Blog

  • কাউখালীতে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ

    কাউখালীতে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তিন বারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক থাকায় এ বছর অনানুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ করা হয় ।

    কোনরূপ অনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সকালে কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণে আসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিবুর রহমান, কাউখালী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সবুজ কান্তি সিকদার ও মোঃ রফিকুল ইসলাম ।

    প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে ব‌ই বিতরণ কার্যক্রম ঘুরে দেখান ।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন । নতুন বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে আনন্দের ঝলক দেখা যায়। এভাবে কাউখালী উপজেলার ৬৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ করা হয় ।

  • সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কাউখালীতে দোয়া অনুষ্ঠিত

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কাউখালীতে দোয়া অনুষ্ঠিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, স্টাফ রিপোর্টার।

    সম্প্রতি প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশব্যাপী বাদ জুমা বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    এরই ধারাবাহিকতায় পিরোজপুরের কাউখালীতে ২রা জানুয়ারী (শুক্রবার) কাউখালী দক্ষিণ বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পবিত্র জুমআর নামাজ আদায়ের শেষে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. দ্বীন মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান তালুকদার মামুন সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    জানা যায় উপজেলার প্রতিটি জামে মসজিদে জুময়ার নামাজ শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত এবং তার পরিবারের প্রতি আল্লাহর রহমত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে শোকে বিহ্বল সকল শ্রেণিপেশার মানুষ অশ্রু সিক্ত চোখে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনা পরিচালনা করা হয়।

    দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম মুফতি মাওলানা ইমরান ফরহাদ।

  • কাশ্মীরে শোরগোল (৩য় পর্ব)—- মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    কাশ্মীরে শোরগোল (৩য় পর্ব)—- মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    কাশ্মীরে শোরগোল
    —– মোহাম্মদ হাসানুর রহমান

