বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কাউখালীতে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের আয়কর অব্যাহতি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কাপ্তাই শিশু নিকেতন শিক্ষার্থীদের মাঝে  জোন কমান্ডারের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার চন্দ্রঘোনায় ভারী বর্ষণে ৬১ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের  মাঝে জেলা পরিষদের চাল বিতরণ সাংবাদিকদের নিবন্ধন নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে; পটিয়ায় বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাইখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের সেলিব্রেশন-পরবর্তী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত Pferderennen Wettarten – Der schnelle Überblick

জাজিরায় রবিবার উদ্বোধন করা হবে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

  • আপডেট এর সময় শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত হয়েছে

শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

শরীয়তপুরের জাজিরায় আগামীকাল রবিবার উদ্বোধন করা হবে হাম-রুবেলা টিকার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি।

রবিবার -(৫ এপ্রিল) জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে সকাল ৮.০০ ঘটিকায় জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জাজিরা বাজার খোশাল শিকদার কান্দি সেলিম মাদবরের বাড়িতে নিয়মিত ইপিআই কেন্দ্রে এই হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ রেহান উদ্দিন।
এসময়ে জেলা, উপজেলার স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী, টিকাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মী, সেচ্ছাসেবী, সাংবাদিক, টিকা গ্রহনকারীর অভিভাবক ও স্থানীয় গন্যমান্ন ব্যাক্তিবর্গ।
এ বিষয়ে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুন নাহার জানান
সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ছরিয়ে পরা থেকে প্রতিরোধ করার লক্ষে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ জেলার ৩০ টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় হাম রোগ প্রতিরোধে আগামীকাল ৫ এপ্রিল থেকে বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করতে যাচ্ছে। এই ৩০ উপজেলার মধ্যে শরীয়তপুর জেলার আমার জাজিরা উপজেলা ঝুঁকিপুর্ন তালিকার আওতায় আশায় শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন স্যারের নির্দেশনা ও পরামর্শে মতে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আপনারা সহ সকল বিভাগের আন্তরিকতা ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা পেলে আগামীকাল আনুষ্ঠানিক উদ্ভোদন হওয়া থেকে শুরু করে সপ্তাহে ৬ দিন করে তিন সপ্তাহে মোট ২৯০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩০ হাজার সফল ভাবে সম্পন্ন করতে পারবো বলে আমি আশা করছি।
তিনি আরোও জানান, প্রথমে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসবে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাসের সকল শিশু, এর আগে ঐশিশু টিকা পাক বা না পাক তাদের সবাই এই টিকা পাবে। তবে বর্তমানে যারা অসুস্থ বা হামে আক্রান্ত কিংবা সন্দেহজনক তাদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হবে।

সংবাদটি আপনার স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