Category: সারাদেশ

  • কাপ্তাইয়ে যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন 

    কাপ্তাইয়ে যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন 

    কাপ্তাই ( রাঙামাটি)  প্রতিনিধি: 

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী  উপলক্ষে  কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ, র‍্যালী এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপলক্ষে বুধবার ( ২৯ অক্টোবর)  সকাল ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা সদরে  একটি র‍্যালি করা হয়।  পরে বড়ইছড়িস্থ কাপ্তাই -চট্টগ্রাম সড়কে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহিম হাবিব মিলুর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন যুবদল আহবায়ক সৈয়দ জাহেদুল ইসলাম।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক  সুমন মারমা।

    এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম শাকিল।

    প্রধান বক্তা ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাৎ মো. সায়েম।

    এসময় বিশেষ রাঙামাটি জেলা বিএনপির যুগ্নসম্পাদক সম্পাদক দিলদার হোসেন,  কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ  সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জাফর আহমেদ স্বপন, সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক উথোয়াই মং মারমা , রাঙামাটি জেলা যুব দলের সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আব্দুল মামুন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো: নাজিম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন ও সিরাজুল মোস্তফা এবং জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: ইউসুফ চৌধুরী।

    প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের  উপজেলা, ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে সেনা ক্যাম্প স্থাপনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল

    খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে সেনা ক্যাম্প স্থাপনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

    খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়িতে সেনা ক্যাম্প স্থাপনে বাধা প্রদান ও উপজাতীয় উগ্রপন্থী কর্তৃক সরকারি খাস জমি দখলের প্রতিবাদে আজ ২৮ অক্টোবর (২০২৫) মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন করেছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর স্টুডেন্টস ইউনিটের নেতা-কর্মীরা ।মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শতাধিক ছাত্র- জনতা ।

    লেঃ কর্নেল ফরিদুল আকবর অবঃ এর সভাপতিত্বে ও জালাল আহমদ এর সঞ্চালনায় এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সালাম মামুন।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ আরিফ বিল্লাহ,লেঃ কর্নেল ফেরদৌস আজিজ অবঃ,লেঃ কর্নেল (অব:)হাসিনুর রহমান,
    মেজর (অব:)মিজানুর রহমান,অবঃ,মেজর (অব:)রেজাউল হান্নান শাহীন, চাকরি সংস্কার আন্দোলনের আহবায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জালাল আহমদ,পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ,মঞ্চ চব্বিশের আহ্বায়ক ডিউক হুদা, মুভমেন্ট ফর প‍্যালেস্টাইন অব বাংলাদেশ এর আহবায়ক হারুনুর রশিদ খান,গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ডক্টর মো ইমরান হোসেন,ন‍্যাশনাল লেবার পার্টির মুখপাত্র শরীফুল ইসলাম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

    মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, “খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়িতে রাষ্ট্রীয় উগ্রপন্থী সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনে বাধা দিচ্ছে। কারণ এলাকাটি ইউপিডিএফ এর ঘাঁটি। এখান থেকেই উগ্রপন্থীরা অত্র-অঞ্চলের সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এলাকাটিতে রয়েছে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের গোডাউন এবং ট্রেনিং ক্যাম্প।এখান থেকে প্রকাশ্যে দেওয়া হয় অস্ত্রের প্রশিক্ষণ এবং সশস্ত্র মহড়া। এলাকাটি দূর্গম হওয়ায় সন্ত্রাসীরা নিরাপদে দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সুযোগ পেয়ে থাকে। ‎আমরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়ে আসছি”।

    বক্তারা আরো বলেন, “এলাকাটিতে সেনাক্যাম্প স্থাপিত হলে সন্ত্রাসীরা দেশবিরোধী কার্যক্রম চালাতে পারবে না। তাই ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। এই জায়গায় সেনাক্যাম্প স্থাপন ঠেকাতে তারা নিরীহ পাহাড়ি, নিজেদের ঘরের মহিলা ও শিশুদের লেলিয়ে দিয়েছে রাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে। ‎ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা উক্ত এলাকায় সেনাক্যাম্প স্থাপন না করার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।স্মারকলিপিতে সেনাক্যাম্পের বিরুদ্ধে যে কারণগুলো দেখানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং হাস্যকর। সেখানে বলা হয়েছে, সেনাক্যাম্প স্থাপন হলে বিহারে ভিক্ষুদের চলাচলে নিরাপত্তাহীনতা এবং ভয়ভীতি তৈরি হবে।তাদের উক্ত দাবি নিতান্তই বাস্তবতা বিবর্জিত। কেননা সন্ত্রাসী অধ্যুষিত ও দূর্গম এলাকায় সেনাক্যাম্প স্থাপন হলে নিরাপত্তা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বন্ধ হয়ে যাবে। বৌদ্ধ ভিক্ষুরা নির্বিঘ্নে এবং নির্ভয়ে বিহারে যাতায়াত করতে পারবে”।

    এ সময় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মোস্তফা আল ইহযায বলেন, “১৮৮৪ সালে ব্রিটিশ সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ও রাজস্ব সংগ্রহের দোহাই দিয়ে ৩টি সার্কেল সৃষ্টি করে। ১৮৯২ সালে এই আইনের আংশিক সংশোধন করে ফরেষ্ট সার্কেল নামে নতুন ১টি সার্কেলসহ মোট ৪টি সার্কেল সৃষ্টি করে। তৎকালীন সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে রিজার্ভ ফরেষ্ট সার্কেল সৃষ্টি করা হয়েছিলো। রির্জাভ ফরেষ্ট সার্কেল ব্রিটিশ সরকারের বনবিভাগের নিয়ন্ত্রণে ছিলো। শুধু তাই নয়, ১৯০০ সালের শাসনবিধিতে অপরাধ দমন, শান্তি রক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ, ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিচার ব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয় ব্রিটিশ শাসকের এখতিয়ারে ছিলো। একজন ডেপুটি কমিশনারের তত্বাবধানে শুধুমাত্র ৩টি সার্কেলের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়ে ছিলো সার্কেল চিফ কে। রাজস্ব আদায়ের জন্য নিয়োগকৃত ব্যক্তি কখনোই জমির মালিক কিংবা হস্তান্তরের পূর্ণ এখতিয়ার পেতে পারে না। এটি ১৮৮৪ সালের বিধিতেও কোনোভাবে স্বীকৃত বলে প্রমাণিত হয়না। ১৮৮৪ সালে বৃটিশ কতৃক প্রদত্ত ক্ষমতাকে অবৈধভাবে কাজে লাগিয়ে সার্কেল চিফগণ পার্বত্য ভূমি থেকে বাঙালি জনগোষ্ঠীকে বিতাড়িত করে হাজার হাজার একর জমি উপজাতিদের নামে বন্দোবস্ত করে নেয়। আমরা ১৮৮৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বন্দোবস্তোকৃত সকল জমির বন্দোবস্ত সমূহ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি”।

    ‎দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, “১৯২৯ সালে ভারত পার্বত্য চট্টগ্রামকে সম্পূর্ণ শাসন বর্হিভূত অঞ্চল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিলো। এতে উপজাতিরা তাদের জাতিসত্ত্বার অস্তিত্ব রক্ষা ও পরিচয়ের সংকট পড়েছিলো। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ উপজাতিদের স্বীকৃতি প্রদান করে ।ফিরিয়ে দিয়েছে তাদের আত্মপরিচয়।তারপরও পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা ভারতের প্ররোচনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে “সেনা হঠাও, বাঙালি হঠাও” শ্লোগান তোলা হচ্ছে। ৬ টি সশস্ত্র সংগঠন মিলে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও দেশের সুনাম নষ্ট করছে। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো শ্লোগান শুনতে চাইনা। পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকা সমূহে সীমান্ত সড়ক তৈরির মাধ্যমে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করে ড্রোনের সাহায্যে ২৪ ঘন্টা নজরদারি অব্যাহত রেখে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হোক। দেশের অখন্ডতা রক্ষা ও রাষ্ট্রদ্রোহী সশস্ত্র উগ্রপন্থী নিধনের জন্য অনতিবিলম্বে জেলা সমূহের প্রতিটি মৌজায় সর্বনিম্ন একটি করে সেনা ক্যাম্প স্থাপন করতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও নেপালের মতোই পার্বত্য অঞ্চলের সুরক্ষায় সেনাবাহিনীর স্পেশালাইজ একটি ‘মাউন্টেইন ডিভিশন’ গঠন করতে হবে”।

    মোস্তফা আল ইহযায আরো বলেন,”আগামী ৭ দিনের মধ্যে বারমাছড়ি এলাকায় সন্ত্রাস দমন করে শুকনাছড়ি গ্রামে সেনা ক্যাম্প স্থাপনের কাজ শুরু করার আহবান জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে রাষ্ট্রীয় খাস জমি ও সংরক্ষিত বনাঞ্চলের জমি দখলদারদের বিরুদ্ধে “উচ্ছেদ অভিযান” পরিচালনা করে রাষ্ট্রীয় সকল জমি উদ্ধার করার জোর দাবি জানাচ্ছি । অন্যথায় দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীকে নিয়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

    মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল টি রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু করে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় কয়েক শত ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন ।

  • আখাউড়ায় স্বামী আর স্ত্রীর ঝগড়ায় শাশুরির মৃত্যু, লাশ থানায়!

    আখাউড়ায় স্বামী আর স্ত্রীর ঝগড়ায় শাশুরির মৃত্যু, লাশ থানায়!

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মেয়ে জামাইয়ের সঙ্গে মেয়ের ঝগড়ার সময় শাশুরির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ২৮/১০/২০২৫ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৩০ ঘটিকার সময় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত নারী রওশনারা বেগম (৬৫) আখাউড়া পৌরশহরের ট্রাফিক রানিং রুমের সামনে রেলওয়ে কলোনীর একটি বাসায় থাকতেন। তিনি রুহুল আমীনের স্ত্রী।

    রওশনারা বেগমের এক মেয়ে শিল্পী বেগম জানান, ‘সাইফুল নামে আমার এক বোন জামাই রাগান্বিত হয়ে বাসায় প্রবেশ করে। এ সময় আমার দিকে তেড়ে আসে। তখন আমার আম্মা এগিয়ে এলে তিনি অসুস্থ হয়ে যান। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আম্মা এর আগেও একাধিকবার স্ট্রোক করেন।’ বোন জামাই ওনার মাকে ঘুষি দিয়েছেন- ছড়িয়ে পড়া এমন কথা তিনি অস্বীকার করেন।

    আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত মেডিকেল অফিসার জান্নাতুল মাওয়া জানান, ওই নারীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তার পর আমরা মৃত কিনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে অফিসিয়ালি ভাবে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া ওই নারীর ঠোঁটে একটা দাগ আছে। কিভাবে কি ঘটেছে সেটা ময়না তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। তবে যারা লাশ নিয়ে এসেছে হাসপাতালে তাদের মধ্যেই বলাবলি করছেন পারিবারিক ভাবে ঝগড়াঝাটি হয়েছে তাদের বাড়িতে।

    পুলিশ এসে তদন্ত করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা শহরে পাঠানো হবে বলে জানান।

    আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, ওই নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়। এছাড়া পুলিশ বিষয়টির তদন্ত করছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

  • ফের চালু হচ্ছে জার্নালিস্ট সেল্টার হোম

    ফের চালু হচ্ছে জার্নালিস্ট সেল্টার হোম

    স্টাফ রিপোর্টার।

    পেশাগত কাজে ঢাকায় আসা এবং হামলা মামলার শিকার সাংবাদিকদের জন্য নয়াপল্টনে ফের চালু হচ্ছে জার্নালিস্ট সেল্টার হোম। এখানে সাংবাদিকরা স্বল্প খরচে থাকা-খাওয়া সহ ওয়াইফাই এবং সংবাদ পাঠানোর জন্য কম্পিউটার সুবিধা পাবেন। এতে দৈনিক তাদের তিন বেলা খাবার সহ পরিশোধ করতে হবে ৫০০/(পাঁচশত )টাকা।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় আগামী পহেলা নভেম্বর থেকে পুনরায় এ সেবা চালু করা হবে। নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র নয়াপল্টন হাউজিংয়ের মধ্যে ১০/কে ভবনের ৬তলায় জার্নালিস্ট সেল্টার হোম চালু করা হবে।

    ইতিপূর্বে ২০২২ সালে রাজধানীর চিটাগাং রোডে মাতুয়াইল মেডিকেলের সামনে আমান সিটির একটি ভবনে এটি চালু করা হয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এটি পুনরায় চালু করা হবে। ওই সময় ৩০০ টাকায় থাকা এবং তিন বেলা খাবারের সুব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। বছর দুয়েক এটি চালু ছিল।

    বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর জানান, ঢাকার বাইরের সাংবাদিকদের জন্য সংগঠনটি স্বল্প খরচে এই উদ্যোগটি গ্রহণ করে। না না কারণে প্রকল্পটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে। পুনরায় এটি চালু হচ্ছে, আপনারা আমাদের এ সেবাটি গ্রহণ করবেন।

    সেল্টার হোম এর উপ-তত্ত্বাবধায়ক এস এস রুশদি জানিয়েছেন, ২৪ ঘন্টা এর সেবা অব্যাহত থাকবে আমরা সাংবাদিকদের কল্যাণে বদ্ধপরিকর।

  • কাপ্তাই বিএসপিআই এ বিনামূল্যে ব্লাডগ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন 

    কাপ্তাই বিএসপিআই এ বিনামূল্যে ব্লাডগ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্পেইন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কাপ্তাইয়ে  ব্লাডগ্রুপিং ক্যাম্পেইন সভা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর)সকাল ১১টায় বিএসপিআই যুব রেড ক্রিসেন্ট দল এর আয়োজনে এবং যুব রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ব্লাড ব্যাংক কাপ্তাই  এর সহযোগিতায় ইনস্টিটিউট উড সপ্ এ অনুষ্ঠিত হয়।

    সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ  রূপক কান্তি বিশ্বাসের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার মো দেলোয়ার হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংক সভাপতি সুগত তনচংগ্যা, ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠতা বীর কুমার তনচংগ্যা, বিএসপিআই ইঞ্জিনিয়ার ও বিভাগীয় প্রধান ইঞ্জিনিয়ার রহমত উল্লাহ, কাপ্তাই প্রেসক্লাব সভাপতি কবির হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সভাপতি আসিফুল ইসলাম  ও শিক্ষার্থী বেলাল হোসেন।

    বক্তরা বলেন,মানবতার সেবায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। রক্তদিয়ে একটি জীবনকে বাঁচাতে হবে। তাই প্রতিটি মানুষের প্রয়োজন তাঁর নিজ রক্ত গ্রুপ জানা। কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংক বিনামূল্যে আর্তমানবতার সেবায় যে উদ্যোগ নিয়েছি তা প্রশংসনীয় বলে মত প্রকাশ করা হয়। এসময় বিএসপিআই এর সকল বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সকল শিক্ষার্থী বিনামূল্যে রক্ত গ্রুপ নির্ণয় করা হয়।

  • কাউখালীতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    কাউখালীতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কাউখালী উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের উদ্যোগে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১ঘটিকার সময়, উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শোভাযাত্রাটি উত্তর বাজার উপজেলা বিএনপি’ কার্যালয়ে গিয়ে সমাপ্তি করা হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান মামুন তালুকদার এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শরিফুল আজম সোহেল।

    এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান নিক্সন,সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুদ্দোজা মিয়া,গিয়াস উদ্দিন অলি,সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত তালুকদার,মোঃরফিকুল ইসলাম রফিক, শ্রমিক দলের সভাপতি আবু তাহের, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ,সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল মাহমুদ সুমন, সদস্য সচিব শোইয়াব সিদ্দিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বক্তব্যে বলেন,আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রতীক ধানের শীষ কে সামনে রেখে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিগত ১৬ বছর হাজারো নেতৃবৃন্দ হামলা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও তাজা রক্তের বিনিময়ে শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছে। নতুন করে আবারো দেশকে অরাজকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তারা গোপনে মাঠে নেমেছে। আমরা তারেক জিয়ার নেতৃত্বে,সকল নাগরিকের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে নির্বাচন ও ভোট অধিকারের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আনবো। র‍্যালিতে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

  • নতুন একটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ

    নতুন একটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    বাংলাদেশ ইউনাইটেড পার্টি (বিইউপি) নামে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর আহমেদ চৌধুরী হলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলটির আত্মপ্রকাশ হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন প্রধানিয়া বলেন, এই দলের মূল লক্ষ্য হলো মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, জনগণের অধিকার সংরক্ষণ করা, অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন নিশ্চিত করা, একটি উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠন করা।

  • আখাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে ৫০লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ ও ০১টি ইজিবাইক সহ গ্রেফতার ২

    আখাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে ৫০লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ ও ০১টি ইজিবাইক সহ গ্রেফতার ২

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানকালে এস.আই(নিরস্ত্র) আশিস সূত্রধর, এ.এস.আই(নিরস্ত্র) মোঃ আনোয়ার হোসেন ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ আখাউড়া থানা এলাকায় আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মোবাইল-৮ ডিউটি করা কালীন সময়ে ২৬/১০/২০২৫ ইং তারিখ, সন্ধ্যা ৬টা.৩০ ঘটিকার সময় আখাউড়া থানাধীন আখাউড়া পৌরসভাস্থ, দেবগ্রাম নয়াবাজার জয়ের সেলুনের সামনে আখাউড়া টু মোগড়া গামী পাকা সড়কের উপর হইতে ৫০ লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদ ও ০১টি ইজিবাইক সহ দুই জন কে গ্রেফতার করা হয়। ১।নাজমুল(৩৫), পিতা-মৃত ধন মিয়া, মাতা-আনোয়ারা বেগম, সাং-কোড্ডা(কোড়াবাড়ি), থানা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২। সবুজ হরিজন(৩২), পিতা-মৃত অনিল হরিজন, মাতা-কলসী হরিজন, সাং-রেলওয়ে হরিজন কলোনী, থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এদেরকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়।

    উপরোক্ত চোলাই মদ ও ইজিবাইক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করে আসামিদের কে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ফেনীতে বিজিবির অভিযানে গত ৩ দিনে ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

    ফেনীতে বিজিবির অভিযানে গত ৩ দিনে ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

    আবুল হাসনাত তুহিন ,ফেনী থেকে:

    ফেনী সীমান্তের পরশুরাম,ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়ায় অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে ৪ বিজিবি, ফেনী ব্যাটালিয়ন।

    ২৭ অক্টোবর, সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) এর টহলদল জেলার পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার অন্তর্গত সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বিরোধী পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় শাড়ী, চকলেট, চশমা ও ঔষধ বোঝাই একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের বাজারমূল্য ১ কোটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা।এ-ই দিকে গত ৩ দিন আগে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ভারতীয় শাড়ি,তৈরী পোশাক ও গরু জব্দ করেছেন (৪বিজিবি ফেনী)।

    ৪ বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল মোশারফ হোসেন বলেন, জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য স্থানীয় কাস্টমস অফিসে জমা করা হয়।

    সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, মাদকের অবৈধ পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) কর্তৃক আভিযানিক কর্মকান্ড ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

  • আশুগঞ্জ প্রাইভেটকার তল্লাশি করে, বিদেশি পিস্তল, ৩০ রাউন্ড গুলি, ১১৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার

    আশুগঞ্জ প্রাইভেটকার তল্লাশি করে, বিদেশি পিস্তল, ৩০ রাউন্ড গুলি, ১১৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৭/১০/২০২৫ ইং তারিখ সকাল ০৮.৩০ ঘটিকায় আশুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম থানা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০১ নং সদর ইউনিয়নের সোনারামপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০১টি প্রাইভেটকার আটক করে।

    প্রাইভেটকারটি তল্লাশী করে প্রাইভেটকারের আরোহীদের হেফাজত হতে ১টি বিদেশী AUTO CAL-7.65 m/m পিস্তল, ২টি পিস্তলের ম্যাগাজিন সহ ৩০ রাউন্ড গুলি, ১১৫ কেজি গাঁজা, ১২টা ক্যান বিদেশী বিয়ার, ৬ বোতল EXCLUSIVE PREMIUM WHISKY সহ আসামি ১। ইসহাক হাছান (২৩)পিতা- আতাউর রহমান প্রকাশ লিটন
    মাতা- দিলরুবা আক্তার, সাং-রামনগর হাটি(মৃধাবাড়ী)
    থানা-রায়পুরা। ২। সুমন মিয়া(৩৮)পিতা- মৃত আবুল হাসেম
    মাতা- হালিমা বেগম, সাং-চক্রধা (দক্ষিণপাড়া) থানা-শিবপুর, উভয় জেলা- নরসিংদী। এদেরকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়।

    উদ্ধারকৃত মালামাল উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে, আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।