Blog

  • Untitled post 4676

    পিরোজপুরের কাউখালীতে পূর্বশত্রুতার জেরে ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সরোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তিনি কাউখালী সদর ইউনিয়নের বড় বিড়ালজুরি গ্রামের অলিউর রহমানের ছেলে এবং স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কাউখালী সদর ইউনিয়নের নৈকাঠি ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহত সরোয়ারকে উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত সরোয়ারের অভিযোগ, তিনি তাঁর বোনের জন্য খুলনার গাড়িতে কিছু পারিবারিক মালামাল পাঠানোর উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলে করে নৈকাঠির দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় নৈকাঠি ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এনায়েত হোসেনের ছেলেরা তাঁর ওপর হামলা করেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে নৈকাঠিতে নিয়ে যান। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরে এনায়েত হোসেনের তিন ছেলে, তাঁদের এক কর্মচারীসহ আরও কয়েকজন সেখানে এসে তাঁর ওপর আবারও হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    সরোয়ার বলেন, হামলার সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা সেখান থেকে চলে যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলাকারীরা নৈকাঠি ব্রিজের ঢালে অবৈধ ভাবে বালুর ব্যবসা করে মানুষকে দেখায় কিন্তু তারা বালুর ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ করেন সরোয়ার।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়ে কাউখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। অভিযোগের বিষয়টি আইনগত কার্যক্রমের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে দৃশ্যমান অগ্রগতি না পেলে কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারী

    সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে দৃশ্যমান অগ্রগতি না পেলে কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারী

    News 52 Bangla.

    ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রী: সাংবাদিককে দিনের আলোয় কুপিয়ে জখম, ১১ মাস পর গুলি করে হত্যা এ কেমন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা? এ প্রশ্ন গোটা সাংবাদিক সমাজের। মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অবস্থান ও ফেসবুকে দেওয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে সোচ্চার গোটা দেশের সাংবাদিক সমাজ।

    এদিকে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফের মরদেহ
    ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার আছর নামাজবাদ নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানাগেছে।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেছেন, সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে দৃশ্যমান অগ্রগতি না পেলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহন করা হবে। একের পর এক সাংবাদিক হত্যাকান্ড এবং বিচারহীনতা গোটা দেশের সাংবাদিক সমাজকে ভাবিয়ে তুলেছে। সাংবাদিকদের এখন আর বসে থাকার সুযোগ নেই। সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফকে হত্যা শুধু একজন সাংবাদিকের প্রাণহানি নয়; এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ওপর এক ভয়াবহ আঘাত। সাংবাদিকদের বাঁচাতে সরকারকে অবিলম্বে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ দেখছি না। তবে হত্যাকান্ডের বিষয়টি আমরা গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছি; যে কোন সময় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা হতে পারে।

    সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মাদকবিরোধী ফেসবুক পোস্টকে হত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। গত বছরের ১০ নভেম্বর সোমেশ্বরী নদীর তেরিবাজার ঘাটে চাপাতি দিয়ে সাংবাদিক আলিফের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার প্রায় ১১ মাস পর, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ রাতে তাঁকে গুলি করে হত্যার খবর সামনে এসেছে। আগের হামলার পর কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, হামলার পেছনের ব্যক্তিরা শনাক্ত হয়েছিল কি না এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি কী এসব প্রশ্নের জবাব এখন জরুরি।

    একই সাংবাদিকের ওপর বারবার হামলা, শেষ পর্যন্ত প্রাণহানি এ ব্যর্থতার দায় সংশ্লিষ্টদের এড়ানোর সুযোগ নেই। প্রতিটি সাংবাদিক হত্যার পর তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হবে, অথচ অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াবে, এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তদন্তের নামে কালক্ষেপণ নয়, আমরা চাই দৃশ্যমান ও কার্যকর আইনগত পদক্ষেপ।

    দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বরের হামলার ঘটনা পুনঃপর্যালোচনা করে ওই হামলার সঙ্গে বর্তমান হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করতে হবে। হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা, নির্দেশদাতা ও সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তাদের রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন। নিহত সাংবাদিকের পরিবার, সহকর্মী ও মামলার সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে নিয়মিত অবহিত করতে হবে এবং দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হত্যার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং ঝুঁকিতে থাকা সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর অগ্রগতি না দেখা গেলে বিচার দাবিতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি সারাদেশের সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কলম বিরতি, মানববন্ধন, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, সমাবেশ, স্মারকলিপি প্রদান, লংমার্চ সহ ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • কাউখালীতে ইজতেমাগামী ৫০ যাত্রীকে উদ্ধার করল নৌ পুলিশ

    কাউখালীতে ইজতেমাগামী ৫০ যাত্রীকে উদ্ধার করল নৌ পুলিশ

    বিশেষ প্রতিনিধি।
     পিরোজপুর কাউখালীতে উপজেলার  বেকুটিয়া সেতু সংলগ্ন কঁচা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝনদীতে বিপাকে পড়া জেলা ইজতেমাগামী ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।
    বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
    নৌ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করে জানানো হয়, বেকুটিয়া সেতুর দক্ষিণ পাশে পাঙ্গাশিয়া এলাকায় ইজতেমাগামী ৫০-৬০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। এতে ট্রলারটি মাঝনদীতে ভেসে পড়ে এবং যাত্রীরা বিপাকে পড়েন।
    খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তৎপর হয়ে ওঠে কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ি। ট্রলারের চালক আব্দুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাত্রীদের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ আরমান হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
    এ সময় ‘আল্লাহর দান’ নামের একটি বিকল্প ট্রলারের ব্যবস্থা করে বিপদে পড়া সব যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁদের বেকুটিয়া সেতুর পশ্চিম পাশে কঁচা নদীর তীরে অবস্থিত নির্ধারিত ইজতেমা ময়দানে পৌঁছে দেওয়া হয়।
    কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ আরমান হোসেন জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে খবর পাওয়ার পরপরই তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। ট্রলারচালক আব্দুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবস্থান নিশ্চিত করার পর দ্রুত উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছায়। পরে বিকল্প ট্রলারের মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সের ৪৫-৫০ জন ইজতেমাযাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপদে ইজতেমা ময়দানে পৌঁছে দেওয়া হয়।
  • কাউখালীতে দরিদ্র মহিলাদের হাঁস-মুরগি পালনে প্রশিক্ষনের আয়োজন

    কাউখালীতে দরিদ্র মহিলাদের হাঁস-মুরগি পালনে প্রশিক্ষনের আয়োজন

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড(বিআরডিবি) কাউখালী উপজেলা শাখার আয়োজনে দরিদ্র মহিলাদের জন্য সমন্বিত পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্পের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩ দিন ব্যাপী আয়বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণের শুভ সূচনা করা হয়েছে।
    ১৩ই অক্টোবর(মঙ্গলবার) বিআরডিবি হলরুমে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়, যা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এবং আগামী ১৫ই অক্টোবর প্রশিক্ষন সমাপ্তি হবে।
    ​মূলত এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রামীণ দরিদ্র মহিলাদের হাঁস-মুরগি পালনে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি শিখিয়ে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা এবং তাদেরকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।
    উপজেলার ৩নং সদর ইউনিয়নের ৩টি সমিতি থেকে বাছাইকৃত ৩০ জন সুবিধাভোগী সদস্যা এই প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ সফলভাবে সমাপ্তির পর প্রতিটি সদস্যাকে প্রতিদিনের যাতায়াত ভাতা ১৫০ টাকা এবং সম্মানী ভাতা ৫০০ টাকা করে ৩ দিনে মোট ১,৯৫০ টাকা প্রদান করা হবে বলে জানা গেছে।
    ​প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ​রেহেনা আক্তার। তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং নারীদের ক্ষমতায়নে এ ধরনের প্রশিক্ষণের ভূমিকা অপরিসীম। হাঁস-মুরগি পালনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা নিজেদের পরিবারকে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্থানীয় চাহিদা পূরণেও বড় অবদান রাখতে পারবেন।
    বিআরডিবি পিরোজপুরের উপ-পরিচালক
    ​মোঃ নাজমুল আনোয়ার বলেন,ইরেসপো প্রকল্প ২য় পর্যায়ের মূল লক্ষ্যই হলো পিছিয়ে পড়া নারী সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করে সকল সুফলভোগীদের নিজেদেরকে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান।
    উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা ​মোঃ মাসুম মিয়া জানান,উপজেলা পর্যায়ে দরিদ্র নারীদের আয়বর্ধনমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে বিআরডিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ৩ দিনব্যাপী এই কারিগরি প্রশিক্ষণ শেষ করে নারী সদস্যরা যেন সফলভাবে খামার গড়ে তুলতে পারেন, সে ব্যাপারে বিআরডিবি থেকে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সোমা রানী সরকার উক্ত প্রশিক্ষণে হাঁস-মুরগির জাত নির্বাচন,সঠিক পরিচর্যা, খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও রোগ- বালাই প্রতিরোধ বিষয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণও প্রদান করেন।
    প্রশিক্ষণার্থী নারীরা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন এবং এই উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বলে জানা যায়।

  • কাপ্তাই নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবীনবরণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    কাপ্তাই নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবীনবরণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও এসএসসি  জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা  ১২ টায় কাপ্তাই নৌবাহিনী শহীদ মোয়াজ্জেম ঘাঁটির পিকনিক স্পট লেক প্যারাডাইসের ভিআইপি শেডে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঘাঁটির অধিনায়ক কমডোর এম সোহেল আজম। এসময় তিনি বলেন, যারা জিপিএ ৫ অর্জন করেছ, তাদেরকে এই অর্জন ধরে রাখতে হবে। এই সময় টা তোমাদেরকে কাজে লাগাতে হবে। তোমাদেরকে ভালো মানুষ হতে হবে। বইয়ের গন্ডি বাহিরেও তোমাদেরকে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে যুক্ত হয়ে প্রতিভাকে মেলে ধরতে হবে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ কমান্ডার আলিফ উল্লাহ (বিএন)। স্বাগত বক্তব্য দেন উপাধ্যক্ষ এম জাহাঙ্গীর আলম।

    অনুষ্ঠানে ঘাঁটির নির্বাহী কর্মকর্তা কমান্ডার হাসান মাহমুদসহ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয় এবং এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

  • কাউখালীতে মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য দপ্তরের অভিযান: ৫ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

    কাউখালীতে মা ইলিশ রক্ষায় মৎস্য দপ্তরের অভিযান: ৫ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস

    বিশেষ প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬-এর অংশ হিসেবে কঁচা নদীতে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর।

    রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পরিচালিত এ অভিযানে কঁচা নদী থেকে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব কারেন্ট জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
    উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। নদীপথের এই অভিযানে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহায়তায় ছিল নৌ পুলিশ। মা ইলিশ রক্ষায় টানা অভিযানের অংশ হিসেবে গত দুই দিনে উপজেলা মৎস্য দপ্তর কঁচা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্রায় ১৩ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৫ হাজার টাকা।
    অভিযান শেষে উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,
    ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ ও নিরাপদ ডিম ছাড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কঁচা নদী কাউখালীর অন্যতম প্রধান ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্র। অসাধু জেলেরা যেন কোনোভাবেই এই সময়ে জাল ফেলতে না পারে, সে জন্য আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছি। মা ইলিশ রক্ষা ও জাতীয় সম্পদ বৃদ্ধিতে মৎস্য দপ্তরের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান নিয়মিত চলবে।
    তিনি আরও জানান, জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে স্থানীয় জেলেদের সচেতন করার পাশাপাশি আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রাইখালী ইউপি সদস্যসহ জুয়ার আসর থেকে ৬ জন আটক

    রাইখালী ইউপি সদস্যসহ জুয়ার আসর থেকে ৬ জন আটক

    কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে চন্দ্রঘোনা থানা-পুলিশ।

    শনিবার রাত ১১টায় গোপন সুত্রে খবর পেয়ে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাইখালী ডংনালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মংনুচুং মারমার দোকান  হতে  ইউপি সদস্যসহ ৬জন জুয়ারিকে আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তিরা হল রাইখালী ইউনিয়ন নারানগিরি ইউপি সদস্য এনামুল হক(৫৫),ডংনালা গ্রামের সুইচাপ্র মারমা(৪৫), মংনুচিং মারমা(৪৮),রাঙ্গুনিয়া কোদালা এলাকার আনোয়ার হোসেন (৪৫) জাফর আহমেদ (৪৩)ও মোঃ রিপন। এসময় তাঁদের কাছ থেকে নগদ ১২ হাজার ৫১৫ টাকা, জুয়া খেলার তাসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

    চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  এস এম সাকের(ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, , থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দুর্জয় কুমারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৬ জন ব্যক্তিকে আটক  করা হয়।

    রোববার  সকালে  তাঁদের  রাঙামাটির আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • কাউখালীতে বিদ্যালয়ের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ পরিত্যক্ত ভবন, আতঙ্কে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

    কাউখালীতে বিদ্যালয়ের সামনে ঝুঁকিপূর্ণ পরিত্যক্ত ভবন, আতঙ্কে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

    কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ।
    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের ১০ নং আমড়াজুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনেই দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে আছে একটি জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবন। ঝুঁকিপূর্ণ এ ভবনটি ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। একই সঙ্গে ভবনটির কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সংকুচিত হয়ে পড়েছে খেলার মাঠ।
    সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের একেবারে সামনে পুরাতন ও জরাজীর্ণ ভবনটি পড়ে রয়েছে। ভবনটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
    পরিত্যক্ত ভবন ও এর আশপাশের জায়গাটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকায় মশা-মাছি, বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় ও বিষাক্ত সাপের উপদ্রব রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এ সমস্যা আরও বেড়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর বিদ্যালয় এলাকা নির্জন হয়ে গেলে পরিত্যক্ত ভবনটিতে বখাটেদের আড্ডা বসে। সেখানে মাদক সেবনসহ নানা অপকর্ম চলে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
    এদিকে মাঠের ভেতরে অযাচিত গাছপালা ও পরিত্যক্ত ভবন থাকায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জায়গাও সীমিত হয়ে পড়েছে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
    বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আফরিন ও শাহরিয়া জানায়, “আমাদের মাঠ ছোট হয়ে গেছে। আমরা ঠিকমতো খেলাধুলা করতে পারি না। পুরাতন ভবনের ভেতর বিষাক্ত সাপ ও পোকামাকড় থাকায় আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি।
    বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য সাথী ইসলাম ও অভিভাবক রফিক হাওলাদার বলেন, পুরাতন ভবনটির কারণে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সন্ধ্যার পর এটি বখাটেদের আড্ডা ও গাঁজাসহ নানা অপকর্মের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়। দ্রুত ভবনটি অপসারণ করা প্রয়োজন।
    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সান্তনা চক্রবর্তী বলেন, “বিদ্যালয়ের সামনের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি অপসারণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ভবনটি সামনে থাকায় নতুন ভবনের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ঢুকতে পারছে না এবং মাঠও ছোট হয়ে গেছে। ভবনটি অপসারণ করা সম্ভব হলে মাঠের পরিধি বাড়বে। পাশাপাশি সেখানে ফুলের বাগান করা যাবে এবং শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে খেলাধুলার সুযোগ পাবে।
    এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় পুরাতন ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি দ্রুত অপসারণের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
  • কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক

    কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক

    কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত হরিণধারা খেয়াঘাট সংলগ্ন সড়কটি এখন চলাচলের একেবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে। খেয়াঘাটের খালের পাড়ের রাস্তা থেকে পশ্চিম গোপালপুর সংযোগ সরদার বাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৮০০ মিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি খালের ভাঙনে ক্রমেই নদী-নালায় পরিণত হতে চলেছে।
    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষাবেক্ষণ না থাকায় রাস্তাটির বড় অংশ ভেঙে খালের পানির সঙ্গে মিশে গেছে। সংকীর্ণ হয়ে আসা এই জরাজীর্ণ সড়কের জায়গায় জায়গায় সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। জরুরি ভিত্তিতে খালের পাড়ে টেকসই পাইলিং ও রাস্তা মেরামত করা না হলে যেকোনো মুহূর্তে সড়কটি পুরোপুরি খালের পেটে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
    এই রাস্তাটি আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ মাধ্যম। এর ওপর নির্ভর করে পশ্চিম আমড়াজুড়ি, রোঙ্গাকাঠি, গন্তব, হরিণধারা, গোপালপুর, হোগলা ও বেতকাসহ অন্তত ৮টি গ্রামের শত শত মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। প্রতিদিন  সাধারণ পথচারী, বিভিন্ন পেশাজীবি এবং স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছেন। মূলত এই পথ ধরেই হরিণধারা খেয়াঘাটে পৌঁছে নদী পার হয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাউখালী উপজেলা সদরে যেতে হয়।
    স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আলাউদ্দিন ও সাবেক ইউপি সদস্য অনিল চন্দ্র বলেন, এই রাস্তাটা আমাদের পুরো এলাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুব সহজেই আমরা এ পথ দিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারি। কিন্তু রাস্তাটি যেভাবে খালের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে, তাতে এখনই যদি মেরামত ও পাইলিংয়ের কাজ শুরু না করা হয়, তবে কয়েকদিনের মধ্যে ৮টি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
    যোগাযোগের এই করুণ দশা এবং জনগণের দুর্ভোগের বিষয়ে আমড়াজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মেহেদী হাসান বলেন, আমি সবেমাত্র এই ইউনিয়নের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি। আমড়াজুড়ী ইউনিয়নের জরাজীর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন রাস্তাঘাটের খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছি। হরিণধারা-গোপালপুর সড়কটির সমস্যা খতিয়ে দেখে দ্রুত সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  • কাপ্তাইয়ে ১৩ লিটার চোলাই মদসহ যুবক গ্রেফতার

    কাপ্তাইয়ে ১৩ লিটার চোলাই মদসহ যুবক গ্রেফতার

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ১৩ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদসহ মো. জনি (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কাপ্তাই থানা পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে কাপ্তাই থানাধীন ১ নং  চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের কর্ণফুলী পেপার মিলের (কেপিএম) ২ নম্বর গেইটের সামনে ডুলুছড়ি নৌঘাটে যাওয়ার পাকা সড়ক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাপ্তাই থানার এসআই সাখাওয়াত হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ডুলুছড়ি নৌঘাটের দিকে যাওয়ার পথে মো. জনিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তার কাছ থেকে স্যালাইন ব্যাগভর্তিন ১৩ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতার মো. জনি রাঙামাটি পার্বত্য জেলার চন্দ্রঘোনা থানাধীন রাইখালী ইউনিয়নের ডুলুছড়ি ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার পিতা মৃত আবুল কাশেম এবং মাতা রওশনারা বেগম।

    কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান রুবেল (ওসি)জানান,  গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে এর আগে মাদকসংক্রান্ত ১০টি মামলা রয়েছে। মাদক মামলা করে শুক্রবার আদালত সোপর্দ করা হবে।