Category: রাজনীতি

  • ​সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত, নেতৃত্বে অভিজ্ঞ ও নবীনদের সমন্বয়

    ​সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত, নেতৃত্বে অভিজ্ঞ ও নবীনদের সমন্বয়

    হাকিকুল ইসলাম খোকন ও আল মাসুম খান।
    বাপসনিউজ, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
    ​

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের দলীয় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

    দলের হাই কমান্ডের নিবিড় পর্যালোচনার পর ৩৬ সদস্যের এই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দলীয় প্যাডে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে স্বাক্ষর করেছেন।

    ​আজ সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে জানানো হয়, রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা, দলের প্রতি আনুগত্য এবং পেশাদারিত্বকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
    ​মহাসচিবের স্বাক্ষর ও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত এই পত্রে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রার্থীদের নামের ওপর চূড়ান্ত সীল ও স্বাক্ষর প্রদান করেন। দলের এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। তালিকায় প্রবীণ নেত্রীদের পাশাপাশি তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত নারী প্রতিনিধিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা দলের ভবিষ্যৎ সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    মনোনয়ন প্রাপ্ত ৩৬ জনের বিস্তারিত তালিকা বিএনপি ও জোটের পক্ষ থেকে মনোনীত প্রার্থীরা হলেন:
    ১. সেলিমা রহমান, ২. শিরীন সুলতানা, ৩. রাশেদা বেগম হীরা, ৪. রেহানা আক্তার রানু, ৫. নেওয়াজ হালিমা আরলী, ৬. মোসা: ফরিদা ইয়াসমিন, ৭. বিলকিস ইসলাম, ৮. শাকিলা ফারজানা, ৯. হেলেন জেরিন খান, ১০. নিলুফার চৌধুরী মনি, ১১. নিপুণ রায় চৌধুরী, ১২. জেবা আমিনা খান, ১৩. মাহমুদা হাবিবা, ১৪. মোছা: সাবিরা সুলতানা, ১৫. ডা. সানসিলা জেবরিন, ১৬. সানজিদা ইসলাম তুলি, ১৭. সুলতানা আহমেদ, ১৮. ফাহমিদা হক, ১৯. আন্না মিঞ্জ, ২০. সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর), ২১. শামীম আরা বেগম স্বপ্না, ২২. মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ২৩. ফেরদৌসী আহমেদ, ২৪. বীথিকা বিনতে হুসাইন, ২৫. মোছা: সুরাইয়া জেরিন, ২৬. মানসুরা আক্তার, ২৭. জহরত আদিব চৌধুরী, ২৮. মমতাজ আলো, ২৯. ফাহিমা নাসরিন, ৩০. আরিফা সুলতানা, ৩১. মোছা: সানজিদা ইয়াসমিন, ৩২. নাদিয়া পাঠান পাপন, ৩৩. শওকত আরা আক্তার, ৩৪. মাধবী মারমা, ৩৫. সেলিনা সুলতানা এবং ৩৬. রেজেকা সুলতানা।

    দলের প্রতিক্রিয়া ও প্রত্যাশা দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই তালিকায় পেশাজীবীদের মধ্যে আইনজীবী, চিকিৎসক এবং তৃণমূল থেকে উঠে আসা নারী নেত্রীদের সমন্বয় করা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা এবং ডা. সানসিলা জেবরিনের মতো পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সংরক্ষিত আসনে এই মনোনয়নের মাধ্যমে বিএনপি একদিকে যেমন অভিজ্ঞদের মূল্যায়ন করেছে, অন্যদিকে তরুণ নেতৃত্বের জন্য সংসদের দুয়ার উন্মোচন করেছে। এটি রাজপথে সক্রিয় নারী কর্মীদের মনোবল আরও চাঙ্গা করবে এবং জাতীয় সংসদে বিএনপির অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে।

    ​তফসিল অনুযায়ী, মনোনীত প্রার্থীরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে।

