Category: সারাদেশ

  • বিশ্ব হাতি দিবসে কাপ্তাইয়ে র‍্যালি ও আলোচনা সভা: হাতির আবাসস্থল রক্ষার আহ্বান

    বিশ্ব হাতি দিবসে কাপ্তাইয়ে র‍্যালি ও আলোচনা সভা: হাতির আবাসস্থল রক্ষার আহ্বান

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হাতির সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও খাদ্যসংকটসহ নানা কারণে হাতি লোকালয়ে চলে আসছে। হাতির চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করা, আবাসস্থল ধ্বংস না করা এবং হাতির কাছাকাছি গিয়ে মোবাইল ফোনে ছবি বা ভিডিও ধারণ করে জীবনের ঝুঁকি না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

    বুধবার (১২ আগস্ট) বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে আয়োজিত র‍্যালি ও আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জের আয়োজনে বুধবার(১২ আগস্ট)  সকাল সাড়ে ১১টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    দক্ষিণ বন বিভাগ এর সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ জামাল হোসেন তালুকদার এর সভাপতিত্বে এবং  সহকারী তথ্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্ত মোঃ মামুনুর রহমান।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ এবং কর্ণফুলী রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার ফজলে রাব্বি সরকার।

    বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে হাতির সংখ্যা ছিল ৩৬টি। বর্তমানে সেখানে আনুমানিক ৪২ থেকে ৪৫টি হাতি রয়েছে। বনাঞ্চলে হাতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও খাবারের সংকটের কারণে অনেক সময় হাতি লোকালয়ে চলে আসে। এতে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়।

    তারা বলেন, ‘নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় হাতিকে বাঁচাতে হবে।’ মানুষের প্রয়োজনেই বন উজাড় করা হয়েছে। ফলে হাতির প্রাকৃতিক আবাসস্থল ও খাবারের উৎস সংকুচিত হচ্ছে। তাই হাতির আবাসস্থল রক্ষা এবং বন সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    বক্তারা আরও বলেন, হাতি চলাচলের করিডোরে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। হাতির আবাসস্থল ধ্বংস কিংবা দখল করা থেকে বিরত থাকতে হবে। একই সঙ্গে হাতি লোকালয়ে এলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বন বিভাগকে খবর দিতে হবে। কৌতূহলবশত হাতির কাছে গিয়ে ছবি বা ভিডিও ধারণ করা থেকে বিরত থাকার জন্যও তারা আহ্বান জানান।

    এর আগে বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে স্কুলশিক্ষার্থী, বন বিভাগের কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বনের ওপর নির্ভরশীল উপকারভোগীদের অংশগ্রহণে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।

    আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব হাতি দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০০ শিক্ষার্থীর মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।পরে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

  • সাংবাদিক সুরক্ষা আইন ৩ মাসের মধ্যেই করতে হবে

    সাংবাদিক সুরক্ষা আইন ৩ মাসের মধ্যেই করতে হবে

    স্টাফ রিপোর্টার।

    সাংবাদিক সুরক্ষা আইন আগামী ৩ মাসের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে। অনেক টালবাহানা দেখেছি, বৈষম্য দেখেছি- আর নয়।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি ঢাকা জেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারের টালবাহানা দেখেছি। আর দেখতে চাইনা, এবার আইন চাই।

    তিনি বলেন, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের ব্যাপারে ৮ আগস্ট কুমিল্লায় আমরা আল্টিমেটাম দিয়ে এসেছি। নভেম্বর পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করবো। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে আইনটি প্রণয়ন করা না হলে আন্দোলন ছাড়া গতি নেই।

    তিনি বলেন, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন এবং পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। পেশার অস্তিত্ব ও মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করে সাংবাদিকতা অঙ্গনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিতে সরকারের নিকট আহবান জানান তিনি।

    জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ঢাকা জেলার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন। চলতি মাসের মধ্যে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের এক সভা অনুষ্ঠিত।

    মঙ্গলবার (১১আগস্ট২৬) সকাল ১১টায় রাইফেল ক্লাবের সভা উপজেলা কার্যালয়ে নির্বাহী অফিসার মোঃ রায়হানুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রাইফেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম কাদেরী, সহসাধারণ সম্পাদক সিএম এ কাদের বাচ্চু, অর্থ সম্পাদক কাজী মোশাররফ হোসেন, আজিবন সদস্য ফিরোজ  আলম চৌধুরী ,  সদস্য  জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি  ডাঃ রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, শাহাবুদ্দিন চৌধুরী,  নুর বেগম মিতা,লাকী তনচংগ্যা,বিদর্শন বড়ুয়া, মংসুইপ্রু মারমা,ইঞ্জিনিয়ার আদিল হোসেন চৌধুরী, সরোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ। সভায় কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের গৃহ নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এবং কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী জাতীয় শুটিং ফেডারেশন আহবায়ক কমিটির  সদস্য লাভ করার সভায় কাপ্তাই রাইফেল ক্লাবের পক্ষ হতে অভিনন্দন জানানো হয়।

  • কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫দিন  নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু, প্রথম দিন রাজস্ব আয় ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা

    কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫দিন  নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু, প্রথম দিন রাজস্ব আয় ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫ দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু হয়েছে।

    সোমবার (১০ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে কাপ্তাইয়ের জেটিঘাটে অবস্থিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। ফলে  কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিকদের মাঝে।

    মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কাপ্তাই লেকের বিভিন্ন এলাকা—বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, বিলাইছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে জেলেরা নানা প্রজাতির মাছ নিয়ে আসতে থাকেন। সারি সারি বোটে চাপিলা, কাচকি, টেংরা, আইড়, বাইম, বাচা, কালিগুনিয়া, পাবদাসহ বিভিন্ন জাতের মাছের ড্রাম নিয়ে ঘাটে ভিড় করতে দেখা যায়।

    মৎস্য ব্যবসায়ীরা শুল্ক পরিশোধের পর মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে ট্রাকে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলায়  পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর জেলে, ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিকদের ব্যস্ততায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

    মৎস্য ব্যবসায়ী জিয়াউল হক জিয়া, সাজ্জাদ, মো. মাইনুদ্দীন এবং ঘাট শ্রমিক আজগর আলীসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে  জেলেরা ইঞ্জিনচালিত বোট ভর্তি  করে মাছ নিয়ে আসছেন। প্রথম দিন কাচকি, চাপিলা, টেংরা, বাচা, আইড়, কালিগুনিয়া, পাবদা ও বাইম মাছ বেশি ধরা পড়েছে। লেকের পানি কমে এলে ধীরে ধীরে বড় আকারের মাছও বেশি ধরা পড়বে বলে তারা জানান।

    তারা আরও জানান, কাপ্তাই লেক থেকে আহরিত এসব মাছ চট্টগ্রাম, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।

    কাপ্তাই মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নবী হোসেন ও অর্থ সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দীন জানান, দীর্ঘ ৩ মাস ১৫ দিন পর নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। রাঙামাটির মাইনি, শুভলং, বিলাইছড়ির গাছকাটা ছড়া, রাইংখং খালসহ লেকের বিভিন্ন এলাকা থেকে জেলেরা মাছ ধরে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসছেন। এসব মাছ শুল্ক পরিশোধের পর চট্টগ্রাম, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। তবে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাশে লেকে কচুরিপানা থাকায় অবতরণ কেন্দ্রে বোট ভীড়তে কষ্ট হচ্ছে।

    কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন উপকেন্দ্রের প্রধান জসিম উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ অবতরণ শুরু হয়। এদিন বেলা ১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ২৮ হাজার ৮৬৬ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অবতরণ হয়েছে। এসব মাছের বিপরীতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। উল্লেখ্য রাঙামাটি জেলা প্রশাসক   কাপ্তাই লেকে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি বছর ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের জন্য মাছ আহরণ, বাজারজাত ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। পরে লেকের পানির পরিস্থিতি বিবেচনায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়।

    নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সোমবার মধ্যরাত থেকে পুনরায় কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়।

  • আখাউড়ায় ১০ আগষ্ট কল্লাশহীদের ওরশ উদযাপন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

    আখাউড়ায় ১০ আগষ্ট কল্লাশহীদের ওরশ উদযাপন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ায় ঐতিহ্যবাহী খড়মপুর হযরত শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ প্রকাশ্য শাহ্পীর কল্লা শহীদ (র:) সপ্তাহ ব্যপী বার্ষিক ওরশ মোবারক আগামী ১০ আগষ্ট থেকে শুরু হবে।

    শনিবার (৮ আগস্ট) ২০২৬ ইং তারিখ সকাল পৌর শহরের খড়মপুর মাজার শরীফ পরিচালনা কমিটির সভা সম্মেলন কক্ষে ওরশের সার্বিক বিষয় নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মাজার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া, মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু ও সদস্য কাজী শরীফ খাদেম।

    কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু বলেন, আগামী ১০ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত সপ্তাহ ব্যপী ওরশ মোবারক অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহ শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

    ওরশ উপলক্ষে দেশ ও দেশের বাহির থেকে খড়মপুর মাজারে লাখ লাখ ভক্ত মেহমানের সমাগম হয়ে থাকে। উরশ শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে মাজার পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি খাদেম স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবে। ৩৮ সিসি টিভি ক্যামেরা দ্বারা মাজার শরীফ এলাকা সার্বক্ষনিক মনিটরিং করা হবে।

    মাজার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও ইউএনও তাপসী রাবেয়া জানান, ওরশ চলাকালীন সময়ে মাজার শরীফ এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিন শতাধিক পুলিশ, দুই প্লাটুন ব্যাটালিয়ন আনসার নিয়োজিত থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি, র‌্যাব, বিজিবি, নৌ পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করবেন। ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল টিমও থাকবে। এছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থাকবেন। আশা করি সকলের সহযোগিতায় সুষ্ঠুভাবে ওরশ উদযাপন করতে পারবো।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ কফিন উদ্দিন মাহমুদ, আখাউড়া থানার সেকেন্ড অফিসার জাহেদুল কাদের, মাজার কমিটির সদস্য তাকদীর খান খাদেম,কামরুল হাসান খাদেম,কাজী রুপম খাদেম, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ আরো অনেকেই ছিলেন।

  • সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন

    সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন

    স্টাফ রিপোর্টার।
    ‎গণমাধ্যম কমিশন গঠন করে সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

    তিনি বলেন, দেশে বিভিন্ন কারণে সাংবাদিক নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে চলেছে। এবং সাংবাদিক হত্যারও বিচারও সেভাবে হচ্ছেনা। দেশ গঠনের পর এ যাবত অনেক সাংবাদিক হত্যার শিকার হলেও অধিকাংশ হত্যা মামলার বিচার হয়নি।
    ‎বাসন মেট্রো থানার প্রেসক্লাবের সভাপতি সাজ্জাকুল ইসলাম রাজ্জাকের সভাপতিত্বে জার্নালিস্ট ওয়েলফার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহীম খলিল ও বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসান মিয়ার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর আরো বলেন, এভাবে চলতে থাকলে নিরাপদে এই পেশায় কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। এখনও সময় আছে, পেশাটির মান রক্ষায় সকলের এগিয়ে আসা উচিত। চারিদিকে ভিন্ন পেশার মানুষেরা সাংবাদিকতায় অনুপ্রবেশ করে পেশাটি কলুষিত করছে, তাদেরকে রুখে দেওয়া উচিত। তাই দ্রুত পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করতে সরকারের নিকট আহবান জানান। এই তালিকায় যেনো অন্য কোনো পেশার মানুষের নাম না ওঠতে পারে সেদিকে সাংবাদিকদের নজর রাখতে হবে। গাজীপুরে কর্মরত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    শুক্রবার ৭ আগস্ট সকাল ১০টায় গাজীপুর চৌরাস্তায় তুহিন চত্বরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার এক বছর উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন।
    ‎তুহিন হত্যা দিবস ও সারাদেশের সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ এবং শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকটি ব্যানারে গাজীপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন গুলো একাত্বতা প্রকাশ করে দ্রুত তুহিন হত্যার বিচার দাবি করেন।

    ‎সমাবেশে বক্তব্য আরো রাখেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, প্রতিদিনের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক।

    এছাড়াও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা সিকান্দার আলী কাবুল, জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আখতারুজ্জামান, ভাওয়াল প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাজহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম হোসেন, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের গাজীপুর মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল বারী, জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের মোঃ ইব্রাহিম খন্দকার, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ গাজী মামুন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সদস্য মোঃ হাসান মিয়া, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা গাজীপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফিরোজ মিয়া, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার সোসাইটির আহবায়ক মো: মানিক, মহানগর প্রেসক্লাবের মো: শহিদুল ইসলাম, বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনজুর আলম সরকার, মোঃ রানা সাংবাদিক ও অভিনেতা, হেলেনা আক্তার, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়াসহ গাজীপুর জেলা, মহানগরের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রোনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

    প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে তৃহিন চত্বরে কয়েকটি ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং মেট্টো থানা প্রেস ক্লাবে দোয়া মিলাদ ও তবারক বিতরণ করা হয়।

  • সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য’র ছেলে রাসেল নিহত

    সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য’র ছেলে রাসেল নিহত

    কাপ্তাই(রাঙামাটি) প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই – চট্টগ্রাম সড়কের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কাটাখালী তক্তারপুল এলাকায় লাল-সবুজ পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় মো. রাসেল (২৩) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় তার ডান পা উরু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    ঘটনাটি ঘটেছে   বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত দশটায়।

    নিহত রাসেল রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২নং রাইখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের  বর্তমান ইউপি সদস্য শেখ মোহাম্মদ নাছের মেম্বারের একমাত্র  ছেলে।

    স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম বাপ্পা, আবুল কাসেম জানান,  চট্টগ্রাম শহর থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে নিজ বাড়ি কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ফিরছিলেন রাসেল। পথিমধ্যে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের কাটাখালী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী ‘লাল-সবুজ পরিবহন’-এর একটি বাস প্রথমে একটি ভ্যানগাড়িকে ধাক্কা দেয়। ঠিক তার পেছনেই থাকা রাসেলের মোটর সাইকেলটিকেও বাসটি সজোড়ে পিষ্ট করে দেয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন এবং তার ডান পা উরু থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    ঘটনার পর যাত্রী নিয়ে রাঙ্গুনিয়া আসা হাটহাজারী এলাকার সিএনজি চালক বাদশা এবং চন্দ্রঘোনা বুইজ্জার দোকান এলাকার নেছারুলসহ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইছাখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে নিহতের চাচা আব্দুল বারেক জানান, শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন রাসেল।

    বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির উদ্দিন জানান, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি দুর্ঘটনা কবলিত যান দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও উদ্ধার অভিযান চালান। এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় কাউখালীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপিত

    যথাযোগ্য মর্যাদায় কাউখালীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপিত

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস বাংলাদেশের একটি জাতীয় দিবস। ২০২৫খ্রিঃ থেকে প্রতি বছর ৫ই আগস্টে পালিত হয়ে আসছে। ২০২৪খ্রিঃ ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসন আমলের পরিসমাপ্তি ঘটে। যা পরবর্তীতে ৩৬ জুলাই নামে বাংলার ইতিহাসে স্থান পায়।বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালের ২৬শে জুন ৫ই আগস্টকে সরকারিভাবে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
    এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশের ন্যায়, পিরোজপুরের কাউখালীতেও গত ৫ই আগষ্ট(বুধবার) নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপনের আয়োজন করেন কাউখালী উপজেলা প্রশাসন।
    দিবসটি উপলক্ষে এক বর্নাঢ্য র‍্যালী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।
    পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে,সন্ধ্যা সাত ঘটিকার সময় উপজেলা হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত আলোচনা সভায়, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।
    এ সময় প্রধান অতিথি, প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর তার বক্তব্যে বলেন, গত ২০২৪ খ্রিঃ আজকের এই দিনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও বৈষম্যহীন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে দেশের সকল শ্রেনীর ছাত্র সমাজ ও সাধারণ মানুষ তার স্বীয় জীবনের মায়া ত্যাগ করে, রাজপথে নেমে এসেছিল।
    প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ এ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা। তাই আমি এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বানও জানাচ্ছি।
    উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম আহসান কবির, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) রাইসুল ইসলাম, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. দ্বীন মোহাম্মদ, সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান মিঞা, জুলাই সংগ্রামের অকুতোভয় সাহসী যোদ্ধা মোঃ জসীম উদ্দীন এবং মোঃ পলাশ হোসেন প্রমুখ।
    আলোচনা শেষে উপস্থিত, জুলাই যোদ্ধাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়।
    পরিশেষে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
    অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনায় ছিলেন
    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক।

  • কাপ্তাইয়ে  টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট সমূহ (SDGs) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাইয়ে  টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট সমূহ (SDGs) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট সমূহ (SDGs) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত উপজেলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কাপ্তাই  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার  (৬ আগস্ট) সকাল ১১ টায়  উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষ  কিন্নরীতে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগামী ১০ আগস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে  কাপ্তাই উপজেলার ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন এর মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে এসডিজি ভিলেজ হিসেবে ঘোষণা করবেন। সেই লক্ষ্যে সকল বিভাগের তথ্য  সমুহ যাতে প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা যায়, সেই জন্য সকলকে প্রস্তুতি রাখতে হবে।

    এসময় বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি)  নেলী রুদ্র, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন,  রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ডা: রহমত উল্লাহ,  কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, কাপ্তাই উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ এনামুল হক হাজারী, কাপ্তাই স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রুইহ্লা অং মারমা, উপজেলা কৃষি অফিসার আহসান হাবীব, কাপ্তাই উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো: শাহআলম,  কাপ্তাই থানার উপ-পরিদর্শক সাইমুল ইসলাম, কাপ্তাই উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, পিআইএ ফরহাদ হোসেন, সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন,  কাপ্তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহমুদ হাসান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকের,  কাপ্তাই উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ ঘোষ,  উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর জিন্নাতুন নাহার,   সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আঁখি তালুকদার,  কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাদাত হোসেন, কাপ্তাই রেঞ্জ অফিসার মামুনুর রহমান,   ১১৯ নং ভাইয্যাতলী মৌজার হেডম্যান থোয়াই অং মারমা প্রমুখ।

    এসময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,  জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাউখালীতে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়

    কাউখালীতে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে রঘুনাথপুর ইজিএস শিক্ষা নিকেতনের উদ্যোগে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক ও সুধী সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৪ আগস্ট(মঙ্গলবার) সকাল ১১ ঘটিকার সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়।

    প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

    এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার বক্তব্যে বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও মানসম্মত পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, একটি শিক্ষার্থীর নৈতিকতা বিকাশে পারিবারিক শিক্ষা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে তিনি সামাজিক অবক্ষয় থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শও প্রদান করেন।
    বিশেষ অতিথি অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের যে কোন আইনি বিষয়ে সহযোগিতা করতে কাউখালী থানা বদ্ধপরিকর। তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস,ইভটিজিং ও বাল্য বিবাহ থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশনাও প্রদান করেন বলে জানা গেছে।
    অনুষ্ঠানটির সভাপতি এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৬৬খ্রিঃ গড়া এই প্রতিষ্ঠানটি উপজেলায় অত্যান্ত সুনামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকার সচেতন মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
    অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সবুজ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষক তানভীর আহমেদ, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির এবং শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান।
    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ ও সদস্য সচিব রাকিব তালুকদারসহ অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল আমিন।