Category: সারাদেশ

  • পার্বত্য মন্ত্রীকে পূঃর্ণবহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন 

    পার্বত্য মন্ত্রীকে পূঃর্ণবহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ২৯৯ রাঙামাটি আসনের  নির্বাচিত সাংসদ এ্যাড. দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রীপদ হতে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার প্রতিবাদে কাপ্তাই উপজেলায় মানববন্ধন করেছে সর্বস্তরের জনসাধারণ।

    বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলা সদর বড়ইছড়ি কাপ্তাই -চট্টগ্রাম সড়কে কাপ্তাইয়ের সর্বস্তরের জনসাধারণ ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।  মানববন্ধনে আগত বক্তারা বলেন পার্বত্য মন্ত্রীকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। প্রিয় মন্ত্রী এ্যাডঃ দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগ   প্রত্যাহার পূর্বক স্বপদে বহালের দাবী জানান।

    কাপ্তাই উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সঞ্চলনায় মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইকরাম হোসেন বেলাল, জেলা বিএনপি সদস্য অজিত কার্বারী,  রাঙামাটি জেলা শ্রমিক দল সম্পাদক কবিরুল ইসলাম কবির, উপজেলা মহিলা নেত্রী নুর নাহার বেগম, কাপ্তাই উপজেলা শ্রমিকদল সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান ডালিম, কর্ণফুলী কলেজ ছাত্রদল সাবেক আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন অপু, উপজেলা  কৃষকদল সভাপতি নুরুল হক বাচা, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে আরও বক্তব্য রাখেন কেপিএম শ্রমিক নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, সামসুজ্জাান চৌধুরী রকি,  ওয়াগ্গা বিএনপি সাবেক সভাপিত মোঃ একরাম মেম্বার, নাসির উদ্দীন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপি সদস্য মোঃ মাসুদ, মোঃ বিসমিল্লাহ,মোঃ মফিজুর রহমান, ইকবাল হোসেন জুয়েল,রাশেদুল ইসলাম সুজন,সাবেক ছাত্র নেতা ওসমান গনি তনু প্রমুখ।

    এসময়  বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল. মহিলাদল সহ সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।

  • দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ

    দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ

    স্টাফ রিপোর্টার। 

    খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা ও রামগড় উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত নওমুসলিম পরিবারের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করেছে দেশপ্রেমিক সংগঠন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। সংগঠনটির উদ্যোগে গরু কোরবানি করে প্রায় ৭০টি অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়।

    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, জাফর তালুকদার, মাওলানা ইছহাক আলী, মাওলানা জাহাঙ্গীর হোসেন, শাহিন আলম, এস. এম. রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

    শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী পুরাতন বাজার ইসলামিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এবং শনিবার বেলা ১২ ঘটিকায় রামগড় উপজেলার তৈছালা পাড়ায় এ কোরবানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও পাহাড়ের হতদরিদ্র নওমুসলিমদের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে সংগঠনটি।

    এসময় সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন,
    “জেলার অধিকাংশ নওমুসলিম পরিবার দুর্গম পাহাড়ে বসবাস করে। তারা দিনমজুর, কাঠুরিয়া ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কোরবানি দেওয়ার মতো সামর্থ্য তাদের নেই। আবার দুর্গম এলাকায় বসবাস করায় সামাজিকভাবে বিতরণ হওয়া কোরবানির মাংস থেকেও তারা প্রায়ই বঞ্চিত থাকেন। ফলে ঈদের আনন্দ তাদের কাছে সীমিত হয়ে পড়ে। এ বাস্তবতায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে নওমুসলিম পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র।
    তিনি আরও বলেন, পাহাড়ে বসবাসরত নওমুসলিম জনগোষ্ঠীর লোকেরা দীর্ঘদিন ধরেই নানামুখী অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। শিক্ষা, চিকিৎসা, ধর্মীয় চর্চা, সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো মৌলিক ক্ষেত্রগুলোতে তারা এখনও পিছিয়ে রয়েছে। অথচ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ছিল এসব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো।
    দুঃখজনক হলেও সত্য, পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে নওমুসলিমদের জন্য দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না। বিশেষ করে ঈদ, রমজান কিংবা কোরবানির মতো ধর্মীয় উৎসবগুলোতে তাদের জন্য আলাদা কোনো কার্যকর সহায়তা ব্যবস্থা চোখে পড়ে না। ফলে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মানবিক উদ্যোগই তাদের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায় বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে পাহাড়ের অসহায় নওমুসলিম জনগোষ্ঠীকে জীবনমান উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এখন সময়ের দাবি।

    জেলার রামগড়ে বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহিন আলম

    বলেন, পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো বহু পরিবার রয়েছে, যারা মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দাতা সংস্থা ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে এসব অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

    এসময় কোরবানির মাংস পেয়ে নওমুসলিম পরিবারগুলোর সদস্যদের মাঝে আনন্দ ও সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই জানান, বছরের বিশেষ এই দিনে এমন সহযোগিতা তাদের পরিবারে ঈদের আনন্দকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বোয়ালখালী পুরাতন বাজার ইসলামিয়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শুধু সহায়তাই নয়, মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি জাগ্রত করে। সমাজের বিত্তশালীরা যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে পাহাড়ের অসহায় মানুষদের দুঃখ অনেকটাই লাঘব হবে।”

    অনুষ্ঠান শেষে দেশবাসী, মুসলিম উম্মাহ, দাতা সদস্য এবং নওমুসলিম পরিবারের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি মহান আল্লাহর নিকট দেশের শান্তি, সম্প্রীতি এবং পাহাড়ি অঞ্চলের অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য দোয়া করেন।
    সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান, ভবিষ্যতেও পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও নওমুসলিম পরিবারগুলোর পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও কাপ্তাইয়ের বিনোদন কেন্দ্রে উপচেপড়া ভীড়

    ঈদের তৃতীয় দিনেও কাপ্তাইয়ের বিনোদন কেন্দ্রে উপচেপড়া ভীড়

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ঈদের তৃতীয় দিনেও  রাঙামাটির  কাপ্তাইয়ের বিনোদন স্পটগুলোতে শত শত পর্যটকের আগমন ঘটেছে ।

    বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা হতে  বিনোদন প্রেমীদের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায় । কেউ কাপ্তাই লেক এবং কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ভ্রমন করছেন, আবার শিশুরা  শিশু পার্কে আনন্দে ঈদের খুশি উপভোগ করছেন।

    কাপ্তাই ওয়াগ্গা প্যানোরোমা জুঁম রেস্তোরাঁয় গিয়ে দেখা যায়, এখানে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটেছে। কর্ণফুলী নদীর কোল ঘেষেঁ অবস্থিত এই পর্যটন কেন্দ্রের সু- বিশাল জায়গা জুড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন স্থাপনা আর শিশুদের জন্য রয়েছে শিশু পার্ক।

    কাপ্তাই শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউসে গিয়ে দেখা যায়, এখানে অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটেছে। কুমিল্লা  জেলার  নুরুল আলম এবং মিজানুর রহমান জানান , আমরা বন্ধুদের নিয়ে প্রথমবারের মতো কাপ্তাইয়ে বেড়াতে এসেছি। জায়গাটি খুবই সুন্দর, আমরা কাপ্তাইয়ের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়েছি। যদি কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলি নদীতে একটি ক্যাবেল কার বসানো হতো তাহলে আরো বেশি ভালো লাগতো।

    এসময় শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউস এর ম্যানেজার  জাকির হোসেন বলেন,   এই  ঈদে টানা ছুটিতে  আমাদের বিনোদন কেন্দ্রে প্রচুর পর্যটক এসেছে। আমাদের সব  কটেজ  গুলো  বুকিং আছে।

    এদিকে কাপ্তাই শিলছড়ি ফ্লোটিং প্যারাডাইস এর পরিচালক মো: সোহেল বলেন, এবার ঈদে আমাদের রেস্টুরেন্টে পযাপ্ত পরিমাণ পর্যটক এসেছে।

    এদিকে কাপ্তাই নৌ বাহিনী শহীদ মোয়াজ্জেম ঘাঁটি পরিচালিত লেক প্যারাডাইস ও সেনাবাহিনী পরিচালিত জীবতলী লেকশোর,  লেকভিউ, রিভারভিউ, কাপ্তাই লেকের মাঝে অবস্থিত  রাইংখ্যং আইল্যান্ড,  শিলছড়ি পাহাড়িকা পিকনিক স্পট, চন্দ্রলোক ক্যাম্পিং সাইট, বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্র সহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য পর্যটক ঈদের ছুটি উপভোগ করতে এসেছেন পরিবার পরিজন ও বন্ধু বান্ধব নিয়ে ।

    কাপ্তাই থানার  ওসি  শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল   জানান, পর্যটন শহর কাপ্তাইয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত দায়িত্ব পালন করছেন।

  • শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর  রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী  উপলক্ষে কাপ্তাই ওলামা দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত 

    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর  রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী  উপলক্ষে কাপ্তাই ওলামা দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে কাপ্তাই উপজেলা ওলামা দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার রাত ৯টায় বাদ এশা কাপ্তাই প্রজেক্ট বাংলা কলোনি জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে  মরুহুমের জন্য ও প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াসহ তার পরিবারের সকল সদস্যর জন্য দোয়া করা হয়।

    এসময় মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি আব্দুর রহিম ও কাপ্তাই উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ১৮৮৬কাপ্তাই শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোরশেদ আলমসহ মুসল্লীগণ।

    দোয়া ও মোনাজাত করেন বাংলা কলোনি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হাফেজ শামসুদ্দিন ও  হাফেজ  আশফাক  সিরাজী।

  • জাজিরায় যুব সমাজের উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

    জাজিরায় যুব সমাজের উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধি ঃ

    জাজিরা (শরীয়তপুর), সমাজ থেকে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নে যুব সমাজের উদ্যোগে এক বিশাল মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২৯ মে)-২০২৬ বিকেলে বড়কান্দি ইউনিয়নের বুড়ারবাজার এলাকায় স্থানীয় যুব সমাজের আয়োজনে এই কর্মসূচির সূচনা হয়।

    মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করেন।
    র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা জোরালো কণ্ঠে স্লোগান দেন— “যুবদল যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে”, “বড়কান্দির আস্তানায় মাদক কারবারি থাকবে না”, “মাদককে না বলুন, সুন্দর সমাজ গড়ুন”, “তরুণদের বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ চাই” ইত্যাদি।
    র‍্যালিটি বুড়ো বাজার থেকে শুরু হয়ে বড়কান্দি ইউনিয়নের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা অতিক্রম করে দুর্গার হাট বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যুবক, ছাত্র, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বড়কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান খলিফা এবং বিএনপি নেতা রুবেল সর্দার। বক্তারা বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি, যা যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করলে হবে না, বরং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
    চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান খলিফা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মাদক আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করছে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষার স্বার্থে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। যুব সমাজের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং সময়োপযোগী।”বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। আমিও ঘোষণা করলাম মাদক কারবারি মাদক সেবন আদান প্রদান দণ্ডনীয় অপরাধ এই মাদকের সাথে জড়িত যদি কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করে থাকেন যদি কারো জানা থাকে এবং আমাদেরকে জানাবেন আমরা এটা প্রতিহত করার চেষ্টা করব। মাদক আদান প্রদানকারী এবং বিক্রয়ের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না সে যদি আমার ভাই হয় ভাতিজা হয় তাকেও না। মাদক কারবারি সমাজের শত্রু এবং সমাজের একটি ব্যাধি যদি মাদক সেবা মাদকের সাথে জড়িত এমন কোন লোকের তথ্য আপনারা কেউ যেনে থাকেন তাহলে আপনাদেরকে জানাবেন আমরা তাকে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করবো।

    বিএনপি নেতা রুবেল সর্দার বলেন, “মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলে মাদকাসক্তির ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে।”বাংলাদেশ যেমন মাদকের বয়ান আক্রমণে ছেয়ে গেছে তেমনি আমাদের বড়কান্দিটা ও ছেয়ে গেছে মাদকে জর্জরিত। এ মাদকাসক্ত লোকের জন্য সমাজে চুরি,ছিনতাই রাহাজারি বেড়ে গেছে এবং সমাজের পারিবারিক অবক্ষয় হয়েছে। এজন্য আমরা মাদকের বয়াল আক্রমণ থেকে সমাজকে মুক্ত করতে চাচ্ছি, সেজন্য বড় কান্দি আলোর পথে সংগঠনকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে জাতীয়বাদী দলের পক্ষ থেকে মুরুব্বীদের পক্ষ থেকে এবং আমরা সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে যারা মাদক কারবারের ডিলার আছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা ওসি মহোদয়ের সাথে কথা বলবো এবং আপনারা যদি কেউ মাদকের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তির সন্ধান পেয়ে থাকেন আমাদেরকে বলবেন আমরা তাকে থানায় সোপর্দ করব।

    আরো বক্তব্য রাখেন,
    মোস্তফা মহসিন মৃধা, সাধারণ সম্পাদক (জাসাস) জাজিরা উপজেলা শাখা।তিনি বলেন,মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। মাদকের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না কেউ যদি মাদকের সাথে জড়িত এমন লোকের সন্ধান পেয়ে থাকেন তাহলে আমাদেরকে জানাবেন আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিব থানায় তাকে সোপর্দ করবো।

    আয়োজকরা জানান, মাদকবিরোধী এই আন্দোলন শুধু একটি দিনের কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভবিষ্যতেও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম, প্রচারণা ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত থাকবে।
    কর্মসূচি শেষে উপস্থিত সকলেই মাদকমুক্ত বড়কান্দি ইউনিয়ন এবং মাদকমুক্ত জাজিরা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্থানীয়দের মতে, যুব সমাজের এই উদ্যোগ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

  • শাহজাদপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    শাহজাদপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    শাহজাদপুর উপজেলার বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ইব্রাহিম (২০) ও জিসান (১৮) নামের দুই তরুণ নিহত হয়েছেন।

    এ ঘটনায় আরও চার মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মহাসড়কের দ্বাবারিয়া এলাকায় একটি সিএনজি পাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ইব্রাহিম শাহজাদপুর পৌর শহরের দ্বারিয়াপুর চেয়ারম্যানপাড়া গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী মো. শাহিন সরকারের ছেলে। অপর নিহত জিসান উপজেলার নুকালী গ্রামের হারুনের ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে বন্ধুদের সঙ্গে বাঘাবাড়ি এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন ইব্রাহিম। পরে রাত ৯টার দিকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে দিলরুবা বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণে দ্বাবারিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা জিসানের মোটরসাইকেলসহ মোট তিনটি বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    সংঘর্ষের পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত ইব্রাহিম, জিসানসহ মোট ছয়জনকে প্রথমে পিপিডি ট্রাস্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইব্রাহিম মারা যান।

    পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জিসানসহ আরও চারজনকে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ স্থানান্তর করা হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই জিসানের মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নিহত ইব্রাহিমের বাবা শাহিন সরকার বলেন, এই ঘটনায় আমাদের কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে যেন আর কোনো বাবা-মাকে এভাবে সন্তান হারানোর কষ্ট সহ্য করতে না হয়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে হতদরিদ্র বিধবাকে সেলাই মেশিন উপহার

    কাউখালীতে হতদরিদ্র বিধবাকে সেলাই মেশিন উপহার

    কাউখালী (পিরোজপুর)প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুরের কাউখালীতে ঈদুল আযহা পরবর্তী ২৯মে শুক্রবার রাত ৮টায় কাউখালী মহিলা পরিষদ অফিস কক্ষে এক মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে হতদরিদ্র বিধবা নারী সরজু হালদারকে একটি সেলাই মেশিন উপহার দেওয়া হয়েছে।
    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কাউখালী উপজেলা শাখার উদ্যোগে এবং কাউখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবী মানবাধিকার কর্মী মোঃ কামরুজ্জামান খানের আর্থিক সহযোগিতায় এ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়।
    জানাজায়, সরজু হালদার উপজেলার ৩নং সদর ইউনিয়নের আসপদ্দি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর স্বামী মৃত রনজিত হালদার ২০১৩ সালে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজ করে সততার সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন তিনি। একই সঙ্গে দুই কন্যা সন্তানকে লেখাপড়া করিয়ে বড় মেয়ে প্রিয়ঙ্কা হালদারকে বিবাহ দিয়েছেন এবং ছোট মেয়ে রাখি হালদার বর্তমানে ইন্টারমিডিয়েটে অধ্যয়নরত রয়েছে।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাউখালী মহিলা পরিষদের সভাপতি সুনন্দা সমাদ্দার, সাধারণ সম্পাদক শাহিদা হক, কার্যকরী কমিটির সদস্য সুষমা মন্ডল, সাংবাদিক নুরুজ্জামান খোকন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    সভাপতি সুনন্দা সমাদ্দার বলেন, “সমাজে এখনো অনেক অসহায় ও বিধবা নারী রয়েছেন যারা সামান্য সহযোগিতা পেলে স্বাবলম্বী হতে পারেন। সরজু হালদারের মতো সংগ্রামী নারীদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই এই সেলাই মেশিন তাঁর জীবিকার নতুন পথ তৈরি করবে।”

    মানবিক ব্যক্তিত্ব মোঃ কামরুজ্জামান খান বলেন, “মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারাটাই আমার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতেও সমাজের দরিদ্র,মেধাবী শিক্ষার্থী,প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো।”
    উল্লেখ্য,কামরুজ্জামান খান ইতিপূর্বে বিভিন্ন অসহায় দরিদ্র ব্যক্তিদের ফ্রি চিকিৎসা সহায়তা, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক অনুদান,প্রতিবন্ধীদের হুইলচেয়ার ও ক্রাচ বিতরণ, সেলাই মেশিন ও শীতবস্ত্র প্রদানসহ নানা মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

  • সেতু নির্মাণের ফাইল বন্দি,রাইখালীতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করল বাঁশের ঝুলন্ত সেতু 

    সেতু নির্মাণের ফাইল বন্দি,রাইখালীতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করল বাঁশের ঝুলন্ত সেতু 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২নম্বর  রাইখালী ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ডের নারানগিরি ভাঙা সেতুটি পাহাড়ি – বাঙালি মিলে বাঁশের ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করল।

    উক্ত  পাড়ায় ১৫০টি পরিবার বসবাস করে । পাড়ায় যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন  ছিল নারানগিরি খালের উপর একটি জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো।

    এ সাঁকো ব্যবহার করে এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা,মন্দির, প্যাগোডায় যায়। বিভিন্ন পেশাজীবিরা তাদের কর্মস্থলে যায়। সাপ্তাহিক রাইখালী বাজারে যেতে এই সাঁকোটি ব্যবহার করা হয়।

    এছাড়া অসুস্থ, মুমূর্ষু রোগী ও গর্ববতী মা বোনেরা ডাক্তারের কাছে ও হাসপাতালে যাতায়াত করতে এই সাঁকোটি ব্যবহার করেন। বর্ষা মৌসুম যখন আসে প্রতিবছর উজান হতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এই সাঁকোটি কর্ণফুলি নদীতে তলিয়ে যায়।

    বছরের পর বছর সরকারের কাছে আবেদন করেও এখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় এলাকাবাসী হতাশ প্রকাশ করেছে। অবশেষে উপায়ান্ত না দেখে এলাকাবাসী বিগত ১৫ দিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি করলেন একটি বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে অস্থায়ী ঝুলন্ত সেতু। যা গত মঙ্গলবার (২৬ মে) সমাপ্ত হয়।

    এলাকার শিক্ষক  মো : রাশেদ বসবাসকারী  ,মো : মানিক মো: লোকমান , পুলু মারমা এবং এলাকার  কারবারি সুইথি মং মারমার জানান,  আমাদের পাড়াবাসীর দু:খ এই সাঁকোটি।  জরাজীর্ণ সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা চলাচল করে আসছি বছরের পর বছর। বিশেষ করে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যখন এই সাঁকো পার করে স্কুলে যায়, তখন অজানা আশংকা ভর করে, কখন জানি তাঁরা খালে পড়ে যায়। এছাড়া অসুস্থ, মুমূর্ষু রোগী ও গর্ববতী মা বোনেরা ডাক্তারের কাছে ও হাসপাতালে যাতায়াত করতে এই সাঁকোটি ব্যবহার করেন।

    এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে চলালচ করার সময় অনেক  স্কুলগামী  কোমলমতি শিক্ষার্থী,বয়োবৃদ্ধ সাঁকোর নিচে পরে হতাহত হয়েছে বলে এলাকার লোকজন অভিযোগ করেন। আরও জানান যখন বর্ষাকাল আসে তখন খালের স্রোতে সাঁকোটি ভেসে যায়।

    বিগত সরকারের নিকট একাধিকবার বলার পরও, দিব দিচ্ছি বলে সেতুটি নির্মাণ না করায় এলাকার  পাড়াবাসী বিগত ১৫ দিন ধরে স্বেচ্ছাশ্রমে নিজেদের আর্থিক সহযোগিতায় মঙ্গলবার এই অস্থায়ি ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করে। সরকারের কাছে আমাদের একটা দাবি এই খালের উপর একটি স্থায়ী সেতু হউক। তাহলে আমাদের দু:খ লাগব হবে।

    ২ নম্বর  রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মংক্য মারমা জানান , সাঁকোটি জরাজীর্ণ হওয়ায় এলাকাবাসীর আর্থিক  সহযোগিতায় স্বেচ্ছাশ্রমে একটি ঝুলন্ত  বাঁশের সেতু  নির্মাণ করেন। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ হতে একাধিকবার এই খালের উপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমিও চাই এখানে একটি স্থায়ী সেতু হউক।

    কাপ্তাই উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরে এই খালের উপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাবটি পাস হয়ে আছে,  অচিরেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার আমরা যাবো। আশা করছি পরবর্তী অর্থ বছরের শুরুতেই এর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারবো।

  • কেরানীগঞ্জের আলোচিত তারানগর-শাক্তা গরুর হাট পরিদর্শনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

    কেরানীগঞ্জের আলোচিত তারানগর-শাক্তা গরুর হাট পরিদর্শনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

    রিপোর্টার শাফায়েত হোসেন।

    ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ও শাক্তা ইউনিয়নের আলোচিত গরুর হাট পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    পরিদর্শনকালে তিনি হাটের সার্বিক পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা, ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধা ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
    এ সময় হাটের ইজারাদার, ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    তারা হাটের পরিবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কোরবানির ঈদকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের কথা তুলে ধরেন। ক্রেতা-বিক্রেতারা হাটের ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
    পরিদর্শন শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গণমাধ্যমকে জানান, হাটের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো ও ইতিবাচক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা এবং ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম সন্তোষজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।
    তিনি হাট পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকলের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বিশেষভাবে হাট সংশ্লিষ্ট মনির ও সাইফুল ভাইসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নির্বিঘ্নে কেনাবেচা সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

  • আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রবাসী অটো রিক্সা চালক মাসুম নিহত

    আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় প্রবাসী অটো রিক্সা চালক মাসুম নিহত

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় কাটা পড়ে মাসুম মিয়া (৪৫) নামে এক প্রবাসী অটো রিক্সা চালক নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের দরুইন গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মাসুম ওই গ্রামের মোঃ শাহজাহান মিয়ার ছেলে এবং পেশায় সে একজন অটো রিক্সা চালক ছিলেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, সে দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকতেন, প্রবাস থেকে একেবারে এসে, অটো রিস্কা চালান, অটো রিস্কা চালানো শেষে, সন্ধ্যায় কেনাকাটা করে বাড়ি ফেরার পথে মাসুম মিয়া রেললাইন পারাপার সময় আন্ত নগর ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

    পরে আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
    আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কিভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।