Category: সারাদেশ

  • পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের আয়কর অব্যাহতি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

    পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের আয়কর অব্যাহতি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালু এবং পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাস দমনের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হাদী চত্বরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    বিক্ষোভ সমাবেশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল অবঃ খন্দকার ফরিদুল আকবর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ লিগাল এইড’র সভাপতি এডভোকেট পারভেজ তালুকদার, শ্রমিক নেতা বজলুর রহমান বাবলু, ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান, স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টির আহবায়ক জিয়া উল হক, সাহিদুল ইসলাম, কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম, প্রভাষক নারগিস জুই, যুব নেতা সেলিম রেজা বাচ্চু, শাহপরান সাইম, রোজিনা আক্তার, তারেক রহমান শাওন প্রমুখ।

    এসময় পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় স্থায়ীভাবে বসবাসরত বাঙালি জনগোষ্ঠীকে আয়কর অব্যাহতির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য বিদ্যমান আয়কর অব্যাহতি সুবিধা বহাল থাকলেও একই অঞ্চলে বসবাসকারী বাঙ্গালীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা বৈষম্য সৃষ্টি করছে। ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত রাখার বিধান করা হয়। পরবর্তীতে আয়কর আইন, ২০২৩-এও সেই সুবিধা বহাল রাখা হয়। ২০২৬ সালের ১০ জুন জাতীয় সংসদে উত্থাপিত অর্থবিলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বেতন ও আর্থিক সম্পদ থেকে অর্জিত আয় করযোগ্য করার প্রস্তাব করা হলেও ব্যবসা, কৃষি ও অন্যান্য আয়ের করমুক্ত সুবিধা বহাল রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে পার্বত্য অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ২৯ জুন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র নৃ—গোষ্ঠীর বেতন আয়ও করমুক্ত রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই ভৌগোলিক এলাকায়, একি পরিবেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করেও আমরা আয়কর অব্যাহতির সুযোগ পাচ্ছি না। ফলে অর্থনৈতিক ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে পড়ছি।

    এসময় তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০.০৬ শতাংশ স্থানীয় বাঙ্গালি হলেও আমরা চাকরি, উচ্চশিক্ষা, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অংশীদারিত্ব থেকে বঞ্চিত। ১৯৯৭ সালের অবৈধভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি নামক কালো চুক্তির পর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, চাকরি, উন্নয়ন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাঙালিদের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, আমাদের কোনো বিষয় রাষ্ট্রের নিকট গুরুত্ব পাচ্ছে না।

    মোস্তফা আল ইহযায বলেন, দীর্ঘদিনের আয়কর অব্যাহতির ফলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি অংশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলার উপজেলা ভিত্তিক পর্যালোচনা করলে দেখা যায় অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ব্যক্তির বার্ষিক আয় এক কোটি টাকার বেশি, ৩০ থেকে ৪০ জনের আয় ৫০ থেকে ৯৯ লাখ টাকা, ৭০ থেকে ৮০ জনের আয় ২০ থেকে ৪৯ লাখ টাকা, প্রায় ১২০ থেকে ১৫০ জনের আয় ১১ থেকে ২০ লাখ টাকা, প্রায় ১৫০ থেকে ১৬০ জনের আয় ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং ২০০ জনের অধিক লোকের আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার মধ্যে রয়েছে। এই সংখ্যা সময়ের সঙ্গে বাড়ছে, এরাই পাচ্ছে আয়কর মওকুফের সুবিধা। পক্ষান্তরে বাঙ্গালীদের ক্ষেত্রে চিত্রটা ভিন্ন, একজন বাঙ্গালীনঠিকাদার কে তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী ৩.৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আয়কর দিতে হয়। ফলে দরপত্রে সেই ব্যয় যুক্ত করতে হয়। অন্যদিকে, আয়কর অব্যাহতির সুবিধাপ্রাপ্ত ঠিকাদারেরা তুলনামূলক কম দর দিতে পারেন, যা প্রতিযোগিতায় অসম অবস্থার সৃষ্টি করে বলে আমি মনে করছি।

    এডভোকেট পারভেজ তালুকদার বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা পরিষদে হস্তান্তরিত বিভাগসমূহের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির (১১-২০তম গ্রেড) চাকরিতে শতভাগ স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় পার্বত্য বাঙালি শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক কোটা চালুর দাবি জানাই।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের কতিপয় উপজাতির ‘আদিবাসী’ দাবি করার পেছনে গভীর ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। ১৯৭২ সালে মিস্টার লারমা যে বিতর্ক তুলে সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে বিদ্রোহ করেছিল তা দীর্ঘ আলোচনা প্রক্রিয়ার পর ১৯৯৭ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’ স্বাক্ষরের মাধ্যমে অবসান হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে নিজেদের পরিচয় হিসেবে অন্তত ৫০ বার অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ‘উপজাতি’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। এখন ‘আদিবাসী’ দাবি করা চরম স্ববিরোধিতা। ২০০৭ সালে জাতিসংঘ সনদ (UNDRIP) ঘোষণার পর থেকে মূলত ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় এই নতুন বিতর্ক চাঙ্গা করেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি পেলে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আইনি ভিত্তি তৈরির সুযোগ থাকে। তাই ‘আদিবাসী’ শব্দের আড়ালে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা বিনষ্টের অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। দেশের অখণ্ডতা সুরক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    সমাবেশ শেষে শাহবাগের শহীদ হাদী চত্বর থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

  • কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মোঃ মেহেদী হাসান ,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে রনজিৎ চন্দ্র মাঝি (৫৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    ​৩রা আগস্ট(সোমবার) রাত ১ঃ৩০ ঘটিকার সময় উপজেলার ০১নং সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের পূর্ববেতকা সাকিনস্থ মোঃ আবু সুফিয়ানের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তা থেকে, গাঁজা ও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এস আই রহমাতুল্লার নেতৃত্বাধীন কাউখালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,​আটককৃত রনজিৎ চন্দ্র মাঝি দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া তিনি মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিদের সাথেও জড়িত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে, আসামীকে আটক করা হয়েছে।
    এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। যাহার বাজার মূল্য আসামীর কথিত মতে =৫০০০/-(পাঁচ হাজার) টাকা ও ১০ (দশ) পিস হালকা কমলা রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট, ওজন= ১.০০ গ্রাম, যাহার মূল্য =৩০০০(তিন হাজার) টাকা।
    প্রতিনিয়ত মাদক নির্মূলে, মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পরিচালিত অভিযান, উপজেলার প্রতিটি মহল্লায় ব্যাপক সারা যুগিয়েছে। একইসাথে জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বস্ততা সহ আস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে।
    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাকদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র পুলিশের অভিযান দিয়ে মাদক ও অপরাধ দমন একেবারে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এলাকার সচেতন নাগরিক ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্ঠায় সকল ধরনের অপরাধ দমন করা সম্ভব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

  • কাপ্তাই শিশু নিকেতন শিক্ষার্থীদের মাঝে  জোন কমান্ডারের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

    কাপ্তাই শিশু নিকেতন শিক্ষার্থীদের মাঝে  জোন কমান্ডারের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি:

    পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কাপ্তাই শিশু নিকেতন স্কুলে সোমবার( ৩ জুলাই) বৃক্ষরোপণ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে প্রধান অতিথি  ছিলেন কাপ্তাই জোন কমান্ডার (৩৮ বীর) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ, পিএসসি। তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করেন।

    অনুষ্ঠানে শিশু নিকেতন স্কুলের অধ্যক্ষ রেহেনা আক্তার, কাপ্তাই জোনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় জোন কমান্ডার বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বেশি বেশি গাছ লাগানো ছাড়া  কোনো বিকল্প নেই। তিনি সবাইকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছ কাটা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার

    কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী মোঃ ইব্রাহিম(২০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    ​২ আগস্ট(রবিবার) রাত ৩ ঘটিকার সময় উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের হাওলাদার ও চৌকিদার বাড়ি সংলগ্ন মোঃ মিজানুর রহমান খানের, ফলজ বাগান থেকে সাত ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দুটি গাজা গাছ উদ্ধার করেন, এস আই মহিউদ্দিন ও এএসআই খাইরুল হাসানের নেতৃত্বাধীন, কাউখালী থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
    ​পুলিশ সূত্রে জানা যায়,​আটককৃত মোঃ ইব্রাহিম(২০) অবৈধভাবে, নিজ হাতে মোঃ মিজানুর রহমান খানের ফলজ বাগানে গাঁজার বীজ রোপণ করে। যা পরবর্তীতে বীজ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ গাছে পরিনত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে, গাছ সহ মোঃ ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মোঃ আব্দুল হালিম ও মোসাঃ রেহানা দম্পতির ছেলে।
    প্রতিনিয়ত মাদক নির্মূলে, মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পরিচালিত অভিযান, উপজেলার প্রতিটি মহল্লায় ব্যাপক সারা যুগিয়েছে। একইসাথে জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বস্ততা সহ আস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে।
    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাকদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • চন্দ্রঘোনায় ভারী বর্ষণে ৬১ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের  মাঝে জেলা পরিষদের চাল বিতরণ

    চন্দ্রঘোনায় ভারী বর্ষণে ৬১ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের  মাঝে জেলা পরিষদের চাল বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    সম্প্রতি অতি বৃষ্টিও ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষকে  রাঙামাটি জেলা পরিষদের উদ্যোগে কাপ্তাই  চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাঙামাটি জেলা পরিষদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য থেকে চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে  রাঙামাটি জেলা পরিষদের  সদস্য ক্যাসিং মং মারমার নেতৃত্বে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬১টি পরিবারের প্রত্যেককে ২০ কেজি করে চাল এবং অন্যান্য উপকারভোগীদের মধ্যে ১০ কেজি হারে চাল বিতরণ করা হয়।

    জেলা পরিষদ সদস্য ক্যাসিং মং জানান, রাঙামাটি জেলা পরিষদের জন্য বরাদ্দকৃত ৪০ মেট্রিক টন চালের অংশ হিসেবে চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে মোট ৮ হাজার ৫০০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন মামুন, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহিম হাবিব মিলুসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপকারভোগীরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • সাংবাদিকদের নিবন্ধন নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে; পটিয়ায় বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি

    সাংবাদিকদের নিবন্ধন নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে; পটিয়ায় বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি

    পটিয়া প্রতিনিধি।

    পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। তালিকাটি যেন করা না হয় সেজন্য একটি চক্র তালিকা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য চালাচ্ছে। তালিকা প্রণয়ন করা হলে সাংবাদিকদের অধিকার খর্ব হতে পারে এমন দোহাই দিয়ে কাজটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। এমনটি করা হলে সাংবাদিকদের জন্য সুখকর হবেনা। তিনি অবিলম্বে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রকাশের দাবি জানান।

    তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া ক্লাবে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার আয়োজনে সভা ও পত্রিকা হকার এবং বন্যাদূর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

    পটিয়া উপজেলা বিএমএসএফ এর সভাপতি এসএমএকে জাহাঙ্গীর এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এসএম জুয়েল এর সঞ্চালনায় এতে উদ্বোধক ছিলেন দক্ষিণ জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি এবং পটিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আবদুল হাকিম রানা।

    সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।

    সভায় বক্তব্য রাখেন ফারুকুর রহমান বিনজু, সৈয়দ শিবলী সাদিক কফিল, ওমর ফারুক, আবুল হোসাইন, নুরুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, আকতার হোসাইন, এস এম পারভেজ ও মকসুদুল আলম।

  • রাইখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস

    রাইখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী বাজারে  নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিম্নমানের পণ্য পুনঃপ্যাকেটজাতের অভিযোগে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. তোফায়েল আহাম্মদের নেতৃত্বে বাজারের মুদি দোকান, বেকারি, হোটেল ও রেস্টুরেন্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে বেলাল স্টোর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ চিপস, চকলেট, চানাচুর ও লজেন্সসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া মেসার্স আজগর স্টোর ও মেসার্স খাজা স্টোরে নিম্নমানের পণ্য পুনঃপ্যাকেটজাতের প্রস্তুতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

    নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. তোফায়েল আহাম্মদ জানান, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও বাজার মনিটরিং নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। তিনি খাদ্যপণ্য কেনার আগে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করার জন্য ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

  • একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের সেলিব্রেশন-পরবর্তী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

    একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের সেলিব্রেশন-পরবর্তী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

    গোলাম আজম ইরাদ,স্টাফ রিপোর্টার।

    একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের (এজিসি) সেলিব্রেশন-পরবর্তী পরামর্শ সভা শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ কচি-কাঁচা কমিউনিটি ভবনের চতুর্থ তলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের (এজিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. ফয়েজ আলম ভূঁইয়া।

    তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সদস্যদের ঐক্য এবং স্বাস্থ্যসচেতন সমাজ গঠনে এজিসির ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন এজিসির অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর তৌহিদুল ইসলাম সিয়াম।

    এছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন র্যাঙ্ক হোল্ডার ও সদস্যরা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নিজেদের মতামত ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।
    পরামর্শ সভায় বক্তারা বলেন, একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

    তারা সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ।
    সভায় এজিসির মূল দর্শন ও স্লোগান—
    “প্রকৃতিতে জন্ম মোদের, প্রকৃতিতে যাবো ফিরে;
    মধ্যখানের জিন্দেগীতে, সুস্থ থাকবো কেমন করে।”
    —কে সামনে রেখে প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনধারা গড়ে তোলার পাশাপাশি এজিসিকে নতুন রূপে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
    সভা শেষে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন, সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

  • কাপ্তাইয়ে শহীদ ওয়াসিম আকরাম স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাস্পিয়ন জায়েন্ট অফ পাহাড়তলী একাদশ চ্যাম্পিয়ন

    কাপ্তাইয়ে শহীদ ওয়াসিম আকরাম স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাস্পিয়ন জায়েন্ট অফ পাহাড়তলী একাদশ চ্যাম্পিয়ন

    কাপ্তাই ( রাঙামাটি)প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে শহীদ ওয়াসিম আকরাম স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাস্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম জেলার  রাউজান উপজেলার জায়েন্ট অফ পাহাড়তলী একাদশ।

    মঙ্গলবার (২১ জুলাই)  বিকেলে কাপ্তাই কর্ণফুলী সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে সৈয়দ শামসুদ্দীন আহমেদ তিবরিজী স্মৃতি সংঘ কর্তৃক আয়োজিত  ফাইনাল খেলা তাঁরা  রাউজান রাবার বাগান একাদশকে ৮ উইকেটে পরাজিত করে।

    বৃষ্টি কারনে নির্ধারিত ১৪ ওভারের পরিবর্তে ৬ ওভার করে খেলা পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেন আয়োজক কমিটি। প্রথমে  ব্যাট করে   রাউজান রাবার বাগান ক্রিকেট একাদশ ৬ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান করে। জবাবে জায়েন্ট অফ পাহাড়তলী একাদশ ২ উইকেট হারিয়ে ৪ ওভার ২ বলে ৫৮ রান করে জয়লাভ করে।

    খেলা শেষে প্রধান অতিথি  উপস্থিত থেকে উভয় দলের মধ্যে পুরস্কার এবং ট্রফি বিতরণ করেন কাপ্তাই ব্যাটলিয়ন ( ৪১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস। এসময় তিনি বলেন,  জুলাই আন্দোলনের চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম এর নামে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। তরুনদের ভালো মতো বাঁচার জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই।

    টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন এর সভাপতিত্বে টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মো: ইব্রাহিম এর সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কর্ণফুলী সরকারি ডিগ্রি কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন।

    এসময় ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: জাকির হোসেন, কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির যুগ্ম সম্পাদক আনিছুর রহমান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য কৃতি ফুটবলার মো:  জামাল উদ্দিন সহ ক্রীড়ামোদী দর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন  টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সদস্য আবদুল্লাহ আল মামনু অপু। সহযোগিতায় ছিলেন মো রজব আলী রাজু, মোশাররফ হোসেন রিংকু, ইয়াকুব, আমিনুল ইসলাম সজল, মো: ইউসুফ আলী।

    ফাইনাল খেলা পরিচালনা করেন  নোমান এবং মোহাম্মদ ওমর ফারুক সিকদার( মনা)।

    খেলা ধারা বর্ণনা দেন ওসমান গনি তনু।

    টুর্নামেন্টে মোট ১৬ টি দল অংশ নেন।

  • দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদে মিলল নিখোঁজ বিএনপি নেতার মরদেহ

    দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদে মিলল নিখোঁজ বিএনপি নেতার মরদেহ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে নিখোঁজ বিএনপি নেতা মো. মাসুদের (৫৩) মরদেহ। তিনি কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর ইউনিয়ন   ৬ নম্বর  ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন।

    রোববার (২০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার  দিকে কাপ্তাই ইউনিয়নের গর্জনটিলা এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা হ্রদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

    ফায়ার সার্ভিস টিম লিডার রেজাউল করিম  জানায়, উদ্ধার করা মরদেহটি আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য কাপ্তাই থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এর আগে ব্যবসায়িক কাজে বিলাইছড়ি ও ফারুয়া থেকে নিজস্ব নৌকায় কাপ্তাই ফেরার পথে মো. মাসুদ নিখোঁজ হন। এরপর থেকে পরিবারের সদস্য কাপ্তাই জেলা,উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ,  স্থানীয় বাসিন্দা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তাকে উদ্ধারে তৎপরতা চালিয়ে আসছিল।  অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    রাঙামাটি বিএনপির যুগ্নসম্পাদক ও কাপ্তাই উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন জানান ,বিএনপি নেতা  মাসুদকে নিখোঁজ এর পর হতে নদীতে জাল ফেলে হন্য হয়ে খুজার পর তাঁর লাশ দু’দিন পর পেয়েছি। ধারনা করা হচ্ছে স্ট্রোক করে  নদীতে পড়ে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।

    কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল হাকিম জানান, মাসুদ এর লাশ অনেক খোঁজার পর আমরা লেকে ভাসমান অবস্থায় পেয়েছি। লাশের বিষয়ে অন্য কোন অভিযোগ নেই বলে জানান।

    মৃত্যু মাসুদের ছোট ভাই মাসুম জানান,আমরা লাশ ভাসমান অবস্থায় পেয়েছি। তবে এ বিষয়ে আমাদের কোন অভিযোগ বা অন্যকোন অভিযোগ নেই।

    কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাদুল হাসান রুবেল (ওসি)জানান, আমরা লাশ তদন্ত করে দেখেছি, এবং যা বুঝতে পারলাম , হঠাৎ করে মাসুদ স্ট্রোক করে পানিতে তলিয়ে গিয়ে দূর্ঘটনার স্বীকার হয়। তবে তার পরিবারের পক্ষ হতে এ বিষয়ে কোন  অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিকাল ৫টায়  বিএনপি নেতা মাসুদের লাশ জানাজা শেষে লক্ষ্মীপুর জেলা নোয়াহাট গ্রামে নেয়া হয়।