Category: জাতীয়

  • পিরোজপুরের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারের সাথে জেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময়

    পিরোজপুরের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারের সাথে জেলা প্রেসক্লাবের মতবিনিময়

    মোঃ মেহেদী হাসান, (স্টাফ রিপোর্টার)।

    পিরোজপুরের নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মনজুর আহম্মেদ সিদ্দিকীর সাথে মতবিনিময় করেছেন, জেলা প্রেসক্লাব পিরোজপুরের সাংবাদিকবৃন্দ।
    আজ বুধবার (১৭ই ডিসেম্বর) বিকাল ৪ ঘটিকায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ জলিল এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু জাফর-এর নেতৃত্বে সংগঠনের সকল সদস্য এই মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
    অন্যান্য সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এস এম সোহেল বিল্লাহ কাজল, অহিদুজ্জামান রাসেল,মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মোঃ শাহিন ফকির,এম এ নকিব নাছরুল্লাহ্, মেহেদী হাসান নয়ন,নূরুজ্জামান খোকন, সাগর মৃধা,সবুজ হোসেন।
    সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে পুলিশ ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ক আলোচনা করা হয়।
    মত বিনিময় সভায় পিরোজপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সুপার(এস.পি)
    সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
    এ সময় জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ জনস্বার্থে পুলিশ প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

  • জাজিরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    জাজিরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধি:

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    ১৬ ডিসেম্বর ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, থানা পুলিশ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও দেশাত্মবোধক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান এবং তাঁদের স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।

    সব কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালিত হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

  • ১০আর ই ব্যাটালিয়ন কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণ 

    ১০আর ই ব্যাটালিয়ন কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি রিজিয়নের ১০আর ই ব্যাটালিয়ন কর্তৃক শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করেছে।

    সোমবার সকালে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন জীবতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাড়া ও মগবান ইউনিয়নের পানছড়ি পাড়া এলাকায় শীত মৌসুম উপলক্ষে ৩৭টি পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

    শীত বস্ত্র বিতরণ করেন ১০আর ই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এ এস এম সাদিক শাহরিয়ার পিএসসি।

    তিনি জানান সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানের নির্দেশনায় এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় ।

    এলাকার লোকজন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক শীতবস্ত্র কম্বল পেয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    ১০আর ই ব্যাটালিয়ন জানান, ভবিষ্যতে এধরনের সুবিধা বঞ্চিত জনসাধারণের পাশে আমরা আছি এবং থাকব।

  • কাউখালীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শহীদ বেদিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ

    কাউখালীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শহীদ বেদিতে পুষ্প মাল্য অর্পণ

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তানী বাহিনী পরাজয় নিশ্চিত জেনে তারা নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দুর্বল এবং পঙ্গু করে দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করতে থাকে।
    সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ই ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিজ নিজ গৃহ হতে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। এই পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত।
    ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর ১৪ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
    এরই ধারাবাহিকতায় পিরোজপুরের কাউখালীতে ১৪ই ডিসেম্বর বিকাল ৪ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা দাস,কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াকুব হোসাইন,সরকারী কেজি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুর রহমান,সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায়,সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াদ মাহামুদ সিকদার, মোঃরফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন,উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান, শিক্ষক ও সাংবাদিকবৃন্দ।
    আলোচনা শেষে ১৪ই ডিসেম্বরের সকল শহীদ বুদ্ধিজীবিদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান।
    পরিশেষে বিকাল ৫ ঘটিকার সময় কাউখালি লঞ্চঘাট সংলগ্ন বধ্যভূমির শহীদ বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে দিবসটির সমাপ্তি করা হয়

  • কাপ্তাইয়ে আইস প্লান্ট উদ্বোধন করেন রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স সভাপতি

    কাপ্তাইয়ে আইস প্লান্ট উদ্বোধন করেন রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স সভাপতি

