Category: ঢাকা বিভাগ

  • দক্ষিণবঙ্গের কৃতি সন্তান রবিউল খান হিল্লোল ঢাকা মহানগর উত্তর জুলাই যোদ্ধা কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত

    দক্ষিণবঙ্গের কৃতি সন্তান রবিউল খান হিল্লোল ঢাকা মহানগর উত্তর জুলাই যোদ্ধা কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত

    স্টাফ রিপোর্টার: শাফায়েত হোসেন।

    আদর্শ ও নীতিকে ধারণ করে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার স্বীকৃতি হিসেবে দক্ষিণবঙ্গের কৃতি সন্তান রবিউল খান হিল্লোল ঢাকা মহানগর উত্তর জুলাই যোদ্ধা কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন।
    অনুসন্ধানী সাংবাদিক শাফায়েত হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে নবনির্বাচিত আহ্বায়ক রবিউল খান হিল্লোল বলেন, আমি কোনো পদ-পদবীর জন্য রাজনীতিতে আসিনি। রাজনীতিতে এসেছি দেশ ও মানুষের সেবার জন্য।
    তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি।
    রবিউল খান হিল্লোল আরও বলেন, “বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আমি তাঁকে মাতৃতুল্য সম্মান করি। রাজনৈতিক জীবনে আমাকে অনেক কঠিন পথ অতিক্রম করতে হয়েছে।
    তিনি দাবি করেন, বিগত সরকারের আমলে তিনি বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।

    তাঁর ভাষ্যমতে, একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে নাজিমউদ্দিন রোডস্থ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৯ মাস ১৭ দিন কারাভোগ করতে হয়েছে। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, ২০১৪ সালে তিনি গুমের শিকার হন এবং বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের হামলার মুখোমুখি হন।
    ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমি রাজপথে সম্মুখ সারিতে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছি। ২০ জুলাই গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে পঙ্গুত্ব নিয়ে জীবনযাপন করছি।
    তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাঁদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ন্যায্য অধিকার আদায়ে আমি সবসময় জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।
    নবনির্বাচিত আহ্বায়ক বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আমার নামে কোথাও চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে কি না, তা সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খতিয়ে দেখতে পারেন। রাজনীতি আমার কাছে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম নয়; এটি সাধারণ মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ।
    তিনি আরও বলেন, জনাব তারেক রহমানের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। যারা দীর্ঘদিন তৃণমূল পর্যায়ে রাজনীতি করে আসছেন অথচ অবহেলিত রয়েছেন, তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।
    রবিউল খান হিল্লোল জানান, জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব মো. আলী মিরাজের স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে জুলাই যোদ্ধা ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
    নবনির্বাচিত আহ্বায়ক হিসেবে তিনি সংগঠনের সকল নেতাকর্মী, জুলাই যোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
    এদিকে রবিউল খান হিল্লোলের এই নতুন দায়িত্ব প্রাপ্তিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের জোয়ার বইছে। তাঁর নেতৃত্বে সংগঠন আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হবে বলে নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • সন্ত্রাস চাঁদাবাজি দখলবাজ ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে অঙ্গীকার করলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

    সন্ত্রাস চাঁদাবাজি দখলবাজ ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে অঙ্গীকার করলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

    স্টাফ রিপোর্টার,শাফায়েত হোসেন।

    মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও কিশোর গ্যাং নির্মূলের লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করতে প্রশাসন, সাংবাদিক এবং সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    তিনি কিশোর গ্যাংয়ের গডফাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দায়িত্বশীল নেতা এম এ মান্নান হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিটন মাহমুদ বাবু, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. বশির উল্লাহ বশির, মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের নেতা রুবেল হাওলাদারসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), পুলিশ পরিদর্শক মোসবাহ, তদন্ত কর্মকর্তা রফিক, অপারেশন অফিসারসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    বক্তব্যে ববি হাজ্জাজ জানান, মোহাম্মদপুর-বসিলা এলাকায় নতুন একটি থানা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে যারা রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে। সাংবাদিক ও পুলিশ ভাইদের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। আপনারা প্রকৃত অপরাধীদের তালিকা তৈরি করে আমার কাছে দেবেন, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
    তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস, খাল সংস্কারসহ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তবে এসব কাজে জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণও জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
    এ সময় স্থানীয় বাড়ির মালিক ও এলাকাবাসী তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা অভিযোগ করেন, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যের কারণে এলাকায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। মোবাইল ফোন ব্যবহার কিংবা রাস্তায় নিরাপদে চলাচল নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
    এলাকাবাসীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ইনশাআল্লাহ, আমরা সব সমস্যার সমাধানে কাজ করব। তবে আপনাদেরও আমাদের সঙ্গে থাকতে হবে। ঢাকা-১৩ আসনকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
    তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী যে-ই হোক, তার পরিচয় বড় বিষয় নয়। সন্ত্রাস নির্মূল করাই আমার মূল লক্ষ্য। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।
    মতবিনিময় সভায় বক্তারা এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • আশ্রাফাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    আশ্রাফাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিনিধি: আনোয়ার হোসেন।

    ২১ মে ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল ১০ ঘটিকায় আশ্রাফাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজী মোঃ মনির হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি; সাবেক সভাপতি, কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি এবং সাবেক চেয়ারম্যান, সুলতানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাহিয়ার সুলতানা  থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মোহাম্মদপুর,  তানজিন শারমিন মিশরী সহকারী থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মোহাম্মদপুর এবং বি এম রংধল আমিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাজী মোঃ সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক ৫৭ নং ওয়ার্ড, কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি।
    এসময় বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

  • নদী রক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন আফজাল হোসেন বাবু

    নদী রক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন আফজাল হোসেন বাবু

    রিপোর্টার: শাফায়েত হোসেন।

    বাংলাদেশের নদী রক্ষা ও নদী খনন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন আফজাল হোসেন বাবু।

    তিনি জানান, প্রতি বছরই তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের অধীনে নিয়ম মেনে নদী খননের কাজ পরিচালনা করছেন।
    আফজাল হোসেন বাবু সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন,
    আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন, আমি দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম মেনে কাজ করে যাচ্ছি। কিছু হাউজিং ব্যবসায়ী ও ভূমিদস্যু সরকারি নদীর পাশে প্লট বাণিজ্য করে থাকে। তারা যেন এসব করতে না পারে, সে কারণেই আমি নদী রক্ষার কাজ করছি। কিন্তু আমার এই কার্যক্রমে ক্ষুব্ধ হয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন,আমি দেশের জনগণ, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক সমাজ ও মানবাধিকারকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করা হোক। আমিও এ দেশের নাগরিক, আমিও আইনের বাইরে নই। যদি কোনো অনিয়ম করে থাকি, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
    আফজাল হোসেন বাবু জানান, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের ঘটনায় তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার ক্রাইম আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

  • শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় অনন্য উদ্যোগ জাজিরার ফৌজউদ্দিন মাদবর কান্দি সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে ঔষধি ভেষজ বাগান

    শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় অনন্য উদ্যোগ জাজিরার ফৌজউদ্দিন মাদবর কান্দি সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে ঔষধি ভেষজ বাগান

    শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর:প্রতিনিধিঃ

    শিক্ষার্থীদের ভেষজ উদ্ভিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক চিকিৎসার গুণাগুণ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পালেরচর এলাকায় অবস্থিত ফৌজউদ্দিন মাদবর কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি ব্যতিক্রমী ও দৃষ্টিনন্দন ‘ঔষধি ভেষজ বাগান’ গড়ে তোলা হয়েছে।

    বর্তমান আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও প্রাকৃতিক নিরাময় সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান দানের লক্ষ্যে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন মাসুদ -এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও নিজস্ব অর্থায়নে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই ঔষধি বাগানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
    ​বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাঠের এক কোণে নান্দনিকভাবে সাজানো এই বাগানে রোপণ করা হয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রজাতির দুর্লভ ও প্রয়োজনীয় ঔষধি গাছ।

    যার মধ্যে রয়েছে এলোভেরা (ঘৃতকুমারী), তুলসী, থানকুনি, পুদিনা, পাথরকুচি, বাসক, অর্জুন, নিম, কালমেঘ, শিউলি, নিশিন্দা, শতমূলী ও অশ্বগন্ধাসহ নানা জাতের ভেষজ উদ্ভিদ। বইয়ের পড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যেন সরাসরি ঔষধি গাছ চিনতে পারে এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে পারে, সেজন্য প্রতিটি গাছের সামনে পরিচিতি ফলক বা প্ল্যাকার্ড দেওয়া হয়েছে। সাধারণ রোগব্যাধিতে রাসায়নিক ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ভেষজ উদ্ভিদের মাধ্যমে কীভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা দিয়ে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে।

    প্রধান শিক্ষক জানান, বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েরা প্রতিনিয়ত কৃত্রিম ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, অথচ আমাদের চারপাশেই ছড়িয়ে আছে নানাগুণে গুণান্বিত ভেষজ উদ্ভিদ। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এই ভেষজ বাগান শিক্ষার্থীদের যেমন সৃজনশীল হতে সাহায্য করছে, তেমনি তাদের সুস্থ ও সবলভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে একটি চমৎকার সহায়ক পরিবেশ তৈরি করছে। তিনি নিজের অবসরের সময় এবং নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় করে গাছগুলো সংগ্রহ ও পরিচর্যা করে আসছেন।
    ​সরেজমিনে দেখা যায়, এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ফলে শুধু কোমলমতি শিক্ষার্থীরাই নয়, বরং বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকদের মাঝেও ভেষজ চিকিৎসার গুরুত্ব ও সচেতনতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ থাকার মানসিকতা তৈরিতে এই বাগান অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এটি এখন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি জীবন্ত বিজ্ঞান গবেষণাগার ও পরিবেশ শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
    ​এলাকার স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ফৌজউদ্দিন মাদবর কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই অনন্য উদ্যোগটি অত্যন্ত অনুকরণীয়। দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি এমন ভেষজ বাগান গড়ে তোলা যায়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নিজস্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কে আরও বেশি সচেতন ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।

  • মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

    মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

    স্টাফ রিপোর্টার, শাফায়েত হোসেন।

    মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।

    আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা ও ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির এম এস আহমাদ আলী, ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির মোঃ মান্নান, ৩৩ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আহিদ, ১০০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজগর, সাধারণ সম্পাদক জামাল, বিএনপি নেতা নান্নু, বাদল, দিদার আলম, যুবদল নেতা ইয়াসিন, চন্দ্রিমা ইউনিটের সভাপতি আক্তার হোসেনসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং এলাকার সকল শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির দাবি জানান।
    শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা, স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা। তারা আশা প্রকাশ করেন, মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যান এলাকায় শিক্ষার মানোন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
    অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানা ও ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির এম এস আহমাদ আলী, ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির মোঃ মান্নান, ৩৩ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আহিদ, ১০০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজগর, সাধারণ সম্পাদক জামাল, বিএনপি নেতা নান্নু, বাদল, দিদার আলম, যুবদল নেতা ইয়াসিন, চন্দ্রিমা ইউনিটের সভাপতি আক্তার হোসেনসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং এলাকার সকল শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির দাবি জানান।
    শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা, স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা। তারা আশা প্রকাশ করেন, মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যান এলাকায় শিক্ষার মানোন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • জাজিরা উপজেলা নবাগত ইউএনও আল ইমরানকে সংবর্ধনা

    জাজিরা উপজেলা নবাগত ইউএনও আল ইমরানকে সংবর্ধনা

    শরীয়তপুরে জাজিরা উপজেলা নবাগত ইউএনও আল ইমরানকে সংবর্ধনা দিয়েছে জাজিরা রিপোর্টাস ইউনিটি ও জাজিরা প্রেসক্লাব।

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    বুধবার ( ১৩ মে) দুপুরে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা নবাগত ইউএনও আল ইমরানকে সংবর্ধনা দিয়েছে জাজিরা রিপোর্টাস ইউনিটি ও জাজিরা প্রেসক্লাব।

    জাজিরায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রিপোর্টার্স ইউনিটি-র সভাপতি মোক্তার হোসেন ফকির, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় মোল্লা জাজিরা প্রেসক্লাবের সভাপতি শিপন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, রিপোটার্স ইউনিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইমরান হোসেন (গিটার) সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাজাদী সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, আর টিভির হিমেল আহমেদ অপি, গ্লোবাল ন্যাশন এর মেহেদী হাসান, রিপোটার্স এর সদস্য শেখ শান্ত, সীমান্ত, শাহেদ আলী, নাহিদুল ইসলাম জয়, সৈকত ফকির সহ উপজেলার স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নবাগত ইউএনও আল ইমরান সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন , আমি আমার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করব। এতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা তিনি কামনা করেন।

    এসময় সাংবাদিকরা তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

  • বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন – এমপি খোকন তালুকদার

    বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন – এমপি খোকন তালুকদার

    শাহাজাদী সুলতানা, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ

    মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নির্বাহী কমিটির সহ-গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন জুলাই আন্দোলনের খুনিদের বিচার না চেয়ে জুলাই সনদ নিয়ে নাটক করে লাভ নেই, বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন এবং জুলাই সনদের প্রত্যেকটি লাইন বাস্তবায়ন করবেন ইনশাআল্লাহ।

