Blog

  • ২৯৯আসনে  বিজয়ী হলে কাপ্তাইকে মৌজা বাস্তবায়নসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে -এ্যাড দীপেন দেওয়ান 

    ২৯৯আসনে  বিজয়ী হলে কাপ্তাইকে মৌজা বাস্তবায়নসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হবে -এ্যাড দীপেন দেওয়ান 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ১২ফেব্রুয়ারি২০২৬ শুভ দিন মিলেমিশে  ধানের শীর্ষে ভোট দিন। দেশনায়ক তারেক জিয়ার শুভ দিন ধানের শীর্ষে ভোট দিন।দেশ উন্নয়নে মার্কা ধানের শীর্ষ মার্কা।

    ২৯৯নং আসন পার্বত্য চট্টগ্রাম  রাঙামাটিতে আমাকে ধানের শীর্ষ মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা হলে  কাপ্তাই উপজেলায় ইপিজেডস্থাপন, মৌজা বাস্তবায়ন,রাইখালী নদীর ওপর ব্রিজ, কর্ণফুলী কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর, পর্যটনখাতে উন্নয়ন,  কেপিএম বন্ধ রেওয়ন মিল চালুসহ সকল উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

    বৃহস্পতিবার (২২জানুয়ারী২৬)বিকাল ৩টায় কাপ্তাই উপজেলা কর্ণফুলী স্টেডিয়াম মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসাবে  উপরোক্ত  বক্তব্যে  রাখেন রাঙ্গামাটি ২৯৯নং সংসদীয় আসনের  ধানের শীর্ষ মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির  ধর্ম বিষয়ক সহসম্পাদক এ্যাড. দীপেন দেওয়ান।

    তিনি আরও জানান, ১২ফেব্রুয়ারি বিপুল ভোটে  ধানের শীর্ষ মার্কা  বিজয়ী করার জন্য প্রস্তুত হউন। নির্বাচিত হলে  আমরা পার্বত্যঞ্চলে শান্তিসহ   আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে  কাজ করব। এবং সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রতি ঐক্য বজয় থাকবে বলে জানান।কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালোনা কমিটির আয়োজনে এবং কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালোনা কমিটির সদস্য সচিব মো দিলদার হোসেনের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লোকমান আহমেদ।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো ইয়াছিন মামুন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপু তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাড.মামুনুর রশীদ, বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল মনিষ দেওয়ান,সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী মৈত্রী চাকমা,   কেন্দ্রীয় নেতা সাথী ঊষা কুমার বড়ুয়া, জেলা ছাত্র দল নেতা আলী আকবর সুমন,যুবদল সম্পাদক আবু শাহাদাত সাইম,জেলা শ্রমিক দল সভাপতি মোঃ মমতাজ উদ্দিন,জেলা বিএনপির যুগ্নসম্পাদক আলী বাবর,কাপ্তাই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা ডাঃ রহমত উল্লাহ, এ্যাড.সাইফুল ইসলাম পনির, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ স্বাপন,  সাবেক জেলা ছাত্র নেতা সাইফুল ইসলাম ভুট্টো,সহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ আরো বক্তব্য রাখেন। এসময়  কাপ্তাই উপজেলার বিএনপির পাঁচ ইউনিয়ন হতে নেতাকর্মী মিছিল করে জনসভায় আসে। এর আগে কাপ্তাই উপজেলার ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নের সাপছড়ি উপর পাহাড় অজিত কুমার তনচংগ্যার নেতৃত্বে ৫০জন কর্মী এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের হাতে  ধানের শীর্ষ হাতে নিয়ে যোগদান করে।

  • চিৎমরম শালবাগান ব্রিজটি দীর্ঘ ৩০বছরেও সংস্কার হয়নি 

    চিৎমরম শালবাগান ব্রিজটি দীর্ঘ ৩০বছরেও সংস্কার হয়নি 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলার ৩নম্বর চিৎমরম  ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড এর শালবাগান ব্রিজটি  দীর্ঘ ৩০বছরেও সংস্কার হয়নি। অত্র ইউনিয়নের বাঙালি পরিবারসহ সকল সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার লোকজন ছড়ার ওপর ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করে।এছাড়া বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন কর্তব্য পালনে নিয়মিত এই ছড়াও ওপর ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করে থাকে।

