Blog

  • কাপ্তাইয়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৭ হাজার  টাকা জরিমানা 

    কাপ্তাইয়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৭ হাজার  টাকা জরিমানা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করেছে কাপ্তাই নতুন বাজার এলাকায়।

    অভিযানে দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায়, ফ্রিজে মুরগীর মাংস রাখা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখায় তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভোক্তা অধিকার রাঙামাটি সহকারী পরিচালক রানা দেব নাথ।  শনিবার কাপ্তাই নতুন বাজার এ অভিযান পরিচালনা করেন,ভোক্তা অধিকার সহকারী পরিচালক।

    এসময় কাপ্তাই মার্কেটিং অফিসার অভিজিৎ বড়ুয়া  প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন এবং কাপ্তাই থানার পুলিশ সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।

  • আখাউড়া পৌরসভার মসজিদ পাড়া গ্রামের শ্রাবণ আমাদের মাঝে আর নেয়

    আখাউড়া পৌরসভার মসজিদ পাড়া গ্রামের শ্রাবণ আমাদের মাঝে আর নেয়

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায়,গতকাল ১৬/২/২০২৬ ইং তারিখে রাত সাড়ে নয় ঘটিকার সময়, আখাউড়া চেকপোষ্ট এলাকা থেকে খেলাধুলা শেষ করে, বন্ধু কে নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে, গাজী বাজার চেকপোষ্ট এলাকায়, অটো রিস্কার সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে, মোটরসাইকেল চালক শ্রাবণসহ আরো তিনজন গুরুতর আহত হয় ।

    তৎকালীন ঐ এলাকার জনগণ তাদেরকে দ্রুত আখাউড়া হসপিটালে নিয়ে গেলে, ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে, আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হসপিটালে রেফার করেন, সেখানে চিকিৎসা চলা কালিন ১৭/২/২০২৬ ইং তারিখ রাত ২ ঘটিকার সময় শ্রাবণ মারা যান। শ্রাবণ হল মসজিদ পাড়া গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে।

    উল্লেখ্য ঘটনার আগে, ২৩ ঘণ্টা আগে আখাউড়া মসজিদ পাড়ার এক মৃত ব্যক্তির কবর কুড়ে, কবরে শুয়ে ছবি তুলে ছবি পোস্ট করেন, শ্রাবণ তার ফেসবুক থেকে।  আজ সেই কবরে শ্রাবণ নিজেই শুয়বেন যা খুব দুঃখজনক।

    মসজিদপাড়া এলাকার মাফুজ মিয়া জানান, শ্রাবণ অত্যন্ত একজন ভালো ছেলে ছিলেন।তার অকাল মৃত্যুতে আমি খুবই মর্মাহত ।শ্রাবণ মৃত্যুর ২৩ ঘণ্টা আগে, আমাদের মসজিদ পাড়া মহল্লার এক ব্যক্তির কবর কুড়ছেন, কবরস্থানে। আমাদের মসজিদপাড়া মহল্লায় যদি কেউ মারা যায়, বেশিরভাগ কবর শ্রাবণ কুড়েন। শ্রাবণ মৃত্যুর ২৩ ঘন্টা আগের দিন, কবর করে, কবরে শুয়ে, ছবি তুলে তার ফেসবুকে ছাড়েন, আজ নিজেই কবরে, যাতে আমি খুব কষ্ট পেলাম।

  • নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আজিবুর সভাপতি রাজু সম্পাদক

    নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আজিবুর সভাপতি রাজু সম্পাদক

    নড়াইল প্রতিনিধি।

    নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে আজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ইস্রাফিল খবির রাজু নির্বাচিত হয়েছেন।
    জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনের তৃতীয় তলায় সোমবার সকাল ১০টায় থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
    জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সিনিয়র আইনজীবী শেখ নূর মোহাম্মদ বলেন, শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহণ সস্পন্ন হয়েছে। ১৬১ জন ভোটারের মধ্যে ১৪৯জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ১১টি পদের মধ্য ৪টি পদে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।
    সভাপতি পদে আজিবুর রহমান ৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তারিকুজ্জামান লিটু পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
    সহ-সভাপতি পদে শরিফুল ইসলাম টিটু ৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী বদরুল আলম পেয়েছেন ৭০ভোট।
    সাধারণ সম্পাদক পদে ইসরাফিল খবির রাজু ৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটত প্রতিদ্বন্দ্বী নেওয়াজ মাহমুদ তুহিন পেয়েছেন ৪৮ভোট।
    সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ওয়াহিদুজ্জামান জুলু ৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী
    মিশকাতুর রহমান সজিব ৬৮ ভোট।
    ৭টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন, গণগ্রন্থাগার সম্পাদক পদে ইমরুল হাসান সনেট এবং আইন ও সমাজ বিষয়ক সম্পাদক পদে লাভলী আক্তার।এছাড়া ৫টি সদস্য পদে কাজী জিয়াউর রহমান, এস এম ইকবাল হোসেন, শিমুল ফকির, শাহাজিয়া শারমিন মুন্নী ও মিলিমা খানম(মিলি সিদ্দিকী)।

