Category: সারাদেশ

  • কাপ্তাই বিজিবি বিপুল পরিমাণ বিদেশী সিগারেট আটক করে

    কাপ্তাই বিজিবি বিপুল পরিমাণ বিদেশী সিগারেট আটক করে

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই ওয়াগ্গা ইউনিয়ন এলাকায়  পাচারকালে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ বিদেশী সিগারেট আটক করেছে বিজিব।

    বৃহস্পতিবার রাতে  কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন(৪১বিজিবি) অধিনায়ক  লেঃ কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস এর নেতৃত্বে টহল দল কাপ্তাই উপজেলার অন্তর্গত বটতলীপাড়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।  অভিযানে ভারতীয় ৩৫০০ প্যাকেট ওরিস, ১৫২৩০ প্যাকেট ইজি লাইট এবং ১৭৫০০ প্যাকেট প্যাট্রনসহ সর্বমোট ৩৬২৩০ প্যাকেট সিগারেট আটক করা হয়। আটককৃত বিদেশী  সিগারেটের  মূল্য ৮৭ লাখ,৫২হাজার ৯শ’টাকা।

    কাপ্তাই বিজিবি সুত্রে জানাযায়  আটককৃত ভারতীয় সিগারেট কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) কর্তৃক কাস্টমস অফিসে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    বিজিবি জানান,  ভবিষ্যতেও এ ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে। সম্প্রতি কাপ্তাই হতে চট্টগ্রাম কারযোগে একটি পাচার সিন্ডিকেট বিদেশী সিগারেট পাচার করার সময় কাপ্তাই ওয়াগ্গা বিজিবি কারসহ পাচারকারীকে আটক করা হয় বলে জানান।

    সুত্রে জানাযায় একটি সিন্ডিকেট দল পাহাড়িপথে , নদী ও সড়ক যোগে নিরাপদ মনে করে বিভিন্ন কায়দায় পাচার কাজে লিপ্ত রয়েছে।

  • সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না -মোঃ মোস্তফা আল ইহযায”

    সীমান্তে আর একটি মানুষও হত্যা করা যাবে না -মোঃ মোস্তফা আল ইহযায”

    স্টাফ রিপোর্টার।

    আজকের পর আর একজন মানুষও সীমান্তে হত্যা করা যাবেনা ও সীমান্ত হত্যার আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের লক্ষ্যে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের উদ্যোগে ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার সকাল ১০:৩০ মিনিটে জাতীয় প্রেসক্লাব সম্মুখে মৌলভীবাজার ও লালমনিরহাট সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলে লেঃ কর্নেল খন্দকার ফরিদুল আকবর এর সভাপতিত্বে ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয় মোঃ মোস্তফা আল ইহযায এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া আইনজীবী ফোরাম এর সহ-সভাপতি এডভোকেট এ এম এন আবেদ রাজা, প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জঙ্জু নরমাল বিশ্ববিদ্যালয় চিন এর ভিজিটিং প্রফেসর ড আবু মূসা মোঃ আরিফ বিল্লাহ, ইসলামি বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদী, জাতীয়তাবাদী তাতীদলের যুগ্ম সম্পাদক ড. মনিরুজ্জামান, আরজেএফ চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, মিলন মল্লিকা, আব্দুল আলীম, মিজানুর রহমান, জালাল আহম্মেদ সহ লালমনিরহাট ও মৌলভীবাজার থেকে আগত স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    এসময় এসময় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন,
    ভারত রাজনৈতিক ভাবে, অর্থনীতিক ভাবে, ব্যবসা-বানিজ্য, তাদের সাহিত্যে, গানে, নাটকে, চলচ্চিত্রে বাংলাদেশকে শোষণ করছে, তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদেরকে উস্কি দিয়ে পার্বত্য অঞ্চল কে অশান্ত করতে চায়, সকল অপরাধের মূলে রয়েছে ভারত।

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘ সীমান্ত। সীমান্তে ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) প্রায়ই বাংলাদেশীদের হত্যা করে। বাংলাদেশ বহুবার সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানালেও তা বন্ধ হয়নি। ভারত বিভিন্ন সময়ে হত্যা বন্ধে প্রতিশ্রুতি দিলেও তা কার্যকর করেনি। ফলে নিয়মিতভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা চলছে। সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু বিএসএফের হাতে বাংলাদেশীদের হত্যার ঘটনা বন্ধে তারা বরাবরই ব্যর্থ।

