Category: খেলাধুলা

  • কাপ্তাই নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক  পুরস্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা

    কাপ্তাই নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক  পুরস্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    কাপ্তাই নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের  বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান দেয়া হয়েছে।

    বুধবার  স্কুল মাঠে  শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের নিজস্ব তৈরি হস্তশিল্প এবং খাবার প্রদর্শিত হয়।  ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক  কল্যাণী বড়য়ার সভাপতিত্বে স্কুলের শিক্ষক সুরেশ তনচংগ্যা এবং সৈয়দ মো: মিজান এর সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রূপসী কাপ্তাইয়ের সম্পাদক সাংবাদিক কাজী মোশাররফ হোসেন,  কাপ্তাই প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত, চন্দ্রঘোনা থানার এসআই বিষ্ণু পদ,  রাইখালী কৃষি ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার হাসান মোহাম্মদ শাহরিয়ার  । স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিপুল বড়ুয়া।

  • কাউখালীতে মানিক মিয়া কিন্ডারগার্টেন বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা উদ্বোধন

    কাউখালীতে মানিক মিয়া কিন্ডারগার্টেন বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা উদ্বোধন

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টায় উপজেলা সদরের মানিক মিয়া কিন্ডারগার্টেনে ৪০ তম বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।

    প্রতিষ্ঠানের সহ-সভাপতি আবু মাহমুদ ফরিদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াকুব হোসাইন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিবুর রহমান, কাউখালী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, উক্ত প্রতিষ্ঠানের সদস্য মোঃ আখতারুজ্জামান, বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু,কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার।

    অনুষ্ঠানের সঞ্চালনের দায়িত্ব পালন করেন, মানিক মিয়া কিন্টার গার্ডেনের অধ্যক্ষ আফরোজা বেগম।

    প্রতিষ্ঠানের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেন।

  • কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পর্যন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা 

    কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পর্যন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।  

    কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পযন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রাঙামাটির পর্যটন, সৌন্দর্য পাহাড় লেক এবং খেলাধুলা,  সবুজায়ন,আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন  পৌরসভা গড়াই লক্ষ্য ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকাল ৮টায়  বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হতে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়-রাঙামাটি পৌরসভা পযন্ত ২৪কিলোমিটার।

    রাঙামাটি জেলা পৌরসভার আয়োজনে ৩শ’জন পুরুষ ও মহিলা  প্রতিযোগি এই ম্যারাথন দৌড়ে অংশগ্রহণ করে।

    পৌরসভা সুত্রে জানাযায় পুরুষ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় ১ম বিজয়ী পাবে দশ হাজার টাকা,২য় বিজয়ী আট হাজার টাকা এবং ৩য় বিজয়ী ছয় হাজার টাকা এবং মহিলা ১ম বিজয়ী দশ হাজার টাকা ২য় বিজয়ী আট হাজার টাকা এবং ৩য় বিজয়ী ৬হাজার টাকা এছাড়াও চল্লিশোধর্ব দৌড় প্রতিযোগি ১ম বিজয়ী পাবে ৫হাজার,২য় বিজয়ী ৪হাজার ও ৩য় বিজয়ী পুরস্কার পাবে ৩হাজার টাকা।

    ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন মোবারক হোসেন,উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার রাঙামাটি ও পৌর প্রশাসক রাঙামাটি পৌরসভা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেনসহ রাঙামাটি জেলা পৌরসভার নেতৃবৃন্দ।

    পৌরসভার উপপরিচালক বলেন,বিশ্বের নিকট রাঙামাটি সৌন্দর্য পর্যটক কাপ্তাই লেক সবুজ পাহাড়, বনায়নকে  আরো পরিচিত এবং সবুজায়ন,আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন লক্ষ্য আমাদের মূল উদ্দেশ্য এই ম্যারাথন।আশাকরি খেলাধুলার মাধ্যমে মনোনিবেশ করে সকলে সুস্থ থাকবে এটাই প্রত্যাশা।

    এসময় কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক রোভার স্কাউটস, কাপ্তাই বন বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা ও রেডক্রিসেন্ট ম্যারাথন দৌড়ে নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন।

  • কাপ্তাই পরিদর্শনে কারিগরি শিক্ষা মহাপরিচালক 

    কাপ্তাই পরিদর্শনে কারিগরি শিক্ষা মহাপরিচালক 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি: 

    কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সরকারের  অতিরিক্ত সচিব  আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী বলেন, কারিগর শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধির জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে আন্তরিক হতে হবে।

    কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে কেউ বেকার থাকে না। সকলেই নিজের যোগ্যতাই কর্মক্ষেত্রে সফল হয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কারিগরি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তবে শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা চর্চা করতে হবে।

    তিনি বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট( বিএসপিআই) কারিগরি অধিদপ্তরের আয়োজনে  এ সঞ্জিবনী প্রশিক্ষণ সেশন এবং একইদিন বিকেল ৩ টায় বিএসপিআই খেলার মাঠে  ক্রিকেট টুনার্মেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে  ২৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারি এই সঞ্জিবনী প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

    কাপ্তাই বিএসপিআই ভারপ্রাপ্ত  অধ্যক্ষ রুপক কান্তি বিশ্বাস এতে সভাপতিত্ব করেন।

    এসময় বিএসপিআই এর সকল বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। পরে মহাপরিচালক  এদিন বিকেল ৩ টায় বিএসপিআই এর খেলার মাঠে প্রতিষ্ঠানটির আয়োজনে  আন্ত: বিভাগীয় টি -১০   ক্রিকেট টূর্ণামেন্টের পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    বিএসপিআই এর ভারপ্রাপ্ত  অধ্যক্ষ রূপক কান্তি বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন, কাপ্তাই বিএন স্কুল এন্ড কলেজ এর উপাধ্যক্ষ এম জাহাঙ্গীর আলম। এসময় সকল বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

    ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অটোমোবাইল বিভাগ ৬০ রানে ইলেকট্রনিক বিভাগকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি গ্রহণ করেন ।

  • কাপ্তাইয়ে বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র  স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    কাপ্তাইয়ে বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র  স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    কাপ্তাই( রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান( বিকেএসপি)  আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র  কাপ্তাই উপজেলায় স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

    বুধবার ( ৫  নভেম্বর) বিকাল ৪টায় শিলছড়ি প্যারাডাইসে এ  সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

    কাপ্তাই উপজেলার ক্রীড়ামোদী সর্বস্থরের জনগণ, সাবেক এবং বর্তমান খেলোয়াড়দের ব্যানারে  এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে  লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান এবং কাপ্তাই বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক সাবেক চেয়ারম্যান মো.  দিলদার হোসেন।

    এসময় তিনি বলেন, খেলাধুলায় সমগ্র বাংলাদেশে কাপ্তাইয়ের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। আন্তর্জাতিক,   জাতীয় এবং জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কাপ্তাইয়ের সন্তানরা সুনামের সাথে খেলে আসছেন। রাঙামাটির মারী স্টেডিয়াম যার নামে করা হয়েছে তিনি কাপ্তাইয়ের সন্তান। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, একটি মহল চায়না কাপ্তাইয়ে বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হউক। সরকার যখন কাপ্তাই উপজেলায় বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করার প্রাথমিক  সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই কাপ্তাই উপজেলায় যেন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করার দাবি জানাই।

    কাপ্তাই বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব কৃতি খেলোয়াড় আনিছুর রহমানএর  উপস্থাপনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই  বিএন স্কুল এন্ড কলেজ এর উপাধ্যক্ষ মো: জাহঙ্গীর আলম, মাহাবুব হাসান, ক্রীড়া সংগঠক ও চম্পাকুড়ি খেলাঘর আসর এর সহ সভাপতি  জাকির হোসেন,সাবেক মেম্বার একরাম হোসেন, বিশিষ্ট রেফারি ও ক্রীড়া শিক্ষক  আব্দুল কাদের, শীলছড়ি দি রয়েল ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুর রহমান,  সাবেক কৃতি খেলোয়াড় ও   ক্রীড়া সংগঠক মো: জাকির হোসেন,  যুব সংগঠক মো: ইব্রাহীম,মোহাম্মদ মাসুদ,ইউসুফ প্রমূখ।

  • হারিয়ে যাওয়া বউ- ছি এবং হা- ডু ডু খেলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ

    হারিয়ে যাওয়া বউ- ছি এবং হা- ডু ডু খেলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসানে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা। একসময় গ্রামগঞ্জ এবং স্কুলে বউছি খেলা, হা- ডু ডু খেলা, কানামাছি, দাঁড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট খেলা দেখা মিললেও আধুনিক সভ্যতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে আমরা ইতিমধ্যে হারিয়েছি  আমাদের অনেক ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, আচার, আচরণ, কৃষ্টি  এবং সংস্কৃতিকে। আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা জানে না বউছি খেলা, দাড়িয়াবান্ধা খেলা কিংবা কানামাছি খেলা কি৷ তাই হারিয়ে যাওয়া এইসব গ্রামীণ খেলাধূলাকে পুনরায় ফিরে আনার লক্ষ্যে রাঙামাটির কাপ্তাই হতে প্রকাশিত মাসিক সাময়িকী রূপসী কাপ্তাইয়ের উদ্যোগে বউছি খেলা এবং হা- ডু- ডু খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

