Category: সারাদেশ

  • বরিশালের সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বিএমএসএফের শোক প্রকাশ

    বরিশালের সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বিএমএসএফের শোক প্রকাশ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ঢাকা, শনিবার, ২২আগস্ট, ২০২৬ খ্রী: বরিশাল প্রেস ক্লাবের সদস্য এম মিরাজের মৃত্যুতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে। তিনি শনিবার ২২ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে ঢাকা নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নন হজকিং লিম্ফোমা রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

    তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় সকলের নিকট দোয়া চাওয়া হয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরে তিনি দৈনিক ভোরের কাগজের বরিশাল ব্যুরোসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে বরিশালে সাংবাদিকদের মাঝে শোকের ছায়া পড়েছে।

  • বরগুনায় নারী নির্যাতন মামলার তদন্তে গড়িমসির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাদীর আবেদন

    বরগুনায় নারী নির্যাতন মামলার তদন্তে গড়িমসির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাদীর আবেদন

    বরগুনা প্রতিনিধি:

    বরগুনার পাথরঘাটায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা একটি মামলার তদন্তে গড়িমসি, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বিলম্ব এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মামলার বাদী মোসাঃ তানজিলা আক্তার।

    এ বিষয়ে গত ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেন তানজিলা আক্তার। আবেদনের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ, বরগুনার পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর এবং মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবেদনে মামলার এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে (১) মোঃ আল আমিন (৩০), পিতা—মোঃ ফারুক হোসেন; (২) মোঃ ফারুক হোসেন (৫৮), পিতা—মৃত আহম্মেদ খন্দকার; এবং (৩) মোসাঃ হাজেরা বেগম (৪৮), স্বামী—মোঃ ফারুক হোসেন-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই বরগুনার বামনা উপজেলার দক্ষিণ রামনা, ৩ নম্বর রামনা ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবেদনে তানজিলা আক্তার অভিযোগ করেন, গত ৮ মে ২০২৬ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বিবাদীরা তাকে মারধর ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। পরে ওই দিন তিনি বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং ১০ মে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    এরপর ১৩ মে নিজের জীবনের নিরাপত্তা, কাবিননামা উদ্ধার, যৌতুক নির্যাতনের প্রতিকার, ন্যায়বিচার এবং অভিযুক্ত ১ নম্বর ব্যক্তির বিদেশ গমন স্থগিতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন বলে জানান তিনি।

    তানজিলার অভিযোগ, এর পরদিন ১৬ মে ১ নম্বর বিবাদী ছাড়া অন্যান্য বিবাদীরা তাদের বাড়িতে এসে যৌতুকের বিষয় নিয়ে কথাবার্তার একপর্যায়ে তাকে পুনরায় মারধর করেন। এ ঘটনায় ওই দিনও তিনি বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পরবর্তীতে ১৭ মে ২০২৬ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরগুনায় পিটিশন মামলা নং-১৪২/২০২৬ দায়ের করেন তানজিলা আক্তার। আদালতের নির্দেশনার পর সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বাদীর অভিযোগ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার এসআই মোঃ হুমায়ুন আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কালক্ষেপণ করছেন। তদন্তের বিষয়ে তাকে বিভিন্নভাবে প্রশ্ন করে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    আবেদনে তানজিলা আরও অভিযোগ করেন, আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে উল্টো প্রশ্ন করে বলেন—‘কোন কোন বিবাদীকে ধরব?’ তদন্তকারী কর্মকর্তার এমন আচরণে তিনি উদ্বিগ্ন ও হতাশ হয়ে পড়েছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন।

    বাদীর দাবি, তদন্তে এ ধরনের বিলম্ব ও তদন্তকারী কর্মকর্তার আচরণের কারণে মামলাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত নাও হতে পারে এবং তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগসাজশ বা প্রভাবের কারণে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন কি না, সে বিষয়টিও নিরপেক্ষভাবে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার এসআই মোঃ হুমায়ুন বলেন, মামলার এজাহারে ১ নম্বর আসামি মোঃ আল আমিন বিদেশে অবস্থান করছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত ওই আসামিকে কীভাবে গ্রেপ্তার করা হবে, সে বিষয়ে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আসামিরা সত্যিই বাদীকে মারধর করেছেন কিনা, সে বিষয়েও তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

    তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে বাদীর দাবি, মামলার তদন্তে অযথা বিলম্ব করা হচ্ছে এবং তিনি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা ও নিরপেক্ষ তদন্ত চান।

    উল্লেখ্য, বাদীর করা পিটিশন মামলার নথিতে ১ নম্বর আসামি মোঃ আল আমিনের বিদেশে অবস্থান এবং দেশে ফিরে আসার বিষয়ে তথ্য রয়েছে। ফলে তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্যে উল্লিখিত ‘বিদেশে অবস্থান’ সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি মামলার মূল নথিতে থাকা সংশ্লিষ্ট তথ্যও যাচাই করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    এ অবস্থায় বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনবোধে তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন এবং কোনো ঊর্ধ্বতন বা নিরপেক্ষ কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটির তদন্তের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন বাদী। একই সঙ্গে এজাহারনামীয় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি, চাপ বা হয়রানির শিকার হতে না দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    আবেদনের সঙ্গে ৮ মে ও ১৬ মে তারিখের চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র, ১০ মে দায়ের করা অভিযোগের অনুলিপি, ১৩ মে বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া আবেদনের অনুলিপি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, বরগুনায় দায়ের করা পিটিশন মামলা নং-১৪২/২০২৬-এর কাগজপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • কাউখালীতে নাগরিক উদ্যোগের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    কাউখালীতে নাগরিক উদ্যোগের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে কমিউনিটি ভিত্তিক বিরোধ,মীমাংসার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে নারী ও পুরুষ সমঅধিকার নিশ্চিতকরণে, নাগরিক সমাজের ভূমিকা ও করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ২২শে আগস্ট(শনিবার) সকাল ১১ ঘটিকার সময় সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয়,আরজে মেডিয়েশন সেন্টারে এ সভার আয়োজন করা হয়।
    উপজেলার ৩নং সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুল আলম বাদলের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী ব্র্যাক কমিউনিটি প্যারালিগ্যাল মিঠুন দত্ত, সিনিঃ শিক্ষক মোঃ মেহেদী হাসান নয়ন, কাউখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি রবিউল হাসান রবিন,সাংবাদিক এনামুল হক,সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম পান্নু,সাংবাদিক নুরুজ্জামান খোকন, উপজেলা নাগরিক উদ্যোগের প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ মহসিন মিয়া, উপজেলা মহিলা নেত্রী ও আরজেএমএফ সদস্য শামীমা আক্তার প্রমুখ।

    আলোচনা সভায় বক্তারা তৃণমূল পর্যায়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করতে মূলত স্থানীয় শালিস ব্যবস্থা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কমিউনিটি পর্যায়ে জেন্ডার ন্যায্যতা নিশ্চিত করে বিচার প্রাপ্তির পথকে সহজ করা এবং
    মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এলাকায় কর্মরত সকল এনজিও কর্মী ও নাগরিক সমাজকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেন।
    ​উক্ত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন,কমিউনিটি প্যারালিগ্যাল সুমা মীর,হোসনেয়ারা খানম, জীবনকৃষ্ণ দাস,কর্মসূচি সহকারি শংকর কর্মকার,কাউখালী মহিলা পরিষদের প্রতিনিধি এবং আরজেএমএফ এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনটির এরিয়া কো-অর্ডিনেটর সুপ্রিয় দত্ত।

  • কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পরিদর্শনে সচিব-দাউদ মিয়া,এনডিসি

    কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পরিদর্শনে সচিব-দাউদ মিয়া,এনডিসি

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাইয়ে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দাউদ মিয়া,এনডিসি।

    তিনি সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর বিভিন্ন বিভাগ,উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন ও  শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়  করেন। শনিবার(২২ আগস্ট ২৬) দুপুর ১টায় সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভা করা হয়।সভায় বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (অতিরিক্ত দায়িত্ব)এর সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ দাউদ এনডিসি।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন সামসুর রহমান খান অতিরিক্ত সচিব(উন্নয়ন অনু বিভাগ),কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, মোঃ মাহামুদ হাসান,যুগ্মসচিব পরিচালক(পরিকল্পনা ও উন্নয়ন)কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা,প্রকৌশলী মোঃ রুহুল আমিন চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা,কাজী ফারুক আহমদ পরিচালক (উপসচিব),আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগ, কুমিল্লা, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রায়হানুল ইসলাম,সাবেক অধ্যক্ষ রূপক কান্তি  বিশ্বাস ও আইএলও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ।

    এসময় সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর বিভাগীয় প্রধান,কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাপ্তাইয়ে ১০০ খামারির মাঝে গো-খাদ্য বিতরণ

    কাপ্তাইয়ে ১০০ খামারির মাঝে গো-খাদ্য বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ১০০ জন খামারির মাঝে গো-খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে  ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের হাতে এসব গো-খাদ্য তুলে দেওয়া হয়।

    এসময় প্রত্যেক খামারিকে ৭ কেজি করে মিশ্র গো-খাদ্য প্রদান করা হয়। এ গো-খাদ্যের মধ্যে ছিল পাতা ভুষি, কুড়া, সয়াবিন মিল, ভুট্টা, ভিটামিন-মিনারেল প্রিমিক্স, সাদা মটর ছোলা,   সরিষার খৈল ও লবণ।

    খামারিদের হাতে গো-খাদ্য তুলে দেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হানুল ইসলাম, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন  ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো:  এনামুল হক হাজারী।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চিহ্লাউ মারমা, অমল কান্তি বড়ুয়া, মনোরঞ্জন তনচংগ্যা ও বিশ্বামিত্র চাকমা এবং কাপ্তাই প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত।

  • কাপ্তাইয়ের উথোয়াইমং মারমা রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য

    কাপ্তাইয়ের উথোয়াইমং মারমা রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য

    কাপ্তাই (রাঙামাটি)প্রতিনিধি।

    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পুনর্গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে সদস্য হিসেবে জায়গা পেয়েছেন কাপ্তাইয়ের চিৎমরম ইউনিয়নের বাসিন্দা উথোয়াইমং মারমা।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    উথোয়াইমং মারমা কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

    মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পুনর্গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে তাকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    কাপ্তাইয়ের চিৎমরম ইউনিয়নের বাসিন্দা উথোয়াইমং মারমা রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে উথোয়াইমং মারমা কাপ্তাইসহ পার্বত্য এলাকার মানুষের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

  • কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর হামলায় আটক-১

    কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর হামলায় আটক-১

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে সরকারি দায়িত্ব পালনকালে নৌ পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
    ১৯শে আগস্ট(বুধবার) দুপুর পৌনে দুইটার দিকে উপজেলার ২ নং আমরাজুড়ি ইউনিয়নের কুমিয়ান এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ পন্টুন সংলগ্ন গোপাল স্টোরের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
    এ সময় এক পুলিশ কনস্টেবলকে ছুরিকাঘাত ও ইট দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধারে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পরিদর্শকসহ আরও পাঁচ পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়,সন্ধ্যা নদীতে নিয়মিত টহল শেষে নৌ পুলিশের একটি দল ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট এলাকায় ফুট পেট্রোল করছিল। এ সময় একই এলাকার মোঃ কালাম ব্যাপারীর পুত্র মোঃ শান্ত(২২), পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে গালিগালাজ করতে থাকেন। পুলিশ সদস্যরা তার এ অশোভন আচরণের কারণ জানতে চাইলে তৎক্ষনাত সে পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

