Category: ঢাকা বিভাগ

  • হেলেন জেরিন খান বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন পেলেন

    হেলেন জেরিন খান বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন পেলেন

    এমডি আল মাসুম খান,নির্বাহী সম্পাদক।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য যে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে, সেখানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার ভিত্তিতেই তাঁকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক জীবনের শুরুতেই ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করেন হেলেন জেরিন খান। ১৯৮৬ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল–এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি নিজেকে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং ইডেন মহিলা কলেজ–এর নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তাঁর নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত।

    পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। জাতীয়তাবাদী মহিলা দল–এর সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি নারীর রাজনৈতিক অংশ গ্রহণ বাড়াতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দলীয় নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

    হেলেন জেরিন খান এর আগে ২০০৫ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময়ে সংসদে তাঁর অংশ গ্রহণ ও বক্তব্য দলীয় মহলে ইতিবাচক ভাবে মূল্যায়িত হয়। এছাড়া ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন, যা তাঁর ধারাবাহিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রমাণ।

    দলীয় নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ এবং দলের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে তিনি একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের জন্য বিএনপির মনোনীত ৩৫–৩৬ জন নারী প্রার্থীর তালিকায় তাঁর অন্তর্ভুক্তি দলীয় রাজনীতিতে তাঁর অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

    প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতা দেওয়ার আশ্বাস সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে এ প্রকল্পের কার্যক্রম কবে থেকে শুরু হবে এবং কত বছর বয়সি সাংবাদিকরা এ প্রকল্পের সুবিধা পাবেন  তার একটি বয়স সীমা নির্ধারণ করা উচিত। বিগত সরকার গুলোর মন্ত্রীদের গালভরা মিছে আশ্বাসে সাংবাদিকরা কারো কথায় বিশ্বাস রাখতে পারেন না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।

    তিনি এ বছরই জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বিষয়টি সরকারকে গুরুত্বের সাথে দেখার আহবান জানান।

    শনিবার ১৮ এপ্রিল বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরে হোটেল অরনেটের বলরুমে বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের ত্রৈমাসিক সাধারণ সভায় সরকারের অগ্রগতি ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেছেন।

    বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি রাজু আলীমের সভাপতিত্বে উদ্বোধক ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নী জেনারেল এ্যাডভোকেট আহসান উল্লাহ।
    স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান সাব্বির আহমেদ রনি।

    প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক পরিষদের মুখপাত্র নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ এডিটরস ফোরামের সভাপতি ওমর ফারুক জালাল, টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক ধর, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম।

    বাংলাদেশ ক্রীড়া অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মো: দুলাল হোসেন, বিশ্ব ইজতেমা উদযাপন কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মনির হোসেন, বাংলাদেশ ইয়্যুথ রেভল্যুশনের তথ্য ও প্রচার উপ-কমিটির চেয়ারম্যান সায়েম ইসলাম টুটুল, বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল কাইয়ুম মিঠু।

  • জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে দেশব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

    জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে দেশব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

    রবিবার (১২ এপ্রিল ২০২৬) দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে এ স্মারকলিপি পাঠানো হয়।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। দুপুর ১২টায় ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: আব্দুল ওয়ারেছ আনসারীর নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেন, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি গাজী মামুন, জাতীয় প্রেস কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুর রহমান পাভেল, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমা সুলতানা নীলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ খায়রুল আলম, যুগ্ম-সম্পাদক নুরুল হুদা বাবু, দফতর সম্পাদক জাকির হোসেন, অর্থ সম্পাদক সোহেল পারভেজ, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি জাকির হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রনি, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নেতা মরিয়ম আক্তার মারিয়া, রোজি আক্তার, পাথর আহমেদ,শাকিল হোসেন সহ ঢাকা জেলা ও মহানগর সহ যাত্রাবাড়ি, ডেমরা শাখার নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়,গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও দেশের সাংবাদিক সমাজ এখনো যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত।

    স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১-৭ মে ১০ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হলে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা আরও সুসংহত হবে।

    নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে মৎস্য, কৃষি, শিক্ষা, পুলিশ, সেনা, আনসার, পুষ্টি ও চিকিৎসা সপ্তাহসহ নানা পেশাভিত্তিক সপ্তাহ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হলেও সাংবাদিকদের জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেই। এমনকি সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা, সুরক্ষা আইন, তালিকা বা নিজস্ব অধিদপ্তর না থাকায় পেশাজীবীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

    স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ৩ মে “বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস” থাকলেও তা বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হয় না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ হাত দোয়া, পা দোয়া দিবসও রাষ্ট্র আয়োজন করে। এ প্রেক্ষিতে, “১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ” রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।

    সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনার মাধ্যমে দেশের সাংবাদিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা ফিরে পাবে।

  • আমি আপনাদেরই সন্তান,আপনাদের অধিকার আদায়ের একটি কণ্ঠস্বর,আপনাদের সমর্থনই আমার শক্তি–শাহজাদি সুলতানা

    আমি আপনাদেরই সন্তান,আপনাদের অধিকার আদায়ের একটি কণ্ঠস্বর,আপনাদের সমর্থনই আমার শক্তি–শাহজাদি সুলতানা

    বিশেষ প্রতিনিধি।

    আসসালামু আলাইকুম। আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই ঘরের মেয়ে। আজ আমি এখানে দাঁড়িয়েছি কোনো বড় নেতা হিসেবে নয়, বরং আপনাদের সেবক হওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে। শাহজাদী মানে শুধু একটি নাম নয়, শাহজাদী মানে আপনাদের অধিকার আদায়ের একটি কণ্ঠস্বর। আগামী নির্বাচনে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করুন, আমি কথা দিচ্ছি—এই এই এলাকার গণমানুষের সমস্ত দুঃখ দুর্দশা আমার কলমের মাধ্যমে তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ । আপনাদের সমর্থনই আমার শক্তি।”
    সমাজের অর্ধেক আকাশ আপনারা। অথচ নীতি নির্ধারণে আপনাদের কথা সব সময় গুরুত্ব পায় না। শাহজাদী আপনাদেরই প্রতিনিধি। আমি চাই আমাদের এলাকার প্রতিটি নারী যেন নিরাপদে এবং সম্মানের সাথে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে। আপনাদের প্রতিটি সমস্যার সমাধানে আমি সব সময় পাশে থাকব। আমাকে একটিবার সুযোগ দিন, আমি আপনাদের আস্থার প্রতিদান দেব।”

  • গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বার্থে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত

    গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বার্থে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত

    স্টাফ রিপোর্টার।

    দেশের গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বার্থে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। সাংবাদিকদের ক্ষুদ্র এ দাবিটি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

    সপ্তাহটিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়ে আগামীকাল ১২ এপ্রিল সারাদেশ থেকে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পাঠানো হবে। এ আয়োজন সফল করতে দেশের সকল সাংবাদিক এবং সাংবাদিক সংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন ৫৬ বছরের এই বাংলাদেশে সকল শ্রেণীপেশার মানুষেরা রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ গ্রহন করলেও কেবলই সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছু নিচ্ছে না। সাংবাদিকদের ঠকিয়ে জাতির বিবেক বলে ঘুম পড়িয়ে রাখা হচ্ছে। তারা জেগে উঠলে পরিস্থিতি ভালো না-ও হতে পারে। হবে হচ্ছে বলে আজও সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা, সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ পেশার মর্যাদা রক্ষায় তালিকা প্রণয়ন আলোর মুখ দেখেনি। রবিবার রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর রংধনু কনভেনশন সেন্টারে দৈনিক শেষ সংবাদ পত্রিকার ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। তিনি এ সময় পত্রিকাটির সাথে সম্পৃক্ত সাংবাদিকদের বিপদেআপদে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

    কেক কাটা, আলোচনা সভা, সাংবাদিক সম্মাননা, সনদ বিতরণসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পত্রিকাটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার সম্পাদক নুর হাকিম, বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সোনালী খবরের সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মিয়া, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেন, বাংলাদেশ ট্রাভেলস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আজিজুল হাকিম, বাংলাদেশ পৌরসভা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো: জাকির হোসেন হোসাইন, মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দৈনিক শেষ সংবাদের সম্পাদক ও প্রকাশক এইচ এফ এম জাহাঙ্গীর হোসেন। উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান ও বার্তা সম্পাদক শেখ সেলিম রেজা।

