Category: অপরাধ

  • খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তরকারি মুখে নিয়ে ফেলে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তরকারি মুখে নিয়ে ফেলে দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মোঃ আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভর্তি চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য রান্না করা খাবার মানসম্মত না হওয়ায় ও অভক্তিতে মুখে দিয়ে কুলি করে ফেলে দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

    খুলনা সফররত স্বাস্থ্য মন্ত্রী জেনারেল হাসপাতালের রান্না ঘরে রোগীদের জন্য তৈরি করা কুমড়োর সবজি গালে দিয়ে ফেলে দেন। তিনি বলেন, এ ধরনের তরকারি আপনাদের বাসায় রান্না হলে কি খেতেন, জেনারেল হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্টকে ভালো মানের তরকারি সরবরাহের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী।

    আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে আকস্মিক খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম দেখে ক্ষুব্ধ হন।
    এ সময় তার সাথে ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত।

    জেনারেল হাসপাতালের বিট ভ্যাকসিন কর্নার পরিদর্শনে গেলে ভুক্তভোগীরা স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে ঘিরে ধরেন।
    হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় বাইরে থেকে কিনে দিতে হচ্ছে রোগীদের।
    রোগীদের র‍্যাবিস ভ্যাকসিন টাকা দিয়ে কেনার ঘটনা সরেজমিন দেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রী ধমকালেন জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গাজীকে।

    পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

  • সুন্দরবনে বন বিভাগের ‘স্মার্ট টিম’-এর গুলিতে জেলে নিহত, উত্তাল উপকূল

    সুন্দরবনে বন বিভাগের ‘স্মার্ট টিম’-এর গুলিতে জেলে নিহত, উত্তাল উপকূল

    মো: আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    ​পশ্চিম সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় কাঁকড়া আহরণের সময় বন বিভাগের স্মার্ট পেট্রোলিং টিমের ছোড়া গুলিতে আমিনুর রহমান গাজী (৪৫) নামের এক জেলে নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    আজ সোমবার (১৮ মে) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে খুলনা রেঞ্জের নলিয়ান স্টেশনের আওতাধীন শতমুখী খাল বা বাটলো অভয়ারণ্য এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    দুপুর দেড়টার দিকে নিহতের সহকর্মীরা আমিনুরের গুলিবিদ্ধ মরদেহ নিয়ে লোকালয়ে ফিরে এলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
    ​নিহত আমিনুর রহমান গাজী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরা গ্রামের মৃত আকছেদ গাজীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কার্ডধারী বৈধ সুন্দরবনজীবী (জেলে)।

    নিহত আমিনুরের সঙ্গে থাকা অন্য তিন সহকর্মী—আহাম্মাদ আলী, সেলিম ও রমজান জানান, তারা গত ১৩ মে সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে বৈধ পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে কাঁকড়া আহরণের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন।
    ​সহকর্মী জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, রোববার রাতে তারা যখন নৌকায় ঘুমিয়ে পড়েন, তখন প্রবল বাতাসের টানে তাদের নৌকাটি নদী পার হয়ে অভয়ারণ্য (নিষিদ্ধ) এলাকার দিকে চলে যায়।

    আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে তারা সেখান থেকে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের একটি স্মার্ট পেট্রোলিং টিম তাদের আটক করে।

    জেলেদের দাবি, বনকর্মীরা তাদের নৌকাটি আটকে রেখে চার জেলেকে গহীন বনের মধ্যে নেমে চলে যেতে বলে। কিন্তু জেলেরা জীবিকার একমাত্র অবলম্বন নৌকাটি না দিয়ে চলে আসার চেষ্টা করলে নলিয়ান স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে টহল দল তাদের লক্ষ্য করে পেছন থেকে গুলি ছোড়ে। এতে আমিনুর রহমান গাজী সরাসরি গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর বনকর্মীরা তাকে কোনো উদ্ধার বা চিকিৎসার ব্যবস্থা না করেই ফেলে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে লোকালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হলেও পথেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আমিনুরের মৃত্যু হয়।

