Category: সারাদেশ

  • দাগনভূঁঞা উপজেলায় ডা: মানিকের গণসংযোগ

    দাগনভূঁঞা উপজেলায় ডা: মানিকের গণসংযোগ

    আবুল হাসনাত তুহিন, ফেনী:-

    “আমাদের দায়ীত্ব,ক্ষমতা, কর্মতৎপরতা জনগণের জন্য নিবেদিত,ইনশাআল্লাহ”- ডা: মো: ফখরুদ্দিন মানিক।

    দাগনভূঁঞা উপজেলার সদর ইউনিয়নের লেংগারটেক বাজারে গণসংযোগ কালে ফেনী-৩ দাগনভূঁঞা-সোনাগাজী আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জননেতা ডা: মো: ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, এক যুগের অধিক সময় ধরে দাগনভূঁঞা-সোনাগাজী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের সাথে আছি।

    বিগত আওয়ামী দু:শাসনে ৮০ অধিক মামলার ফেরারী হয়ে মাঠ ছাড়িনি। সকল সংকটে,বিভিন্ন উৎসবে সাধ্য এবং সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে জনগনের পাশে ছিলাম। আমাদের দায়ীত্ব ক্ষমতা কখনো জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন করবেনা। বরং সকল সুযোগ জনগনের জন্য নিবেদিত হবে। আমরা মাটি এবং মানুষের সাথে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করবো। আমাদের তরুন এবং যুবকরা হবে স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্বারথী। যুবকদের নিয়ে আমরা সপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।
    গণসংযোগে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আলা উদ্দিন মিষ্টার,ইউনিয়ন সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, জামায়াত নেতা সালাহ উদ্দিন সোহেল সহ নেতৃবৃন্দ।

  • শরীয়তপুরে বিএনপির ৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা, দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উদ্দীপনা

    শরীয়তপুরে বিএনপির ৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা, দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উদ্দীপনা

    শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। প্রার্থী ঘোষণার পর জেলার সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

    জানা গেছে, শরীয়তপুর-১ (পালং, জাজিরা ও সদর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম

    শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-ভেদরগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন, জেলা সভাপতি শফিকুল ইসলাম কিরণ।

    শরীয়তপুর-৩ (গোসাইরহাট-ডামুড্যা) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব মিয়াঁ নুরুদ্দিন আপু।

    প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দলীয় কার্যালয়গুলোতে আনন্দ মিছিল, দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন পর নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে দলের তৃণমূল পর্যায়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

    শরীয়তপুর জেলার সভাপতি শফিকুল ইসলাম কিরণ বলেন,“আমরা জনগণের ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে চাই। শরীয়তপুরের মানুষ বিএনপির পাশে আছে, ইনশাআল্লাহ বিজয় আমাদের হবেই।”

    অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, তারা ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছেন। ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের সাথে যোগাযোগ এবং সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রার্থী ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত এক তরুণ নেতা বলেন,

    “আমরা অনেকদিন পর আবার নতুন আশায় বুক বেঁধেছি। শরীয়তপুরে বিএনপির জয় নিশ্চিত করতে সবাই মাঠে কাজ করব।”

    স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শরীয়তপুরের তিনটি আসনেই এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। বিএনপির সক্রিয় অংশগ্রহণে জেলায় নির্বাচনের মাঠ আরও সরব হয়ে উঠেছে।

  • ফ্রান্সভিত্তিক সাংবাদিক সংস্থা  সাংবাদিক শফিকুলকে সহায়তা দিল

    ফ্রান্সভিত্তিক সাংবাদিক সংস্থা সাংবাদিক শফিকুলকে সহায়তা দিল

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন। স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে তিনি এমন হুমকির মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

    ঘটনার পর ফ্রান্সভিত্তিক সাংবাদিক অধিকার সংস্থা ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস’ (RSF) এ বিষয়ে অবহিত করা হয়। পরে সংস্থাটি শফিকুল ইসলামকে সহায়তা হিসেবে ৭০০ ইউরো (প্রায় এক লাখ টাকা) প্রদান করেছে।

    গত ২০ জুলাই অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা অ্যাফেয়ার্স–এ “রায়পুরায় নদীতে অস্ত্রবাজি, বালু দস্যুদের তাণ্ডব” শিরোনামে ও গত ২৫ জুলাই জাতীয় দৈনিক “প্রতিদিনের সংবাদ” এ “মেঘনায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বালু উত্তোলন,আতঙ্কে এলাকাবাসী” শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী সাংবাদিক শফিকুল ইসলামকে হুমকি দিতে থাকে। এ ঘটনায় তিনি রায়পুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    বিষয়টি জাতীয় ও স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি আলোচনায় আসে।