    সোমবার (২৭ অক্টোবর)  সকাল ১১ টায় কাপ্তাই ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে  এই দুটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    শুরুতেই  ছেলেদের হা- ডু- ডু খেলা অনুষ্ঠিত হয়  এতে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কুকিমারা লোটাস শিশু  সদন আবাসিক  উচ্চ বিদ্যালয়  । এতে ৩০-২০ পয়েন্ট এ কুকিমারা লোটাস শিশু সদন আবাসিক বিদ্যালয় ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়কে পরাজিত করেন।

    পরে মেয়েদের বউছি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কুকিমারা লোটাস শিশু সদন আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়   । এতে উভয় দল  ৩৯-৩৯ পয়েন্ট অর্জন করেন। ফলে  এ খেলা ড্র হয়।

    এর  আগে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)  এর অধিনায়ক লে: কর্নেল কাওসার মেহেদী সিগন্যালস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই গ্রামীণ খেলাধুলার উদ্বোধন করেন এবং খেলোয়াড়দের সাথে পরিচিত হন। এসময় তিনি বলেন, আমাদের গ্রামবাংলার অনেক খেলা আজ বিলুপ্তির পথে, এইসব হারিয়ে যাওয়া খেলাকে পুনরায় আমাদের মাঝে ফিরে আনতে হবে। আজকে রুপসী কাপ্তাই যেই উদ্যোগ গ্রহন করেছেন তা সত্যি প্রশংসনীয়।

    রূপসী কাপ্তাইয়ের সম্পাদক সাংবাদিক কাজী মোশাররফ হোসেন এবং কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাপ্তাই উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো হোসেন, ১০০ নং ওয়াগ্গা মৌজার হেডম্যান অরুণ তালুকদার, ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবিমল তনচংগ্যা, বড়ইছড়ি কর্ণফুলী নুরুল হুদা কাদেরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়সীম বড়ুয়া, ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিপ্লব কুমার চৌধুরী , লোটাস শিশু সদন আবাসিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হ্রাংহ্লামং মারমা, সহকারী প্রধান  শিক্ষক মুন্নী বড়ুয়া সহ স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    খেলা পরিচালনা করেন কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হাসান বাবু, ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কল্যান বিকাশ তনচংগ্যা এবং আল আমিন নুরিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আব্দুল কাদের।

    পরে অতিথিরা বিজয়ী এবং বিজিত দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

  • জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে দেশব্যাপী বর্ণাঢ্য পদযাত্রা ও সাইকেল র‌্যালি অনুষ্ঠিত

    জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে দেশব্যাপী বর্ণাঢ্য পদযাত্রা ও সাইকেল র‌্যালি অনুষ্ঠিত

    প্রতিবেদকঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন।
    ২২ অক্টোবর ২০২৫, বুধবার সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালিত হয়েছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৫।
    এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমাবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি।
    এই শ্লোগানকে সামনে রেখে “নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)” কেন্দ্রীয় কমিটি ও সারাদেশের শাখা সংগঠনগুলো নানা কর্মসূচির আয়োজন করে।

    দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য সাইকেল র‌্যালি, পদযাত্রা, আলোচনা সভা, সচেতনতামূলক পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ, ভিডিও প্রদর্শনী এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান।

    সকালে রাজধানীর কাকরাইলস্থ নিসচা কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ রওনা হয়ে হাতিরঝিল সড়ক ভবনের গেটে সরকারি র‌্যালিতে যোগ দেন। পরবর্তীতে সড়ক ভবন মিলনায়তনে মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করা হয়। সভা শেষে বনানী কবরস্থানে গিয়ে মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের কবর জিয়ারত করেন তারা।

    বিকেলে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে নিসচা কেন্দ্রীয় অফিস থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত সাইকেল র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশ সাইকেল লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়।

    নিসচা ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ বলেন,
    সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সকল রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা অত্যন্ত জরুরি। সরকারকে এ বিষয়ে সবাইকে আস্থায় আনতে হবে। আমরা চাই রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সড়ক নিরাপত্তাকে অন্যতম অঙ্গীকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করুক।