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটি মাছ,বাঁশ,গাছসহ বিভিন্ন ফসল আমাদের সম্পাদ।আমরা এ সম্পাদককে কাজে লাগিয়ে দেশের  চাকা আরও সুন্দর ও জনকল্যাণে কাজে লাগাতে পারি। মাছ ব্যবসাকে সুরক্ষা করতে আইস অতি প্রয়োজন  । মাছকে রাঙামাটি জেলা তথা কাপ্তাই উপজেলা  হতে অন্য জেলা বা শহরে পরিবহন করে নিতে হলে বরফ  প্রয়োজন।

    শুক্রবার সকাল ১১টায় কাপ্তাই নতুন বাজার আইস প্লান্ট উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথি রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স সভাপতি মোঃ মামুনুর রশিদ মামুন উপরোক্ত বক্তব্যে রাখেন।

    নুর মোহাম্মদ বাবুর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করে কাপ্তাই আইস প্লান্ট পরিচালক মো আবু বক্কর ছিদ্দিক। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিচালক মো ইমতিয়াজ সাকিব। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ আবাসিক প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত),কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন, কাপ্তাই মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো বেলাল হোসেন, কাপ্তাই প্রেসক্লাবে সভাপতি মো কবির হোসেন, মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির অর্থ সম্পাদক মো.শাহাবুদ্দিন ও মৎস্য ব্যবসায়ী  সম্পাদক নবী হোসেন। এর আগে সকালে দোয়া মাহফিল, কুরআন খতম পড়ানো হয়। এবং প্রধান অতিথি সুইচ টিপে আইস প্লান্ট উদ্বোধন করে। এসময় সকল মৎস্য ব্যবসায়ীগন উপস্থিত ছিলেন।

  • হাদীর উপর হামলার প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে  বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    হাদীর উপর হামলার প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে  বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।  

    ইনকিলাব মঞ্চের মূখ্য সমন্বয়ক ওসমান হাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর প্রতিবাদে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বিএনপির  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি এবং এর  অঙ্গ ও সহযোগী  সংগঠনের উদ্যোগে  কাপ্তাই উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর হতে উপজেলা  বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি  বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে  সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডাঃ মোঃ রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক  উথোয়াই মং মারমা।  সমাবেশে  বক্তব্যরা জানান  ওসমান হাদীর ওপর হামলা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিরোধী কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এসময়  উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন কন্ট্রাক্টর, ওয়াগ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম হাবিব মিলু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লা নাহিয়ান ডালিম, উপজেলা তাঁতীদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রহমত উল্লাহ মনু, উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক উহ্লাচিং মারমা, কর্ণফুলি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব রিয়াজ উদ্দিন আকাশ, উপজেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল করিম, সদস্য মোঃ মাসুদসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

    আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

    প্রতিবেদক : মোঃ আনোয়ার হোসেন

    চট্টগ্রাম, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং
    ৭৭ তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কর্মীরা মানবাধিকারের সুরক্ষা, আইনী সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করা এবং অধিকার বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার উপ-পরিচালক এ কে এম আকবর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদিকা জনাবা কহিনুর আক্তার কাজল, অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আজমউদ্দিন রানাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ ও মানবাধিকার কর্মীরা।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের আইনী জটিলতা দূরীকরণে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

  • কাপ্তাইয়ের দুর্গম ভাল্লুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন 

    কাপ্তাইয়ের দুর্গম ভাল্লুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙ্গামাটির কাপ্তাই এর দুর্গম  ভাল্লুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে  বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিনয় বিকাশ তালুকদার এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন।

    এ সময় তিনি বলেন, দুর্গম এলাকায় এত সুন্দর স্কুল নির্মাণ এটা সরকারের এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, আমাদের সকল শিশুদেরকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার আওতায় আসতে হবে।

