Blog

  • ফেনী জেলা সিএনজি মালিক সমিতির আত্মপ্রকাশ

    ফেনী জেলা সিএনজি মালিক সমিতির আত্মপ্রকাশ

    আবুল হাসনাত তুহিন ফেনী:-

    ফেনী জেলার পরিবহন ব্যবসার বড় শিল্প এবং অন্যতম গণপরিবহন সিএনজি অটোরিকশার প্রকৃত মালিকদের নিয়ে প্রথমবার আত্মপ্রকাশ করলো ” সিএনজি মালিক সমিতি। সভাপতি মওদুদ আহম্মদ রনি, সাধারণ সম্পাদক দীন ইসলাম।

    বুধবার দুপুরে রৌশন কমিউনিটি সেন্টারে জেলার সিএনজি মালিকদের উপস্থিতিতে কোষাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ মিয়াজির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কমিটির উপদেষ্টা ও নির্বাহী সদস্য নজির আহম্মদ রতন, সভাপতি মওদুদ আহম্মদ রনি, সাধারণ সম্পাদক দীন ইসলাম, সিনিয়র সহ সভাপতি জাকের হোসেন স্বপন।
    সঞ্চালনায় ছিলেন দপ্তর সম্পাদক আলাউদ্দিন রুমন। কমিটির নের্তৃবৃন্দ তাদের বক্তব্য বলেন, এই সমিতি সম্পুর্ন অরাজনৈতিক । মালিকদের অধিকার সংরক্ষণই প্রধান লক্ষ্য । শ্রমিক সংগঠনের মতো রাস্তায় দাঁড়িয়ে কোনো চাঁদা আদায় হবে না , বরং চাঁদাবাজি বন্ধে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে । সিএনজির স্থায়ী স্ট্যান্ডের দাবিসহ যানজট নিরসনে প্রশাসনকে সহযোগিতা, প্রয়োজনে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় মহিপাল, ট্রাংক রোড, সদর হাসপাতাল মোড়ে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে লাইনম্যান নিয়োগ করা হবে । পরিচিতি সভায় জেলার দুই শতাধিক মালিক উপস্থিত ছিলেন ।

    সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মওদুদ আহম্মদ রনি কে সভাপতি ও দীন ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয় । ৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ সভাপতি জাকের হোসেন স্বপন, মো. মির হোসেন, মো.গোলাম আযম, সহ সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম সুমন, ফজলুল হক, খুরশিদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.হুমায়ুন কবির, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মির হোসেন মানিক, প্রচার সম্পাদক আবু আহাম্মদ, সহ প্রচার সম্পাদক মো.আলাউদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক আলাউদ্দিন রুমন, সহ দপ্তর সম্পাদক আনোয়ার উল্ল্যাহ, কোষাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ মিয়াজি, সহ কোষাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম মাইনউদ্দিন।

  • স্ক্রিন প্রিন্ট শিখে স্বনির্ভর হোন–ফারজানা শারমিন

    স্ক্রিন প্রিন্ট শিখে স্বনির্ভর হোন–ফারজানা শারমিন

    ফারজানা শারমিন:

    যেসব মানুষ বেকারত্ব দুর করে স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে সাবলম্বী হতে চান বা স্বনির্ভর হতে চান তারা স্ক্রিনপ্রিন্ট শিখে সাবলম্বী হতে পারেন।

    ঘরে বসে মহিলারা ও স্ক্রিনপ্রিন্টের সামগ্রী ক্রয় করে, স্ক্রিনপ্রিন্টের ব্যবসা করে সাবলম্বী হতে পারেন। কারণ স্ক্রিনপ্রিন্ট ও ব্লকপ্রিন্ট, বাটিক টাই ডাইয়ের মত কাপড়
    ছাপানোর একটি প্রাচীন এবং জনপ্রিয় পদ্ধতি । বর্তমানে ও স্ক্রিনপ্রিন্টের জনপ্রিয়তার কোন কমতি নেই । ভবিষ্যতেও এর জনপ্রিয়তা কখনই কমবেনা।শুধু
    কাপড়ে প্রিন্ট করার কাজেই নয় ,কাগজ, ব্রোশিয়ার, ব্যাজ , সিরামিকসের মগ, প্লেট, টিস্যু ব্যাগে, গ্লাস,শোপিসে কোন কিছু ছাপানোর জন্য ও স্ক্রিনপ্রিন্ট
    করা যায়।

    স্ক্রিনপ্রিন্টের জন্য যেসব সামগ্রী লাগবে :

    স্ক্রিনপ্রিন্টের জন্য লাগবে কাঠ বা এ্যালুমিনিয়ামের ফ্রেম, স্ক্রিন গ্লাস, ম্যাশ কাপড়, ট্রেসিং পেপার, রাবার , নিউটেক্স, অক্সেল, ছোট সিলিন্ডার , ইন্ক
    রিডিউসার, পীড়া, কব্জা, কালি,পেরেক, ব্রাশ, বাইন্ডার, নাইলন পিকচার, সিসিএল, এনকে ফান্ডার, এম ৫০, প্লাষ্টিক ডিজাইন সেট, রেডি টেবিল,
    বিভিন্ন কালারের তরল রং, ডায়ার যন্ত্র । এক্ষেত্রে ব্রোশিয়ার, ব্যাজ , মগ,গ্লাস প্লেটে স্ক্রিনপ্রিন্টের জন্য আলাদা স্ক্রিনপ্রিন্ট ডিভাইস ও ব্যবহার করা যায় ।

    যেভাবে স্ক্রিনপ্রিন্ট করতে হবে:

    প্রিন্টিংয়ের আকার ও মাপ অনুযায়ী স্ক্রিন্ট প্রিন্টিংয়ের জন্য চারকোনা ফ্রেমে কাপড়ের মত দেখতে স্ক্রিনটিকে টানটান করে সমানভাবে লাগিয়ে রাখতে
    হবে। যে রং ব্যবহার করা হবে রংকে ইংক রিডিউসার দিয়ে পাতলা করে নিতে হবে, দীর্ঘক্ষণ নাড়া চাড়া করে । এরপর রং ফ্রেমে ঢেলে নিতে হবে।
    এরপরে ড্রায়ারের মাধ্যমে শুকিয়ে নিতে হবে। অন্ধকারে শুকাতে হবে। কাঠের বড় পিড়ির উপর স্ক্রিন প্রিন্টের মাপ অনুযায়ী ফোম রেখে নিতে হবে।
    এর উপর রং করা ম্যাশ কাপড়ের ফ্রেমটি রাখতে হবে। বিশেষ ডিজাইন করা ট্রেসিং পেপার উল্টিয়ে দিয়ে কসটেপ দিয়ে আটকিয়ে দিতে হবে। এর উপর
    গ্লাস বসিয়ে দিতে হবে। দুটো ক্লাম দয়ে আটকে দিতে হবে। স্ক্রিন উঠানোর জন্য ক্যামেরা বসানো যায় । অথবা আরো সহজতম উপায়ে স্ক্রিন উঠানোর
    জন্য লাইটার ভালভ দিয়ে ২ মিনিট হিট দিতে হবে। কাঁচটি গরম হয়ে উঠলে ক্লামগুলো খুলে ট্রেসিং পেপারগুলো তুলে রং লাগানো ফ্রেমগুলো স্বাভাবিক
    পানি দিয়ে ধুতে হবে।পরে স্প্রে গ্যালনে স্বাভাবিক পানি ভরে স্প্রে করতে হবে। এতে স্ক্রিনটি পরিস্কার ভাবে বোঝা যাবে। এরপরে শুকনো ভাল কাপড় দিয়ে
    পানি মুছতে হবে আস্তে আস্তে। এভাবে বিয়ের কার্ড , কাগজ, কাপড় , মগ , প্লেটে খুব সহজে স্ক্রিনপ্রিন্ট করা যায়। ডিজাইন ও রুচি অনুযায়ী রং ভিন্ন
    ভিন্ন হবে।

    কোথায় পাওয়া যাবে স্ক্রিনপ্রিন্টের সামগ্রী :

    পুরোনো ঢাকার নবাবপুর, কাঁটাবন, আজিজ সুপার মার্কেট ,মিরপুর, নিউমার্কেট, পুরানা পল্টন, ইসলামপুর,লোকাল হার্ডওয়্যার ও ক্যামিক্যালের দোকান
    ,স্ক্রি প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ দেয় এমন প্রশিক্ষন কেন্দ্র , ক্রেতাদেরকে স্ক্রিন প্রিন্টিং সেবা দেয় এরকম বিভিন্ন দোকান , অনলাইনে স্ক্রিনপ্রিন্ট সামগ্রী বিক্রি করে
    এমন প্রতিষ্ঠানে অনলাইন অর্ডার দিয়ে ও স্ক্রিনপ্রিন্ট সামগ্রী ঘরে বসে ক্রয় করা যাবে।

    স্ক্রিন প্রিন্ট প্রশিক্ষণ।

    হাতে কলমে দক্ষ কারো কাছ থেকে স্ক্রিন প্রিন্টের কাজ শিখে নিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। স্ক্রিন প্রিন্টের উপকরন সামগ্রী সহ বিভিন্ন সামগ্রী যারা
    বিক্রি করে তাদের কাছ থেকেও হাতে কলমে (ফ্রি ভাবে অথবা কিছু টাকা দিয়ে) স্ক্রিনপ্রিন্টের কাজ শিখে নিলে এই ব্যবসায় অনেক ভাল করা যাবে।
    কোন ভালো সরকারী -বেসরকারী প্রতিষ্ঠান হতে স্ক্রিনপ্রিন্ট শিখে, স্ক্রিনপ্রিন্টের বিজনেস শুরু করলে ভাল করার সম্ভাবনা বেশি । বাংলাদেশ ক্ষুদ্রও কুটির
    শিল্প প্রতিষ্ঠান (বিসিক) , আল ইসলাম জহুরী‌‍য়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র , জয়িতা ফাউন্ডেশন, স্ক্রিন প্রিন্ট ও প্রশিক্ষণ সেবা সহ বিভিন্ন অনলাইন অফলাইন
    সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান হতে স্ক্রিনপ্রিন্ট শিখতে পারেন । এক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ফি বাবদ খরচ লাগতে পারে ১০০০-৩০০০ টাকা।

    স্ক্রিনপ্রিন্টের ব্যবসায় খরচ এবং মুনাফা।

    স্ক্রিনপ্রিন্টের জন্য পাইকারী রেটে এক কালারের প্রতিটি গ্যাঞ্জি,টি শার্টের দাম ১০০ -১৩০ টাকা , টিস্যু ব্যাগের পাইকারী দাম ৩ টাকা – ৮ টাকায় ,
    শিশুদের ফ্রক,
    গ্যাঞ্জি সেট সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবি, শাড়ির জন্য এক কালারের কাপড় কিনতে পারেন যার দাম প্রতি গজ ৮০- ১২০ টাকা হতে পারে।ব্যানারের জন্য পাইকারী দরে
    প্রতি গজ কাপড় ১৮-২৫ টাকায় কিনতে পারেন।বিভিন্ন কালারের মগ পাইকারী হারে কিনতে ৪৫-৬০ টাকা খরচ হবে একটি মগের জন্য । পাইকারি হারে সিরামিকস বাটি
    কিনতে ৫০-১৫০ টাকা লাগতে পারে ।

    এক্ষেত্রে প্রতি মাসে বিভিন্ন কালারের গ্যাঞ্জি,টি শার্ট বিক্রি করে ৩০০-৫০০ টাকা ইনকাম করতে পারবে । শাড়ি , সালোয়ার কামিজ বিক্রি করে ২৫০ -১৫০০ টাকা মুনাফা
    করতে পারবে । পাঞ্জাবি বিক্রি করে ২৫০- ১০০০ টাকা মুনাফা করতে পারবে । স্ক্রিনপ্রিন্টকৃত ব্যানার বিক্রি করে ৪০০-৬০০ টাকা মুনাফা করতে
    পরেবে। স্ক্রিনপ্রিন্টকৃত মগ , প্লেট বিক্রি করে ৯০-৫০০ টাকা মুনাফা করতে পারে।

    স্ক্রিনপ্রিন্টের পরে বাজারে নতুন বিক্রেতা হিসেবে বাজার ধরে রাখতে জামা কাপড়, মগ, বাটি সহ সব পন্যের দাম অন্যান্য প্রতিষ্ঠিত অনলাইন বিক্রেতাদের সমপর্যায়ে
    অথবা কম রাখতে হবে। অস্বাভাবিক মুনাফা করার জন্য অনলাইন ক্রেতাদের কাছ হতে বেশি দাম চাওয়া যাবেনা। বরং ক্রেতা ধরে রাখতে বিক্রিত অনলাইন পন্যের সাথে কিছু গিফট রাখা যেতে পারে যেমন -চাবির রিং, কলম ইত্যাদি । তবে স্ক্রিনপ্রিন্ট কৃত পণ্যের মান খুব ভাল করার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। নইলে অনলাইন স্ক্রিনট্রিন্ট ব্যবসায় খুব উন্নতি করা যাবেনা।

    নবাবপুরে অবস্থিত এম এম এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী নজরুল ঘরে বসে স্ক্রিনপ্রিন্ট ব্যবসা প্রসঙ্গে বলেন- আপনারা স্ক্রিনপ্রিন্ট শিখে অনলাইনে
    স্ক্রিনপ্রিন্টের পন্য বিক্রির পাশাপাশি স্থানীয় স্ক্রিনপ্রিন্টের পন্য যেসব দোকানে বিক্রি হয় সেসব দোকানে কথা বলে পাইকারী দরে বিক্রি করে আয় করতে
    পারেন। ক্রেতারা যখন স্ক্রিনপ্রিন্টের কাজের অর্ডার দেয় তখন একটা দুটো কাজের অর্ডার কম দেয় ,বেশির ভাগ সময় পাইকারী রেটে বেশি পন্যের
    অর্ডার দেয় । এক্ষেত্রে পন্য ক্রয় করে দিয়ে যদি আপনাকে শুধু স্ক্রিনপ্রিন্ট করার জন্য অর্ডার দেয় পণ্যের আকার অনুযায়ী প্রতি পন্যের জন্য ৩০
    টাকা করে রাখবেন।

    কিরকম মাসিক মুনাফা হতে পারে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন – স্ক্রিনপ্রিন্ট ব্যবসায় মাসে ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার
    টাকা ইনকাম করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ২০ হাজার হতে ৪০ হাজার মুনাফা হতে পারে।

  • বিভেদ নয়, ঐক্য চাই-স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে চাই : মাসুদ সাঈদী

    বিভেদ নয়, ঐক্য চাই-স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে চাই : মাসুদ সাঈদী

    এম এ নকিব নাছরুল্লাহ্, পিরোজপুর:

    পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেছেন, আজ আমরা এমন এক বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে আছি, যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘ ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে সবচেয়ে ভয়াবহ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে। গত ১৬ বছর আমরা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছি। তিনি বলেন, আমরা কেউ জামায়াত, কেউ বিএনপি, কেউ অন্য কোনো ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক শক্তির কর্মী-তবে আমাদের লক্ষ্য একটাই, জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করা স্বাধীন বাংলাদেশ গড়া। মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, দীর্ঘ সময়ে আমরা দেখেছি, কিভাবে শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী মতের মানুষের ওপর নির্যাতন, গুম-খুন ও মামলা চালিয়ে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। দেশের শীর্ষ আলেমদের অন্যায়ভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে এসব জুলুমের পরও আমরা দমে যাইনি; বরং আরও দৃঢ় ও ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। তিনি সতর্ক করে বলেন, যখন ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘনিয়ে এসেছে, তখন আমাদের ভেতরে বিভেদ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চলছে। এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সাবেক চেয়ারম্যান বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা ও মতভেদ গণতান্ত্রিক রাজনীতির সৌন্দর্য। কিন্তু সেই সমালোচনা যেন আমাদের ঐক্যকে দুর্বল না করে। যদি আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিই, দলীয় স্বার্থকে জাতীয় স্বার্থের উপরে স্থান দিই-তাহলে আমরা শত্রুরই স্বার্থ পূরণ করব। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক শক্তি একই পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ থাকুক, যেন শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়।

    মাসুদ সাঈদী বলেন, স্বপ্নের বাংলাদেশ হবে এমন এক দেশ, যেখানে মানুষ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে, ভিন্নমতের জন্য নির্যাতিত হবে না; যেখানে দুর্নীতির বদলে থাকবে ইনসাফ, অপশাসনের বদলে থাকবে সুশাসন, স্বৈরাচারের বদলে থাকবে গণতন্ত্র। জনগণের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক সরকারই হবে আমাদের লক্ষ্য। তিনি আরো বলেন, তাই আজ আমাদের অঙ্গীকার হোক-বিভেদ নয়, ঐক্য চাই। আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তি একসাথে ছিলাম, আছি এবং থাকব, যতদিন না এই দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের শেষ চিহ্ন মুছে ফেলা যায়। ঐক্যই আমাদের শক্তি, আর এই শক্তিই আগামী দিনের পরিবর্তনের চালিকা শক্তি হবে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পিরোজপুর জেলা শাখার নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রব, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সিদ্দিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা আমীর মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, শারিকতলা-ডুমুরীতলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল খান, ইউপি সদস্য ময়না বেগম, শিরিন আক্তার, তপন কুমার সাহা, ইউনিয়ন জামায়াত আমীর ওমর ফারুক, যুবনেতা মুবাশশির সানি, জাকারিয়া হোসেন, মামুন হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

    সভাটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার সকালে শারিকতলা-ডুমুরীতলা ইউনিয়ন পরিষদ অডিটোরিয়ামে, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহনাজ পারভিনের সভাপতিত্বে ও ইউপি সচিব সুমন শিকদারের সঞ্চালনায়।

  • কাপ্তাই আইডিইবির নতুন সভাপতি ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুল আলী নির্বাচিত

    কাপ্তাই আইডিইবির নতুন সভাপতি ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুল আলী নির্বাচিত

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি), কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সম্মেলনে সদস্য প্রকৌশলীদের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর)সন্ধ্যা ৭টায় আইডিইবির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    ইঞ্জিনিয়ার আবদুল আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আইডিইবি, জেনিক কাপ্তাই এর সঞ্চালনায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন সম্মেলনের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রহমত উল্লাহ।

    উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি।

    প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ  রূপক কান্তি বিশ্বাস।  এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিদায়ী কমিটির সভাপতি  আবদুল লতিফ ও সহ-সভাপতি জনাব শওকত আলী।

    বক্তারা আইডিইবির গৌরবময় সংগ্রামী ইতিহাস, পেশাজীবী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের অধিকার আদায়ে সংগঠনের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    সম্মেলনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি হিসাবে ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি এবং সাধারণ সম্পাদক  ইঞ্জিনিয়ার আবদুল আলী নির্বাচিত হন।

    মোট ২১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিতে পিডিবি, পিজিসিবি, কেপিএম, বিএসপিআইসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পেশাজীবী প্রকৌশলীরা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

  • মাদারীপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী দীপ্তি হত্যা মামলায় ইজিবাইকচালক সাজ্জাদের ফাঁসি

    মাদারীপুরে মাদ্রাসা ছাত্রী দীপ্তি হত্যা মামলায় ইজিবাইকচালক সাজ্জাদের ফাঁসি

    (মাদারীপুর থেকে গোলাম আজম ইরাদ)।

    মাদারীপুরের আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী দীপ্তি (১৫) ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি ইজিবাইক চালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খানকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাদারীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ এ এম রেজা জাকের এ রায় ঘোষণা করেন।

    আসামি সাজ্জাদ সদর উপজেলার পূর্ব খাগদী এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পূর্বে শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা ভোগের পর ২০১১ সালে মুক্তি পান।

    ২০১৯ সালের ১৩ জুলাই দীপ্তির মরদেহ পূর্ব খাগদীর এক পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের তদন্তে জানা যায়, বৃষ্টির দিনে দীপ্তিকে ইজিবাইকে তুলে ধর্ষণের পর হত্যা করে সাজ্জাদ। পরে মরদেহ ইটে বেঁধে পুকুরে ফেলে দেয়।

    দীপ্তি বলাইরচর শামসুন্নাহার বালিকা মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। মামলায় আদালত সাজ্জাদকে ফাঁসির পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাডভোকেট শরীফ সাইফুল কবীর বলেন, দীপ্তির হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে—আমরা ন্যায়বিচারে সন্তুষ্ট।

  • জেলা নির্বাহী কমিটি সম্মেলন ২৫ আইডিইবি কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলা

    জেলা নির্বাহী কমিটি সম্মেলন ২৫ আইডিইবি কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলা, নির্বাহী  সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় আইডিইবি’র কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলা অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলন  হয়েছে।

    আইডিইবি যুগ্ন-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আলীর সঞ্চালনায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেনিক কাপ্তাই সহ-সভাপতি ও আহবায়ক সম্মেলন কমিটির ইঞ্জিনিয়ার রহমত উল্লাহ।

    প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রূপক কান্তি  বিশ্বাস।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইডিইবি কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ইমাম ফখর উদ্দিন রাজী।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিদায়ী কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ ও কাপ্তাই সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি শওকত আলী।

    বক্তারা বলেন,১৯৯৮সাল হতে আইডিইবি’র সংগ্রাম আন্দোলন হয়ে আসছে। দেশ-বিদেশে আইডিইবি’র সকল সদস্যরা উন্নয়ন রোল মডেল হিসাবে কর্মরত আছে।আমাদের অনেক চাওয়া ও পাওয়া আছে।সকল আইডিইবির সদস্য দেশ উন্নয়নে একযোগে কাজ করার আহবান জানানো হয়।

    এসময় সকল আইডিইবির জেলা নির্বাহী কমিটির সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আগামি ২০২৬-২০২৮ সাল পর্যন্ত ২১সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়।এসময় আইডিইবির সকল সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • রাইখালীর দূর্গম ভালুকিয়ায় ফ্রি ব্লাড ক্যাম্পিং

    রাইখালীর দূর্গম ভালুকিয়ায় ফ্রি ব্লাড ক্যাম্পিং

    কাপ্তাই ( রাঙামাটি)  প্রতিনিধি: 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার  রাইখালী ইউনিয়নের  দূর্গম ভালুকিয়ায় ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মৈত্রী বন্ধন মানবিক ব্লাড ব্যাংক  এর উদ্যোগে ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ও রক্তদানে উদ্বুদ্ধকরণ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

    সোমবার (২০ অক্টোবর)  ভালুকিয়া লুম্বিনী বৌদ্ধ বিহারের ২২ তম দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন উপলক্ষে বিহার প্রাঙ্গনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। কমি গ্রামে রক্তদানের কার্যক্রমকে শহর থেকে গ্রামের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এ ক্যাম্পেইন  অনুষ্ঠিত হয়।

    ভালুকিয়া যুব সমাজের আর্থিক সহযোগিতায় এসময় ৩শ’ লোকজনের মধ্যে ফ্রি ব্লাড টেস্ট করা হয়।

    এসময় ফ্রি ব্লাড ক্যাম্পিং এর শুভ উদ্বোধন করেন মৈত্রী বন্ধন মানবিক ব্লাড ব্যাংক’র উপদেষ্টা,ত্রিরত্ন ভিক্ষু এসোসিয়েশন বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক ভদন্ত সত্যপ্রিয় মহাথের।

    এসময় মৈত্রী বন্ধন মানবিক ব্লাড ব্যাংক’র উপদেষ্টা  অমল বিকাশ তনচংগ্যা,ভালুকিয়া লুম্বিনী বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক  মায়াধন তনচংগ্যা, থোয়াইসাপ্রুুসহ  মৈত্রী বন্ধন মানবিক ব্লাড ব্যাংক’র সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

  • পিরোজপুর-০৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে বিএনপি নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রার্থী দেখতে চান জাকির গাজীকে

    পিরোজপুর-০৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে বিএনপি নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রার্থী দেখতে চান জাকির গাজীকে

    পিরোজপুর প্রতিনিধি :

    পিরোজপুর জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য ও মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান জাকির মঠবাড়িয়ার রাজনৈতিক পরিসরে শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে পাশে রেখেছেন।

    স্থানীয় নেতা কর্মীরা জানান, ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের দায়েরকৃত একটি মামলার আসামী হলেও, জনকল্যাণমূলক ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে তার পদচারণা থেমে যায়নি। তিনি মঠবাড়িয়া থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় শত শত নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন। দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায়, জাকির গাজী মঠবাড়িয়ায় ১০,০০০ বনজ ও ফলজ গাছের চারা রোপণ, খেটে খাওয়া গাড়ি চালকদের জন্য পৌর টোল নিজ অর্থায়নে প্রদান, এবং দরিদ্রদের জন্য বার্ষিক ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন।

    মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিক বাদল বলেন, “মঠবাড়িয়া সংসদীয় আসন পুনরুদ্ধারের জন্য দরকার একজন ক্লিন ইমেজের নেতা। জাকির গাজী সেই নেতার সব বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছেন। তিনি পরোপকারী এবং মঠবাড়িয়াবাসীর কল্যাণে নিবেদিত।”

    স্থানীয় নেতা ও সমর্থকরা জানান, “বিগত আন্দোলনে তার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। মনোনয়ন পেলেই ধানের শীষ বিজয় নিশ্চিত।

    মঠবাড়িয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা বলেন, “জাকির গাজীর নেতৃত্বে আমরা রাজপথে সফল আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। মনোনয়ন পেলে উন্নত মঠবাড়িয়া গড়ার কাজ শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।”

    মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুন মিয়া বলেন, “৫ই আগস্টের পরও তিনি নিজ অর্থায়নে টোলমুক্তি, বনায়ন কর্মসূচি ও দরিদ্রদের মধ্যে উপহার বিতরণ করেছেন। তার মনোনয়ন মানেই মঠবাড়িয়ায় ধানের শীষ বিজয় নিশ্চিত।”

    জানা গেছে, জাকির গাজী পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় ব্যাপক কর্মসূচি ও প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। মঠবাড়িয়ার নেতাকর্মীরা তার নেতৃত্বে দৃঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং বিজয়ের আশায় উদ্দীপ্ত।

    বিএনপি নেতা গাজী ওয়াহিদুজ্জামান জাকির বলেন, দলের দুর্দিনে দলের পক্ষে মাঠে থেকে কাজ করেছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর- ৩ (মঠবাড়ীয়া) আসনে দল যাকে মনোনয়ন দেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে কাজ করব।

  • কাউখালীতে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি পারভেজ মহাজন গ্রেফতার

    কাউখালীতে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি পারভেজ মহাজন গ্রেফতার

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে  মাদক সম্রাট পারভেজ মহাজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে ঢাকা জেলা পুলিশের সহায়তায় কাউখালী থানার এএসআই মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে ৪টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি দুর্ধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী কাউখালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের আসপদ্দি গ্রামের ফোরকান মহাজনের ছেলে পারভেজ মহাজন (৩৮)কে গ্রেফতার করে রাতেই কাউখালী থানায় নিয়ে আসে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) আসামি পারভেজকে পিরোজপুর কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
    কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সোলায়মান জানান, কাউখালী থানার এএসআই মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা পুলিশের সহায়তায় আসামি পারভেজ মহাজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে ৩টি মাদক মামলা ও একটি নারী শিশু নির্যাতনে মামলা রয়েছে। মঙ্গলবার আসামিকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • পিরোজপুরে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পাঁচটি দোকান

    পিরোজপুরে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে পাঁচটি দোকান

    পিরোজপুর প্রতিনিধি :

    পিরোজপুর পৌরসভাধীন ০৯ নং ওয়ার্ডের বাইপাস রানীপুর এলাকায় রোববার (১৯ অক্টোবর) রাতে আগুনে পাঁচটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে বাইপাস রানীপুর বাজারের দোকানগুলোতে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়রা আগুন দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তাদের এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

    অগ্নিকাণ্ডে একটি মোদি মনোহরি দোকান, একটি স্বর্ণের দোকান, একটি পোল্টি মুরগি ও মুরগির খাবারের দোকান এবং একটি ফার্নিচারের দোকান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়। ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন ইনচার্জ যুগল বিশ্বাস জানান, আগুনের কারণ হিসেবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে।

    দূর্ঘটনার খবর শোনামাত্রই পৃথক পৃথক সময়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পিরোজপুর এর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান,পিরোজপুর এর পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের,বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন,পিরোজপুর পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ সরোয়ার হোসেন হাওলাদার,পিরোজপুর ১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদি।