Blog

  • ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    আবুল হাসনাত তুহিন ফেনী:

    ফেনীতে আনুষ্ঠানিক ভাবে মাঠে গড়ালো জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের। উদ্বোধনী খেলায় অংশ নেয় ফেনী সদর উপজেলা দল ও ফুলগাজী উপজেলা দল। খেলায় ফেনী সদর উপজেলা দল ১-০ গোলে জয়লাভ করে। মঙ্গলবার ফেনীর ভাষা শহীদ আবদুস সালাম স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। এ সময় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ফেনী কার্যালয়ের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইসমাইল হোসেন, জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান, জেলা ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারী মাওলানা একরামুল হক ভূঁইয়া, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন প্রমুখ।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ট্রফি ও ১ লাখ টাকা প্রাইজমানি। রানারআপ দল পাবে ৫০ হাজার টাকা প্রাইজমানি ও ট্রফি। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের জন্য রয়েছে ২০ হাজার টাকার প্রাইজমানি। প্রতি ম্যাচের ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত খেলোয়াড়কে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা গোলকিপারকে যথাক্রমে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। নতুন সংযোজন হিসেবে ফেয়ার প্লে টিমকে দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকা। উদ্বোধন কালে ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেছেন, আমরা চাই ফেনীর ক্রীড়াঙ্গন এগিয়ে যাবে।মঙ্গলবার ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়ামে ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী সকল দল তাদের ম্যাচগুলো ফুটবলের নিয়ম-কানুন মেনে খেলবে। তরুণ প্রজন্মের কাছে ফেনীর ক্রীড়া যেন অনুকরণীয় হয়ে থাকে। ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের পরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে টি টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে। আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কিশোর গ্যাং ও মাদক থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

    উল্লেখ্য, ‘তারুণ্যের উৎসব’ উদযাপনের অংশ হিসেবে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। এই টুর্নামেন্টে জেলার ৬ উপজেলা ফুটবল দল দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করছে। ক গ্রুপে রয়েছে ফেনী সদর উপজেলা, পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলা, খ গ্রুপে রয়েছে ছাগলনাইয়া উপজেলা, সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলা। টুর্নামেন্টের প্রতিটি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রথমে লীগ পর্ব খেলবে। লীগ পর্ব শেষ করে সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।ফেনী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

  • পাঁচ দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদারীপুরে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

    পাঁচ দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদারীপুরে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

    মাদারীপুর থেকে গোলাম আজম ইরাদ।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা মাদারীপুর শকুনি লেকপাড়ে প্রধান সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন দলটির নেতাকর্মীরা।

    জামায়াতের পাঁচ দাবি হলো- গণভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা। আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিকে জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত করে গণভোট দেওয়া, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করা। ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
    এতে সভাপতিত্ব করেন মাদারীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোখলেসুর রহমান। জেলা নায়েবে আমির এডভোকেট মিজানুর রহমান খানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- মাদারীপুর ২আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী- জননেতা মাওলানা আব্দুস সোবাহান খান) উপজেলা আমির মাওলানা হুমায়ুন কবির, পৌর আমির মাওলানা ডাক্তার আলমগীর হোসাইন, জেলা বাইতুল মাল সম্পাদক খলিলুর রহমান হাওলাদার, জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা নুর ইসলাম প্রমুখ ।

  • জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে–মাওলানা জালালউদ্দিন আহমেদ

    জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে–মাওলানা জালালউদ্দিন আহমেদ

    শাহজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধি।

    শরীয়তপুর জাজিরায় খেলাফত মজলিস কতৃর্ক সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে গুম খুনের রাজনীতি কায়েম না করে আগামী দেশ নির্মাণে অবদান রাখার কথা বলে তিনি বলেন, যদি আমি শরীয়তপুর -১( জাজিরা -পালং)আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হই তাহলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার কথা বলে তিনি বলেন,শরীয়তপুরের অবকাঠামো উন্নয়ন হবে,শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে, চাঁদাবাজ সন্ত্রাসবাদ দখলবাজ মুক্ত দেশ আমরা চাই এবং আমাদের অধিকার। শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার যোগ্য এলাকায় গড়ে তুলব।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে জাজিরা পৌরসভার কবিরাজ কান্দি” চাঁদের বাড়ি” রেস্টুরেন্টে জাজিরা উপজেলা শাখার আয়োজনে খেলাফত মজলিসের এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জাজিরা উপজেলা শাখার খেলাফত মজলিশের সভাপতি নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন,সাংবাদিক ফারুক হোসাইন, আবুতালেব ঢালী, মোঃ শফিকুল ইসলাম, সানজিদ মাহমুদ সুজন, মোঃ পলাশ খান, মোঃ শাওন বেপারী, মোঃ মুক্তার হোসেন ফকির, মোঃ রতন আলী মোড়ল, নাদিরা ইসলাম, শাহাজাদী সুলতানা সহ জাজিরা উপজেলার সাংদিক বৃন্দ।

    মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন মহাসচিব,  এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন আমি এমপি নির্বাচিত হলে আমার নির্বাচনি এলাকায় হিন্দু, বৌদ্ধ  খৃষ্টান সবাই তাদের তাদের অধিকার পাবে, নারীরা তাদের সন্মান ও নিরপত্তা পাবে।

    সকল সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে খুশি হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সাংবাদিকদের অবদান অনেক বলে তিনি মনে করেন।

  • কিছু উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে: তাহের

    কিছু উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে: তাহের

    অনলাইন ডেস্ক:   অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনে একটি বিশেষ দলের অনুগতদের বসিয়ে ‘নীলনকশার নির্বাচন’ করার ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত নেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। জামায়াতের নায়েবে আমির দাবি করেছেন, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ওই সব উপদেষ্টার নাম, এমনকি ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের কণ্ঠ রেকর্ডও তাদের কাছে রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে এই ষড়যন্ত্র বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন।

    জামায়াত নেতা অন্তর্বর্তী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘প্রশাসনের যে অবস্থা এবং যে ষড়যন্ত্র চলছে, এটাকে বন্ধ করুন। নিরপেক্ষ সৎ লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন করুন।’

    সৈয়দ তাহের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি সময়মতো সাবধান না হন, তাহলে কোন কোন উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, আমরা জনগণের কাছে তাদের নাম প্রকাশ করব। তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে। মিটিংয়ে তারা কী বক্তব্য দেন, এর খবর আছে। আমরা আপনাদের সংশোধনের জন্য সময় দিতে চাই।’

    সম্প্রতি জনপ্রশাসনে একজন সচিব নিয়োগের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করে আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন, ‘সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে আমরা এখানে কোনো দলীয় লোক দেব না, অসৎ লোক দেব না। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করছি, আমাদের সঙ্গে কথা বলার এক দিন পরেই এমন এক ব্যক্তিকে সেখানে নিয়োগ করা হয়েছে, যার অতীতের দুর্নীতির ইতিহাস অনেক লম্বা। সে একটি দলের প্রতি পরিপূর্ণভাবে অনুগত।’

    এই জামায়াত নেতা যোগ করেন, ‘আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম, সেখানে একই রকমের কথা—প্রচণ্ড চাপ কোনো একটি দলের লোকদেরকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য। আমরা বলতে চাই, কোনো একটি দলের লোককে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিভিল এবং পুলিশ প্রশাসনে বসিয়ে যে নীল নকশার নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র চলছে, এতে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখি না। এরকম একটি নির্বাচনে—২০২৪-এর মতো, ২০১৮-এর মতো পাতানো নির্বাচনে—জনগণ অংশগ্রহণ করবে না।’

    জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাসুম, এহসানুল মাহবুব জোবাবয়ের, আবদুল হালিম প্রমুখ।

  • গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ ও ফল রপ্তানিতে সহায়তার আশ্বাস এফএওর

    গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ ও ফল রপ্তানিতে সহায়তার আশ্বাস এফএওর

    অনলাইন ডেস্ক:    জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক ড. কু দোংইউ বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ শিল্পের উন্নয়ন ও কৃষিজাত পণ্য—বিশেষ করে ফল রপ্তানি বাড়াতে অব্যাহত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

    রোমে এফএও সদর দপ্তরে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরাম এবং সংস্থাটির ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (রোম সময়) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন।বৈঠকের শুরুতে ড. কু অধ্যাপক ইউনূসকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং বাংলাদেশের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে তার ব্যাপক অবদানের প্রশংসা করেন।

    বাংলাদেশকে ‘উচ্চ সাফল্য অর্জনকারী দেশ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এফএও মহাপরিচালক বলেন, সংস্থাটি প্রযুক্তিগত সহায়তা, উদ্ভাবন এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ ও ত্রিমুখী সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের সহায়তা অব্যাহত রাখব।’

    প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস এফএও’র দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনটি নতুন ক্ষেত্রে সহায়তা চান—গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ ও মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণে সক্ষমতা বৃদ্ধি, ফল রপ্তানি সম্প্রসারণে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ উন্নয়ন এবং ফসল সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা জোরদার করা, যার মধ্যে সাশ্রয়ী ও বহনযোগ্য কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন অন্তর্ভুক্ত।

    অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমাদের পুরো সমুদ্র রয়েছে, কিন্তু আমরা মাছ ধরি অগভীর জলে। আমরা কখনোই সামুদ্রিক সম্পদ পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি। বিদেশি ট্রলারগুলো আমাদের জলসীমায় মাছ ধরে, অথচ আমরা পর্যাপ্তভাবে প্রস্তুত নই।’এর জবাবে ড. কু পরামর্শ দেন, বাংলাদেশ যেন চীনের বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানিয়ে গভীর সমুদ্রের মাছের মজুদ নিরূপণ ও টেকসই আহরণ কৌশল প্রণয়নে সহায়তা নেয়।

    বাংলাদেশের ফল রপ্তানির বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, চীন ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের আম, কাঁঠাল ও পেয়ারা আমদানিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তিনি ছোট কৃষকদের ফসল সংগ্রহোত্তর ক্ষতি কমাতে মোবাইল কোল্ড স্টোরেজ নকশার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।ড. কু বলেন, উচ্চমূল্যের নগদ ফল উৎপাদন কৃষি খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, ১৯৮০-এর দশকে জাপানে ফল রপ্তানির মাধ্যমে চীন কৃষি উন্নয়নে বিশাল সাফল্য অর্জন করেছিল।

    আগামী দিনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির ২০ বছর পূর্ণ হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা তা উদযাপন করব,’—বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে এ কথা বলেন তিনি।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

  • ধর্ষণকাণ্ড  মুজিবের পা ধরে রক্ষা পেয়েছিলেন সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেল

    ধর্ষণকাণ্ড মুজিবের পা ধরে রক্ষা পেয়েছিলেন সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেল

    অনলাইন ডেস্ক:   বিখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা ‘দেয়াল’ উপন্যাসের অংশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দালিলিক প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

    সেখানে বলা হয়েছে, ‘এক নবদম্পতি গাড়িতে করে যাচ্ছিল। টঙ্গীর তৎকালীন (দেশ স্বাধীনের পরই) আওয়ামী লীগ নেতা মোজাম্মেল দলবলসহ গাড়িটি আটক করে। ড্রাইভার আর নববধূর স্বামীকে হত্যা করে, মেয়েটিকে সবাই মিলে ধর্ষণ করে। অতঃপর তিন দিন পর তার লাশ পাওয়া যায় টঙ্গি ব্রিজের নিচে। পৈশাচিক এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয় সর্বত্র। বিশেষ অভিযানে দায়িত্বরত মেজর নাসেরের হাতে মোজাম্মেল ধরা পড়ে। মোজাম্মেল মেজরকে বলে- ঝামেলা না করে আমাকে ছেড়ে দিন, আপনাকে তিন লাখ টাকা দেব। বিষয়টা সরকারি পর্যায়ে নেবেন না। স্বয়ং বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আমি ছাড়া পাব। আপনি পড়বেন বিপদে। আমি তুচ্ছ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুকে জড়াতে চাই না।’

    মেজর নাসের বললেন, ‘এটা তুচ্ছ বিষয়? মোজাম্মেল জবাব দিল না, উদাস চোখে তাকাল। মেজর নাসের বললেন, আমি অবশ্যই তোমাকে ফাঁসিতে ঝোলাবার ব্যবস্থা করব। তোমার তিন লাখ টাকা তুমি তোমার গুহ্যদ্বারে ঢুকিয়ে রাখো! মোজাম্মেল বলল, দেখা যাক। মোজাম্মেলের বাবা, দুই ভাই গেল বঙ্গবন্ধুর কাছে। ঘরে ঢোকা মাত্র মোজাম্মেলের বাবা ও দুই ভাই কেঁদে বঙ্গবন্ধুর পায়ে পড়ল। টঙ্গী আওয়ামী লীগের সভাপতিও পায়ে ধরার চেষ্টা করলেন কিন্তু পা খুঁজে পেলেন না। পা মোজাম্মেলের আত্মীয়স্বজনের দখলে! বঙ্গবন্ধু বললেন, ঘটনা কী বল? টঙ্গী আওয়ামী লীগের সভাপতি বললেন, আমাদের মোজাম্মেলকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে। মেজর নাসের তাকে ধরেছে। নাসের বলেছে, তিন লাখ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দিবে। মিথ্যা মামলাটা কি? মোজাম্মেলের বাবা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, খুনের মামলা লাগায়া দিছে।

