Blog

  • সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য’র ছেলে রাসেল নিহত

    সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য’র ছেলে রাসেল নিহত

    কাপ্তাই(রাঙামাটি) প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই – চট্টগ্রাম সড়কের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কাটাখালী তক্তারপুল এলাকায় লাল-সবুজ পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় মো. রাসেল (২৩) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় তার ডান পা উরু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    ঘটনাটি ঘটেছে   বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত দশটায়।

    নিহত রাসেল রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ২নং রাইখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের  বর্তমান ইউপি সদস্য শেখ মোহাম্মদ নাছের মেম্বারের একমাত্র  ছেলে।

    স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম বাপ্পা, আবুল কাসেম জানান,  চট্টগ্রাম শহর থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে নিজ বাড়ি কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ফিরছিলেন রাসেল। পথিমধ্যে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের কাটাখালী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী ‘লাল-সবুজ পরিবহন’-এর একটি বাস প্রথমে একটি ভ্যানগাড়িকে ধাক্কা দেয়। ঠিক তার পেছনেই থাকা রাসেলের মোটর সাইকেলটিকেও বাসটি সজোড়ে পিষ্ট করে দেয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন এবং তার ডান পা উরু থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    ঘটনার পর যাত্রী নিয়ে রাঙ্গুনিয়া আসা হাটহাজারী এলাকার সিএনজি চালক বাদশা এবং চন্দ্রঘোনা বুইজ্জার দোকান এলাকার নেছারুলসহ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইছাখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে নিহতের চাচা আব্দুল বারেক জানান, শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন রাসেল।

    বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির উদ্দিন জানান, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি দুর্ঘটনা কবলিত যান দুটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও উদ্ধার অভিযান চালান। এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় কাউখালীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপিত

    যথাযোগ্য মর্যাদায় কাউখালীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপিত

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস বাংলাদেশের একটি জাতীয় দিবস। ২০২৫খ্রিঃ থেকে প্রতি বছর ৫ই আগস্টে পালিত হয়ে আসছে। ২০২৪খ্রিঃ ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসন আমলের পরিসমাপ্তি ঘটে। যা পরবর্তীতে ৩৬ জুলাই নামে বাংলার ইতিহাসে স্থান পায়।বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ সালের ২৬শে জুন ৫ই আগস্টকে সরকারিভাবে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
    এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশের ন্যায়, পিরোজপুরের কাউখালীতেও গত ৫ই আগষ্ট(বুধবার) নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপনের আয়োজন করেন কাউখালী উপজেলা প্রশাসন।
    দিবসটি উপলক্ষে এক বর্নাঢ্য র‍্যালী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।
    পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে,সন্ধ্যা সাত ঘটিকার সময় উপজেলা হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত আলোচনা সভায়, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।
    এ সময় প্রধান অতিথি, প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর তার বক্তব্যে বলেন, গত ২০২৪ খ্রিঃ আজকের এই দিনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও বৈষম্যহীন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে দেশের সকল শ্রেনীর ছাত্র সমাজ ও সাধারণ মানুষ তার স্বীয় জীবনের মায়া ত্যাগ করে, রাজপথে নেমে এসেছিল।
    প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ এ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা। তাই আমি এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বানও জানাচ্ছি।
    উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম আহসান কবির, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) রাইসুল ইসলাম, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. দ্বীন মোহাম্মদ, সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান মিঞা, জুলাই সংগ্রামের অকুতোভয় সাহসী যোদ্ধা মোঃ জসীম উদ্দীন এবং মোঃ পলাশ হোসেন প্রমুখ।
    আলোচনা শেষে উপস্থিত, জুলাই যোদ্ধাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়।
    পরিশেষে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
    অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনায় ছিলেন
    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক।

  • কাপ্তাইয়ে  টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট সমূহ (SDGs) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাইয়ে  টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট সমূহ (SDGs) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত সভা অনুষ্ঠিত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট সমূহ (SDGs) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত উপজেলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কাপ্তাই  উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার  (৬ আগস্ট) সকাল ১১ টায়  উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষ  কিন্নরীতে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগামী ১০ আগস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে  কাপ্তাই উপজেলার ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন এর মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে এসডিজি ভিলেজ হিসেবে ঘোষণা করবেন। সেই লক্ষ্যে সকল বিভাগের তথ্য  সমুহ যাতে প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা যায়, সেই জন্য সকলকে প্রস্তুতি রাখতে হবে।

    এসময় বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি)  নেলী রুদ্র, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন,  রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ডা: রহমত উল্লাহ,  কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, কাপ্তাই উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ এনামুল হক হাজারী, কাপ্তাই স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রুইহ্লা অং মারমা, উপজেলা কৃষি অফিসার আহসান হাবীব, কাপ্তাই উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো: শাহআলম,  কাপ্তাই থানার উপ-পরিদর্শক সাইমুল ইসলাম, কাপ্তাই উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, পিআইএ ফরহাদ হোসেন, সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন,  কাপ্তাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মাহমুদ হাসান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকের,  কাপ্তাই উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ ঘোষ,  উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর জিন্নাতুন নাহার,   সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আঁখি তালুকদার,  কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাদাত হোসেন, কাপ্তাই রেঞ্জ অফিসার মামুনুর রহমান,   ১১৯ নং ভাইয্যাতলী মৌজার হেডম্যান থোয়াই অং মারমা প্রমুখ।

    এসময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,  জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাউখালীতে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়

    কাউখালীতে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময়

    মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে রঘুনাথপুর ইজিএস শিক্ষা নিকেতনের উদ্যোগে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক ও সুধী সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৪ আগস্ট(মঙ্গলবার) সকাল ১১ ঘটিকার সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়।

    প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

    এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার বক্তব্যে বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও মানসম্মত পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, একটি শিক্ষার্থীর নৈতিকতা বিকাশে পারিবারিক শিক্ষা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে তিনি সামাজিক অবক্ষয় থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শও প্রদান করেন।
    বিশেষ অতিথি অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের যে কোন আইনি বিষয়ে সহযোগিতা করতে কাউখালী থানা বদ্ধপরিকর। তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস,ইভটিজিং ও বাল্য বিবাহ থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশনাও প্রদান করেন বলে জানা গেছে।
    অনুষ্ঠানটির সভাপতি এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৬৬খ্রিঃ গড়া এই প্রতিষ্ঠানটি উপজেলায় অত্যান্ত সুনামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকার সচেতন মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
    অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সবুজ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষক তানভীর আহমেদ, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির এবং শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান।
    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ ও সদস্য সচিব রাকিব তালুকদারসহ অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল আমিন।

  • পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের আয়কর অব্যাহতি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

    পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদের আয়কর অব্যাহতি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

    স্টাফ রিপোর্টার।

    পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা চালু এবং পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাস দমনের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হাদী চত্বরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    বিক্ষোভ সমাবেশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল অবঃ খন্দকার ফরিদুল আকবর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ লিগাল এইড’র সভাপতি এডভোকেট পারভেজ তালুকদার, শ্রমিক নেতা বজলুর রহমান বাবলু, ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান, স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টির আহবায়ক জিয়া উল হক, সাহিদুল ইসলাম, কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম, প্রভাষক নারগিস জুই, যুব নেতা সেলিম রেজা বাচ্চু, শাহপরান সাইম, রোজিনা আক্তার, তারেক রহমান শাওন প্রমুখ।

    এসময় পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় স্থায়ীভাবে বসবাসরত বাঙালি জনগোষ্ঠীকে আয়কর অব্যাহতির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য বিদ্যমান আয়কর অব্যাহতি সুবিধা বহাল থাকলেও একই অঞ্চলে বসবাসকারী বাঙ্গালীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা বৈষম্য সৃষ্টি করছে। ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত রাখার বিধান করা হয়। পরবর্তীতে আয়কর আইন, ২০২৩-এও সেই সুবিধা বহাল রাখা হয়। ২০২৬ সালের ১০ জুন জাতীয় সংসদে উত্থাপিত অর্থবিলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বেতন ও আর্থিক সম্পদ থেকে অর্জিত আয় করযোগ্য করার প্রস্তাব করা হলেও ব্যবসা, কৃষি ও অন্যান্য আয়ের করমুক্ত সুবিধা বহাল রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে পার্বত্য অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ২৯ জুন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র নৃ—গোষ্ঠীর বেতন আয়ও করমুক্ত রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই ভৌগোলিক এলাকায়, একি পরিবেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করেও আমরা আয়কর অব্যাহতির সুযোগ পাচ্ছি না। ফলে অর্থনৈতিক ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে পড়ছি।

    এসময় তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০.০৬ শতাংশ স্থানীয় বাঙ্গালি হলেও আমরা চাকরি, উচ্চশিক্ষা, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত অংশীদারিত্ব থেকে বঞ্চিত। ১৯৯৭ সালের অবৈধভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি নামক কালো চুক্তির পর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, চাকরি, উন্নয়ন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাঙালিদের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, আমাদের কোনো বিষয় রাষ্ট্রের নিকট গুরুত্ব পাচ্ছে না।

    মোস্তফা আল ইহযায বলেন, দীর্ঘদিনের আয়কর অব্যাহতির ফলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি অংশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলার উপজেলা ভিত্তিক পর্যালোচনা করলে দেখা যায় অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ব্যক্তির বার্ষিক আয় এক কোটি টাকার বেশি, ৩০ থেকে ৪০ জনের আয় ৫০ থেকে ৯৯ লাখ টাকা, ৭০ থেকে ৮০ জনের আয় ২০ থেকে ৪৯ লাখ টাকা, প্রায় ১২০ থেকে ১৫০ জনের আয় ১১ থেকে ২০ লাখ টাকা, প্রায় ১৫০ থেকে ১৬০ জনের আয় ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং ২০০ জনের অধিক লোকের আয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার মধ্যে রয়েছে। এই সংখ্যা সময়ের সঙ্গে বাড়ছে, এরাই পাচ্ছে আয়কর মওকুফের সুবিধা। পক্ষান্তরে বাঙ্গালীদের ক্ষেত্রে চিত্রটা ভিন্ন, একজন বাঙ্গালীনঠিকাদার কে তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী ৩.৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আয়কর দিতে হয়। ফলে দরপত্রে সেই ব্যয় যুক্ত করতে হয়। অন্যদিকে, আয়কর অব্যাহতির সুবিধাপ্রাপ্ত ঠিকাদারেরা তুলনামূলক কম দর দিতে পারেন, যা প্রতিযোগিতায় অসম অবস্থার সৃষ্টি করে বলে আমি মনে করছি।

    এডভোকেট পারভেজ তালুকদার বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা পরিষদে হস্তান্তরিত বিভাগসমূহের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির (১১-২০তম গ্রেড) চাকরিতে শতভাগ স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় পার্বত্য বাঙালি শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক কোটা চালুর দাবি জানাই।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের কতিপয় উপজাতির ‘আদিবাসী’ দাবি করার পেছনে গভীর ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। ১৯৭২ সালে মিস্টার লারমা যে বিতর্ক তুলে সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে বিদ্রোহ করেছিল তা দীর্ঘ আলোচনা প্রক্রিয়ার পর ১৯৯৭ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’ স্বাক্ষরের মাধ্যমে অবসান হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে নিজেদের পরিচয় হিসেবে অন্তত ৫০ বার অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ‘উপজাতি’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। এখন ‘আদিবাসী’ দাবি করা চরম স্ববিরোধিতা। ২০০৭ সালে জাতিসংঘ সনদ (UNDRIP) ঘোষণার পর থেকে মূলত ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় এই নতুন বিতর্ক চাঙ্গা করেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি পেলে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আইনি ভিত্তি তৈরির সুযোগ থাকে। তাই ‘আদিবাসী’ শব্দের আড়ালে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা বিনষ্টের অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না। দেশের অখণ্ডতা সুরক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    সমাবেশ শেষে শাহবাগের শহীদ হাদী চত্বর থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

  • কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মোঃ মেহেদী হাসান ,কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে রনজিৎ চন্দ্র মাঝি (৫৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    ​৩রা আগস্ট(সোমবার) রাত ১ঃ৩০ ঘটিকার সময় উপজেলার ০১নং সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের পূর্ববেতকা সাকিনস্থ মোঃ আবু সুফিয়ানের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তা থেকে, গাঁজা ও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এস আই রহমাতুল্লার নেতৃত্বাধীন কাউখালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,​আটককৃত রনজিৎ চন্দ্র মাঝি দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া তিনি মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারিদের সাথেও জড়িত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে, আসামীকে আটক করা হয়েছে।
    এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। যাহার বাজার মূল্য আসামীর কথিত মতে =৫০০০/-(পাঁচ হাজার) টাকা ও ১০ (দশ) পিস হালকা কমলা রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট, ওজন= ১.০০ গ্রাম, যাহার মূল্য =৩০০০(তিন হাজার) টাকা।
    প্রতিনিয়ত মাদক নির্মূলে, মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পরিচালিত অভিযান, উপজেলার প্রতিটি মহল্লায় ব্যাপক সারা যুগিয়েছে। একইসাথে জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বস্ততা সহ আস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে।
    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাকদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র পুলিশের অভিযান দিয়ে মাদক ও অপরাধ দমন একেবারে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এলাকার সচেতন নাগরিক ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্ঠায় সকল ধরনের অপরাধ দমন করা সম্ভব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

  • কাপ্তাই শিশু নিকেতন শিক্ষার্থীদের মাঝে  জোন কমান্ডারের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

    কাপ্তাই শিশু নিকেতন শিক্ষার্থীদের মাঝে  জোন কমান্ডারের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি:

    পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কাপ্তাই শিশু নিকেতন স্কুলে সোমবার( ৩ জুলাই) বৃক্ষরোপণ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে প্রধান অতিথি  ছিলেন কাপ্তাই জোন কমান্ডার (৩৮ বীর) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ, পিএসসি। তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করেন।

    অনুষ্ঠানে শিশু নিকেতন স্কুলের অধ্যক্ষ রেহেনা আক্তার, কাপ্তাই জোনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় জোন কমান্ডার বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বেশি বেশি গাছ লাগানো ছাড়া  কোনো বিকল্প নেই। তিনি সবাইকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছ কাটা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার

    কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী যুবক গ্রেফতার

    মোঃ মেহেদী হাসান, কাউখালী।

    পিরোজপুরের কাউখালীতে গাঁজাচাষকারী মোঃ ইব্রাহিম(২০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে কাউখালী থানা পুলিশ।
    ​২ আগস্ট(রবিবার) রাত ৩ ঘটিকার সময় উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের হাওলাদার ও চৌকিদার বাড়ি সংলগ্ন মোঃ মিজানুর রহমান খানের, ফলজ বাগান থেকে সাত ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দুটি গাজা গাছ উদ্ধার করেন, এস আই মহিউদ্দিন ও এএসআই খাইরুল হাসানের নেতৃত্বাধীন, কাউখালী থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।
    ​পুলিশ সূত্রে জানা যায়,​আটককৃত মোঃ ইব্রাহিম(২০) অবৈধভাবে, নিজ হাতে মোঃ মিজানুর রহমান খানের ফলজ বাগানে গাঁজার বীজ রোপণ করে। যা পরবর্তীতে বীজ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ গাছে পরিনত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে, গাছ সহ মোঃ ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মোঃ আব্দুল হালিম ও মোসাঃ রেহানা দম্পতির ছেলে।
    প্রতিনিয়ত মাদক নির্মূলে, মাদক সেবনকারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এই পরিচালিত অভিযান, উপজেলার প্রতিটি মহল্লায় ব্যাপক সারা যুগিয়েছে। একইসাথে জনমনে পুলিশের প্রতি বিশ্বস্ততা সহ আস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে।
    এ বিষয়ে কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মাকদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • চন্দ্রঘোনায় ভারী বর্ষণে ৬১ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের  মাঝে জেলা পরিষদের চাল বিতরণ

    চন্দ্রঘোনায় ভারী বর্ষণে ৬১ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের  মাঝে জেলা পরিষদের চাল বিতরণ

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    সম্প্রতি অতি বৃষ্টিও ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষকে  রাঙামাটি জেলা পরিষদের উদ্যোগে কাপ্তাই  চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাঙামাটি জেলা পরিষদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য থেকে চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে  রাঙামাটি জেলা পরিষদের  সদস্য ক্যাসিং মং মারমার নেতৃত্বে ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬১টি পরিবারের প্রত্যেককে ২০ কেজি করে চাল এবং অন্যান্য উপকারভোগীদের মধ্যে ১০ কেজি হারে চাল বিতরণ করা হয়।

    জেলা পরিষদ সদস্য ক্যাসিং মং জানান, রাঙামাটি জেলা পরিষদের জন্য বরাদ্দকৃত ৪০ মেট্রিক টন চালের অংশ হিসেবে চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে মোট ৮ হাজার ৫০০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন মামুন, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহিম হাবিব মিলুসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপকারভোগীরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • সাংবাদিকদের নিবন্ধন নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে; পটিয়ায় বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি

    সাংবাদিকদের নিবন্ধন নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে; পটিয়ায় বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি

    পটিয়া প্রতিনিধি।

    পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। তালিকাটি যেন করা না হয় সেজন্য একটি চক্র তালিকা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য চালাচ্ছে। তালিকা প্রণয়ন করা হলে সাংবাদিকদের অধিকার খর্ব হতে পারে এমন দোহাই দিয়ে কাজটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর। এমনটি করা হলে সাংবাদিকদের জন্য সুখকর হবেনা। তিনি অবিলম্বে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রকাশের দাবি জানান।

    তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া ক্লাবে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার আয়োজনে সভা ও পত্রিকা হকার এবং বন্যাদূর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

    পটিয়া উপজেলা বিএমএসএফ এর সভাপতি এসএমএকে জাহাঙ্গীর এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এসএম জুয়েল এর সঞ্চালনায় এতে উদ্বোধক ছিলেন দক্ষিণ জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি এবং পটিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আবদুল হাকিম রানা।

    সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মোস্তাক আহমেদ খান, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।

    সভায় বক্তব্য রাখেন ফারুকুর রহমান বিনজু, সৈয়দ শিবলী সাদিক কফিল, ওমর ফারুক, আবুল হোসাইন, নুরুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, আকতার হোসাইন, এস এম পারভেজ ও মকসুদুল আলম।