Category: দুর্ঘটনা/শোক সংবাদ

  • শাহজাদপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    শাহজাদপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    শাহজাদপুর উপজেলার বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ইব্রাহিম (২০) ও জিসান (১৮) নামের দুই তরুণ নিহত হয়েছেন।

    এ ঘটনায় আরও চার মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মহাসড়কের দ্বাবারিয়া এলাকায় একটি সিএনজি পাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ইব্রাহিম শাহজাদপুর পৌর শহরের দ্বারিয়াপুর চেয়ারম্যানপাড়া গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী মো. শাহিন সরকারের ছেলে। অপর নিহত জিসান উপজেলার নুকালী গ্রামের হারুনের ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে বন্ধুদের সঙ্গে বাঘাবাড়ি এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন ইব্রাহিম। পরে রাত ৯টার দিকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে দিলরুবা বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণে দ্বাবারিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা জিসানের মোটরসাইকেলসহ মোট তিনটি বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    সংঘর্ষের পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত ইব্রাহিম, জিসানসহ মোট ছয়জনকে প্রথমে পিপিডি ট্রাস্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইব্রাহিম মারা যান।

    পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জিসানসহ আরও চারজনকে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ স্থানান্তর করা হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই জিসানের মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নিহত ইব্রাহিমের বাবা শাহিন সরকার বলেন, এই ঘটনায় আমাদের কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে যেন আর কোনো বাবা-মাকে এভাবে সন্তান হারানোর কষ্ট সহ্য করতে না হয়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রবাসী অটো রিক্সা চালক মাসুম নিহত

    আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রবাসী অটো রিক্সা চালক মাসুম নিহত

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় কাটা পড়ে মাসুম মিয়া (৪৫) নামে এক প্রবাসী অটো রিক্সা চালক নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের দরুইন গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মাসুম ওই গ্রামের মোঃ শাহজাহান মিয়ার ছেলে এবং পেশায় সে একজন অটো রিক্সা চালক ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, সে দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকতেন, প্রবাস থেকে একেবারে এসে, অটো রিস্কা চালান, অটো রিস্কা চালানো শেষে, সন্ধ্যায় কেনাকাটা করে বাড়ি ফেরার পথে মাসুম মিয়া রেললাইন পারাপার সময় আন্ত নগর ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

    পরে আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
    আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে আইসিইউ রোগীর মৃত্যু, আহত ৫

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে আইসিইউ রোগীর মৃত্যু, আহত ৫

    মো: আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) বুধবার (২০ মে ২০২৬) ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাসরিন নাহার নামে এক আইসিইউ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আগুনের আতঙ্কে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সময় অক্সিজেনের ঘাটতিতে তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। নিহত রোগী খুলনার কয়রা উপজেলার নেছার আলির কন্যা।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জন্মগত ডায়াবেটিস জনিত জটিলতায় গত রবিবার তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। বুধবার ভোরে অগ্নিকাণ্ডের সময় তাড়াহুড়া করে নামানোর সময় মাস্ক খুলে গেলে অক্সিজেন সংকটে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. দিলীপ কুমার কুন্ডু গণমাধ্যমকে জানান, আইসিইউতে মোট ১৫ জন রোগী ছিল। আমরা সবাইকে নিরাপদে সরাতে সক্ষম হই। তবে ওই রোগীর স্বজনরা তাকে নিজে থেকেই দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। নামানোর পথেই তার মৃত্যু হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিট থেকে ৬টার মধ্যে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় ইমারজেন্সি অপারেশন থিয়েটার, পোস্ট অপারেটিভ কক্ষ ও স্টোর রুম এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধোঁয়ায় পুরো এলাকা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং রোগী, স্বজন ও চিকিৎসকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
    ধোঁয়ার কারণে ওটি ও পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডের ভেতরে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না বলে জানান কর্মীরা। দ্রুত মুমূর্ষু রোগীদের পেছনের দরজা দিয়ে এবং আইসিইউর রোগীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    ওয়ার্ড বয় রেজাউল গণমাধ্যমকে জানান, স্টো ররুম থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সবাই দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হন।

    অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন—
    হাসপাতালের স্টাফ সাইদুর রহমান (৫০), সিনিয়র স্টাফ নার্স নওরিন, দিপালী ও শারমিন এবং ফায়ার সার্ভিস সদস্য তৌহিদ।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, ধোঁয়ার মধ্যে থাই গ্লাসের গ্রিল কেটে আটকে পড়া নার্সদের উদ্ধার করা হয়। ফায়ার ব্রিগেডের স্টিলের সিঁড়ি ব্যবহার করে তাদের নামানোর সময় তীব্র আতঙ্কে একজন নার্স ও একজন ফায়ার সার্ভিস সদস্য ভারসাম্য হারিয়ে তিনতলা থেকে নিচে কংক্রিটের ওপর পড়ে যান। এতে তারা গুরুতর আহত হন।

    একই ঘটনায় আরও দুইজন নার্স ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাদের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।

    এছাড়া তিন তলার থাই গ্লাসের গ্রিল কেটে কর্তব্যরত নার্সদের ফায়ার সার্ভিসের স্টিলের সিঁড়ি ব্যবহার করে নিচে নামানোর সময় ফায়ার সার্ভিস সদস্য তৌহিদ নিচে পড়ে আহত হন।

    ফায়ার সার্ভিসের ১০ থেকে ১১টি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সহকারী পরিচালক জানান, চারতলা ভবনের তৃতীয় তলার স্টোর রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। শুরুতে গেট গুলো তালা বদ্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশে কিছুটা সময় লাগে। পরবর্তীতে ফায়ার ব্রিগেডের সদস্যরা তালা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে।

    পরবর্তীতে বেলকনি ও বিভিন্ন পথ ব্যবহার করে ৪–৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর আর কোনো নতুন হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

    রোগী ও স্বজনরা এই প্রতিবেদককে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। স্টোর রুম থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং ওটির ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেকেই আতঙ্কে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যোগে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করে অন্য বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের নিয়ে যান।

    তারা অভিযোগ করেন, ওটিতে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চললেও এমন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা রহস্যজনক। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. হোসেন আলী গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট অথবা এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী আইনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণে অক্সিজেন সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় সাময়িক ভাবে সব অপারেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

    এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।

    সর্বশেষ পরিস্থিতি,

    অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এলেও হাসপাতাল জুড়ে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কাজ চলছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও খুলনা জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজ খবর নেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে রোগীদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

  • কাপ্তাই কর্ণফুলী নদীতে দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে নাতির মৃত্যু 

    কাপ্তাই কর্ণফুলী নদীতে দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে নাতির মৃত্যু 

    কাপ্তই প্রতিনিধি। 

    দাদার সাথে গোসল করতে গিয়ে কর্ণফুলী নদীতে ডুবে নাতিনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ।

    শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে কাপ্তাই উপজেলা ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড শিলছড়ি ভেলুয়াপাড়ায়  বসবাসরত মোঃ মুছার মেয়ে মুস্কান(৬) দাদা মোঃ ইউসুফের সাথে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানি ডুবে মারা যায়।

    দাদা ইউসুফ প্রথমে ধারনা করেছে নাতনি গোসল করে বাসায় চলে গেছে।বাসায় এসে খোঁজ নিয়ে দেখে নাতিন বাসায় আসেনি। পরে দৌড়ে নদীতে গিয়ে  খোঁজ খুঁজির  এক পর্যায়ে নদীতে মৃত্যু দেহ পায়।পরে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

    কাপ্তাই ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ৯নং ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেন ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং বলেন হঠাৎ করে দাদার অজান্তেই পানিতে ডুবে শিশু মুস্কান মারা যায়।

  • কাপ্তাইয়ে সিএনজি ও মোটরসাইকল মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত- ৪

    কাপ্তাইয়ে সিএনজি ও মোটরসাইকল মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত- ৪

