Category: চট্টগ্রাম বিভাগ

  • জেগে ওঠা কাপ্তাই হ্রদে সবুজের সমারোহ 

    জেগে ওঠা কাপ্তাই হ্রদে সবুজের সমারোহ 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    জেগে ওঠা কাপ্তাই হ্রদে সবুজ ফসলের সমারোহ। মৌসুমি চাষিরা ফসল ফলাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাপ্তাই হ্রদের পানি একটু একটু কমছে,আর সেই শুকিয়া যাওয়া হ্রদের কুল ঘেঁষে বিভিন্ন ফসল চাষে ব্যস্ত হয়ে পরেছে কৃষকরা।

    প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিশাল কাপ্তাই হ্রদ জুড়ে চাষ করতে দেখা যায় কৃষকদের। হ্রদের পাশে  বসবাসরত লোকজন দীর্ঘ এক বছর যাবত অপেক্ষার প্রহর গুনে কখন কাপ্তাই হ্রদের পানি কমবে।আর শুকিয়ে যাওয়া বা জেগে ওঠা হ্রদে ফসল ফলাবে।

    কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে দেখা যায়, একটু পানি কমছে আর সেই শুকিয়ে যাওয়া ছোট, ছোট জায়গায় কৃষকরা হরেকরকম ফসল ফলছে। বিভিন্ন ধরনের ধান,তরমুজ, লাউ,কুমড়া,টমেটো, বড়কটি,ঢেড়শ, লালশাক, পালংশাক, কলমিশাকের  ফসল ফলাচ্ছে।

    বিলাইছড়ি কৃষক সুজন তনচংগা জানান,  এবার কাপ্তাই হ্রদের  পানি একটু ধীরগতিতে কমেছে। যার ফলে বিভিন্ন ফসলের চাষ করতে দেরি হয়েছে। এবং কেংড়াছড়ি কৃষক আলমগীর জানান,আমরা হ্রদের পানি একটু একটু শুকানোর পাশাপাশি বিভিন্ন ফসলের চাষ করা হয়েছে। কাপ্তাই কৃষক শাহাবুদ্দিন, সালমা বেগম জানান এই চাষের ওপর  নির্ভর করে আমাদের একটি বছরের সংসার খরচ। কৃষক সাইনু মারমা,থুইপ্রু মং জানান,এবার আমরা বিভিন্ন ফসল ও সবজি চাষ করেছি।তবে বিভিন্ন ফসল বিক্রয় করে বেশ অর্থ উপার্জন হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে ছেলে মেয়েদের লেখা পড়ার খরচ,ঋণ পরিশোধ,বৈশাখী উৎসব পালন করার কথা জানান। বিলাইছড়ি ও কেংড়াছড়ি কৃষক জানান,এবার ধানের ফসল ভালো হয়েছে। কাপ্তাই কৃষক শাহাবুদ্দিন ও সালমা জানান,ইতি মধ্যে বিভিন্ন সবজি  বিক্রয় করে বেশ কিছু টাকা আয় করা হয়েছে। সেই টাকা দিয়ে হাঁস,মুরগী ও ছাগল ক্রয় করছে বলে জানান। চাষিরা এবার ফসল ফলিয়ে  তাদের মুখে বেশ হাঁসি দেখা যায়।

  • কাপ্তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্বাধীনতা  দিবস  উপলক্ষে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল 

    কাপ্তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্বাধীনতা  দিবস  উপলক্ষে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি ।

    রাঙামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন কাপ্তাই উপজেলার আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা মডেল মসজিদে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে পবিত্র খতমে কুরআন, আলেচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফিল্ড সুপার ভাইজার মোঃ নাছির উদ্দিন।

    তিনি বলেন,বাঙালী সকল সম্প্রদায়ের বীর সেনারা নয় মাস যু্দ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে।যার ফলে আমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি এবং বাঙলা ভাষায় আজ আমরা  কথা বলেছি।

    এসময় বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন মডেল কেয়ারটেকার হযরত মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সাইফী , কেয়ারটেকার সিরাজুল ইসলাম, হাফেজ জালাল উদ্দিন, আব্দুল ছালাম, শিক্ষক কবির হোসেন, আব্দুল আজিজ ছিদ্দিকী।  পরে সকল শহীদদের জন্য  দোয়া ও মুনাজাত করেন হাফেজ আবুল কালাম।

    এসময় সকল মসজিদ ভিত্তিক শিশুরা এবং গণশিক্ষা কার্যক্রম এর শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • কাপ্তাইয়ের এএসআই  মাহাবুর হাসান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু 

    কাপ্তাইয়ের এএসআই  মাহাবুর হাসান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই পুলিশ ফাঁড়িতে কর্তব্যরত  এএসআই  মো. মাহাবুর হাসান নিহত সড়ক দূর্ঘটনা নিহত  হয়েছেন।

    কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল (ওসি) জানান , ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে কাপ্তাই পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত থাকা অবস্থায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি রাঙামাটি- চট্টগ্রাম  মহাসড়কের মানিকছড়ি সেনা ক্যাম্প গেইট সংলগ্ন এলাকায় সিএনজি যোগে যাতায়াত করছিলেন। এ সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে রাঙামাটি  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার ( ২৫ মার্চ) সন্ধ্যা ৫ টা ৫০ মিনিটে   তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ওসি জানান নিহত এএসআই মোঃ মাহাবুর হাসানের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি যশোর জেলার যশোর সদর উপজেলায় নেওয়া হয়েছে

  • আখাউড়ায় ২০ মার্চ সাবেক আইনমন্ত্রীর মুক্তি চেয়ে পোস্টারিং ও প্রচারনা ২৫ মার্চ ২ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    আখাউড়ায় ২০ মার্চ সাবেক আইনমন্ত্রীর মুক্তি চেয়ে পোস্টারিং ও প্রচারনা ২৫ মার্চ ২ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার, কসবা -আখাউড়া ২০ মার্চ সাবেক এমপি, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় “আনিসুল হক মুক্তির সংগ্রাম পরিষদ , নামে, পেইজ খুলে, প্রকাশ্যে পোস্টারিং করে প্রচার প্রচারনার অভিযোগে দুই ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

    উল্লেখ যে ২০ মার্চ কসবা আখাউড়া উপজেলার ভিতরে
    ২ ছাত্রলীগ নেতা, কসবা আখাউড়ার সাবেক এমপি সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে, কারাবন্দি আনিসুল হকের নিঃশর্ত মুক্তি চেয়ে প্রকাশ্যে পোস্টারিং দেওয়ালে লাগিয়ে,,আনিসুল হক মুক্তির সংগ্রাম পরিষদ নামে পেইজ খুলে ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করেন, ২৫/৩/২০২৬ ইং অনুমান রাত সাড়ে নয় ঘটিকার সময়, তাদের এলাকা হইতে, তাদেরকে গ্রেফতার করেন আখাউড়া থানা পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার উত্তর ইউনিয়ন এর মোঃ জরপুল ইসলাম জয়, পিতা- নুর মোহাম্মদ।
    নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক করুয়াতলী, থানা আখাউড়া, জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।

    ও মনিয়ন্দ ইউপি ছাত্রলীগের সদস্য, মনিয়ন্দ গ্রামের মধ্যপাড়ার, শেখ আফরান ইউসুফ, পিতা -মোঃ কাশেম মিয়া।

    আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাবেদ উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে নিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

  • গণহত্যা দিবসে  কাপ্তাইয়ে আলোচনা সভা 

    গণহত্যা দিবসে  কাপ্তাইয়ে আলোচনা সভা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি: 

    রাঙামাটির  কাপ্তাইয়ে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার  সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদের পরিষদের সম্মেলন কক্ষ “কিন্নরী’তে  অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপত্বিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মোঃ রুহুল আমিন।

    উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন এর সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রুইহলা  অং মারমা,উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ এনামুল হক হাজারী, রাঙামাটি  জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ডা: রহমত উল্লাহ,কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল,বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, কাপ্তাই খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পলাশ ঘোষ প্রমূখ।

