Category: অর্থ ও বাণিজ্য

  • কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫দিন  নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু, প্রথম দিন রাজস্ব আয় ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা

    কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫দিন  নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু, প্রথম দিন রাজস্ব আয় ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই লেকে ৩ মাস ১৫ দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরা শুরু হয়েছে।

    সোমবার (১০ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে কাপ্তাইয়ের জেটিঘাটে অবস্থিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। ফলে  কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিকদের মাঝে।

    মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কাপ্তাই লেকের বিভিন্ন এলাকা—বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, বিলাইছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে ইঞ্জিনচালিত বোটে করে জেলেরা নানা প্রজাতির মাছ নিয়ে আসতে থাকেন। সারি সারি বোটে চাপিলা, কাচকি, টেংরা, আইড়, বাইম, বাচা, কালিগুনিয়া, পাবদাসহ বিভিন্ন জাতের মাছের ড্রাম নিয়ে ঘাটে ভিড় করতে দেখা যায়।

    মৎস্য ব্যবসায়ীরা শুল্ক পরিশোধের পর মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে ট্রাকে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলায়  পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর জেলে, ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিকদের ব্যস্ততায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

    মৎস্য ব্যবসায়ী জিয়াউল হক জিয়া, সাজ্জাদ, মো. মাইনুদ্দীন এবং ঘাট শ্রমিক আজগর আলীসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে  জেলেরা ইঞ্জিনচালিত বোট ভর্তি  করে মাছ নিয়ে আসছেন। প্রথম দিন কাচকি, চাপিলা, টেংরা, বাচা, আইড়, কালিগুনিয়া, পাবদা ও বাইম মাছ বেশি ধরা পড়েছে। লেকের পানি কমে এলে ধীরে ধীরে বড় আকারের মাছও বেশি ধরা পড়বে বলে তারা জানান।

    তারা আরও জানান, কাপ্তাই লেক থেকে আহরিত এসব মাছ চট্টগ্রাম, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।

    কাপ্তাই মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নবী হোসেন ও অর্থ সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দীন জানান, দীর্ঘ ৩ মাস ১৫ দিন পর নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়েছে। রাঙামাটির মাইনি, শুভলং, বিলাইছড়ির গাছকাটা ছড়া, রাইংখং খালসহ লেকের বিভিন্ন এলাকা থেকে জেলেরা মাছ ধরে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে আসছেন। এসব মাছ শুল্ক পরিশোধের পর চট্টগ্রাম, ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। তবে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাশে লেকে কচুরিপানা থাকায় অবতরণ কেন্দ্রে বোট ভীড়তে কষ্ট হচ্ছে।

    কাপ্তাই মৎস্য উন্নয়ন উপকেন্দ্রের প্রধান জসিম উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে কাপ্তাই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ অবতরণ শুরু হয়। এদিন বেলা ১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ২৮ হাজার ৮৬৬ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অবতরণ হয়েছে। এসব মাছের বিপরীতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। উল্লেখ্য রাঙামাটি জেলা প্রশাসক   কাপ্তাই লেকে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি বছর ২৫ এপ্রিল থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাসের জন্য মাছ আহরণ, বাজারজাত ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। পরে লেকের পানির পরিস্থিতি বিবেচনায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়ে ১০ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়।

    নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সোমবার মধ্যরাত থেকে পুনরায় কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা শুরু হয়।

  • পাহাড়ের টকমিষ্টি লটকন যাচ্ছে সমতলে 

    পাহাড়ের টকমিষ্টি লটকন যাচ্ছে সমতলে 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    পাহাড়ের টকমিষ্টি লটকন যাচ্ছে সমতলে।যা বিক্রি করে মৌসুমি  ব্যবসায়ীরা লাখ টাকা আয় করছে বলে জানান। রাঙামাটি পার্বত্যঞ্চলে প্রাকৃতিক ভাবে

    জন্মানো সুস্বাদু টক মিষ্টি লটকন যাচ্ছে ঢাকা,চট্টগ্রামে। লটকন অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি ফল।যা খেলে মুখের রুচি বাড়ে। এটি গ্রীষ্ম মন্ডলীয় ফল।মে এবং জুন মাসে এ ফল হরহামেশাই দেখা মিলে বাজারে বিক্রয় করতে। আঞ্চলিক ভাষায় এটি ‘লটকা”নটকোনা’ বা আঁশকন ফল  নামে পরিচিত। প্রতিটি  ফল আকার  ৩থেকে ৫সেন্টিমিটার হয়। ফলের ভেতর রসালো নরম শাঁস এর কেন্দ্রে ২থেকে ৪টি বড় বাদামী রঙের বীজ থাকে। এটিতে পযাপ্ত পরিমানে ভিটামিন, খনিজ এবং প্রেটিন থাকে। এই লটকন ফলটি রাঙামাটি তথা কাপ্তাইয়ের জঙ্গলে প্রাকৃতিক ভাবে জম্মে থাকে। মৌসুমি ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন, হাসনাত জানান, পাহাড় হতে এ ফল ক্রয় করছি। প্রতি বস্তা লটকন ৮০০থেকে ১০০০টাকা ক্রয় করা হয়। ঢাকা-চট্রগ্রামে এ লটকন এক  বস্তুা বিক্রি করা হয় ১৫০০শ’থেকে ২ হাজার টাকা করে।

    ব্যবসায়ীরা জানান, ঢাকা, চট্টগ্রামে এ লটকন কেজি ১৫০ টাকা থেকে ২০০টাকা কেজি বিক্রি করা হয়।

    মৌসুমি ব্যবসায়ী শফি জানান, এবার এ ফল বিক্রি করে প্রায়  লাখ টাকা আয় করা হয়েছে।

    কাপ্তাই উপজেলা কৃষি অফিসার আহসান হাবীব জানান, কাপ্তাই উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে এ ফল চাষ করা হয়না। এটি প্রাকৃতিক ভাবে বনে -জঙ্গলে জন্মে। তবে এফলের চাহিদা রয়েছে স্থানীয় ও অন্যান্য জায়গায়। ফলটি পুষ্টিগুনে ভরপুর।

  • উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে শতবর্ষের ঘি ব্যবসা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে

    উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে শতবর্ষের ঘি ব্যবসা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে

    (গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর)।

    মাদারীপুরের কুলপুদ্দি ঘোষবাড়ির দুলাল ঘোষ (প্রায় ৮০) দীর্ঘ ৬৫ বছর ধরে ঘোল, মাঠা, মাখন ও ঘি বিক্রির সঙ্গে জড়িত। একসময় তাঁর বাবা অনন্ত ঘোষের হাত ধরে শুরু হওয়া এই পারিবারিক ব্যবসা ছিল এলাকার সুপরিচিত ঐতিহ্য। কিন্তু সময়ের পরিবর্তন আর উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে সেই ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।

    দুলাল ঘোষ জানান, ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে ব্যবসায় নামেন তিনি। সে সময় প্রতি সের মাখনের দাম ছিল মাত্র ৮ টাকা, ঘির দাম ১০ টাকা এবং তিন আনায় এক কেজি দুধ কেনা যেত। বর্তমানে সেই ঘির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজি। তবে দাম বাড়লেও আগের মতো লাভ নেই। একসময় ঘোল, মাঠা ও মাখন বিক্রি করে ভালো আয় হতো এবং স্বচ্ছলভাবে সংসার চলত।

    কিন্তু বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় প্রায় ২০ বছর আগে ঘোল, মাঠা ও মাখন বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হন। এখন শুধুমাত্র ঘি বিক্রির মাধ্যমেই জীবিকা নির্বাহ করছেন।
    তিনি আরও জানান, অনন্ত ঘোষের পাঁচ সন্তানের মধ্যে একমাত্র তিনিই পৈতৃক এই ব্যবসাকে ধরে রেখেছেন। তাঁর তিন সন্তানের মধ্যে একজন স্বর্ণের ব্যবসায়ী, আরেকজন সরকারি চাকরিজীবী এবং একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। ফলে পরিবারের নতুন প্রজন্মের কেউ আর এই ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা চালিয়ে নিতে আগ্রহী নন।

    শারীরিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয় দুলাল ঘোষের। তিনি দুইবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে আবারও প্রিয় ঘি ব্যবসায় ফিরে এসেছেন। দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, “মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্তও আমি এই ব্যবসা করে যেতে চাই।”
    স্থানীয়দের মতে, দুলাল ঘোষ শুধু একজন ব্যবসায়ী নন; তিনি একটি ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তাঁর অবসানের সঙ্গে সঙ্গে কুলপুদ্দি ঘোষবাড়ির বহু বছরের ঘোষাল ব্যবসারও অবসান ঘটবে। একসময় যে ব্যবসা পরিবারটির পরিচয়ের অংশ ছিল, উত্তরসূরির অভাবে সেটি এখন ইতিহাস হয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়।

  • কাউখালীতে কিস্তিতে ক্রয়কৃত ওয়ালটন পন্যের পাওনা টাকা পরিশোধ ছাড়াই উল্টো গ্রাহকের পরিবার পেল সুরক্ষা সহায়তা

    কাউখালীতে কিস্তিতে ক্রয়কৃত ওয়ালটন পন্যের পাওনা টাকা পরিশোধ ছাড়াই উল্টো গ্রাহকের পরিবার পেল সুরক্ষা সহায়তা

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে ব্যতিক্রমী এ মানবিক কাজের আয়োজন করেন কাউখালী ওয়ালটন প্লাজা।

    ১৭ই জুলাই(বুধবার) বিকাল ৪ ঘটিকার সময় কাউখালী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ওয়ালটন প্লাজার অফিস কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    জানা যায়, উপজেলা সদর ইউনিয়নের বাশুরী গ্রামের মোঃ নুরুজ্জামান তালুকদার, ২৯ হাজার টাকা মূল্যে কিস্তিতে একটি ওয়ালটন মোবাইল ফোন ক্রয় করে, ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করে আকষ্মিক মৃত্যু বরন করেন। কিন্তু মৃত গ্রাহকের পরিবারের কাছে ওয়ালটনের “কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা” কার্ড থাকায় ক্রয়কৃত পন্যের বাকী ৪ হাজার টাকা না নিয়ে উল্টো গ্রাহকের পরিবারের হাতে নগদ ৪৬ হাজার টাকা আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রদান করেন, ওয়ালটন কতৃপক্ষ।
    উল্লেখ্য ২০২২ সাল থেকে দেশের একমাত্র ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি ওয়ালটন,তাদের গ্রাহকদের এ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। ওয়ালটনের পন্যে ক্রয়কারী গ্রাহকের মৃত্যুতে সর্বনিম্ম ২৫ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত,তাদের ক্রয়কৃত পন্যের মূল্যের উপর আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে মৃত গ্রাহকের দাফন বা সৎকারের জন্য সহায়তাসহ পরিবারের একজন সদস্যের চাকরির ব্যবস্থাও করা হয়।
    এছাড়াও ওয়ালটনের এই বিশেষ সুবিধার আওতায় নগদ ও কিস্তিতে পণ্য ক্রয়ে বিভিন্ন অফারের পাশাপাশি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,রিসোর্ট ও সুপার শপে বিশেষ ডিসকাউন্ট,প্লাজাভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবাও প্রদান করা বলে জানা গেছে।
    অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন,  ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসের কাস্টমার রিলেশন বিভাগের ইনচার্জ নাহিদ ইসলাম,বরিশাল ডিভিশনের ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মোঃ আবু রায়হান এবং ওয়ালটন প্লাজা কাউখালী শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ ইয়ামিন আহম্মেদ।
    এ অনুষ্ঠানে অতিথি কাউখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা   মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন,এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজ এবং এই কোম্পানির প্রচার ও প্রসারের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। একজন গ্রাহকের মৃত্যুর পর তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
    ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মোঃ আবু রায়হান বলেন,ওয়ালটন শুধু পণ্য বিক্রিই করে না,গ্রাহক ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়েও গুরুত্ব দেয়।
    ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং গ্রাহকবান্ধব সেবা আরও সম্প্রসারিত করা হবে।

  • ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের পুনর্বহালের দাবিতে মাদারীপুরে কলমবিরতি কর্মসূচি

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের পুনর্বহালের দাবিতে মাদারীপুরে কলমবিরতি কর্মসূচি

    গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর থেকে। 

    ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম, মাদারীপুরের উদ্যোগে আজ ৮ জুন সোমবার এক ঘণ্টাব্যাপী কলমবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    সোমবার পুরান বাজার প্রধান সড়কে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের গ্রাহক আলহাজ খলিলুর রহমান হাওলাদার।

    কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের গ্রাহক আবুল হোসেন, আলী হোসেন, জুনায়েদ হোসেন, নুরুল ইসলাম, আব্দুল হাকিম মিয়া, আলমগীর হোসাইনসহ অন্যান্য গ্রাহকবৃন্দ।
    বক্তারা ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুককে পুনর্বহালের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমকে অপসারণের দাবি উত্থাপন করেন।
    এ সময় বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংকের স্বকীয়তা, সুনাম ও গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তারা ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
    কর্মসূচিতে উপস্থিত সাধারণ গ্রাহকরাও ইসলামী ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণ ও ব্যাংকের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার দাবি জানান।

  • কাপ্তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে দশজন অসহায় ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা যাকাত প্রদান 

    কাপ্তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে দশজন অসহায় ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা যাকাত প্রদান 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক কাপ্তাই উপজেলার দশজন অসহায় ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা যাকাত প্রদান করা হয়েছে।

    শনিবার বিকাল ৩টায় কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিস  কার্যালয়ে এ যাকাত প্রদান করা হয়।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক জানা যায় ২০২৫-২৬অর্থ বছরে সরকারি যাকাত ফান্ড হতে সাহায্যে জন্য আবেদন করার ফলে দশজন অসহায় ব্যক্তিকে জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা করে যাকাত ফান্ড হতে সাহায্যে করা হয়।

    কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রায়হানুল ইসলাম উপস্থিত থেকে দশজনকে পাঁচ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেন।

    এসময় কাপ্তাই উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহামুদ হাসান ও কাপ্তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফিল্ড সুপার ভাইজার মোঃ নাছির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন,উক্ত অর্থ সংসারের আয় বৃদ্ধি করে এমন কিছু করার জন্য সকলকে আহবান জানান।

  • ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে বড় ঋণ চাপে পতন: কেন ব্যবসায়ীরা একই ফাঁদে পড়ছেন

    ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে বড় ঋণ চাপে পতন: কেন ব্যবসায়ীরা একই ফাঁদে পড়ছেন

    মো: আল মাসুম খান,বার্তা সম্পাদক।

    বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) খাতে ঋণনির্ভর ব্যবসার বিস্তার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে ঋণঝুঁকি ও খেলাপির সংখ্যা। শুরুতে স্বাভাবিক ভাবে চলা অনেক ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় ঋণচাপে পড়ে যাচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা সম্পদ নিলামে ওঠার মতো পরিস্থিতিতে গড়াচ্ছে।

    ব্যাংকিং খাত ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই ধরনের পতন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্নে অনেক ব্যবসা একই পথে এগোচ্ছে।

    ব্যবসায়ীরা সাধারণত Black Plate Sheet (BP Sheet) বা অনুরূপ শিল্পপণ্য দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। এই পণ্য বাস ট্রাক বডি, শিপ ফ্যাব্রিকেশন, কন্টেইনার ও রুফিং শিল্পে ব্যবহৃত হয়। একই সঙ্গে নির্মাণ খাতে পাথর, বিটুমিনসহ বিভিন্ন আমদানি পণ্যও ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ব্যবসার মূল অংশ হিসেবে থাকে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যবসার চিত্র থাকে স্বাভাবিক। পণ্য বৈধ, গ্রাহক নিয়মিত, বাজারে চাহিদা থাকে এবং ব্যাংক লেনদেনও স্বাভাবিক থাকে।

    তবে মূল সংকট দেখা দেয় working capital ঘাটতিতে।

    সরবরাহকারীদের অগ্রিম পরিশোধ করতে হলেও অনেক ক্রেতার কাছ থেকে বাকি পাওয়ার কারণে নগদ প্রবাহে ঘাটতি তৈরি হয়।
    এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে working capital লিমিট নেওয়া হয়। শুরুতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকার সীমা থেকে তা ধীরে ধীরে কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছে যায়।

