Category: সারাদেশ

  • সৃজিত বাগানসহ বসতঘরের ক্ষতি   চিৎমরম বুনো  হাতি আতংকে রাত কাটে কৃষক কাদেরের পরিবার  

    সৃজিত বাগানসহ বসতঘরের ক্ষতি  চিৎমরম বুনো  হাতি আতংকে রাত কাটে কৃষক কাদেরের পরিবার  

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা ৩নম্বর চিৎমরম ইউনিয়ন ৫নংওয়ার্ডয়ে বুনো হাতির আতংকে কাটছে কৃষক কাদেরর পরিবার।

    একাধিক বার বুনো হাতি এসে কাদেরের সৃজিত বাগান, ঘর ও বাগের বিভিন্ন গাছপালা নষ্ট করে গেছে। পাশের বন হতে উক্ত পরিবারসহ মুসলিম পাড়া এলাকার বসবাসকারী একাধিক পরিবারের ফসলসহ গাছপালা লন্ডন ভন্ড করে চলছে বুনো হাতির দল। অসহায় কৃষক আব্দুল  কাদের জানান, রাতে ঘুমাতে পারিনা হাতির যন্ত্রণায়। আমার ফসল গাছপালা তো নষ্ট করেছে পাশাপাশি ঘরের অনেক ক্ষতি করছে।

    কাদের পরিবার রাবেয়া খাতুন পাখি কান্না কন্ঠে আকুতি জানান,হাতি আতংকের ফলে আমার মেয়ে মেয়ের জামাই ও নাতিনরা কেউ আমার বাসায় বেড়াতে আসেনা।প্রতিনিয়ত ভয় ও আতংকে রাত কাটে।

    ক্ষতিগ্রস্ত আরেকটি পরিবার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,বন্য হাতি আমাদের ইক্ষু, কলাগাছ ঘরের পানির  পাম্পসহ সৃজিত ফসল নষ্ট করে গেছে। প্রতিরাত কাটে আমাদের ভয় ও আতংকে। আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনসহ বন বিভাগের সহযোগিতা চাই।এ বিষয়ে প্রতিকারের কোন ব্যবস্থা নেয়া না লোকজনের ক্ষোভ বৃদ্ধি পাবে।

    কাপ্তাই ৩নম্বর চিৎমরম ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম জানান, হাতি আসছে শুনেছি। কিন্তু কারও কোন ক্ষতি করেছে কিনা আমাকে কেউ জানায়নি।

    রাঙামাটি  দক্ষিণ বন বিভাগ কর্ণফুলী রেঞ্জ কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি জানান, চিৎমরম মুসলিম পাড়া এলাকায় বুনো হাতি এসে অনেক ক্ষতি করেছে শুনেছি। তবে ফসলসহ ক্ষতি বিষয়ে দেখাশুনা করে কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা।

  • শরীয়তপুরের জাজিরায় বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ

    শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুরে জাজিরা উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) -সকাল ১১ টায় জাজিরা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা চত্বরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    জাজিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আল ইমরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম।
    এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখনই সঙ্কটে পড়েছে তখনই বিএনপি জনগণের পক্ষে কাজ করেছে। আমাদের স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই হয়েছে । আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করিনা, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা উন্নয়নের রাজনীতি করে যাচ্ছি। তারই বহিঃপ্রকাশ কৃষি কার্ড , ফ্যামিলি কার্ডবিতরণ । বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অনেক আগেই উপলব্ধি করে বৃক্ষ রোপন, খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। আজকের এ পর্যায়ে এসে শহীদ জিয়ার সেদিন গৃহীত কর্মসূচি যথার্থ ছিল বলে প্রমাণিত। শহীদ জিয়ার গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজকের কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মিন্টু সওদাগর, জাজিরা উপজেলা বিএনপির সভাপতি বজলুর রহমান সিকদার ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম ফরাজী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম টিটু, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম ইমন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন, কৃষক প্রতিনিধি রাজ্জাক দেওয়ান সহ স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের মাঝে রোপা আমন বীজ, সার , ও বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষচারা বিতরণ করা হয়।

  • জাজিরায় জাজিরা উপজেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    জাজিরায় জাজিরা উপজেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরায় জাজিরা উপজেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) – সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আল ইমরান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর ০১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম।
    এছাড়াও উপস্থিত, ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ মেহেদী হাসান, শরীয়তপুর প্রেস ক্লাব এর সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন সরদার, জাজিরা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সালেহ আহম্মেদ, পদ্মা দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস ছালাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রোমান বাদশাহ, জাজিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান হাওলাদার, কুন্ডেরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আকতার হোসেন, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মিন্টু সওদাগর, কেন্দ্রীয় যুব দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম ফরাজি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম বজলুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টিটু আকন, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি কাজি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন খাঁন, উপজেলা যুবদল সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন চৌকিদার, জাজিরা প্রেস ক্লাব এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান শিপন হাওলাদার, সাবেক সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সানজিদ মাহমুদ সুজন, রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি মোঃ মুক্তার হোসেন ফকির সহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগন, সাংবাদিক, উপজেলা বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ।

    মুখ্য উপদেষ্টার বক্তব্যে সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম জাজিরা উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মাদক ব্যাবসায়ী, মাদক সেবনকারী, অবৈধ ড্রেজার পরিচালনা, আগামী এইচ এস সি পরিক্ষা চলাকালীন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ও নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডের দিকে নজরদারিতে রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
    সেই সাথে তার কোন দলিয় পরিচয়ে নেতাকর্মীদের কোনরকম সুবিধা বা তদবির বানিজ্য করার জন্য নিষেধ করে প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য সকলের কাছে দোয়া চান।

  • কাপ্তাইয়ে সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা 

    কাপ্তাইয়ে সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি রিজিয়নের কাপ্তাই উপজেলা ১০আর ই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অসহায় দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান।

    ১০আর ই ব্যাটালিয়ন জানান,সোমবার (২৯ জুন ২৬)সকাল ১০টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত  ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা ধনপাতা বাজার মুখ এলাকায় বসবাসকারী অসহায়,দরিদ্র, গরীব জনসাধারণ ও শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করছে।

    ব্যাটালিয়ন জানান, স্বাস্থ্য সেবা নিতে দূর দূরান্ত থেকে অসহায় ও দরিদ্র লোকজন চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে আসে।সেনাবাহিনী প্রধানের নির্দেশনায় ১০ আর ই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাদিক শাহরিয়ার পিএসসি তত্বাবধানে উক্ত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। ব্যাটালিয়নের মেডিক্যাল অফিসারগন চিকিৎসা সেবা প্রদান করে। এসময় চিকিৎসা নিতে আসা উপজাতি সম্প্রদায়ের লোকজন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

    ১০ আর ই  ব্যাটালিয়ন জানান, ভবিষ্যতে এরকম সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য সেনাবাহিনী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকবে।

  • কেপিএম পেপার মিলস্ পরিদর্শনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার 

    কেপিএম পেপার মিলস্ পরিদর্শনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    চট্টগ্রাম বিভাগের  বিভাগীয় কমিশনার ড: মো: জিয়াউদ্দীন রাঙামাটি কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ পরিদর্শন করেন।এসময়  তিনি জরাজীর্ণ বহু পুরাতন পেপার মিল ঘুরে দেখেন।এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ মিলটি কিভাবে সচল ও আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেই বিষয়ে পরামর্শ চেয়েছে মিল কর্তৃপক্ষের নিকট।

    রবিবার (২৮ জুন২৬)  সকাল ১০টায় বিভাগীয় কমিশনার চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলি পেপার মিলস লিমিটেড ( কেপিএম)  পরিদর্শনে আসে। এসময় তিনি মিলের উৎপাদন বিভাগের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন ।

    কেপিএম গেস্ট হাউজে বিভাগীয় কমিশনারকে কেপিএম এমডি শহীদ উল্লাহ প্রজেক্ট এর মাধ্যমে মিলের আগে এবং বর্তমান অবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। পরিদর্শনকালে  রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী,  রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( শিক্ষা ও আইসিটি) মো: আলমগীর হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম, কেপিএম লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ( এমডি) শহীদ উল্লাহ,  কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কেপিএম এর উৎপাদন বিভাগের প্রধান মাইদুল ইসলাম, মহা ব্যবস্থাপক( প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ,  মহা ব্যবস্থাপক( এমটিএস) আবুল কাসেম রনি, কেপিএম এর এফ আর বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আলী আহমেদ, কেপিএম সিবিএ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সহ কেপিএম এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে বিভাগীয় কমিশনার  ড. মো: জিয়াউদ্দীনকে কাপ্তাই উপজেলায় আসলে দপ্তরপ্রধানগন ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে রাইখালী হেডম্যান অফিস পরিদর্শন করে কমিশনার।

  • শাহজাদপুরে চরের কৃষি বদলের সাক্ষী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

    শাহজাদপুরে চরের কৃষি বদলের সাক্ষী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

    স্টাফ রিপোর্টার,মো: সবুজ হোসেন রাজা।

    কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খুকনী চরে সফর করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম। তাঁর এ সফর চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের প্রত্যয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    সফরকালে তিনি “চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প” এর আওতায় আয়োজিত পাট ফসলের মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে চরাঞ্চলের কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তিনি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থাপনা, উন্নত জাতের ফসলের চাষাবাদ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    পরে মহাপরিচালক প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত পলিনেট হাউজ পরিদর্শন করেন। সেখানে উৎপাদিত বিভিন্ন ফসলের চারা ঘুরে দেখেন এবং কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে উন্নতমানের চারা বিতরণ করেন।

    সফরের অংশ হিসেবে তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    সফরে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মো. জিয়াউর রহমান, প্রকল্প পরিচালক, “বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প”; মো. এ. কে. এম. মনজুরে মওলা, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ; মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি অফিসার, শাহজাদপুর; কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাহিদুল ইসলাম ও ফারজানা ইয়াছমিন। এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক কৃষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    খুকনীর ব্রাহ্মণগ্রামের কৃষক লালচান মুন্সি বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আমাদের এলাকায় এসেছেন, এতে আমরা খুবই আনন্দিত। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা আমাদের কৃষিকাজে অনেক সহায়ক হবে।

    উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মহাপরিচালক স্যার উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেছেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। তিনি সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর এ সফরে শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি অফিস অত্যন্ত আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত।

    প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় এনে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করাই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে চরাঞ্চলে কৃষির ব্যাপক উন্নয়ন ও সবুজায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, চরাঞ্চলের কৃষিকে আরও লাভজনক ও টেকসই করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত জাতের সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের নিয়মিত কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষকদের উন্নয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য।

    মহাপরিচালকের এ সফর ও দিকনির্দেশনা চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে বলে উপস্থিত কৃষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে শতবর্ষের ঘি ব্যবসা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে

    উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে শতবর্ষের ঘি ব্যবসা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে

    (গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর)।

    মাদারীপুরের কুলপুদ্দি ঘোষবাড়ির দুলাল ঘোষ (প্রায় ৮০) দীর্ঘ ৬৫ বছর ধরে ঘোল, মাঠা, মাখন ও ঘি বিক্রির সঙ্গে জড়িত। একসময় তাঁর বাবা অনন্ত ঘোষের হাত ধরে শুরু হওয়া এই পারিবারিক ব্যবসা ছিল এলাকার সুপরিচিত ঐতিহ্য। কিন্তু সময়ের পরিবর্তন আর উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে সেই ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।

    দুলাল ঘোষ জানান, ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে ব্যবসায় নামেন তিনি। সে সময় প্রতি সের মাখনের দাম ছিল মাত্র ৮ টাকা, ঘির দাম ১০ টাকা এবং তিন আনায় এক কেজি দুধ কেনা যেত। বর্তমানে সেই ঘির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজি। তবে দাম বাড়লেও আগের মতো লাভ নেই। একসময় ঘোল, মাঠা ও মাখন বিক্রি করে ভালো আয় হতো এবং স্বচ্ছলভাবে সংসার চলত।

    কিন্তু বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় প্রায় ২০ বছর আগে ঘোল, মাঠা ও মাখন বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হন। এখন শুধুমাত্র ঘি বিক্রির মাধ্যমেই জীবিকা নির্বাহ করছেন।
    তিনি আরও জানান, অনন্ত ঘোষের পাঁচ সন্তানের মধ্যে একমাত্র তিনিই পৈতৃক এই ব্যবসাকে ধরে রেখেছেন। তাঁর তিন সন্তানের মধ্যে একজন স্বর্ণের ব্যবসায়ী, আরেকজন সরকারি চাকরিজীবী এবং একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। ফলে পরিবারের নতুন প্রজন্মের কেউ আর এই ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা চালিয়ে নিতে আগ্রহী নন।

    শারীরিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয় দুলাল ঘোষের। তিনি দুইবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে আবারও প্রিয় ঘি ব্যবসায় ফিরে এসেছেন। দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, “মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্তও আমি এই ব্যবসা করে যেতে চাই।”
    স্থানীয়দের মতে, দুলাল ঘোষ শুধু একজন ব্যবসায়ী নন; তিনি একটি ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তাঁর অবসানের সঙ্গে সঙ্গে কুলপুদ্দি ঘোষবাড়ির বহু বছরের ঘোষাল ব্যবসারও অবসান ঘটবে। একসময় যে ব্যবসা পরিবারটির পরিচয়ের অংশ ছিল, উত্তরসূরির অভাবে সেটি এখন ইতিহাস হয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়।

  • সিরাজগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত

    সিরাজগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। পরে অফিসার্স ক্লাবের হলরুমে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহুরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

    আলোচনা সভায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রোভার স্কাউটসের সদস্য, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ডিটিসি-এর নির্বাহী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান শাহীন, জেলার বিভিন্ন মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের কর্মকর্তা এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

    সভায় বক্তারা মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তরুণ সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে মাদকবিরোধী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • সংবাদ জগতের পরিচিত মুখ এস এম হায়দার চৌধুরী (৪) যুগ ধরে সাংবাদিকতায় পথচলা

    সংবাদ জগতের পরিচিত মুখ এস এম হায়দার চৌধুরী (৪) যুগ ধরে সাংবাদিকতায় পথচলা

    রিপোর্টার মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন।

    সাংবাদিকতা পেশায় চার যুগ ধরে কাজ করে আলোচিত ও পরিচিত এক নাম এস এম হায়দার চৌধুরী। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতার নীতি, আদর্শ ও সত্যনিষ্ঠ অবস্থানের মাধ্যমে অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
    আমি, মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন, ২০১৬ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে পথচলার সুযোগ পেয়েছি। সেই সময়ে তার কাছ থেকে শিখেছি ও একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার নীতি, সততা ও দায়িত্ববোধ।
    তার একটি কথা আজও মনে গেঁথে আছে ,,
    মানুষের নীতি সবচেয়ে মূল্যবান। সাংবাদিকতার পেশায় মিথ্যার জায়গা নেই। সংবাদ হতে হবে সত্যভিত্তিক, দায়িত্বশীল এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিত।
    তিনি মনে করেন, একজন সাংবাদিকের লেখা তার দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের প্রতিফলন। তাই সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, নিরপেক্ষতা, সততা ও পেশাগত মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
    পেশাগত জীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করেছেন। মানুষের জীবন, সমাজ ও বাস্তবতা কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা তাকে সত্য ও নৈতিকতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করেছে।
    তার আরেকটি উপলব্ধি ছিল ও মানুষের প্রশংসার আড়ালেও বাস্তবতা থাকে; তাই মানুষকে বুঝে চলতে হয়। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার কাজ, আদর্শ ও আচরণে প্রকাশ পায়।
    দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে আমি বিভিন্ন সম্পাদক, প্রকাশক ও সংবাদকর্মীর কাজ কাছ থেকে দেখেছি। তবে এস এম হায়দার চৌধুরীর কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও নীতি, আদর্শ ও পেশাগত দায়বদ্ধতা— আমার পথচলার অন্যতম প্রেরণা হয়ে থাকবে।

  • শহীদ প্রকৌশলী এ.কে, এম শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন কেএইচএস ওয়ারিওর্স 

    শহীদ প্রকৌশলী এ.কে, এম শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন কেএইচএস ওয়ারিওর্স 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র শহীদ প্রকৌশলী এ.কে,এম শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    শুক্রবার বিকাল ৪টায়  কপাবিকে বিউবো মাঠে টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধান অতিথি উপস্থিত থেকে  টুর্নামেন্ট ম্যাচ ফাইনাল খেলা  উদ্বোধন করেন  কপাবিকে ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহামুদ হাসান। তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ব চলাকালীন কপাবিকে ব্যবস্থাপক শহীদ শামসুদ্দীন কে পাকিস্তানের হায়নারা নির্মমভাবে গুলি করে শহীদ করা হয়। তার স্মরণে এই ফুটবল ম্যাচ।টুর্নামেন্টের আহবায়ক  কপাবিকে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কয়সুল বারী ও সুফি আলম রাখেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌধুরী হাসান শরীফ(ডিডি),এরকিয়ারেম চৌধুরী ইমন(সহকারী প্রকৌশলী), শাখাওয়াত কবির সহকারী পরিচালক,(নিরাপত্তা) ও মামুনুর রশিদ। এবং ফুটবল টুর্নামেন্টে পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব পালন করে মোঃ বেলাল হোসেন সভাপতি  জাতীয়তাবাদী বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন কাপ্তাই শাখা(১৮৮৬),সহসভাপতি মুর্শিদ আলম,শ্রমিক নেতা কবিরুল ইসলাম কবির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, সহসভাপতি আবু মোয়াছেন,সহসাধারণ সম্পাদক মাহাবুব রহমান,যুগ্নসম্পাদক কাজী হান্নান  সাংগঠনিক নুর মোহাম্মদ উজ্জ্বল,মোরশেদ আলম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ফারুক মিয়া।

    উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্টে ম্যাচে ৮টি দল অংশগ্রহণ করেন। ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলায়  কে এইচ এস ওয়ারিওর্স বনাম ডু অর ডাই এর  মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    খেলায় কে এইচএস ওয়ারিওর্স ৪-২গোলে ডু অর ডাইকে  পরাজিত করে চ্যাম্পিয় ট্রাফি অর্জন করে।

    খেলায় রেফারি দায়িত্ব পালন করে মাহাবুব হাসান  এবং ধারাভাষ্যকার ছিলেন ওসমান গনি তনু।পরে সেরা খেলোয়াড় এবং গোলদাতাকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।