Blog

  • Untitled post 4591

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।

    মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি এসডিজি ভিলেজে ‘এসডিজি স্থানীয়করণে অংশীজনদের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সভার আয়োজন করে কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন।জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, এসডিজি ভিলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকারি সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। গ্রামের মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং ঋণ সহায়তার মাধ্যমে তাঁদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। শুধু চাকরির ওপর নির্ভর না করে নিজেদের কর্মসংস্থান নিজেরাই সৃষ্টি করতে হবে। মিতিঙ্গাছড়িতে রাস্তাঘাটসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দ্রুত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন কাপ্তাই সহকারী তথ্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন মিতিঙ্গাছড়ি এসডিজি ভিলেজের সমন্বয়ক মো. মনজুরুল হক।সভায় রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন, সমাজসেবা অধিদপ্তর রাঙামাটির উপপরিচালক ও এসডিজি জেলা কমিটির সদস্যসচিব মো. ফরিদুল আলম, রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য উথোয়াই মং মারমা, কাপ্তাইয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেলী রুদ্র, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহসভাপতি ডা. রহমত উল্লাহ এবং কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামের বাসিন্দারা সভায় অংশ নেন।মতবিনিময় সভায় গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা আব্দুল মান্নান, ইসরাত জাহান পারুল, শিক্ষার্থী ফারহানা আক্তার ও বেকার যুবক মো. ইব্রাহীম স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাঁরা গ্রামের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণ, মোবাইল নেটওয়ার্কের উন্নয়ন, সুপেয় পানির সংকট নিরসন, দারিদ্র্য বিমোচন, প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা, গ্যাস-সংকট সমাধান, শিল্পকারখানা স্থাপন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবি জানান।গ্রামবাসীর উত্থাপিত সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা তাঁদের নিজ নিজ দপ্তরের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প সম্পর্কে বক্তব্য দেন।সভায় বক্তব্য দেন কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এনামুল হক হাজারী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীব, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এরশাদ বিন শহীদ, উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহআলম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, বিআরডিবি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকের, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন, একাডেমিক সুপারভাইজার সোশেল চাকমা, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খায়রুল আলম, এসডিজি ভিলেজের তথ্য সংগ্রহকারী ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাপ্পা মল্লিক এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকার কাপ্তাই উপজেলা সমন্বয়ক মায়া চাকমা।সভায় মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামের এসডিজি সূচকগুলোর বর্তমান অবস্থা, স্থানীয় মানুষের চাহিদা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি দপ্তর, এনজিও, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি গ্রামের উন্নয়নে কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।এর আগে কাপ্তাই তথ্য অফিসের উদ্যোগে এসডিজিবিষয়ক একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।উল্লেখ্য, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গত ১০ আগস্ট দেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এসব গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

  • কাপ্তাইয়ে বিজিবির ওপর হামলা, দুই ভারতীয় সন্দেহভাজনকে ছিনিয়ে নিল সংঘবদ্ধ দল

    কাপ্তাইয়ে বিজিবির ওপর হামলা, দুই ভারতীয় সন্দেহভাজনকে ছিনিয়ে নিল সংঘবদ্ধ দল

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন মালামালসহ আটক দুই সন্দেহভাজন ভারতীয় চোরাকারবারীকে বিজিবির হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দেড় শতাধিক মানুষের একটি সংঘবদ্ধ দল বিজিবির টহল দলের ওপর হামলা চালায় বলে জানিয়েছে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)।

    রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর অধীন দুমদুমিয়া বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার মো. লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে একটি টহল দল দুমদুমিয়া চেকপোস্টে যানবাহনে তল্লাশি চালায়। এ সময় বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় মালামালসহ দুই সন্দেহভাজন ভারতীয় চোরাকারবারীকে আটক করা হয়।

    বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অধিকতর তদন্তের জন্য তাদের রাজস্থলী থানায় হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে দেড় শতাধিক মানুষের একটি সংঘবদ্ধ দল বিজিবির টহল দলের ওপর হামলা চালায়।

    এ সময় হামলাকারীরা নারীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বিজিবির হেফাজতে থাকা দুই সন্দেহভাজন ভারতীয় চোরাকারবারীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি। ছিনিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের পুনরায় আটক এবং হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস বলেন, “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি অবৈধ পুশ-ইন ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকসহ সব ধরনের চোরাচালান দমনে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্তের নিরাপত্তা ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় বিজিবির এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

    .