    এছাড়াও সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। আলোচনা পর্বে বক্তারা সাংবাদিকতার নৈতিকতা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং বর্তমান সময়ে লেজুড়বৃত্তিমূলক সাংবাদিকতার কুফল নিয়ে কথা বলেন। তারা সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ বিচারহীনতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত বিচার দাবি জানান।

    অনুষ্ঠান শেষে কেক কাটা ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ‘শেষ সংবাদ’ ভবিষ্যতেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

  • জ্বালানি সাশ্রয় ও যানজট নিরসনে সাইকেল লেনের দাবি

    জ্বালানি সাশ্রয় ও যানজট নিরসনে সাইকেল লেনের দাবি

    নিজস্ব প্রতিনিধি: মোঃ আনোয়ার হোসেন।

    “জ্বালানি সাশ্রয়, যানজট কমাই, সাইকেল লেন ও পার্কিং সুব্যবস্থা চাই”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজধানীর শাহবাগে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে ১৫তম সাইকেল লেন দিবস।
    শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯টায় শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ সাইকেল লেন বাস্তবায়ন পরিষদসহ সমমনা ৯টি জাতীয় সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ উপলক্ষে সাইকেল র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানের শুরুতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাইক্লিস্টদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    বক্তারা বলেন, সাইকেল কেবল একটি বাহন নয়; এটি শৈশবের স্বাধীনতা, জীবনের রোমাঞ্চ এবং পরিবেশবান্ধব চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ সাইকেল ব্যবহার করলেও বাংলাদেশে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই। তবে শহরাঞ্চলে আনুমানিক দুই লক্ষাধিক সাইকেল ব্যবহৃত হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়।
    বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, মোটরযান ও সাইকেলের একসঙ্গে চলাচল নিরাপদ নয়। দেশে পর্যাপ্ত সাইকেল লেনের অভাবে সাইক্লিস্টরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ছেন এবং দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। তাই নিরাপদ সাইকেল লেন ও পার্কিং সুবিধা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
    অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা, ব্রেন অ্যান্ড লাইফ হসপিটাল, কেরানীগঞ্জ ইউনাইটেড সাইক্লিস্ট, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ সাইক্লিস্ট, মিরপুর স্টান বয়েজ ক্লাব, গ্রীন পেইজ নিউজ পোর্টাল, গ্লোবাল স্টাডি এবং বিডি ট্যুরিস্ট সাইক্লিস্টসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সাইকেল লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি আমিনুল ইসলাম টুববুস।

    সঞ্চালনায় ছিলেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)-এর যুগ্ম সম্পাদক এম. এ. ওয়াহেদ।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ড. এম. হেলাল।

    প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন গ্রীন পেইজ নিউজ পোর্টালের প্রধান উপদেষ্টা ও পরিবেশবিদ প্রকৌশলী মোঃ মাহফুজুর রহমান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রেন অ্যান্ড লাইফ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকরুল হোসেন, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজের প্রভাষক মোঃ আব্দুল আলীম, কেরানীগঞ্জ ইউনাইটেড সাইক্লিস্টের সভাপতি মোঃ রফিকুল হাসান এবং বিএসজিএফ-এর সহ-কোষাধ্যক্ষ আবতাবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    আলোচনা সভা শেষে জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া সাইকেল র‍্যালিটি দোয়েল চত্বর হয়ে পুনরায় একই স্থানে এসে সমাপ্ত হয়।

  • রাজধানীতে ভূমিকম্প নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত আলোচনা সভা

    রাজধানীতে ভূমিকম্প নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত আলোচনা সভা

    নিজস্ব প্রতিনিধি , মোঃ আনোয়ার হোসেন।

    রাজধানীতে ভূমিকম্পের পূর্ব ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত তুলে ধরতে এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৮ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) ঢাকা ক্যাম্পাসের সোবহানবাগস্থ গ্রীন গার্ডেন রেস্টুরেন্টে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে আবাসন নিউজ, সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল ক্যাপস এবং ডিআইইউ’র রিয়েল এস্টেট বিভাগ।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিআইইউ’র রিয়েল এস্টেট বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান ড. আমির আহমেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি)-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান।
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণ-প্রকৃতি পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটির মুখপাত্র এবং আবাসন নিউজ-এর সম্পাদক ও প্রকাশক ইবনুল সাঈদ রানা।
    আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত বক্তারা ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলা, নগর পরিকল্পনা, নিরাপদ ভবন নির্মাণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
    বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স-এর সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, ক্যাপস-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, পরিকল্পনাবিদ সালমা এ শফি, ইপিএফ-এর চেয়ারম্যান তাহমিনা রহমানসহ অন্যান্য বিশিষ্টজন।
    এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিভাগ-এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মোহাম্মদ আলী, বিটিসিএল-এর পরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, রাজউকের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মো. আমিনুল ইসলাম সুমন, ডিজাইন কনসালটেন্ট আতাহারুল ইসলাম, নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এনডিএফ)-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফজল মুকিম খান ডিউক, এসআরসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু জোবায়ের, সাবেক উপসচিব তপন কুমার নাথসহ আরও অনেকে।
    অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল সাসটেইনেবল রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড, অনুসন্ধানী দল এবং এমটিএম এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড।
    সভায় বক্তারা বলেন, রাজধানী ঢাকাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে হলে পরিকল্পিত নগরায়ণ, বিল্ডিং কোড বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

  • জাজিরায় রবিবার উদ্বোধন করা হবে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

    জাজিরায় রবিবার উদ্বোধন করা হবে হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় আগামীকাল রবিবার উদ্বোধন করা হবে হাম-রুবেলা টিকার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি।

    রবিবার -(৫ এপ্রিল) জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে সকাল ৮.০০ ঘটিকায় জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জাজিরা বাজার খোশাল শিকদার কান্দি সেলিম মাদবরের বাড়িতে নিয়মিত ইপিআই কেন্দ্রে এই হাম-রুবেলার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ রেহান উদ্দিন।
    এসময়ে জেলা, উপজেলার স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারী, টিকাদানকারী স্বাস্থ্যকর্মী, সেচ্ছাসেবী, সাংবাদিক, টিকা গ্রহনকারীর অভিভাবক ও স্থানীয় গন্যমান্ন ব্যাক্তিবর্গ।
    এ বিষয়ে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুন নাহার জানান
    সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ছরিয়ে পরা থেকে প্রতিরোধ করার লক্ষে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ জেলার ৩০ টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় হাম রোগ প্রতিরোধে আগামীকাল ৫ এপ্রিল থেকে বিশেষ এই টিকাদান কর্মসূচি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করতে যাচ্ছে। এই ৩০ উপজেলার মধ্যে শরীয়তপুর জেলার আমার জাজিরা উপজেলা ঝুঁকিপুর্ন তালিকার আওতায় আশায় শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন স্যারের নির্দেশনা ও পরামর্শে মতে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আপনারা সহ সকল বিভাগের আন্তরিকতা ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা পেলে আগামীকাল আনুষ্ঠানিক উদ্ভোদন হওয়া থেকে শুরু করে সপ্তাহে ৬ দিন করে তিন সপ্তাহে মোট ২৯০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩০ হাজার সফল ভাবে সম্পন্ন করতে পারবো বলে আমি আশা করছি।
    তিনি আরোও জানান, প্রথমে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসবে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাসের সকল শিশু, এর আগে ঐশিশু টিকা পাক বা না পাক তাদের সবাই এই টিকা পাবে। তবে বর্তমানে যারা অসুস্থ বা হামে আক্রান্ত কিংবা সন্দেহজনক তাদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেয়া হবে।

  • ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ব্রেক ফেল করে আহত অন্তত ১২

    ঢাকা-ভাঙ্গা মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ব্রেক ফেল করে আহত অন্তত ১২

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    ঢাকা থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বাসের ব্রেক হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়ায় মারাত্মক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।

    শনিবার (৪ এপ্রিল) -সকাল ১০ ঘটিকার সময় নাওডোবা তস্তার কান্দি এলাকায় ঢাকা থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বাসের ব্রেক হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ায় মারাত্মক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।এতে
    ১২ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি স্বাভাবিক গতিতে চলছিল। হঠাৎ করে চালক ব্রেক কাজ না করার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। পরে বাসটি রাস্তার পাশে গিয়ে ধাক্কা খেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাসের সামনের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং যাত্রীরা ছিটকে পড়ে আহত হন।
    স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও এসে উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ দেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
    বাসটির চালক ও সহকারীর বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
    এ ঘটনায় এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
    পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বাসটির ফিটনেস ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হবে।
    এই দুর্ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং মহাসড়কে যানবাহনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা এবং চালকদের সতর্কতা বাড়ানো না হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো কঠিন হবে।

  • ‎ওয়াসার ‘নিয়োগ ও কোড বাণিজ্য’ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ অফিসে ঢুকে সাংবাদিককে হুমকি, আজিজ ও মনির গং-এর বিরুদ্ধে থানায় জিডি

    ‎ওয়াসার ‘নিয়োগ ও কোড বাণিজ্য’ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ অফিসে ঢুকে সাংবাদিককে হুমকি, আজিজ ও মনির গং-এর বিরুদ্ধে থানায় জিডি

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ঢাকা ওয়াসার জোন-১ এর একটি সিন্ডিকেটের কোটি টাকার নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিককে তাঁর নিজ কার্যালয়ে ঢুকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।



    ‎ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিকের নাম মো. বশির আহম্মেদ সানি। তিনি ‘সাপ্তাহিক বার্তা বিচিত্রা’ পত্রিকার হেড অব মাল্টিমিডিয়া হিসেবে কর্মরত।

    ‎থানায় দায়ের করা জিডি সূত্রে জানা যায়, পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে সাংবাদিক বশির আহম্মেদ সম্প্রতি “ঢাকা ওয়াসার জোন-১-এ সিন্ডিকেটের রাজত্ব” শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। ওই প্রতিবেদনে মন্নান, ইকবাল ও শরিফুল নামের তিন ব্যক্তির নেতৃত্বে কোটি টাকার নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ তথ্য-প্রমাণসহ তুলে ধরা হয়।

    ‎জিডিতে অভিযোগ করা হয়, প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে গত ৩০ মার্চ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে অজ্ঞাতনামা ৩ জন ব্যক্তি যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ ট্রেড সেন্টারে অবস্থিত পত্রিকাটির কার্যালয়ে জোরপূর্বক প্রবেশ করে। তারা ঢাকা ওয়াসা সিবিএ-এর স্বঘোষিত সভাপতি মো. আজিজুল আলম খান ও সেক্রেটারি মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং জোন-১ সিবিএ-এর সভাপতি ফারুক আহম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক সেলিম ভুঁইয়ার নির্দেশে সেখানে যায় বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ‎অফিসে প্রবেশ করে ওই ব্যক্তিরা প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং অবিলম্বে সংবাদটি প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেয়। সংবাদ প্রত্যাহার না করলে সাংবাদিককে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বলে হুমকি প্রদান করে তারা। এ সময় অফিসে পত্রিকার প্রকাশক মোহাম্মদ রনি এবং নির্বাহী সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খানসহ অন্যান্য কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনেই এই ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।

    ‎ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ঘটনার সময় অফিসের নিচে রাস্তায় আরও ২৫-৩০ জন লোক সংঘবদ্ধ হয়ে অবস্থান করছিল।

    ‎এই ঘটনার পর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক বশির আহম্মেদ সানি। তিনি আশঙ্কা করছেন, ক্ষুব্ধ ওই ব্যক্তিরা বা তাদের সহযোগীরা যেকোনো সময় তাঁর ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলা বা প্রাণনাশের চেষ্টা চালাতে পারে। এ অবস্থায় তিনি পুলিশ প্রশাসনের কাছে সার্বিক নিরাপত্তা ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।