Category: স্বাস্থ্য

  • কাপ্তাই উপজেলা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ঠ সমিতি নবাগত ইউএনও কে ফুলেল সংবর্ধনা

    কাপ্তাই উপজেলা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ঠ সমিতি নবাগত ইউএনও কে ফুলেল সংবর্ধনা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই উপজেলা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ঠ সমিতির পক্ষ হতে কাপ্তাই উপজেলা নবাগত ইউএনও মোঃ রায়হানুল ইসলামকে ফুলের সংবর্ধনা দেয়া হয় ।

    বুধবার দুপুর ২টায় কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ঠ সমিতি নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

    এসময় কাপ্তাই উপজেলা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ঠ সমিতির সভাপতি কল্যান চৌধুরী, সহ-সভাপতি মোঃ শরিফুর রহমান, সহ-সভাপতি ডাঃ সৌমেন দত্ত, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজোয়ান টিপু,যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর দেবনাথ,  বিশ্বজিৎ সাহা, সদস্য  আশিষ  সাহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় নির্বাহী অফিসারের সাথে সমিতির নেতৃবৃন্দ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ঠ বিষয়ে কথা বলেন।

  • অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

    অর্থ সংকটে তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার  ৫নম্বর  ওয়াগ্গা ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড উত্তর দেবতাছড়ি  বাসিন্দা ইতিস তনচংগ্যা অর্থ সংকটে  মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    পরিবারের প্রধান  ইতিস তনচংগ্যার জানান,বাবা অনিল তনচংগ্যা(৬৫), দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত। তিনি চট্টগ্রামের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. ফাহামিদা আলমের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে পরিবারটি তাদের সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে চিকিৎসার ব্যয় বহন করেছে। বর্তমানে তাদের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত করুণ হয়ে পড়েছে।

    এরই মধ্যে নতুন করে বিপদ নেমে আসে পরিবারটিতে। ইতিস তনচংগ্যার স্ত্রী সান্তনা(৪৩) তনচংগ্যা হঠাৎ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। ফলে একই পরিবারের দুইজন গুরুতর অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা, ওষুধ ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন ইতিস তনচংগ্যা।  বাংলাদেশ তনচংগ্যা কল্যান সংস্হা  কাপ্তাই অঞ্চল  সভাপতি  অজিত কুমার তনচংগ্যা অসহায় পরিবারটির খোঁজখবর নিতে তাদের বাড়িতে যান। তিনি পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, এনজিও, মানবাধিকার সংস্থা ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানান।

    ৫নম্বর  ওয়াগ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চিরনজীত  তনচংগ্যাও পরিবারটির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি দেশবাসী, বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনসহ সকলের প্রতি ইতিস তনচংগ্যা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

    (ইতিস তনচংগ্যা যোগাযোগ মোবাইল নাম্বার  01883416662 )

  • চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের নার্সিং ইনস্টিটিউটের আয়োজনে র‍্যালি

    চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের নার্সিং ইনস্টিটিউটের আয়োজনে র‍্যালি

    কাপ্তাই প্রতিনিধিঃ

    রাঙামাটির কাপ্তাই চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের  নার্সিং বিভাগ এবং নার্সিং ইনস্টিটিউটের  আয়োজনে মঙ্গলবার  সকাল ৯ টায়  আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ়্য র‍্যালি করা হয়েছে।

    নার্সরা  ঢাক ঢোল বাজিয়ে  ব্যানার পেস্টুন হাতে নিয়ে বাঁশির সুরে মাতোয়ারা হয়ে   হাসপাতাল চত্বর হতে র‍্যালি  শুরু করে  চন্দ্রঘোনা দোভাষী বাজার প্রদক্ষিণ করে আবারও  হাসপাতাল চত্বরে  গিয়ে শেষ হয়।

    এসময় চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল এর নার্সিং বিভাগে কর্মরত নার্স , নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী এবং হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্টাফরা র‍্যালিতে অংশ নেন।

    এর আগে  চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং র‍্যাালির উদ্বোধন করে বলেন, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল। এই হাসপাতালের নার্সিং ইনস্টিটিউট হতে শিক্ষা লাভ করে দেশের সব জায়গায় নার্সরা সেবা দিয়ে আসছেন। আজকের এই দিনে আমাদের এই অঙ্গীকার হউক আমরা  সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাবো।

  • কুষ্ঠ রোগীদের ক্ষত নিরাময়ে চন্দ্রঘোনায়  এলপিআরএফ উদ্বোধন 

    কুষ্ঠ রোগীদের ক্ষত নিরাময়ে চন্দ্রঘোনায়  এলপিআরএফ উদ্বোধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কুষ্ঠ রোগীদের ক্ষত নিরাময়ে  এলপিআরএফ ব্যবস্থার কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায়  রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার স্বাস্থ্য সেবার বাতিঘর চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

    চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল এবং দ্যা লেপ্রোসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর যৌথ আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দ্যা লেপ্রোসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর ন্যাশনাল লিড এ্যাডভোকেসি মনিকা বিশ্বাস।

    হাসপাতাল ক্লিনিক্যাল চীফ  ডাঃবিলিয়ন এ সারমার সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান ও কুষ্ঠ  হাসপাতাল  পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং।

    এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক ব্যাপ্টিস্ট চার্চ এর সভাপতি বিপ্লব মারমা, চন্দ্রঘোনা ব্যাপ্টিস্ট চার্চ এর পালক প্রধান রেভারেন্ড রোনাল্ড দিলিপ সরকার, দ্যা লেপ্রোসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর মেডিকেল অফিসার ডা: মেহেরুল রিজওয়ান এবং হাসপাতালের ফিন্যান্স বিভাগের প্রধান সন্তোষ বোস। এসময় হাসপাতালে চিকিৎসক, স্টাফ এবং কুষ্ঠ রোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাপ্তাইয়ে জাতীয়  পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

    কাপ্তাইয়ে জাতীয়  পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন

    কাপ্তাই প্রতিনিধি:

    রাঙামাটির কাপ্তাই  উপজেলায় স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার   জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ এর  উদ্বোধন করা হয়েছে।

    ” পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বর্নিভর বাংলাদেশ ” এই প্রতিপাদ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে  প্রধান অতিথি  উপস্থিত থেকে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ এর উদ্বোধন করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন।

    এসময় তিনি বলেন, সুস্থ থাকতে হলে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে, সেই সাথে খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে হবে। সুস্থ সবল জাতি গঠনে সুষম খাবারের বিকল্প নেই।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুহুল অং মারমার সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথির  বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক  সৈয়দ ওমর ফারুক, উপজেলা  পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নাঈমা ইলিয়াছ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা,  উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারন কর্মকর্তা বিমল জ্যোতি চাকমা এবং কর্ণফুলি সরকারি কলেজ  প্রভাষক আবু তালেব।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  সরকারি কর্মকর্তা, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, গণমাধ্যমকর্মী এবং শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাপ্তাইয়ে  হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন 

    কাপ্তাইয়ে  হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ দিন ব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

    সোমবার (২০ এপ্রিল)  সকাল ১০টায়  কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে   উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  রুহুল আমিন এই কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন ।

    এসময়  স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা   ডা: রুইহলা  অং মারমাসহ হাসপাতালে কর্মরত মেডিকেল অফিসার,  নার্স এবং মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীরা   উপস্থিত ছিলেন।

    কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রুইহলা  অং মারমা জানান,   উপজেলার  ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী মোট ৫ হাজার ৮৭১ জন শিশুকে এই  টিকার আওতায় আনা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা এ কর্মসূচির প্রথম ৮ দিন  পাড়া-মহল্লায় এবং শেষ ৩ দিন  বিদ্যালয়ে টিকা প্রদান করবে। এছাড়াও উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বুথ ১১ দিন সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।

  • জাজিরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপজেলা কো-অর্ডিনেশন সভা

    জাজিরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপজেলা কো-অর্ডিনেশন সভা

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় হাম- রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন -২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা কো-অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১২.০০ ঘটিকায় জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুন নাহারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তাহমিদুল ইসলাম।

    এসময়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ ড. মোঃ ওমর ফারুক, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইমন মোল্লা, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ তানভির আহম্মেদ, গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান লিটু সরদার, জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মিন্টু কাজি,মুলনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবর, জাজিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান হাওলাদার, সহ উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা কর্মচারী, বিভিন্ন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগন, সাংবাদিক, ধর্মীয়নেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানে মূল প্রতিবেদন পেশ করেন মেডিকেল অফিসার ডাঃ সোহাগ রহমান।
    উল্লেখ শরীয়তপুরের বিভিন্ন উপজেলায় আজ ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক ভাবে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও জাজিরা উপজেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে ০৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দেশের ঝুঁকিপুর্ন ১৮ জেলার ৩০ উপজেলার মধ্যে জাজিরা উপজেলা একটি ঝুঁকিপুর্ন উপজেলা হিসেবে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির আওতাধীন ছিল।

  • খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করলেন কেসিসি প্রশাসক

    খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করলেন কেসিসি প্রশাসক

    মো: আল মাসুম খান,নির্বাহী সম্পাদক।

    দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনায় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে নগরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাস্টম ঘাট আমিরা বানু বেগম নগর মাতৃসদনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতোমধ্যে বহু শিশু আক্রান্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার শিশুদের টিকার আওতায় আনতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
    তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯–এর মতো হামও একটি সংক্রামক রোগ। তাই এ রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। কোনো শিশু যেন টিকাদানের বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের বিশেষ করে মায়েদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন খুলনা উপপুলিশ কমিশনার (অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খানম, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, থানা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহজাহানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

    অনুষ্ঠানে জানানো হয়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৯৩ হাজার ৭৮৮ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল ভিত্তিক শিশুর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩৮৮ এবং কমিউনিটির আওতাভুক্ত শিশু ৮০ হাজার ৪০৪ জন।
    এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ২৫৬টি টিকাদান কেন্দ্রে ১৪৪ জন টিকাদান কর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী এবং ৬২ জন সুপার ভাইজারের সমন্বয়ে ৮২টি টিম দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত (ছুটির দিন ব্যতীত) টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

    উল্লেখ্য, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের সব শিশুকে—আগে এমআর টিকা নেওয়া থাকলেও—এক ডোজ করে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। খুলনার সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এ কার্যক্রম চলবে।

  • জাজিরায় রবিবার উদ্বোধন করা হবে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

    জাজিরায় রবিবার উদ্বোধন করা হবে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় আগামীকাল রবিবার উদ্বোধন করা হবে হাম-রুবেলা টিকার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি।

    রবিবার -(৫ এপ্রিল) জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে সকাল ৮.০০ ঘটিকায় জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জাজিরা বাজার খোশাল শিকদার কান্দি সেলিম মাদবরের বাড়িতে নিয়মিত ইপিআই কেন্দ্রে এই হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ রেহান উদ্দিন।
    এসময়ে জেলা, উপজেলার স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী, টিকাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মী, সেচ্ছাসেবী, সাংবাদিক, টিকা গ্রহনকারীর অভিভাবক ও স্থানীয় গন্যমান্ন ব্যাক্তিবর্গ।
    এ বিষয়ে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুন নাহার জানান
    সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ছরিয়ে পরা থেকে প্রতিরোধ করার লক্ষে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ জেলার ৩০ টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় হাম রোগ প্রতিরোধে আগামীকাল ৫ এপ্রিল থেকে বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করতে যাচ্ছে। এই ৩০ উপজেলার মধ্যে শরীয়তপুর জেলার আমার জাজিরা উপজেলা ঝুঁকিপুর্ন তালিকার আওতায় আশায় শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন স্যারের নির্দেশনা ও পরামর্শে মতে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আপনারা সহ সকল বিভাগের আন্তরিকতা ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা পেলে আগামীকাল আনুষ্ঠানিক উদ্ভোদন হওয়া থেকে শুরু করে সপ্তাহে ৬ দিন করে তিন সপ্তাহে মোট ২৯০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩০ হাজার সফল ভাবে সম্পন্ন করতে পারবো বলে আমি আশা করছি।
    তিনি আরোও জানান, প্রথমে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসবে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাসের সকল শিশু, এর আগে ঐশিশু টিকা পাক বা না পাক তাদের সবাই এই টিকা পাবে। তবে বর্তমানে যারা অসুস্থ বা হামে আক্রান্ত কিংবা সন্দেহজনক তাদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হবে।

  • কাউখালীতে হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

    কাউখালীতে হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে হাম রোগের লক্ষণ,প্রতিরোধ ও করণীয় সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ১লা এপ্রিল(বুধবার) সকাল ১১ ঘটিকার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) ডা. সুব্রত কর্মকারের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    এ সময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন,হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। হাম হলে সাধারণত জ্বর,সর্দি-কাশি,চোখ লাল হওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং কয়েক দিনের মধ্যে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের নিউমোনিয়া,ডায়রিয়া ও অপুষ্টিজনিত জটিলতা দেখা দিতে পারে,যা মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
    তিনি আরও বলেন, হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত সময়ে হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ করলে এই রোগ থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। তাই তিনি অভিভাবকদের সচেতন হয়ে শিশুদের টিকা প্রদান এবং রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেন।
    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোঃ শহিদুজ্জামান। তিনি মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্য সহকারী ও সিএইচসিপিদের জনগণের মাঝে হাম সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা এবং সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত করে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রেরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
    সভায় উপজেলার সকল স্বাস্থ্য সহকারী ও কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) সহ উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।