গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বার্থে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত

স্টাফ রিপোর্টার।

দেশের গণতন্ত্র ও গণমানুষের স্বার্থে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। সাংবাদিকদের ক্ষুদ্র এ দাবিটি কালক্ষেপণ না করে দ্রুত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

সপ্তাহটিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়ে আগামীকাল ১২ এপ্রিল সারাদেশ থেকে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পাঠানো হবে। এ আয়োজন সফল করতে দেশের সকল সাংবাদিক এবং সাংবাদিক সংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন ৫৬ বছরের এই বাংলাদেশে সকল শ্রেণীপেশার মানুষেরা রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ গ্রহন করলেও কেবলই সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে কিছু নিচ্ছে না। সাংবাদিকদের ঠকিয়ে জাতির বিবেক বলে ঘুম পড়িয়ে রাখা হচ্ছে। তারা জেগে উঠলে পরিস্থিতি ভালো না-ও হতে পারে। হবে হচ্ছে বলে আজও সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা, সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ পেশার মর্যাদা রক্ষায় তালিকা প্রণয়ন আলোর মুখ দেখেনি। রবিবার রাজধানীর মিরপুর পল্লবীর রংধনু কনভেনশন সেন্টারে দৈনিক শেষ সংবাদ পত্রিকার ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। তিনি এ সময় পত্রিকাটির সাথে সম্পৃক্ত সাংবাদিকদের বিপদেআপদে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

কেক কাটা, আলোচনা সভা, সাংবাদিক সম্মাননা, সনদ বিতরণসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পত্রিকাটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার সম্পাদক নুর হাকিম, বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সোনালী খবরের সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মিয়া, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. আবুল হোসেন, বাংলাদেশ ট্রাভেলস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আজিজুল হাকিম, বাংলাদেশ পৌরসভা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো: জাকির হোসেন হোসাইন, মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দৈনিক শেষ সংবাদের সম্পাদক ও প্রকাশক এইচ এফ এম জাহাঙ্গীর হোসেন। উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান ও বার্তা সম্পাদক শেখ সেলিম রেজা।

এছাড়াও সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। আলোচনা পর্বে বক্তারা সাংবাদিকতার নৈতিকতা, বস্তুনিষ্ঠতা এবং বর্তমান সময়ে লেজুড়বৃত্তিমূলক সাংবাদিকতার কুফল নিয়ে কথা বলেন। তারা সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ বিচারহীনতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত বিচার দাবি জানান।

অনুষ্ঠান শেষে কেক কাটা ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ‘শেষ সংবাদ’ ভবিষ্যতেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *