Blog

  • কাউখালীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    কাউখালীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা সেনানিবাসে সিপাহি-জনতার এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থান ঘটে। সিপাহিদের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এই দিনেই খালেদ মোশাররফসহ সংশ্লিষ্টরা নিহত হন। এই ঘটনার পর জিয়াউর রহমান দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয় বলে এর সমর্থকরা মনে করেন। তাই প্রতি বছর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে।
    এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশের ন্যায় পিরোজপুরের কাউখালীতে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (৭ই নভেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা রানী দাস,কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষ্ণকান্ত দাস, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ওহিদুর রহমান,
    কাউখালী মহিলা কলেজের অধ্যাপক মোঃ আখতারুজ্জামান,উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম আহসান কবির, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ,সহ-সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাফিউল আজম দুলালসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    বক্তারা ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন,জাতীয় জীবনে ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের গুরুত্ব অপরিসীম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব, কর্মময় জীবন ও রাষ্ট্র গঠনে তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, তাঁর সময়ে শিল্প-কারখানা সম্প্রসারণ,কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খাল খনন কর্মসূচি এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হয়েছিল। এসব উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
    বক্তারা নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরার বিষয়েও আলোচনা করেন।
    অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা,বীর মুক্তিযোদ্ধা,বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    আলোচনা শেষে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান।

  • কাপ্তাইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন  

    কাপ্তাইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন  

    কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    শনিবার  সকাল ১১টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম। কাপ্তাই সহকারী তথ্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায়  বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডা. এনামুল হক হাজারী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহলা  অং মারমা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এরশাদ বিন শহীদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীব এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির হারুনর রশীদ।

    এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভা শেষে  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দেশাত্মবোধক গান  ও  শিশু-কিশোরদের  চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায়  বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • কি হবে সাংবাদিক সেজে–আহমেদ আবু জাফর

    কি হবে সাংবাদিক সেজে–আহমেদ আবু জাফর

    কি হবে সাংবাদিক সেজে!

    কি হবে সাংবাদিক সেজে যদি না লিখতে পারি
    কি হবে পেশা দিয়ে যদি না বলতে পারি
    কি হবে মালিক হয়ে যদি না ছাপাতে পারি
    কি হবে সাংবাদিক হয়ে যদি না সংসার চালাতে পারি!

    কি হবে সাংবাদিক হয়ে যদি না সত্য বলতে পারি
    কি হবে ক্যামেরা নিয়ে যদি না ছবি তুলতে পারি
    কি হবে কার্ড ঝুলিয়ে যদি না প্রবেশ করতে পারি
    কি হবে কলম নিয়ে যদি না লিখতে পারি!

    কি হবে সাংবাদিক হয়ে যদি না
    নির্যাতিত সাংবাদিকের পাশে দাঁড়াতে পারি
    কি হবে সংবাদ সম্মেলনে গিয়ে যদি না প্রশ্ন করতে পারি
    কি হবে সাংবাদিক হয়ে যদি না অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে পারি!

    -আহমেদ আবু জাফর, চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সভাপতি, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ।

  • ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান– ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম

    ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান– ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম

    News 52 bangla.

    ৭ নভেম্বর ২০২৬। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বর তাই এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এটি শুধু একটি দিনের নাম নয়; এটি জাতির শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের একটি প্রতীক।

    বাংলাদেশের জন্ম, মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী রাজনৈতিক উত্থান-পতন নিয়ে আলোচনা করতে গেলে একটি প্রবাদবাক্য প্রণিধানযোগ্য: “অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ।” ইতিহাসকে অস্বীকার করা যায় না; আবার ইতিহাসের গণ্ডিতে আটকে থেকেও ভবিষ্যৎ নির্মাণ করা যায় না। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথ রচনা করাই একটি জাতির পরিপক্বতার পরিচয়। ৭ নভেম্বর আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়—স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।

    ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের একটি তারিখ। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, যারা জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল, যারা দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরবকে ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল—১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটে। এই বিপ্লব প্রমাণ করে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে বিকিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়; এটি লাখো শহীদের রক্ত ও কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার ফসল।

    ১৯৭৫ সালের পটভূমি: চার দিনের অনিশ্চয়তা

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে চরম অস্থিরতা শুরু হয়। এরপর সেনা অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশ এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির দিকে এগোতে থাকে। ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি উচ্চাভিলাষী অংশ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটায়। তারা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টের বাসভবনে বন্দি করে। এরপর বঙ্গভবনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদকে গ্রেফতার করা হয়, মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি আবু সা’দাত মোহাম্মদ সায়েমকে রাষ্ট্রপতির পদে বসানো হয়।