  • কাপ্তাইয়ে লোকালয়ে হাতি,বানর ও হলুমানের তান্ডব 

    কাপ্তাইয়ে লোকালয়ে হাতি,বানর ও হলুমানের তান্ডব 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি ।

    ‘বন্যরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃকোড়ে’।রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বনের পশুরা এখন বন থেকে লোকালয়ে এসে তান্ডব চালাচ্ছে।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ রাঙ্গামাটি বনাঞ্চলের বন্যপ্রাণী কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার লোকালয়ে এসে তান্ডব চালাচ্ছে। শিলছড়ি, রামপাহাড়,ওয়াগ্গাছড়া চা বাগান,চিৎমরম মুসলিম পাড়া, কলা বুনিয়া,ব্রীকফিল্ড,বিউবো  বাক্স হাউজ,নৌবাহিনী সড়ক, সুইডিশ আবাসিক, ফরেস্ট কলোনি,   শিল্পএলাকা, শিল্প এলাকা সর্বত্র লোকালয়ে হাতি এসে তান্ডব চালায়।

    চলতি বছরসহ গত দশ বছরে হাতির আক্রমণে প্রায় ১২/১৩ জনের মত মৃত্যুসহ ৩০জনের মত আহত হয়েছে। এবং পাশাপাশি ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি নষ্ট করা হয়েছে। হাতির পাশাপাশি উপরোক্ত এলাকাসমুহ বন্যপ্রাণী হলুমানও বানর তান্ডব চালাচ্ছে।

    প্রতিনিয়ত বানর ও হলুমান এসে সৃজিত বাগানের বড়ই, কলাগাছ, নারিকেল গাছ,আতাফল,সিম,পেয়ারাসহ সব সাবার করে দিচ্ছে। এবং কি ঘর ও দোকানে প্রবেশ করে সব সাবার করে দিচ্ছে। এলাকার মহিলা ও দোকান ব্যবসায়ীরা হাতে লাঠি নিয়ে বানর ও হলুমান থেকে রক্ষা পেতে পাহাড়া দিতে দেখা যায়। শিল্প এলাকার মনোয়ারা বেগম,দোকান ব্যবসায়ী মো.শাহিন,সিফাত ও জাহাঙ্গীর বানর ও হলুমানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দোকানের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান। হালিমা, কোহিনূর এদের অত্যাচারের থেকে কিভাবে রক্ষা পাবে এর প্রতিকার চায় স্থানীয় বন বিভাগের নিকট। পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ রাঙ্গামাটি কাপ্তাই রেঞ্জ অফিসার ওমর ফারুক স্বাধীন জানান, বন্যপ্রাণী লোকালয় আসছে এটা ঠিক আছে। কিন্তু বনের ভিতর পশু খাদ্য এক শ্রেণির অসাধু লোক কয়েক বছর পূর্বে সাবার  করার ফলে পশুরা বনে খাবার না পেয়ে লোকালয়ে আসছে। আমরা বন বিভাগের পক্ষ হতে যতটুকু সম্ভব লোকজনকে নিরাপত্তার জন্য সচেতন করছি।৮কিঃমিঃ পযন্ত সোলার ফেন্সি স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ হতে নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ক্ষতি পূরণ দেয়া হচ্ছে। এবং বানর ও হলুমান এরা ছোট প্রাণী এদের তো আটকিয়ে রাখা যায় না। তবে টিন,ও বাজনা বাজিয়ে হাতি ও বানর হতে রক্ষা পাওয়ার কথা জানান।

  • কাপ্তাই নতুন বাজার দোতলা ছাদ থেকে পরে  শিশু আহত

    কাপ্তাই নতুন বাজার দোতলা ছাদ থেকে পরে  শিশু আহত

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    দোতলার ওপর সাইকেল চালাতে গিয়ে  ছাদ থেকে পরে শিশু গুরুত্ব আহত হয়েছে।

    শনিবার সকাল সাড়ে নয়টায়  রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড নতুন বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