    তৃতীয় পর্ব
    আগে জম্মু, কাশাীর উপত্যকা এবং লাদাখ তিনটি আলাদা আলাদা প্রশাসনিক অঞ্চল ছিল। হরি সিং ভারতীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভূক্তির উপকরণে স্বাক্ষর করার পর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী এ অঞ্চল নিয়ে ভারত, পাকিস্তানের প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে ভারত, পাকিস্তান, চীন সকলেই এ অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি শক্তিশালী করে এবং এ অঞ্চলে এখন সার্বক্ষণিক যুদ্ধাবস্থা বজায় রয়েছে।
    ১৯৪৯ সালের যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে “জম্মু”, “কাশ্মীর উপত্যকা” এবং “লাদাখ” ভারতের নিয়ন্ত্রনে থাকে অন্যদিকে “আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর” এবং “গিলগিট-বালতিস্তান” পাকিস্তানের আওতাধীন। নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা আজও বজায় আছে। তবে উভয় দেশ মাঝেমধ্যে অখণ্ড কাশ্মীর নিজেদের কব্জায় নেওয়ার উচ্চাকাঙ্খা পোষণ করে। ভূ-রাজনৈতিক কারনে ভারত-পাকিস্তান এ দু’দেশই কাশ্মীরের জনগণের দুঃখ-দুর্দশাকে উপেক্ষা করে এখানে নিজেদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মহড়াস্থল বানিয়ে রেখেছে।
    বর্তমান প্রেক্ষাপটে কাশ্মীরের জনগণের আশা-আকাঙ্খা তাঁদের নিজেদের ইচ্ছের উপর নির্ভর করে না। কাশ্মীরে রাজনৈতিক সমাধানের চেয়ে ভারত ও পাকিস্তান সামরিক উপায়ে কাশ্মীর সমস্যার সমাধানকে বেশি প্রাধান্য দেয়। যে কারনে কাশ্মীরের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ভারত ও পাকিস্তান দু’দেশের কাছেই বরবারই উপেক্ষিত। প্রত্যেকেই ধর্মীয় বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে কাশ্মীরে যুদ্ধাবস্থা বিরাজমান।
    সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম জনগোষ্ঠির আকাঙ্খা ছিল পাকিস্তানের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর জনগণের ইচ্ছের প্রতিফল ঘটে এবং এ এলাকা নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয় না। কিস্তু ভারত নিয়ন্ত্রিত অংশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগণের মতামত অগ্রাহ্য করে ভারতের সাথে জবরদোস্তি অন্তর্ভূক্তির ফলে কাশ্মীর নিয়ে নানামুখী বিতর্ক চলমান আছে এবং সেটা হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল।
    স্থানীয় কাশ্মীর মুসলিম নেতাদের দাবী অনুযায়ী হরি সিং রজ্যের মানুষের কথা সে একটি বারের জন্যও ভাবেননি। মহারাজা হরি সিং এর উচিত ছিল রাজা হিসাবে রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতের মূল্যায়ন করা তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু কাশ্মীরের জনগণের বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা করে সেনাবাহিনী দিয়ে দমন-পীড়ন শুরু করেন। ফলে রাজ্যের মানুষের হরি সিং এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা ছাড়া আর তাঁদের সামনে আর কোনো উপায় ছিল না। রাজার ভূমিকা পালনা না করে তিনি একজন কট্টর হিন্দুত্ববাদী ব্যক্তি হিসাবে নিজেকে ভারতের কাছে সোপার্দ করেছেন এবং ভারতের সাথে বিতর্কিত অন্তর্ভূক্তির উপকরণে স্বাক্ষর করেন। ফলস্বরূপ ভারত সেনা অভিযান পরিচালনা করে জোরজবরদস্তি কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে । হরি সিং প্রকৃত অর্থে কাশ্মীরের জনগণের সাথে প্রতারণা করেছেন।
    যদিও হরি সিং এর পুত্র ডঃ করণ সিং মনে করেন পাকিস্তানের মদদে কাশ্মীরের জনগন বিদ্রোহ করে, যে কারনে তাঁর পিতা ভারতের সাথে অন্তর্ভূক্তির উপকরণে স্বাক্ষর করে এবং কাশ্মীর ভারতের সাথে সম্পৃক্ত হতে বাধ্য হয়েছিল।
    অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবী হরি সিং যখন সংযুক্তি চুক্তি করেছে তখন তাঁর চুক্তি করার কোন অধিকারই ছিল না। সে কারনে পাকিস্তান স্থানীয় কাশ্মীরীদের রক্ষার্থে সমর্থন ও সহায়তা দিতে বাধ্য হয়েছে। পাকিস্তান ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন বন্ধ করার জন্য কাশ্মীরের জনগণকে সহায়তা করেছে। সুতরাং এ নিয়ে পাকিস্তানকে মোটেও সমালোচনা করা যায় না।
    ১৯৪৭ সাল থেকে ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের কাছে জম্মু ও কাশ্মীর গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। জম্মু ও কাশ্মীর বিতর্কের অবসান ঘাটানোর উদ্যোগ হিসাবে জাতিসংঘ গণভোটের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরে ভাগ্য নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়। তবে জাতিসংঘ পূর্বশর্ত হিসাবে প্রথমে পাকিস্তানকে জম্মু ও কাশ্মীর হতে সম্পূর্ণ সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভারতকে আংশিক সৈন্য প্রত্যাহার করতে বলে। ভারতের অনড় দাবী পাকিস্তানকে আগে সম্পূর্ণ সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে তারপর ভারত তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করবে। পাকিস্তানের প্রশ্ন তোলে ভারত কাশ্মীর থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করবে এর নিশ্চয়তা কোথায়। পাকিস্তানের কাছে ভারতের অবস্থান বিশ্বাসযোগ্য না হওয়ায় পাকিস্তান তাদের সম্পূর্ণ সৈন্য প্রত্যাহরে রাজি হয়নি।
    অন্যদিকে জাতিসংঘের তৎকালীন নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি জেনারেল ম্যাকনটেন কাশ্মীর সমস্যার স্থানী সমাধানের জন্য ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশকে একই সাথে সকল সৈন্য প্রত্যাহার করার প্রস্তাবনা দেন। কিন্তু ভারত সরাসরি ম্যাকনটন প্রস্তাবকে প্রত্যাখান করে । এরপর স্যার ওয়েন ডিক্সন এর প্রস্তাবও ভারত মেনে নিতে অস্বীকার করে।
    ডিক্সন মিশনের ব্যর্থতার পর মার্কিন রাষ্ট্রদূত লয় হেন্ডারসনের নিজে কাশ্মীর উপত্যকা ভ্রমণ করেন। সে সময় তিনি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন কাশ্মীরের জনগণকে ভারত বা পাকিস্তানের মধ্যে একটিকে দেশকে বেছে নেওয়ার সুযোগ দিলে কাশ্মীর উপত্যকার বেশিরভাগ মানুষই পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হবার আকাঙ্খা প্রকাশ করেন। তবে তাঁদের তৃতীয় একটা পথ বেছে নেওয়ার সুযোগ দিলে সেটা অবশ্যই কাশ্মীরের জনগণের উত্তর “স্বাধীনতা”।
    অন্যদিকে লাদাখ সংলগ্ন আকসাই চিন বৃহত্তর কাশ্মীরের একটি অংশ যা ১৯৬২ সালে চীন ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধের ফলে চীন দখল করে নেয় এবং ১৯৬৩ সাল হতে চীন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তারপর থেকেই আসকাই চিন সংলগ্ন লাদাখ নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে একটা অস্বস্তিকর অবস্থা বিরাজ করছে। লাদাখ সীমান্তে ভারত এবং চীনের সামরিক উপস্থিতি অনেক বেড়েছে এবং এ অঞ্চলেও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
    —-চলবে