    বিএসএফ বছরের পর বছর ধরে ধারাবাহিকভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যা করে চলেছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৫-২৪ পর্যন্ত ১০ বছরে বিএসএফ ৩০৫ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। ২০১৫ সালে ৪৩ জন, ২০১৬ সালে ২৮ জন, ২০১৭ সালে ৩০ জন, ২০১৮ সালে ১৫ জন, ২০১৯ সালে ৪২ জন, ২০২০ সালে ৫১ জন, ২০২১ সালে ১৭ জন, ২০২২ সালে ২৩ জন, ২০২৩ সালে ৩০ জন এবং ২০২৪ সালে ২৬ জন গত কয়েক দিন আগে দুজন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। তারা ২০২৫ সালে ৩১নজন বাংলাদেশী নাগরিক কে হত্যা করেছে। এসব হত্যার কোনো বিচার হয়নি। বিএসএফ জওয়ানদের গুলিতেই এসব নিরীহ বাংলাদেশী প্রাণ হারিয়েছে।
    ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার সময় এই বর্ডার লাইন নির্ধারিত হয়। ভারত-পাকিস্তান বর্ডার কমিশনের চেয়ারম্যান ব্রিটিশ আইনবিদ স্যার সিরিল রেডক্লিফ ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট এটি নির্ধারণ করেন। আজকের বাংলাদেশ তখন পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সাথে ভারতের নির্ধারিত সীমানাই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের সীমান্ত। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চার হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমানা রয়েছে এবং এটি পৃথিবীর পঞ্চম দীর্ঘ সীমান্ত লাইন। ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। আসামের সাথে ২৬২ কিলোমিটার, ত্রিপুরার সাথে ৮৫৬ কিলোমিটার, মিজোরামের সাথে ৩১৮ কিলোমিটার, মেঘালয়ের সাথে ৪৪৩ কিলোমিটার ও পশ্চিমবঙ্গের সাথে দুই হাজার ২১৭ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যেই প্রায় তিন হাজার ১৮০ কিলোমিটার বেড়া নির্মাণ স¤পন্ন করেছে। বাকি ৯১৬ কিলোমিটার সীমান্তে ঘন বনভূমি, উঁচু পর্বতমালা, নদীপথ এবং জলাভূমি থাকায় বেড়া নির্মাণ করতে পারেনি। সীমান্তে হত্যা এবং বেড়া নির্মাণ নিশ্চয়ই বন্ধুত্বের নিদর্শন নয়।

    এছাড়া তাদের হামলায় বিভিন্ন সময়ে বহু বাংলাদেশী আহত হয়েছে এবং এদের কেউ কেউ পঙ্গু হয়েছে। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানী খাতুন নামে ১৫ বছর বয়সী বাংলাদেশী মেয়েকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে। পরদিনই তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তার লাশ দীর্ঘ সময় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছিল। এই ছবি সারা দুনিয়ার মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু ফেলানী হত্যায় জড়িত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষসহ অন্যদের ভারতের আদালত খালাস দেয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এর বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও এখনো সেই বিচার সম্পন্ন হয়নি।

    বিএসএফ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী স্বর্ণা দাস এবং ৯ সেপ্টেম্বর ১৫ বছরের জয়ন্ত কুমার সিংহকে হত্যা করে। স্বর্ণা দাস তার মায়ের সাথে ভারতের ত্রিপুরায় বসবাসরত ভাইয়ের কাছে বেড়াতে যাচ্ছিল। এভাবে ভারত সীমান্তে নিরাপত্তার নামে নিরপরাধ বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করে চলেছে।

    সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক নীতিমালা রয়েছে। তাছাড়া দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সপাদিত এরকম দু’টি চুক্তি হচ্ছে জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন্স ফর বর্ডার অথরিটিজ অব দ্য টু কান্ট্রিজ, ১৯৭৫ এবং দ্য ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ কো-অর্ডিনেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান, ২০১১। জয়েন্ট ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গাইডলাইন্স ফর বর্ডার অথরিটিজ অব দ্য টু কান্ট্রিজ, ১৯৭৫ অনুসারেÑ এক দেশের নাগরিক যদি বেআইনিভাবে অন্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা করে বা কোনো অপরাধে জড়ায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী আত্মরক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে, তবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার না করাটাই বাঞ্ছনীয়। অথচ ভারত এসব চুক্তি মানছে না। সীমান্তে কোনো বাংলাদেশী আইন ভঙ্গ করে অপরাধ করলে তাকে আটক করে আইনের আওতায় আনা ও বিচার করে শাস্তি দেয়া যায়। কিন্তু বিএসএফ সেই পথ অনুসরণ করে না। তারা সবসময় এবং কিছু হলেই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করছে এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করছে। সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে অনেক বৈঠক হয়েছে এবং সীমান্ত হত্যার বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এসব বৈঠকের প্রত্যেকটিতেই বিএসএফ, সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু বিএসএফ কখনোই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।