    উক্ত ব্রিজটি ১৯৯৬সালে নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে ব্রিজটির পিলারের  পলেস্তার,খসে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নিম্ন মানের কাজ করায় ব্রিজের একপাশের রেলিং বহু আগে খসে পড়ে গেছে। অন্য পাশে রেলিং এর পলেস্তার খসে পড়ছে।

    সরজমিনে দেখা যায় শালবাগান ব্রিজটি একরকম ঝুঁকিপূ্ণ অবস্থায় এলাকার লোকজন চলাচল করছে।

    চিৎমরম ইউনিয়ন এর বাসিন্দা পল্লি পশু চিকিৎসক মো.আনোয়ার হোসেন, আব্দুল্লা আল মামুন ও ব্যবসয়াী  আক্তার হোসেন জানান,এই ব্রিজটি দীর্ঘ ৩০বছর আগে করা। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।  এই ব্রিজটি দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে  বহু লোকজন আহত হয়েছে। এবং ১৫টির মত গরুর মৃত্যু হয়েছে। এটি জরুরি সংস্কার ও পূর্ণ নির্মাণ করার দাবি জানান।

    চিৎমরম ইউনিয়ন এর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল হক জানান, বর্তমানে এলাকার লোকজন পাশ্ববর্তী কাপ্তাই ও চিৎমরম ইউনিয়ন যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম।এটির অবস্থা খুবি খারাপ অবস্থা তাই জরুরি ভিত্তিতে এটি সংস্কারের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

  • প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের
    নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন

    রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ, আলোচনা অনুষ্ঠান, সংবাদ সম্মেলন কিংবা বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক আয়োজনে সংবাদ কাভারেজের জন্য আমন্ত্রিত সাংবাদিকদের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দের রীতি একসময় প্রচলিত ছিল। এই আলাদা টেবিল বা নির্ধারিত জায়গাটিই পরিচিত ছিল ‘প্রেস টেবিল’ নামে। এটি কেবল বসার স্থান নয়, বরং সাংবাদিকদের পেশাগত পরিচয় ও নিরাপত্তার একটি স্বীকৃত কাঠামো ছিল। তা এখন সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাটি অনেকটাই হারিয়ে গেছে। আজকের বাস্তবতায় প্রেস টেবিলের অনুপস্থিতি সাংবাদিকতার জন্য একটি নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে। অথচ এই প্রেস টেবিল কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার প্রতীক।

    বর্তমানে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আয়োজনে সাংবাদিকদের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সংবাদকর্মীরা বাধ্য হচ্ছেন রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভিড়ে, কখনো মঞ্চের একেবারে পাশে, কখনো বা কর্মীদের ঘাড়ে ঘাড় মিলিয়ে দাঁড়িয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে। এমন পরিস্থিতিতে একজন পেশাদার সাংবাদিকের নিরপেক্ষতা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তেমনি তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও পড়ে চরম ঝুঁকিতে। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিকের জন্য এ ধরনের পরিবেশ শুধু বিব্রতকরই নয়, অনেক ক্ষেত্রে তা অবমাননাকর এবং অসহনীয়ও বটে।

    ঝুঁকির মুখে সাংবাদিকতা: ইতিপূর্বে বহু রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে সংবাদ কাভারেজ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা বিদ্বেষমূলক আচরণ, হেনস্তা এমনকি শারীরিক আক্রমণের শিকার হয়েছেন, এমন নজির নতুন নয়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে একই সারিতে অবস্থানের কারণে অনেক সময় সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও এমনভাবে ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য ‘কাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি স্থিরচিত্র বা কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও একজন সাংবাদিককে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করতে যথেষ্ট। বাস্তবে নিরপেক্ষ থাকলেও এসব বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনার দায় শেষ পর্যন্ত সাংবাদিককেই বহন করতে হয়।

    বিশেষ করে গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আমরা দেখেছি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী না হয়েও শুধুমাত্র কোনো একটি ফ্রেমে বা ভিডিওতে উপস্থিত থাকার কারণে বহু সাংবাদিক হামলা, মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়া একজন সাংবাদিকের জন্য চরম দুর্ভাগ্যজনক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্যও অশনিসংকেত।

    প্রেস টেবিল থাকলে এ বিপর্যয় এড়ানো যেত:রাজনৈতিক দলগুলোর আয়োজনে যদি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট ‘প্রেস টেবিল’ বা আলাদা মিডিয়া জোন রাখা হতো, তবে সাংবাদিকদের এমন করুণ পরিণতির মুখোমুখি হতে হতো না। এতে একদিকে যেমন সংবাদ সংগ্রহ হতো সহজ, সুশৃঙ্খল ও পেশাদার পরিবেশে, অন্যদিকে সাংবাদিকদের দলীয় পরিচয়ের অপবাদ থেকেও মুক্ত রাখা যেত।