    টঙ্গী আ.লীগের সভাপতি বললেন, এই মেজর আ.লীগের নাম শুনলেই তারাবাতির মতো জ্বলে ওঠে। সে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছে, টঙ্গীতে আমি কোনো আ.লীগের শূয়োর রাখব না। বঙ্গবন্ধু, আমি নিজেও এখন ভয়ে অস্থির! টঙ্গীতে থাকি না। ঢাকায় চলে আসছি। বঙ্গবন্ধু বললেন, কান্দিস না। কান্দার মতো কিছু ঘটে নাই। আমি এখনো বাইচ্যা আছি তো, মইরা যাই নাই। এখনি ব্যবস্থা নিতাছি। তিনি মোজাম্মেলকে তাৎক্ষণিক ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং মেজর নাসেরকে টঙ্গী থেকে সরিয়ে দেবার জরুরি আদেশ দেয়া হলো। মোজাম্মেল ছাড়া পেয়ে মেজর নাসেরকে তার বাসায় পাকা কাঁঠাল খাওয়ার নিমন্ত্রণ করেছিল।

  • অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে প্রতিক্রিয়ার নয়, প্রয়োজন স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

    অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে প্রতিক্রিয়ার নয়, প্রয়োজন স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

    দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আবারও অ্যানথ্রাক্সের সংক্রমণ জনস্বাস্থ্যে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ২৭ জন রোগী, আর মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় চলতি বছরের নয় মাসেই আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭৫। যদিও সাম্প্রতিক সপ্তাহে নতুন সংক্রমণের খবর কমেছে, তবু আতঙ্ক এখনো রয়ে গেছে গ্রামাঞ্চলে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ঘটনা যেন এক শিক্ষণীয় উদাহরণ। একটি অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করার পর ১১ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দেয়। এই এক ঘটনাই প্রমাণ করে যে সচেতনতার ঘাটতিই সংক্রমণ বিস্তারের প্রধান কারণ।

    অ্যানথ্রাক্স কোনো নতুন রোগ নয়—এটি ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, যা মূলত আক্রান্ত পশুর রক্ত, মাংস বা চামড়ার সংস্পর্শে এলে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। অথচ অনেক এলাকাতেই আজও সংক্রমিত পশু জবাই ও বিক্রির প্রচলন চলছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

    স্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ সংক্রমণ ঠেকাতে সতর্ক অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছে। আইইডিসিআর মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, নমুনা সংগ্রহ ও সচেতনতামূলক প্রচারও চলছে। কিন্তু মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও রংপুরের অভিজ্ঞতা বলছে, এসব পদক্ষেপ এখনো যথেষ্ট নয়। গবাদি পশুর টিকাদান কাভারেজ সীমিত, প্রাণিসম্পদ বিভাগে জনবল ঘাটতি রয়েছে, এবং গ্রামীণ পর্যায়ে নিরাপদ মাংস ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত কম।

    অ্যানথ্রাক্সে মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে কম হলেও এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা রাখে। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ব্যর্থ হলে তা বড় আকার ধারণ করতে পারে। তাই প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে প্রতিরোধই হতে হবে মূল কৌশল। আক্রান্ত এলাকায় অবিলম্বে গবাদি পশুর শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা, সন্দেহজনক পশু জবাই নিষিদ্ধ করা এবং স্থানীয় মাংস বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জরুরি। একইসঙ্গে তথ্যপ্রবাহ ও গণসচেতনতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য যেমন আতঙ্ক বাড়ায়, তেমনি সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের দ্রুত ও স্বচ্ছ তথ্যদানের অভাবও ভীতি ছড়ায়। এ কারণেই সুন্দরগঞ্জে এক নারীর মৃত্যুকে ঘিরে গুজব ছড়িয়েছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

    অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধ শুধু চিকিৎসা বা পশুচিকিৎসার বিষয় নয়—এটি একযোগে স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও তথ্যপ্রবাহ ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ। তাই এখন সময় হলো এই রোগটিকে মৌসুমি সমস্যা হিসেবে নয়, বরং গ্রামীণ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার স্থায়ী অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করার। জনসচেতনতা ও ভ্যাকসিনেশন—এই দুই অস্ত্রই হতে পারে অ্যানথ্রাক্স নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায়।

  • কৃষির উন্নয়নে সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠনের আহ্বান ইউনূসের

    কৃষির উন্নয়নে সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠনের আহ্বান ইউনূসের

    অনলাইন ডেস্ক: ইতালির রোমে স্থানীয় সময় রোববার বিশ্ব খাদ্য ফোরামের পার্শ্ববৈঠকে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ) প্রেসিডেন্ট আলভারো লারিওর সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশের তরুণ কৃষি-উদ্যোক্তা, নারী, কৃষক এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারীদের সহায়তার লক্ষ্যে একটি ‘সামাজিক ব্যবসা তহবিল’ গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল গঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    ড. ইউনূস বলেন, “আমি আপনাদের একটি সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠনের আহ্বান জানাচ্ছি। এই তহবিল দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, তরুণ উদ্যোক্তা, কৃষক, নারী ও মৎস্য খাতের কর্মীদের জন্য নতুন উদ্যোগ সৃষ্টি এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারবে।”বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ শিল্প শুরু করা, আম ও কাঁঠালের রপ্তানি বাড়ানো, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি-উদ্যোক্তা তৈরি এবং মহিষের দুধ থেকে মোজারেলা চিজের মতো দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে খামারিদের সহায়তাসহ বিভিন্ন কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা ইফাদ প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং কৃষি, সামাজিক ব্যবসা ও প্রযুক্তিতে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো খতিয়ে দেখতে একটি প্রতিনিধি দল পাঠাতে অনুরোধ করেন।প্রেসিডেন্ট লারিও বলেন, আইএফএডি বাংলাদেশের সঙ্গে সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগে অংশীদার হতে আগ্রহী এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায়। তিনি জানান, বর্তমানে আইএফএডি বাংলাদেশে অর্ধডজনের বেশি কৃষি প্রকল্পে অর্থায়ন করছে।

    প্রধান উপদেষ্টা ফল প্রক্রিয়াকরণ, হিমাগার, গুদামজাতকরণ এবং আম ও কাঁঠালের মতো গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফলের বৃহৎ আকারে রপ্তানিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।

    তিনি বলেন, “আমরা আম রপ্তানি শুরু করেছি, তবে পরিমাণ এখনও কম। চীন বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে আম ও কাঁঠাল উভয় আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।”

    বৈঠকে উপস্থিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানান, কীভাবে বাংলাদেশি নারী দুগ্ধ খামারিরা মহিষের দুধ থেকে মোজারেলা চিজ তৈরি করছেন। তিনি দেশে পনির ও অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে ইফাদের সহায়তা কামনা করেন।

    বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের অব্যবহৃত সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে বেশিরভাগ বাংলাদেশি জেলে কেবল অগভীর পানিতেই মাছ ধরেন।

    তিনি বলেন, “আমরা এখনো গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণে যেতে সাহস পাই না। আইএফএডি অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তার মাধ্যমে এই খাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।”

  • মুখে সাবান ব্যবহার করা কি ঠিক? জেনে নিন কী কী ক্ষতি হতে পারে

    মুখে সাবান ব্যবহার করা কি ঠিক? জেনে নিন কী কী ক্ষতি হতে পারে

    লাইফস্টাইল ডেস্ক: মুখ ধোয়া বা পরিষ্কার করা ত্বকের যত্নের অপরিহার্য অংশ। ত্বক পরিষ্কার করতে সাবান ব্যবহার করেন। কিন্তু এই অভ্যাসটি ত্বকের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। মুখের ত্বক আমাদের শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল এবং সাবান ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ত্বককে রক্ষা করতে ও সঠিক পরিচর্যা করতে তাই সাবান দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত নয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের কী কী ক্ষতি হতে পারে-

    ১. ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট করে

    ত্বকের আর্দ্রতা এবং ত্বকের সুরক্ষা বজায় রাখতে ত্বকে পিএইচ (পটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন) এর মাত্রা ঠিক রাখা জরুরি। ত্বকের পিএইচ নির্দেশ করে যে ত্বক কতটা ভালো আছে। সাবান ব্যবহারে ত্বকের পিএইচের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। সাবানে অধিক পরিমাণে রাসায়নিক দ্রব্যাদি রয়েছে, যা ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। এছাড়া নিয়মিত মুখে সাবান ব্যবহারে ত্বক নিস্তেজ হয়ে গিয়ে উজ্জ্বলতা হারায়।

    ২. ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে

    সাবানে প্যারাবেন এবং ফরমালডিহাইড রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো ত্বকে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি ত্বকে চুলকানি বা ফুসকুড়ি হতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকে সাবান ব্যবহারে করলে সমস্যাগুলো আরও মারাত্মক হতে পারে।