    রাইখালী ইউনিয়নের ভাল্লুকিয়া এলাকাবাসীর আয়োজনে এবং রবিন তনচংগ্যা এর সঞ্চালনায় এ সময় বিশেষ অতিথি  ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলাম চৌধুরী।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন  ভাল্লুকিয়া উচ্চবিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ওসমান গনি কুতুবী, ইউসিপি সভাপতি স্বপন বড়ুয়া,সহকারী শিক্ষক জনি তনচংগ্যা। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভালুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জয় মোহন তনচংগ্যা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মৈত্রী বন্ধন মানবিক ব্লাড ব্যাংকের সদস্য বসন্ত তালুকদার, সুফল তনচংগ্যা,সমাজসেবক রনি তনচংগ্যা,বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সন্তোষ বড়ুয়া প্রমূখ।

  • কাউখালীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত

    কাউখালীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হলো,আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস।
    “মানবাধিকার আমাদের প্রতিদিনের অপরিহার্য বিষয়” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, উপজেলার এনজিও সংস্থা নাগরিক উদ্যোগের আয়োজনে গত ১০ই ডিসেম্বর(বুধবার) সকাল ১০ ঘটিকার সময়, তাদের নিজস্ব কার্যালয়ে এবং কার্যালয়ের সন্মুখে আলোচনা সভা ও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    আরজে মেডিয়েশন এর সভাপতি ও ৩নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,ইউপি সদস্য মোঃ সাঈদ, মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কাউখালী উপজেলা শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান নয়ন,সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন গাজী, নুরুজ্জামান খোকন,সিনিয়র সাংবাদিক এনামুল হক ও সাংবাদিক সবুজ।
    এসময় বক্তরা বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ১৯৪৮ সাল থেকে ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘে ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে মানবাধিকার রক্ষায় দিনটি পালিত হচ্ছে। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তার মৌলিক অধিকার রক্ষায় প্রতিবছর এসময় এই দিনটির গুরুত্ব পায়। তাই এই দিনটি শুধু ১০ই ডিসেম্বর আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে,আমাদের প্রতিনিয়তই মানুষের অধিকার নিয়ে আলোচনা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে বেগবান করতে সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সেই সাথে প্রতি ইউনিয়নে ব্যানার ফেস্টুন এবং লিফলেট বিতরণ করাও জরুরী বলে মন্তব্য করেন।
    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, কমিউনিটি প্যারা লিগ্যাল সুমা আক্তার, হোসনেয়ারা বেগম,জীবন কৃষ্ণ দাস ও কর্মসূচি সহকারী শংকর কর্মকার সহ আর.জে.এম.এফ এর সদস্যবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন,সংস্থাটির প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ মহসিন মিয়া।

  • সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না -মোঃ মোস্তফা আল ইহযায”

    সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না -মোঃ মোস্তফা আল ইহযায”

    স্টাফ রিপোর্টার।

    আজকের পর আর একজন মানুষও সীমান্তে হত্যা করা যাবেনা ও সীমান্ত হত্যার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের লক্ষ্যে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের উদ্যোগে ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার সকাল ১০:৩০ মিনিটে জাতীয় প্রেসক্লাব সম্মুখে মৌলভীবাজার ও লালমনিরহাট সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলে লেঃ কর্নেল খন্দকার ফরিদুল আকবর এর সভাপতিত্বে ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয় মোঃ মোস্তফা আল ইহযায এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া আইনজীবী ফোরাম এর সহ-সভাপতি এডভোকেট এ এম এন আবেদ রাজা, প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জঙ্জু নরমাল বিশ্ববিদ্যালয় চিন এর ভিজিটিং প্রফেসর ড আবু মূসা মোঃ আরিফ বিল্লাহ, ইসলামি বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদী, জাতীয়তাবাদী তাতীদলের যুগ্ম সম্পাদক ড. মনিরুজ্জামান, আরজেএফ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, মিলন মল্লিকা, আব্দুল আলীম, মিজানুর রহমান, জালাল আহম্মেদ সহ লালমনিরহাট ও মৌলভীবাজার থেকে আগত স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    এসময় এসময় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন,
    ভারত রাজনৈতিক ভাবে, অর্থনীতিক ভাবে, ব্যবসা-বানিজ্য, তাদের সাহিত্যে, গানে, নাটকে, চলচ্চিত্রে বাংলাদেশকে শোষণ করছে, তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদেরকে উস্কি দিয়ে পার্বত্য অঞ্চল কে অশান্ত করতে চায়, সকল অপরাধের মূলে রয়েছে ভারত।

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ সীমান্ত। সীমান্তে ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) প্রায়ই বাংলাদেশীদের হত্যা করে। বাংলাদেশ বহুবার সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানালেও তা বন্ধ হয়নি। ভারত বিভিন্ন সময়ে হত্যা বন্ধে প্রতিশ্রুতি দিলেও তা কার্যকর করেনি। ফলে নিয়মিতভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা চলছে। সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু বিএসএফের হাতে বাংলাদেশীদের হত্যার ঘটনা বন্ধে তারা বরাবরই ব্যর্থ।

    বিএসএফ বছরের পর বছর ধরে ধারাবাহিকভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যা করে চলেছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৫-২৪ পর্যন্ত ১০ বছরে বিএসএফ ৩০৫ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। ২০১৫ সালে ৪৩ জন, ২০১৬ সালে ২৮ জন, ২০১৭ সালে ৩০ জন, ২০১৮ সালে ১৫ জন, ২০১৯ সালে ৪২ জন, ২০২০ সালে ৫১ জন, ২০২১ সালে ১৭ জন, ২০২২ সালে ২৩ জন, ২০২৩ সালে ৩০ জন এবং ২০২৪ সালে ২৬ জন গত কয়েক দিন আগে দুজন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। তারা ২০২৫ সালে ৩১নজন বাংলাদেশী নাগরিক কে হত্যা করেছে। এসব হত্যার কোনো বিচার হয়নি। বিএসএফ জওয়ানদের গুলিতেই এসব নিরীহ বাংলাদেশী প্রাণ হারিয়েছে।
    ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার সময় এই বর্ডার লাইন নির্ধারিত হয়। ভারত-পাকিস্তান বর্ডার কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রিটিশ আইনবিদ স্যার সিরিল রেডক্লিফ ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট এটি নির্ধারণ করেন। আজকের বাংলাদেশ তখন পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সাথে ভারতের নির্ধারিত সীমানাই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের সীমান্ত। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চার হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমানা রয়েছে এবং এটি পৃথিবীর পঞ্চম দীর্ঘ সীমান্ত লাইন। ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। আসামের সাথে ২৬২ কিলোমিটার, ত্রিপুরার সাথে ৮৫৬ কিলোমিটার, মিজোরামের সাথে ৩১৮ কিলোমিটার, মেঘালয়ের সাথে ৪৪৩ কিলোমিটার ও পশ্চিমবঙ্গের সাথে দুই হাজার ২১৭ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যেই প্রায় তিন হাজার ১৮০ কিলোমিটার বেড়া নির্মাণ স¤পন্ন করেছে। বাকি ৯১৬ কিলোমিটার সীমান্তে ঘন বনভূমি, উঁচু পর্বতমালা, নদীপথ এবং জলাভূমি থাকায় বেড়া নির্মাণ করতে পারেনি। সীমান্তে হত্যা এবং বেড়া নির্মাণ নিশ্চয়ই বন্ধুত্বের নিদর্শন নয়।

    এছাড়া তাদের হামলায় বিভিন্ন সময়ে বহু বাংলাদেশী আহত হয়েছে এবং এদের কেউ কেউ পঙ্গু হয়েছে। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানী খাতুন নামে ১৫ বছর বয়সী বাংলাদেশী মেয়েকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে। পরদিনই তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তার লাশ দীর্ঘ সময় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছিল। এই ছবি সারা দুনিয়ার মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু ফেলানী হত্যায় জড়িত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষসহ অন্যদের ভারতের আদালত খালাস দেয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এর বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও এখনো সেই বিচার সম্পন্ন হয়নি।