    তিনি আরো বলেন আপনাদের উচিত ছিল এই সরকারের কাছে আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ সারা বাংলাদেশে ১৭ বছর যারা শহীদ হয়েছে তাদের খুনিদের ফাঁসির দাবিতে রাজপথে মিছিল করা, সেই মিছিল না করে আপনারা মিছিল করছেন সরকারের পদত্যাগের জন্য যা জনগণ ভালোভাবে নিচ্ছে না।

    শনিবার (৯ -মে) সকালে কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ও বিকালে এনায়েত নগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক দুটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন,আমরা অবশ্যই জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চাই অবশ্যই বিএনপি জুলাই সনদের বাস্তবায়ন করবে,তারেক রহমান হ্যা ভোটের পক্ষে ভোট চেয়েছেন সারা বাংলাদেশের বিএনপি’র লোক হ্যা ভোটের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আমরা অবশ্যই জুলাই সনদ শুধু লাইনে লাইনে নয় অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীল তারেক রহমান মাত্র দুই মাসে যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছেন সারা বিশ্বে তা নজিরবিহীন। পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত কোন সরকারই এতো তারাতারি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারেননি। তিনি বলেন অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে কোন মাদক থাকবেনা। মাদারীপুর-৩ আসনকে মাদকমুক্ত করতে আমার যতো কঠোর হতে হবে আমি সেটা হবো। যেকোন মূল্যে মাদারীপুর-৩ আসনকে মাদক মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ।

    উভয় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি,সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সরদার প্রমুখ। উক্ত মতবিনিময় সভা সমূহে পূর্ব এনায়েত নগর ও এনায়েত নগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • মোহাম্মদপুরে ওপেন হাউস ডে পালন

    মোহাম্মদপুরে ওপেন হাউস ডে পালন

    শাফায়েত হোসেন, মোহাম্মদপুর, ঢাকা থেকে। 

    জনসচেতনতা ও কঠোর আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে তেজগাঁও জোনের ডিসি মিজান সাহেবের নেতৃত্বে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, ঢাকা উদ্যান এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সাধারণ এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেজবাহ, তদন্ত ওসি রফিক, ৮ নং পুলিশ বিটের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ, বিডিআর ফাঁড়ির ইনচার্জ, সাব-ইন্সপেক্টর জুয়েলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া ঢাকা উদ্যান আন্তর্জিলা ফেডারেশনের সভাপতি শফিকুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, ১০০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজগর, সাধারণ সম্পাদক জামালসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিসি মিজান বলেন, “ঢাকা উদ্যানসহ আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপদে ঘুমাতে পারেনি। শুধু পুলিশের একার পক্ষে এটি নির্মূল করা সম্ভব নয় ,এ জন্য এলাকাবাসী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমাজের সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
    স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কিছু নামধারী রাজনৈতিক নেতা ও তাদের অনুসারীদের ছত্রছায়ায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বিস্তার লাভ করছে। এ সময় এলাকাবাসী স্পষ্টভাবে জানান,দলের নাম ব্যবহার করে কেউ সন্ত্রাস, মাদক বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
    নবোদয় হাউজিং, চন্দ্রিমা, তুরাগ হাউজিং, নবীনগর ও ঢাকা উদ্যান এলাকার বাসিন্দারা শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের দাবি জানিয়ে বলেন, তারা একটি সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত ও নিরাপদ আবাসিক এলাকা চান।
    সভায় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় আরও বেশি পুলিশ মোতায়েন, নিয়মিত টহল বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আশ্বাস দেওয়া হয়।
    এলাকাবাসী মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রশাসন ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা উদ্যানকে সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত করা সম্ভব।

    সভায় “জিরো টলারেন্স , নীতিতে অপরাধ দমনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

  • সাংবাদিকদের অধিকার কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে

    সাংবাদিকদের অধিকার কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে

    স্টাফ রিপোর্টার। 

    জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে ৭মে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের দাবি সমাবেশে নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, রাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী সাংবাদিকদের অধিকার এবং প্রাপ্য কড়ায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিতে হবে।

    দীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাসে সাংবাদিকদের অধিকার মর্যাদাতো দূরের কথা সবকিছুতেই তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। সাংবাদিকতা পেশায় জড়িতদের জীবনমান উন্নয়নে কোনো সরকার এগিয়ে আসেনি বরং তাদেরকে প্রতিপক্ষ মনে করছে। সরকার গুলো সবসময় কথার ফুলঝুরি দিয়ে আর জাতির বিবেক বলে এদেরকে ঘুম পড়িয়ে রাখে। সাংবাদিকরা এবার জেগেছে। তাদের দমিয়ে রাখা যাবেনা, অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকরা কী চায় তা রাষ্ট্রের পক্ষে সরকারকে শুনতে হবে এবং এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ভুমিকা নিতে হবে। সমাজের নানা পেশাজীবীদের দক্ষতা, মর্যাদা এবং রুটিরুজির নিশ্চয়তায় রাষ্ট্রের সরব ভুমিকা রয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকদের প্রশ্নে রাষ্ট্র নীরব, যা দূ:খজনক। তবে সরকারের তথ্য মন্ত্রী ইতিমধ্যে সাংবাদিকদের তালিকা, সুরক্ষা আইন নিয়ে কথা বলছেন তাকে আমরা স্বাগত জানাই। প্রধান মন্ত্রী এবং তথ্য মন্ত্রীকে সাংবাদিকদের সমস্যার কথা সরাসরি শুনতে হবে। মুষ্টিমেয় কিছু কুলীন সাংবাদিকের কথা শুনলে হবেনা। কতিপয় কুলীন সাংবাদিক এবং আমলাদের কথামত বিগত সরকার ৭ বছর ধরে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করছিল কিন্তু তা আলোর মুখ দেখাতে পারেনি। কুলীন সাংবাদিকদের কথাতো এ যাবত শুনেছেন, এখন ৬৩ জেলার সাংবাদিকের কথা শুনুন, তাদের কী সমস্যা? তাদের দাবি কি?

    নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারকে অবশ্যই জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবির কথা শুনতে হবে। এতে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে। পুরানো ধাঁচের সাংবাদিকতা চলবেনা। গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গ শিল্প হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে। সরকারকে নতুন করে আইন প্রণয়ন করে অকার্যকর প্রেস কাউন্সিলকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়কে তথ্য কমিশন গঠনের মাধ্যমে মিডিয়া এবং সাংবাদিক সংগঠন গুলোকে নিয়ন্ত্রণ এবং নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং ছাড়া গুজব পরিবেশন করে দেশ ও জনগনকে বিভ্রান্তি করা যাবেনা। যা ইতিমধ্যে তথ্য মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেছেন। মন্ত্রী সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা এবং সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কথাও বলেছেন। যা দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। সাংবাদিকতা পেশার উন্নয়নের কথা বলে মুলা ঝুলিয়ে রাখা যাবেনা। ইতিপূর্বে বহুবার আইন প্রণয়ন করে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করা হয়েছিল, নতুন করে কেউ যেনো তা না করে । এই সরকারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিকদের দাবি গুলো শুনে সংসদে উত্থাপন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। ৫৫ বছরের এই দেশে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কোনও দাবি, অধিকার আজও পূরণ হয়নি। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ ১৪ দফা দাবি পূরণ করতে সরকারের নিকট আহবান জানান। সারাদেশের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে দাবি সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা গুলো বলেছেন।

    নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সরকারকে পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রকাশ, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা তৈরি, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন সহ ১৪ দফা দাবি মেনে নিতে আহবান জানান।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর এতে সভাপতিত্ব করেন।অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিকদের সর্ববৃহৎ জোট এ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশনের সদস্য সচিব ও এডিটরস ফোরামের সভাপতি ওমর ফারুক জালাল, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির মহাসচিব মঞ্জুর হোসেন ঈশা, টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরামের মহাসচিব কবি অশোক ধর, আরজেএফের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, সাংবাদিক সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব সুজন মাহমুদ, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সংস্থার সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, সম্মিলিত সাংবাদিক জোটের সভাপতি মিজানুর রহমান মোল্লা, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান বীথি মোস্তফা, বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের সভাপতি আবুল হোসেন, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গাজী মামুন।

    সমাবেশে আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরা, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, সহ-সম্পাদক সবুজ হোসেন রাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজি, আব্দুল বাতেন বাচ্চু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা সৈয়দ খায়রুল আলম, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর ইমন, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার, সদস্য আনোয়ার হোসেন, জামাল হোসেন, শাওন বাঁধন, আসমা আক্তার, মৌসুমি আক্তার, রোজি আক্তার, মরিয়ম আক্তার মারিয়া, রোমানা সানজু, খিলক্ষেত প্রেস ক্লাব সভাপতি হাবিব সরকার স্বাধীন, বিএমএসএফের ছাতক উপজেলা শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী, নারায়নগঞ্জ বন্দর শাখার সাধারণ সম্পাদক জিকে রাসেল, বরগুনা জেলা শাখার সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার আব্দুল কাদের অপু, লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার ফারুক আহমেদ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

    সমাবেশ শেষে একটি শোভাযাত্রা রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।