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে বিজিবি ফটকের সামনে সিএনজি ও মোটরসাইকেল  মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে কাপ্তাই উপজেলার ৫নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডস্থ ৪১ বিজিবি ফটকের  সামনের মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    থানা সুত্রে জানাযায়  যাত্রিবাহী একটি  সিএনজি উপজেলা সদর  বরইছড়ি এলাকা হতে যাত্রী নিয়ে কাপ্তাইয়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি জিকসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল কাপ্তাই হতে লিচুবাগান এলাকায় যাওয়ার পথে ঘটনাস্থলে  দুই গাড়ির মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    এসময় দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক মো. সায়মুন (২০), মোটরসাইকেল চালক শাহিন আলম (২৭), সিএনজির যাত্রী মো. জিদান (২০) এবং মোটরসাইকেলের যাত্রী মো. রানা (১৭) আহত হন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

    আহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালক শাহিন আলম গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হয়েছে বলে জানান কাপ্তাই স্বাস্থ্য বিভাগের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: ওমর ফারুক রনি । তার ডান হাত ভেঙে যায় এবং গলায় কেটে যায়। তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা  শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল(ওসি) জানান  দুর্ঘটনার পর কাপ্তাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সিএনজি ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানার হেফাজতে নিয়ে আসে।

  • ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ব্রেক ফেল করে আহত অন্তত ১২

    ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ব্রেক ফেল করে আহত অন্তত ১২

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    ঢাকা থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বাসের ব্রেক হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়ায় মারাত্মক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।

    শনিবার (৪ এপ্রিল) -সকাল ১০ ঘটিকার সময় নাওডোবা তস্তার কান্দি এলাকায় ঢাকা থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বাসের ব্রেক হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ায় মারাত্মক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।এতে
    ১২ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি স্বাভাবিক গতিতে চলছিল। হঠাৎ করে চালক ব্রেক কাজ না করার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। পরে বাসটি রাস্তার পাশে গিয়ে ধাক্কা খেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাসের সামনের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং যাত্রীরা ছিটকে পড়ে আহত হন।
    স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও এসে উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ দেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
    বাসটির চালক ও সহকারীর বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
    এ ঘটনায় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
    পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বাসটির ফিটনেস ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হবে।
    এই দুর্ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং মহাসড়কে যানবাহনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা এবং চালকদের সতর্কতা বাড়ানো না হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো কঠিন হবে।

  • আখাউড়ায় ট্রাক চাপায় নিহত, ট্রাক সহ ঘাতক ড্রাইভার আটক

    আখাউড়ায় ট্রাক চাপায় নিহত, ট্রাক সহ ঘাতক ড্রাইভার আটক

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় সুবল চন্দ্র দাস (৫৫) নামে লন্ড্রী ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ আরো চারজন আহত হয়েছেন। সোমবার বেলা ১১টায় প্রতিবেদন পর্যন্ত তার লাশ আখাউড়া থানায় রয়েছে। ঘাতক ট্রাকটিকেও থানায় রাখা হয়েছে।

    নিহত সুবল চন্দ্র দাস (৫৫) পৌর এলাকার দুর্গাপুর বাসিন্দা। হিরালাল চন্দ্র দাসের ছেলে। পৌরশহরের সড়ক বাজার এলাকায় তার লন্ড্রী দোকান রয়েছে।

    পরিবারিক সূত্র জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা থেকে ট্রেনে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছান সুবল চন্দ্র দাস।

    এরপর একিটি অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন। পরে খড়মপুর বাইপাস এলাকার মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবাহী ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে চালকসহ যাত্রীরা সড়কে ছিটকে পড়েন।
    নিহতের ভাই বিমল দাস জানান, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার ভাই মারা যান।

    এ ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ আরো তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য আহতদেরকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
    এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে, এবং সুবল দাস কে হত্যার ঘটনায় ঘাতক ড্রাইভার মোঃ কাউছার মিয়া(৩২) কে আটক করেছে পুলিশ। এসময় ঢাকা মেট্রো ট ১৮-৩৮০১ নম্বরের ট্রাক টি কেও জব্দ করা হয়েছে। আটক কাউছার মিয়া আশুগঞ্জ উপজেলার ছরছারতলা এলাকার মৃত মজনু মিয়ার পুত্র।

  • আখাউড়া রেলজংশন থেকে মোঃ মুন্নাফ নামে এক ভবঘুরে ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    আখাউড়া রেলজংশন থেকে মোঃ মুন্নাফ নামে এক ভবঘুরে ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ায় রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে মোঃ মুন্নাফ (৬৮) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    আজ রবিবার দুপুরে স্টেশন থেকে বের হওয়ার পকেট গেইট এর পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তার গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
    তার সাথে পাওয়া ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী মৃত মোঃ মুন্নাফ ঢাকা দোহার, মালিকান্দা ডাকঘর, মেগুলা ১৩৩০ এর বাসিন্দা আবদুল মুজিদ মুল্লাহ পুত্র।

  • আখাউড়া পৌরসভার মসজিদ পাড়া গ্রামের শ্রাবণ আমাদের মাঝে আর নেয়

    আখাউড়া পৌরসভার মসজিদ পাড়া গ্রামের শ্রাবণ আমাদের মাঝে আর নেয়

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়,গতকাল ১৬/২/২০২৬ ইং তারিখে রাত সাড়ে নয় ঘটিকার সময়, আখাউড়া চেকপোষ্ট এলাকা থেকে খেলাধুলা শেষ করে, বন্ধু কে নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে, গাজী বাজার চেকপোষ্ট এলাকায়, অটো রিস্কার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে, মোটরসাইকেল চালক শ্রাবণসহ আরো তিনজন গুরুতর আহত হয় ।

    তৎকালীন ঐ এলাকার জনগণ তাদেরকে দ্রুত আখাউড়া হসপিটালে নিয়ে গেলে, ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে, আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হসপিটালে রেফার করেন, সেখানে চিকিৎসা চলা কালিন ১৭/২/২০২৬ ইং তারিখ রাত ২ ঘটিকার সময় শ্রাবণ মারা যান। শ্রাবণ হল মসজিদ পাড়া গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে।

    উল্লেখ্য ঘটনার আগে, ২৩ ঘণ্টা আগে আখাউড়া মসজিদ পাড়ার এক মৃত ব্যক্তির কবর কুড়ে, কবরে শুয়ে ছবি তুলে ছবি পোস্ট করেন, শ্রাবণ তার ফেসবুক থেকে।  আজ সেই কবরে শ্রাবণ নিজেই শুয়বেন যা খুব দুঃখজনক।

    মসজিদপাড়া এলাকার মাফুজ মিয়া জানান, শ্রাবণ অত্যন্ত একজন ভালো ছেলে ছিলেন।তার অকাল মৃত্যুতে আমি খুবই মর্মাহত ।শ্রাবণ মৃত্যুর ২৩ ঘণ্টা আগে, আমাদের মসজিদ পাড়া মহল্লার এক ব্যক্তির কবর কুড়ছেন, কবরস্থানে। আমাদের মসজিদপাড়া মহল্লায় যদি কেউ মারা যায়, বেশিরভাগ কবর শ্রাবণ কুড়েন। শ্রাবণ মৃত্যুর ২৩ ঘন্টা আগের দিন, কবর করে, কবরে শুয়ে, ছবি তুলে তার ফেসবুকে ছাড়েন, আজ নিজেই কবরে, যাতে আমি খুব কষ্ট পেলাম।

  • কাপ্তাই নতুন বাজার দোতলা ছাদ থেকে পরে  শিশু আহত

    কাপ্তাই নতুন বাজার দোতলা ছাদ থেকে পরে  শিশু আহত

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    দোতলার ওপর সাইকেল চালাতে গিয়ে  ছাদ থেকে পরে শিশু গুরুত্ব আহত হয়েছে।

    শনিবার সকাল সাড়ে নয়টায়  রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড নতুন বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

    তিন চাকার সাইকেল চালাতে  নতুনবাজারস্থ মোল্লা ট্রেডার্স হার্ডওয়ার দোকানের দোতলার ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে শিশু  সিনান(৪) গুরুতর আহত হয়। ছাদে রেলিং নাথাকায় হঠাৎ করে ছাদ থেকে  আকস্মিক নিচে পরে গিয়ে ঘটনাটি ঘটে।

    আহত শিশুটিকে প্রথমে  কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল নেয়া হয়।  শিশুটি কাপ্তাই নতুন বাজার  সোনিয়া ক্লথ স্টোরের মালিক মোঃ

    খোরশেদ আলমের নাতি বলে জানাযায়।