কাউখালী প্রতিনিধি।
Category: স্বাস্থ্য
-

কাউখালীতে ফ্রি অক্সিজেন সেবা চালু করলো ইউনিটি ফর হিউম্যানিটি
পিরোজপুরের কাউখালীতে সামাজিক সংগঠন ” ইউনিটি ফর হিউম্যানিটি ” নামের সামাজিক সংগঠন এর উদ্যোগে বিনামূল্যে ফ্রি হিউম্যান সার্ভিস অক্সিজেন সেবা কার্যক্রম চালু হয়েছে।রোববার (২২ আগস্ট) বিকেলে ফ্রি অক্সিজেন সেবার উদ্বোধন করা হয়।নএসময় উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কর্মকার, ক্যাপ্টেন এস.কে শহীদ (অব:), আইরন জয়কুল এম. এম. মোদাচ্ছের মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: নান্না মিয়া, কাউখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওটি ইনচার্জ মো: মাসুম হাওলাদার প্রমুখ।এ অক্সিজেন সিলিন্ডার গুলো নিতে হলে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র দেখাতে হবে। আপাতত কয়েকটি সিলিন্ডার দিয়ে শুরু হয়েছে ফ্রি সার্ভিস। প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ধীরে ধীরে সিলিন্ডারের সংখ্যা বাড়ানো হবে।বিনামূল্যে অক্সিজেন পেতে হটলাইন নম্বরে০১৩৪১-৮৪৭২০৩ যোগাযোগ করলেই বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা বাড়ি বাড়ি পৌছে যাবে।এ বিষয়ে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা বলেন, নদীমাতৃক পাচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত কাউখালী উপজেলা। একটি মাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর উপর নির্ভরশীল এখানকার প্রায় লক্ষাধিক জনগন। নদীমাতৃক হওয়াতে যাতায়াত ব্যাবস্থা না থাকায় সঠিক সময়ে জরুরী ক্ষেত্রে অক্সিজেন সেবাটি পাওয়া দুস্কর হয়ে যায় এবং মানুষ সহজে অক্সিজেন পান না। তাই আমরা এলাকায় বিনামূল্যে এ সেবাটি চালু করলাম। বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবার সাথে আগামীতে জরুরী রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে দ্রুত পৌছানোর জন্য যাতায়াতের ব্যাবস্থা করা হবে। যে কোনো সময় আমাদেরকে অবগত করবেন। আমরা আপনাদের কাছে অক্সিজেন পৌঁছে দেব। ইউনিটি ফর হিউম্যানিটি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা আপনাদের সেবায় সবসময় নিয়োজিত থাকবেন।উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কর্মকার বলেন, প্রায় লক্ষাধিক জনগোষ্ঠির বসবাস এই উপজেলায়। নদীমাতৃক এবং সহজ যাতায়াত ব্যাবস্থা না থাকায় ,জরুরী ক্ষেত্রে অনেক রোগী সঠিক সময়ে অক্সিজেন সেবা থেকে বঞ্চিত হন। সময় মতো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন না পেয়ে মৃত্যুবরণ যা খুবই দুঃখজনক। এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক সংগঠন ইউনিটি ফর হিউম্যানিটির এ উদ্যোগ মানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। -

কাপ্তাই ১১আর ই ব্যাটালিয়ন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
রাঙ্গামাটি রিজিয়নের কাপ্তাই উপজেলার ১১আর ই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২৬) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হাজার মানিক এলাকার অসহায় দুস্থ, গরীব জনসাধারণ ও শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ করা হয়।
এসময় দূর্গম এলাকার অসহায় দুস্থ লোকজন পাহাড়ের দূর দূরান্ত হতে স্বাস্থ্য সেবা নিতে চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে আসে।
সেনাপ্রধানের দিক নির্দেশনায় ১১আর ই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল রাজু আহমেদ পিএসসি এর তত্বাবধানে উক্ত চিকিৎসা সেবা প্রদান করে ব্যাটালিয়নের মেডিক্যাল অফিসারগণ।
১১আর ই সুত্রে জানাযায় , ব্যাটালিয়নের পক্ষ হতে ভবিষ্যতেও এরকম সুবিধা বঞ্চিত জনসাধারণের জন্য চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকবে।
-

রাইখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী বাজারে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিম্নমানের পণ্য পুনঃপ্যাকেটজাতের অভিযোগে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. তোফায়েল আহাম্মদের নেতৃত্বে বাজারের মুদি দোকান, বেকারি, হোটেল ও রেস্টুরেন্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে বেলাল স্টোর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ চিপস, চকলেট, চানাচুর ও লজেন্সসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া মেসার্স আজগর স্টোর ও মেসার্স খাজা স্টোরে নিম্নমানের পণ্য পুনঃপ্যাকেটজাতের প্রস্তুতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।
নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. তোফায়েল আহাম্মদ জানান, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও বাজার মনিটরিং নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। তিনি খাদ্যপণ্য কেনার আগে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করার জন্য ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
-

কাপ্তাইয়ে নবজাতকের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন ৪ লাখ টাকা
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
যে বয়সে একটি নবজাতক মায়ের বুকের উষ্ণতায় নিরাপদে বেড়ে ওঠার কথা, সেই বয়সেই মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে মাত্র এক সপ্তাহের এক শিশু। জন্মের পরপরই ধরা পড়ে তার হৃদ্যন্ত্রে ছিদ্র এবং প্রধান রক্তনালিতে জটিল ত্রুটি। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা করানো না গেলে শিশুটির জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। কিন্তু চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় চার লাখ টাকা, যা দিনমজুর বাবার পক্ষে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।
শিশুটির বাবা আনোয়ার হোসেন পেশায় একজন দিনমজুর। মা লাকী আক্তার। রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই ৪নম্বর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মুরগির টিলা এলাকায় বসবাসকারী এই দম্পতির সামান্য আয়ে কোনো রকমে সংসার চলে। নবজাতকের জটিল রোগ ধরা পড়ার পর থেকে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিজারের মাধ্যমে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পরপরই শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে চট্টগ্রামের খ্রিস্টিয়ান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে আগ্রাবাদের চট্টগ্রাম মা, শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. তাসলিমা বেগম (এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমপিএইচ) শিশুটির বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানান, তার হৃদ্যন্ত্রে ছিদ্র এবং প্রধান রক্তনালিতে জটিল সমস্যা রয়েছে। উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারের জন্য দ্রুত ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা জরুরি। এ জন্য চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও আনুষঙ্গিক ব্যয় মিলিয়ে প্রায় চার লাখ টাকা প্রয়োজন হবে।
আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি দিনমজুর মানুষ। প্রতিদিন কাজ করলে পরিবারের খাবার জোটে, কাজ না থাকলে সংসার চলে না। সন্তানের চিকিৎসার জন্য এত টাকা জোগাড় করার কোনো সামর্থ্য আমার নেই। আমার সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি ও বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করছি।”
স্বজনদের ভাষ্য, সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে শিশুটির সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু অর্থাভাবে চিকিৎসা বিলম্বিত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যেতে পারে। তাই মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য সমাজের সবার প্রতি আবেদন জানিয়েছেন তারা। আনোয়ার হোসেন যোগাযোগ ও সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম (বিকাশ): ০১৬৩২-১৬১৪৬৩
-

কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) দূর্যোগ কবলিত এলাকায় মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন পরিচালিত
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধ্বসে আশ্রয়হীন হয়ে পড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) কর্তৃক মানবিক সহায়তা হিসেবে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয় ।
একই সাথে অতিবৃষ্টির কারণে এই এলাকায় বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে বিধায় স্থানীয় জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে ৪১ বিজিবি পক্ষ থেকে ব্যাটালিয়নের মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন মোঃ আশরাফুল ইসলাম, এএমসি এর নেতৃত্বে একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়।
এই মেডিকেল টিম মঙ্গলবার ( ১৪ জুলাই ২০২৬) কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়ন এর কুকিমারাপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সাক্রাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ওয়াগ্গা এলাকায় বসবাসরত স্থানীয় দুস্থ, হতদরিদ্র ও অসহায় প্রায় ২৪৩ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান ও প্রয়োজনীয় ঔষুধ বিতরণ করা হয়। বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষুধ বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস।
এ সময় জোন কমান্ডার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি সকলকে পানি বাহিত রোগ ও অন্যান্য অসুস্থ্যতা সম্পর্কে সর্তক করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বিজিবি সবসময় তাদের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজনে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের যে কোনো দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিজিবি বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে ওয়াগ্গাছড়া জোন প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। খাদ্য সহায়তা ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের পাশাপাশি দূর্যোগ কবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর গ্রহণ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জোন কমান্ডার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
-

কাপ্তাই আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যা দূর্গতের ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ করছে সেনাবাহিনী
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড রাঙামাটি রিজিয়নের অধিন(৩৮ বীর)কাপ্তাই জোন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ।
রবিবার (১২ জুলাই ২৬)সকাল ৯টা হতে বিকাল ৪টা কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে আসা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে কাপ্তাই সেনাজোনের পক্ষ হতে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ করা হয়।
এসময় সেনাবাহিনীর দক্ষ মেডিক্যাল অফিসার আশ্রয় কেন্দ্রে আসা শিশু, বৃদ্ধ ও নারীদের বিভিন্ন পরীক্ষাসহ ঔষধ দেয়া হয়।
সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল অফিসার জানান,বেশির ভাগ শিশুর সর্দি, ঠান্ডা জনিত কাশি,অনেক নারী ও বৃদ্ধ পুরুষের ঠান্ডা জনিত কাশি, অনেক হাঁপানি, শরীর দূর্বল,ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।
কাপ্তাই আশ্রয় কেন্দ্রে সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা নিতে আসা আসমা বেগম জানান, শিশু বাঁচ্ছা অসুস্থ তাই সেবা নিতে আসছি।
বৃদ্ধ শরিফা খাতুন জানান,সেনাবাহিনীর আমার চিকিৎসা করেছে এবং ফ্রি ঔষধ দিয়েছে তাঁতে আমি খুশি।
কাপ্তাই ৪ নম্বর ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানান, দীর্ঘ এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে প্রবলবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাপ্তাই জোন আশ্রয় কেন্দ্রে আসা প্রায় ৫শ’নারী,শিশু ও বয়স্কদের মাঝে বিনামূল্যে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়েছে তাঁর জন্য আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাপ্তাই জোন তথ্য সুত্রে জানাযায় প্রায় ৫শ’ জনকে বিনামূল্যে ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ করা হয়।
বিকালে কাপ্তাই সেনাজোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল নাজমুল কাদির শুভ পিএসসি আশ্রয় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা লোকজনের সাথে কথা বলেন।এবং সেনাবাহিনী এধরণের দুর্যোগে বন্যার্তদের পাশে ভবিষ্যতে পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
-

কাপ্তাই উপজেলায় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন সভা
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৮ জুন ২৬।
এবারের ৫৯৯১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ বিষয়ে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুই হলা অং মারমার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রায়হানুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি বলেন,শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুই হলা অং মারমা জানান, ২৮ জুন ২৬সকাল ৮টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত বয়সী শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দেয়া হবে। দূর্গম এলাকা, লঞ্চ, ফেরীঘাট,বাস-স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোবাইল কেন্দ্রের মাধ্যমে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান রুবেল (ওসি),পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইমা ইসলাম, উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাদুল হাসান।
-