    বিএসএফ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী স্বর্ণা দাস এবং ৯ সেপ্টেম্বর ১৫ বছরের জয়ন্ত কুমার সিংহকে হত্যা করে। স্বর্ণা দাস তার মায়ের সাথে ভারতের ত্রিপুরায় বসবাসরত ভাইয়ের কাছে বেড়াতে যাচ্ছিল। এভাবে ভারত সীমান্তে নিরাপত্তার নামে নিরপরাধ বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করে চলেছে।

    সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক নীতিমালা রয়েছে। তাছাড়া দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সপাদিত এরকম দু’টি চুক্তি হচ্ছে জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন্স ফর বর্ডার অথরিটিজ অব দ্য টু কান্ট্রিজ, ১৯৭৫ এবং দ্য ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান, ২০১১। জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন্স ফর বর্ডার অথরিটিজ অব দ্য টু কান্ট্রিজ, ১৯৭৫ অনুসারেÑ এক দেশের নাগরিক যদি বেআইনিভাবে অন্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করে বা কোনো অপরাধে জড়ায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী আত্মরক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে, তবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার না করাটাই বাঞ্ছনীয়। অথচ ভারত এসব চুক্তি মানছে না। সীমান্তে কোনো বাংলাদেশী আইন ভঙ্গ করে অপরাধ করলে তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনা ও বিচার করে শাস্তি দেয়া যায়। কিন্তু বিএসএফ সেই পথ অনুসরণ করে না। তারা সবসময় এবং কিছু হলেই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করছে এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে অনেক বৈঠক হয়েছে এবং সীমান্ত হত্যার বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এসব বৈঠকের প্রত্যেকটিতেই বিএসএফ, সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু বিএসএফ কখনোই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।

    আমরা সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা চিরতরে বন্ধের দাবি জানাই। প্রয়োজনে এই ইস্যু জাতিসঙ্ঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।

    বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এই বাস্তবতা ভারতকে মানতে হবে। বাংলাদেশ সবসময় প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে সুস¤পর্ক চায়। প্রতি বছর বিরাট সংখ্যক বাংলাদেশী চিকিৎসা, ব্যবসায় ও পর্যটনসহ বিভিন্ন কাজে ভারতে যায়। প্রচুর ভারতীয়ও বাংলাদেশে আসে। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত এলাকার বহু মানুষ নিজেদের মধ্যে বিয়ে শাদির মাধ্যমে আত্মীয়তার বন্ধন গড়ে তুলেছে। দেশ দু’টির মধ্যে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় রয়েছে। সীমান্তে ব্যবসায়-বাণিজ্য স¤পাদনে একাধিক নদীবন্দর, স্থলবন্দর এবং কাস্টম হাউজ রয়েছে। অনেকগুলো সীমান্ত হাট রয়েছে। দেশ দু’টির মধ্যে বাস ও ট্রেন চলাচল বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন সীমান্ত এবং অভিন্ন নদী রয়েছে। কিন্তু ভারত সবসময় সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা এবং বাংলাদেশকে অভিন্ন নদীর ন্যায্য পানি থেকে বঞ্চিত করে চলেছে। কিছু হলেই ভারত বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা প্রদান এবং বাংলাদেশে আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য রফতানি বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের ভারত নিরাপদ আশ্রয় দেয়। ফলে বাংলাদেশ সব দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা এসবের অবসান চাই। তার জন্য ভারতকে সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করতে হবে, আমরা সীমান্ত হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে আন্তর্জাতিক আদালতে সীমান্ত হত্যার বিচার দাবী করছি।

    প্রতিবাদ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে কদম ফোয়ারা ঘুরে আবার প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।