    রায়পুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন বলেন, “মেঘনা নদীতে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বালুখেকোরা অবৈধভাবে বালু তুলছে। আমাদের সহকর্মী শফিকুল ইসলাম সাহসিকতার সঙ্গে এই অনিয়ম তুলে ধরেছেন। তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন ছিলাম, তবে আরএসএফের আর্থিক সহায়তা তাঁর জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।”

    প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকেও শফিকুল ইসলামের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয় এবং তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

  • কাপ্তাইয়ের চিংম্রং শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন 

    কাপ্তাইয়ের চিংম্রং শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের ঐতিহ্যবাহী  চিংম্রং শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ভোর ৫টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দানোৎসব২৫ চিংম্রং মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

    চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারের দায়ক দায়িকাবৃন্দের আয়োজনে দানোত্তম অনুষ্ঠিত হয়। কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপন উপলক্ষে দূর্গম পার্বত্যঞ্চল হতে হাজার হাজার পুন্যার্থী চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে চীবর নিয়ে আসে।এবং এগুলো দান করে।এবং  যাথাযথ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

    এসময় সকলে বিশ্ব শান্তি কামনায় দোয়া, বুদ্ধবন্দনা,ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন,পূজনীয় ভিক্ষুকে পিন্ডদান সংঘসহ নানা বৌদ্ধ ধর্মীয় আয়োজন করা হয়।

    এ উপলক্ষে চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে মাঠজুরে হরেকরকমের পসড়া নিয়ে বসে ব্যবসায়ীরা। পরে দুপুর ১টায় আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব হলাথোয়াই অংমারমার সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন ভদন্ত পামোক্ষা মাহাথের,বাংলাদেশ পার্বত্য জেলা রাজ নিকায় মার্গের  মাহাসংঘ নায়ক ও অধ্যক্ষ চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির আহবায়ক মংসুইপ্রু মারমা।

    বক্তব্য রাখেন ধর্মদেশক ভদন্ত সুমেধানন্দ মাহাথেরো অধ্যক্ষ ওয়াগ্গা জনকল্যাণ বৌদ বিহার, ধর্মদেশক উঃওয়ানাসারা থের চিংম্রং বৌদ্ধ বিহার। এবং বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ, রাঙামাটি জেলা মারমা ঐক্য পরিষদ সভাপতি সাইজামং মারমা,রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি সার্কেল নুরুল আমিন,রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ও হেডম্যান ক্যজমং মারমা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহাজাহান কামাল (ওসি),রাঙামাটি জেলা বিএনপির যুগ্নসম্পাদক দিলদার হোসেন, দেবজ্যোতি চাকমা, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ ইয়াছিন মামুন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া   ও ২৯৯নং আসনের মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট দীপেন দেওয়ান পক্ষ হতে কঠিন চীবর দানোৎসব প্রদান করা হয়। এবং ধর্মীয় নেতাদের নিকট বিএনপির পক্ষ হতে দোয়া চাওয়া হয়।

    এসময় হাজার হাজার দায়ক,দায়িকা, ও পূজারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এর কাপ্তাইয়ে পরিদর্শন

    চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এর কাপ্তাইয়ে পরিদর্শন

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো জিয়াউদ্দিন সোমবার ( ৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় দর্শন করেন।

    পরে বিভাগীয় কমিশনার ১০০নং ওয়াগ্গা মৌজার হেডম্যান কার্যালয় পরিদর্শন করে। এসময় হেডম্যান, কারবারি ফুল দিয়ে বিভাগীয় কমিশনারকে স্বাগত জানান।পরে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারের রাজস্ব আদায়ে হেডম্যান, কারবারিরা পাহাড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।সেই তুলনায় তাদের সম্মানি ভাতা খুবি কম।কি ভাবে হেডম্যান,কারবারিদের সম্মানি বৃদ্ধি করা যায় সরকার সে বিষয়ে বিবেচনা করছে বলে জানান। এর আগে বিভাগীয় কমিশনার শিলছড়ি ৩৫আনসার ব্যাটালিয়ন মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এর পূর্বে নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    দর্শনকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক হাবিব উল্লাহ, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ মহাপরিচালক ড: মো: সাইফুর রহমান, রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেলী রুদ্র, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই থানার ওসি মোহাম্মদ কায় কিসলু, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, কাপ্তাই ওয়াগ্গা টি লিমিটেডের পরিচালক খোরশেদুল আলম কাদেরী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর হারুনুর রশিদ সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর পূর্বে সকাল ১১টায় বিভাগীয় কমিশনারকে রোভার স্কাউটস, শিল্প কলা একাডেমির পক্ষ হতে দু’পাশে দাড়িয়ে ফুল ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।এবং জাতীয় পতাকার মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা গার্ড অব অনাদের মাধ্যমে ছালাম দেয়া হয়।

