা থাকার অভিযোগে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া উত্তর বাজারের ‘বিসমিল্লাহ স্টোর’-এর মালিক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনকে একই ধরনের অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
    অভিযানে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোঃ নুরুল আলম বখতিয়ার, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মেহেদী হাসান এবং কাউখালী থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।
    অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায়  বলেন,
    “আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে আজ কাউখালী বাজারে অভিযান পরিচালনা করেছি। দক্ষিণ ও উত্তর বাজারের দুটি দোকানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখার দায়ে  ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে ও ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
  • কাউখালীতে ৬৯ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

    কাউখালীতে ৬৯ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

    কাউখালী পিরোজপুর প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে অভিযান চালিয়ে ৬৯ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ, দুটি ওয়াকিটকি, দেশীয় অস্ত্র, খেলনা পিস্তল ও পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ডসহ শাওন ইসলাম অপু (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে কাউখালী থানার পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর দিকনির্দেশনায় এবং কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে থানার পুলিশ ও ফোর্সের সমন্বয়ে একটি চৌকস টিম গঠন করা হয়। সোমবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের বিশেষ অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের শিয়ালকাঠী চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানে মৃত শাখাওয়াত হোসেনের দোতলা ভবনের ছাদ থেকে শাওন ইসলাম অপুকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৬৯টি শটগানের কার্তুজ, দুটি ওয়াকিটকি সেট, দুটি ছোরা, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্স, একটি ভুয়া পুলিশ আইডি কার্ড এবং একটি চামড়ার অস্ত্রের কভার উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেপ্তার শাওন ইসলাম অপু কাউখালী থানার শিয়ালকাঠী গ্রামের মৃত শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে।

    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ইবাদ আলী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ শটগানের কার্তুজ, ওয়াকিটকি ও পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ডসহ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃতকে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হচ্ছে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

  • পিরোজপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে পিরোজপুর গোয়েন্দা পুলিশ।

    পিরোজপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২জনকে গ্রেফতার করেছে পিরোজপুর গোয়েন্দা পুলিশ।

    নিউজ ৫২ বাংলা।

    পিরোজপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী এর দিক-নির্দেশনায়, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মো: মাহাবুব এর তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে একটি চৌকস আভিযানিক টিম ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার পিরোজপুর থানা এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে পিরোজপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের পূর্ব খানাকুনিয়ারী সাকিনস্থ জনৈক আনজিরা বেগম এর পরিত্যক্ত ঘরের সামনে হইতে ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম গাঁজাসহ ২জন আসামিকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা, পিরোজপুর ।

    গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন –
    ১। মোঃ আলমগীর মোল্লা(৪৬), পিতা-মোঃ মোক্তার মোল্লা, সাং-মুক্তারকাঠী, ১নং ওয়ার্ড, পিরোজপুর পৌরসভা।

    ২। মোঃসাগর হাওলাদার(৩১), পিতা-মৃত হাবিবুর রহমান, সাং-খানাকুনিয়ারী, ১নং ওয়ার্ড, পিরোজপুর পৌরসভা, থানা ও জেলা-পিরোজপুর।

    তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার রুজু প্রক্রিয়াধীন। ।

    মাদক নির্মূলে পিরোজপুর জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।

  • কাপ্তাইয়ে অবৈধ সারসহ ট্রাক আটক করেছে বিজিবি

    কাপ্তাইয়ে অবৈধ সারসহ ট্রাক আটক করেছে বিজিবি

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কাগজপত্রবিহীন ৩৬ বস্তা ইউরিয়া সারসহ একটি ট্রাক আটক করেছে কাপ্তাই  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) অধীন ঢংছড়ি বিজিবি চেকপোস্টে যানবাহন তল্লাশির সময় এসব সার ও ট্রাক আটক করা হয়।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, আটক করা ৩৬ বস্তা ইউরিয়া সারের পরিমাণ ১ হাজার ৮০০ কেজি। এসব সারের কোনো বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। অবৈধভাবে মজুত কিংবা পাচারের উদ্দেশ্যে সারগুলো নেওয়া হচ্ছিল বলে ধারণা করছে বিজিবি।

    আটক করা সারসহ ট্রাকটি কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    বিজিবি জানায়, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধ পণ্য পাচার এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে মাদকসহ অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ প্রতিরোধে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

    এছাড়া কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র-গোলাবারুদ, মাদক ও সার পাচারের সম্ভাব্য রুটগুলো শনাক্ত করে টহল, নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও কঠোর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানান  বিজিবি।

  • বরগুনায় নারী নির্যাতন মামলার তদন্তে গড়িমসির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাদীর আবেদন