  • ইলিশ সম্পদ রক্ষা করতে হলে অক্টোবরের আগে জেলেদের নৌকা জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব-আহমেদ আবু জাফর

    ইলিশ সম্পদ রক্ষা করতে হলে অক্টোবরের আগে জেলেদের নৌকা জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব-আহমেদ আবু জাফর

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ঢাকা, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষা করতে চাইলে অন্তত ৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রজনন এলাকার সকল মাছ ধরা জেলেদের নৌকা এবং জাল জমা নিতে সংশ্লিষ্ট মৎস্য অধিদপ্তরকে প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।

    তিনি স্বস্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে থাকা মৎস্য কর্মকর্তার দপ্তরে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত সকল জেলেদের নৌকা এবং জাল জমা নেয়ার ব্যবস্থার আহবান করেন। ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ প্রজনন এলাকার নদীতে কোন ধরনের মাছ ধরার নৌকাজাল চলাচল করতে পারবে না বলে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হলে দেড় দুই হাজার টাকা কেজিতে আর ইলিশ কিনতে হবে না; দেড়শো টাকায় ইলিশ পাবে জনগণ।

    শনিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর প্রেস ক্লাবের আয়োজনে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় করণীয় বিষয়ক আলোচনা ও ইলিশ উৎসবে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও জেলে জনগোষ্ঠীর জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ইলিশ সংরক্ষণকে শুধু ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে। এই নিষেধাজ্ঞাটি জারি করা হলে ইলিশ প্রজনন এলাকার মৌসুমে ডিসি, এস পি, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সাংবাদিকদের নৌকা বাইচ দেখতে হবে না, কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ব্যয়ও হবেনা। তাদের নিজ নিজ অফিস রেখে জেলেদের ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া, লাঠিপেটা, জেল জরিমানা ও জাল পোড়ানোর দরকার হবে না। নিষেধাজ্ঞা সফল করতে প্রজনন এলাকার সকল জেলেদের মাছ ধরার নৌকা ও জাল নিষেধাজ্ঞার আগে সরকারি হেফাজতে জমা নেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকৃত জেলেদের সময়মতো খাদ্য সহায়তা, বিকল্প কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। ইলিশ রক্ষায় শুধু নিষেধাজ্ঞা ও অভিযান নয়, নদী-পরিবেশ সংরক্ষণ, জেলেদের পুনর্বাসন, অবৈধ জাল নিয়ন্ত্রণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। যে সকল জেলেরা নৌকা এবং জাল জমা দিবেনা তাদের জেলে কার্ড বাতিলেরও প্রস্তাবনা করেন।

    এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক তথ্য সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। তিনি বলেছেন, ইলিশ সম্পদ রক্ষা করা না হলে আমরা ইলিশ পাবো কোথায়? ইলিশ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসা উচিত। ইলিশ শুধু প্রশাসনকে নয় সমাজের সকলকে পাহাড়া দিতে হবে।

    মিরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জিএম কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক বাংলা ৭১’র সম্পাদক প্রবীর সিকদার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিভাগের ডীন ড. হানিফ খান, বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক সাহেদ মন্তাজ, মাইটিভির হেড অব নিউজ মাহমুদ ফয়সাল, সাবেক রাষ্ট্রদূত মসউদ মান্নান ।

    সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মিরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া সোহাগ, সহ-সভাপতি মীর আক্তারুজ্জামান তারেক, সহ-সভাপতি মাহবুবুল কবির হিরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান সুমন প্রমূখ।

    আলোচনা সভায় বক্তারা নদীতে অভিযান চালানোর পাশাপাশি ইলিশের আড়ত, পরিবহন, বাজার ও ক্রেতা পর্যায়েও নজরদারি বাড়াতে হবে। অবৈধ ও ধ্বংসাত্মক জালের উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে সমন্বিত ব্যবস্থা এবং জাটকা সংরক্ষণে বছরব্যাপী কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন।

    এ সময় তিনি ইলিশ রক্ষায় ১০ দফা প্রস্তাব তুলে ধরে আলোচকরা বলেন, সরকার, মৎস্য বিভাগ, প্রশাসন, জেলে, ব্যবসায়ী, গবেষক, সাংবাদিক ও সাধারণ ভোক্তাদের সমন্বয়ে জাতীয় ইলিশ সংরক্ষণ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে। “ইলিশ বাঁচাতে হলে নদীকে বাঁচাতে হবে, নদীকে বাঁচাতে হলে জেলেকে বাঁচাতে হবে এবং জেলেকে সংরক্ষণের অংশীদার করতে হবে।”

    এ সভায় ২৭ সদস্য বিশিষ্ট মিরপুর প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন প্রধান বক্তা আহমেদ আবু জাফর। কমিটিতে পুনরায় জিএম কাদের সভাপতি এবং জাকারিয়া সোহাগ সাধারণ সম্পাদক করে ২০২৬-২০২৯ সেশনের কার্যনিবর্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

  • সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে

    সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ঢাকা, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রী: সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সারাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কথাটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে এখনই গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

    তিনি বলেন, ৫৫ বছরে সরকার গুলো অজস্র আইন প্রণয়ন করে গেছেন; অথচ গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য কিছুই করেনি।

    শনিবার বিকেলে মিরপুরে দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা -২৩ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি, হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান সেহলী পারভীন, , দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমি, ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল, তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আলী প্রমূখ।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন পত্রিকাটির সম্পাদক খান সেলিম রহমান। বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভায় পত্রিকাটির বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাউখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত

    কাউখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    সারা দেশের ন্যায় পিরোজপুরের কাউখালীতে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

    মশার বংশবিস্তার রোধ,ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করাই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
    নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের নেতৃত্বে,২৬শে সেপ্টেম্বর(শনিবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু করে, দক্ষিণ বাজার ও তার আশে পাশের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার বলেন,পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কোনো একদিনের কার্যক্রম নয়,এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রতি সপ্তাহের শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখা যাবে না। বিশেষ করে ময়লার স্তূপ,ঝোপঝাড় ও পানি জমে থাকে এমন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। তিনি সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
    একইসাথে বাজারের ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা না করার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা সহ জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
    দক্ষিণ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব সিদ্দিকী বলেন,ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাজার কমিটি ও স্থানীয় যুবসমাজের সহযোগিতায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বাজারের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার উদ্যোগও চলমান থাকবে।
    অভিযানকালে শহরের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে ময়লার স্তূপ, ঝোপঝাড় ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখার বিষয়ে স্থানীয়দের সচেতন করা হয়। নিজ নিজ বাড়ি,ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বানও জানানো হয়।
    অভিযানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারী,জনপ্রতিনিধি,গ্রাম পুলিশ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

  • কাপ্তাইয়ের চিৎমরমে সরকারের লিফলেট বিতরণের সময় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-১

    কাপ্তাইয়ের চিৎমরমে সরকারের লিফলেট বিতরণের সময় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-১

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই চিৎমরম ইউনিয়নে সরকারের লিফলেট বিতরণকালে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলায় এক বিএনপি কর্মী আহত হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১১টায় বিএনপি, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ সরকার কর্তৃক দেয়া  ‘গ্যাস খাতের সংকট উৎস থেকে উত্তরণের পথে সরকার’এ  লিফলেট চিৎমরম বাজারে বিতরণ করা হয়। এসময় বিএনপির ৮/১০ জনের  প্রতিপক্ষ  একটি গ্রুপ লিফলেট বিতরণ কারীদের ওপর  অর্তকিতভাবে  হামলা করার  অভিযোগ পাওয়া যায়।

