Category: জাতীয়

  • হাদীর উপর হামলার প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে  বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    হাদীর উপর হামলার প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে  বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।  

    ইনকিলাব মঞ্চের মূখ্য সমন্বয়ক ওসমান হাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর প্রতিবাদে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বিএনপির  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি এবং এর  অঙ্গ ও সহযোগী  সংগঠনের উদ্যোগে  কাপ্তাই উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর হতে উপজেলা  বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি  বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে  সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডাঃ মোঃ রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক  উথোয়াই মং মারমা।  সমাবেশে  বক্তব্যরা জানান  ওসমান হাদীর ওপর হামলা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিরোধী কণ্ঠ রোধ করা যাবে না। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এসময়  উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন কন্ট্রাক্টর, ওয়াগ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম হাবিব মিলু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লা নাহিয়ান ডালিম, উপজেলা তাঁতীদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রহমত উল্লাহ মনু, উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক উহ্লাচিং মারমা, কর্ণফুলি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব রিয়াজ উদ্দিন আকাশ, উপজেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল করিম, সদস্য মোঃ মাসুদসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

    আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

    প্রতিবেদক : মোঃ আনোয়ার হোসেন

    চট্টগ্রাম, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং
    ৭৭ তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কর্মীরা মানবাধিকারের সুরক্ষা, আইনী সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করা এবং অধিকার বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম শাখার উপ-পরিচালক এ কে এম আকবর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদিকা জনাবা কহিনুর আক্তার কাজল, অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আজমউদ্দিন রানাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ ও মানবাধিকার কর্মীরা।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের আইনী জটিলতা দূরীকরণে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

  • কাপ্তাইয়ের দুর্গম ভাল্লুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন 

    কাপ্তাইয়ের দুর্গম ভাল্লুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙ্গামাটির কাপ্তাই এর দুর্গম  ভাল্লুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে  বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিনয় বিকাশ তালুকদার এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন।

    এ সময় তিনি বলেন, দুর্গম এলাকায় এত সুন্দর স্কুল নির্মাণ এটা সরকারের এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ, আমাদের সকল শিশুদেরকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার আওতায় আসতে হবে।

    রাইখালী ইউনিয়নের ভাল্লুকিয়া এলাকাবাসীর আয়োজনে এবং রবিন তনচংগ্যা এর সঞ্চালনায় এ সময় বিশেষ অতিথি  ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মনিরুল ইসলাম চৌধুরী।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন  ভাল্লুকিয়া উচ্চবিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ওসমান গনি কুতুবী, ইউসিপি সভাপতি স্বপন বড়ুয়া,সহকারী শিক্ষক জনি তনচংগ্যা। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভালুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জয় মোহন তনচংগ্যা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মৈত্রী বন্ধন মানবিক ব্লাড ব্যাংকের সদস্য বসন্ত তালুকদার, সুফল তনচংগ্যা,সমাজসেবক রনি তনচংগ্যা,বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সন্তোষ বড়ুয়া প্রমূখ।

  • কাউখালীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত

    কাউখালীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হলো,আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস।
    “মানবাধিকার আমাদের প্রতিদিনের অপরিহার্য বিষয়” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, উপজেলার এনজিও সংস্থা নাগরিক উদ্যোগের আয়োজনে গত ১০ই ডিসেম্বর(বুধবার) সকাল ১০ ঘটিকার সময়, তাদের নিজস্ব কার্যালয়ে এবং কার্যালয়ের সন্মুখে আলোচনা সভা ও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    আরজে মেডিয়েশন এর সভাপতি ও ৩নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,ইউপি সদস্য মোঃ সাঈদ, মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কাউখালী উপজেলা শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান নয়ন,সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন গাজী, নুরুজ্জামান খোকন,সিনিয়র সাংবাদিক এনামুল হক ও সাংবাদিক সবুজ।
    এসময় বক্তরা বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ১৯৪৮ সাল থেকে ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘে ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে মানবাধিকার রক্ষায় দিনটি পালিত হচ্ছে। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তার মৌলিক অধিকার রক্ষায় প্রতিবছর এসময় এই দিনটির গুরুত্ব পায়। তাই এই দিনটি শুধু ১০ই ডিসেম্বর আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে,আমাদের প্রতিনিয়তই মানুষের অধিকার নিয়ে আলোচনা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে বেগবান করতে সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সেই সাথে প্রতি ইউনিয়নে ব্যানার ফেস্টুন এবং লিফলেট বিতরণ করাও জরুরী বলে মন্তব্য করেন।
    অন্যান্যোর মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, কমিউনিটি প্যারা লিগ্যাল সুমা আক্তার, হোসনেয়ারা বেগম,জীবন কৃষ্ণ দাস ও কর্মসূচি সহকারী শংকর কর্মকার সহ আর.জে.এম.এফ এর সদস্যবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন,সংস্থাটির প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ মহসিন মিয়া।

  • সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না -মোঃ মোস্তফা আল ইহযায”

    সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না -মোঃ মোস্তফা আল ইহযায”

    স্টাফ রিপোর্টার।

    আজকের পর আর একজন মানুষও সীমান্তে হত্যা করা যাবেনা ও সীমান্ত হত্যার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের লক্ষ্যে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের উদ্যোগে ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার সকাল ১০:৩০ মিনিটে জাতীয় প্রেসক্লাব সম্মুখে মৌলভীবাজার ও লালমনিরহাট সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলে লেঃ কর্নেল খন্দকার ফরিদুল আকবর এর সভাপতিত্বে ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয় মোঃ মোস্তফা আল ইহযায এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া আইনজীবী ফোরাম এর সহ-সভাপতি এডভোকেট এ এম এন আবেদ রাজা, প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জঙ্জু নরমাল বিশ্ববিদ্যালয় চিন এর ভিজিটিং প্রফেসর ড আবু মূসা মোঃ আরিফ বিল্লাহ, ইসলামি বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদী, জাতীয়তাবাদী তাতীদলের যুগ্ম সম্পাদক ড. মনিরুজ্জামান, আরজেএফ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, মিলন মল্লিকা, আব্দুল আলীম, মিজানুর রহমান, জালাল আহম্মেদ সহ লালমনিরহাট ও মৌলভীবাজার থেকে আগত স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    এসময় এসময় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন,
    ভারত রাজনৈতিক ভাবে, অর্থনীতিক ভাবে, ব্যবসা-বানিজ্য, তাদের সাহিত্যে, গানে, নাটকে, চলচ্চিত্রে বাংলাদেশকে শোষণ করছে, তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদেরকে উস্কি দিয়ে পার্বত্য অঞ্চল কে অশান্ত করতে চায়, সকল অপরাধের মূলে রয়েছে ভারত।

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ সীমান্ত। সীমান্তে ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) প্রায়ই বাংলাদেশীদের হত্যা করে। বাংলাদেশ বহুবার সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানালেও তা বন্ধ হয়নি। ভারত বিভিন্ন সময়ে হত্যা বন্ধে প্রতিশ্রুতি দিলেও তা কার্যকর করেনি। ফলে নিয়মিতভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা চলছে। সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু বিএসএফের হাতে বাংলাদেশীদের হত্যার ঘটনা বন্ধে তারা বরাবরই ব্যর্থ।

    বিএসএফ বছরের পর বছর ধরে ধারাবাহিকভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যা করে চলেছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৫-২৪ পর্যন্ত ১০ বছরে বিএসএফ ৩০৫ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। ২০১৫ সালে ৪৩ জন, ২০১৬ সালে ২৮ জন, ২০১৭ সালে ৩০ জন, ২০১৮ সালে ১৫ জন, ২০১৯ সালে ৪২ জন, ২০২০ সালে ৫১ জন, ২০২১ সালে ১৭ জন, ২০২২ সালে ২৩ জন, ২০২৩ সালে ৩০ জন এবং ২০২৪ সালে ২৬ জন গত কয়েক দিন আগে দুজন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। তারা ২০২৫ সালে ৩১নজন বাংলাদেশী নাগরিক কে হত্যা করেছে। এসব হত্যার কোনো বিচার হয়নি। বিএসএফ জওয়ানদের গুলিতেই এসব নিরীহ বাংলাদেশী প্রাণ হারিয়েছে।
    ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার সময় এই বর্ডার লাইন নির্ধারিত হয়। ভারত-পাকিস্তান বর্ডার কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রিটিশ আইনবিদ স্যার সিরিল রেডক্লিফ ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট এটি নির্ধারণ করেন। আজকের বাংলাদেশ তখন পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সাথে ভারতের নির্ধারিত সীমানাই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের সীমান্ত। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চার হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমানা রয়েছে এবং এটি পৃথিবীর পঞ্চম দীর্ঘ সীমান্ত লাইন। ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। আসামের সাথে ২৬২ কিলোমিটার, ত্রিপুরার সাথে ৮৫৬ কিলোমিটার, মিজোরামের সাথে ৩১৮ কিলোমিটার, মেঘালয়ের সাথে ৪৪৩ কিলোমিটার ও পশ্চিমবঙ্গের সাথে দুই হাজার ২১৭ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যেই প্রায় তিন হাজার ১৮০ কিলোমিটার বেড়া নির্মাণ স¤পন্ন করেছে। বাকি ৯১৬ কিলোমিটার সীমান্তে ঘন বনভূমি, উঁচু পর্বতমালা, নদীপথ এবং জলাভূমি থাকায় বেড়া নির্মাণ করতে পারেনি। সীমান্তে হত্যা এবং বেড়া নির্মাণ নিশ্চয়ই বন্ধুত্বের নিদর্শন নয়।

    এছাড়া তাদের হামলায় বিভিন্ন সময়ে বহু বাংলাদেশী আহত হয়েছে এবং এদের কেউ কেউ পঙ্গু হয়েছে। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানী খাতুন নামে ১৫ বছর বয়সী বাংলাদেশী মেয়েকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে। পরদিনই তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তার লাশ দীর্ঘ সময় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছিল। এই ছবি সারা দুনিয়ার মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু ফেলানী হত্যায় জড়িত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষসহ অন্যদের ভারতের আদালত খালাস দেয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এর বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও এখনো সেই বিচার সম্পন্ন হয়নি।

    বিএসএফ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী স্বর্ণা দাস এবং ৯ সেপ্টেম্বর ১৫ বছরের জয়ন্ত কুমার সিংহকে হত্যা করে। স্বর্ণা দাস তার মায়ের সাথে ভারতের ত্রিপুরায় বসবাসরত ভাইয়ের কাছে বেড়াতে যাচ্ছিল। এভাবে ভারত সীমান্তে নিরাপত্তার নামে নিরপরাধ বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করে চলেছে।

    সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক নীতিমালা রয়েছে। তাছাড়া দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সপাদিত এরকম দু’টি চুক্তি হচ্ছে জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন্স ফর বর্ডার অথরিটিজ অব দ্য টু কান্ট্রিজ, ১৯৭৫ এবং দ্য ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান, ২০১১। জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন্স ফর বর্ডার অথরিটিজ অব দ্য টু কান্ট্রিজ, ১৯৭৫ অনুসারেÑ এক দেশের নাগরিক যদি বেআইনিভাবে অন্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করে বা কোনো অপরাধে জড়ায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী আত্মরক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে, তবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার না করাটাই বাঞ্ছনীয়। অথচ ভারত এসব চুক্তি মানছে না। সীমান্তে কোনো বাংলাদেশী আইন ভঙ্গ করে অপরাধ করলে তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনা ও বিচার করে শাস্তি দেয়া যায়। কিন্তু বিএসএফ সেই পথ অনুসরণ করে না। তারা সবসময় এবং কিছু হলেই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করছে এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে অনেক বৈঠক হয়েছে এবং সীমান্ত হত্যার বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এসব বৈঠকের প্রত্যেকটিতেই বিএসএফ, সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু বিএসএফ কখনোই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।

    আমরা সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা চিরতরে বন্ধের দাবি জানাই। প্রয়োজনে এই ইস্যু জাতিসঙ্ঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।

    বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এই বাস্তবতা ভারতকে মানতে হবে। বাংলাদেশ সবসময় প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে সুস¤পর্ক চায়। প্রতি বছর বিরাট সংখ্যক বাংলাদেশী চিকিৎসা, ব্যবসায় ও পর্যটনসহ বিভিন্ন কাজে ভারতে যায়। প্রচুর ভারতীয়ও বাংলাদেশে আসে। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত এলাকার বহু মানুষ নিজেদের মধ্যে বিয়ে শাদির মাধ্যমে আত্মীয়তার বন্ধন গড়ে তুলেছে। দেশ দু’টির মধ্যে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় রয়েছে। সীমান্তে ব্যবসায়-বাণিজ্য স¤পাদনে একাধিক নদীবন্দর, স্থলবন্দর এবং কাস্টম হাউজ রয়েছে। অনেকগুলো সীমান্ত হাট রয়েছে। দেশ দু’টির মধ্যে বাস ও ট্রেন চলাচল বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন সীমান্ত এবং অভিন্ন নদী রয়েছে। কিন্তু ভারত সবসময় সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা এবং বাংলাদেশকে অভিন্ন নদীর ন্যায্য পানি থেকে বঞ্চিত করে চলেছে। কিছু হলেই ভারত বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা প্রদান এবং বাংলাদেশে আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য রফতানি বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের ভারত নিরাপদ আশ্রয় দেয়। ফলে বাংলাদেশ সব দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা এসবের অবসান চাই। তার জন্য ভারতকে সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করতে হবে, আমরা সীমান্ত হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে আন্তর্জাতিক আদালতে সীমান্ত হত্যার বিচার দাবী করছি।

    প্রতিবাদ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে কদম ফোয়ারা ঘুরে আবার প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।

  • মাদারীপুর মুক্ত দিবস আজ

    মাদারীপুর মুক্ত দিবস আজ

    গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর:

    ১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দুএক দিনব্যাপী তুমুল সম্মুখযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করলে শত্রুমুক্ত হয় মাদারীপুর জেলা। মুহূর্তেই হাজারো মানুষ জয় বাংলার স্লোগানে রাস্তায় নেমে উল্লাসে ফেটে পড়ে।

    ডিসেম্বরের শুরুতেই জেলার সব থানা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা শহরের এ আর হাওলাদার জুট মিল ও নাজিমউদ্দিন কলেজে অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলেন।

    ৯ ডিসেম্বর ভোরে ফরিদপুরের দিকে পালানোর সময় ঘটকচর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে হানাদাররা বিপুল পরিমাণ অস্ত্রগোলা ফেলে পালাতে থাকে। সমাদ্দার ব্রিজ এলাকায় ৯ ও ১০ ডিসেম্বর সারাদিন-সারারাত সম্মুখযুদ্ধ চলে। গোলা-বারুদ ফুরিয়ে এলে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায় মুক্তিযোদ্ধারা।

    ১০ ডিসেম্বর বিকেলে মেজর আবদুল হামিদ খটকের নেতৃত্বে ৩৭ পাকিস্তানি সৈন্য ও ১৪ মুজাহিদ—মোট ৫৩ জন খলিল বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খানের নেতৃত্বে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধ সম্পন্ন হয়।

    যুদ্ধে শহীদ হন সর্বকনিষ্ঠ বীর মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু এবং ২০ জন হানাদার সেনা নিহত হয়।

    ১১ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণকারীদের কলাগাছিয়া ক্যাম্পে এবং ১২ ডিসেম্বর মাদারীপুর সাব-জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
    মাদারীপুর স্মরণ করছে তার গৌরবোজ্জ্বল শত্রুমুক্তির দিন।

  • কাউখালীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দিবস পালিত

    কাউখালীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দিবস পালিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস।

    “দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা” শিরোনামে ৯ই (ডিসেম্বর) মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় ও দুর্নীতি বিরোধী পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা ঘটে।

    পরবর্তীতে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।

    উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ শফিকুল ইসলাম স্বপনের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হান্নান,প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মুনিবুর রহমান, কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াকুব হোসেন, ৩ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