    এই ঘটনায় সাধারণ জনগণ ও সিপাহীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর সর্বমহলে, বিশেষত সাধারণ সিপাহীদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। ফলে তারা পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ ও জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করার পরিকল্পনা করতে থাকে। ৩ থেকে ৬ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দেশ এক শ্বাসরুদ্ধকর, অনিশ্চিত ও ভীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে থাকে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ে। কিন্তু ৬ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সেই অভ্যুত্থানে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন নিয়ে আপামর জনতা রাজপথে নেমে আসে। সিপাহি-জনতার মিলিত সেই বিপ্লবে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। পাল্টা অভ্যুত্থান ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ ও তার কতিপয় অনুসারী।

    পরদিন ৭ নভেম্বর সর্বস্তরের সৈনিক ও জনতা সম্মিলিতভাবে ঢাকার রাস্তায় নেমে আসে; এই ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। অভূতপূর্ব এক সংহতির নজির সৃষ্টি হয়। ৬ নভেম্বর মধ্যরাতে ঘটে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব, যা ইতিহাসে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে স্থান লাভ করে।

    লেখক:- ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম

  • ঢাকায় আসার পথে সাংবাদিক আলম পলাশের গাড়িতে ডাকাতের হামলা

    ঢাকায় আসার পথে সাংবাদিক আলম পলাশের গাড়িতে ডাকাতের হামলা

    News 52 bangla.

    ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রী: চাঁদপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মতলব উত্তর উপজেলার বেড়িবাঁধ এলাকায় গাড়িতে ডাকাতের হামলার শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও দৈনিক প্রথম আলোর চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি আলম পলাশ।

    এ সময় গাড়িতে ডাকাতের হামলায় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর মতলব উত্তর উপজেলার বেড়িবাঁধ এলাকায় পৌঁছালে একদল ডাকাত গাড়িটির গতিরোধ করে হামলা চালায়। এতে গাড়ির ক্ষতি হয় এবং গাড়িতে থাকা সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

    ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহযোগিতায় তারা নিরাপদ স্থানে সরে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানা গেছে।

    এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর সহ নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হামলাকারী ডাকাতদের শনাক্ত করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • কাউখালীতে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    কাউখালীতে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন নবাগত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ গোলাম রব্বানী।
    ৩রা নভেম্বর(মঙ্গলবার) সকাল ১১ ঘটিকার সময় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, পরিষদ মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নানের সঞ্চালনায়,উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা রানী দাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাহিদ হাসান শাওন,কাউখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ এবাদ আলী মোল্লা, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিজন চন্দ্র হালদার, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আখতার হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শাহ আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান নিক্সন,সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক,স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ রাকিব তালুকদার,শেখ রিয়াজ আহম্মেদ নাহিদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    মতবিনিময় সভায় বক্তারা কাউখালী শহরের যানজট নিরসন,ফুটপাত দখলমুক্ত করা,মাদক ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং নদীভাঙন রোধসহ উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন।
    এসব সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপও করা হয়। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠন,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনসেবার মান উন্নয়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
    মতবিনিময় সভা শেষে জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম রব্বানী উপজেলার আমরাজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন।
    পরবর্তীতে তিনি কেউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ে ইরেসপো প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত কিশোরী সংঘের অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পল্লী হত দরিদ্র কিশোরীদের চেক ও উপকরণ বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,মোঃ নাজমুল আনোয়ার উপ- পরিচালক বিআরডিবি কর্মকর্তা পিরোজপুর,উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ মাসুম মিয়া সহ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সামসুর রহমান মিজান।
    পরিশেষে তিনি উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন বলে জানা গেছে।

  • কাপ্তাইয়ে শিক্ষক নুর জামালের ‘স্বপ্নবাহক’ গল্পগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

    কাপ্তাইয়ে শিক্ষক নুর জামালের ‘স্বপ্নবাহক’ গল্পগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।
    শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা, শ্রেণিকক্ষের বাস্তবতা, শিখন কৌশল ও শিক্ষার্থীদের মনোজগৎ নিয়ে কাপ্তাই উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. নুর জামালের রচিত গল্পগ্রন্থ ‘স্বপ্নবাহক’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১টায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের নিসর্গ রিভারভ্যালিতে কাপ্তাই উচ্চবিদ্যালয় শিক্ষক পরিবারের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    কাপ্তাই উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুব হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক কাজী মোশারফ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বড়ইছড়ি কর্ণফুলী নুরুল হুদা কাদেরী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়সীম বড়ুয়া, বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম, চিৎমরম উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ক্যসুইপ্রু মারমা, কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সভাপতি কবির হোসেন, কাপ্তাই আল-আমিন নুরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক বেলাল হোসেন, কাপ্তাই উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুনুর রশীদ, কেপিএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. বোরহান উদ্দিন, মাদ্রাসার সুপার আবুল কাশেম, কাপ্তাই শিশুনিকেতন স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেহেনা আক্তার রেখা, কেআরসি স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরনাহার বেগমসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

    বক্তারা বলেন, শিক্ষকতা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান বিতরণে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীদের চিন্তা, মনন ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনেও শিক্ষকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিনের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ও শ্রেণিকক্ষের বাস্তবতাকে গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ‘স্বপ্নবাহক’ বইটি শিক্ষক সমাজের অভিজ্ঞতা বিনিময় ও শিক্ষার্থীদের মনোজগৎ বুঝতে সহায়ক হবে।
    লেখক মো. নুর জামাল বলেন, শিক্ষকতা জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পথচলা এবং শ্রেণিকক্ষের নানা উপলব্ধি থেকেই ‘স্বপ্নবাহক’ রচনার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। নিজের অভিজ্ঞতা ও ভাবনাগুলো গল্পের মাধ্যমে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।

    সভাপতির বক্তব্যে মাহবুব হাসান বাবু বলেন, একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতেও শেখান। ‘স্বপ্নবাহক’ সেই স্বপ্ন ও অনুপ্রেরণা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    বইটি লেখক তাঁর মা-বাবা এবং জীবনের পথপ্রদর্শক শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও গুরুজনদের উৎসর্গ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গুণীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাপ্তাইয়ে মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে যুব সমাজের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা 

    কাপ্তাইয়ে মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে যুব সমাজের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা 

    কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি।

    কাপ্তাইয়ে মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে যুব সমাজের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  রাঙামাটি কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়নে যুব সমাজ গঠনে যুব সমাজের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা হয়েছে।

    উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে রায়খালী সেতু বন্ধন সংঘের আয়োজনে সোমবার  সকাল ১০ টায়  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খায়রুল আলমের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করে সেতু বন্ধন সংঘের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন  কাপ্তাই উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো: এনামুল হক হাজারী।

    বিশেষ অতিথি’র  বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন, রাইখালী ইউনিয়ন বিএনপি’র  সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো: আবুল হাসেম মেম্বার।

    এসময় সেতু বন্ধন সংঘের সাধারণ সম্পাদক অনুপম রাই চৌধুরী ,অর্থ সম্পাদক অনুপ দত্ত সহ-সভাপতি  মো: মুনসুর, সংঘের সদস্য সহ বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, যুব যুবতীরা উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, মাদকাসক্ত ব্যক্তি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চুরি, ছিনতাই, সহিংসতা ও অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এটি আমাদের সমাজকে অনিরাপদ করে তুলছে। সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের নজরদারি বাড়াতে হবে। তারা কার সাথে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। পুলিশ বা প্রশাসন একা মাদক নির্মূল করতে পারবে না। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। যুব উন্নয়নের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুব সমাজকে আত্মকর্মী হতে হবে,নিজে স্বাবলম্বী হওয়া এবং  মানুষের সেবায় কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বক্তারা।

  • কাউখালীতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত

    কাউখালীতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    সারা দেশের ন্যায় পিরোজপুরের কাউখালীতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
    দিবসটি উপলক্ষে ১লা নভেম্বর(রবিবার) সকাল ১০ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আবু কাওসার।
    তিনি বলেন,দেশের বেকারত্ব দূরীকরণ, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুবসমাজকে দক্ষ ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। যুবকদের শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে প্রশিক্ষণ ও সরকারি সহায়তা কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বানও জানানো হয়। এ সময় যুবকদের মাঝে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।
    উদ্যোক্তাদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের উদ্যোক্তা নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, যুবকদের সংগঠিত করে যুব সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে বেকারত্বের সমস্যা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। উদ্যোক্তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করতে প্রতি মাসে যুবকদের নিয়ে পরামর্শ সভা ও প্রকল্প পরিদর্শনের ব্যবস্থা করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি আম্পানে তাঁর মৎস্য প্রকল্পে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি বলেও উল্লেখ করেন।
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ মাসুম মিয়া,যুব উন্নয়ন সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মুজিবুর রহমান এবং উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলী আকনসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,প্রশিক্ষণার্থী ও স্থানীয় যুব উদ্যোক্তাবৃন্দ।
    যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানা গেছে।

  • কাউখালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে কঁচা নদী থেকে ৩ জেলে আটক

    কাউখালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে কঁচা নদী থেকে ৩ জেলে আটক

    বিশেষ প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে কঁচা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। এ সময় কঁচা নদীর বেকুটিয়া প্রান্ত থেকে অবৈধভাবে মাছ ধরার অপরাধে কঁচা নদী থেকে ৩ জেলেকে আটক করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর তিনটার দিকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা নিবার্হী অফিসার রেহেনা আক্তারের নেতৃত্বে কঁচা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে জেলেদের আটক করা হয়। আটককৃত জেলেরা হলেন, পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমিরমারা এলাকার জেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, কবির হোসেন ও মোঃ মইনুদ্দিন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ভ্রাম্যমান আদালতে প্রত্যেক জেলেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন, উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেহেনা আক্তার।