Category: ঢাকা বিভাগ

  • মস্তফাপুরে পূবালী ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

    মস্তফাপুরে পূবালী ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত

    মাদারীপুর প্রতিনিধি:

    “লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাদারীপুর জেলার মস্তফাপুর বাজারে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, মস্তফাপুর উপশাখার উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের রিজিওনাল রিলেশনশিপ ম্যানেজার (আরআরএম) জনাব শেখ মো. মারুফ হাসান।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি, মাদারীপুর শাখার ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার জনাব মো. ইকবাল হোসেন, ফরিদপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা জনাব মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির এবং জনাব সাগর পোদ্দার (এডিসি)।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি, মস্তফাপুর উপশাখার ব্যবস্থাপক ও প্রিন্সিপাল অফিসার জনাব মো. আখতারুজ্জামান।
    দুই দিনব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে মস্তফাপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের মধ্যে ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা, ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা এবং নিরাপদ আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ব্যবসায়ী ও গ্রাহকরা ডিজিটাল লেনদেনের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেন।

  • শরীয়তপুরের জাজিরায় বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ

    শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুরে জাজিরা উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) -সকাল ১১ টায় জাজিরা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা চত্বরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    জাজিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আল ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম।
    এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখনই সঙ্কটে পড়েছে তখনই বিএনপি জনগণের পক্ষে কাজ করেছে। আমাদের স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই হয়েছে । আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করিনা, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা উন্নয়নের রাজনীতি করে যাচ্ছি। তারই বহিঃপ্রকাশ কৃষি কার্ড , ফ্যামিলি কার্ডবিতরণ । বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অনেক আগেই উপলব্ধি করে বৃক্ষ রোপন, খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। আজকের এ পর্যায়ে এসে শহীদ জিয়ার সেদিন গৃহীত কর্মসূচি যথার্থ ছিল বলে প্রমাণিত। শহীদ জিয়ার গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজকের কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মিন্টু সওদাগর, জাজিরা উপজেলা বিএনপির সভাপতি বজলুর রহমান সিকদার ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম ফরাজী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম টিটু, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম ইমন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন, কৃষক প্রতিনিধি রাজ্জাক দেওয়ান সহ স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের মাঝে রোপা আমন বীজ, সার , ও বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষচারা বিতরণ করা হয়।

  • জাজিরায় জাজিরা উপজেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    জাজিরায় জাজিরা উপজেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় জাজিরা উপজেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) – সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল ইমরান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর ০১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম।
    এছাড়াও উপস্থিত, ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মেহেদী হাসান, শরীয়তপুর প্রেস ক্লাব এর সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন সরদার, জাজিরা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সালেহ আহম্মেদ, পদ্মা দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস ছালাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রোমান বাদশাহ, জাজিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান হাওলাদার, কুন্ডেরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আকতার হোসেন, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মিন্টু সওদাগর, কেন্দ্রীয় যুব দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম ফরাজি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম বজলুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টিটু আকন, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি কাজি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন খাঁন, উপজেলা যুবদল সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন চৌকিদার, জাজিরা প্রেস ক্লাব এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান শিপন হাওলাদার, সাবেক সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সানজিদ মাহমুদ সুজন, রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি মোঃ মুক্তার হোসেন ফকির সহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগন, সাংবাদিক, উপজেলা বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ।

    মুখ্য উপদেষ্টার বক্তব্যে সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম জাজিরা উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মাদক ব্যাবসায়ী, মাদক সেবনকারী, অবৈধ ড্রেজার পরিচালনা, আগামী এইচ এস সি পরিক্ষা চলাকালীন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ও নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডের দিকে নজরদারিতে রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
    সেই সাথে তার কোন দলিয় পরিচয়ে নেতাকর্মীদের কোনরকম সুবিধা বা তদবির বানিজ্য করার জন্য নিষেধ করে প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য সকলের কাছে দোয়া চান।

  • উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে শতবর্ষের ঘি ব্যবসা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে

    উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে শতবর্ষের ঘি ব্যবসা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে

    (গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর)।

    মাদারীপুরের কুলপুদ্দি ঘোষবাড়ির দুলাল ঘোষ (প্রায় ৮০) দীর্ঘ ৬৫ বছর ধরে ঘোল, মাঠা, মাখন ও ঘি বিক্রির সঙ্গে জড়িত। একসময় তাঁর বাবা অনন্ত ঘোষের হাত ধরে শুরু হওয়া এই পারিবারিক ব্যবসা ছিল এলাকার সুপরিচিত ঐতিহ্য। কিন্তু সময়ের পরিবর্তন আর উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে সেই ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।

    দুলাল ঘোষ জানান, ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে ব্যবসায় নামেন তিনি। সে সময় প্রতি সের মাখনের দাম ছিল মাত্র ৮ টাকা, ঘির দাম ১০ টাকা এবং তিন আনায় এক কেজি দুধ কেনা যেত। বর্তমানে সেই ঘির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজি। তবে দাম বাড়লেও আগের মতো লাভ নেই। একসময় ঘোল, মাঠা ও মাখন বিক্রি করে ভালো আয় হতো এবং স্বচ্ছলভাবে সংসার চলত।

    কিন্তু বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় প্রায় ২০ বছর আগে ঘোল, মাঠা ও মাখন বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হন। এখন শুধুমাত্র ঘি বিক্রির মাধ্যমেই জীবিকা নির্বাহ করছেন।
    তিনি আরও জানান, অনন্ত ঘোষের পাঁচ সন্তানের মধ্যে একমাত্র তিনিই পৈতৃক এই ব্যবসাকে ধরে রেখেছেন। তাঁর তিন সন্তানের মধ্যে একজন স্বর্ণের ব্যবসায়ী, আরেকজন সরকারি চাকরিজীবী এবং একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। ফলে পরিবারের নতুন প্রজন্মের কেউ আর এই ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা চালিয়ে নিতে আগ্রহী নন।

    শারীরিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয় দুলাল ঘোষের। তিনি দুইবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে আবারও প্রিয় ঘি ব্যবসায় ফিরে এসেছেন। দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, “মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্তও আমি এই ব্যবসা করে যেতে চাই।”
    স্থানীয়দের মতে, দুলাল ঘোষ শুধু একজন ব্যবসায়ী নন; তিনি একটি ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তাঁর অবসানের সঙ্গে সঙ্গে কুলপুদ্দি ঘোষবাড়ির বহু বছরের ঘোষাল ব্যবসারও অবসান ঘটবে। একসময় যে ব্যবসা পরিবারটির পরিচয়ের অংশ ছিল, উত্তরসূরির অভাবে সেটি এখন ইতিহাস হয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়।

  • সংবাদ জগতের পরিচিত মুখ এস এম হায়দার চৌধুরী (৪) যুগ ধরে সাংবাদিকতায় পথচলা

    সংবাদ জগতের পরিচিত মুখ এস এম হায়দার চৌধুরী (৪) যুগ ধরে সাংবাদিকতায় পথচলা

    রিপোর্টার মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন।

    সাংবাদিকতা পেশায় চার যুগ ধরে কাজ করে আলোচিত ও পরিচিত এক নাম এস এম হায়দার চৌধুরী। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতার নীতি, আদর্শ ও সত্যনিষ্ঠ অবস্থানের মাধ্যমে অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
    আমি, মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন, ২০১৬ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে পথচলার সুযোগ পেয়েছি। সেই সময়ে তার কাছ থেকে শিখেছি ও একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার নীতি, সততা ও দায়িত্ববোধ।
    তার একটি কথা আজও মনে গেঁথে আছে ,,
    মানুষের নীতি সবচেয়ে মূল্যবান। সাংবাদিকতার পেশায় মিথ্যার জায়গা নেই। সংবাদ হতে হবে সত্যভিত্তিক, দায়িত্বশীল এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিত।
    তিনি মনে করেন, একজন সাংবাদিকের লেখা তার দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের প্রতিফলন। তাই সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, নিরপেক্ষতা, সততা ও পেশাগত মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
    পেশাগত জীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করেছেন। মানুষের জীবন, সমাজ ও বাস্তবতা কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা তাকে সত্য ও নৈতিকতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করেছে।
    তার আরেকটি উপলব্ধি ছিল ও মানুষের প্রশংসার আড়ালেও বাস্তবতা থাকে; তাই মানুষকে বুঝে চলতে হয়। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার কাজ, আদর্শ ও আচরণে প্রকাশ পায়।
    দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে আমি বিভিন্ন সম্পাদক, প্রকাশক ও সংবাদকর্মীর কাজ কাছ থেকে দেখেছি। তবে এস এম হায়দার চৌধুরীর কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও নীতি, আদর্শ ও পেশাগত দায়বদ্ধতা— আমার পথচলার অন্যতম প্রেরণা হয়ে থাকবে।

  • শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার

    শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণ: কবরস্থান থেকে বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, শরীয়তপুর:

    শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভা এলাকার কবিরাজ কান্দি গ্রামে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

    শনিবার (২০ জুন)-বিকেল ৩ ঘটিকার সময় ককটেল বোম বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে, খবর পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেমায়েত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত ও অভিযান পরিচালনা করেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণস্থল থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে স্থানীয় শাজাহান বেপারীর পারিবারিক কবরস্থান থেকে এক বালতি ভর্তি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে, তারা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকৃত ককটেল ভর্তি বালতি জাজিরা থানায় নিয়ে যান।
    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেখানে বিস্ফোরণের আলামত ও পোড়া গন্ধ এখনও রয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি নালা ও পুকুর রয়েছে। আশপাশে কিছু বসতবাড়ি থাকলেও স্থানটি তুলনামূলক নির্জন। কবরস্থানের পাশেই একটি ঘর নির্মিত থাকলেও সেখানে কেউ বসবাস করে না। চারপাশে রয়েছে ফসলি জমি।
    ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে জানতে চাইলে নিকটবর্তী বাড়ির বাসিন্দা সুরুজ বেপারীর স্ত্রী বলেন, “আমরা নতুন বাড়ি নির্মাণ করেছি। অল্প কিছুদিন হলো এখানে আসা-যাওয়া করছি। সবসময় এখানে থাকি না। আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে, তাদের বয়স ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে। আমার স্বামী প্রবাসী । এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়েছে, চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে উদ্ধার অভিযান চালায়।”
    স্থানীয় বাসিন্দা লতিফ বেপারীর স্ত্রী বলেন, “আমার তিন ছেলে বাইরে থাকে, স্বামী কৃষিকাজ করেন। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানি না। তবে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি এবং চারদিকে ধোঁয়া দেখতে পেয়েছি। পরে শুনেছি কবরস্থান থেকে পুলিশ একটি বালতি উদ্ধার করেছে।”
    আরেক এলাকাবাসী নূর মোহাম্মদ শেখ, পিতা আব্দুল শেখ, জানান, “বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কারা করেছে বা কেন করেছে সে বিষয়ে কিছুই জানি না।”
    এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। তবে এ বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেয়নি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    জাজিরা থানার ওসি সালেহ আহমেদ বলেন, জাজিরা কবিরাজ কান্দি ককটেল বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, এক বালতি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। তদন্ত করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে কে বা কারা এ ঘটনার সাথে জড়িত। সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা জাজিরা থানা পুলিশ জাজিরা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে ককটেল বোমা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের এ অভিযান চলমান আছে আইনশৃঙ্খলা  স্বাভাবিক রয়েছে।

  • মাদারীপুর শকুনি লেকপাড়ের ফুড কার্ট ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকুতি

    মাদারীপুর শকুনি লেকপাড়ের ফুড কার্ট ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকুতি

    ভ্রাম্যমান রিপোর্টার। 

    মাদারীপুরের ঐতিহ্যবাহী শকুনি লেকপাড় শুধু একটি বিনোদন কেন্দ্র নয়, এটি শত শত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পরিবারের জীবিকারও উৎস। প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীর সমাগমে এখানে গড়ে উঠেছিল প্রায় শতাধিক ফুড কার্ট, যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে কয়েকশো পরিবার।
    সম্প্রতি উচ্ছেদ অভিযানের ফলে ফুড কার্টগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী আজ চরম সংকটে পড়েছেন। কিস্তির টাকা, ঋণের চাপ, সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ এবং সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। অনেক পরিবার আজ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
    ২১ জুন ফুড কার্ট ব্যবসায়ীরা মাদারীপুর পৌর প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানুর কাছে কাছে গিয়ে করজোড়ে আবেদন জানিয়েছেন “স্যার, আমাদের বাঁচার একটি সুযোগ দিন। আমরা নিয়ম মেনে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রেখে নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা করতে চাই। আমাদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা করে দিন।”
    ব্যবসায়ীদের দাবি, শকুনি লেকপাড়ের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সেখানে একটি নির্দিষ্ট ফুড কার্ট জোন বরাদ্দ দেওয়া হোক। এতে একদিকে যেমন শত শত পরিবারের জীবিকা রক্ষা পাবে, অন্যদিকে দর্শনার্থীরাও স্বল্প খরচে মানসম্মত খাবারের সুবিধা পাবেন।
    মানবিক কারণে বিষয়টি বিবেচনা করে শকুনি লেকপাড়ে ফুড কার্ট ব্যবসার জন্য একটি পরিকল্পিত স্থান নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

  • মাদারীপুরে ৭১ টিভির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    মাদারীপুরে ৭১ টিভির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    মাদারীপুর প্রতিনিধি:

    দেশের জনপ্রিয় সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ৭১ টিভির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (২১ জুন) মাদারীপুর প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    মাদারীপুরে ৭১ টিভির জেলা প্রতিনিধি আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাদারীপুর পৌরসভার পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জেসমিন আক্তার বানু।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহমেদ ফিরোজ ইলিয়াস।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন যুবদল নেতা এডভোকেট মাসুদ পারভেজ, মাদারীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেলাল রিজভী, সাংবাদিক রিপন চন্দ্র মল্লিক ও সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম আজম ইরাদ।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সফিক স্বপন, অভিজিৎ কর্মকার, আরাফাত হোসেন, সাব্বির হুসাইন আজিজ নাজমুল হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সাগর হোসেন তামিম।
    বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরে ৭১ টিভি দেশের গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। তারা চ্যানেলটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং ভবিষ্যতেও নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
    প্রধান অতিথি জেসমিন আক্তার বানু বলেন, সমাজ পরিবর্তনে নৈতিক অবক্ষয় রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের আন্তরিক আচরণে মুগ্ধ সাংবাদিক মহল

    মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের আন্তরিক আচরণে মুগ্ধ সাংবাদিক মহল

    রিপোর্টার,শাফায়েত হোসেন।

    গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের আন্তরিক আচরণ ও পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গিতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত সাংবাদিকরা।
    সম্প্রতি ঢাকা থেকে একটি অনুসন্ধানী টিম তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানায় গেলে সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন।
    আলোচনাকালে তিনি বলেন, সাংবাদিক ও পুলিশ—উভয়েই দেশের মানুষের জন্য কাজ করে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সত্য তুলে ধরেন, আর পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে। আমরা সবাই সব মানুষের কাছে ভালো হতে না পারলেও মানুষের সেবার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।
    তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা ও পুলিশিং—দুই পেশাই দায়িত্ব ও ঝুঁকিপূর্ণ। দেশের স্বার্থে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা চাই সমাজে সবাই মিলেমিশে থাকুক এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।
    অনুসন্ধান রিপোর্টার শাফায়েত হোসেন জানান, সাংবাদিক ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও পেশাগত মূল্যবোধ সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
    স্থানীয় সাংবাদিক মহল মনে করেন, জনগণের স্বার্থে কাজ করা বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে এমন আন্তরিক সম্পর্ক ও সমন্বয় সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।

  • পালেরচর–কাথুরিয়া মোহন ফকির কান্দি সড়কের উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন

    পালেরচর–কাথুরিয়া মোহন ফকির কান্দি সড়কের উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন

    জাজিরা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পালেরচর হাট–কাথুরিয়া মোহন ফকির কান্দি সড়কের চেইনেজ ১২৫০.০০ মিটার থেকে ২৩১০.০০ মিটার পর্যন্ত পূর্ণবাসন (উন্নয়ন) কাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২০ জুন) সকাল ১২ ঘটিকায় সময় পালেচর বাজার সংলগ্ন মাঠ প্রাঙ্গনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন, শরীয়তপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সাঈদ আহমেদ আসলাম।

    এ উপলক্ষে ২.৫ ফুট × ২ ফুট আকারের মার্বেল পাথরের ফলক উন্মোচন করা হয়।

    এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পালেচরহাট–কাথুরিয়া মোহন ফকির কান্দি সড়কের ১২৫০ মিঃঅংশের মধ্যে ২৩১০ মিঃ পূর্ণবাসন কাজের শুভ উদ্বোধন করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

    একটি এলাকার উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হলো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই সড়কের উন্নয়নের ফলে এলাকার মানুষের চলাচল আরও সহজ, সুন্দর হবে।
    আমি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানাই, যেন কাজটি নির্ধারিত সময়ে ও সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করা হয়।

    তিনি দলের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলবল নির্বিশেষে আমরা সবাই মানুষ একে অপরের সহযোগী এবং সহযোগী হয়েই সবাই দেশের উন্নয়নে কাজ করব। কেউ কোন মারামারি এবং বিশৃঙ্খলা করবেন না আর দেশের উন্নয়নে কাজ করতে যদি কোন সমস্যা হয় ভয় পাবেন না আমি আপনাদের পাশে আছি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পালেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল মালেক কিনুই শেখ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, পালেরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স্বপন হাওলাদার। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মহসিন হাওলাদার।

    উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলার( এলজিইডি)
    এর নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রাফিউল ইসলাম এবং উপজেলা প্রকৌশলী ইমন মোল্লা।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ফরাজী, জাজিরা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টিটু আকন, পৌর বিএনপির সভাপতি নজরুল কাজী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন খান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুবেল সর্দার, বড়কান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সৈয়াল, জাসাস উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মৃধা এবং জাজিরা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহিন শিকদার, বিলাশপুর ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি আনোয়ার । উপজেলা মহিলাদলের সভাপতি রুমা হামিদ এবং জাজিরা ইউনিয়ন মহিলা দলের সভাপতি শাহাজাদী সুলতানা।
    এ সময় স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
    বক্তারা বলেন, সড়কটির উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে। তারা উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
    অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠান শেষে মাননীয় সংসদ সদস্য শরীয়তপুর -১ সাঈদ আহমেদ আসলাম ভাঙ্গন কবলিত এলাকা টলারে করে পরিদর্শন করেন।