Category: আইন/আদালত

  • সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস হত্যা; মূল আসামীকে খালাস দেওয়ায় ক্ষুব্ধ মা

    সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস হত্যা; মূল আসামীকে খালাস দেওয়ায় ক্ষুব্ধ মা

    রংপুর প্রতিনিধি।

    রংপুরে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মশিউর রহমান ওরফে উৎস রহমান হত্যা মামলায় ১১ বছর পর পলাতক একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন। তবে এ রায়ে খুশি হতে পারেননি সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎসের মা নুর জাহান বেগম। তিনি মামলার সকল আসামীদের মৃত্যুদন্ড কামনা করে উচ্চ আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

    এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ রায়ের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। তিনি বলেন, বহুল আলোচিত রংপুরের সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস হত্যাকান্ডে চার্জশীটভুক্ত সকল আসামীর মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিত ছিল। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তৎকালীন সময়ে ঢাকা, রংপুর সহ সারাদেশে সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ সমাবেশ করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছিলেন। কিন্তু এ রায়ে মুল আসামী জহিরন আক্তার জুঁইকে খালাস দেওয়ায় আমরা খুশি হতে পারিনি। মাদককারবারি জুঁইয়ের পরিকল্পনা ও অর্থায়নে ভাড়াটে খুনিদের দ্বারা সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎসকে হত্যা করা হয়। উচ্চ আদালতে মামলাটি পরিচালিত হলে আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে আইনগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছি।

    এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন রুবেল হেমরম। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন এলিন ও শুভ কুমার। দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই পলাতক রয়েছেন। একই মামলায় মূল অভিযুক্ত জহিরন আক্তার জুঁই ওরফে গেদিসহ অন্য আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদী বেলাল।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় রংপুরের স্থানীয় দৈনিক যুগের আলো কার্যালয়ে যান পত্রিকাটির স্টাফ রিপোর্টার মশিউর রহমান ওরফে উৎস রহমান। ওই রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকালে নগরীর ধর্মদাস এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
    এ ঘটনায় নিহতের মা নুরজাহান বেগম নুরী রংপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। পরে আদালত ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

    দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে চলা বিচারপ্রক্রিয়ায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে বুধবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
    রায় ঘোষণার পর আদালতের বারান্দায় কান্নায় ভেঙে পড়েন মামলার বাদী ও নিহত সাংবাদিক উৎস রহমানের মা নুরজাহান বেগম। তিনি বলেন, ‘ন্যায় বিচার পাইলাম না। আমি এতদিন আদালতে ঘুরি, কিন্তু ন্যায়বিচার হইল না।’

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হাদী বেলাল ও বাদীপক্ষের আইনজীবী পলাশ কান্তি নাগ বলেন, ‘মামলার অভিযোগ অনুযায়ী জহিরন আক্তার জুঁই ওরফে গেদি ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে সাংবাদিক উৎস রহমানকে হত্যার পরিকল্পনা ও অর্থায়ন করেছিলেন। অথচ আদালত মামলার মূল অভিযুক্তকে খালাস দিয়েছেন।’

    তারা বলেন, ‘এই রায়ে আমরা আইনজীবীসহ নিহতের পরিবার সংক্ষুব্ধ। এ মামলার বিষয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা যদি পার পেয়ে যায়, তাহলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা আরও বাড়বে।’

    এদিকে একমাত্র পুত্র উৎসকে হারিয়ে এবং পুত্রের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বিপাকে মা নুর জাহান বেগম। তিনি চেয়েছিলেন পুত্র হত্যাকারীদের বিচার নিজ চোখে দেখে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবেন। কিন্তু এখন তা হবে কি-না সন্দেহ মা নুর জাহানের। তিনি প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলাটির সঠিক বিচার দাবি করেন।

  • কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর হামলায় আটক-১

    কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর হামলায় আটক-১

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে সরকারি দায়িত্ব পালনকালে নৌ পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
    ১৯শে আগস্ট(বুধবার) দুপুর পৌনে দুইটার দিকে উপজেলার ২ নং আমরাজুড়ি ইউনিয়নের কুমিয়ান এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ পন্টুন সংলগ্ন গোপাল স্টোরের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
    এ সময় এক পুলিশ কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত ও ইট দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধারে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পরিদর্শকসহ আরও পাঁচ পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়,সন্ধ্যা নদীতে নিয়মিত টহল শেষে নৌ পুলিশের একটি দল ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট এলাকায় ফুট পেট্রোল করছিল। এ সময় একই এলাকার মোঃ কালাম ব্যাপারীর পুত্র মোঃ শান্ত(২২), পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে গালিগালাজ করতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা তার এ অশোভন আচরণের কারণ জানতে চাইলে তৎক্ষনাত সে পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

    খবর পেয়ে কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে শান্তকে শান্ত করার চেষ্টা করলে এ সময় শান্ত ও তার সহযোগীরা বাঁশের লাঠি,ইট ও ধারালো চাকু নিয়ে নৌ পুলিশের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। হামলাকারীরা কনস্টেবল মোঃ জাকির হোসেনকে চাকু ও ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে
    কনস্টেবল জাকিরকে উদ্ধারে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন,এসআই প্রসেনজীৎ দেবনাথ, কনস্টেবল শ্যামলেশ কুমার মন্ডল,কনস্টেবল মোঃ সাকির হোসেন ও কনস্টেবল মোঃ পারভেজ শিকদার এগিয়ে এলে তারাও হামলায় আহত হয় বলে জানা গেছে।
    এ সময় পুলিশ সদস্যদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে কাউখালী থানা পুলিশ আহত নৌ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
    এ ঘটনায় নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা,পুলিশ সদস্যদের মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
    কাউখালী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মোঃ শান্তকে আটক করে এবং বাকী আসামিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।
    কাউখালী থানার ওসি(তদন্ত) এবাদ আলী মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত শান্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • কাউখালীতে ভাত খাওয়া নিয়ে কলহে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    কাউখালীতে ভাত খাওয়া নিয়ে কলহে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    কাউখালী(পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে কাঠের ডাসা দিয়ে মাথায় আঘাত করে কানন বালা(৬৫) নামে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলে সুজন বালার(৩০)বিরুদ্ধে।
    এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রি বুলু বাদী হয়ে কাউখালী থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

    মামলার এজাহার ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণী অনুযায়ী,গত ১৬ আগস্ট রবিবার কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালকাঠী গ্রামের একটি বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কানন বালা ওই গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত সুজন বালা তাঁর ছেলে।
    এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন,পারিবারিক বিষয় নিয়ে সুজন বালার সঙ্গে তাঁর মা কানন বালার বিরোধ চলছিল। ঘটনারদিন রাতে সুজন বাহির থেকে এসে ভাত খেতে গেলে,পাতিলে কম ভাত দেখে দেখে এ নিয়ে সুজন বালা তাঁর মায়ের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি কাঠের ডাসা দিয়ে কানন বালার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে কানন বালা গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।
    অভিযোগে আরও বলা হয়, গুরুতর আহত অবস্থায় কানন বালা ঘরের ভেতরে ছিলেন। পরে সুজন ঘুম থেকে উঠে আহত মাকে পরিবারের সহযোগিতায় উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তার অবস্থার গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল ৯ঃ৩০ সময় তাঁর মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রি বুলু বাদী হয়ে ১৭আগস্ট কাউখালী থানায় মামলা করেন। মামলায় সুজন বালাকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

    কাউখালী থানার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে ঘটনাস্থল হিসেবে শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালকাঠী গ্রামের নিহত কানন বালার বসতঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশের একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কার কী ভূমিকা ছিল,তদন্তের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হবে।
    এটি এজাহার ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর ভিত্তিতে তৈরি সংবাদ। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করতে হবে।

    এ বিষয়ে কাউখালী থানা ওসি (তদন্ত)মোঃ এবাদ আলী মোল্লা বলেন, উক্ত বিষয়ে থানায় নিহত কানন বালার ভাই বাদী হয়ে একটি মামলা করেন, আসামি সুজনকে আটক করে,আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১৮ আগষ্ট মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য’র ছেলে রাসেল নিহত

    সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য’র ছেলে রাসেল নিহত

    কাপ্তাই(রাঙামাটি) প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই – চট্টগ্রাম সড়কের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কাটাখালী তক্তারপুল এলাকায় লাল-সবুজ পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় মো. রাসেল (২৩) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় তার ডান পা উরু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    ঘটনাটি ঘটেছে   বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত দশটায়।

    নিহত রাসেল রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২নং রাইখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের  বর্তমান ইউপি সদস্য শেখ মোহাম্মদ নাছের মেম্বারের একমাত্র  ছেলে।

    স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম বাপ্পা, আবুল কাসেম জানান,  চট্টগ্রাম শহর থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে নিজ বাড়ি কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ফিরছিলেন রাসেল। পথিমধ্যে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের কাটাখালী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী ‘লাল-সবুজ পরিবহন’-এর একটি বাস প্রথমে একটি ভ্যানগাড়িকে ধাক্কা দেয়। ঠিক তার পেছনেই থাকা রাসেলের মোটর সাইকেলটিকেও বাসটি সজোড়ে পিষ্ট করে দেয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন এবং তার ডান পা উরু থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    ঘটনার পর যাত্রী নিয়ে রাঙ্গুনিয়া আসা হাটহাজারী এলাকার সিএনজি চালক বাদশা এবং চন্দ্রঘোনা বুইজ্জার দোকান এলাকার নেছারুলসহ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইছাখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে নিহতের চাচা আব্দুল বারেক জানান, শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন রাসেল।

    বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির উদ্দিন জানান, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি দুর্ঘটনা কবলিত যান দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও উদ্ধার অভিযান চালান। এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মোঃ মেহেদী হাসান ,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে রনজিৎ চন্দ্র মাঝি (৫৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    ​৩রা আগস্ট(সোমবার) রাত ১ঃ৩০ ঘটিকার সময় উপজেলার ০১নং সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের পূর্ববেতকা সাকিনস্থ মোঃ আবু সুফিয়ানের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তা থেকে, গাঁজা ও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এস আই রহমাতুল্লার নেতৃত্বাধীন কাউখালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,​আটককৃত রনজিৎ চন্দ্র মাঝি দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া তিনি মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিদের সাথেও জড়িত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে, আসামীকে আটক করা হয়েছে।
    এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। যাহার বাজার মূল্য আসামীর কথিত মতে =৫০০০/-(পাঁচ হাজার) টাকা ও ১০ (দশ) পিস হালকা কমলা রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট, ওজন= ১.০০ গ্রাম, যাহার মূল্য =৩০০০(তিন হাজার) টাকা।
    প্রতিনিয়ত মাদক নির্মূলে, মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পরিচালিত অভিযান, উপজেলার প্রতিটি মহল্লায় ব্যাপক সারা যুগিয়েছে। একইসাথে জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বস্ততা সহ আস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে।
    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাকদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র পুলিশের অভিযান দিয়ে মাদক ও অপরাধ দমন একেবারে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এলাকার সচেতন নাগরিক ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্ঠায় সকল ধরনের অপরাধ দমন করা সম্ভব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

  • কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার

    কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী মোঃ ইব্রাহিম(২০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    ​২ আগস্ট(রবিবার) রাত ৩ ঘটিকার সময় উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের হাওলাদার ও চৌকিদার বাড়ি সংলগ্ন মোঃ মিজানুর রহমান খানের, ফলজ বাগান থেকে সাত ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দুটি গাজা গাছ উদ্ধার করেন, এস আই মহিউদ্দিন ও এএসআই খাইরুল হাসানের নেতৃত্বাধীন, কাউখালী থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
    ​পুলিশ সূত্রে জানা যায়,​আটককৃত মোঃ ইব্রাহিম(২০) অবৈধভাবে, নিজ হাতে মোঃ মিজানুর রহমান খানের ফলজ বাগানে গাঁজার বীজ রোপণ করে। যা পরবর্তীতে বীজ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ গাছে পরিনত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে, গাছ সহ মোঃ ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মোঃ আব্দুল হালিম ও মোসাঃ রেহানা দম্পতির ছেলে।
    প্রতিনিয়ত মাদক নির্মূলে, মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পরিচালিত অভিযান, উপজেলার প্রতিটি মহল্লায় ব্যাপক সারা যুগিয়েছে। একইসাথে জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বস্ততা সহ আস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে।
    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাকদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • রায়গঞ্জে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

    রায়গঞ্জে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,স্টাফ রিপোর্টার,সিরাজগঞ্জ

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি মোটরসাইকেলসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে সলঙ্গা থানা পুলিশ।

    সোমবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সলঙ্গা থানার ঘুড়কা এলাকায় বগুড়াগামী মহাসড়কের পাশে রূপসী বাংলা হোটেলের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

    আটক ব্যক্তি মো. টিপু সুলতান (৫৫)। তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার চরুয়াপাড়া গ্রামের মৃত গোলাম আম্বিয়ার ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে টিপু সুলতানের কাছ থেকে ৮৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।

    সলঙ্গা থানার ওসি আসলাম আলী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

    তিনি আরও বলেন, এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপরাধ দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ ৬ জন গ্রেফতার

    কাউখালীতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ ৬ জন গ্রেফতার

    বিশেষ প্রতিনিধি।  

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদি এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    জানা যায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২২ জুন সোমবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত কাউখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৬ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ১। মোঃ মোস্তফিজুর রহমান পিনটু(৪০), পিতা- মৃত আলী আজগর হাওলাদার, সাং- মুক্তারকাঠি, কাউখালী, ২। মোঃ ফেরদৌস শিকদার(৩৯),পিতা- মৃঃ অলিউর রহমান, সাং- লক্ষী পুরা শিকদার বাড়ী ৩। মোঃ আলআমিন মুন্সী (৪০), পিতা- হাজী মাহাতাবউদ্দিন ওরফে ডালিম মুন্সী, সাং- লক্ষীপুরা মুন্সী বাড়ী,৪। প্রবীর কুমার বিশ্বাস (৩৭), পিতা- জহর লাল বিশ্বাস, সাং- কানুয়া ৫। মোঃ মিলন হোঃ রুবেল (৪০), পিতা-মোঃ কাঞ্চন আহমেদ, সাং-০২ নং ওয়াড কলেজ রোড,সর্ব থানা- ভান্ডারিয়া, জেলা-পিরোজপুর,৬। হৃদয় কুমার দাস(২৬), পিতা- মানিক কুমার দাস,সাং- মহিস কান্দী,থানা- কাঠালিয়া,জেলা- ঝালকাঠি।

    এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
    গ্রেফতারকৃতদের ২৩ জুন মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • শাহজাদপুরে আ.লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ জালাল গ্রেফতার

    শাহজাদপুরে আ.লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহ জালাল গ্রেফতার

    স্টাফ রিপোর্টার, সবুজ হোসেন রাজা। 

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ জালাল মিয়াকে পাবনা থেকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশের একটি দল।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তাকে গ্রেফতার করে রাতেই শাহজাদপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।

    শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে শাহজাদপুর আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় শাহ জালাল মিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া শাহজাদপুর থানায় তার বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলাতেও তিনি আসামি। ওই মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহ জালাল মিয়া সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের মুখে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন উপাধ্যক্ষ শাহাদত হোসেন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তার কাছে আর্থিক হিসাব চাইলে তিনি অসদাচরণ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য মো. লুৎফুর রহমান লাল মিয়ার হাতের একটি আঙুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

    এদিকে, গ্রেফতারকৃত আওয়ামী লীগ নেতার ভাগিনা জামিল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শাহ জালাল মিয়া তার নানা-নানীর সম্পত্তি জোরপূর্বক নিজের নামে লিখে নেন এবং তাদেরকে বাসায় আটকে রেখে নির্যাতন করতেন। তিনি দাবি করেন, তার মা ও খালাদের নানা-নানীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হতো না। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করে মৃত্যুবরণ করেন।

    জামিল হোসেন আরও অভিযোগ করেন, শাহ জালাল মিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক হলেও অতীতে দলের রাজনীতির সঙ্গে তার তেমন সম্পৃক্ততা ছিল না। অর্থের বিনিময়ে পদ লাভ করে তিনি সেই প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িয়ে পড়েন। সরকারি দলের প্রভাব ব্যবহার করে তাদের পরিবারের ওপর বিভিন্ন সময় নির্যাতন চালানো হয় এবং বাড়িছাড়া করারও চেষ্টা করা হয়। এছাড়া ভূমিহীনদের সরকারি জমি লিজ দেওয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

    শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনা জেলার শালগারিয়া এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে অভিযান চালিয়ে শাহ জালাল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেম উদ্দিন তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

  • কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    বিশেষ প্রতিনিধি। 

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।

    জানা যায়, বৃহস্পতিবার(১৮ জুন)পরিচালিত অভিযানে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আনোয়ার হোসেনের নির্দেশনায় এসআই মো: মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন শিয়ালকাঠি এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো: শফিকুল ইসলাম (২৩), পিতা খলিলুর রহমান এবং মো: ইমরান হাওলাদার (৩০), পিতা দুলাল হাওলাদার।

    আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতের প্রেরণ করা হয়েছে।