Category: সারাদেশ

  • কাউখালীতে মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান

    কাউখালীতে মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলায় মাদক,অনলাইন জুয়া,কিশোর গ্যাং দ্বারা সংগঠিত বিভিন্ন অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
    কাউখালী থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং ওসি (তদন্ত) মোঃ এবাদ আলীর নেতৃত্বে গত ১৩ই জুন(শনিবার) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ইকোপার্ক,কালী মন্দির, খাদ্য গোডাউন, কুমিয়ান আবাসন,ইটভাটা ও আমরাজুড়ী নদীর পাড়ে পুলিশের এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    এ সময় অভিযানে সন্দেহভাজন একাধিক ব্যক্তিকে তল্লাশি এবং অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে কঠোর নজরদারি চালানো হয়।
    জানা গেছে,গত ৮ জুন কাউখালী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোঃ আনোয়ার হোসেন।

    দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন,পিরোজপুর-২ আসনের মাননীয় গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন মহোদয় এবং জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাউখালী উপজেলায় চুরি,ডাকাতি, ছিনতাই,ইভটিজিং,কিশোর গ্যাং, অনলাইন জুয়া,মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং আইন প্রয়োগে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে কাউখালী থানা পুলিশ।
    এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পর অপ্রয়োজনীয়ভাবে দলবদ্ধ হয়ে আড্ডা দিলে তাদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
    তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
    স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান শুরু হওয়ায় অপরাধপ্রবণ কর্মকাণ্ড কমবে বলে আশা করেছেন। প্রতিনিয়ত তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে কাউখালীর সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
    পরিচালিত বিশেষ পুলিশি মহড়া ও অভিযান সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ সৃষ্টি করেছে বলে জানা গেছে।

  • শরীয়তপুর জাজিরায়  বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন সাইদ আহমেদ আসলাম এমপি

    শরীয়তপুর জাজিরায়  বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন সাইদ আহমেদ আসলাম এমপি

    শাহাজাদী সুলতানা, নিজস্ব প্রতিবেদক :

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ৫ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় শরীয়তপুরের জাজিরায় বৃক্ষরোপণ  কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন-২০২৬) দুপুরে শরীয়তপুর ১ আসনের   সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর  ইউনিয়নের কাজিয়ার চড়ে  চারা রোপণ করে এই সবুজায়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এবং পরবর্তীতে তিনি জাজিরা পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ করেন।

    উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাজিরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আল ইমরান,জাজিরা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ সালেহ আহম্মেদ, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইমন মোল্লা, উপজেলা কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক, জাজিরা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম বজলুর রশিদ।

    সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি  মোঃ শিরাজুল হক মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মুর্শেদ টিপু, জাজিরা পৌরসভা বিএনপির সভাপতি কাজি নজরুল ইসলাম, যুবদল সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, জাজিরা প্রেস ক্লাব এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান শিপন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি মোঃ মুক্তার হোসেন ফকির সহ  উপজেলা বিএনপির সহযোগী সংগঠন ও বিলাসপুর ইউনিয়ন বিএনপির  নেত্রীবৃন্দ, সাংবাদিক ও স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশের মানুষের জন্য দোয়া করে  কর্মসূচি শেষ করেন।