    ৩. দ্রুত বার্ধক্য নিয়ে আসে

    নিয়মিত সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে, সাবানের ক্ষারীয় উপাদান ত্বককে রুক্ষ করে তোলে। ত্বকের অতিরিক্ত রুক্ষতা দ্রুত বার্ধক্যের দিকে নিয়ে যায়। এছাড়া ত্বকে বলিরেখা সৃষ্টি করতে পারে, ফলে ত্বক দেখতে বয়সের চেয়ে বেশি বয়স্ক মনে হয়।

    ৪. অস্বাস্থ্যকর

    সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা বেশ অস্বাস্থ্যকর। কারণ পরিবারের সব সদস্য হাত দিয়ে সাবান স্পর্শ করে। বাইরে থেকে এসে অপরিষ্কার হাতে সাবান ঘষে হাত পরিষ্কার করে। সেই সাবান মুখে ব্যবহার করলে মুখ তো পরিষ্কার হবেই না, বরং ময়লা এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটাবে ত্বকে। ফলে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডসের মতো ত্বকের সমস্যা তৈরি হবে।

    মুখ পরিষ্কার করার জন্য সাবান ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। তার পরিবর্তে ভালো ব্র্যান্ডের ফেস ওয়াশ ও প্রাকৃতিক ক্লিনজার ব্যবহার করুন, যা আপনার ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা করবে। এছাড়া শরীর পরিষ্কারের জন্যও সাবানের পরিবর্তে ভালো ব্র্যান্ডের বডি ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। যা ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

  • মিরাজকে আরো সময় দিতে চান ফারুক

    মিরাজকে আরো সময় দিতে চান ফারুক

    খেলাধুলা ডেস্ক: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় নাজমুল হোসেন শান্তকে। পরে ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয় মেহেদী হাসান মিরাজকে। তবে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স ভালো না। টানা দুটি সিরিজে হেরেছে বাংলাদেশ দল। মিরাজের অধীনে ৯ ম্যাচে খেলে বাংলাদেশ মাত্র একটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। বাকি ৮টিতেই হেরেছে টাইগাররা। তবে এমন পারফরম্যান্সের পরও বোর্ডকে পাশে পাচ্ছেন এই অধিনায়ক। বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ প্রশংসা করেছেন মিরাজের মেধার। তাই মিরাজকে নিয়ে তাড়াহুড়ো না করে অন্তত ১-২ বছর সময় দেয়ার পক্ষে তিনি। গণমাধ্যেমের সঙ্গে আলাপকালে ফারুক বলেন, ‘মিরাজের ক্রিকেটীয় মেধা খুব ভালো। এটা প্রথমে বলতে হবে। সে একজন ক্যাপ্টেন ম্যাটেরিয়াল। দল যখন ভালো খেলে না তখন অধিনায়কত্বেরও অনেক ভুল বের হয়। আবার অনেক সময় দল যখন পারফর্ম করতে থাকে তখন কিন্তু অনেক ভুল করলেও পার পেয়ে যায়।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘একজন অধিনায়ককে দায়িত্ব দিয়েই আপনি আশা করবেন মিরাকেল করবে, না। আমি মনে করি একজন অধিনায়ককে অন্তত এক থেকে দুই বছর সময় দেয়া দরকার। তাহলে সেও একটা সময়সীমা সেট করতে পারবে আমার কোন টুর্নামেন্ট আছে, আমি কী চাই, ও সহায়তা করবে নির্বাচকদের। আমার মনে হয় মিরাজ অধিনায়কত্বে খারাপ করবে না বা করছে না। দল যখন আরেকটু ভালো খেলবে অধিনায়কত্ব আরও ভালো লাগবে।’ ফারুক মনে করেন মিডল অর্ডার ব্যাটাররা ছন্দ হারিয়েছেন, ‘আমি মনে করি সাবেক অধিনায়ক হিসেবে মিডল অর্ডার ব্যাটিংটা…এটা আসলে সমালোচনা নয়। কিন্তু মিডল অর্ডারটা নিয়ে আসলে টিম ম্যানেজমেন্টও ঠিক বুঝতে পারছে না কার কী পজিশন, কোথায় কাকে চেষ্টা করব বা কার ভেতর কী আছে। একই সঙ্গে আমাদের কিছু খেলোয়াড় ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে। আপনি জাকের খুব ভালো..ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকেই রান করছিল কিন্তু এখন বাজে সময় যাচ্ছে।’