    প্রেস টেবিল সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর পেশাদার দূরত্ব তৈরি করে, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে অত্যন্ত জরুরি। এই দূরত্ব সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সাহস জোগায় এবং রাজনৈতিক দলগুলোকেও গণমাধ্যমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বাধ্য করে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ঝুঁকিও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

    দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা এখনো বেঁচে আছে:এখনো দেশে বহু দল নিরপেক্ষ সাংবাদিক রয়েছেন, যারা কোনো রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন বা সহযোগী শক্তি না হয়েও সততা, নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের কাছে রাজনৈতিক দলের আয়োজনে এই অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও অসচেতনতা চরম হতাশাজনক এবং অসহনীয়।

    রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ; গণমাধ্যমকে প্রতিপক্ষ কিংবা সুবিধাভোগী হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করুন। সাংবাদিকরা কোনো দলের মুখপাত্র নন, আবার শত্রুও নন। তারা সমাজের দর্পণ—যেখানে ভালো-মন্দ উভয় চিত্রই প্রতিফলিত হয়।

    রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ: আমরা আশা করবো, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এ বিষয়টি আন্তরিকভাবে বিবেচনা করবেন এবং ভবিষ্যতে সকল রাজনৈতিক আয়োজনে গণমাধ্যমের জন্য আলাদা প্রেস টেবিল বা নির্ধারিত স্থান নিশ্চিত করবেন। এটি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি একটি সুস্থ, সহনশীল ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও সহায়ক হবে।

    সবশেষ কথা, প্রেস টেবিল কোনো বিলাসিতা নয়—এটি সাংবাদিকতার ন্যূনতম অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করা মানেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা।

    লেখক: আহমেদ আবু জাফর সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ও চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ড, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম , ০১৭১২৩০৬৫০১ , জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিঃ

  • শাহ্জীবাজার–সুতাং সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

    শাহ্জীবাজার–সুতাং সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

    এইচ আর রুবেল :

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের শাহ্জীবাজার সুতাংয়ের প্রধান সড়কের বেহাল দশা এখন এলাকাবাসীর নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও ভাঙা অংশে বর্ষাকাল না হলেও নিয়মিত পানি জমে থাকছে, যা চলাচলে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এমন অবস্থার কোনো কার্যকর সংস্কার হয়নি। পানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে।

    এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী সুমন মোদক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে নিজের কষ্টের কথা তুলে ধরেন। তাঁর সেই পোস্টে অনেকেই মন্তব্য করে একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

    মন্তব্যকারীদের অধিকাংশই বলেন, সড়কের পাশের ড্রেনেজ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকায় পানি বের হতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই কিংবা বৃষ্টি ছাড়াই রাস্তায় পানি জমে থাকছে। তারা মনে করেন, আগে ড্রেন মেরামত করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে, তারপর সড়কটি সংস্কার করলে স্থায়ী সমাধান হবে।

    এলাকাবাসী দ্রুত ড্রেন মেরামতসহ সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা আশা করছেন, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।

  • কাপ্তাইয়ে  ‘নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা’ বিষয়ে অবহিতকরণ সভা 

    কাপ্তাইয়ে  ‘নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা’ বিষয়ে অবহিতকরণ সভা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫” বিষয়ে  অবহিতকরণ সভা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অবহিত করণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    কাপ্তাই  উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার  মো. রুহুল আমিন সভার শুরুতে  বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫” বিষয়ে ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে এই প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

    সহকারী রিটার্নিং অফিসার জানান,কোনো প্রতিষ্ঠানে চাঁদা, অনুদান ও বরাদ্দ প্রদান করা যাবে না। কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কিংবা তাহার পক্ষ হইতে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত প্রার্থীর নির্বাচনি এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা উক্ত এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা বা অনুদান বা উপটৌকন প্রদান করিতে বা প্রদানের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করিতে পারিবেন না।

    কোনো প্রার্থী  প্রতিষ্ঠান বা সমিতি বা সংগঠন হইতে কোনো প্রকার সংবর্ধনা গ্রহণ করিতে পারিবেন না। নির্বাচনে প্রচার কাজে সরকারি  সার্কিট হাউজ, ডাক-বাংলো,  রেস্ট হাউজ ব্যবহার করা যাবে না।

    অবহিতকরণ সভায়  কাপ্তাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেলী রুদ্র,  উপজেলা নির্বাচন অফিসার মিতা পারিয়াল, কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল,

    রাঙামাটি সংসদীয় আসনের বিএনপি কর্তৃক মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী এ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এর কাপ্তাই উপজেলা নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা ডা: রহমত উল্লাহ, উপদেষ্টা ইকরাম হোসেন বেলাল,  আহবায়ক লোকমান আহমেদ, সদস্য সচিব দিলদার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন মামুন,  কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর হারুনরুর রশিদ, কাপ্তাই উপজেলা ইসলামি আন্দোলনের সভাপতি আবুল হাসেম সহ প্রতিদন্ধী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিনিধি, মিডিয়া কর্মীগণ  উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কাপ্তাই বিএনপির  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল 

    বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কাপ্তাই বিএনপির  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি:  

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আয়োজনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, আধুনিক বাংলার রূপকার, বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার বাদ যোহর  উপজেলা সদর বড়ইছড়ি  মডেল জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত দোয়া  মাহফিলে  উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা: রহমত উল্লাহ,জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লোকমান আহমেদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব  দিলদার হোসেন, উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মামুন,বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান, আব্দুল হাশেম মেম্বার,জাকির হোসেন,উপজেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবদলের সিঃ যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আবু হাসান চৌধুরী রক্সি, মোঃ মাসুদ, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহিম হাবিব মিলু, তাঁতীদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রহমত উল্লাহ মনু, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আল নাহিয়ান খান ডালিম, মোশাররফ হোসেন অপু, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইব্রাহিম সহ জেলা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

    মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ  সোলায়মান।

  • সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন

    আবু সুফিয়ান নোমান, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সড়ক ও জনপথের ক্যানেলে ভেকু (এক্সভেটর) মেশিন লাগিয়ে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করার সংবাদ প্রকাশ করায় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ নামের এক মাটি ব্যবসায়ী কর্তৃক প্রেস ক্লাবের সদস্য স্বদেশ প্রতিদিনের উপজেলা প্রতিনিধি রায়হান আলী ও সাংবাদিক জাহিদ হাসানকে হুমকী, কুৎসা রটনাসহ মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের আয়োজনে সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) বিকালে শাহজাদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে উপজেলার কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দের উপস্থিতে প্রেস ক্লাবের সভাপতি এমএ জাফর লিটন এর সভাপতিত্বে সহ-সভাপতি রাসেল সরকারের সঞ্চালনায় এ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সমাবেশে প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কোরবান আলী লভলু, দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান পিন্টু, যগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া মাহমুদ, আমিনুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মির্জা হুমায়ুন, ওমর ফারুক, আব্দুল আল মাহমুদ, জেলহক হোসাইন সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রেস ক্লাবের সদস্য সংবাদিক রায়হান আলী ও সাংবাদিক জাহিদ হাসানের নামে হুমকী ও বিভিন্ন কুৎসা রটনাসহ সাংবাদিক রায়হান আলী, জাহিদ হাসান ও জাহিদ হাসানে স্ত্রীর নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করায় তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংবাদিকদের কন্ঠরোধ করতেই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও জোর পূর্বক দখলকৃত বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এই মিথ্যা মামলা করেছে।

    সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, ৫ আগষ্টের পর প্রথমে বিধি বহির্ভূত ভাবে জোর পূর্বক দখল করে বিআরডিবি চেয়ারম্যান পদ। এরপর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। তারপর উপজেলাজুরে বিভিন্ন জায়গার বালু দখলসহ অবৈধভাবে সরকারি মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি শুরু করে। কোন বিষয়ে উপজেলার কর্মরত সংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করলেই তিনি নিজে ও বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করেন।

    গত ১৮ জানুয়ারী সড়ক ও জনপথের ক্যানেলে ভেকু (এক্সভেটর) মেশিন লাগিয়ে মাটি কাটার সংবাদ প্রকাশ করায় দুই সাংবাদিক ও সাংবাদিকের স্ত্রীর নামে মামলা করায় তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশসহ অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বলেন বক্তারা। অন্যথায় কঠোর থেকে কঠোর প্রদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলে জানান উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

    উক্ত সমাবেশ ও মানববন্ধনে উপজেলার কর্মরত সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • কাপ্তাই দিনব্যাপী মহিলা উন্নয়ন সমবায়ীদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন 

    কাপ্তাই দিনব্যাপী মহিলা উন্নয়ন সমবায়ীদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড মহিলা অনুবিভাগ কাপ্তাই শাখার  উন্নয়ন অনুবিভাগভুক্ত সমবায়ীদের  দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার  সকাল সাড়ে ১০ টায়  কাপ্তাই উপজেলা বিআরডিবি মিলনায়তনে ভাচ্যুয়ালী যুক্ত হয়ে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের যুগ্ম পরিচালক মো. মিজানুর রহমান।

    এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন।

    প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন রাঙামাটি জেলা বিআরডিবির উপ পরিচালক মো. এনামুল হক ও  কাপ্তাই উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা  এনামুল হক হাজারী।

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকের। আগত মহিলাদের  সমবায়  বিভিন্ন উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

    এসময়  ৩০জন মহিলা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

  • মোস্তফাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ইজিবাইক চালক নিহত, পরিবারে নেমে এসেছে শোক

    মোস্তফাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ইজিবাইক চালক নিহত, পরিবারে নেমে এসেছে শোক

    (মাদারীপুর থেকে গোলাম ,আজম ইরাদ)।

    মাদারীপুরের মোস্তফাপুর এলাকায় ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ইজিবাইক চালক সাগর বেপারী (৩০) নিহত হয়েছেন।

    রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর মিল গেট এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী সার্বিক পরিবহণের সঙ্গে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ দুর্ঘটনায় মোট ৭ জন নিহত এবং আরও অন্তত ১০ জন আহত হন।
    নিহত সাগর বেপারী মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের জসিম বেপারীর ছেলে। তিনি ঘটকচর এলাকার গুচ্ছগ্রামে স্ত্রী মাহফুজা বেগম (২২) ও দুই ছেলে আব্দুল্লাহ (৭) ও ইউসুফ (৩)কে নিয়ে বসবাস করতেন। জীবিকার তাগিদে আগে ভ্যান চালালেও পরে একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ইজিবাইক কিনেছিলেন। তবে কিস্তির টাকা পরিশোধের আগেই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। দুর্ঘটনায় ইজিবাইকটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
    নিহতের পরিবার জানায়, সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী হারিয়ে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। স্বামী হারিয়ে দুই শিশু সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মাহফুজা বেগম।
    এদিকে জেলা পুলিশের নির্দেশে সোমবার দিনব্যাপী মোস্তফাপুর হাইওয়ে পুলিশ ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অবৈধ যানবাহন ও লাইসেন্স নবায়ন না থাকা চালকদের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা ও যানবাহন জব্দ করে।

  • মাদারীপুরে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    মাদারীপুরে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর।

    মাদারীপুরের চরমুগুরিয়া জেটিসি মিলনায়তনে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ১০ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী মুফতি আব্দুস সোবহান খান–এর নির্বাচনী পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা ও ১০ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী মুফতি আব্দুস সোবহান খান। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন— জাগপা মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. শওকাতুজ্জামান মৃধা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাদারীপুর জেলা আমীর মাওলানা মোখলেসুর রহমান, সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আব্দুস ছোবাহান খান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল।
    প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মাদারীপুর–২ সংসদীয় আসনের পরিচালক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান খান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মুফতি শফীকুল ইসলাম।
    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ১০ দলীয় ঐক্য জোটের সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে সর্বোচ্চ ত্যাগ ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, জনগণ অনেক সরকার দেখেছে— এবার মানুষ একটি নতুন, কল্যাণকামী সরকার দেখতে চায়। তাই সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নতুন সরকার গঠনের আহ্বান জানাতে নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দেন তারা।
    নেতৃবৃন্দ বলেন, ভবিষ্যতের সরকার হবে জনগণের কল্যাণের সরকার, মানবতার মুক্তির সরকার। বাংলার জমিনে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন জনগণ দেখতে চায় না। এই বিজয় হবে ইসলামের বিজয়, এই বিজয় হবে জনগণের বিজয়— একই সঙ্গে এটি হবে একাত্তরের চেতনায় ও চব্বিশের গণআকাঙ্ক্ষার বিজয়।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও গণমুখী নির্বাচন পরিচালনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।