    নিহত জেলের মরদেহ দুপুরের দিকে গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় এসে পৌঁছালে স্থানীয় সুন্দরবনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিকেল ৪টার দিকে বিক্ষুব্ধ কয়েকশ বনজীবী ও এলাকাবাসী সাতক্ষীরা রেঞ্জ অফিস ও বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিস ঘেরাও করে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়।

    খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম মাসুদুল আলম গণমাধ্যমিকে বলেন, বৈধ পাস নিয়ে বনে যাওয়া একজন জেলের ওপর এভাবে গুলি চালানো মেনে নেওয়া যায় না। আমি বিষয়টি খুলনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও), সাতক্ষীরার সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় থানাকে তাৎক্ষণিক ভাবে অবহিত করেছি। ডিএফও সাহেব আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ​শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতের পরিবারের আইনগত পদক্ষেপ ও সুরতহাল রিপোর্টের প্রক্রিয়া চলছে।

    ঘটনার বিষয়ে সরাসরি দায় স্বীকার না করলেও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চলছে।
    ​সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, স্মার্ট পেট্রোলিং টিমের পক্ষ থেকে অফিশিয়ালি তাদের এখনও কোনো প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি। তবে জেলের মৃত্যুর অভিযোগটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রক্রিয়া চলছে এবং বনরক্ষীদের কারও সরাসরি সংশ্লিষ্টতা বা আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে বিভাগীয় ও প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কাউখালীতে পেশাদার ডাকাত আটক

    কাউখালীতে পেশাদার ডাকাত আটক

    বিশেষ প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলায় চঞ্চল্যকর  ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি পেশাদার ডাকাত মোঃ আল আমিন ওরফে ইমরান (৪০), পিতা-জাকির আকন, সাং-জোলাগাতি, থানা-কাউখালী, জেলা-পিরোজপুরকে গত ১৭ মে  বিকাল আনুমানিক ৫.৩০ ঘটিকার সময় শিয়ালকাঠি এলাকা থেকে র‍্যাব-৮ এর সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য গত ১৭মে  রবিবার  রাত আনুমানিক ২.৪৫ ঘটিকা হতে ভোর রাত আনুমানিক ০৪.১৫ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময়ে কাউখালী থানার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা মোঃ গোলাম মোস্তফার দোতলা বিল্ডিং এর দোতলায় ভাড়াটিয়ার ফ্ল্যাটে ও বাড়ীওয়ালার নিজ বসবাসরত নিচতলার ফ্ল্যাটে সশস্ত্র ডাকাতদল সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, ২০ ভরির অধিক স্বর্নালঙ্কার, ডায়মন্ডের অলঙ্কার ও ইউএস ডলার, যার সর্বমোট আনুমানিক ৬০,৯৫,৮৫০/- টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল।

    উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে বাগেরহাটের শরণখোলা, মংলা ও ফকিরহাট এবং পিরোজপুর জেলার কাউখালী ও ভান্ডারিয়া থানায় ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সর্বমোট ০৬ টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

    উক্ত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে থানা সূত্রে  জানাযায়।

  • রক্তমাখা চিঠিতে আতঙ্ক: শাহজাদপুরে পুলিশের পাহারায় রাত কাটাল গ্রামবাসী

    রক্তমাখা চিঠিতে আতঙ্ক: শাহজাদপুরে পুলিশের পাহারায় রাত কাটাল গ্রামবাসী

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের টেকুয়াপাড়া গ্রামে ‘রঘু ডাকাত’ এর নামে রক্তমাখা হুমকিচিঠি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিক ডাকাতি ও চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগের পর অন্তত ১৫টি বাড়িতে এসব চিঠি পৌঁছায়। এরপর থেকেই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। অবশেষে পুলিশের কড়া পাহারায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে এলাকাবাসীর মাঝে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে গভীর রাতে চেতনানাশক স্প্রে করে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্বৃত্তরা নিজেদের “রঘু ডাকাত” পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে রক্তমাখা চিঠি পাঠায়। চিঠিতে লেখা ছিল, কালকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসবো। তাই দরজা খোলা রাখবেন। দরজা বন্ধ রাখলে জিন্দা খালাস…।
    – ইতি, রঘু ডাকাত।

    এমন ভয়াবহ হুমকির পর পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদ সামনে থাকায় গরুর খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। রাত জেগে পাহারা দিতে শুরু করেন গ্রামের মানুষ।

    ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। শনিবার গভীর রাতে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তার আশ্বাস দেন এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ দেন।

    পুলিশ সুপার জানান, কোনো ডাকাত বা দুর্বৃত্তকে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালাতে দেওয়া হবে না। পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাফিজুর রহমান এবং শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম।

    পুলিশি টহল ও পাহারা জোরদার হওয়ায় শনিবার রাতে কিছুটা স্বস্তিতে ঘুমাতে পারেন আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা।

  • চন্দ্রঘোনা থানা  তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত  আসামীকে চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার 

    চন্দ্রঘোনা থানা  তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত  আসামীকে চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ অভিযানে চালিয়ে তিন বছরের  সাজাপ্রাপ্তকে আলুমং মারমাকে  গ্রেপ্তার করেছে।

    শনিবার রাতে চন্দ্রঘোনা থানার এস আই মোজাম্মেল ও এস আই টিটু দাশ চট্টগ্রাম এর চাঁন্দ্রগাও থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় ।উক্ত আসামি  কাপ্তাই উপজেলার ২নম্বর  রাইখালী ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের ক্রোসে মারমার ছেলে।

    চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  এস এম সাকের(ওসি) জানান, রবিবার আসামিকে রাঙ্গামাটি আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে বিশেষ অভিযানে গাঁজা উদ্ধার গ্রেপ্তার ২

    কাউখালীতে বিশেষ অভিযানে গাঁজা উদ্ধার গ্রেপ্তার ২

    বিশেষ প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের  কাউখালী থানা বিশেষ অভিযানে গাঁজা উদ্ধার সহ ১ জন এবং পৃথক অভিযানে আরো ১ জন পেশাদার চোর সহ মোট ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

    থানা সূত্রে জানাযায়, চলমান বিশেষ অভিযানে ১৫ মে রাত ০৯.১০ ঘটিকার সময় কাউখালী উপজেলার পারসাতুরিয়া সাকিনস্থ মিয়া বাড়ী ঈদগাহ ময়দানের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে এসআই মোঃ রহমত উল্লাহ এর নেতৃত্বে ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার সহ আসামী ১। রাকিব তালুকদার (২৩), পিতা-জাকির তালুকদার, সাং-শঙ্করপুর, থানা-কাউখালী, জেলা-পিরোজপুরকে গ্রেফতার করা হয়।

    এদিকে পিএসআই মেহেদী হাসান পৃথক অভিযানকালে আজ ১৬ মে সকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় স্থানীয় জনগনের সহায়তায় বেকুটিয়া মতুয়া আশ্রমের জেনারেটর চুরির ঘটনায় জড়িত মর্মে তদন্তে প্রাপ্ত পেশাদার চোর ২। আসাদুল সরদার (৪৩), পিতা-মৃত কালু সরদার, সাং-পারসাতুরিয়া, থানা-কাউখালী, জেলা-পিরোজপুরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    তাদের অদ্য বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য চোরের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ০১ টি চুরি মামলা রয়েছে।

  • শাহজাদপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা, মরদেহ উদ্ধার

    শাহজাদপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা, মরদেহ উদ্ধার

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা এলাকায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে হাসমত ফকির (৪০) নামের এক ব্যক্তি।

    শুক্রবার সকালে শাহজাদপুর থানা পুলিশ নরিনা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কম্পাউন্ডে একটি আমগাছ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

    নিহত হাসমত ফকির নরিনা মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত সফিজ ফকিরের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কম্পাউন্ডের একটি আমগাছের সঙ্গে গলায় দড়ি পেঁচানো অবস্থায় হাসমতের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।

    খবর পেয়ে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুর রহমান এবং শাহজাদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নাজমুল কাদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    এ বিষয়ে ইন্সপেক্টর নাজমুল কাদের জানান, প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদনে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • শাহজাদপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

    শাহজাদপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বৃ-আঙ্গারু গ্রামে গৃহবধূ তাসলিমা খাতুন (২২) এর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, শাশুড়ির পরকীয়ার বিষয়টি প্রকাশ করে দেওয়ায় তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা হিসেবে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

    বুধবার সকালে খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাসলিমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাশুড়িসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    নিহত তাসলিমা বৃ-আঙ্গারু গ্রামের উজ্জ্বল হোসেনের স্ত্রী এবং একই গ্রামের তাহের মণ্ডলের মেয়ে। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় আট বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাসলিমা ও উজ্জ্বলের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।

    পরিবারের অভিযোগ, সম্প্রতি তাসলিমা তার শাশুড়ির পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পারেন এবং তা পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই তার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, নির্যাতনের একপর্যায়ে মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে তাকে হত্যা করে ঘরের ভেতর ঝুলিয়ে রাখা হয়, যাতে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হয়।

    এ বিষয়ে নিহতের বাবা তাহের মণ্ডল বলেন, আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

    এদিকে শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের জানান, মরদেহের গলায় থাকা দাগ দেখে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে না। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

  • শাহজাদপুরে র‍্যাবের অভিযানে ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    শাহজাদপুরে র‍্যাবের অভিযানে ফেনসিডিলসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,স্টাফ রিপোর্টার।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে আকছেদ আলী (৫৫) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১২-এর একটি দল। এ সময় তার কাছ থেকে ১৩৮ পিস নিষিদ্ধ ফেন্সিডিল এবং মাদক বিক্রির ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আকছেদ আলী পৌর শহরের রূপপুর নতুনপাড়া মহল্লার মৃত শুকুর আলীর ছেলে।

    র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শফিক কামালের নেতৃত্বে র‌্যাব-১২ এর একটি অভিযানিক দল শাহজাদপুর পৌর এলাকার রূপপুর নতুনপাড়ায় অভিযান চালায়। এ সময় আকছেদ আলীকে তার বাড়ির সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুইটি বস্তায় রাখা ১৩৮ পিস ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

    আজ সোমবার (১১ মে) সকালে গ্রেফতারকৃত আসামিকে শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। দুপুরে তাকে শাহজাদপুর আমলি আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, র‌্যাবের পক্ষ থেকে আসামিকে থানায় হস্তান্তরের পর আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

    তিনি আরও জানান, শাহজাদপুরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • পাবনায় এনএসআইয়ের অভিযানে নকল দুধ তৈরির কারখানার সন্ধান, জব্দ বিপুল বিষাক্ত উপকরণ

    পাবনায় এনএসআইয়ের অভিযানে নকল দুধ তৈরির কারখানার সন্ধান, জব্দ বিপুল বিষাক্ত উপকরণ

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,স্টাফ রিপোর্টার।

    পাবনার চাটমোহরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে নকল দুধ তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিষাক্ত উপকরণ ও প্রস্তুতকৃত ভেজাল দুধ জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে এবং ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    শনিবার (৯ মে ২০২৬) সকাল ৭টা ২০ মিনিট থেকে ১০টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের নটাবাড়িয়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসক পাবনার নির্দেশনায় এবং জেলা এনএসআই, পাবনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী।

    অভিযানে আব্দুল মোমিন প্রামাণিক ও আল আমিনের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করে নকল দুধ তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। এসময় সেখান থেকে ১২ ড্রামে সংরক্ষিত প্রায় ৫৭০ লিটার বিষাক্ত জেলি, সয়াবিন তেলের মতো তরল পদার্থ এবং বিপুল পরিমাণ প্রস্তুতকৃত নকল দুধ উদ্ধার করা হয়।

    ঘটনাস্থল থেকে আব্দুল মোমিনের বাবা আজিজুল প্রামাণিককে আটক করা হয়েছে। একই ঘটনায় আব্দুল মোমিন, আল আমিন, আল আমিনের স্ত্রী রেখা খাতুনসহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে চাটমোহর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    অভিযান চলাকালে এনএসআইয়ের একজন উপ-পরিচালকসহ সংস্থাটির অন্যান্য সদস্য, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে এনএসআই গোপনে নকল দুধ তৈরির বিষয়টি অনুসন্ধান করে আসছিল। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। পরে প্রশাসন ও এনএসআইয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ ভেজাল ও নকল খাদ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।