    এসময় কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আহসান হাবিব,উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী,খাদ্য কর্মকর্তা বকতিয়ার উদ্দীন সহ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান,শিক্ষক, আনসার,ফায়ার সার্ভিস,গণমাধ্যমকর্মী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদের পঞ্চমদিনেও কাপ্তাইয়ের বিনোদন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভীড় : লেক পাহাড়ের সৌন্দর্যে মুগ্ধ পর্যটক

    ঈদের পঞ্চমদিনেও কাপ্তাইয়ের বিনোদন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভীড় : লেক পাহাড়ের সৌন্দর্যে মুগ্ধ পর্যটক

    কাপ্তাই প্রতিনিধি ।

    ঈদের পঞ্চমদিনেও  রাঙামাটির  কাপ্তাইয়ের বিনোদন স্পটগুলোতে শত শত পর্যটকের আগমন ঘটেছে।

    বুধবার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়,  বিনোদনকেন্দ্রে বিনোদনপ্রেমীদের উপচে পড়া ভীড়। কেউ কাপ্তাই লেক এবং কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ভ্রমন করছেন, আবার শিশুরা  শিশু পার্কে আনন্দে ঈদের খুশি উপভোগ করছেন।

    সরেজমিনে  কাপ্তাই শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউসে গিয়ে দেখা যায়, এখানে অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটেছে। রূপসী কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র গুলো ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন রঙে সজ্জিত করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। কাপ্তাইয়ের লেক,নদী পাহাড়, বন্যপ্রাণী এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সকল ভ্রমণ প্রিয়াসুদের নজর কেড়েছে। চট্টগ্রাম হতে বেড়াতে আসা সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল চেয়ারম্যান শামসুল আলম শামিম জানান,ছোট থাকাকালীন দীর্ঘ ৩৫/৪০বছর আগে  বাবার সাথে কাপ্তাই এসেছে। কিন্তু এত বছরপর কাপ্তাই এতে মনটা অনেক ভালো লাগছে।এখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। ঢাকা ঢেমড়া হতে দম্পতি সোহাগ ও রানি কাপ্তাই এর সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ তারা জানান মন চায় এখানে জায়গা জমি কিনে একেবারে থেকে যাই।

    শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউস এর পরিচালক মো: আফছার উদ্দিন এবং  ম্যানেজার  মিনহাজ উদ্দিন  জানান , ঈদে আমাদের বিনোদন কেন্দ্রে প্রচুর পর্যটক এসেছে। আমাদের ১৯ টি কটেজ সব গুলো ঈদের দিন হতে আগামী ২৭ তারিখ  পর্যন্ত বুকিং আছে।

    এদিকে কাপ্তাই নৌ বাহিনী শহীদ মোয়াজ্জেম ঘাঁটি পরিচালিত লেক প্যারাডাইস ও সেনাবাহিনী পরিচালিত জীবতলী লেকশোর  গিয়েও দেখা যায়, এখানে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটেছে। এসময় কাপ্তাই লেকের বোট চালক মো: ইকবাল বলেন,  এখানে প্রচুর পর্যটক এসেছে। অনেকে বোট নিয়ে কাপ্তাই লেক ভ্রমন করছেন।

    এছাড়া  কাপ্তাই  রিভার ভিউ পার্ক, রাইংখ্যং আইল্যান্ড,  সেনাবাহিনী পরিচালিত

    লেকভিউ আইল্যান্ড, শিলছড়ি পাহাড়িকা পিকনিক স্পট, চন্দ্রলোক ক্যাম্পিং সাইট, বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্র    সহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য পর্যটক ঈদের ছুটি উপভোগ করতে এসেছেন পরিবার পরিজন ও বন্ধু বান্ধব নিয়ে ।

    কাপ্তাই থানার  ওসি  শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল   জানান, পর্যটন শহর কাপ্তাইয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত দায়িত্ব পালন করছেন।

  • আখাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে দস্যুতা ও লুন্ঠিত মালামাল একটি সিএনজি গাড়ি সহ গ্রেফতার ৩

    আখাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে দস্যুতা ও লুন্ঠিত মালামাল একটি সিএনজি গাড়ি সহ গ্রেফতার ৩

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ায় গত ২১/০৩/২০২৬ ইং তারিখে রোজ শনিবার সন্ধ্যা অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় জনৈক প্রান্তুস দাস বিজয়নগর থানাধীন চান্দুরা সিএনজি স্ট্যান্ডে প্যাসেঞ্জারের জন্য অপেক্ষা করিলে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ইয়াছিন আখাউড়া থানাধীন চেকপোষ্ট যাবে কিনা জিজ্ঞাসা করিলে প্রান্তুস দাস মোঃ ইয়াছিন এর কথায় ৮০০/- টাকায় ভাড়ায় রাজি হয়ে আখাউড়া থানাধীন চেকপোষ্ট এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।

    প্রান্তুস দাস উক্ত সিএনজি গাড়ি নিয়ে আখাউড়া থানাধীন ০৫নং আখাউড়া দক্ষিন ইউপির অন্তর্গত হীরাপুর সাকিনস্থ ফকির মোড়া বিজিবি ক্যাম্পের উত্তর পাশে রাস্তার উপর পৌছাইলে একই তারিখ রাত্র অনুমান ০৭.৩০ঘটিকার সময় মোঃ ইয়াছিন এর প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিয়েছে বলিয়া সিএনজি গাড়িটি থামাতে বলিলে প্রান্তুস দাস মোঃ ইয়াছিন এর কথায় সিএনজি গাড়ি থামাইলে মোঃ ইয়াছিন তাহার কোমর হতে একটি দারালো ছুরি বের করে তাহাকে উক্ত ছুরি দ্বারা আঘাতের ভয় ভীতি প্রদর্শন করিয়া সিএনজি গাড়িটি নিয়ে দক্ষিন দিকে চালিয়ে নিয়ে চলে যায়। উক্ত ঘটনার বিষয়টি সিএনজি গাড়ির মালিক কেশব দাস(৩৩), পিতা- মৃত দুধ লাল দাস, মাতা- অরুনা রানি দাস, সাং- রসুলপুর, চান্দুরা ইউপি, থানা- বিজয়নগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে জানাইলে তিনি সিএনজি গাড়িটি খোঁজাখুঁজি করিয়া মোঃ ইয়াছিন এর বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দায়ের করিলে আখাউড়া থানার মামলা নং-১৫, তারিখ-২৩ মার্চ ২০২৬, জিআর নং-৪২, ধারা- ৩৯২ পেনাল কোড রুজু হয়। মামলাটির তদন্তভার এসআই(নিরস্ত্র) সুমন কান্তি দে এর উপর অর্পন করা হইলে এস.আই(নিরস্ত্র) সুমন কান্তি দে মামলার তদন্তভার গ্রহন করিয়া সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানাধীন সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর চৌমুহনী সাকিনের উত্তর পূর্বপাশে সিএনজি স্ট্যান্ড হইতে মোঃ ইয়াছিন ,মিয়া(২৮), পিতা- মৃত বাছির মিয়া, মাতা- মৃত আনোয়ারা বেগম, সাং- বাউতলা, থানা- আখাউড়া, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও তদন্তে সন্ধিগ্ধ গ্রেফতারকৃত আসামী সুমন চিশতি(৪৩), পিতা- মৃত মিজানুর রহমান ভুইয়া, মাতা- রেজিয়া বেগম, সাং- সুলতানপুর, পূর্বপাড়া(ভুইয়া বাড়ী), সুলতানপুর ইউনিয়ন, থানা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৩। মামুন মিয়া(২০), পিতা- মোতালিব মিয়া, মাতা- আনোয়ারা বেগম, সাং- সুলতানপুর(মধ্যপাড়া), সুলতানপুর ইউনিয়ন, থানা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়াদেরকে লুন্ঠিত হওয়া একটি সিএনজি গাড়ি হাতে নাতে ইং-২৩/০৩/২০২৫ তারিখ, রাত ২১.৩০ ঘটিকার সময় উদ্ধার করিয়া জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন এবং বর্ণিত আসামীদেরকে গ্রেফতার করিয়া পুলিশি হেফাজতে গ্রহন করেন। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হইয়াছে।

  • আখাউড়ায় ১৬ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    আখাউড়ায় ১৬ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানকালে এস.আই(নিরস্ত্র) মোঃ এমরান হোসেন, সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স এএসআই(নিঃ) বিল্লাল হোসেন, এএসআই(নিঃ) ওমর ফারুক, কং/৫৭১ শরিফুল ইসলাম, কং/২৯১ মাহাবুবুর রহমান, কং/৬৮৪ আমিরুল ইসলাম ড্রাইঃ কং/১২৮৭ মোঃ রাকিব খান, নারী কং/৬৭৬ জাফরীন আক্তারসহ সকলেই আখাউড়া থানা সহ আখাউড়া থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা কালীন ১৯/০৩/২০২৬ ইং তারিখে, রাত ১টা :৩০ ঘটিকার সময় আখাউড়া থানাধীন আখাউড়া উত্তর ইউপিস্থ রামধননগর সাকিনের পলাতক আসামী স্বপন চৌধুরীর বসতঘর তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদকদ্রব্য ০৬ কেজি গাঁজাসহ আসামী ইতি বেগম (৩০), স্বামী- স্বপন চৌধুরী, মাতা- জাহানারা বেগম, সাং-রামধননগর, থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। উপরোক্ত গাঁজা জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী সহ পলাতক আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করা হয়।

    অপর অভিযানকালে এস.আই(নিরস্ত্র) মোঃ মকবুল হোসেন, সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স এএসআই(নিঃ) বিল্লাল হোসেন, এএসআই(নিঃ) ওমর ফারুকসহ সকলেই আখাউড়া থানা সহ আখাউড়া থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা কালীন ১৮/০৩/২০২৬ ইং তারিখ, রাত ১১টা :১৫ ঘটিকার সময় আখাউড়া থানাধীন আখাউড়া দক্ষিন ইউপিস্থ সাতপাড়া আখাউড়া টু আগড়তলা সড়কের প্রেসিডেন্ট সড়কের রাস্তার মাথায় পাকা রাস্তার উপর হইতে ১) মোঃ মনির হোসেন(৩৬), পিতা- মৃত আব্দু মিয়া,মাতা- আছমা বেগম, সাং- নুরপুর লামারপাড়া, ২) মোঃ রতন মিয়া(৩৫), পিতা- মৃত মহরম আলী, সাং- নুরপুর পশ্চিমপাড়া, উভয় থানা- আখাউড়া, এদেরকে মাদকদ্রব্য ১০ কেজি গাঁজাসহ হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। উপরোক্ত গাঁজা জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামী সহ পলাতক আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করা হই। এবং
    গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে

  • পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ

    পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    পার্বত্য চট্টগ্রামে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা জোরালো ভাবে চল্লেও বিভিন্ন ধর্ম থেকে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা নওমুসলিমরা পিছিয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায।

    বুধবার ১৮ মে ২০২৬ তারিখ খাগড়াছড়ি জেলা রামগড়ে নওমুসলিমদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ কালে এসব কথা বলেন তিনি।

    এসময় তিনি আরও বলেন, খ্রিস্টান মিশনারি এগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মাঝে দান/অনুদান প্রদান করে এবং লোভ-লালসা দেখিয়ে পাহাড়ের সহজসরল মানুষদের ধর্মান্তিত করাচ্ছে। যেন দীর্ঘ মেয়াদি সময়ে অত্র অঞ্চলপ একটি স্বাধীন খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠন করা যায়। খ্রিস্টান মিশনারি গুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসী সশস্ত্র সংগঠন গুলো কে দিয়ে নওমুসলিম, স্থানীয় মুসলিম এবং স্থানীয় বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মানুষকে অত্র অঞ্চল থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই সব অপকৌশলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের করণীয় কী? আর কীভাবে ইসলাম ও মুসলিম এবং বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের এই মারাত্মক চক্রান্তের মুকাবিলা করা যাবে? কি ভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের নওমুসলিমদের তাদের জুলুম ও নির্যাতন থেকে রক্ষা করা যাবে তা সরকার এবং সচেতন নাগরিকদের ঠিক করতে হবে। নিশ্চয় এ দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বড়, আর তা সকল মুসলিমের উপর সমভাবে আবর্তিত। এককভাবে হোক কিংবা সংঘবদ্ধভাবে, রাষ্ট্রীয়ভাবে হোক কিংবা গোষ্ঠীগতভাবে। দেশের প্রতিটি মুসলিম ও দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীর উপরই এ দায়িত্ব পতিত। কেননা পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি মুসলিম, বৌদ্ধ ও সনাতনী সম্প্রদায়ের ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই খ্রিস্টান মিশনারি গুলোর বিষাক্ত টার্গেটের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ, নওমুসলিম সহ সকল মুসলমান ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত প্রতিটি জনগোষ্ঠীর মানুষকে তাদের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করবেন।

    সভাপতি বক্তব্যে মাওলানা নুরুজ্জামান বলেন, ঈদুল ফিতর আমাদের মুসলমানদের জন্য অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দিনটি আমাদের মুসলিম ভাইদের জন্য বড়ই আনন্দের এবং খুশির দিন। পার্বত্য চট্টগ্রামের নওমুসলিমরা দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করায় এবং ভিন্ন ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করার কারণে নিজ জাতিগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম অর্থনৈতিক ও খাদ্য সংকটের মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করছে। রাষ্ট্রীয় ভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হতদরিদ্রের জন্য সহযোগিতা প্রদান করা হলেও পার্বত্য অঞ্চলের প্রশাসনিক কাঠামো উপজাতিদের হাতে থাকায় নওমুসলিমগণ সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নওমুসলিমদের প্রতি সাহার্যের হাত বাড়িয়ে দিতে রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেন তিনি। সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর উদ্যোগে নওমুসলিমদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে বরাবরের মতো এবারও ক্ষুদ্র প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতেও সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে নওমুসলিম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    এসময় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল হক, আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা রবিউল ইসলাম লাদেন, মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া,শিক্ষাবিদ মরিয়ম বেগম, নওমুসলিম কল্যাণ পরিষদ এর সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সম্পাদক মোঃ জুয়েল হোসেন, প্রমুখ।

    ‎ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল, চাউল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, আলু, নুডুলস, চিনি, লাচ্চা সেমাই, বাংলা সেমাই, নারিকেল, বাদাম, দুধ সহ ১৩ ধরনের খাদ্য সামগ্রী।

  • ১৫০ পরিবার পেল আঃ হান্নান সরকার স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী

    ১৫০ পরিবার পেল আঃ হান্নান সরকার স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের বরিশল গ্রামে ১৫০ পরিবার পেল মরহুম আঃ হান্নান সরকার স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী।

    মরহুম আঃ হান্নান সরকারের ছেলে জসিম সরকার ও ফারুক সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় ১৫০ জন পরিবারের মধ্যে ১৫০ টি ইফতারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

    গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১২ টার সময় মরহুম আঃ হান্নান সরকারের নিজস্ব বাসভবনে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়। বিতরণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, তৈল, পিয়াজ, চিনি, আলু ও সেমাই।

    সমাজ সেবক সুলতান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব ফজলুর রহমান ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন।

    আবদুল বাছির খান মেম্বারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি অধ্যাপক আলী আফজাল ভুইয়া, আশারুজ্জামান ভুইয়া খোকন, লোকমান ভুইয়া, কালন সরকার বিতরণে উপস্থিত ছিলেন।

    মরহুমের ছেলে দলিল লেখক জসিম সরকার জানান, বিতরন শেষে আমার বাবা মরহুম আঃ হান্নান এর জন্য সকলেই মন থেকে খাস করে দোয়া করেছেন।