Category: রাজনীতি

  • পিরোজপুর-০৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে বিএনপি নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রার্থী দেখতে চান জাকির গাজীকে

    পিরোজপুর-০৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে বিএনপি নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রার্থী দেখতে চান জাকির গাজীকে

    পিরোজপুর প্রতিনিধি :

    পিরোজপুর জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য ও মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান জাকির মঠবাড়িয়ার রাজনৈতিক পরিসরে শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে পাশে রেখেছেন।

    স্থানীয় নেতা কর্মীরা জানান, ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের দায়েরকৃত একটি মামলার আসামী হলেও, জনকল্যাণমূলক ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে তার পদচারণা থেমে যায়নি। তিনি মঠবাড়িয়া থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় শত শত নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন। দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায়, জাকির গাজী মঠবাড়িয়ায় ১০,০০০ বনজ ও ফলজ গাছের চারা রোপণ, খেটে খাওয়া গাড়ি চালকদের জন্য পৌর টোল নিজ অর্থায়নে প্রদান, এবং দরিদ্রদের জন্য বার্ষিক ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন।

    মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিক বাদল বলেন, “মঠবাড়িয়া সংসদীয় আসন পুনরুদ্ধারের জন্য দরকার একজন ক্লিন ইমেজের নেতা। জাকির গাজী সেই নেতার সব বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছেন। তিনি পরোপকারী এবং মঠবাড়িয়াবাসীর কল্যাণে নিবেদিত।”

    স্থানীয় নেতা ও সমর্থকরা জানান, “বিগত আন্দোলনে তার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। মনোনয়ন পেলেই ধানের শীষ বিজয় নিশ্চিত।

    মঠবাড়িয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা বলেন, “জাকির গাজীর নেতৃত্বে আমরা রাজপথে সফল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। মনোনয়ন পেলে উন্নত মঠবাড়িয়া গড়ার কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।”

    মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুন মিয়া বলেন, “৫ই আগস্টের পরও তিনি নিজ অর্থায়নে টোলমুক্তি, বনায়ন কর্মসূচি ও দরিদ্রদের মধ্যে উপহার বিতরণ করেছেন। তার মনোনয়ন মানেই মঠবাড়িয়ায় ধানের শীষ বিজয় নিশ্চিত।”

    জানা গেছে, জাকির গাজী পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় ব্যাপক কর্মসূচি ও প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। মঠবাড়িয়ার নেতাকর্মীরা তার নেতৃত্বে দৃঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং বিজয়ের আশায় উদ্দীপ্ত।

    বিএনপি নেতা গাজী ওয়াহিদুজ্জামান জাকির বলেন, দলের দুর্দিনে দলের পক্ষে মাঠে থেকে কাজ করেছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর- ৩ (মঠবাড়ীয়া) আসনে দল যাকে মনোনয়ন দেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে কাজ করব।

  • কুষ্টিয়ায় বিআরপি’র কর্মী সমাবেশে

    কুষ্টিয়ায় বিআরপি’র কর্মী সমাবেশে

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    ২০২৪ সালের ছাত্রজনতার গণঅভ্যূত্থানের পরও আশানুরূপ সংস্কারের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছায়নি। আর প্রত্যাশিত সংস্কার না হলে দেশের অনিয়ম ও দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব নয় এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সংস্কারবাদী পার্টি (বিআরপি) এর নেতৃবৃন্দ।

    বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় কুষ্টিয়ার রিফাইতপুরে আয়োজিত এক কর্মী সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দলের চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও মহাসচিব তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সংস্কার প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হলেও জনগণ এখনো প্রত্যক্ষ সুফল পায়নি।

    মহাসচিব তৌহিদুল ইসলাম আরও বলেন,
    স্বৈরাচার পতনে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে, নইলে বাংলাদেশে রাজনীতির ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

    এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূরুল হক বলেন,
    “সংস্কার বাস্তবায়ন ব্যতীত নির্বাচন হলে গণঅভ্যূত্থানের চেতনা ব্যর্থ হবে। দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি, নইলে যেকোনো সময় স্বৈরাচার আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।”

    তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সমাবেশটি এক উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মেহেদী হাসান, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদির কাজল, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক সোহাগ মো. সজিব খান, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহবুবুর রহমান শিপন ও সাইফুজ্জামান টুলুল।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর বিআরপি’র সদস্য সচিব মো. হাসিম হোসেন, এবং সঞ্চালনা করেন খুলনা জেলা আহ্বায়ক সৈয়দ ওয়াসিম রেজা।

  • পাঁচ দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদারীপুরে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

    পাঁচ দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদারীপুরে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

    মাদারীপুর থেকে গোলাম আজম ইরাদ।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা মাদারীপুর শকুনি লেকপাড়ে প্রধান সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন দলটির নেতাকর্মীরা।

    জামায়াতের পাঁচ দাবি হলো- গণভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা। আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিকে জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত করে গণভোট দেওয়া, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করা। ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
    এতে সভাপতিত্ব করেন মাদারীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোখলেসুর রহমান। জেলা নায়েবে আমির এডভোকেট মিজানুর রহমান খানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- মাদারীপুর ২আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী- জননেতা মাওলানা আব্দুস সোবাহান খান) উপজেলা আমির মাওলানা হুমায়ুন কবির, পৌর আমির মাওলানা ডাক্তার আলমগীর হোসাইন, জেলা বাইতুল মাল সম্পাদক খলিলুর রহমান হাওলাদার, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা নুর ইসলাম প্রমুখ ।

  • জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে–মাওলানা জালালউদ্দিন আহমেদ

    জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে–মাওলানা জালালউদ্দিন আহমেদ

    শাহজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধি।

    শরীয়তপুর জাজিরায় খেলাফত মজলিস কতৃর্ক সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে গুম খুনের রাজনীতি কায়েম না করে আগামী দেশ নির্মাণে অবদান রাখার কথা বলে তিনি বলেন, যদি আমি শরীয়তপুর -১( জাজিরা -পালং)আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হই তাহলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার কথা বলে তিনি বলেন,শরীয়তপুরের অবকাঠামো উন্নয়ন হবে,শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে, চাঁদাবাজ সন্ত্রাসবাদ দখলবাজ মুক্ত দেশ আমরা চাই এবং আমাদের অধিকার। শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার যোগ্য এলাকায় গড়ে তুলব।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে জাজিরা পৌরসভার কবিরাজ কান্দি” চাঁদের বাড়ি” রেস্টুরেন্টে জাজিরা উপজেলা শাখার আয়োজনে খেলাফত মজলিসের এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জাজিরা উপজেলা শাখার খেলাফত মজলিশের সভাপতি নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন,সাংবাদিক ফারুক হোসাইন, আবুতালেব ঢালী, মোঃ শফিকুল ইসলাম, সানজিদ মাহমুদ সুজন, মোঃ পলাশ খান, মোঃ শাওন বেপারী, মোঃ মুক্তার হোসেন ফকির, মোঃ রতন আলী মোড়ল, নাদিরা ইসলাম, শাহাজাদী সুলতানা সহ জাজিরা উপজেলার সাংদিক বৃন্দ।

    মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন মহাসচিব,  এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন আমি এমপি নির্বাচিত হলে আমার নির্বাচনি এলাকায় হিন্দু, বৌদ্ধ  খৃষ্টান সবাই তাদের তাদের অধিকার পাবে, নারীরা তাদের সন্মান ও নিরপত্তা পাবে।

    সকল সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে খুশি হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সাংবাদিকদের অবদান অনেক বলে তিনি মনে করেন।

  • কিছু উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে: তাহের

    কিছু উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে: তাহের

    অনলাইন ডেস্ক:   অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনে একটি বিশেষ দলের অনুগতদের বসিয়ে ‘নীলনকশার নির্বাচন’ করার ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত নেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। জামায়াতের নায়েবে আমির দাবি করেছেন, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওই সব উপদেষ্টার নাম, এমনকি ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের কণ্ঠ রেকর্ডও তাদের কাছে রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে এই ষড়যন্ত্র বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন।

    জামায়াত নেতা অন্তর্বর্তী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘প্রশাসনের যে অবস্থা এবং যে ষড়যন্ত্র চলছে, এটাকে বন্ধ করুন। নিরপেক্ষ সৎ লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন করুন।’

    সৈয়দ তাহের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি সময়মতো সাবধান না হন, তাহলে কোন কোন উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, আমরা জনগণের কাছে তাদের নাম প্রকাশ করব। তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে। মিটিংয়ে তারা কী বক্তব্য দেন, এর খবর আছে। আমরা আপনাদের সংশোধনের জন্য সময় দিতে চাই।’

    সম্প্রতি জনপ্রশাসনে একজন সচিব নিয়োগের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করে আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন, ‘সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে আমরা এখানে কোনো দলীয় লোক দেব না, অসৎ লোক দেব না। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করছি, আমাদের সঙ্গে কথা বলার এক দিন পরেই এমন এক ব্যক্তিকে সেখানে নিয়োগ করা হয়েছে, যার অতীতের দুর্নীতির ইতিহাস অনেক লম্বা। সে একটি দলের প্রতি পরিপূর্ণভাবে অনুগত।’

    এই জামায়াত নেতা যোগ করেন, ‘আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম, সেখানে একই রকমের কথা—প্রচণ্ড চাপ কোনো একটি দলের লোকদেরকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য। আমরা বলতে চাই, কোনো একটি দলের লোককে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিভিল এবং পুলিশ প্রশাসনে বসিয়ে যে নীল নকশার নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র চলছে, এতে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখি না। এরকম একটি নির্বাচনে—২০২৪-এর মতো, ২০১৮-এর মতো পাতানো নির্বাচনে—জনগণ অংশগ্রহণ করবে না।’

    জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম, এহসানুল মাহবুব জোবাবয়ের, আবদুল হালিম প্রমুখ।

  • জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের স্মারক লিপি প্রদান

    জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের স্মারক লিপি প্রদান

    সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারী ‘২৬ এ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি, গণভোট আয়োজনসহ কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে মিছিল সহকারে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর পিরোজপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খানের কাছে স্মারক লিপি হস্তান্তর করেন।

    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্ধারন করা হয়েছে। রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভয়ভীতিমূক্ত গ্রহনযোগ্য নির্বাচন নতুন বাংলাদেশের অন্যতম দাবী। নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোট কেন্দ্র দখল, পেশি শক্তি প্রদর্শন ও ভোটকেন্দ্রে নানাবিধ অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ এবং দক্ষ সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন বর্তমানে গণ দাবীতে পরিনত হয়েছে। বিগত সরকার বিভিন্ন স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদি পদক্ষেপের মাধ্যমে সংবিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ করে ধ্বংস করেছে। বিরোধী মতে মানুষের উপর জুলুম-নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, হামলা, গ্রেফতার, জেল-জরিমানা, গুম, খুন করে দেশপ্রেমিক মানুষ ও মূক্ত গণমাধ্যমের কন্ঠকে স্তম্ভিত করেছে। দিনের ভোট রাতে নির্বাচনের নামে জাতির সাথে প্রহসন করেছে। বিশ্ববাসীর কাছে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে।

    অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচনের স্বার্থে ফ্যাসিস্টের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সহ নিম্নোক্ত ৫দফা দাবি পেশ করেন-
    ১. আগামী ফেব্রুয়রীতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর গণভোট আয়োজন করা
    ২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা।
    ৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
    ৪. ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
    ৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।

    স্মারকলিপি প্রদানের আগে জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমীর তোফাজ্জল হোসাইন ফরিদ, পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জননেতা শামীম সাঈদী, জেলা সেক্রেটারী মো. জহিরুল হক, জেলা সহকারী সেক্রটারী শেখ আব্দুর রাজ্জাক, পেশাজীবি সংগঠনের সেক্রেটারী ড. আব্দুল্লাহিল মাহমুদ, শিবিরের জেলা সভাপতি মো. এমরান হোসেন প্রমুখ।

    এ সময় জেলা নায়েবে আমীর আব্দুর রব সহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সমাবেশ শেষে জেলা নেতৃবৃন্দ পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।