    খবর পেয়ে কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে শান্তকে শান্ত করার চেষ্টা করলে এ সময় শান্ত ও তার সহযোগীরা বাঁশের লাঠি,ইট ও ধারালো চাকু নিয়ে নৌ পুলিশের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। হামলাকারীরা কনস্টেবল মোঃ জাকির হোসেনকে চাকু ও ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে
    কনস্টেবল জাকিরকে উদ্ধারে নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন,এসআই প্রসেনজীৎ দেবনাথ, কনস্টেবল শ্যামলেশ কুমার মন্ডল,কনস্টেবল মোঃ সাকির হোসেন ও কনস্টেবল মোঃ পারভেজ শিকদার এগিয়ে এলে তারাও হামলায় আহত হয় বলে জানা গেছে।
    এ সময় পুলিশ সদস্যদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে কাউখালী থানা পুলিশ আহত নৌ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
    এ ঘটনায় নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ আরমান হোসেন বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা,পুলিশ সদস্যদের মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
    কাউখালী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মোঃ শান্তকে আটক করে এবং বাকী আসামিরা পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।
    কাউখালী থানার ওসি(তদন্ত) এবাদ আলী মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত শান্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বাজারে ঘোরাফেরা করায় ৬ শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর

    বাজারে ঘোরাফেরা করায় ৬ শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর

    কাউখালী(পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

    ক্লাস চলাকালীন বিদ্যালয়ের বাইরে অবস্থান ও ঘোরাফেরা করায় পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ছয় শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বুধবার(১৯ আগস্ট) বিদ্যালয়সংলগ্ন কেউন্দিয়া বাজারে তাদের অবস্থান করতে দেখা যায়।
    বিদ্যালয়ের এক শুভাকাঙ্ক্ষী ও দায়িত্বশীল অভিভাবক মো. রুবেল হোসেনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগী করা এবং বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতির বিষয়ে সচেতন করার উদ্যোগ হিসেবে তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মো. রুবেল হোসেনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

    এ বিষয়ে কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক চন্দ্র হালদার বলেন, “ক্লাস চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ের বাইরে বাজারে ঘোরাফেরা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে পাঠদান গ্রহণ করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব। অভিভাবকদেরও সন্তানের বিদ্যালয়ে যাওয়া ও ক্লাসে উপস্থিতির বিষয়টি নিয়মিত খোঁজ নিতে হবে।”
    তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অকারণে ক্লাস ফাঁকি দেওয়া, বিদ্যালয়ের বাইরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা কিংবা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। মাদক,ইভটিজিং,কিশোর গ্যাং, মারামারি,চুরি, অনলাইনভিত্তিক অপরাধসহ যেকোনো অপরাধ থেকে তাদের দূরে থাকতে হবে। এসব বিষয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই বয়স ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই আইন মেনে চলা, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার চর্চা করতে হবে।”
    প্রধান শিক্ষক বলেন, “শিক্ষার্থীদের শাসন করার উদ্দেশ্য শাস্তি দেওয়া নয়,বরং তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা। কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দিলে বা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। অভিভাবক,শিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে শিক্ষার্থীদের বিপথে যাওয়া রোধ করা সম্ভব।”
    তিনি ছয় শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের আগামী ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় খোলার সময় প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
    এদিকে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,ম্যানেজিং কমিটি,অভিভাবক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মো. রুবেল হোসেনকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলেন,শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এমন সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

  • স্বাধীনতার ৫৫বছরেরও বিদ্যুৎতের আলো দেখেনি কাপ্তাইয়ের দূর্গম এলাকার তিনটি ওয়ার্ডের ৫৬০পরিবার

    স্বাধীনতার ৫৫বছরেরও বিদ্যুৎতের আলো দেখেনি কাপ্তাইয়ের দূর্গম এলাকার তিনটি ওয়ার্ডের ৫৬০পরিবার

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর  কাপ্তাই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গম পাহাড়ি জনপদের  কয়েকটি গ্রাম স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বিদ্যুতের আলো পৌঁছেনি। গোলাবারুদছড়া, ভাইজ্যতলী ও হরিণছড়াসহ দুর্গম এলাকাগুলোর শত শত পরিবার দীর্ঘ বছর  ধরে বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    কাপ্তাই উপজেলা সদর ও নিকটবর্তী এলাকার মধ্যে এসব গ্রামের অবস্থান হলেও ভৌগোলিকভাবে এগুলো অত্যন্ত দুর্গম।

    পাহাড়-অরণ্যবেষ্টিত এ গ্রাম একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন এবং উঁচু-নিচু পাহাড়ি পথের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করাও অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল। ফলে আধুনিক জীবনযাত্রার অন্যতম মৌলিক সুবিধা বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে স্থানীয় জনগোষ্ঠী।

    স্থানীয়দের মতে, এসব এলাকায় প্রচলিত বিদ্যুৎ সংযোগের পরিবর্তে প্রতিটি পরিবারের জন্য সরকারি উদ্যোগে উন্নতমানের সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হলে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করে।  সোলার বিদ্যুতের মাধ্যমে ঘর আলোকিত করার পাশাপাশি শিশুদের পড়াশোনা, মোবাইল যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থাপনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে মত প্রকাশ করে।

    ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ভানুমতি চাকমা (ভানু মেম্বার) জানান, দুর্গম এসব এলাকার মানুষের বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও চেষ্টা করে আসছেন। তিন বছর ধরে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেও এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। তিনি আরও জানান  “আমাদের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড মিলিয়ে প্রায় ৫৬০টি পরিবার রয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার কারণে এখানে স্বাধীনতার ৫৫বছরেও  বিদ্যুৎতের আলো দেখেনি। তাই  সরকারের অর্থায়নে প্রতিটি পরিবারে যদি সোলার সিস্টেমের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে এই মানুষগুলো অনেক উপকৃত হবে। কাপ্তাই ৪নম্বর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানানএই এলাকার মানুষের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের পড়াশোনার জন্য বিদ্যুতের বিকল্প নেই। সরকার যদি সোলার প্ল্যান্ট বা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে সহযোগিতা করে, তাহলে দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসবে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় ও বিপুল ব্যয় হতে পারে। তাই সরকারি উদ্যোগে বাড়ি ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হলে তুলনামূলকভাবে দ্রুত ও টেকসইভাবে বিদ্যুতের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, নিরাপদ পানি ও স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন তারা।এবং পাশাপাশি

    দুর্গম পাহাড়ি জনপদের ৫৬০ পরিবারের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

  • কাউখালীতে ভাত খাওয়া নিয়ে কলহে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    কাউখালীতে ভাত খাওয়া নিয়ে কলহে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

    কাউখালী(পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে কাঠের ডাসা দিয়ে মাথায় আঘাত করে কানন বালা(৬৫) নামে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলে সুজন বালার(৩০)বিরুদ্ধে।
    এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রি বুলু বাদী হয়ে কাউখালী থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

    মামলার এজাহার ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণী অনুযায়ী,গত ১৬ আগস্ট রবিবার কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালকাঠী গ্রামের একটি বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কানন বালা ওই গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত সুজন বালা তাঁর ছেলে।
    এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন,পারিবারিক বিষয় নিয়ে সুজন বালার সঙ্গে তাঁর মা কানন বালার বিরোধ চলছিল। ঘটনারদিন রাতে সুজন বাহির থেকে এসে ভাত খেতে গেলে,পাতিলে কম ভাত দেখে দেখে এ নিয়ে সুজন বালা তাঁর মায়ের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি কাঠের ডাসা দিয়ে কানন বালার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে কানন বালা গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।
    অভিযোগে আরও বলা হয়, গুরুতর আহত অবস্থায় কানন বালা ঘরের ভেতরে ছিলেন। পরে সুজন ঘুম থেকে উঠে আহত মাকে পরিবারের সহযোগিতায় উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তার অবস্থার গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল ৯ঃ৩০ সময় তাঁর মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রি বুলু বাদী হয়ে ১৭আগস্ট কাউখালী থানায় মামলা করেন। মামলায় সুজন বালাকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

    কাউখালী থানার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে ঘটনাস্থল হিসেবে শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিয়ালকাঠী গ্রামের নিহত কানন বালার বসতঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশের একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কার কী ভূমিকা ছিল,তদন্তের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হবে।
    এটি এজাহার ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর ভিত্তিতে তৈরি সংবাদ। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তকে আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করতে হবে।

    এ বিষয়ে কাউখালী থানা ওসি (তদন্ত)মোঃ এবাদ আলী মোল্লা বলেন, উক্ত বিষয়ে থানায় নিহত কানন বালার ভাই বাদী হয়ে একটি মামলা করেন, আসামি সুজনকে আটক করে,আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১৮ আগষ্ট মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।