    উল্লেখ্য, ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিক ভাবে এটি স্বাভাবিক ব্যবসা সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
    লিমিট বাড়ার পর কিছু ব্যবসায়ী ব্যাংক ফাইন্যান্স ব্যবহার করে কেবল নিজের ব্যবসা নয়, বরং তৃতীয় পক্ষের বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও যুক্ত হন।

    একাধিক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, LC খুলে আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও প্রকৃত ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ থাকে অন্য পক্ষের হাতে।
    ব্যাংকিং সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে জানান, অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকরা কমিশন বা অতিরিক্ত আয়ের আশায় নিজের লিমিট ব্যবহার করে অন্যের ব্যবসা পরিচালনায় অংশ নেন। এতে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ গ্রাহকের হাত থেকে সরে যায়।

    প্রথমদিকে লেনদেন স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তী সময়ে ঝুঁকি বাড়তে থাকে। ব্যবসার এক্সপোজার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায় ঋণের পরিমাণ বাড়ছে কিন্তু নগদ প্রবাহ সেই অনুপাতে বাড়ছে না। স্টক ও বিক্রির মধ্যে অমিল তৈরি হয় এবং পাওনা আদায় অনিয়মিত হয়ে পড়ে।

    একই সময়ে অনেক ব্যবসায়ীর জীবন যাত্রায় পরিবর্তন দেখা যায়। নতুন গাড়ি, বাড়ি নির্মাণ এবং অতিরিক্ত ব্যয় ব্যবসার নগদ প্রবাহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত। ব্যবসার আয় না বাড়লেও ব্যক্তি গত ব্যয় বাড়লে ঋণনির্ভরতা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

    ব্যাংক যখন নগদ প্রবাহ, স্টক এবং লেনদেনে অসঙ্গতি শনাক্ত করে তখন সীমিতকরণ বা সতর্কতা জারি করে। তবে অনেক ব্যবসায়ী এটিকে সহযোগিতা হিসেবে না দেখে বাধা হিসেবে বিবেচনা করেন।

    এরপর অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক পরিবর্তনের প্রবণতা দেখা যায়। এক ব্যাংক ঝুঁকি সংকেত দিলে ব্যবসায়ী অন্য ব্যাংকে যান, যেখানে তুলনা মূলক ভাবে বেশি লিমিট অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মোট ঋণ এক্সপোজার আরও বেড়ে যায়।

    এক পর্যায়ে ব্যবসা বড় আকার ধারণ করলেও ভেতরে ভেতরে সংকট ঘনীভূত হতে থাকে। পাওনা আটকে যায়, চেক ডিজঅনার হয়, LC দায় পরিশোধে ব্যর্থতা তৈরি হয় এবং ব্যাংক ঋণ অনিয়মিত হয়ে পড়ে।

    ব্যাংক তখন আইনগত পদক্ষেপ নেয় এবং মর্টগেজ সম্পত্তি নিলামে তোলে। অনেক ক্ষেত্রে পুরো দায় সমন্বয় সম্ভব হয় না।
    ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, SME খাতে খেলাপি হওয়ার পেছনে কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে।
    প্রথমত, ঋণকে ব্যবসার বিকল্প হিসেবে দেখা হয়। দ্বিতীয়ত, নগদ প্রবাহ বিশ্লেষণে দুর্বলতা থাকে। তৃতীয়ত, তৃতীয় পক্ষের প্রভাব ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করে। চতুর্থত, সহজ লাভের প্রত্যাশা কাজ করে। পঞ্চমত, ব্যক্তিগত ব্যয় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ষষ্ঠত, পাওনা ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা দেখা দেয়।

    একজন সিনিয়র ব্যাংকার বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা ঋণ দেওয়া নয়, বরং সেই ঋণের ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণের অভাব।
    বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশের SME খাতে অনেক ব্যবসার পতন হঠাৎ ঘটে না। এটি একটি ধীর প্রক্রিয়া, যেখানে শুরুতে থাকে প্রবৃদ্ধি, এরপর অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ, পরে নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং শেষ পর্যন্ত নগদ প্রবাহ ভেঙে পড়া।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, টেকসই ব্যবসার মূল ভিত্তি হলো ঋণ নয়, বরং নগদ প্রবাহ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা।
    মতামত ও নীতিগত দাবি
    ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য LC সুবিধা নিয়ে বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেক উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মহল। তাঁদের মতে, বিদ্যমান কাঠামোয় তুলনা মূলক ভাবে বড় ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরা বেশি সুবিধা পেলেও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা অনেক ক্ষেত্রে একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

    বিশেষ করে নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে ব্যবহৃত পাথর, বিটুমিন সহ গুরুত্বপূর্ণ আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ ও ন্যায্য LC সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন, ভোমরা ও বেনাপোল সহ সীমান্ত বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানির ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র আমদানিকারকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে LC সুবিধা দেওয়া হলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং নতুন উদ্যোক্তারা টিকে থাকার সুযোগ পাবেন।
    ব্যবসায়ীদের দাবি, বর্তমানে LC সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য থাকায় নতুন ও ছোট ব্যবসায়ীরা বাজারে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ছেন। এতে করে একটি সীমিত গোষ্ঠীর মধ্যেই আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ছে।

    অনেকেই মনে করেন, ব্যাংকিং নীতিমালায় এমন পরিবর্তন আনা প্রয়োজন যাতে সকল উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীর জন্য সমানভাবে LC সুবিধা নিশ্চিত করা যায়। একই সঙ্গে ঝুঁকি মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও সহজ প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরও সময়োপযোগী সুবিধা দেওয়া গেলে দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, নীতিগত ভাবে ব্যাংকিং খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবর্তন আনা গেলে একদিকে যেমন আমদানি নির্ভর খাতে প্রতিযোগিতা বাড়বে, অন্যদিকে ছোট ব্যবসায়ীরাও বড় বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

  • কাপ্তাইয়ে কোরবানির পশু’র  হাটে পাহাড়ি গরুর কদর বেশি

    কাপ্তাইয়ে কোরবানির পশু’র  হাটে পাহাড়ি গরুর কদর বেশি

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলার ৪নম্বর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ডের আনন্দ মেলা মাঠে শুরু হয়েছে কোরবানি পশু ক্রয়বিক্রয়ের হাট। পবিত্র ঈদুল আজহার বাকিমাত্র কয়েক দিন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে পশু ক্রয়/বিক্রয় এর নানা প্রস্তুতি।

    পাহাড়ি গরুর কদর বেশি। সকলের  নজর পাহাড়ি পশুর দিকে। রবিবার কাপ্তাই নতুন বাজার আনন্দ মেলা মাঠে পশু হাটে গিয়ে দেখা যায় নানা রঙের গরু নিয়ে পসরা বসেছে। বেশির ভাগ গরু রাঙামাটি জেলার বিলাইছড়ি, জুড়াছড়ি, বরকল ও লংগদুসহ পাহাড়ি এলাকার আশপাশ হতে বেপারীরা বিক্রয়ের জন্য নতুন বাজার হাটে নিয়ে আসছে। গরু ব্যবসায়ী রমজান আলী জানান, কাপ্তাই লেকের পানি শুকিয়ে যাওয়ার ফলে পাহাড় থেকে গরু আনতে খুব কষ্ট হচ্ছে। গরুর দাম কেমন জানতে চাইলে তিনি জানান এবার  একটু বেশি। কারন জানতে চাইলে তিনি জানান,বিভিন্ন জিনিস পত্র  ও দ্রব্যমূল্যর দাম বৃদ্ধি পাশাপাশি গরুর দামও একটু বেশি বলে উল্লেখ করেন।

    চট্টগ্রাম জেলার রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা থেকে গরু ক্রয় করতে আসা  আব্দুল মান্নান ও ইলিয়াস জানান, আমরা পাহাড়ি গরু কিনতে আসছি। কারন পাহাড়ি গরু ন্যাচারাল খাবার খায়। চর্বি কম এবং মোটাতাজা। পাহাড়ি গরুর তেমন একটা অসুস্থ হয়না। বা এসকল গরুকে ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা হয়না। যার ফলে পাহাড়ি গরুর কদর  সকলের কাছে বেশি। গরু বিক্রয় করতে আসা মামুন, নফর আলী, বাবু ও করিম জানান,আমরা কয়েকজন মিলে গরুর খামার করেছি এবং এবার খামারের গরু হাটে বিক্রয়ের জন্য আনছি।তাদের  এক একটা গরু দেড় লাখ হতে দু’লাখ টাকা হাকা হচ্ছে। সামান্য কিছু লাভ হলে ছেড়ে  দিবে বলে জানান। ব্যবসায়ী আবুল কালাম জানান, পাহাড় থেকে বেশির ভাগ পশু পাশ্ববর্তী উপজেলা, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান ও চট্টগ্রামে ছোট, বড় গাড়িতে নেয়া হচ্ছে।

    কাপ্তাই উপজেলা প্রাণী সম্পাদ কর্মকর্তা ডক্টর এনামুল হক হাজারী জানান, কাপ্তাই উপজেলায় এবার ২০২৬ সালে  কোরবানির ঈদের মোট পশুর  চাহিদা ৬হাজার ২শ’,উদ্বৃত্ত আছে এক হাজার ১৭৭টিরমত। তিনি আরও জানান,উপজেলা প্রাণী সম্পাদের পক্ষ হতে পশু পরীক্ষা -নিরিক্ষার জন্য কাপ্তাই নতুন বাজার আনন্দ মেলা গরুর হাটে ঈদের ৪/৫দিন আগে মেডিকেল টিম থাকবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং জাল টাকার বিষয়ে সচেতনামূলক কাজ করবে বলে জানান।

  • মাদারীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত

    মাদারীপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত

    গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর থেকে।

    ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার ও নগদবিহীন অর্থনৈতিক কার্যক্রমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে মাদারীপুরে সচেতনতামূলক র‍্যালি করেছে পূবালী ব্যাংক।
    সোমবার (৪ মে) সকাল ১০টায় মাদারীপুর পুরান বাজারস্থ পূবালী ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়। “লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে। এ সময় সাধারণ মানুষের মাঝে ক্যাশলেস লেনদেনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
    র‍্যালিতে নেতৃত্ব দেন ব্যাংকের কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। এতে অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহক, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা।
    র‍্যালি শেষে শহরের আমিরাবাদ শহীদ বাচ্চু সড়কের কাজী ভবনে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্যাশলেস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পূবালী ব্যাংকের ফরিদপুর রিজিওনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কাজী সিহাবুল ইসলাম।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান হাওলাদার নান্নু, পরিচালক বাবুল চন্দ্র দাস, ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম মিয়া, শাহাদাত হোসেন এবং ব্যাংক কর্মকর্তা রুহুল আমিন।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক মাদারীপুর শাখার ব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন।
    আয়োজকরা জানান, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে নগদবিহীন লেনদেন জনপ্রিয় করতে এবং জনগণকে সচেতন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • কাপ্তাই বিশেষ প্রকল্প ত্রাণের আওতায় চাল বিতরণ 

    কাপ্তাই বিশেষ প্রকল্প ত্রাণের আওতায় চাল বিতরণ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলায় বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচির ত্রাণের  আওতায় চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ এর  নামে দুইটন বরাদ্দকৃত চাল ২শ’মানুষের মধ্যে জনপ্রতি ১০কেজি করে  বিতরণ করা হয়।

    জানাযায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের পরামর্শ ক্রমে ২০২৫-২০২৬অর্থ বছরে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলা ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ঈদ-উল ফিতর ও পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ৫টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।

    উক্ত বরাদ্দেরকৃত ত্রাণের  চাল বিতরণ করা হয়। কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশে তাকে দেওয়া দুই টন চাল ২০০ জনের  মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

    বিতরণ কালিন সময় কাপ্তাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের  সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, কাপ্তাই তাঁতীদলের সম্পাদক তরিক উল্লাহসহ স্থানীয় ইউপি সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।