    তিনি আরও বলেন
    আমাদের প্রাণের স্পন্দন, নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর অবস্থা নিয়ে কেউ বিভ্রান্তি বা গুজব ছড়াবেন না এ অনুরোধ করছি। সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করুন।

    বাংলাদেশ সাইকেল লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি আমিনুল ইসলাম টুববুস বলেন,

    যান্ত্রিক শহরে সময় বাঁচাতে মানুষ সাইকেলের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে, কিন্তু নিরাপদ সড়ক না থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন আমাদের প্রিয়জনেরা। তাই সাইকেল লেন বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইক্লিং ক্লাবের সভাপতি তৌহিদুর রহমান।

    র‌্যালি শেষে প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় অফিসে ফিরে বাদ মাগরিব দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    এতে মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের আত্মার মাগফেরাত ও প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চনের সুস্থতা কামনা করা হয়।

    দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নিসচা ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন বাবুল, মহাসচিব এস এম আজাদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ গনি মিয়া বাবুল, এ কে আজাদ, অর্থ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট তৌফিক আহসান টিটু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন খান, প্রচার সম্পাদক এ কে এম ওবায়দুর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য নাসিম রুমি, আব্দুর রাজ্জাক, আসাদুর রহমান, মোঃ ইমরান হোসেন, জামাল হোসেন মণ্ডল, আরিফুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আক্তার হোসেন এবং সাধারণ সদস্য আবদুল মান্নান, রাজু আহমেদ, এম এ ইউসুফ, শাহ আলম সাবু, হৃদয় হোসেন, মাসুদ রানা, রাজিব, জামান মিয়া প্রমুখ।

  • ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    আবুল হাসনাত তুহিন ফেনী:

    ফেনীতে আনুষ্ঠানিক ভাবে মাঠে গড়ালো জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের। উদ্বোধনী খেলায় অংশ নেয় ফেনী সদর উপজেলা দল ও ফুলগাজী উপজেলা দল। খেলায় ফেনী সদর উপজেলা দল ১-০ গোলে জয়লাভ করে। মঙ্গলবার ফেনীর ভাষা শহীদ আবদুস সালাম স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। এ সময় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ফেনী কার্যালয়ের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইসমাইল হোসেন, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান, জেলা ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারী মাওলানা একরামুল হক ভূঁইয়া, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন প্রমুখ।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ট্রফি ও ১ লাখ টাকা প্রাইজমানি। রানারআপ দল পাবে ৫০ হাজার টাকা প্রাইজমানি ও ট্রফি। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের জন্য রয়েছে ২০ হাজার টাকার প্রাইজমানি। প্রতি ম্যাচের ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত খেলোয়াড়কে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা গোলকিপারকে যথাক্রমে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। নতুন সংযোজন হিসেবে ফেয়ার প্লে টিমকে দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকা। উদ্বোধন কালে ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেছেন, আমরা চাই ফেনীর ক্রীড়াঙ্গন এগিয়ে যাবে।মঙ্গলবার ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়ামে ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সকল দল তাদের ম্যাচগুলো ফুটবলের নিয়ম-কানুন মেনে খেলবে। তরুণ প্রজন্মের কাছে ফেনীর ক্রীড়া যেন অনুকরণীয় হয়ে থাকে। ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে টি টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে। আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কিশোর গ্যাং ও মাদক থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

    উল্লেখ্য, ‘তারুণ্যের উৎসব’ উদযাপনের অংশ হিসেবে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। এই টুর্নামেন্টে জেলার ৬ উপজেলা ফুটবল দল দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করছে। ক গ্রুপে রয়েছে ফেনী সদর উপজেলা, পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলা, খ গ্রুপে রয়েছে ছাগলনাইয়া উপজেলা, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলা। টুর্নামেন্টের প্রতিটি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রথমে লীগ পর্ব খেলবে। লীগ পর্ব শেষ করে সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