    তিন চাকার সাইকেল চালাতে  নতুনবাজারস্থ মোল্লা ট্রেডার্স হার্ডওয়ার দোকানের দোতলার ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে শিশু  সিনান(৪) গুরুতর আহত হয়। ছাদে রেলিং নাথাকায় হঠাৎ করে ছাদ থেকে  আকস্মিক নিচে পরে গিয়ে ঘটনাটি ঘটে।

    আহত শিশুটিকে প্রথমে  কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল নেয়া হয়।  শিশুটি কাপ্তাই নতুন বাজার  সোনিয়া ক্লথ স্টোরের মালিক মোঃ

    খোরশেদ আলমের নাতি বলে জানাযায়।

  • পিরোজপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সোহেল মনজুর সুমন নির্বাচিত

    পিরোজপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সোহেল মনজুর সুমন নির্বাচিত

    মোঃ মেহেদী হাসান,স্টাফ রিপোর্টার।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরে নানা উৎসাহ, উদ্দীপনা ও উৎকন্ঠা বিরাজমান ছিল সাধারণ জনগণ সহ বিভিন্ন নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। সবার কৌতুহুল ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠন করবে।
    অবশেষে ১২ই ফেব্রুয়ারী(বৃহস্পতিবার) সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সমাপ্তি হল জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোট কেন্দ্র গুলোতে দেখা গিয়েছে ভোটারদের সরব উপস্থিতি। দীর্ঘদিন পরে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করায়, ভোটারদের অনেককে অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ জানাতেও দেখা গিয়েছে।

    পিরোজপুর-২(ভান্ডারিয়া-কাউখালী-নেছারাবাদ) আসনে সর্বমোট ভোটার ছিলো ৪ লাখ ৯ হাজার ২৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪ হাজার ৩১২ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ৪ হাজার ৯৭২ জন এবং ৪ জন ভোটার হিজরা সম্প্রদায়ের।
    প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী এই আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আহাম্মদ সোহেল মনজুর সুমন ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
    তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী, শামীম সাঈদী পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৯৭ ভোট।
    এ সময় নির্বাচিত সংসদ সদস্য সোহেল মনজুর বলেন,আমি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী পিরোজপুর-২ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছিলাম। আপনারা আমাকে আপনাদের একজন করে গ্রহণ করে যে ভালোবাসা ও আস্থা দিয়েছেন, তার ফলেই আজ এই বিজয় সম্ভব হয়েছে। আমার এই বিজয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখা সকল নেতাকর্মী, সমর্থক এবং প্রিয় পিরোজপুর-২ বাসীকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা।
    তিনি আরও বলেন, দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কোনো বিজয় মিছিল করিব না। আমরা বিশ্বাস করি, সংযম, শালীনতা ও দায়িত্বশীল আচরণেই প্রকৃত বিজয়ের আনন্দ পাওয়া যায়।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের ৫টিতে বিএনপির জয়

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের ৫টিতে বিএনপির জয়

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার ।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টিতে বিএনপি দলটির জোটসঙ্গীরা বিজয়ী হয়েছেন। আর একটিতে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

    রুজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে ভোট গণনা শেষে, এসব তথ্য পাওয়া যায়।

    ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন বিএনপি প্রার্থী এম এ হান্নান। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৮ হাজার ৯২ টি। তার নিকটতম প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান পান ৩৫ হাজার ২২০ ভোট।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিজয়ের হাঁসি হাসেন বিএনপির বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র) হাসঁ প্রতীক নিয়ে ভোট পান ১ লাখ ১৮ হাজর ৫৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব খেজুর গাছ প্রতীকে ভোট পান ৮০ হাজার ৪৩৪ টি।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে মো. খালেদ হোসেন মাহবুব ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট পান ২০৯৬৩৬ টি। তার নিকটতম প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ শাপলা কলি প্রতীকে ভোট পান ৬২,৫৪৭ টি।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে মুশফিকুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পান ১,৩৯,৮৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী মো. আতাউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ভোট পান ৯১,৭৯৬ টি।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে এম এ মান্নান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পান ৮৫,৭৬৯ ভোট। তার নিকটতম বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস(স্বতন্ত্র) প্রতীক ফুটবল পান ৮৪,৭০৮ ভোট।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাথাল প্রতীক নিয়ে পান ৯৪,২৩১ ভোট। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মো. মহসীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৩৭,৯৬৫ ভোট।

    বিজয়ের পর প্রার্থীরা এলাকায় আনন্দ মিছিল করেন এবং ভোটারদের শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় সিক্ত হন।