  • পদ্মা নদীতে নিখোঁজের ১৩ দিন পর ভেসে উঠল বাকপ্রতিবন্ধী যুবক রমজান আলীর মরদেহ

    পদ্মা নদীতে নিখোঁজের ১৩ দিন পর ভেসে উঠল বাকপ্রতিবন্ধী যুবক রমজান আলীর মরদেহ

    শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নজুমদ্দিন বেপারী কান্দি গ্রামের বাকপ্রতিবন্ধী যুবক রমজান আলীর (মৃত) (২৮)মরদেহ নিখোঁজ হওয়ার ১৩ দিন পর শনিবার (১৩ জুন)-বিকেলে পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    মৃত রমজান আলী দক্ষিণ নজুমদ্দিন বেপারী কান্দি গ্রামের আবদুল আলী বেপারীর ছেলে এবং মরহুম ছোবাহান বেপারীর নাতি। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করলেও কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন পদ্মা নদীতে গোসল করতে যান রমজান আলী(২৮)। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন কিশোর ও যুবক নদীতে নামেন। গোসল শেষে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেলেও রমজান আলী (২৮)নদীতে ডুব দেওয়ার পর আর পানির ওপর ভেসে ওঠেননি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন, ডুবুরি দল এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় নদীতে তল্লাশি চালান। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
    নিখোঁজের পর থেকে পরিবার ও স্বজনরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাতে থাকেন। এলাকাবাসীও বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখেন। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
    অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার ১৩ দিন পর, শুক্রবার (১৩ জুন) পদ্মা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রমজান আলীর (২৮) স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন। পরে তার কাকা এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
    রমজান আলীর (২৮)মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। মরদেহ উদ্ধারের আগে অনেকেই বিভিন্ন লোকবিশ্বাস ও কুসংস্কারের ভিত্তিতে নানা ধারণা প্রকাশ করেছিলেন। তবে বাস্তবতা হলো, পদ্মা নদীর মতো প্রবল স্রোত ও গভীর নদীতে দুর্ঘটনাজনিত ডুবে যাওয়ার ঘটনায় অনেক সময় মরদেহ উদ্ধার হতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
    এদিকে একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে রমজান আলীর(২৮) বাবা-মা শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাদের সান্ত্বনা দিতে ভিড় করছেন।

    এ বিষয়ে সচেতন মহলের বক্তব্য, বর্ষা মৌসুমে নদী, খাল ও জলাশয়ে গোসল বা সাঁতার কাটার সময় সবাইকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের একা পানিতে নামতে দেওয়া উচিত নয়। অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

    জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ সালেহ আহমদ জানান, হ্যা এমন একটা ঘটনা ঘটেছে। আজ লাশ পাওয়া গেছে এবং পরিবার রমজানআলীর লাশ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে এবং লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    সচেতন মহল বলেন, “একটি অসাবধানতাই কেড়ে নিতে পারে একটি মূল্যবান প্রাণ। তাই সকল অভিভাবকের উচিত নিজেদের সন্তানদের প্রতি সর্বোচ্চ নজরদারি রাখা এবং নদী বা গভীর পানিতে নামার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা।”
    রমজান আলীর (২৮)অকাল মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • কাপ্তাইয়ে  বৃক্ষরোপণ শুভ  উদ্বোধন  

    কাপ্তাইয়ে  বৃক্ষরোপণ শুভ  উদ্বোধন  

    কাপ্তাই প্রতিনিধি: 

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কর্ম পরিকল্পনার অংশ হিসাবে রাঙামাটি কাপ্তাইয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বাধন করা হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন) দুপুর আড়াইটায় কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের আয়োজনে কাপ্তাই উপজেলার বড়ইছড়ি কর্ণফুলী নুরুল হুদা কাদেরী উচ্চ বিদ্যালয়ে উপজেলা পর্যায়ে এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন  করেন কাপ্তাই  উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম।

    এসময় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহমুদ হাসান, বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ অফিসার মামুনুর রহমান, বড়ইছড়ি নুরুল হুদা কাদেরী উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য খোরশেদুল আলম কাদেরী, স্কুলের প্রধান শিক্ষক জয়সীম বড়ুয়া সহ স্কুলের শিক্ষক,  শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • কাউখালীতে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম উদ্বোধন

    কাউখালীতে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম উদ্বোধন

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সন্ধ্যা নদীর তীরে সোনাকুর ফেরিঘাট, গন্তব্য ও হরিণধারা এলাকায় নদীভাঙন রোধে জরুরি প্রতিরক্ষা কাজের অংশ হিসেবে জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ১২টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান, পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাফর মোঃ রাশেদ খান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    এ সময় নদীভাঙন কবলিত এলাকার শত শত মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
    পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম তীরে তিনটি স্পটে মোট ২৬০ মিটার এলাকাজুড়ে জিও ব্যাগ ফেলা হবে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৪ লাখ টাকা। কাজ সম্পন্ন হলে ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা ফেরিঘাট, খেয়াঘাট, বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
    ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সংসদ সদস্য আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন বলেন,
    সন্ধ্যা নদীর ভাঙন দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এলাকাবাসীর দাবি ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে এই প্রতিরক্ষা কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, নদীভাঙনের কারণে স্থানীয় জনগণ দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের মধ্যে ছিলেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো সুরক্ষিত হবে। উপজেলা প্রশাসন কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।

    পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাফর মোঃ রাশেদ খান বলেন,জরুরি প্রতিরক্ষা কাজের আওতায় তিনটি স্পটে জিও ব্যাগ স্থাপন করা হবে। নদীর স্রোত ও ভাঙনের প্রবণতা বিবেচনায় নিয়ে কারিগরি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

    অত্র এলাকার বাসিন্দারা জানান,
    আমাদের বাড়ির খুব কাছ পর্যন্ত নদী চলে এসেছে। এই প্রতিরক্ষা কাজ সম্পন্ন হলে অনেক পরিবার নিরাপদে থাকতে পারবে।
    উল্লেখ্য, কাউখালীর সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র নদীভাঙন অব্যাহত থাকায় স্থানীয় জনগণ কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের উদ্যোগে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

  • মাসিক রূপসী কাপ্তাইয়ের আয়োজনে ”   পরিবেশ সুরক্ষায়  করনীয়” শীর্ষক আলোচনা

    মাসিক রূপসী কাপ্তাইয়ের আয়োজনে ”   পরিবেশ সুরক্ষায়  করনীয়” শীর্ষক আলোচনা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাই হতে প্রকাশিত মাসিক সাময়িকী রূপসী কাপ্তাইয়ের আয়োজনে পরিবেশ সুরক্ষায় আমাদের করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা করা হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন)  দুপুরে  শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড এন্ড পড হাউসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মাসিক সাময়িকী রূপসী কাপ্তাইয়ের নির্বাহী সম্পাদক কাজী মোশাররফ হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক আমিনুর রশীদ কাদেরী।

    এতে প্রধান অতিথি উপস্থিত থেকে  বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মোঃ রায়হানুল ইসলাম।  তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ রক্ষা করে আমাদেরকে পর্যটন শিল্পে উন্নতি ঘটাতে হবে।  কাপ্তাইয়ে বন্য হাতি আছে, তাদের আবাসস্থল যেন ধ্বংস না হয়, সেদিকে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

    এসময় বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কেপিএম লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক( কর্মাশিয়াল) আব্দুল্লাহ আল মামুন, কেপিএম এর উৎপাদন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাইদুল ইসলাম, কেপিএম লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক( প্রশাসন)

    আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, কেপিএম লিমিটেড এর এফ আর  বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আলী আহমেদ,   চট্টগ্রাম ফটোগ্রাফিক সোসাইটির উপদেষ্টা মইনুল আনাম ও মইদুদুল আলম, বিএফআইডিসি লাম্বার প্রসেসিং কেন্দ্রের সহ ব্যবস্থাপক তীর্থ জিৎ রায়, ওয়াগ্গা টি লিমিটেডের পরিচালক খোরশেদুল আলম কাদেরী, কাপ্তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহমুদ হাসান, কাপ্তাই সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন, কাপ্তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম।

  • কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৯ বছর : এখনোও ঝুঁকিতে বসবাস করছে ৫ শত পরিবার 

    কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৯ বছর : এখনোও ঝুঁকিতে বসবাস করছে ৫ শত পরিবার 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ২০১৭ সালের ১৩ জুন। রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইবাসীর জন্য দিনটি  বিভীষিকাময় ।  আগের দিন মধ্যরাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। টানা বর্ষণে তখন ঘরবন্দী মানুষ। ওই দিনের পাহাড়ধসে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় প্রাণ হারায় ১৮ জন।আহত হয়েছে শতাধিক নারী -পুরুষ।

    ১৩ জুন সকালে কাপ্তাইবাসী শুনল ভয়াবহ পাহাড়ধসের কথা। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে লাগল মৃত্যুর খবর। সেই দিন সকালে প্রথম দুঃসংবাদটি আসে ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়ি থেকে। ভয়াবহ পাহাড়ধসে সেদিন ওই এলাকায় বসবাসরত নুরনবীসহ তাঁর ছেলের সন্তানসম্ভবা স্ত্রী এবং তার শিশুপুত্র ঘটনাস্থলে মারা যায়। এরপর একে একে কাপ্তাই উপজেলার  ওয়াগ্গার মুরালীপাড়া, রাইখালির কারিগরপাড়া এবং চিৎমরম ইউনিয়ন থেকে পাহাড়ধ্বস ও মৃত্যুর খবর আসতে থাকে।দিশেহারা হয়ে পড়ে প্রশাসনসহ সর্বস্তরের লোকজন।  সেদিনের পাহাড়ধসে কাপ্তাইয়ে প্রাণ হারায় ১৮ জন। পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় শত শত একর সবজিখেত, নষ্ট হয় বহু ঘরবাড়ি। এখনো দিনটির কথা স্মরণ করে শিহরিত হয় ওই সব এলাকার মানুষ।