  • মিরাজকে আরো সময় দিতে চান ফারুক

    মিরাজকে আরো সময় দিতে চান ফারুক

    খেলাধুলা ডেস্ক: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় নাজমুল হোসেন শান্তকে। পরে ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয় মেহেদী হাসান মিরাজকে। তবে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স ভালো না। টানা দুটি সিরিজে হেরেছে বাংলাদেশ দল। মিরাজের অধীনে ৯ ম্যাচে খেলে বাংলাদেশ মাত্র একটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। বাকি ৮টিতেই হেরেছে টাইগাররা। তবে এমন পারফরম্যান্সের পরও বোর্ডকে পাশে পাচ্ছেন এই অধিনায়ক। বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ প্রশংসা করেছেন মিরাজের মেধার। তাই মিরাজকে নিয়ে তাড়াহুড়ো না করে অন্তত ১-২ বছর সময় দেয়ার পক্ষে তিনি। গণমাধ্যেমের সঙ্গে আলাপকালে ফারুক বলেন, ‘মিরাজের ক্রিকেটীয় মেধা খুব ভালো। এটা প্রথমে বলতে হবে। সে একজন ক্যাপ্টেন ম্যাটেরিয়াল। দল যখন ভালো খেলে না তখন অধিনায়কত্বেরও অনেক ভুল বের হয়। আবার অনেক সময় দল যখন পারফর্ম করতে থাকে তখন কিন্তু অনেক ভুল করলেও পার পেয়ে যায়।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘একজন অধিনায়ককে দায়িত্ব দিয়েই আপনি আশা করবেন মিরাকেল করবে, না। আমি মনে করি একজন অধিনায়ককে অন্তত এক থেকে দুই বছর সময় দেয়া দরকার। তাহলে সেও একটা সময়সীমা সেট করতে পারবে আমার কোন টুর্নামেন্ট আছে, আমি কী চাই, ও সহায়তা করবে নির্বাচকদের। আমার মনে হয় মিরাজ অধিনায়কত্বে খারাপ করবে না বা করছে না। দল যখন আরেকটু ভালো খেলবে অধিনায়কত্ব আরও ভালো লাগবে।’ ফারুক মনে করেন মিডল অর্ডার ব্যাটাররা ছন্দ হারিয়েছেন, ‘আমি মনে করি সাবেক অধিনায়ক হিসেবে মিডল অর্ডার ব্যাটিংটা…এটা আসলে সমালোচনা নয়। কিন্তু মিডল অর্ডারটা নিয়ে আসলে টিম ম্যানেজমেন্টও ঠিক বুঝতে পারছে না কার কী পজিশন, কোথায় কাকে চেষ্টা করব বা কার ভেতর কী আছে। একই সঙ্গে আমাদের কিছু খেলোয়াড় ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে। আপনি জাকের খুব ভালো..ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকেই রান করছিল কিন্তু এখন বাজে সময় যাচ্ছে।’

  • জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের স্মারক লিপি প্রদান

    জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের স্মারক লিপি প্রদান

    সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারী ‘২৬ এ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি, গণভোট আয়োজনসহ কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে মিছিল সহকারে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর পিরোজপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খানের কাছে স্মারক লিপি হস্তান্তর করেন।

    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্ধারন করা হয়েছে। রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভয়ভীতিমূক্ত গ্রহনযোগ্য নির্বাচন নতুন বাংলাদেশের অন্যতম দাবী। নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোট কেন্দ্র দখল, পেশি শক্তি প্রদর্শন ও ভোটকেন্দ্রে নানাবিধ অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ এবং দক্ষ সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন বর্তমানে গণ দাবীতে পরিনত হয়েছে। বিগত সরকার বিভিন্ন স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদি পদক্ষেপের মাধ্যমে সংবিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ করে ধ্বংস করেছে। বিরোধী মতে মানুষের উপর জুলুম-নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, হামলা, গ্রেফতার, জেল-জরিমানা, গুম, খুন করে দেশপ্রেমিক মানুষ ও মূক্ত গণমাধ্যমের কন্ঠকে স্তম্ভিত করেছে। দিনের ভোট রাতে নির্বাচনের নামে জাতির সাথে প্রহসন করেছে। বিশ্ববাসীর কাছে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে।

    অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচনের স্বার্থে ফ্যাসিস্টের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সহ নিম্নোক্ত ৫দফা দাবি পেশ করেন-
    ১. আগামী ফেব্রুয়রীতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর গণভোট আয়োজন করা
    ২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা।
    ৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
    ৪. ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
    ৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।

    স্মারকলিপি প্রদানের আগে জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমীর তোফাজ্জল হোসাইন ফরিদ, পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জননেতা শামীম সাঈদী, জেলা সেক্রেটারী মো. জহিরুল হক, জেলা সহকারী সেক্রটারী শেখ আব্দুর রাজ্জাক, পেশাজীবি সংগঠনের সেক্রেটারী ড. আব্দুল্লাহিল মাহমুদ, শিবিরের জেলা সভাপতি মো. এমরান হোসেন প্রমুখ।

    এ সময় জেলা নায়েবে আমীর আব্দুর রব সহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সমাবেশ শেষে জেলা নেতৃবৃন্দ পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।