    আমরা সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা চিরতরে বন্ধের দাবি জানাই। প্রয়োজনে এই ইস্যু জাতিসঙ্ঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে উত্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।

    বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এই বাস্তবতা ভারতকে মানতে হবে। বাংলাদেশ সবসময় প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে সুস¤পর্ক চায়। প্রতি বছর বিরাট সংখ্যক বাংলাদেশী চিকিৎসা, ব্যবসায় ও পর্যটনসহ বিভিন্ন কাজে ভারতে যায়। প্রচুর ভারতীয়ও বাংলাদেশে আসে। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত এলাকার বহু মানুষ নিজেদের মধ্যে বিয়ে শাদির মাধ্যমে আত্মীয়তার বন্ধন গড়ে তুলেছে। দেশ দু’টির মধ্যে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় রয়েছে। সীমান্তে ব্যবসায়-বাণিজ্য স¤পাদনে একাধিক নদীবন্দর, স্থলবন্দর এবং কাস্টম হাউজ রয়েছে। অনেকগুলো সীমান্ত হাট রয়েছে। দেশ দু’টির মধ্যে বাস ও ট্রেন চলাচল বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন সীমান্ত এবং অভিন্ন নদী রয়েছে। কিন্তু ভারত সবসময় সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা এবং বাংলাদেশকে অভিন্ন নদীর ন্যায্য পানি থেকে বঞ্চিত করে চলেছে। কিছু হলেই ভারত বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা প্রদান এবং বাংলাদেশে আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য রফতানি বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের ভারত নিরাপদ আশ্রয় দেয়। ফলে বাংলাদেশ সব দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা এসবের অবসান চাই। তার জন্য ভারতকে সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করতে হবে, আমরা সীমান্ত হত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে আন্তর্জাতিক আদালতে সীমান্ত হত্যার বিচার দাবী করছি।

    প্রতিবাদ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে কদম ফোয়ারা ঘুরে আবার প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।

  • মাদারীপুর মুক্ত দিবস আজ

    মাদারীপুর মুক্ত দিবস আজ

    গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর:

    ১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দুএক দিনব্যাপী তুমুল সম্মুখযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করলে শত্রুমুক্ত হয় মাদারীপুর জেলা। মুহূর্তেই হাজারো মানুষ জয় বাংলার স্লোগানে রাস্তায় নেমে উল্লাসে ফেটে পড়ে।

    ডিসেম্বরের শুরুতেই জেলার সব থানা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা শহরের এ আর হাওলাদার জুট মিল ও নাজিমউদ্দিন কলেজে অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা চারদিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলেন।

    ৯ ডিসেম্বর ভোরে ফরিদপুরের দিকে পালানোর সময় ঘটকচর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে হানাদাররা বিপুল পরিমাণ অস্ত্রগোলা ফেলে পালাতে থাকে। সমাদ্দার ব্রিজ এলাকায় ৯ ও ১০ ডিসেম্বর সারাদিন-সারারাত সম্মুখযুদ্ধ চলে। গোলা-বারুদ ফুরিয়ে এলে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায় মুক্তিযোদ্ধারা।

    ১০ ডিসেম্বর বিকেলে মেজর আবদুল হামিদ খটকের নেতৃত্বে ৩৭ পাকিস্তানি সৈন্য ও ১৪ মুজাহিদ—মোট ৫৩ জন খলিল বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খানের নেতৃত্বে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধ সম্পন্ন হয়।

    যুদ্ধে শহীদ হন সর্বকনিষ্ঠ বীর মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু এবং ২০ জন হানাদার সেনা নিহত হয়।

    ১১ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণকারীদের কলাগাছিয়া ক্যাম্পে এবং ১২ ডিসেম্বর মাদারীপুর সাব-জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
    মাদারীপুর স্মরণ করছে তার গৌরবোজ্জ্বল শত্রুমুক্তির দিন।