  • পুরুষের চেয়ে মহিলাদের উপস্থিতি বেশি   কাপ্তাইয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন 

    পুরুষের চেয়ে মহিলাদের উপস্থিতি বেশি  কাপ্তাইয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির  কাপ্তাই উপজেলায় সকাল সাড়ে ৭ টা হতে বিকাল সাড়ে ড়ে ৪টা  পর্যন্ত  ২২ টি কেন্দ্রে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

    ২২টি কেন্দ্রে কোন ধরনের হট্টগোল  ছাড়াই ছাড়াই শান্তি শৃঙ্খলা ভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। কাপ্তাই প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ ১৭বছর পর ভোটাররা উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দিতে পেরে প্রশাশনকে ধন্যবাদ জানান।

    এবারের কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচনে পুরুষের চেয়ে মহিলাদের উপস্থিত ছিল বেশি। মহিলারা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দেয়।

    কাপ্তাই বিএফআইডিসি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় ৮৫বয়সের অসুস্থ বৃদ্ধ আম্বিয়া খাতুন,অন্ধ শহিদুল্লা ও প্রতিবন্ধী মনোয়ারা বেগম জীবনের শেষ ভোট দিতে আসছে আত্মীয়-স্বাজনের সাথে।

    কাপ্তাই স্কুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার মোহাম্মদ হোসেন ও ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার তীর্থ জিৎ রায় জানান,কোন ধরনের ভয়-ভীতি ছাড়া আনন্দ মুখর পরিবেশে শান্তি শৃঙ্খলা ভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।  কাপ্তাই উপজেলার বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ ও সদস্য সচিব মো.দিলদার হোসেন  বলেন, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহন হচ্ছে,  আমরা প্রশাসন সহ সকল জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছি, ইনশাল্লাহ কাপ্তাইয়ে দিনশেষে ধানের শীষের বিজয় হবে।

    কাপ্তাই  উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো রুহুল আমিন এবং উপজেলা  নির্বাচন কর্মকর্তা মিতা পারিয়াল জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  কাপ্তাই উপজেলার  ২২ টি কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭ টা হতে ভোট গ্রহন শুরু হয়েছে। এবং শান্তি শৃঙ্খলা ভাবে উৎসব মুখর পরিবেশে সকলে শ্রেণী পেশার লোকজন ভোট দেন। উল্লেখ্য ২৯৯নং আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ব্যতিত শক্ত কোন প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নির্বাচন হয়েছে সাধামাটা।

    ৫ টি ইউনিয়নে মোট  ভোটার ৫০ হাজার ৯ শত ৫৯ জন, তৎমধ্যে পুরুষ ভোট ২৬ হাজার ৪ শত ৪১ জন এবং মহিলা ভোটার ২৪ হাজার ৫ শত ১৮ জন।

    ২২ টি ভোট কেন্দ্রে ১০০ টি পুলিং বুথে ২২ জন  প্রিসাইডিং অফিসার  ৯৯ জন   সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং ১ শত  ৯৮ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন।

  • সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী

    সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী

    স্টাফ রিপোর্টার।

    সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বয়কট করলেন হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী।

    নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে প্রশাসনের অন্ধ সমর্থন, নগ্ন হস্তক্ষেপ, নির্বাচনি কাজে উদাসীনতা ও ‘প্রার্থীর নিরাপত্তা সংকটের কথা জানিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারী রাত ৯: ৩০ ঘটিকায় নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন ২৯৮নং খাগড়াছড়ি আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে হারিকেন প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মোস্তফা।

    এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা তার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন। গত ০৮ ফেব্রুয়ারি নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ্য করে জেলা প্রশাসক/জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা বরাবর একজন গানম্যানের আবেদন করেন।

    আবেদন গ্রহণ হলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা/ জেলা প্রশাসক কোনোরূপ পদক্ষেপ বা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। এতে প্রশাসনের উদাসীনতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

    এসময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার পর থেকে খাগড়াছড়িতে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচার – প্রচারণা করে আসছে ক্ষমতাধর কিছু প্রার্থী। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের দিয়ে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করিয়ে ক্ষমতাধর প্রার্থীগণ প্রচার প্রচারণা করা করিয়ে আসছিলো। আমি সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আচরণ বিধি লঙ্ঘন এর বিচার চেয়ে গত ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ খাগড়াছড়ি ( দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক) নির্বাচনি অপরাধ এবং নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত “নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি” বরাবর লিখিত আবেদন করি।

