Blog

  • মিরাজকে আরো সময় দিতে চান ফারুক

    মিরাজকে আরো সময় দিতে চান ফারুক

    খেলাধুলা ডেস্ক: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় নাজমুল হোসেন শান্তকে। পরে ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয় মেহেদী হাসান মিরাজকে। তবে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স ভালো না। টানা দুটি সিরিজে হেরেছে বাংলাদেশ দল। মিরাজের অধীনে ৯ ম্যাচে খেলে বাংলাদেশ মাত্র একটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। বাকি ৮টিতেই হেরেছে টাইগাররা। তবে এমন পারফরম্যান্সের পরও বোর্ডকে পাশে পাচ্ছেন এই অধিনায়ক। বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ প্রশংসা করেছেন মিরাজের মেধার। তাই মিরাজকে নিয়ে তাড়াহুড়ো না করে অন্তত ১-২ বছর সময় দেয়ার পক্ষে তিনি। গণমাধ্যেমের সঙ্গে আলাপকালে ফারুক বলেন, ‘মিরাজের ক্রিকেটীয় মেধা খুব ভালো। এটা প্রথমে বলতে হবে। সে একজন ক্যাপ্টেন ম্যাটেরিয়াল। দল যখন ভালো খেলে না তখন অধিনায়কত্বেরও অনেক ভুল বের হয়। আবার অনেক সময় দল যখন পারফর্ম করতে থাকে তখন কিন্তু অনেক ভুল করলেও পার পেয়ে যায়।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘একজন অধিনায়ককে দায়িত্ব দিয়েই আপনি আশা করবেন মিরাকেল করবে, না। আমি মনে করি একজন অধিনায়ককে অন্তত এক থেকে দুই বছর সময় দেয়া দরকার। তাহলে সেও একটা সময়সীমা সেট করতে পারবে আমার কোন টুর্নামেন্ট আছে, আমি কী চাই, ও সহায়তা করবে নির্বাচকদের। আমার মনে হয় মিরাজ অধিনায়কত্বে খারাপ করবে না বা করছে না। দল যখন আরেকটু ভালো খেলবে অধিনায়কত্ব আরও ভালো লাগবে।’ ফারুক মনে করেন মিডল অর্ডার ব্যাটাররা ছন্দ হারিয়েছেন, ‘আমি মনে করি সাবেক অধিনায়ক হিসেবে মিডল অর্ডার ব্যাটিংটা…এটা আসলে সমালোচনা নয়। কিন্তু মিডল অর্ডারটা নিয়ে আসলে টিম ম্যানেজমেন্টও ঠিক বুঝতে পারছে না কার কী পজিশন, কোথায় কাকে চেষ্টা করব বা কার ভেতর কী আছে। একই সঙ্গে আমাদের কিছু খেলোয়াড় ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে। আপনি জাকের খুব ভালো..ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকেই রান করছিল কিন্তু এখন বাজে সময় যাচ্ছে।’

  • জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের স্মারক লিপি প্রদান

    জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের স্মারক লিপি প্রদান

    সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারী ‘২৬ এ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি, গণভোট আয়োজনসহ কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ৫ দফা দাবিতে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে মিছিল সহকারে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর পিরোজপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খানের কাছে স্মারক লিপি হস্তান্তর করেন।

    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্ধারন করা হয়েছে। রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভয়ভীতিমূক্ত গ্রহনযোগ্য নির্বাচন নতুন বাংলাদেশের অন্যতম দাবী। নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোট কেন্দ্র দখল, পেশি শক্তি প্রদর্শন ও ভোটকেন্দ্রে নানাবিধ অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ এবং দক্ষ সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন বর্তমানে গণ দাবীতে পরিনত হয়েছে। বিগত সরকার বিভিন্ন স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদি পদক্ষেপের মাধ্যমে সংবিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ করে ধ্বংস করেছে। বিরোধী মতে মানুষের উপর জুলুম-নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, হামলা, গ্রেফতার, জেল-জরিমানা, গুম, খুন করে দেশপ্রেমিক মানুষ ও মূক্ত গণমাধ্যমের কন্ঠকে স্তম্ভিত করেছে। দিনের ভোট রাতে নির্বাচনের নামে জাতির সাথে প্রহসন করেছে। বিশ্ববাসীর কাছে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে।

    অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচনের স্বার্থে ফ্যাসিস্টের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সহ নিম্নোক্ত ৫দফা দাবি পেশ করেন-
    ১. আগামী ফেব্রুয়রীতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর গণভোট আয়োজন করা
    ২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা।
    ৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
    ৪. ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
    ৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।

    স্মারকলিপি প্রদানের আগে জেলাপ্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমীর তোফাজ্জল হোসাইন ফরিদ, পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জননেতা শামীম সাঈদী, জেলা সেক্রেটারী মো. জহিরুল হক, জেলা সহকারী সেক্রটারী শেখ আব্দুর রাজ্জাক, পেশাজীবি সংগঠনের সেক্রেটারী ড. আব্দুল্লাহিল মাহমুদ, শিবিরের জেলা সভাপতি মো. এমরান হোসেন প্রমুখ।

    এ সময় জেলা নায়েবে আমীর আব্দুর রব সহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সমাবেশ শেষে জেলা নেতৃবৃন্দ পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্জেন্টিনাকে বিশাল অঙ্কের ঋণ: আসল রহস্য ফাঁস!

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্জেন্টিনাকে বিশাল অঙ্কের ঋণ: আসল রহস্য ফাঁস!

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি আর্জেন্টিনার পাশে দাঁড়াচ্ছে? অর্থনীতির জটিল আবর্তে, এমন প্রশ্ন এখন বিশ্বজুড়ে। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আর্জেন্টিনার জন্য বিশাল অঙ্কের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে। এই সহায়তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক, যা শুধু আমেরিকাতেই নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    জানা গেছে, প্রায় ২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি) প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সহায়তা মূলত একটি কারেন্সি সোয়াপ চুক্তির মাধ্যমে দেওয়া হবে, যেখানে আর্জেন্টিনা তাদের স্থানীয় মুদ্রা ডলারের সঙ্গে বিনিময় করতে পারবে।

    এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল আর্জেন্টিনার আর্থিক বাজারকে স্থিতিশীল করা।

    কিন্তু কেন এই সহায়তা? আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট, হাভিয়ের মিলেই, যিনি এক সময় “চেইনসো হাতে” উদারনীতিবাদের পক্ষে কথা বলেছিলেন, তার সরকার দেশটির অর্থনীতি সংস্কারের চেষ্টা করছে।

    মিলেইয়ের দল গত মাসে নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যায়, যার ফলস্বরূপ দেশটির মুদ্রার দরপতন হয়। এমন পরিস্থিতিতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, আর্জেন্টিনার এই সংকট দ্রুত সমাধান করা না হলে তা অন্যান্য দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

    এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, আর্জেন্টিনা যদি চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগের কারণ হবে।

    তবে এই সহায়তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সমালোচকদের মতে, এই সহায়তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের অভিযোগ, ট্রাম্প তাঁর ঘনিষ্ঠ মিত্রকে সুবিধা পাইয়ে দিতে চাইছেন।

    এমনকি, এই সহায়তার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকরাও। কারণ, আর্জেন্টিনার বাজার থেকে মার্কিন সয়াবিনের আমদানি কমে যেতে পারে, যা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধের ফলস্বরূপ।

    আর্থিক সহায়তার এই সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। বর্তমানে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কাজকর্ম বন্ধ রয়েছে, যার ফলে বহু সরকারি কর্মচারী বেতন ছাড়াই কাজ করছেন।

    এমন পরিস্থিতিতে, বিদেশের একটি দেশকে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ সাহায্য করা কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    অন্যদিকে, মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই সহায়তা আমেরিকার কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তাদের মতে, এর মাধ্যমে তারা পশ্চিমা গোলার্ধে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চাইছে।

    তবে এই বিতর্কের জল কতদূর গড়ায়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    তথ্য সূত্র: সিএনএন