Category: ঢাকা বিভাগ

  • কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ইডেন মহিলা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ইডেন মহিলা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    শাহাজাদী সুলতানা, নিজস্ব প্রতিবেদক:

    পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইডেন মহিলা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যোগে এবং কক্সবাজার জেলা রোভারের সার্বিক সহযোগিতায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুইদিনের শিক্ষা সফর ও বিচ ক্লিনিং এর অংশ হিসেবে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে কক্সবাজার জেলা রোভার সম্পাদক মো: আব্দুল হামিদ ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শামিম আরা, গ্রুপ সম্পাদক অধ্যাপক ফাহমিদা এবং আঞ্চলিক উপ কমিশনার ( গার্ল ইন স্কাউট) ও রোভার স্কাউট লিডার সাবিনা ইয়াসমিনকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।তারপর পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ইডেন মহিলা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি ও অধ্যক্ষ অধ্যাপক শামিম আরা।
    পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ইডেন মহিলা কলেজের রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্যরা সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করেন। একই সঙ্গে সৈকত পরিষ্কার রাখা এবং পরিবেশ দূষণ রোধে পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
    এ সময় ইডেন মহিলা কলেজের সকল রোভার স্কাউট লিডার , কক্সবাজার জেলা রোভারের সম্পাদক, ইডেন মহিলা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্য এবং কক্সবাজার জেলা রোভারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    আয়োজকরা জানান, সমুদ্রসৈকতের পরিবেশ রক্ষা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও পরিবেশ এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে ইডেন মহিলা কলেজের রোভার স্কাউটরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে।

  • জাজিরায় রান্নাঘরে ককটেল বিস্ফোরণ, গৃহবধূ গুরুতর আহত

    জাজিরায় রান্নাঘরে ককটেল বিস্ফোরণ, গৃহবধূ গুরুতর আহত

    শাহাজাদী সুলতানা , স্টাফ রিপোর্টারঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় রান্নাঘরে মজুত করে রাখা ককটেল বিস্ফোরণে রোকেয়া বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়েছেন।

    বিস্ফোরণের ঘটনায় রান্নাঘরের টিনের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আশপাশের দুটি বসতঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত নারীকে প্রথমে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া চরকান্দি এলাকায় ফারুক ছৈয়ালের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রোকেয়া বেগম ওই বাড়ির মালিক ফারুক ছৈয়ালের স্ত্রী।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে রান্নার কাজে রান্নাঘরে প্রবেশ করেন রোকেয়া বেগম। এ সময় সেখানে রাখা ককটেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের ধাক্কায় রান্নাঘরের টিনের চালা উড়ে গিয়ে পাশের বাঁশবাগানে পড়ে। পাশাপাশি সামাদ ছৈয়াল ও হাকিম ছৈয়ালের দুটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
    বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহত রোকেয়া বেগমকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন।
    স্থানীয়রা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মূলনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল শিকদার ও তমিজ খাঁর পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। এর আগে গত ১০ আগস্ট একই এলাকায় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, ওই সময় ব্যাপক ককটেল বিস্ফোরণ হয়। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং একজনের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়। পরে ককটেল বিস্ফোরণে আহত ৭০ বছর বয়সী মান্নান সরদারের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
    এদিকে বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক ফারুক ছৈয়ালকে রেজাউল শিকদারের সমর্থক বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তবে রেজাউল শিকদার এ দাবি সরাসরি নাকচ করে বলেন, ফারুক তার মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নিতে পারেন, আবার নিজ ইউনিয়নের রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারেন। তাই তাকে সরাসরি নিজের সমর্থক বলা ঠিক হবে না। ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন বলেও জানান।
    জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর আহম্মেদ বলেন, দুপুরে রোকেয়া বেগমকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে বিস্ফোরণে আহত হওয়ার মতো গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
    জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ্ আহম্মেদ বলেন, রান্নাঘরে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে বিপুল পরিমাণ ককটেল মজুত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিস্ফোরণে রান্নাঘরের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি একজন আহত হয়েছেন।
    তিনি আরও বলেন, ককটেলগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে সেখানে মজুত করেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বরিশালের সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বিএমএসএফের শোক প্রকাশ

    বরিশালের সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বিএমএসএফের শোক প্রকাশ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ঢাকা, শনিবার, ২২আগস্ট, ২০২৬ খ্রী: বরিশাল প্রেস ক্লাবের সদস্য এম মিরাজের মৃত্যুতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে। তিনি শনিবার ২২ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে ঢাকা নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নন হজকিং লিম্ফোমা রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

    তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় সকলের নিকট দোয়া চাওয়া হয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরে তিনি দৈনিক ভোরের কাগজের বরিশাল ব্যুরোসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে বরিশালে সাংবাদিকদের মাঝে শোকের ছায়া পড়েছে।

  • সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় বিএমএসএফকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে

    সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় বিএমএসএফকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে

    স্টাফ রিপোর্টার।

    সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৪০টি জেলা শাখা মেয়াদোত্তীর্ণ ঘোষণা করে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সাধারণ সদস্য নিশ্চিত করতে অনলাইন ফরম পূরণের উদ্যোগ সহ নামের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশে উদ্যোগসহ নিষ্ক্রিয় সদস্যদের সক্রিয় করতে কার্যকর পদক্ষেপ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    সোমবার ১৭ আগস্ট সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দিনব্যাপী পদ্মা পাড়ে একটি অভিজাত রেষ্টুরেন্টে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। তিনি সাংবাদিকদের দাবি, অধিকার এবং মর্যাদা রক্ষায় বিএমএসএফকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে কাজ করতে সকলের অংশগ্রহণ এবং সহযোগিতা চেয়েছেন। সংগঠনের জন্য বিএমএসএফ নয় দাবি করে তিনি সাংবাদিকদের কল্যাণে বিএমএসএফকে দেখতে চান।

    সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, সহসম্পাদক শেখ রাজা, সহসম্পাদক আমির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফৌজি হাসান খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে রাসেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাদী সুলতানা ও অর্থ সম্পাদক সোহেল পারভেজ প্রমূখ।

    সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ ১৪ দফা দাবি আন্দোলন বেগবান করতে শীঘ্রই ১০ বিভাগে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ওয়েবসাইট https://bmsfbd.com উদ্বোধন এবং প্রাথমিক সদস্য ফরম ওপেন করা হয়। Application Link:
    https://forms.gle/un4qrTryyRm6ahqaA
    সভায় নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষা আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবি

    সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেপ্তার, মুক্তির দাবি

    স্টাফ রিপোর্টার।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা, টকশো ব্যক্তিত্ব এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক জিয়াউদ্দিন তৌহিদকে গ্রেফতার করেছে স্বরূপকাঠি থানা পুলিশ।

    আজ শনিবার সকালে একদল মব সৃষ্টিকারী তার গ্রামের বাড়িতে তাকে অবরুদ্ধ করে। এ সময় তিনি মবের শিকার থেকে মুক্তি পেতে পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। পুলিশ এসে তাকে নিরাপত্তার কথা বলে থানায় নিয়ে যান।

    জানা গেছে, জিয়া উদ্দিন তৌহিদের নামে একদল দুর্বৃত্ত ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কিছু পোস্টার ছেপে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় শাটিয়ে দেন। এতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হলে তার বাড়িতে মবের সৃষ্টি হয়।  সম্প্রতি জিয়া উদ্দিন তৌহিদের স্ত্রী সন্তানের দেখাশোনার জন্য আমেরিকা গেলে কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্থ অবস্থায় পৈতৃক বাড়ি স্বরুপকাঠিতে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সমসাময়িক, ঐতিহাসিক, আন্তর্জাতিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে লেখালেখি করেন। সাংবাদিক জিয়া উদ্দিন তৌহিদকে অযথা হয়রানি না করে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি করে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। 

    তিনি বলেন, মব সৃষ্টি করে এভাবে একজন প্রবীণ সাংবাদিককে হয়রানি করা আইনের শাসনের মধ্যে পড়েনা। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি অবিলম্বে তাকে মুক্তির দাবি তুলে সাংবাদিকদের প্রতি আন্তরিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

  • সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন

    সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন

    স্টাফ রিপোর্টার।
    ‎গণমাধ্যম কমিশন গঠন করে সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

    তিনি বলেন, দেশে বিভিন্ন কারণে সাংবাদিক নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে চলেছে। এবং সাংবাদিক হত্যারও বিচারও সেভাবে হচ্ছেনা। দেশ গঠনের পর এ যাবত অনেক সাংবাদিক হত্যার শিকার হলেও অধিকাংশ হত্যা মামলার বিচার হয়নি।
    ‎বাসন মেট্রো থানার প্রেসক্লাবের সভাপতি সাজ্জাকুল ইসলাম রাজ্জাকের সভাপতিত্বে জার্নালিস্ট ওয়েলফার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহীম খলিল ও বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসান মিয়ার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আবু জাফর আরো বলেন, এভাবে চলতে থাকলে নিরাপদে এই পেশায় কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। এখনও সময় আছে, পেশাটির মান রক্ষায় সকলের এগিয়ে আসা উচিত। চারিদিকে ভিন্ন পেশার মানুষেরা সাংবাদিকতায় অনুপ্রবেশ করে পেশাটি কলুষিত করছে, তাদেরকে রুখে দেওয়া উচিত। তাই দ্রুত পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করতে সরকারের নিকট আহবান জানান। এই তালিকায় যেনো অন্য কোনো পেশার মানুষের নাম না ওঠতে পারে সেদিকে সাংবাদিকদের নজর রাখতে হবে। গাজীপুরে কর্মরত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    শুক্রবার ৭ আগস্ট সকাল ১০টায় গাজীপুর চৌরাস্তায় তুহিন চত্বরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার এক বছর উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন।
    ‎তুহিন হত্যা দিবস ও সারাদেশের সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ এবং শোকসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকটি ব্যানারে গাজীপুরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন গুলো একাত্বতা প্রকাশ করে দ্রুত তুহিন হত্যার বিচার দাবি করেন।

    ‎সমাবেশে বক্তব্য আরো রাখেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. তাওহীদ হাসান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, প্রতিদিনের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক।

    এছাড়াও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা সিকান্দার আলী কাবুল, জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আখতারুজ্জামান, ভাওয়াল প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাজহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম হোসেন, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের গাজীপুর মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল বারী, জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের মোঃ ইব্রাহিম খন্দকার, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ গাজী মামুন, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সদস্য মোঃ হাসান মিয়া, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা গাজীপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফিরোজ মিয়া, জাতীয় সাংবাদিক অধিকার সোসাইটির আহবায়ক মো: মানিক, মহানগর প্রেসক্লাবের মো: শহিদুল ইসলাম, বাসন মেট্রো থানা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনজুর আলম সরকার, মোঃ রানা সাংবাদিক ও অভিনেতা, হেলেনা আক্তার, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়াসহ গাজীপুর জেলা, মহানগরের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রোনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

    প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে তৃহিন চত্বরে কয়েকটি ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং মেট্টো থানা প্রেস ক্লাবে দোয়া মিলাদ ও তবারক বিতরণ করা হয়।

  • পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের আয়কর অব্যাহতি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

    পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের আয়কর অব্যাহতি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালু এবং পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাস দমনের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হাদী চত্বরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    বিক্ষোভ সমাবেশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল অবঃ খন্দকার ফরিদুল আকবর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ লিগাল এইড’র সভাপতি এডভোকেট পারভেজ তালুকদার, শ্রমিক নেতা বজলুর রহমান বাবলু, ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান, স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টির আহবায়ক জিয়া উল হক, সাহিদুল ইসলাম, কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম, প্রভাষক নারগিস জুই, যুব নেতা সেলিম রেজা বাচ্চু, শাহপরান সাইম, রোজিনা আক্তার, তারেক রহমান শাওন প্রমুখ।

    এসময় পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় স্থায়ীভাবে বসবাসরত বাঙালি জনগোষ্ঠীকে আয়কর অব্যাহতির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য বিদ্যমান আয়কর অব্যাহতি সুবিধা বহাল থাকলেও একই অঞ্চলে বসবাসকারী বাঙ্গালীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা বৈষম্য সৃষ্টি করছে। ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত রাখার বিধান করা হয়। পরবর্তীতে আয়কর আইন, ২০২৩-এও সেই সুবিধা বহাল রাখা হয়। ২০২৬ সালের ১০ জুন জাতীয় সংসদে উত্থাপিত অর্থবিলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বেতন ও আর্থিক সম্পদ থেকে অর্জিত আয় করযোগ্য করার প্রস্তাব করা হলেও ব্যবসা, কৃষি ও অন্যান্য আয়ের করমুক্ত সুবিধা বহাল রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে পার্বত্য অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ২৯ জুন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র নৃ—গোষ্ঠীর বেতন আয়ও করমুক্ত রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই ভৌগোলিক এলাকায়, একি পরিবেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করেও আমরা আয়কর অব্যাহতির সুযোগ পাচ্ছি না। ফলে অর্থনৈতিক ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে পড়ছি।

    এসময় তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০.০৬ শতাংশ স্থানীয় বাঙ্গালি হলেও আমরা চাকরি, উচ্চশিক্ষা, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অংশীদারিত্ব থেকে বঞ্চিত। ১৯৯৭ সালের অবৈধভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি নামক কালো চুক্তির পর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, চাকরি, উন্নয়ন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাঙালিদের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, আমাদের কোনো বিষয় রাষ্ট্রের নিকট গুরুত্ব পাচ্ছে না।

    মোস্তফা আল ইহযায বলেন, দীর্ঘদিনের আয়কর অব্যাহতির ফলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি অংশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলার উপজেলা ভিত্তিক পর্যালোচনা করলে দেখা যায় অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ব্যক্তির বার্ষিক আয় এক কোটি টাকার বেশি, ৩০ থেকে ৪০ জনের আয় ৫০ থেকে ৯৯ লাখ টাকা, ৭০ থেকে ৮০ জনের আয় ২০ থেকে ৪৯ লাখ টাকা, প্রায় ১২০ থেকে ১৫০ জনের আয় ১১ থেকে ২০ লাখ টাকা, প্রায় ১৫০ থেকে ১৬০ জনের আয় ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং ২০০ জনের অধিক লোকের আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার মধ্যে রয়েছে। এই সংখ্যা সময়ের সঙ্গে বাড়ছে, এরাই পাচ্ছে আয়কর মওকুফের সুবিধা। পক্ষান্তরে বাঙ্গালীদের ক্ষেত্রে চিত্রটা ভিন্ন, একজন বাঙ্গালীনঠিকাদার কে তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী ৩.৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আয়কর দিতে হয়। ফলে দরপত্রে সেই ব্যয় যুক্ত করতে হয়। অন্যদিকে, আয়কর অব্যাহতির সুবিধাপ্রাপ্ত ঠিকাদারেরা তুলনামূলক কম দর দিতে পারেন, যা প্রতিযোগিতায় অসম অবস্থার সৃষ্টি করে বলে আমি মনে করছি।

    এডভোকেট পারভেজ তালুকদার বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা পরিষদে হস্তান্তরিত বিভাগসমূহের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির (১১-২০তম গ্রেড) চাকরিতে শতভাগ স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় পার্বত্য বাঙালি শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক কোটা চালুর দাবি জানাই।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের কতিপয় উপজাতির ‘আদিবাসী’ দাবি করার পেছনে গভীর ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। ১৯৭২ সালে মিস্টার লারমা যে বিতর্ক তুলে সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে বিদ্রোহ করেছিল তা দীর্ঘ আলোচনা প্রক্রিয়ার পর ১৯৯৭ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’ স্বাক্ষরের মাধ্যমে অবসান হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে নিজেদের পরিচয় হিসেবে অন্তত ৫০ বার অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ‘উপজাতি’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। এখন ‘আদিবাসী’ দাবি করা চরম স্ববিরোধিতা। ২০০৭ সালে জাতিসংঘ সনদ (UNDRIP) ঘোষণার পর থেকে মূলত ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় এই নতুন বিতর্ক চাঙ্গা করেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি পেলে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আইনি ভিত্তি তৈরির সুযোগ থাকে। তাই ‘আদিবাসী’ শব্দের আড়ালে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা বিনষ্টের অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। দেশের অখণ্ডতা সুরক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    সমাবেশ শেষে শাহবাগের শহীদ হাদী চত্বর থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

  • একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের সেলিব্রেশন-পরবর্তী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

    একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের সেলিব্রেশন-পরবর্তী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

    গোলাম আজম ইরাদ,স্টাফ রিপোর্টার।

    একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের (এজিসি) সেলিব্রেশন-পরবর্তী পরামর্শ সভা শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ কচি-কাঁচা কমিউনিটি ভবনের চতুর্থ তলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনের (এজিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. ফয়েজ আলম ভূঁইয়া।

    তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সদস্যদের ঐক্য এবং স্বাস্থ্যসচেতন সমাজ গঠনে এজিসির ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন এজিসির অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর তৌহিদুল ইসলাম সিয়াম।

    এছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন র্যাঙ্ক হোল্ডার ও সদস্যরা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নিজেদের মতামত ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।
    পরামর্শ সভায় বক্তারা বলেন, একচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশনকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

    তারা সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ।
    সভায় এজিসির মূল দর্শন ও স্লোগান—
    “প্রকৃতিতে জন্ম মোদের, প্রকৃতিতে যাবো ফিরে;
    মধ্যখানের জিন্দেগীতে, সুস্থ থাকবো কেমন করে।”
    —কে সামনে রেখে প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনধারা গড়ে তোলার পাশাপাশি এজিসিকে নতুন রূপে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
    সভা শেষে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন, সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

  • মাদারীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন ও ৬৭ তম সেলফ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন

    মাদারীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন ও ৬৭ তম সেলফ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন

    গোলাম আজম ইরাদ,মাদারীপুর।

    মাদারীপুর, ১৯ জুলাই: বাংলাদেশ ব্যাংকের স্লোগান— “লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ”— বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, মাদারীপুর শাখার উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী “ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন” এবং ব্যাংকের ৬৭ তম ইলেকট্রনিক বুথ (সেলফ সার্ভিস সেন্টার)-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রবিবার (১৯ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে মাদারীপুর শহরের পুরান বাজার প্রধান সড়কে রাজ্জাক হাওলাদার কমপ্লেক্সে (জেলা পরিষদ সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি-এর ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ও অঞ্চল প্রধান কাজী সিহাবুল ইসলাম।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি-এর কালকিনী উপশাখার ব্যবস্থাপক মো. বাদল হোসেন এবং মস্তফাপুর বাজার উপশাখার ব্যবস্থাপক আক্তারুজ্জামান।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি, মাদারীপুর শাখার ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ইকবাল হোসেন।
    এ সময় পুরান বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সম্মানিত গ্রাহক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তারা নগদবিহীন লেনদেনের সুবিধা, নিরাপত্তা ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার সম্প্রসারণে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • এজিসির (AGC) নবম সেলিব্রেশন অনুষ্ঠিত

    এজিসির (AGC) নবম সেলিব্রেশন অনুষ্ঠিত

    ঢাকা থেকে গোলাম আজম ইরাদ।

    রাজধানীর আইডিবি ভবনের হল রুমে শনিবার (১১ জুলাই ২০২৬) অনুষ্ঠিত হয়েছে অ্যাকচুয়াল গ্রীন কর্পোরেশন (AGC)-এর নবম সেলিব্রেশন অনুষ্ঠান।

    প্রতিষ্ঠানের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর তাওহিদুল ইসলাম সিয়াম অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং নিরাপদ, হালাল ও অর্গানিক পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করে আইএসও হালাল ও জিএমপি (GMP)সহ গুরুত্বপূর্ণ সার্টিফিকেট অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি গুণগত মান ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার স্বীকৃতি লাভ করেছে।
    অনুষ্ঠানে কোম্পানির সিইও ফয়েজ আলম ভূঁইয়া, অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর তাওহিদুল ইসলাম সিয়াম, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ডিস্ট্রিবিউটর, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।