    বক্তারা দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা জরুরি বলে জানান। সেই সাথে স্থানীয় পর্যায়ে সঠিক ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে দুর্নীতি কমানোও সম্ভব বলে মনে করেন।

    এ সময় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ তার বক্তব্যে, দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলার প্রতিটি দপ্তর সহ সর্বত্র ৯(নয়) সদস্য বিশিষ্ট উপজেলার দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির পরিচিতি ও প্রচারের জন্য উপজেলা কমিটিকে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন।

    কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী,সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন কাউখালী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুলতানা নীলা।

  • কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস 

    কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাইয়ে  আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বড়ইছড়ি সদরে কাপ্তাই -চট্টগ্রাম প্রধান সড়কে মানববন্ধন করা হয়।

    মঙ্গলবার সকাল  সাড়ে ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সম্মেলন কক্ষ ” কিন্নরীতে দুপ্রক সদস্য মাহাবুব হাসান এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন  দুপ্রক কাপ্তাই উপজেলা সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী।

    প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই দুপ্রক সহসভাপতি ডাঃপ্রবীর খীয়াং,উপজেলা,সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা ও যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন প্রমুখ।

  • কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক নারী প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালন 

    কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক নারী প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    আন্তর্জাতিক নারী প্রতিরোধ পক্ষ পালন করা হয়েছে।

    কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চত্বর হতে একটি র‍্যালী বের করা হয়।

    পরে কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সম্মেলন কক্ষ কিন্নরীতে আলোচনা সভা এবং ”  অদম্য নারী সম্মাননা ” প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    কাপ্তাই প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত এর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা।

    প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন।

    বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন,   চন্দ্রঘোনা  খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং, সফল জননী নারী সম্মাননাপ্রাপ্ত সন্ধ্যা রানী দাশের বড় ছেলে চাঁদপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ এর কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক ডা: নারায়ণ চন্দ্র দাশ,  কাপ্তাই উপজেলা দূর্নিতী প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এবং সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন এবং নারী সংগঠক নুর বেগম মিতা।

    পরে সফল জননী নারী হিসাবে সন্ধ্যা রাণী দাশ এবং অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসাবে জেমিয়া ফারজানা নিতুকে অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান করা হয়।

  • কাপ্তাই লেকে ইলেকট্রনিক  শর্ট দিয়ে মাছ  শিকারের অপরাধে  ডিভাইস সহ সরঞ্জাম উদ্ধার

    কাপ্তাই লেকে ইলেকট্রনিক  শর্ট দিয়ে মাছ  শিকারের অপরাধে  ডিভাইস সহ সরঞ্জাম উদ্ধার

    কাপ্তাই প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন কাপ্তাই উপ-কেন্দ্র  লেকে অভিযান চালিয়ে শর্ট দিয়ে মাছ শিকারের অপরাধে বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্বার করা হয়েছে।

    বুধবার (৩ ডিসেম্বর) একশ্রেণির অবৈধ  মৎস্য শিকারী  নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক শর্ট ব্যবহার করে মাছ ধরার সময়  ব্যাটারি, মেশিন, চার্জার, টেটা, একটি কাঠের নৌকা এবং একটি ইঞ্জিন চালিত নৌক আটক করেছে কাপ্তাই মৎস্য উপকেন্দ্র।

    কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন উপকেন্দ্র  ব্যবস্থাপক  জসিম উদ্দিন জানান,লেকে নিষিদ্ধ  ইলেকট্রনিক শর্ট দিয়ে মাছ শিকার করার অপরাধে ইঞ্জিন চালিত নৌকাসহ মাছ শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি অভিযান করে  উদ্বার করা হয়। এসময় কাপ্তাই লেকের  শুকনাছড়ি,  হরিনছড়া ও ভাইবোনছড়া এবং  বিলাইছড়ির উপজেলাধীন কেংড়াছড়ি, হিজাছড়ি ও হাজরাছড়ি এলাকার  এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    এসময় উপ-কেন্দ্রের কর্মচারীরা এই অভিযানে সহায়তা করেন।