  • হেলেন জেরিন খান বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন পেলেন

    হেলেন জেরিন খান বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন পেলেন

    এমডি আল মাসুম খান,নির্বাহী সম্পাদক।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য যে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে, সেখানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার ভিত্তিতেই তাঁকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক জীবনের শুরুতেই ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করেন হেলেন জেরিন খান। ১৯৮৬ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল–এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি নিজেকে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং ইডেন মহিলা কলেজ–এর নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তাঁর নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত।

    পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। জাতীয়তাবাদী মহিলা দল–এর সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি নারীর রাজনৈতিক অংশ গ্রহণ বাড়াতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দলীয় নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

    হেলেন জেরিন খান এর আগে ২০০৫ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময়ে সংসদে তাঁর অংশ গ্রহণ ও বক্তব্য দলীয় মহলে ইতিবাচক ভাবে মূল্যায়িত হয়। এছাড়া ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন, যা তাঁর ধারাবাহিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রমাণ।

    দলীয় নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ এবং দলের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে তিনি একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের জন্য বিএনপির মনোনীত ৩৫–৩৬ জন নারী প্রার্থীর তালিকায় তাঁর অন্তর্ভুক্তি দলীয় রাজনীতিতে তাঁর অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • শাহজাদপুরে জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক দলের অফিস উদ্বোধন

    শাহজাদপুরে জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক দলের অফিস উদ্বোধন

    শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি।

    সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক দল বেলতৈল ইউনিয়ন শাখা (রেজি: নং-২০৭৫)-এর নতুন অফিস উদ্বোধন ও নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১০ এপ্রিল (শুক্রবার) বিকেলে উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের ঘোরশাল চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন এলাকায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক দল বেলতৈল ইউনিয়ন শাখার নবনির্বাচিত সভাপতি অমির হামজার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধন ও পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শাহজাদপুর স্বার্থরক্ষা কমিটির সদস্য সচিব এবং আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আমির হোসেন সবুজ।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ও কায়েমপুর ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক এজিএস হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক দল সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শামসুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, শাহজাদপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আবু হানিফ লালন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ কোরবান আলী, সহ-সভাপতি নয়ন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজা শেখ, প্রচার সম্পাদক স্বপন শেখ, পৌর শাখার সভাপতি মাসুম সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ পারভেজ সেতু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজালাল আকন্দ সোহেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির হোসেন সবুজ বলেন, “দলীয় নেতৃত্বের দিকনির্দেশনায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও রাহাজানির মতো সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।”
    তিনি আরও বলেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

  • শাহজাদপুরে সোহেল হত্যা: দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিএনপির মানববন্ধন, এনসিপি নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদ

    শাহজাদপুরে সোহেল হত্যা: দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিএনপির মানববন্ধন, এনসিপি নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদ

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,স্টাফ রিপোর্টার, শাহজাদপুর।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সোহেল রানা (২৬) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা এস এম সাইফ মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ ফেসবুক স্ট্যাটাসের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা বিএনপি।

    শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শাহজাদপুর পৌর এলাকার মনিরামপুর বাজার চৌরাস্তা থেকে উপজেলা পরিষদমুখী প্রধান সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বার মিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুরক্ষা কমিটির সদস্য সচিব আমির হোসেন সবুজ, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক নওশাদ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন, যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিন্টু ও জাহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নাদিম আলী, হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, নিহত সোহেল রানার মা রুবি খাতুন ও তার মামা আব্দুল আলিম বাঘা প্রমুখ। কর্মসূচিটি সঞ্চালনা করেন যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

    বক্তারা বলেন, সোহেল হত্যাকাণ্ড কোনো রাজনৈতিক ঘটনা নয়। তারা এই হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

    তারা আরও অভিযোগ করেন, এনসিপি নেতা এস এম সাইফ মোস্তাফিজ এই হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ডা. এম এ মুহিতকে জড়িয়ে গত ২৩ মার্চ তার ফেসবুক পেজে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত।

    বিএনপি নেতারা দাবি করেন, উক্ত ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমে সাইফ মোস্তাফিজের এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তারা উল্লেখ করেন, হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম তার ঘনিষ্ঠজন এবং গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পক্ষে কাজ করেছে।

    মানববন্ধন থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাইফ মোস্তাফিজ তার বক্তব্যের জন্য শাহজাদপুরবাসীর কাছে ক্ষমা না চাইলে তাকে এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে এবং প্রতিহত করা হবে।

    এ সময় উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, কৃষকদলসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

  • আখাউড়ায় ২০ মার্চ সাবেক আইনমন্ত্রীর মুক্তি চেয়ে পোস্টারিং ও প্রচারনা ২৫ মার্চ ২ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    আখাউড়ায় ২০ মার্চ সাবেক আইনমন্ত্রীর মুক্তি চেয়ে পোস্টারিং ও প্রচারনা ২৫ মার্চ ২ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার, কসবা -আখাউড়া ২০ মার্চ সাবেক এমপি, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় “আনিসুল হক মুক্তির সংগ্রাম পরিষদ , নামে, পেইজ খুলে, প্রকাশ্যে পোস্টারিং করে প্রচার প্রচারনার অভিযোগে দুই ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

    উল্লেখ যে ২০ মার্চ কসবা আখাউড়া উপজেলার ভিতরে
    ২ ছাত্রলীগ নেতা, কসবা আখাউড়ার সাবেক এমপি সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে, কারাবন্দি আনিসুল হকের নিঃশর্ত মুক্তি চেয়ে প্রকাশ্যে পোস্টারিং দেওয়ালে লাগিয়ে,,আনিসুল হক মুক্তির সংগ্রাম পরিষদ নামে পেইজ খুলে ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করেন, ২৫/৩/২০২৬ ইং অনুমান রাত সাড়ে নয় ঘটিকার সময়, তাদের এলাকা হইতে, তাদেরকে গ্রেফতার করেন আখাউড়া থানা পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার উত্তর ইউনিয়ন এর মোঃ জরপুল ইসলাম জয়, পিতা- নুর মোহাম্মদ।
    নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক করুয়াতলী, থানা আখাউড়া, জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।

    ও মনিয়ন্দ ইউপি ছাত্রলীগের সদস্য, মনিয়ন্দ গ্রামের মধ্যপাড়ার, শেখ আফরান ইউসুফ, পিতা -মোঃ কাশেম মিয়া।

    আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাবেদ উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে নিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

  • রাইখালী জামায়াতে ইসলামীর রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রাইখালী জামায়াতে ইসলামীর রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২নম্বর  রাইখালী ইউনিয়ন কর্তৃক  রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহাফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শক্রবার বাদ আছর রাইখালী ইউনিয়ন  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদ এর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মোঃ লোকমান।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার  আমির অধ্যাপক আব্দুল আলিম।

    রাঙামাটি জেলা আমির বলেন,রমজান হল রহমত,মাগফিরাত ও নাজাতের মাস।এবং পবিত্র কুরআনের মাস।এমাসে আমরা বেশি বেশি কুরআন, হাসিদ অর্থসহ তেলওয়াত করব।

    এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন রাঙামাটি জেলা জামায়াতে ইসলামীর  অফিস সম্পাদক কানজুল ইসলাম, কাপ্তাই উপজেলা আমীর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মো: হারুনুর রশিদ, চন্দ্রঘোনা ইসলাম প্রচার সমিতির সভাপতি ইমাম ফখর উদ্দিন রাজী,  বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবির চন্দ্রঘোনা থানা শাখার সভাপতি মোঃ ইমতিয়াজ মাহামুদ,   রাইখালী ইউনিয়ন বি এন পি সভাপতি মোঃ হাসেম মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বরিশাল বিভাগে মনোনয়ন পেতে আলোচনায় শীর্ষে যাঁরা

    সংরক্ষিত নারী আসনে বরিশাল বিভাগে মনোনয়ন পেতে আলোচনায় শীর্ষে যাঁরা

    স্টাফ রিপোর্টার।


    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে নিজ নিজ যোগ্যতায় আগ্রহীদের ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। দলীয় হাইকমান্ডের শুভদৃষ্টি আর আশীর্বাদ পেতে নিজ যোগ্যতা তুলেধরছেন পাশাপাশি যাহা মিডিয়া পাড়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগেও চলছে ব্যাপক আলোচনা এবং চুলচেড়া বিশ্লেষণ। সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে এসকল রাজনৈতিক দলের পোড়খাওয়া মাঠপর্যায়ের নেত্রীরা নিজ এলাকায় বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েও অনেকেই বৃহৎ স্বার্থে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তদের জন্য ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করেছেন।
    বরিশাল বিভাগের সংরক্ষিত নারী আসনে কতটি আসন পাবে তা ঈদের আগেই আসতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
    সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বরিশালের সাবেক এমপি জাতীয়তাবাদের আদর্শের অগ্নিকন্যা এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল) ।
    বরিশালের আরেক মেধাবী তরুণী অধ্যাপক ডাঃ জাহানারা লাইজু। যার পিতা মোশাররফ হোসেন মংগু বরিশালের তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। ডাঃ জাহানারা লাইজু বিএনপির রাজনীতিতে এক ক্লিনইমেইজের নাম। ড্যাবের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার দায়িত্ব পালন করছেন। ফ্যাসিবাদ শাসনামলে কেন্দ্র ঘোষিত সকল আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছেন । আন্দোলনের সময় তার আয়ত্তাধীন বিএনপি দলীয় আহত নেতাকর্মীদের নিজস্ব অর্থায়নে চিকিৎসা সহায়তা করেছেন। জুলাই ২৪ এর ঐতিহাসিক আন্দোলনে রাজপথে একজন নিবেদিত নারী কর্মী হিসেবে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়াও অধ্যাপক ডাঃ জাহানারা লাইজু একজন গুনী সাংস্কৃতিক সংগঠক এবং শিল্পী ।

    ঝালকাঠিতে সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি ২ সংসদীয় আসন থেকে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ঝালকাঠির কৃতি সন্তান জিবা আমিনা আল গাজী জিবা। তিনিও সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে মনোনয়ন চাইছেন। তার পিতা তৎকালীন মন্ত্রী ব্যারিস্টার আক্তার উদ্দিন আহমেদ।
    ঝালকাঠি ১ (রাজাপুর কাঠালিয়া) আসন থেকে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন মমতাজ বেগম নয়ন । দলের জন্য বৃহৎস্বার্থে তিনিও নিজেকে সরিয়ে নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেছেন। সাবেক ছাত্র দল নেত্রী, সমাজসেবী তিনিও সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে তৎপর দেখা গেছে।
    আলোচনায় রয়েছেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এলিনা জামান। তিনিও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু ওপেক্ষা করে অনেক জুলুম নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন।

    এছাড়াও পিরোজপুরের বিএনপি নেত্রী এডভোকেট রহিমা আক্তার, রাজাপুরের সাতুরিয়ার একই পরিবারের আওয়ামী শাসনামলে চারজন সদস্য গুম হওয়ার দাবিদার বিএনপি দলীয় নেত্রী নাসিমা বেগম।
    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন — বিগত ফ্যাসিবাদের আগ্রাসনকালীন রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করা জাতীয়তাবাদের আদর্শের নারী সৈনিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করার সময় এখনই।

  • শাহজাদপুরে নির্বাচন পরবর্তী তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন বিএনপি’র আমির হোসেন সবুজ

    শাহজাদপুরে নির্বাচন পরবর্তী তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন বিএনপি’র আমির হোসেন সবুজ

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,
    শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার পর নবগঠিত বিএনপি সরকারের তিনটি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে দলকে আরও শক্তিশালী ও সংগঠিত করতে শাহজাদপুর উপজেলার বিএনপি নেতারা তৃণমূল পর্যায়ে ভোটার ও সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন।

    শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং শাহজাদপুর স্বার্থরক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন সবুজ নির্বাচনের পর থেকেই দিন-রাত তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে কুশল বিনিময়, মতবিনিময় এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আমির হোসেন সবুজ কৈজুরী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়, জগতলা বাজার, জামিরতা বাজার, পূর্ব চরকৈজুরীসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মী ও জনগণের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন। এছাড়াও এলাকার সমস্যা, দাবি ও প্রত্যাশা শোনার মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

    শাহজাদপুরের মা, মাটি ও মানুষের জন্য প্রতিশ্রুতিশীল নেতা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. এম এ মুহিতের পাশাপাশি সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন হিরু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে জনগণের আশা ও আকাঙ্খার বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

    এ সময় আমির হোসেন সবুজ সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানান, তৃণমূলের সকল উন্নয়ন ও জনকল্যাণের স্বার্থে বিভেদ ভুলে বিএনপি’র পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থেকে একযোগে কাজ করার জন্য।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৈজুরী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম নাজমুল হক, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আফতাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ঝন্টু মিয়া, কৈজুরী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আক্কাস আলী, আরাফাত রহমান কোকো, পরিষদ কৈজুরী ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রউফ সরদারসহ সোনাতুনি ও গালা ইউনিয়নের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

    এর আগে আমির হোসেন সবুজ পর্যায়ক্রমে পোরজনা, গালা, হাবিবুল্লাহ নগর ও নরিনা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচন পরবর্তী কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন।

    অপরদিকে, তৃণমূলের নানা স্থানে নির্বাচনী বিজয় নিশ্চিত করার জন্য প্রফেসর ড. এম এ মুহিতকে ভোট দেওয়ার জন্য শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপি সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ।

    নির্বাচন পরবর্তী এই জনসংযোগ ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও জনগণের খোঁজ খবর নেওয়ার মাধ্যমে তারা প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত এবং উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের ৫টিতে বিএনপির জয়

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের ৫টিতে বিএনপির জয়

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার ।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টিতে বিএনপি দলটির জোটসঙ্গীরা বিজয়ী হয়েছেন। আর একটিতে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

    রুজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে ভোট গণনা শেষে, এসব তথ্য পাওয়া যায়।

    ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন বিএনপি প্রার্থী এম এ হান্নান। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৮ হাজার ৯২ টি। তার নিকটতম প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান পান ৩৫ হাজার ২২০ ভোট।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিজয়ের হাঁসি হাসেন বিএনপির বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র) হাসঁ প্রতীক নিয়ে ভোট পান ১ লাখ ১৮ হাজর ৫৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব খেজুর গাছ প্রতীকে ভোট পান ৮০ হাজার ৪৩৪ টি।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে মো. খালেদ হোসেন মাহবুব ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট পান ২০৯৬৩৬ টি। তার নিকটতম প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ শাপলা কলি প্রতীকে ভোট পান ৬২,৫৪৭ টি।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে মুশফিকুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পান ১,৩৯,৮৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী মো. আতাউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ভোট পান ৯১,৭৯৬ টি।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে এম এ মান্নান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পান ৮৫,৭৬৯ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস(স্বতন্ত্র) প্রতীক ফুটবল পান ৮৪,৭০৮ ভোট।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাথাল প্রতীক নিয়ে পান ৯৪,২৩১ ভোট। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মো. মহসীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৩৭,৯৬৫ ভোট।

    বিজয়ের পর প্রার্থীরা এলাকায় আনন্দ মিছিল করেন এবং ভোটারদের শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় সিক্ত হন।

  • সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী

    সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী

    স্টাফ রিপোর্টার।

    সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলেন হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী।

    নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে প্রশাসনের অন্ধ সমর্থন, নগ্ন হস্তক্ষেপ, নির্বাচনি কাজে উদাসীনতা ও ‘প্রার্থীর নিরাপত্তা সংকটের কথা জানিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারী রাত ৯: ৩০ ঘটিকায় নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন ২৯৮নং খাগড়াছড়ি আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মোস্তফা।

    এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা তার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন। গত ০৮ ফেব্রুয়ারি নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ্য করে জেলা প্রশাসক/জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা বরাবর একজন গানম্যানের আবেদন করেন।

    আবেদন গ্রহণ হলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা/ জেলা প্রশাসক কোনোরূপ পদক্ষেপ বা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। এতে প্রশাসনের উদাসীনতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

    এসময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর থেকে খাগড়াছড়িতে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচার – প্রচারণা করে আসছে ক্ষমতাধর কিছু প্রার্থী। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের দিয়ে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করিয়ে ক্ষমতাধর প্রার্থীগণ প্রচার প্রচারণা করা করিয়ে আসছিলো। আমি সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আচরণ বিধি লঙ্ঘন এর বিচার চেয়ে গত ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ খাগড়াছড়ি ( দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক) নির্বাচনি অপরাধ এবং নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত “নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি” বরাবর লিখিত আবেদন করি।

    আবেদনের ৪৮ ঘন্টা পার হয়ে গেলে উক্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি বা কোনোরূপ বিচার হয়নি। অথচ আমার আবেদনের একদিন পরে হওয়া অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। অনুসন্ধান কমিটি ইচ্ছাকৃতভাবে কালক্ষেপন করছে এবং আমার অভিযোগে উল্লেখিত ব্যক্তিগন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কার্মকর্তা কর্মচারি হওয়ায় এবং জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকায় বিচারিক আদালত পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের আচরণ বিধি লংঘনের ভিডিও এবং ছবি থাকার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে বিচারক আদালত কালক্ষেপণের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করিয়ে অবৈধভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়লাভে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।

    খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ অত্র অঞ্চলের প্রশাসনিক কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জেলা পরিষদের হস্তক্ষেপে অত্র জেলার সম্পূর্ণ প্রশাসনিক কাঠামোকে নিয়ন্ত্রণ করে তাদের মনগড়া মোতাবেক চালাতে পারে। আমার অভিযোগে জেলা পরিষদ সদস্য ও কর্মকর্তাগণ রয়েছেন তাই এই নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হওয়ার কোনোরূপ সম্ভাবনা নাই।কারন যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচার প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছে, তাদেরকে নির্বাচনের দিনের জন্য বিভিন্ন কেন্দ্রে পোলিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব সরকারি কর্মচারী দ্বারা নিরপেক্ষ ভোট আশা করা যায় না। আদালত কালক্ষেপণ মূলক আচরণ করে জেলাপরিষদ সদস্য ও কর্মকর্তা কর্মচারিদের রক্ষা করছেন।

    আমি ৮ ই ফেব্রুয়ারি তারিখের পূর্বেও জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা / জেলা প্রশাসক মহোদয়কে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছি তিনি কোনোরূপ কর্ণপাত করেন নাই। আমি একজন প্রার্থী হিসাবে প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার চেয়েও পাইনি।

    আমার অভিযোগের বিচার করে দোষীদের শাস্তি প্রদান পূর্বক ও প্রশাসনের নগ্ন হস্তক্ষেপ বন্ধ করা নিশ্চিতকরণ পূর্বক নির্বাচন স্থগিত রাখার আহবান জানিয়ে উচ্চ আদালতের দারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেন তিনি।

    হারিকেন মার্কা প্রতীকের কর্মী সমর্থকদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, খাগড়াছড়িতে এই প্রশাসনের মাধ্যমে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। খাগড়াছড়ি জেলার ১৮৯টি কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ সবগুলো কেন্দ্র ক্ষমতাধর প্রার্থী দখল করে দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    খাগড়াছড়িতে নির্বাচনি রেজাল্ট পরিবর্তনেরও তথ্য রয়েছে তাই আমি পূনরায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবো, উচ্চ আদালতে রায় নিয়ে পক্ষপাতমূলক নির্বাচন ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বাস্তবায়ন করতে যাওয়া প্রশাসনের অপসারণের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বাস্তবায়ন পর্যন্ত সকলকে শান্ত থাকার আহবান জানান।