    হামলায় কাপ্তাই উপজেলা যুব দলের সদস্য ও চিৎমরম ইউনিয়ন যুব বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হক (৩৫) কে   হামলা করে গুরুতরভাবে আহত করে।

    এসময় নাজমুলের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ঢুকে হামলাকারীরা বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়।

    চিৎমরম ইউনিয়ন ছাত্র দল সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,আমরা সরকারের লিফলেট বিতরণ করছি, এসময় রাঙামাটি ২৯৯ নং আসনের এ্যাড.দীপেন দেওয়ান এমপি বিরোধী এবং লিফলেট বিরোধী উবাচিং মারমার নেতৃত্বে   ৫আগস্টের পরের লোকজন এসে আমাদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামালা আমাদের এক কর্মীকে  পিটিয়ে রক্তাক্ত করেএবং আহত কর্মীর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ঢুকে লুটপাট করার অভিযোগ করে।  বর্তমানে আহত কর্মী কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    এ্যাড.দীপেন দেওয়ান এমপি’র কাপ্তাই প্রতিনিধি মংসুইপ্রু মারমা অভিযোগ করেন সরকারের দেয়া গ্যাস সংকট থেকে উত্তরণের পথে এ লিফলেট বিতরণ করার সময় চিৎমরম ইউনিয়ন এক বিএনপি নেতার ইশারায়  প্রতিপক্ষ ৫ আগস্টের একটি গ্রুপ লিফলেট  বিতরণের সময় হামলা করে। এতে আমাদের এক কর্মীকে গুরুতরভাবে আহত করে এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়।তিনি আরও জানান হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ জানান, আমি ঘটনা শুনেছি এবং এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বলে জানেন। বিষয়টা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা  উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিয়ে দু’গ্রুপের মধ্যে চাপা ক্ষোভ  বিরাজ করছে।

  • পার্বত্য চট্টগ্রামে বেকার যুবসমাজকে আধুনিক কারিগরি দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে 

    পার্বত্য চট্টগ্রামে বেকার যুবসমাজকে আধুনিক কারিগরি দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি সেনা রিজিয়ন আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনসাধারণের কল্যাণে শান্তি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাপ্তাই  ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

    কাপ্তাই ১১আর ই ব্যাটালিয় সুত্রে জানাযায় স্থানীয়  পাহাড়ের বেকার যুবক-যুবতীদের আধুনিক কারিগরি দক্ষতা  করে গড়ে তোলার জন্য ‘এসি ও ফ্রিজ মেরামত,পাশাপাশি  যন্ত্রাংশের পরিচিতি, বৈদ্যুতিক সংযোগ, কম্প্রেসর, কনডেনসার, ইভাপোরেটর, থার্মোস্ট্যাট ও রেফ্রিজারেন্ট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে।

    এ ছাড়া গ্যাস চার্জিং, গ্যাস লিকেজ শনাক্তকরণ, সার্ভিসিং, ত্রুটি নির্ণয় ও মেরামতসহ এসি ও ফ্রিজ রক্ষণাবেক্ষণের বিভিন্ন বিষয় হাতে-কলমে শেখানোর মাধ্যমে বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান করে গড়ে তোলার মূল লক্ষ্য।

    ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় বেকার যুবকদের কারিগরি জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজ উদ্যোগে এসি ও ফ্রিজ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন।এ প্রশিক্ষণ ২০সেপ্টেম্বর ২৬ইং তারিখ শুরু হয়েছে যা ১অক্টোবর২৬ইং তারিখ সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

    ব্যাটালিয়ন জানান  এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

  • কাপ্তাই বিএফআইডিসি, এলপিসি ইউনিটে পবিত্র ঈদ ই মিলাদুন্নবী ও আলোচনা সভা 

    কাপ্তাই বিএফআইডিসি, এলপিসি ইউনিটে পবিত্র ঈদ ই মিলাদুন্নবী ও আলোচনা সভা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (এলপিসি) ইউনিটে পবিত্র ঈদ ই মিলাদুন্নবী (সঃ) আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এলপিসি ইউনিট প্রধান কার্যালয়ে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের আয়োজনে পবিত্র মিলাদুন্নব(সঃ)আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    উৎপাদন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নার এর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন লাম্বার প্রসেসিং কমপ্লেক্স ও করাতকল ইউনিট সহ-মহাব্যবস্থাপক তীর্থ জিৎ রায়।

    এতে বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই এলপিসি জামে মসজিদের ইমাম মুফতি আনোয়ার হোসেন সাইফী। আরও বক্তব্য রাখেন এলপিসি ইউনিটের সহ-ব্যবস্থাপক বিলাশ কুমার বিশ্বাস (হিসাব), কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন, শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আল আমিন, সম্পাদক মোঃ শাহিন।

    এসময় অফিস কর্মকর্তা ও কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় সহ-মহাব্যবস্থাপক তীর্থ জিৎ রায় বলেন, সকলে মিলে মিশে কাজ করে কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি করুন,দেশের সেবায়  এগিয়ে আসুন এবং এলপিসির জন্য সৃষ্টি কর্তার জন্য সকলে দোয়া করুন।

  • শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে  কাপ্তাই  ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন

    শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে  কাপ্তাই  ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কাপ্তাই  ১১ আর ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

    স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের হাতে খাতা, কলম, পেন্সিল, রাবার, বক্সসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।

    এ সময় ১১ আর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা, শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে পরামর্শ দেন।

    কর্মসূচির আয়োজকেরা জানান, সুবিধাবঞ্চিত ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তা করা এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ ও উৎসাহ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা উপকরণ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়।

    জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে আরও সহায়ক করতে রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১১ আর ব্যাটালিয়নের এ ধরনের শিক্ষা সহায়তা ও মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

  • মিরপুরে সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত কিশোরগাং নিশ্চিহ্নে আল্টিমেটাম

    মিরপুরে সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত কিশোরগাং নিশ্চিহ্নে আল্টিমেটাম

    স্টাফ রিপোর্টার।

    মিরপুর, ঢাকা, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রী: মিরপুরে গুলিবর্ষণের শিকার বাংলা টেলিভিশনের সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবিদ্ধের ঘটনার সাথে জড়িত কিশোর গ্যাংদের আস্তানা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নিশ্চিহ্ন করতে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

    রবিবার দুপুরে মিরপুর গোলচক্কর এলাকায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর এ ঘোষণা দেন।

    তিনি বলেন, প্রান্ত পারভেজের ওপর সংগঠিত গুলিবিদ্ধের ঘটনা সারাদেশের সাংবাদিকদের ভাবিয়ে তুলেছে। সাংবাদিক সুরক্ষা আইন না থাকায় আমাদের মানববন্ধন সমাবেশ করে বিচার দাবি করতে হচ্ছে। এ পেশায় নিত্য নতুন করে সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন কিংবা গুলিবর্ষণের মত স্পর্শ কাতর ঘটনা যুক্ত হচ্ছে। অথচ সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে আমাদের রাষ্ট্র যন্ত্রের কোনো মাথা ব্যথা নেই। সরকার আসে আবার চলে যায়, জোয়ার ভাটার মত। মিরপুরের সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবর্ষণের ঘটনা গোটা দেশের সাংবাদিকদের ভাবিয়েছে। কিন্তু আমাদের সরকারের কিছু যায় আসে না। দেশের সরকার গুলো যেন রোবটের মত। ৭১’র পরবর্তী কোনো সরকার সাংবাদিকদের জন্য কল্যাণকর আইন প্রণয়ন করেনি। আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গুলিবর্ষণের শিকার সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজ, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি খান সেলিম, ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল, মিরপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, সাধারণ সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলাম, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের নেতা মীর আলাউদ্দিন, মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী শরীফ নেওয়াজ লালন, সহ-সভাপতি আনিসুল হক ক্লিপটন, মিরপুর সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মারুফ হায়দার, মোশাররফ হোসেন মনা, ভুইঁয়া কামরুল ইসলাম সোহাগ, মর্তুজা পাপ্পু ও এস এম আর শহীদ প্রমূখ।

    উপস্থাপনায় ছিলেন মিরপুর প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা।