বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
বাজারে ঘোরাফেরা করায় ৬ শিক্ষার্থীকে শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর স্বাধীনতার ৫৫বছরেরও বিদ্যুৎতের আলো দেখেনি কাপ্তাইয়ের দূর্গম এলাকার তিনটি ওয়ার্ডের ৫৬০পরিবার কাউখালীতে ভাত খাওয়া নিয়ে কলহে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু কাপ্তাই ১১আর ই ব্যাটালিয়ন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ  কাউখালীতে নাগরিক উদ্যোগ এর বার্ষিক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় বিএমএসএফকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে কাপ্তাই প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি কবির হোসেন , সম্পাদক ঝুলন দত্ত  কাপ্তাইয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালিত সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবি কাউখালীতে পুলিশের অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

স্বাধীনতার ৫৫বছরেরও বিদ্যুৎতের আলো দেখেনি কাপ্তাইয়ের দূর্গম এলাকার তিনটি ওয়ার্ডের ৫৬০পরিবার

  • আপডেট এর সময় বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত হয়েছে

কাপ্তাই প্রতিনিধি।

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর  কাপ্তাই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গম পাহাড়ি জনপদের  কয়েকটি গ্রাম স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও বিদ্যুতের আলো পৌঁছেনি। গোলাবারুদছড়া, ভাইজ্যতলী ও হরিণছড়াসহ দুর্গম এলাকাগুলোর শত শত পরিবার দীর্ঘ বছর  ধরে বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

কাপ্তাই উপজেলা সদর ও নিকটবর্তী এলাকার মধ্যে এসব গ্রামের অবস্থান হলেও ভৌগোলিকভাবে এগুলো অত্যন্ত দুর্গম।

পাহাড়-অরণ্যবেষ্টিত এ গ্রাম একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন এবং উঁচু-নিচু পাহাড়ি পথের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করাও অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল। ফলে আধুনিক জীবনযাত্রার অন্যতম মৌলিক সুবিধা বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে স্থানীয় জনগোষ্ঠী।

স্থানীয়দের মতে, এসব এলাকায় প্রচলিত বিদ্যুৎ সংযোগের পরিবর্তে প্রতিটি পরিবারের জন্য সরকারি উদ্যোগে উন্নতমানের সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হলে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করে।  সোলার বিদ্যুতের মাধ্যমে ঘর আলোকিত করার পাশাপাশি শিশুদের পড়াশোনা, মোবাইল যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থাপনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে মত প্রকাশ করে।

৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ভানুমতি চাকমা (ভানু মেম্বার) জানান, দুর্গম এসব এলাকার মানুষের বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও চেষ্টা করে আসছেন। তিন বছর ধরে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেও এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। তিনি আরও জানান  “আমাদের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড মিলিয়ে প্রায় ৫৬০টি পরিবার রয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার কারণে এখানে স্বাধীনতার ৫৫বছরেও  বিদ্যুৎতের আলো দেখেনি। তাই  সরকারের অর্থায়নে প্রতিটি পরিবারে যদি সোলার সিস্টেমের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে এই মানুষগুলো অনেক উপকৃত হবে। কাপ্তাই ৪নম্বর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানানএই এলাকার মানুষের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের পড়াশোনার জন্য বিদ্যুতের বিকল্প নেই। সরকার যদি সোলার প্ল্যান্ট বা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে সহযোগিতা করে, তাহলে দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় ও বিপুল ব্যয় হতে পারে। তাই সরকারি উদ্যোগে বাড়ি ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হলে তুলনামূলকভাবে দ্রুত ও টেকসইভাবে বিদ্যুতের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, নিরাপদ পানি ও স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন তারা।এবং পাশাপাশি

দুর্গম পাহাড়ি জনপদের ৫৬০ পরিবারের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

সংবাদটি আপনার স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