কাপ্তাইয়ে কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের অ্য্যাডভোকেসী সভা
কাপ্তাই প্রতিনিধি:
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামের আয়োজনে অ্য্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষ ” কিন্নরী ” তে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কম্প্রিহেনসিভ হেলথ প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমার সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ প্রবীর খিয়াং।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রায়হানুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি বলেন, স্বাস্থ্য সেবা জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দূর্গম অঞ্চলে স্বাস্থ্য সেবা জনগণের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি যে সমস্ত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কাজ করছে তাদেরকে পাবলিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রান্তিক জনগণের কাছে যেতে হবে। তবেই জনগণ স্বাস্থ্য সেবা হতে বঞ্চিত হবেন না।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ডা রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: এনামুল হক হাজারী এবং কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রুইহ্লা অং মারমা।
এর আগে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথপ্রোগ্রাম এর বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।
সভায় সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও সংবাদকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।
-

কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনামূলক র্যালি
কাপ্তাই ( রাঙামাটি) প্রতিনিধি:
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসন এবং চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের সার্বিক সহযোগিতায় ডেঙ্গু সচেতনা মূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“রাখিব চারপাশ পরিষ্কার, করিব ডেঙ্গু প্রতিকার,এই প্রতিপাদ্যে শনিবার সকাল ১০টায় র্যালিটি হাসপাতাল চত্বর হতে শুরু হয়ে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে শেষ হয়।
এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রুইহলা অং মারমা,কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরুণ কান্তি চাকমা, চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম প্রোগাম ম্যানেজার বিজয় মারমাসহ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার, স্টাফ এবং এনজিও কর্মীরা র্যালিতে অংশ নেন।
-

প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত শিশু ইয়ামিন দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
মানুষ, মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভূতি…..। মায়ের কোলজুড়ে এসেছিল নতুন অতিথি। জন্মের পর পরিবারের স্বপ্ন ছিল শিশুটিকে ঘিরে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার। কিন্তু পৃথিবীতে আসার দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই কঠিন এক রোগের সঙ্গে জীবনযুদ্ধে নামতে হয়েছে ছোট্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনকে। বয়স মাত্র ১ মাস ২৬ দিন। এই বয়সেই সে আক্রান্ত হয়েছে বিরল জন্মগত লিভারের জটিল রোগ ‘বিলিয়ারি এট্রেসিয়া’য়।
চিকিৎসকরা বলছেন, দ্রুত অস্ত্রোপচার না করালে শিশুটির জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। তবে সেই অপারেশনের ব্যয় বহনের সামর্থ্য নেই নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারটির। তাই সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সহায়তা কামনা করছেন ইয়ামিনের বাবা-মা।
ইয়ামিনের বাবা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, জন্মের কয়েকদিন পর থেকেই শিশুটির শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হন, সে ‘বিলিয়ারি এট্রেসিয়া’ নামের জটিল রোগে আক্রান্ত। বর্তমানে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের শিশু পুষ্টি, লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ইয়ামিন। হাসপাতালের ১৫ নং ওয়ার্ডের ১ নং বেডে ভর্তি আছে শিশুটি।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ইয়ামিনের দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এ জন্য প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে। কিন্তু স্বল্প আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারটির পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সন্তানের চিকিৎসার খরচ চালাতে ইতোমধ্যে ধারদেনা করতে হচ্ছে পরিবারটিকে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ইয়ামিনের মা আফসানা আক্তার বলেন, “আমার সন্তানের বয়স এখনও দুই মাস হয়নি। ওকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা দরকার। একটু সাহায্য পেলেই হয়তো আমার সন্তান নতুন জীবন ফিরে পাবে।”
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাদের বর্তমান বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার আমবাগান গ্রামে। এর আগে তারা রাঙামাটির কাপ্তাই প্রজেক্ট এলাকার বাংলা কলোনিতে বসবাস করতেন। পরিবারটির একটাই আকুতি সবার একটু সহায়তায় হয়তো বেঁচে যেতে পারে ছোট্ট ইয়ামিনের জীবন।
শিশু ইয়ামিনের চিকিৎসায় সহায়তা করতে আগ্রহীরা নিচের মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে পারেন—
বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৫৩৬-৪৮৮২১৯
ব্যাংক হিসাব: আফসানা আক্তার
সোনালী ব্যাংক, মাটিরাঙ্গা শাখা
হিসাব নম্বর: ৫৪১৭১০১০২৩৭৪৪