    (১৩ জুন ২০১৭) কাপ্তাইয়ের পাহাড়ধসের ৯ বছর হয়ে গেলেও এখনো কাপ্তাইয়ের অনেক জায়গায় পাহাড়ে ও পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করছে শত শত পরিবার। বিশেষ করে ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনিতে পাহাড়ের পাদদেশে এবং ঢালুতে  ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাস করছে প্রায় ৫শ’অধিক  পরিবার। এ ছাড়া ওয়াগ্গা ইউনিয়নের মুরালীপাড়া, রাইখালী ইউনিয়নের কারিগর পাড়া, তিনছড়ি, মিতিঙ্গাছড়িসহ দুর্গম অনেক জায়গায় বসবাস করছে অনেক পরিবার। তাঁরা আছেন ঝুঁকিতে। বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি হলে এই মানুষদের প্রশাসনের পক্ষ হতে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হলেও এ সব পরিবারগুলোকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা সম্ভব হয়নি এখনো।

    ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের প্রকৌশলী  চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ জানান,  কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি এলাকায় এখনো ঝুঁকিতে বাস করছে বহু মানুষ। যখন অতি বৃষ্টি হয়, তখন পাহাড়ধসের আশঙ্কায় তাঁরা নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে আসে। যদি এসব লোককে স্থায়ীভাবে কোনো জায়গায় পুনর্বাসন করা যেত, তাহলে সমস্যার সমাধান হতো।

    কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হানুল ইসলাম জানান,  ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনিসহ উপজেলার রাইখালী ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নে এখনো পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে  যারা বসবাস করছে তাদের ডাটাবেজ করবো, তারা ভুমিহীন কিনা। যদি তারা বিল্ডিং কোড মেনে ঘর বাড়ি করে তাহলে আমরা সহায়তা করবো। তিনি আরোও বলেন, জেলা  প্রশাসনের নির্দেশে ইতিমধ্যে  আমরা  এসব এলাকায় গিয়ে জনগণকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস না করার জন্য অনুরোধ করি। বিশেষ করে অতি বৃষ্টি হলে পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকে। তখন আমরা ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসি এবং তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করি। যদি ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীরা দুর্যোগের আগে নিরাপদ স্থানে চলে আসে, তাহলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব।

    কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ  সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, (১৩জুন২০১৭) সালে আমি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর দায়িত্বে ছিলাম। সেদিন সকালে প্রথমে খবর পাই ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন এর মিতিঙ্গাছড়িতে পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের কয়েকজন মাটির নীচে চাপা পড়ে আছে। আমি ঝুঁকি নিয়ে সেই এলাকায় যাই। কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে সমগ্র কাপ্তাইয়ের ক্ষতিপূর্ণ এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম চালাই।

    তিনি আরোও জানান  এখনো পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অনেকে বসবাস করছেন। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনির বাসিন্দারা সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছেন। তাদেরকে স্থায়ী কোন বন্দোবস্তের জন্য বর্তমান সরকার চেষ্টা করবেন।

  • শিক্ষার্থীদের প্রতিটি উদ্ভাবনী চিন্তাই মূল্যবান–উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃআসাদুজ্জামান

    শিক্ষার্থীদের প্রতিটি উদ্ভাবনী চিন্তাই মূল্যবান–উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃআসাদুজ্জামান

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে “মেধা,বিজ্ঞান উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ,সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্কতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে, সাইন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেজিং প্রোগ্রাম প্রদর্শনীর শুভ উদ্ভোধন ঘোষণা করেন, অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান।

    এ সময় তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিটি উদ্ভাবনী চিন্তাই মূল্যবান। কোনো আইডিয়াই ছোট নয়। একটি ছোট ধারণাও ভবিষ্যতে বড় আবিষ্কারে রূপ নিতে পারে। বিজ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীল চিন্তার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ ও আত্মনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

    ১২ জুন(শুক্রবার) সকাল ১০ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদের শাপলা চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন,এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম(EESS) এসইডিপি ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

    অনুষ্ঠানটিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান।

    তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা লব্দ জ্ঞান এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই গড়ে উঠতে পারে আগামীর সম্ভাবনার বাংলাদেশ।

    বিশেষ অতিথি কাউখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন,মাদকাশক্তি ও অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড থেকে তরুণদের দূরে রাখতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে এমন আয়োজন ভবিষ্যতের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
    আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাথীরা নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রকল্প ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা স্টল প্রদর্শন করেন।
    এর মধ্যে ছিল কার্বনভিত্তিক প্রকল্প,ওয়েস্ট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট সিস্টেম,প্লাস্টিক থেকে জ্বালানি উৎপাদন,বায়োগ্যাস প্লান্ট।
    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার হালদার, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহ আলম, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাজীব ভাবকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,শিক্ষক,শিক্ষার্থী,অভিভাবকসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী বৃন্দ ।

    প্রদর্শনী শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কারও প্রদান করা হয়।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন, কেউন্দিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) মোঃ শামসুর রহমান মিজান

  • শাহজাদপুরে উৎসবমুখর আয়োজনে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing” অনুষ্ঠিত

    শাহজাদপুরে উৎসবমুখর আয়োজনে “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing” অনুষ্ঠিত

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,স্টাফ রিপোর্টার। 

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে “মেধা, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing” প্রোগ্রাম।

    শুক্রবার (১২ জুন ২০২৬) শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS) এবং এসইডিপি (SEDC)।

    তরুণ প্রজন্মের মেধা, বিজ্ঞানমনস্কতা, উদ্ভাবনী শক্তি এবং শিক্ষকদের সুশিক্ষাদানের অবদানকে সম্মানিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণামুখী চিন্তাভাবনা, নবপ্রবর্তিত প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা বৃদ্ধি এবং নতুন কিছু সৃষ্টির অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সাবরিনা শারমিন।

    এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন শাহজাদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইদুল ইসলাম শেখ।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন একাডেমিক সুপারভাইজার মিলন হোসেন।
    আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন।

    সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সাবরিনা শারমিন বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তাদের মধ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তা, উদ্ভাবনী দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাইদুল ইসলাম শেখ বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করলেই চলবে না, বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগ শিখতে হবে। এ ধরনের প্রতিযোগিতা তাদের প্রতিভা বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

    দিনব্যাপী এ আয়োজনে উপজেলার মোট ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্টল নিয়ে অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, স্টার্টআপ পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপনের মাধ্যমে সৃজনশীলতা, বৈজ্ঞানিক দক্ষতা ও গবেষণামুখী চিন্তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। প্রদর্শিত প্রকল্পগুলো উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

    প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় প্রথম স্থান অর্জন করে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ, দ্বিতীয় স্থান লাভ করে শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে তালগাছি আবু ইসহাক উচ্চ বিদ্যালয়।

    “মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে আগামীর বাংলাদেশ।

  • কাপ্তাইয়ে  বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণা  বিষয়ক প্রদর্শনী ও  সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাইয়ে  বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণা  বিষয়ক প্রদর্শনী ও  সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণ স্টার্ট আপ বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণা বিষয়ক সভা ( বিজ্ঞান মেলা )স্টল  প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার সকাল ১০ টায় উপজেলা হলরুমে এডুকেশন এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম, এসইডিসি এর আয়োজনে এবং উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এর সহযোগিতায় এ মেলা করা হয়।

    উক্ত  বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী মেলায় সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহামুদ হাসান।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রায়হানুল ইসলাম।

    এসময় বিশেষ অতিথি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন  কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ দিলদার হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি মজুমদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন, উপজেলা তথ্য অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেনসহ প্রমুখ। এর আগে

    পরিকল্পিত ফ্লোটিং ভেজিটেবল ফার্মিং, ডিএসি, পরিকল্পিত গ্রাম প্রদর্শনী করা হয়। মেলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

    পরে প্রধান অতিথি মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে  সন্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন।