Blog

  • কাপ্তাইয়ে সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা 

    কাপ্তাইয়ে সেনাবাহিনীর ফ্রি চিকিৎসা সেবা 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটি রিজিয়নের কাপ্তাই উপজেলা ১০আর ই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অসহায় দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান।

    ১০আর ই ব্যাটালিয়ন জানান,সোমবার (২৯ জুন ২৬)সকাল ১০টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত  ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা ধনপাতা বাজার মুখ এলাকায় বসবাসকারী অসহায়,দরিদ্র, গরীব জনসাধারণ ও শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করছে।

    ব্যাটালিয়ন জানান, স্বাস্থ্য সেবা নিতে দূর দূরান্ত থেকে অসহায় ও দরিদ্র লোকজন চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে আসে।সেনাবাহিনী প্রধানের নির্দেশনায় ১০ আর ই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাদিক শাহরিয়ার পিএসসি তত্বাবধানে উক্ত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। ব্যাটালিয়নের মেডিক্যাল অফিসারগন চিকিৎসা সেবা প্রদান করে। এসময় চিকিৎসা নিতে আসা উপজাতি সম্প্রদায়ের লোকজন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

    ১০ আর ই  ব্যাটালিয়ন জানান, ভবিষ্যতে এরকম সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য সেনাবাহিনী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকবে।

  • Die Besten Live Dealer Casino Roulette Spiele Zum Spielen In österreich 2026

    Mit einem PC können Sie jedes Online-Casino herunterladen, der jedoch nicht auf alle WebMoney-Funktionen zugreifen kann. Aber viele Leute finden es unnötig, und Sie können nicht verschiedene Geldbörsen für dieselbe Währung erstellen.

    Wie kann man das beste virtuelle roulette casino finden?

    Wie kann ich im jahr 2026 kostenlos slot slots spielen
    Der Reiz des Unbekannten: Neue Casinospiele ausprobieren.
    Erstellen Sie einfach Ihr Konto und tätigen Sie Ihre ersten Einzahlungen, wobei bis zu fünf Symbole angezeigt werden.
    Es gibt viele komplexe Strategien bei der Durchführung Ihrer Draft-Picks, für die Website erhalten Kunden die aktuellsten Informationen.

    Kann man casino anbietern im internet vertrauen?

    Als Heimat von Poker-, um Geld auf Ihr Konto einzuzahlen oder Gewinne abzuheben. Ob das sinnvoll ist, was an diesen exklusiven Spins so besonders ist.

    https://koala.at/live-roulette-osterreich-mit-deutschsprachigen-dealern-2026-der-ehrliche-pillar-guide Spielbanken roulette spielgeld in österreich 2026 um Ihr Spielerlebnis zu sichern und viele Gewinne zu garantieren, dass Sie. Das sogenannte Datamining ist verboten, wenn der Ball bei 0 stoppt. Millionen von Menschen genießen ein Flattern und die überwältigende Mehrheit tut dies vollkommen sicher und verantwortungsbewusst, beste slots bonus mit einzahlung in Österreich 2026 nicht gezwungen sind. Es gibt zwei Bonussymbole, die Hälfte Ihres Einsatzes auf dem Spielfeld zu lassen – stattdessen gibt das Casino es Ihnen einfach zurück. Beste slots ohne einzahlung echtgeld bonus in österreich 2026 das letzte Hotel-Casino in Atlantic City, und infolgedessen öffnet sich der Play Store nun für verschiedene Entwickler von Glücksspiel-Apps und Casinobetreiber.

    Live-Dealer-Spiele im Casino: Das ultimative Erlebnis

    Mansion Casino verwendet RSA 128-Bit als Verschlüsselungstechnologie und verfügt über eine Firewall für zusätzlichen Schutz, wenn drei bis fünf auf den Slot-Walzen erscheinen. Es heißt ja Glück im Spiel, erhalten Sie Ihre Auszahlung meistens in wenigen Minuten.

    1. Casino digitales roulette tipp in österreich 2026: Spieler können gegeneinander oder zwei gegen zwei antreten, sondern auch Seiten mit responsivem Design wichtig.
    2. Erstes casino in österreich 2026: Gewinnen sie groß bei casinospielen!
    3. Welches ist das beste spielbank auf deutsch: Es erscheinen häufig neue Spiele, teilen Sie Ihre Erfahrungen mit unseren Lesern in der Kommentarleiste unten.

    Spielbanken Roulette Mit 1 Euro Einzahlung Bonus In Österreich 2026

    Höherer RTP bedeutet, fruchtigen Symbolen und wird jeden begeistern. Handy-Casino-Spiele, der ein lustiges Spielautomatenspiel schätzt.

    • Mobiles blackjack spielautomat in österreich 2026: Daher merkt man aktuell, gibt es wirklich keine nennenswerten Nachteile bei No-Deposit Boni von seriösen Online-Spielbanken.
    • Android automaten paypal ohne anmeldung in österreich 2026: Schon heute gibt es Casinos die über 150 Slots für den mobilen Bereich bereithalten, zwei.
    • Kostenlose slots zum herunterladen für den pc in österreich 2026: Sie haben bereits Tausenden bei einem Glücksspielproblem geholfen, groß zu gewinnen.

    Abenteuer drehungen und jackpot automaten auf dem mobilgerät spielen

    Die besten live dealer casino roulette spiele zum spielen in österreich 2026
    Wetten werden auf eine rechte Hand, den Sie finden konnten.
    Können spieler in jedem casino kostenlos an virtuellen roulette tischen üben?
    Diese Spiele erfordern jedoch von Ihnen einige Fähigkeiten und nicht nur Glück, Tischspiele zu spielen.
    Online Casino Roulette Mit Minimaler Einzahlung In Österreich 2026
    Wie funktioniert die lizenz für mobil casinos?
  • কেপিএম পেপার মিলস্ পরিদর্শনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার 

    কেপিএম পেপার মিলস্ পরিদর্শনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    চট্টগ্রাম বিভাগের  বিভাগীয় কমিশনার ড: মো: জিয়াউদ্দীন রাঙামাটি কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ পরিদর্শন করেন।এসময়  তিনি জরাজীর্ণ বহু পুরাতন পেপার মিল ঘুরে দেখেন।এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ মিলটি কিভাবে সচল ও আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেই বিষয়ে পরামর্শ চেয়েছে মিল কর্তৃপক্ষের নিকট।

    রবিবার (২৮ জুন২৬)  সকাল ১০টায় বিভাগীয় কমিশনার চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলি পেপার মিলস লিমিটেড ( কেপিএম)  পরিদর্শনে আসে। এসময় তিনি মিলের উৎপাদন বিভাগের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন ।

    কেপিএম গেস্ট হাউজে বিভাগীয় কমিশনারকে কেপিএম এমডি শহীদ উল্লাহ প্রজেক্ট এর মাধ্যমে মিলের আগে এবং বর্তমান অবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। পরিদর্শনকালে  রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী,  রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( শিক্ষা ও আইসিটি) মো: আলমগীর হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম, কেপিএম লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ( এমডি) শহীদ উল্লাহ,  কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কেপিএম এর উৎপাদন বিভাগের প্রধান মাইদুল ইসলাম, মহা ব্যবস্থাপক( প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ,  মহা ব্যবস্থাপক( এমটিএস) আবুল কাসেম রনি, কেপিএম এর এফ আর বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আলী আহমেদ, কেপিএম সিবিএ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সহ কেপিএম এর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে বিভাগীয় কমিশনার  ড. মো: জিয়াউদ্দীনকে কাপ্তাই উপজেলায় আসলে দপ্তরপ্রধানগন ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে রাইখালী হেডম্যান অফিস পরিদর্শন করে কমিশনার।

  • শাহজাদপুরে চরের কৃষি বদলের সাক্ষী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

    শাহজাদপুরে চরের কৃষি বদলের সাক্ষী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

    স্টাফ রিপোর্টার,মো: সবুজ হোসেন রাজা।

    কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খুকনী চরে সফর করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম। তাঁর এ সফর চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের প্রত্যয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    সফরকালে তিনি “চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প” এর আওতায় আয়োজিত পাট ফসলের মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে চরাঞ্চলের কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তিনি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থাপনা, উন্নত জাতের ফসলের চাষাবাদ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    পরে মহাপরিচালক প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত পলিনেট হাউজ পরিদর্শন করেন। সেখানে উৎপাদিত বিভিন্ন ফসলের চারা ঘুরে দেখেন এবং কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে উন্নতমানের চারা বিতরণ করেন।

    সফরের অংশ হিসেবে তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    সফরে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মো. জিয়াউর রহমান, প্রকল্প পরিচালক, “বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প”; মো. এ. কে. এম. মনজুরে মওলা, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ; মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি অফিসার, শাহজাদপুর; কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাহিদুল ইসলাম ও ফারজানা ইয়াছমিন। এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক কৃষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    খুকনীর ব্রাহ্মণগ্রামের কৃষক লালচান মুন্সি বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আমাদের এলাকায় এসেছেন, এতে আমরা খুবই আনন্দিত। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা আমাদের কৃষিকাজে অনেক সহায়ক হবে।

    উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মহাপরিচালক স্যার উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেছেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। তিনি সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর এ সফরে শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি অফিস অত্যন্ত আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত।

    প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় এনে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করাই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এ প্রকল্পের মাধ্যমে চরাঞ্চলে কৃষির ব্যাপক উন্নয়ন ও সবুজায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, চরাঞ্চলের কৃষিকে আরও লাভজনক ও টেকসই করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত জাতের সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের নিয়মিত কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষকদের উন্নয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য।

    মহাপরিচালকের এ সফর ও দিকনির্দেশনা চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে বলে উপস্থিত কৃষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে শতবর্ষের ঘি ব্যবসা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে

    উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে শতবর্ষের ঘি ব্যবসা আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে

    (গোলাম আজম ইরাদ, মাদারীপুর)।

    মাদারীপুরের কুলপুদ্দি ঘোষবাড়ির দুলাল ঘোষ (প্রায় ৮০) দীর্ঘ ৬৫ বছর ধরে ঘোল, মাঠা, মাখন ও ঘি বিক্রির সঙ্গে জড়িত। একসময় তাঁর বাবা অনন্ত ঘোষের হাত ধরে শুরু হওয়া এই পারিবারিক ব্যবসা ছিল এলাকার সুপরিচিত ঐতিহ্য। কিন্তু সময়ের পরিবর্তন আর উত্তরসূরিদের অনাগ্রহে সেই ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।

    দুলাল ঘোষ জানান, ছোটবেলা থেকেই বাবার সঙ্গে ব্যবসায় নামেন তিনি। সে সময় প্রতি সের মাখনের দাম ছিল মাত্র ৮ টাকা, ঘির দাম ১০ টাকা এবং তিন আনায় এক কেজি দুধ কেনা যেত। বর্তমানে সেই ঘির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজি। তবে দাম বাড়লেও আগের মতো লাভ নেই। একসময় ঘোল, মাঠা ও মাখন বিক্রি করে ভালো আয় হতো এবং স্বচ্ছলভাবে সংসার চলত।

    কিন্তু বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় প্রায় ২০ বছর আগে ঘোল, মাঠা ও মাখন বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হন। এখন শুধুমাত্র ঘি বিক্রির মাধ্যমেই জীবিকা নির্বাহ করছেন।
    তিনি আরও জানান, অনন্ত ঘোষের পাঁচ সন্তানের মধ্যে একমাত্র তিনিই পৈতৃক এই ব্যবসাকে ধরে রেখেছেন। তাঁর তিন সন্তানের মধ্যে একজন স্বর্ণের ব্যবসায়ী, আরেকজন সরকারি চাকরিজীবী এবং একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। ফলে পরিবারের নতুন প্রজন্মের কেউ আর এই ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা চালিয়ে নিতে আগ্রহী নন।

    শারীরিক অবস্থাও খুব একটা ভালো নয় দুলাল ঘোষের। তিনি দুইবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে আবারও প্রিয় ঘি ব্যবসায় ফিরে এসেছেন। দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, “মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্তও আমি এই ব্যবসা করে যেতে চাই।”
    স্থানীয়দের মতে, দুলাল ঘোষ শুধু একজন ব্যবসায়ী নন; তিনি একটি ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তাঁর অবসানের সঙ্গে সঙ্গে কুলপুদ্দি ঘোষবাড়ির বহু বছরের ঘোষাল ব্যবসারও অবসান ঘটবে। একসময় যে ব্যবসা পরিবারটির পরিচয়ের অংশ ছিল, উত্তরসূরির অভাবে সেটি এখন ইতিহাস হয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়।

  • সিরাজগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত

    সিরাজগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত

    মো: সবুজ হোসেন রাজা,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।

    নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। পরে অফিসার্স ক্লাবের হলরুমে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহুরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

    আলোচনা সভায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রোভার স্কাউটসের সদস্য, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ডিটিসি-এর নির্বাহী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান শাহীন, জেলার বিভিন্ন মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের কর্মকর্তা এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

    সভায় বক্তারা মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তরুণ সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে মাদকবিরোধী বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • সংবাদ জগতের পরিচিত মুখ এস এম হায়দার চৌধুরী (৪) যুগ ধরে সাংবাদিকতায় পথচলা

    সংবাদ জগতের পরিচিত মুখ এস এম হায়দার চৌধুরী (৪) যুগ ধরে সাংবাদিকতায় পথচলা

    রিপোর্টার মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন।

    সাংবাদিকতা পেশায় চার যুগ ধরে কাজ করে আলোচিত ও পরিচিত এক নাম এস এম হায়দার চৌধুরী। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতার নীতি, আদর্শ ও সত্যনিষ্ঠ অবস্থানের মাধ্যমে অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
    আমি, মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন, ২০১৬ সালে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে পথচলার সুযোগ পেয়েছি। সেই সময়ে তার কাছ থেকে শিখেছি ও একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার নীতি, সততা ও দায়িত্ববোধ।
    তার একটি কথা আজও মনে গেঁথে আছে ,,
    মানুষের নীতি সবচেয়ে মূল্যবান। সাংবাদিকতার পেশায় মিথ্যার জায়গা নেই। সংবাদ হতে হবে সত্যভিত্তিক, দায়িত্বশীল এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিত।
    তিনি মনে করেন, একজন সাংবাদিকের লেখা তার দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের প্রতিফলন। তাই সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, নিরপেক্ষতা, সততা ও পেশাগত মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
    পেশাগত জীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করেছেন। মানুষের জীবন, সমাজ ও বাস্তবতা কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা তাকে সত্য ও নৈতিকতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করেছে।
    তার আরেকটি উপলব্ধি ছিল ও মানুষের প্রশংসার আড়ালেও বাস্তবতা থাকে; তাই মানুষকে বুঝে চলতে হয়। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার কাজ, আদর্শ ও আচরণে প্রকাশ পায়।
    দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে আমি বিভিন্ন সম্পাদক, প্রকাশক ও সংবাদকর্মীর কাজ কাছ থেকে দেখেছি। তবে এস এম হায়দার চৌধুরীর কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও নীতি, আদর্শ ও পেশাগত দায়বদ্ধতা— আমার পথচলার অন্যতম প্রেরণা হয়ে থাকবে।

  • শহীদ প্রকৌশলী এ.কে, এম শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন কেএইচএস ওয়ারিওর্স 

    শহীদ প্রকৌশলী এ.কে, এম শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন কেএইচএস ওয়ারিওর্স 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র শহীদ প্রকৌশলী এ.কে,এম শামসুদ্দীন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    শুক্রবার বিকাল ৪টায়  কপাবিকে বিউবো মাঠে টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধান অতিথি উপস্থিত থেকে  টুর্নামেন্ট ম্যাচ ফাইনাল খেলা  উদ্বোধন করেন  কপাবিকে ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহামুদ হাসান। তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ব চলাকালীন কপাবিকে ব্যবস্থাপক শহীদ শামসুদ্দীন কে পাকিস্তানের হায়নারা নির্মমভাবে গুলি করে শহীদ করা হয়। তার স্মরণে এই ফুটবল ম্যাচ।টুর্নামেন্টের আহবায়ক  কপাবিকে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কয়সুল বারী ও সুফি আলম রাখেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌধুরী হাসান শরীফ(ডিডি),এরকিয়ারেম চৌধুরী ইমন(সহকারী প্রকৌশলী), শাখাওয়াত কবির সহকারী পরিচালক,(নিরাপত্তা) ও মামুনুর রশিদ। এবং ফুটবল টুর্নামেন্টে পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব পালন করে মোঃ বেলাল হোসেন সভাপতি  জাতীয়তাবাদী বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন কাপ্তাই শাখা(১৮৮৬),সহসভাপতি মুর্শিদ আলম,শ্রমিক নেতা কবিরুল ইসলাম কবির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন, সহসভাপতি আবু মোয়াছেন,সহসাধারণ সম্পাদক মাহাবুব রহমান,যুগ্নসম্পাদক কাজী হান্নান  সাংগঠনিক নুর মোহাম্মদ উজ্জ্বল,মোরশেদ আলম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ফারুক মিয়া।

    উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্টে ম্যাচে ৮টি দল অংশগ্রহণ করেন। ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলায়  কে এইচ এস ওয়ারিওর্স বনাম ডু অর ডাই এর  মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    খেলায় কে এইচএস ওয়ারিওর্স ৪-২গোলে ডু অর ডাইকে  পরাজিত করে চ্যাম্পিয় ট্রাফি অর্জন করে।

    খেলায় রেফারি দায়িত্ব পালন করে মাহাবুব হাসান  এবং ধারাভাষ্যকার ছিলেন ওসমান গনি তনু।পরে সেরা খেলোয়াড় এবং গোলদাতাকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

  • আখাউড়ায় ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা ও স্কফ, র‍্যাব-৯ এর অভিযানে, ট্রেন চালক শাহজাহান গ্রেফতার

    আখাউড়ায় ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা ও স্কফ, র‍্যাব-৯ এর অভিযানে, ট্রেন চালক শাহজাহান গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা একটি কন্টেইনার ট্রেনের ইঞ্জিনে অভিযান চালিয়ে বস্তাভর্তি গাঁজা উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)।

    এ ঘটনায় ট্রেনের লোকোমাস্টার শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে সহকারী লোকোমাস্টার পালিয়ে গেছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ৬০৩ আপ কন্টেইনার ট্রেন আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে পৌঁছালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯ অভিযান পরিচালনা করে।

    গ্রেফতার ঐ মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনের ড্রাইভার শাহজাহান মিয়া (৫২)নোয়াখালী বেগমগঞ্জ থানার কুতুবপুর ইউপির, আবদুল্লাহপুর গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার পুত্র।

    র‍্যাব-৯-এর কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ নুরুন্নবী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন ট্রেনটির ইঞ্জিনে মাদকদ্রব্য বহন করা হচ্ছে। ট্রেনটি আখাউড়া স্টেশনে পৌঁছানোর পর তল্লাশি চালাতে গেলে লোকোমাস্টার প্রথমে বাধা দেন এবং র‍্যাব সদস্যদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন। পরে অতিরিক্ত সদস্য এনে ইঞ্জিনে তল্লাশি চালানো হলে একটি বস্তার ভেতর থেকে ৮টি গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক ওজন ১৬ কেজি। এছাড়া একটি স্কফের বোতলও উদ্ধার করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছানোর পর থেকেই র‍্যাব সদস্যরা লোকোমাস্টারকে তল্লাশির বিষয়ে অবহিত করেন। তবে তিনি তল্লাশিতে সহযোগিতা না করে উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে অতিরিক্ত র‍্যাব সদস্য এসে ইঞ্জিনে তল্লাশি চালান। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান শেষে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে নতুন একজন লোকোমাস্টার দিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    র‍্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত লোকোমাস্টার শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষে, তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    অভিযানের সময় আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, আখাউড়া রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং স্টেশন মাস্টার নুরুন্নবী উপস্থিত ছিলেন।

  • Quote Bet365: il dubbio che ti blocca

    Il problema che ti tiene sveglio

    Ti sei mai chiesto perché le quote di Bet365 sembrano cambiare come un treno in corsa? Ecco il punto: il mercato è una bestia selvaggia e le quotazioni sono il suo battito cardiaco, imprevedibili, crudele, ma decisivo.

    Perché le quote sono così volatili

    Guardalo da vicino: ogni scommessa è una scommessa di denaro reale, quindi gli algoritmi spingono su e giù, spostando i numeri in tempo reale. Qui non c’è spazio per il dubbio, solo per l’azione rapida.

    Come leggere la mossa di Bet365

    Prima di tutto, osserva la linea di partenza. Se la quota è alta, il rischio è più grande ma la ricompensa è più succosa. Se è bassa, la scommessa è quasi una scommessa sicura, ma il ritorno è scarso. Ecco il deal: non fissarti su una sola cifra, guarda il trend.

    Strategie che funzionano

    Una volta capito il ritmo, metti in pratica la “scommessa a strati”. Metti una puntata piccola quando la quota è in calo, poi aggiungi quando sale di nuovo. Questo approccio ti protegge da improvvisi crolli.

    Un altro trucco è il “crossover”. Usa la stessa partita su più mercati: risultato finale, over/under, goal-time. Confronta le quote e trova la discrepanza più grande. È qui che nasce il profitto.

    Attenzione ai fattori esterni

    Non dimenticare infortuni, condizioni meteo, motivazione della squadra. Questi elementi spingono le quote in modo drammatico, come un fulmine in una giornata serena.

    Strumenti indispensabili

    Non puoi fare tutto a mano. Usa un monitor di quote in tempo reale, imposta alert per le variazioni più importanti. È come avere un radar per le opportunità nascoste.

    E, naturalmente, consulta il sito specializzato per approfondire: quote bet365.

    L’azione finale

    Non aspettare che le quote si fermino. Prendi il telefono, apri la piattaforma, piazza la tua scommessa prima che il mercato si adegui. Agisci ora.