    আবেদনের ৪৮ ঘন্টা পার হয়ে গেলে উক্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি বা কোনোরূপ বিচার হয়নি। অথচ আমার আবেদনের একদিন পরে হওয়া অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। অনুসন্ধান কমিটি ইচ্ছাকৃতভাবে কালক্ষেপন করছে এবং আমার অভিযোগে উল্লেখিত ব্যক্তিগন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কার্মকর্তা কর্মচারি হওয়ায় এবং জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকায় বিচারিক আদালত পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের আচরণ বিধি লংঘনের ভিডিও এবং ছবি থাকার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে বিচারক আদালত কালক্ষেপণের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করিয়ে অবৈধভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়লাভে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছেন।

    খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ অত্র অঞ্চলের প্রশাসনিক কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জেলা পরিষদের হস্তক্ষেপে অত্র জেলার সম্পূর্ণ প্রশাসনিক কাঠামোকে নিয়ন্ত্রণ করে তাদের মনগড়া মোতাবেক চালাতে পারে। আমার অভিযোগে জেলা পরিষদ সদস্য ও কর্মকর্তাগণ রয়েছেন তাই এই নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হওয়ার কোনোরূপ সম্ভাবনা নাই।কারন যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচার প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছে, তাদেরকে নির্বাচনের দিনের জন্য বিভিন্ন কেন্দ্রে পোলিং অফিসার হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব সরকারি কর্মচারী দ্বারা নিরপেক্ষ ভোট আশা করা যায় না। আদালত কালক্ষেপণ মূলক আচরণ করে জেলাপরিষদ সদস্য ও কর্মকর্তা কর্মচারিদের রক্ষা করছেন।

    আমি ৮ ই ফেব্রুয়ারি তারিখের পূর্বেও জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা / জেলা প্রশাসক মহোদয়কে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছি তিনি কোনোরূপ কর্ণপাত করেন নাই। আমি একজন প্রার্থী হিসাবে প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার চেয়েও পাইনি।

    আমার অভিযোগের বিচার করে দোষীদের শাস্তি প্রদান পূর্বক ও প্রশাসনের নগ্ন হস্তক্ষেপ বন্ধ করা নিশ্চিতকরণ পূর্বক নির্বাচন স্থগিত রাখার আহবান জানিয়ে উচ্চ আদালতের দারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেন তিনি।

    হারিকেন মার্কা প্রতীকের কর্মী সমর্থকদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, খাগড়াছড়িতে এই প্রশাসনের মাধ্যমে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। খাগড়াছড়ি জেলার ১৮৯টি কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ সবগুলো কেন্দ্র ক্ষমতাধর প্রার্থী দখল করে দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    খাগড়াছড়িতে নির্বাচনি রেজাল্ট পরিবর্তনেরও তথ্য রয়েছে তাই আমি পূনরায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবো, উচ্চ আদালতে রায় নিয়ে পক্ষপাতমূলক নির্বাচন ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বাস্তবায়ন করতে যাওয়া প্রশাসনের অপসারণের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বাস্তবায়ন পর্যন্ত সকলকে শান্ত থাকার আহবান জানান।

  • কাপ্তাইয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে  নির্বাচনী সরঞ্জাম 

    কাপ্তাইয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে  নির্বাচনী সরঞ্জাম 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের ২২ টি ভোট কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে   নির্বাচনী সরঞ্জাম।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টা হতে কাপ্তাই উপজেলা বিআরডিবি  অফিস হতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিতা পারিয়াল হতে স্ব-স্ব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসাররা নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত ব্যালেট পেপার, সিল, স্বচ্ছ ব্যালেট বাক্স, অমোচনীয় কালি, স্ট্যাম্প প্যাড সহ অন্যান্য সরঞ্জাম বুঝে নেন। এসময় কাপ্তাই সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, কাপ্তাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেলী রুদ্র,  কাপ্তাই  থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল সহ পুলিশ,  আনসার সদস্য এবং  ভোট গ্রহনে সংশ্লিষ্ট  কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিতা পারিয়াল জানান, কাপ্তাই উপজেলার  ৫ টি ইউনিয়নে মোট  ভোটার ৫০ হাজার ৯ শত ৫৯ জন, তৎমধ্যে পুরুষ ভোট ২৬ হাজার ৪ শত ৪১ জন এবং মহিলা ভোটার ২৪ হাজার ৫ শত ১৮ জন।

    ২২ টি ভোট কেন্দ্রে ১০০ টি পুলিং বুথে ২২ জন  প্রিসাইডিং অফিসার  ৯৯ জন   সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং ১ শত  ৯৮ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।