    বরগুনায় নারী নির্যাতন মামলার তদন্তে গড়িমসির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাদীর আবেদন

    বরগুনা প্রতিনিধি:

    বরগুনার পাথরঘাটায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা একটি মামলার তদন্তে গড়িমসি, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বিলম্ব এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মামলার বাদী মোসাঃ তানজিলা আক্তার।

    এ বিষয়ে গত ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেন তানজিলা আক্তার। আবেদনের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, বরগুনার পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর এবং মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবেদনে মামলার এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে (১) মোঃ আল আমিন (৩০), পিতা—মোঃ ফারুক হোসেন; (২) মোঃ ফারুক হোসেন (৫৮), পিতা—মৃত আহম্মেদ খন্দকার; এবং (৩) মোসাঃ হাজেরা বেগম (৪৮), স্বামী—মোঃ ফারুক হোসেন-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই বরগুনার বামনা উপজেলার দক্ষিণ রামনা, ৩ নম্বর রামনা ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবেদনে তানজিলা আক্তার অভিযোগ করেন, গত ৮ মে ২০২৬ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বিবাদীরা তাকে মারধর ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। পরে ওই দিন তিনি বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং ১০ মে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    এরপর ১৩ মে নিজের জীবনের নিরাপত্তা, কাবিননামা উদ্ধার, যৌতুক নির্যাতনের প্রতিকার, ন্যায়বিচার এবং অভিযুক্ত ১ নম্বর ব্যক্তির বিদেশ গমন স্থগিতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন বলে জানান তিনি।

    তানজিলার অভিযোগ, এর পরদিন ১৬ মে ১ নম্বর বিবাদী ছাড়া অন্যান্য বিবাদীরা তাদের বাড়িতে এসে যৌতুকের বিষয় নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তাকে পুনরায় মারধর করেন। এ ঘটনায় ওই দিনও তিনি বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পরবর্তীতে ১৭ মে ২০২৬ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরগুনায় পিটিশন মামলা নং-১৪২/২০২৬ দায়ের করেন তানজিলা আক্তার। আদালতের নির্দেশনার পর সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বাদীর অভিযোগ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার এসআই মোঃ হুমায়ুন আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কালক্ষেপণ করছেন। তদন্তের বিষয়ে তাকে বিভিন্নভাবে প্রশ্ন করে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    আবেদনে তানজিলা আরও অভিযোগ করেন, আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে উল্টো প্রশ্ন করে বলেন—‘কোন কোন বিবাদীকে ধরব?’ তদন্তকারী কর্মকর্তার এমন আচরণে তিনি উদ্বিগ্ন ও হতাশ হয়ে পড়েছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন।

    বাদীর দাবি, তদন্তে এ ধরনের বিলম্ব ও তদন্তকারী কর্মকর্তার আচরণের কারণে মামলাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত নাও হতে পারে এবং তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগসাজশ বা প্রভাবের কারণে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন কি না, সে বিষয়টিও নিরপেক্ষভাবে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার এসআই মোঃ হুমায়ুন বলেন, মামলার এজাহারে ১ নম্বর আসামি মোঃ আল আমিন বিদেশে অবস্থান করছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত ওই আসামিকে কীভাবে গ্রেপ্তার করা হবে, সে বিষয়ে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আসামিরা সত্যিই বাদীকে মারধর করেছেন কিনা, সে বিষয়েও তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

    তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে বাদীর দাবি, মামলার তদন্তে অযথা বিলম্ব করা হচ্ছে এবং তিনি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা ও নিরপেক্ষ তদন্ত চান।

    উল্লেখ্য, বাদীর করা পিটিশন মামলার নথিতে ১ নম্বর আসামি মোঃ আল আমিনের বিদেশে অবস্থান এবং দেশে ফিরে আসার বিষয়ে তথ্য রয়েছে। ফলে তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্যে উল্লিখিত ‘বিদেশে অবস্থান’ সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি মামলার মূল নথিতে থাকা সংশ্লিষ্ট তথ্যও যাচাই করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    এ অবস্থায় বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনবোধে তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন এবং কোনো ঊর্ধ্বতন বা নিরপেক্ষ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটির তদন্তের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন বাদী। একই সঙ্গে এজাহারনামীয় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি, চাপ বা হয়রানির শিকার হতে না দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    আবেদনের সঙ্গে ৮ মে ও ১৬ মে তারিখের চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র, ১০ মে দায়ের করা অভিযোগের অনুলিপি, ১৩ মে বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া আবেদনের অনুলিপি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরগুনায় দায়ের করা পিটিশন মামলা নং-১৪২/২০২৬-এর কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।