Category: সারাদেশ

  • আওয়ামী লীগের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার প্রশ্ন অবান্তর : হাসনাত

    আওয়ামী লীগের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার প্রশ্ন অবান্তর : হাসনাত

    পিরোজপুর প্রতিনিধি।

    আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমঝোতার প্রশ্ন অবান্তর বলে মন্তব্য করেছেন দলটির দক্ষিণের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

    বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার সাংগঠনিক মতবিনিময়ের ধারাবাহিকতায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর পিরোজপুর জেলা শাখার সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এনসিপি’র মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহামুদা আলম মিতু, বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুল ইসলাম তুহিন।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও পিরোজপুর জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মশিউর রহমান।

    এসময় পিরোজপুর জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী মাহাবুবুল আলম নাঈম, মো. আল আমিন খানসহ জাতীয় যুবশক্তি, ছাত্রশক্তি ও শ্রমিকশক্তির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন বলেন, ‘বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার কাজ চলছে। খুব শিগগিরই পিরোজপুর জেলা কমিটি গঠন করা হবে। নতুন পরিবর্তনের রাজনীতি, বৈষম্যহীন রাজনীতি ও মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এনসিপির পতাকাতলে যোগ দিতে আমরা পিরোজপুরের মানুষকে আহ্বান জানাই।‘

    সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনসিপি’র মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ থাকাকালীন পুরো সময়টা বাংলাদেশ একটি গণতন্ত্রহীন সময় অতিক্রম করেছে। এখন গণতন্ত্র উত্তরণের জন্য নির্বাচন প্রয়োজন। নির্বাচনের মধ্য দিয়েই আমরা একটি নতুন যাত্রা শুরু করতে চাই, যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টি ভূমিকা রাখতে পারবে ।

    সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলোতে এখনো কোনো নীতিমালার স্বচ্ছতা নেই। শাপলা প্রতীক অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট নয়। আমরা নীতিমালা দেখতে চাই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কারের পক্ষে যারা থাকবে, এনসিপি তাদের সঙ্গেই থাকবে। আর সংস্কারের বিপক্ষে যারা থাকবে, তাদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হবে। আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়েই এখন দেশের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা এগিয়ে যাচ্ছে।

  • বিএনপি আপোষ করে না, গুপ্ত রাজনীতি করে না : সাঈদ খান

    বিএনপি আপোষ করে না, গুপ্ত রাজনীতি করে না : সাঈদ খান

    পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

    বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো বিনির্মণের ৩১ দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে প্রচারের অংশ হিসেবে পিরোজপুরের জিয়ানগর (ইন্দুরকানী) উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের পারেরহাট আবাসে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    পিরোজপুর-১ আসনের ধানের শীষ মনোনয়ন প্রত্যাশী, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও দৈনিক কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান বলেন, তারেক রহমানের ৩১ দফা রাষ্ট্র পুনর্গঠনের রূপরেখা হিসেবে সময়োপযোগী। বিএনপি জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার ও জনগণমুখী রাষ্ট্র গঠন করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, রাষ্ট্র কাঠামো বিনির্মণের এই কর্মসূচি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির পথনির্দেশনা দেবে। উঠান বৈঠকে সাঈদ খান আরও বলেন, “বিএনপির প্রতিটি কর্মী ১৭ বছর ধরে বলে এসেছে-আমরা বিএনপি করি, আমরা কাউকের সঙ্গে আপোষ করি না। বিএনপি কোনো গুপ্ত রাজনীতি করে না; জনগণের রাজনীতি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” তিনি ইস্তাম্বুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসহ বিভিন্ন অনিয়ম-অনাচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, কেউ কী করে হঠাৎ করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছে-জনগণের সামনে তা ব্যাখ্যা করা উচিত। সাঈদ খান তারেক রহমানকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, গত ১৭ বছর ধরে তিনি জনগণের পাশে থেকে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলন সংগ্রহশালীভাবে পরিচালনা করেছেন। বিএনপি আপোষ করে না, বিএনপি গুপ্ত রাজনীতি করে না-এটাই আমাদের অঙ্গীকার।
    অনুষ্ঠন সভাপতিত্ব করেন পারেরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম হাওলাদার এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত। তিনি বলেন, বিএনপি দেশের উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দল; এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের মানুষ ভোটাধিকারের বাইরে রয়েছেন; জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। অনুষ্ঠানে জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলমগীর কবির মান্নু, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ সরদার, ফিরোজ শেখ, ক্রীড়াসংগঠক মোহাম্মদ নাজমুল হাওলাদার মারুফ, জেলা যুবদলের সাবেক সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক এস. এম. আল ইমরান, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফাহিম মুনতাসির, উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মো: বেল্লাল শিকদার, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন শেখ, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শফিক রেজা, ছাত্রনেতা আতিক ও ব্যবসায়ী নেতা শেখ লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের হাতে ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং প্রজেক্টরের মাধ্যমে কর্মসূচির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।

  • শিবচর পাচ্চর বাজারের বৈধ ইজারা নিয়েও অপপ্রচার: সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ

    শিবচর পাচ্চর বাজারের বৈধ ইজারা নিয়েও অপপ্রচার: সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ

    গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর থেকে।

    মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পাচ্চর বাজারকে ঘিরে সম্প্রতি এক কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে বাজারের বৈধ ইজারাদারদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের অনুমোদন ও বৈধ লিজ প্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও মোঃ রাসেল মিয়া ও সেলিম রেজার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র।

    এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে রাসেল মিয়া ও সেলিম রেজাসহ বাজারের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন,পাচ্চর বাজারের উন্নয়ন ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে তারা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত নিয়মে বৈধ লিজ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি তাদের স্বার্থে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমও যাচাই-বাছাই না করে কুচক্রী চক্রের প্ররোচনায় মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে, যা বৈধ ইজারা গ্রহীতাদের সুনাম ও ব্যক্তিগত সামাজিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বক্তারা এসব সংবাদকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের দায়িত্বশীলতার সাথে সত্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান।

    এ সময় বাজার ইজারাদার কর্তৃপক্ষ জানায়— জনগণের স্বার্থ, বাজারের শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়ীদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় তারা কাজ করে যাচ্ছেন। যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানানো হয়। এ বিষয়ে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে মামলা চলমান।

    শেষে সংবাদ সম্মেলনে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারা আশা প্রকাশ করেন যে সত্য ও ন্যায়ের বিজয় হবে এবং শিবচর পাচ্চর বাজারের উন্নয়ন ও স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।

  • জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ কর্তৃক ৪ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ কর্তৃক ৪ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০/১০/২০২৫ ইং ১১.২০ ঘটিকার সময় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানাধীন সুলতানপুর ইউনিয়নের টাংগার পার এলাকা হইতে ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে।

    এ সময় তাদের হেফাজতে থাকা (চার) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় । উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের নাম ও ঠিকানা:

    ১। মোঃ আল আমিন প্রকাশ সাজ্জাদ (২৬)
    পিতা- নাজির হোসেন
    মাতা- আসমা বেগম
    সাং- মসজিদ পাড়া ৪নং ওয়ার্ড
    থানা – আখাউড়া
    জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
    বর্তমান ঠিকানা, উথারিয়া পাড়া, সিঙ্গার বিল
    থানা- বিজয়নগর
    ২। সুমাইয়া আক্তার (২১)
    পিতা খোকন মিয়া
    সাং বাগানবাড়ি, কাশিনগর
    থানা- বিজয়নগর
    জেলা- ব্রাহ্মণবাড়ীয়া

    এ সংক্রান্তে আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • আমড়া উৎপাদনে শীর্ষে পিরোজপুর, মৌসুমে শতকোটি টাকার বিক্রি

    আমড়া উৎপাদনে শীর্ষে পিরোজপুর, মৌসুমে শতকোটি টাকার বিক্রি

    পিরোজপুর প্রতিনিধি।

    দক্ষিণের জেলা পিরোজপুরের খ্যাতি রয়েছে পেয়ারা উৎপাদনে। পেয়ারার মৌসুমজুড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা আসেন এই জনপদে। তবে পেয়ারার মৌসুম শেষ হতে না হতেই আমড়া নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেন কৃষক, ব্যাপারী ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা। কেননা আমড়া উৎপাদনেও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে পিরোজপুরে।

    জেলার ভান্ডারিয়া, কাউখালী, মঠবাড়িয়া ও নেছারাবাদে আমড়া উৎপাদন বেড়েছে। তবে জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় নেছারাবাদ উপজেলায়। আকারে বড় ও স্বাদে মিষ্টি হওয়ায় পিরোজপুরের আমড়ার চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে। শরৎ পেরিয়ে হেমন্তের আলো-বাতাসে পাকা আমড়া সবুজ খোসা ছাড়িয়ে যখন তামাটে রং ধারণ করে, তখনই খালজুড়ে শুরু হয় আমড়া তোলা, বাছাই, বোঝাই ও পাইকারি বাজারে শ্রমিকদের ব্যস্ততা। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত খালে নৌকাভর্তি আমড়া নিয়ে ভিড় জমে পাইকারি হাটে। দরদাম, পরিবহন আর লেনদেনের ব্যস্ততায় এখন উৎসবে পরিণত হয়েছে জেলার নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানার পাইকারি মোকামগুলো।

    উপজেলার ভরতকাঠী,কারণে কৃষকরা আরও বেশি আগ্রহী হচ্ছে আমড়া উৎপাদনে। আগামীতে জেলায় এর উৎপাদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পিরোজপুরে ৫৭৭ হেক্টর জমিতে ১০ হাজার ১২৪ টন আমড়া উৎপাদিত হয়েছে, যা বরিশাল বিভাগের ভেতরে উৎপাদনে সর্বোচ্চ। ভিমরুলি বাজারের আমড়ার আড়তদার লিটু ব্যাপারী বলেন, ‘পিরোজপুরের আমড়ার সারাদেশে সুনাম রয়েছে। আকারে বড়, সুস্বাদু এবং ফরমালিন মুক্ত হওয়ায় মানুষের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এই আমড়া। আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বাজারের সন্ধান পাচ্ছি। চাহিদা বাড়ছে।’ তিনি বলেন, ‘মৌসুমে ২০ জন শ্রমিক আমার অধীনে কাজ করে। এখন মৌসুম প্রায় শেষের দিকে তাই শ্রমিক কম। তারপরও প্রতিদিন ৪০০-৫০০ বস্তা আমড়া আমি নিজেই সাপ্লাই দিই।’ আটঘর বাজারের আমড়ার আড়তদার জসিম হাওলাদার বলেন, ‘চলতি মৌসুমে ২০০-২৫০ কোটি টাকার আমড়া বেচাকেনা হয়েছে। আগামীতে যদি ফলন ভালো হয়, তাহলে এর পরিমাণ ৩০০-৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।’ আমড়াচাষি মিঠুন মন্ডল বলেন,

    আটঘর, কুড়িয়ানা, গুয়ারেখা, জলাবাড়ী, দৈহারী, বলদিয়া, সমুদয়কাঠী, সারেংকাঠী, সোহাগদলসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকায় করে সকাল সকাল নিয়ে আসা হয় সুমিষ্ট আমড়া। জেলার অন্যান্য উপজেলা থেকেও এখানে আমড়া নিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে ২-৩ হাজার টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে আমড়া। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন চাষি ও খুচরা ব্যক্তিদের কাছ থেকে আমড়া কিনে সড়ক পথে চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেন। কৃষকরা বলছেন, পেয়ারায় আগের মতো লাভ হয় না। এজন্য গত এক দশকে তারা ব্যাপকভাবে আমড়া চাষে ঝুঁকেছেন। অনেকে পেয়ারা বিক্রি করে লোকসান শুনলেও এ মৌসুমে আমড়া বিক্রি করে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পেরেছেন। ফলে এ ফল এখন কৃষকদের নতুন আশার কারণ হয়ে উঠেছে। বরিশালের আমড়া জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর চাহিদা আরও বেড়েছে। স্বাদ, গন্ধ ও মানের কারণে বরিশাল বিভাগের আমড়া নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করেছে। চলতি মৌসুমে ফুল ঝরে যাওয়ায় ফলন কিছুটা কম হলেও দাম ভালো থাকায় কৃষকরা সন্তুষ্ট। গতবছর মানভেদে প্রতি মণ আমড়া ১০০০-১৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে মৌসুমের শেষের দিকে দাম বেড়ে ২-৩ হাজার টাকায় ঠেকেছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমে ২০০-২৫০ কোটি টাকার আমড়া বেচাকেনা হয়। জিআই পণ্য হওয়ার

    ‘বরিশালের আমরা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় আমাদের বেচাকেনা আরও বাড়বে। এতে আমরা অনেক খুশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর আনুপাতিক হারে ফলন কম ছিল। বৃষ্টি, বন্যাসহ অন্যান্য সমস্যার কারণে ফলন কম হয়েছে। তবে আমরা আশা করছি, আগামী বছর ফলন বেশি হবে। তখন ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবো।’ কুয়াকাটা থেকে আমড়া কিনতে এসেছেন জসিম ব্যাপারী। তিনি বলেন, ‘এখানকার আমড়ার মান খুব ভালো। আকারে বড়, স্বাদেও মিষ্টি। প্রতিবছর ১০-১৫ লাখ টাকার আমড়া কিনে নিয়ে খুচরা বিক্রি করি।’ আমড়া পাইকারি দোকানের শ্রমিক সুমন মণ্ডল বলেন, ‘জিআই পণ্য হওয়ার কারণে দেশের বাইরেও আমড়া পাঠানো সম্ভাবনা রয়েছে। এলাকায় আমড়া উৎপাদনের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। এ বছর প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি আমড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে।’ পিরোজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, পিরোজপুরের বিভিন্ন উপজেলায় ৫৭৭ হেক্টর জমিতে আমড়ার আবাদ হয়। উৎপাদন হয় ১০ হাজার ১২৪ মেট্রিক টন। যার বাজারমূল্য প্রায় শতকোটি টাকা। তিনি বলেন, ‘এখানকার আমড়া জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় সুনাম বাড়ছে। উৎপাদনও বেড়েছে। নতুন করে যারা এ ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হচ্ছেন, তাদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

  • শরীয়তপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার পথসভা ও গণসংযোগ

    শরীয়তপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতার পথসভা ও গণসংযোগ

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব ও শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ আংশিক) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন অপুর নেতৃত্বে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দিনব্যাপী তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় পথসভা ও গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় এলাকাবাসী ও দলের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।সুদীর্ঘ সাত বছর পর দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা যায় । ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে নাওডোবা, শরীয়তপুর সদর, বুড়িরহাট,ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা,গোসারহাট এ সকল জায়গাতে পথসভা এবং গণসংযোগ করেন। দিনব্যাপী শরীয়তপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও বাজারে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পথসভা ও গণসংযোগ করেন মিয়া নুরুদ্দিন অপু। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

    পথসভায় মিয়া নুরুদ্দিন অপু বলেন, “দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটের অধিকার ফেরাতে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে মাঠে থাকতে হবে। বর্তমান সরকারের দমননীতি ও জনগণের কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে।

    মিয়া নুরুদ্দিন অপু আরো বলেন, “জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে শরীয়তপুরবাসী ঐক্যবদ্ধ। বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন চালিয়ে যাবে।”

    পথসভায় জেলা ও উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দলীয় ঐক্য ও জনসম্পৃক্ততাই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল শক্তি।

    স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়, যা আসন্ন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় শরীয়তপুরে বিএনপির তৃণমূলের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত বহন করে

    স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন পর কোনো কেন্দ্রীয় নেতার এমন সরাসরি গণসংযোগে কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

  • কাউখালীতে গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    কাউখালীতে গণপিটুনিতে হত্যা মামলায় সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে হয়রানী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার শিয়ালকাঠী চৌরাস্তা নামক স্থানে বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় এক মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সুরাইয়া বেগম, শিরিন আক্তার, আঃ রাজ্জাক, মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন মিয়া, চৌরাস্তা জামে মসজিদের ইমাম আবু হানিফ, ব্যবসায়ী মিজান সহ আরও অনেকে। এ সময় বক্তারা বলেন, গত ১৯ অক্টোবর রাতে শিয়ালকাঠী গ্রামের আব্দুল হাকিম হাওলাদার এর ছেলে মোঃ আলী হোসেন ওরফে হৃদয় শিয়ালকাঠীতে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে জনগণের হাতে ধৃত হয়ে গণপিটুনিতে গুরুত্বর আহত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

    এ ব্যাপারে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কাউখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ সময় বক্তারা আরও বলেন, আলী হোসেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদক সম্রাট, ধর্ষক, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অকর্মের সহিত জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে কাউখালী থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন এ মামলায় শিক্ষক,পল্লী চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, দিনমজুরসহ নিরীহ মানুষকে আসামী করে হয়রানী করার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    অনেকে পুলিশের ভয়ে এলাকা ছাড়া। তারা প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানান অহেতুক যেন কাউকে হয়রানী না করা হয়।

    মানব বন্ধনে এলাকার নারী পুরুষসহ ভিবিন্ন শ্রেনী পেশার শত শত লোক অংশ গ্রহণ করে।

    এ ব্যাপারে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোলায়মান জানান, পুলিশ কোন নিরাপরাধ মানুষকে গ্রেফতার কিংবা হয়রানী করবে না। ভিডিও ফুটেজ দেখে ও তদন্ত সাপেক্ষে মূল আসামীদেরকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে।

    উল্লেখ্য এ মামলায় এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

  • দন্ডপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান যখন পরিষদের দায়িত্বে!

    দন্ডপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান যখন পরিষদের দায়িত্বে!

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও পুনর্বহালের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করার ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় প্রশাসন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করলেও তিনি পুনর্বহালের জন্য দাফতরিক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতসহ নানা ধরনের দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ, যা এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছেন।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, আব্দুল জলিল মাদবর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী একাংশের সমর্থনে ‘চশমা’ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এবং সাবেক এমপি বি এম মোজাম্মেল হকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

    চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে যেসব গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম। গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দ সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ আদায়। ডিপ টিউবওয়েল বিতরণে দুর্নীতিসহ কৃষকদের সেচ সুবিধার জন্য বরাদ্দ সরকারি ডিপ টিউবওয়েল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম এবং ঘুষ গ্রহণ।

    ইউনিয়নবাসীর কাছ থেকে আদায়কৃত ঘর-বাড়ি ও দোকানের ট্যাক্সের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ। দরিদ্র কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত ভর্তুকি মূল্যের সরকারি সার কালোবাজারে বিক্রি করে ব্যক্তি স্বার্থে অর্থ উপার্জন। এই সব অভিযোগ মিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

    সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো একটি চেক জালিয়াতি মামলায় তিনি আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন। এরপর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও তিনি পুনরায় পূর্ণবহালের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে দরখাস্ত করেছেন, যা আইনের শাসনের প্রতি গুরুতর অবজ্ঞা হিসেবে দেখছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয় সুশীল সমাজের অনেকেই বলছেন, স্বৈরাচারের দোসর হয়ে দিব্যি আলোয় দুঃসাহসিক গল্প তৈরি করছেন এই চেয়ারম্যান।” তারা প্রশ্ন তুলেছেন, আইনের শাসন কোথায়? সাজাপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি কীভাবে আবার পুনর্বহালের আবেদন করতে পারেন?

    স্থানীয় আওয়ামী লীগে দ্বন্দ্বের কারণে চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল মাদবরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ধীরগতির অভিযোগও উঠেছে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী অংশের প্রতিনিধিত্ব করলেও তার প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত ইকবাল হোসেন অপুর অনুসারীরাও সক্রিয়। এই দ্বন্দ্বই তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলো আড়াল করার সুযোগ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করছেন সচেতন মহল।

    জলিল মাদবর বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট একটি মহলের ষড়যন্ত্র মাত্র। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব। ইউনিয়ন পরিষদের কোন বিষয় না।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাজিরা উপজেলার ইউএনও কাবেরী রায় গণমাধ্যমকে জানান, “ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন “দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত কেউ কীভাবে আবার দায়িত্বে ফিরলেন? এটা আমাদের বোধগম্য নয়। এমন অনিয়মে আমরা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছি। আইনকে তোয়াক্কা না করলে সমাজে শৃঙ্খলা থাকবে কীভাবে?”

    এলাকাবাসীর দাবি, এই দুর্নীতির অভিযোগে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

  • ফেনীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ

    ফেনীতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য গাঁজা সহ প্রাইভেট কার জব্দ

    আবুল হাসনাত তুহিন ,ফেনী:-

    ফেনী সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে প্রাইভেট কারসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল ও গাঁজা জব্দ করেছে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)
    বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে একটি সাদা প্রাইভেট কারসহ অসংখ্য ভারতীয় শাড়ি জব্দ করা হয়।
    অন্য অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ এবং ৬২ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করে টহল দল।উদ্ধারকৃত এসব মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা (৳৩০,২৪,০০০) বলে জানিয়েছে বিজিবি।
    পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় পরিচালিত অভিযানে জব্দকৃত পণ্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং মাদকদ্রব্য পুলিশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
    ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।একই সঙ্গে তারা স্থানীয় জনগণকে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

  • কাপ্তাইয়ে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    কাপ্তাইয়ে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় শহীদ তিতুমীর একাডেমি হলরুমে এই  সভা করা হয়।

    কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নূর জামালের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই  উপজেলা জামায়াতের আমির হারুনুর রশিদ।

    এসময়  বক্তব্য রাখেন জীবতলী ইউনিট দায়িত্বশীল সালেহ নুর,চৌধুরী ছড়া ইউনিটের দায়িত্বশীল আবুল কালাম আজাদ, ফুলবাগান এলাকার দায়িত্বশীল মইনুদ্দিন, প্রকৌশলী ইউনিটির দায়িত্বশীল আশেক-এ-এলাহী সাব্বির, বিএসপিআই ইউনিটের সভাপতি বেলাল হোসেন,আদর্শ শিক্ষক পরিষদ কাপ্তাই উপজেলা শাখার সভাপতি সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ প্রমূখ।

    বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ন্যাক্কারজনক অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে এই ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।