  • কাপ্তাইয়ে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাইয়ে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবান জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার বিকাল ৩রায় বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এ  জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

    জানাজায় ইমামতি করেন কেপিএম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মহিউদ্দিন।

    এসময় বিভিন্ন মসজিদ থেকে আগত সংখ্যাক মুসল্লি স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সর্বস্তরের মানুষ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

    জানাজা নামাজ শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

  • শাহজাদপুরে নবজাতক হত্যার মর্মান্তিক ঘটনা: গলা কেটে টয়লেটে লুকিয়ে রেখে লাশ মাটিচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    শাহজাদপুরে নবজাতক হত্যার মর্মান্তিক ঘটনা: গলা কেটে টয়লেটে লুকিয়ে রেখে লাশ মাটিচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    মোঃ মঈনউদ্দীন মিঠু  ,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় এক নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনায় নবজাতক কন্যাশিশুকে জন্মের পরই গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মা ও নানির বিরুদ্ধে। হত্যার পর শিশুটির লাশ টয়লেটে লুকিয়ে রাখা হয় এবং পরদিন মাটিচাপা দেওয়ার সময় ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

    ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের বাচড়া ভুতের দিয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঐ গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে একই ইউনিয়নের নন্দলালপুর গ্রামের নবী মণ্ডলের ছেলে করীম মণ্ডলের প্রায় এক বছর আগে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনের ছয় মাসের মাথায় পারিবারিক কলহের জেরে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর জান্নাতুল ফেরদৌস বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
    এদিকে করীম মণ্ডল দ্বিতীয় বিয়ে করলে সেই স্ত্রী পরকীয়া সম্পর্কের ঘটনায় গত ২৭ অক্টোবর গ্যাস ট্যাবলেট খাইয়ে তাকে হত্যা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, বিচ্ছেদের পর জান্নাতুল ফেরদৌস করীম মণ্ডলের সন্তানের গর্ভধারণ করলেও বিষয়টি পরিবার গোপন রাখে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জান্নাতুল ফেরদৌস কন্যাসন্তান প্রসব করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সন্তান জন্মের পরপরই জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার মা মিলে নবজাতকের গলা কেটে হত্যা করে লাশ টয়লেটে রেখে দেন। পরদিন ৩১ ডিসেম্বর ভোরে বাড়ির পেছনে লাশ মাটিচাপা দেওয়ার জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    করীম মণ্ডলের পরিবারের সদস্যরা, মা নাজমা বেগম, বাবা নবী মণ্ডল ও বোনজামাই মো. রমজান আলী বলেন, বিচ্ছেদের পরও জান্নাতুল ফেরদৌসের গর্ভে থাকা সন্তানটি ছিল করীম মণ্ডলের একমাত্র স্মৃতি। জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই শিশুটিকে হত্যা করে সেই শেষ স্মৃতিটুকুও নির্মমভাবে মুছে ফেলা হয়েছে।

    এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার সেকেন্ড অফিসার মাহবুব হাসান জানান, ঘটনাটি আমাদের নজরে এসেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের দাবি, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

  • কাপ্তাইয়ে বারি উদ্ভাবিত কফির চাষাবাদ প্রযুক্তি ও প্রক্রিয়াজতকরণ” শীর্ষক কৃষক  প্রশিক্ষণ 

    কাপ্তাইয়ে বারি উদ্ভাবিত কফির চাষাবাদ প্রযুক্তি ও প্রক্রিয়াজতকরণ” শীর্ষক কৃষক  প্রশিক্ষণ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে “বারি উদ্ভাবিত কফির চাষাবাদ প্রযুক্তি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ” শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার সকাল ১০টায় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি)অংগ এর অর্থায়নে এবং পাহাড়ী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র রাইখালী, কাপ্তাইয়ের বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

    রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান এর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন  প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জিয়াউর রহমান (ভারপ্রাপ্ত)পাহাড়ী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র রাইখালী, কাপ্তাই।

    প্রধান অতিথি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ড. মুহাম্মদ আতাউর রহমান, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ), বারি গাজীপুর।

    তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, এরাবিয়ান এবং রোবাস্ট জাতের কফি চাষে যেমন সফলতা পাওয়া যায়, তেমনি এই জাতের কফি চাষে কৃষকদের সচেতন হতে হবে।

    কফি চাষে গাছে পোকার আক্রমণসহ বিবিধ বিষয়ে কৃষকদের  গবেষণা কেন্দ্রের পরামর্শ দেয়া হয়।

    এসময়  বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  মো. মনিরুজ্জামান,উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রাঙামাটি,প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা  ড. মনিরুজ্জামান কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে পাহাড়তলী, বান্দরবান ঊর্ধ্বতন  বৈজ্ঞানিক  কর্মকর্তা  ড. মো. সেলিম।

    এসময় মাঠ পর্যায়ে ৩০জন কৃষক প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করে।

    এর আগে অনুষ্ঠানে শুরুতে প্রয়াত তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া মাহফিল করা হয়।

  • সিরাজগঞ্জের ছয় আসনে ৪৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    সিরাজগঞ্জের ছয় আসনে ৪৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ৪৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। জেলায় মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছিলেন ৫৭ জন প্রার্থী।
    মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন সোমবার জেলা সদর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    সিরাজগঞ্জ-১ আসন (কাজিপুর ও সদর উপজেলার একাংশ) থেকে ৯ জন মনোনয়নপত্র উত্তোলন করলেও জমা দিয়েছেন ৭ জন।
    সিরাজগঞ্জ-২ আসন (সদর ও কামারখন্দ) থেকে মনোনয়নপত্র উত্তোলনকারী ৭ জনের সবাই তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
    সিরাজগঞ্জ-৩ আসন (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) থেকে ৮ জন মনোনয়নপত্র উত্তোলন করলেও দাখিল করেছেন ৫ জন।
    সিরাজগঞ্জ-৪ আসন (উল্লাপাড়া) থেকে ৮ জনের মধ্যে ৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    সিরাজগঞ্জ-৫ আসন (বেলকুচি ও চৌহালী) থেকে ৮ জন মনোনয়নপত্র উত্তোলন করে ৭ জন দাখিল করেছেন।
    সিরাজগঞ্জ-৬ আসন (শাহজাদপুর) থেকে সর্বাধিক ১৭ জন মনোনয়নপত্র উত্তোলন করলেও জমা দিয়েছেন ১৩ জন প্রার্থী।

    জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আমিনুর রহমান মিঞা জানান, সিরাজগঞ্জ জেলার ছয়টি আসনে মনোনয়নপত্র উত্তোলনকারী ৫৭ জনের মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৪৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

  • চন্দ্রঘোনায় সিসিএইচপি এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা

    চন্দ্রঘোনায় সিসিএইচপি এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি: 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগামের(সিসিএইচপি)  আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার  হাসপাতালের সিসিএইচপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    সিসিএইচপি প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমার সভাপতিত্বে এবং কমিউনিটি হেলথ ফেসিলিটেটর উসংবাই এর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ প্রবীর খিয়াং।

    তিনি বলেন, যেকোন দূর্যোগের সময় ৪টি বিষয়ে আমাদের বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। অপরিকল্পিত ভাবে বনায়ন ও বৃক্ষ নিধনের ফলে আমরা প্রকৃতির অনেক ক্ষতি করছি।

    এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  ৩২১ নং রাইখালী মৌজার হেডম্যান উসুয়ে সুয়ে চৌধুরী, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিল ফ্লাওয়ার এর কাপ্তাই উপজেলার সহকারী প্রোগাম ম্যানেজার জেনিফার অজান্তা তনচংগ্যা।

    এসময়  কাপ্তাই উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন,  বিলাইছড়ি উপজেলার কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন, রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা- কদমতলী ইউনিয়ন এর  হেডম্যান, জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়নের গ্রাম উন্নয়ন প্রতিনিধি এবং যুব প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

  • শীতার্ত সাংবাদিকদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ

    শীতার্ত সাংবাদিকদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ

    স্টাফ রিপোর্টার। 

    বৃহত্তর রংপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও এবং সিরাজগঞ্জ জেলার অতিশয় শীতার্ত সাংবাদিকদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফ।

    উত্তরাঞ্চলের ঐ সকল জেলার সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের জন্য কম্বল, সোয়েটার, জ্যাকেট, শিশুদের গরম পোশাক প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ ভূঁইয়াকে টিমের প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    কমিটির অপর সদস্যরা হলেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে রাসেল ও শেখ সবুজ হোসেন রাজা। এ কাজে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং শাখা কমিটির সদস্যরা সহযোগিতা করবেন।

    সংগঠনের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফরের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ইতিপূর্বেও নানা প্রাকৃতিক দূর্যোগে সাংবাদিকদের পাশে ছিলো, ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে,ইনশাআল্লাহ।

  • কাপ্তাইয়ে সু-উচ্চ পাহাড়ের ঢালুতে বল সুন্দরী ও মিস ইন্ডিয়া বড়ই  চাষে কৃষক বাচ্চু’র সফলতার হাঁসি 

    কাপ্তাইয়ে সু-উচ্চ পাহাড়ের ঢালুতে বল সুন্দরী ও মিস ইন্ডিয়া বড়ই  চাষে কৃষক বাচ্চু’র সফলতার হাঁসি 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    সু-উচ্চ পাহাড়ের  ঢালুতে বল সুন্দরী ও মিস ইন্ডিয়া জাতের বড়ই চাষ করে  কৃষক বাচ্চুর সফলতার হাঁসি ফুটেছে । ইতিমধ্যে বাগানের উৎপাদিত  বড়ই বাজারে বিক্রয় করে সফলতা পেতে শুরু করেছে।

    রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলা ৫ নংওয়াগ্গা ইউনিয়ন ১০০নং মৌজার ৯নংওয়ার্ডে বসবাসরত কৃষক এনামুল হক বাচ্চু গত তিন বছর আগে কাপ্তাই -চট্টগ্রাম মহাসড়ক এর পাশে  দুই একর জায়গায়  প্রায় এক থেকে দেড় হাজারফুট  সুউচ্চ পাহাড়ের ঢালুতে শাড়ে পাঁচশ’ চার প্রকার বড়ই চাষ করে। যার মধ্যে বল সুন্দরী, মিস ইন্ডিয়া, নারকিলী কুল ও টককুল বড়ই নামে পরিচিত রয়েছে।

    স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বহু কষ্ট করে পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে বড়ই গাছ রোপণ করে থাকে। যার খরচ হয় চার লাখ টাকারও অধিক। কৃষক এনামুল হক বাচ্চু জানান, এর আগে তাঁর একটা বাগান ছিল সেই বাগান বন্যপ্রাণী হানা দিয়ে ধবংস করে দেয়।এবং অনেক টাকা দেনা ও ঋণের কবলে পড়ে। এখনো সেই ঋণ  টানতে হচ্ছে। বর্তমানে তাঁর অন্য একটি  বাগানে  পাহাড়ে ঢালুতে  বল সুন্দরী, মিস ইন্ডিয়া, নারকিলী কুল ও টককুল চাষ করে।এবং বেশ ভালো ফল হয়েছে বলে তিনি জানান।

    ইতিমধ্যে তাঁর বাগান হতে ২/৩ বার বড়ই তুলে বাজারে বিক্রয় করছ। তাঁর মধ্যে বল সুন্দরী ১৫০টাকা কেজি এবং মিস ইন্ডিয়া ১২০টাকা করে বিক্রয় করছে। তিনি জানান সকল খরচ বাদে আশাকরা যায় বাগানের বড়ই বিক্রয় করে আরও এক লাখ টাকা উপার্জন করা সম্ভব হবে।

    কৃষক বাচ্চু জানান,জামাল নামে একজন কৃষক ২০১৭ সালে প্রথম কাপ্তাই উপজেলায় প্রথম বল সুন্দরী চাষ করে।তাঁর দেখা দেখি আমিও চাষ করি।এবং আমার দেখাদেখি আরও অনেকেই এই জাতের বড়ই চাষে উৎসাহী হয়ে উঠে।

    এনামুল হক বাচ্চু দুঃখ করে জানান, কৃষি বিভাগের নিকট গাছের ভাল মন্দ বিষয়ে  ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করে না। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে এবং সাধারণ ক্রেতারা কমমূল্য ক্রয় করতে পারবে। পাহাড়ের উপর পানি তুলতে  কষ্ট হয়,তিনি কৃষি বিভাগের প্রতি এ বিষয়ে সহযোগিতা ও পরামর্শ চায়। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে সামনে আরও সফলতা অর্জন করতে পারবেন বলে জানান।

    এ বিষয়ে কাপ্তাই উপজেলা কৃষিবিদ আহসান হাবীব জানান,বল সুন্দরী, আপেল কুল,কাস্মীরী আপেল কুল ১৬.৬৫ একর জায়গায় ২৬টি বাগানে এবার ভালো বড়ই এর চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ হতে চাষিদের বাগান পরিস্কার, পোকার আক্রমণে ও সার বিষয়ে বিভিন্ন রকমের সচেতনতামূলক পরামর্শ দিয়েছে বলে জানান।