  • ফেনীতে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা, প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    ফেনীতে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা, প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    আবুল হাসনাত তুহিন ,ফেনী:-

    বৈষম্য বিরোধী মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার নামে “ওসি ডিবি ফেনী” হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা।প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, ৯টি মোবাইল সেটসহ ৮১ টি মোবাইল সিম উদ্ধার।

    মর্ম সিংহ ত্রিপুরা, পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র), অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডি বি), ফেনী জেলা গত ১১/১০/২০২৫ তারিখে স্থানীয় গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারেন যে মোবাইল সিম নং- ০১৭২৭****** ব্যবহার কারী অজ্ঞাত নামা আসামি ও আসামিদের, কয়েকদিন আগে হতে ফেনী ডিবি বা ওসি ডিবি পরিচয় দিয়ে অথবা ওসি ডিবির নাম “মর্ম সিংহ ত্রিপুরা” পরিচয়ে অজ্ঞাত নামা আসামিরা বিভিন্ন জনের সাথে প্রতারণা করে আসছে। পরবর্তীতে তিনি মোবাইল স্ক্রীন শর্টের ছবি পান যে, অজ্ঞাত নামা আসামী বা আসামীরা মোবাইল সিম নং-০১৭২৭****** টির মাধ্যমে Profile Picture এ বর্তমানে ও সি ডিবি হিসাবে কর্মরত মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এর পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় চেয়ারে বসা হাফ ছবি এবং Cover Picture এ পুলিশের উর্ধতন অফিসারের সরকারী গাড়ীর ছবি আপলোড করে “ওসি ডিবি ফেনী” নামে হোয়াটস একাউন্ট খুলেছে। সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী না হয়েও অজ্ঞাত নামা আসামি বা আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে মোবাইল ডিভাইসে মোবাইল সিম দ্বারা হোয়াটস এপ একাউন্ট খুলে পুলিশের পোষাক পরিহিত ছবি ব্যবহার/ আপলোড করে এবং পুলিশের গাড়ীর ছবি ব্যবহার/ আপলোড করে পুলিশ তথা সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসাবে মিথ্যা পরিচয় দেয়। প্রাথমিক অনুসন্ধান, ঘটনার সহিত জড়িত আসামিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পর ফেনী জেলার ওসি ডিবি মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ফেনী মডেল থানার মামলা নং ৬। তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ হন ডিবির এস আই তানিম।
    ফেনী জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এর সার্বক্ষণিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র অফিসার ইন চার্জ জনাব মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এর প্রত্যক্ষ তদারকীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ ডিবি টিম অভিযানে নামে। অভিযান পরিচালনা করে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন,১। মোঃ জয়নাল (৪০), পিতা-আবু বকর, গ্রাম- ঘর দুয়ারা, থানা-রাউজান, জেলা-চট্টগ্রাম।২। মোঃ ইমরান (২৬), পিতা-মৃত ইসমাইল চৌধুরী, মাতা-রোশনারা বেগম, সাং-চৌধুরী বাড়ি, ঢেমশা দক্ষিণ ওমর পালা, ইউনিয়ন-নলুয়া, থানা-সাতকানিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম এর নিকট হতে ৪ টি মোবাইল সেট সহ ৩। আরিফুল ইসলাম আরমান (১৮), পিতা মোঃ আলাউদ্দিন, মাতা মোছেনা আক্তার লিপি, সাং- মিয়াজী বাড়ি, দক্ষিণ আবুপুর, ইউনিয়ন-শর্শদি, থানা-ফেনী সদর, জেলা-ফেনী। প্রাথমিক ভাবে উক্ত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করে। তাদের মোবাইল ফোন যাচাই করে এবং তাদের স্বীকারোক্তি মতে ৪। মাহাবুবুর রহমান (৫৬), পিতা-মৃত মোঃ হোসেন, গ্রাম- বিবিরহাট, সোহেল ম্যানশন, মুরাদপুর, থানা-পাঁচলাইশ, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নিকট হতে ০১ টি মোবাইল সেটসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের হেফাজত হতে ৮১টি সীম ও ৯টি মোবাইল পাওয়া যায়।

    মর্ম সিংহ ত্রিপুরা ওসি ডিবি ফেনী জানান,তাদের মোবাইল ফোন যাচাই করে এবং প্রাথমিক তদন্তকালে জানা যায় আসামি মাহবুবুর রহমান সহ আসামিরা প্রতারিত করার ভিকটিম এর নাম্বার সংগ্রহ করে। নিজেরা বিভিন্ন সিম ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন সরকারী অফিসারের নাম, ছবি বা লোগো আপলোড করে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে চাকুরী দেবার, মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার ইত্যাদি নাম করে ভিকটিমদের ফোন দিয়ে ও মেসেজের মাধ্যমে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়।

    জব্দ কৃত মোবাইলে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। ফেনী ওসি ডিবির নাম করে বৈষম্য বিরোধী মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার নাম করে কথোপকথনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। জব্দকৃত মোবাইলে পুলিশ অফিসারদের ডাউনলোড করা ছবি, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নামের তালিকা সহ মোবাইল নাম্বার পাওয়া যায়। এছাড়াও তারা সরকারী নিয়োগ ও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে কার্য উদ্দরের কথা বলে গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রতারণা করে থাকে বলে জানা যায়।

    আসামিদের নামে পূর্বেও এমন প্রতারণা করার মামলা আছে। আসামিরা একটা বিশাল প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছে মর্মে জানা যাচ্ছে। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। আসামীদের’কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে

    ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে

    বিনোদন প্রতিবেদক:

    ‎প্রাচীন গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিসের অমর সৃষ্টি ‘ইডিপাস’ আবারও মঞ্চে আসছে- দৃশ্যকাব্য থিয়েটারের নতুন প্রযোজনায়। মানব নিয়তি, ভাগ্য ও আত্ম-চেতনার গভীর অনুসন্ধান নিয়ে রচিত এই শাশ্বত ট্র্যাজেডি এবার সমকালীন দর্শন থেকে নতুন ব্যাখ্যায় মঞ্চে উঠতে যাচ্ছে।

    ‎নাটকটির নির্দেশনায় রয়েছেন হাবিব মাসুদ। তিনি জানান, বোধকরি, সময় আমাদের চালিত করে। ইডিপাসকে মঞ্চে আনবার ক্ষেত্রেও বর্তমান সময়টি আমাকে ভাবিয়েছে। আজকের বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক বিরাট শূন্যতা অনুভব করি। মনে হয়েছে, অনন্ত রাত্রির ঘোর অন্ধকারে আমরা নিমজ্জিত-আমাদের কি কোনো নেতৃত্ব নেই? এই নিয়তি কি অনতিক্রম্য? প্রাচীন গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিস রচিত ইডিপাস আমার কাছে মনে হয়েছে নেতৃত্বহীনতায় নিমজ্জিত এক জনপদের গল্প। নিয়তিকে অতিক্রমের আর্তনাদ ইডিপাসকে মহান করে তোলে, কিন্তু সে নিয়তিকে জয় করতে পারে না। ক্লাসিকের শক্তি সর্বকালের-সর্বমানবের-তাই মূল পাঠে পরিবর্তন না করেও চরিত্র ও কোরাসের ব্যবহারে আমরা কিছু পরীক্ষণের প্রয়াস নিয়েছি। আশা করি, দৃশ্যকাব্য এর এই প্রযোজনা দর্শককে প্রাচীন থিবি নগরীর রাজপ্রাসাদে কিছুক্ষণের জন্য হলেও নিয়ে যাবে।


    ‎নাটকটির বাংলা অনুবাদ করেছেন সৈয়দ আলী আহসান।

    ‎ইডিপাস চরিত্রে অভিনয় করছেন এইচ এম মোতালেব। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকছেন ঝুমু মজুমদার, আহাদ বিন মুর্তজা, নাইমুল ইসলাম সিয়াম, মো. মুন্না মোল্লা, আশিকুল ইসলাম, রিমন সাহা, উৎপল চন্দ্র বর্মন, কান্তা কামরুন, ওমর ফারুক খান ফাহিম, পায়েল আহমেদ, আফরোজা বিথী, মো. রিয়াজুল করিম রিয়াজ, রিয়া হোসেন ও হীরালাল দাস। মিডিয়া সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন।

    ‎আলো, সংগীত ও মঞ্চসজ্জায় থাকছে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, যা দর্শকদের নিয়ে যাবে প্রাচীন থিবি নগরীর রহস্যময় আবহে।

    ‎দৃশ্যকাব্য এর প্রধান সম্পাদক এইচ এম মোতালেব জানান, সংস্কৃতিহীন জাতির কোনো পরিচয় নেই। নাটক শুধু বিনোদন নয়- এটি মানুষের চেতনাকে জাগিয়ে তোলে। দৃশ্যকাব্য শুরু থেকেই পেশাদার নাট্যচর্চার পথে এগিয়ে চলেছে, যদিও পথটি সহজ নয়। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীদের সমন্বয়ে ও সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় পেশাদার নাট্যচর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আমাদের স্লোগান- ‘আধাঁর কাটুক দৃশ্য ও উচ্চারণে’। নাটক দীর্ঘজীবী হোক।


    ‎নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী হবে ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়, এরপর ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৭টায়, রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল হলে। পরবর্তী সময়ে নাটকটি দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রদর্শিত হবে।

    ‎মানব মনের গভীরতম দ্বন্দ্ব, সত্য অনুসন্ধানের যন্ত্রণা ও নিয়তির অনিবার্য পরিণতি- সব মিলিয়ে ‘ইডিপাস’ এবারও দর্শকদের ভাবাবে, কাঁপাবে এবং প্রশ্ন তুলবে-আমরা আসলে কতটা নিজের নিয়তির নিয়ন্ত্রক?

  • বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী মনজুর সুমনের কাউখালী মহিলা দলের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 

    বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী মনজুর সুমনের কাউখালী মহিলা দলের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত 

    কাউখালী প্রতিনিধি। 
    পিরোজপুরের কাউখালীতে রবিবার  (২ নভেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কাউখালী উপজেলা কার্যালয়ে পিরোজপুর ২ আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি সমাজসেবক আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন কাউখালী উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।
    কাউখালী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবিরের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিঞা, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নুরুন্নাহার মনু, সাধারণ সম্পাদক শামীমা আক্তার, বিএনপি নেত্রী সুলতানা নীলা, জাকিয়া বেগম রানু, শামীম আরা নুপুর প্রমুখ।
    এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মঞ্জুর সুমন বলেন, রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মা-বোনদের বুঝাতে হবে। দল থেকে যাকে মনোনয়ন দেবে আমরা সবাই মিলে তার সাথে থেকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে প্রার্থীকে বিজয় করব ইনশাআল্লাহ।
  • আখাউড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ইমরান, ছেলেকে বাঁচাতে বাবার আর্থনাদ

    আখাউড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ইমরান, ছেলেকে বাঁচাতে বাবার আর্থনাদ

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় একমাত্র ছেলে ইমরান মিয়া (১১) ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পথযাত্রী প্রায়, চোখের সামনে সন্তানের কষ্ট দেখে অর্থের অভাবে কিছুই করতে পারছেন না পিতা ইয়াকুব মিয়া। যা কিছু অর্থ ছিল তা দিয়ে ছেলে চিকিৎসা করিয়েছেন। চিকিৎসাকরা জানিয়েছে ইমরানের চিকিৎসার জন্য আরও প্রায় ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন।

    কিন্তু সেলুনকর্মী ইয়াকুব মিয়ার পক্ষে এই বিপুল অর্থ জোগাড় করা অসম্ভব। সুস্থ ছেলেটি দিন দিন নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। এমন দৃশ্য দেখে চোখের পানি ফেলা ছাড়া আর কিছইু করতে পারছেন না তিনি। নিরুপায় হয়ে ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের কাছে সাহায্যের আকুতি জানিয়েছেন দরিদ্র পিতা। ইয়াকুব মিয়ার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আনন্দপুর পশ্চিমপাড়া। ইমরান মিয়া ৫ম শ্রেণীর ছাত্র।

    ইয়াকুব মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, অসুস্থ ইমরান বিছানায় শুয়ে আছে। শরীরে জামা নেই শরীরটা অনেকটা শুকিয়ে গেছে। বুকের হাড়গুলো যেন বেরিয়ে আসছে। চোখ দুটো মেলে উপরের দিকে তাকিয়ে আছে।

    ইয়াকুব মিয়া বলেন, দেড় মাস আগে একদিন বিকেলে খেলার মাঠ থেকে ফিরে এসে ইমরান বলে তার পেট ব্যথা করছে। কিছুক্ষণ পরেই বমি করে। তারপর প্রথমে আখাউড়ায় সরকারি হাসপাতালে এবং পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে ডাক্তাররা দেখে ঢাকায় নেওয়ার পর পরামর্শ দেয়। ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর পেটে টিউমার ধরা পড়ে।

    চিকিৎসকদের পরামর্শে আহসানিয়া ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ক্যান্সার ধরা পড়ে, খাদ্যনালীতে, এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসা সম্পূর্ণ করতে আরও প্রায় ১০ লাখ টাকার প্রয়োজন।

    তিনি আরও বলেন, যা ছিল তা দিয়ে চিকিৎসা করেছি। এখন টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ। আমার ছেলেকে বাঁচাতে সবার কাছে সাহায্য চাই। আমার একটা ছেলে একটা মেয়ে। যারা বিত্তবান আছেন আমাকে একটু সাহায্য করবেন। সকলের সহযোগিতায় আমার ছেলেটাকে আল্লাহ তায়ালা সুস্থ দিতে পারেন।

    প্রতিবেশি আলফাজ উদ্দিন বলেন, ইমরানকে দেখতাম স্কুলে যেতো। ছেলেদের সাথে খেলাধুলা করতো। হঠাৎ তার ক্যান্সার হয়েছে শুনে খুব খারাপ লাগছে। তার বাবা যতুটকু পেরেছে চিকিৎসা করেছে। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, সবাই একটু সহযোগিতা করুন।

    দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় ইউপি সদস্য মুছা মিয়া বলেন, ইয়াকুব মিয়া আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে একটা সেলুনে কাজ করে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল। সবার একটু সহযোগিতায় হয়তো তার ছেলেটি সুস্থ্য জীবন ফিরে পেতে পারে। সবার কাছে অনুরোধ করছি ইমরানের চিকিৎসায় সহযোগিতা করার জন্য।

    আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হিমেল খান বলেন, খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হলে খাবার গ্রহণে অসুবিধা হয়। বমি হয়। ধীরে ধীরে ওজন কমে যায়। এটা ব্যয়বহুল চিকিৎসা। যথাযথ চিকিৎসা পেলে আরোগ্যের সম্ভাবনা থাকে।

  • বিলাসপুরে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে আতঙ্ক, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

    বিলাসপুরে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে আতঙ্ক, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

    রবিবার (২ নভেম্বর) ভোরে ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারিকান্দি এলাকায় টানা বিস্ফোরণে পুরো অঞ্চল কেঁপে ওঠে, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি ককটেলের বিস্ফোরণ শোনা গেছে।

    সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায় এবং সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিলাসপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য নিয়ে কুদ্দুস বেপারী ও আবদুল জলিল মাদবর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। চলতি বছরের ৫ এপ্রিলও এলাকায় একই ধরনের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার পর বিস্ফোরক আইনে মামলা হলে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন কারাগারে যান। সম্প্রতি কুদ্দুস জামিনে বের হলেও জলিল এখনও কারাগারে রয়েছেন।

    সম্প্রতি আবারও উত্তেজনা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন বেপারী (কুদ্দুস সমর্থক) ও তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল (জলিল সমর্থক) দুই পক্ষের সমর্থকদের মাঝে শনিবার সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতবোমার বিস্ফোরণ হয়। তারই ধারাবাহিকতায় রবিবারের সংঘর্ষ শুরু হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আট সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন তরুণ হাতে লাল বালতি নিয়ে দৌড়ে ককটেল ছুড়ছে। মুহূর্তেই চারদিক কেঁপে ওঠে, ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালায় ও বাড়িঘর ভাঙচুর করে। আহতদের মধ্যে যুবদল কর্মী সালাউদ্দিন ও কামালের নাম পাওয়া গেছে। অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

    জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন,“দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আবারও নাশকতা ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছি।”

    তিনি জানান, ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। এখনও কোনো মামলা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    এদিকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন ও তাইজুল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্র মতে, তারা সংঘর্ষের পর আত্মগোপনে চলে গেছেন।

    এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।