  • কাউখালী থানায় ওসির যোগদান

    কাউখালী থানায় ওসির যোগদান

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    কাউখালী থানায় নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোঃ ইয়াকুব হোসাইন। তিনি সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে কাউখালী থানার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। নবাগত ওসি এর আগে বরগুনা জেলার সদর থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
    জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার সন্তান মোঃ ইয়াকুব হোসাইন ২০১১ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন।
    কাউখালী থানায় দায়িত্ব গ্রহণ করার পর নবাগত ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন তার প্রতিক্রিয়া বলেন, এলাকার মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, বাল্যবিবাহ, অনলাইন জুয়া সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সুষ্ঠু নির্বাচন, এলাকার নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • কাউখালীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দিবস পালিত

    কাউখালীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি দিবস পালিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস।

    “দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা” শিরোনামে ৯ই (ডিসেম্বর) মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় ও দুর্নীতি বিরোধী পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা ঘটে।

    পরবর্তীতে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।

    উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ শফিকুল ইসলাম স্বপনের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হান্নান,প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মুনিবুর রহমান, কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াকুব হোসেন, ৩ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ সভাপতি মোঃ আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

    বক্তারা দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা জরুরি বলে জানান। সেই সাথে স্থানীয় পর্যায়ে সঠিক ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে দুর্নীতি কমানোও সম্ভব বলে মনে করেন।

    এ সময় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সহকারী কমিশনার(ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ তার বক্তব্যে, দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলার প্রতিটি দপ্তর সহ সর্বত্র ৯(নয়) সদস্য বিশিষ্ট উপজেলার দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির পরিচিতি ও প্রচারের জন্য উপজেলা কমিটিকে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন।

    কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী,সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন কাউখালী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুলতানা নীলা।

  • কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস 

    কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাইয়ে  আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বড়ইছড়ি সদরে কাপ্তাই -চট্টগ্রাম প্রধান সড়কে মানববন্ধন করা হয়।

    মঙ্গলবার সকাল  সাড়ে ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সম্মেলন কক্ষ ” কিন্নরীতে দুপ্রক সদস্য মাহাবুব হাসান এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন  দুপ্রক কাপ্তাই উপজেলা সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী।

    প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই দুপ্রক সহসভাপতি ডাঃপ্রবীর খীয়াং,উপজেলা,সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা ও যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন প্রমুখ।

  • কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক নারী প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালন 

    কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক নারী প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    আন্তর্জাতিক নারী প্রতিরোধ পক্ষ পালন করা হয়েছে।

    কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চত্বর হতে একটি র‍্যালী বের করা হয়।

    পরে কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সম্মেলন কক্ষ কিন্নরীতে আলোচনা সভা এবং ”  অদম্য নারী সম্মাননা ” প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    কাপ্তাই প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত এর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা।

    প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন।

    বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন,   চন্দ্রঘোনা  খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং, সফল জননী নারী সম্মাননাপ্রাপ্ত সন্ধ্যা রানী দাশের বড় ছেলে চাঁদপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ এর কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক ডা: নারায়ণ চন্দ্র দাশ,  কাপ্তাই উপজেলা দূর্নিতী প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এবং সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন এবং নারী সংগঠক নুর বেগম মিতা।

    পরে সফল জননী নারী হিসাবে সন্ধ্যা রাণী দাশ এবং অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসাবে জেমিয়া ফারজানা নিতুকে অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান করা হয়।

  • কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির ৬নংওয়ার্ড শাখার নির্বাচিত কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির ৬নংওয়ার্ড শাখার নির্বাচিত কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই ৪নং ইউনিয়ন বিএনপির ৬নং ওয়ার্ড শাখার নতুন কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় শিল্প এলাকা ভাই ভাই ম্যাচে ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির নবনির্বাচিত ৫১সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির পরিচিত সভা হয়।

    কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল হাকিম এর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইউসুফ।

    পরিচিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো. একরাম  হোসেন বেলাল।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্নসম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, যুগ্নসম্পাদক মো. বেলাল হোসেন, সদস্য আবদুস সোবহান, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি পারুল আক্তার।

    বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন, যুগ্নসম্পাদক মো. মজিবুর রহমান,  ট্রাক শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি নুরুল ইসলাম নুরু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্নসম্পাদক  আব্দুল আহাদ সেলিম, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মাসুদ,  সম্পাদক শামসুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া চাঁনসহ ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

    এসময় প্রধান অতিথি বলেন, আগামী নির্বাচনে তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করে এবং ২৯৯নং আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান কে বিজয়ী করার জন্য সকলকে কাজ করার আহবান জানান।

  • কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট পাম্প হাউসে চুরি 

    কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট পাম্প হাউসে চুরি 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পাম্প হাউসে চুরি।

    সোমবার মুরগির টিলা নামক এলাকায় বিএসপিআই পাম্প হাউসে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে চোর তাড়াতে গিয়ে মহিলাসহ দুইজন আহত হয়েছে।

    স্থানীয়  নুনতী  নামক এক মহিলা জানান, নদী পথে গভীর রাতে দু’ইজন চোর নৌকা যোগে এসে পাম্প হাউসের বৈদ্যুতিক তার কেটে ফেলে।আমরা সংবাদ পেয়ে চোরদের তারা করি। মুহুর্তে দুই’জনচোর তারা খেয়ে নদী পথে পালিয়ে যায়। এবং চোরদের চিহ্নিত করা গেছে বলে জানান। এসময় চোর তারাতে গিয়ে দুইজন আহত হয়েছে বলে জানান।

    বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট,কাপ্তাই  অধ্যক্ষ রূপক কান্তি বিশ্বাস জানান,তাদের পলিটেকনিক পাম্প হাউসটি মুরগীর টিলা নামক কাপ্তাই হ্রদে সংযুক্ত হওয়ার দরুণ বার,বার  পাম্প হাউসে চুরির ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান ২৩ জুন ২৫ইং তারিখ উক্ত পাম্প হাউসে চোরদ্বয় বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে যায়। যার বাজার মূল্য একলাখ চুয়াল্লিশ হাজার টাকা।

    থানায় মামলা করেও কোন চোর সনাক্ত বা আটক করা হয়নি বলে জানান। এবং  সোমবার একই ঘটনা হওয়ার দরুণ বিষয়টি কাপ্তাই থানা,উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ প্রশাসনকে অবগত করেছে বলে জানান।

  • কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পর্যন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা 

    কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পর্যন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।  

    কাপ্তাই হতে রাঙামাটি পৌরসভা পযন্ত ২৪কিঃমিঃ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রাঙামাটির পর্যটন, সৌন্দর্য পাহাড় লেক এবং খেলাধুলা,  সবুজায়ন,আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন  পৌরসভা গড়াই লক্ষ্য ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকাল ৮টায়  বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হতে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়-রাঙামাটি পৌরসভা পযন্ত ২৪কিলোমিটার।

    রাঙামাটি জেলা পৌরসভার আয়োজনে ৩শ’জন পুরুষ ও মহিলা  প্রতিযোগি এই ম্যারাথন দৌড়ে অংশগ্রহণ করে।

    পৌরসভা সুত্রে জানাযায় পুরুষ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় ১ম বিজয়ী পাবে দশ হাজার টাকা,২য় বিজয়ী আট হাজার টাকা এবং ৩য় বিজয়ী ছয় হাজার টাকা এবং মহিলা ১ম বিজয়ী দশ হাজার টাকা ২য় বিজয়ী আট হাজার টাকা এবং ৩য় বিজয়ী ৬হাজার টাকা এছাড়াও চল্লিশোধর্ব দৌড় প্রতিযোগি ১ম বিজয়ী পাবে ৫হাজার,২য় বিজয়ী ৪হাজার ও ৩য় বিজয়ী পুরস্কার পাবে ৩হাজার টাকা।

    ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন মোবারক হোসেন,উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার রাঙামাটি ও পৌর প্রশাসক রাঙামাটি পৌরসভা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেনসহ রাঙামাটি জেলা পৌরসভার নেতৃবৃন্দ।

    পৌরসভার উপপরিচালক বলেন,বিশ্বের নিকট রাঙামাটি সৌন্দর্য পর্যটক কাপ্তাই লেক সবুজ পাহাড়, বনায়নকে  আরো পরিচিত এবং সবুজায়ন,আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন লক্ষ্য আমাদের মূল উদ্দেশ্য এই ম্যারাথন।আশাকরি খেলাধুলার মাধ্যমে মনোনিবেশ করে সকলে সুস্থ থাকবে এটাই প্রত্যাশা।

    এসময় কাপ্তাই সুইডেন পলিটেকনিক রোভার স্কাউটস, কাপ্তাই বন বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা ও রেডক্রিসেন্ট ম্যারাথন দৌড়ে নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন।