Category: জাতীয়

  • বাবুল কান্তি দে ও কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সম্মাননা

    বাবুল কান্তি দে ও কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সম্মাননা

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    চট্টগ্রামের নন্দিত সাংস্কৃতিক সংগঠন  লয়কারী সঙ্গীত বিদ্যালয়ের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার  সন্ধ্যায়  চট্টগ্রাম থিয়েটার ইন্সটিটিউট এ অনুষ্ঠিত হলো পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গুণীজন সম্মাননা।

    মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন বিশিষ্ট গীটার শিল্পী বেতার ও টিভি শিল্পী বাবুল কান্তি দে ও টিভি ও বেতার শিল্পী কাপ্তাই প্রেসক্লাব ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি কাপ্তাইয়ের  সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত। এসময় সংগঠনটির   প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বেতার ও টিভি শিল্পী শিবু চৌধুরী, পরিচালক মুন্নী চক্রবর্ত্তী এবং বিশিষ্ট বংশী শিল্পী রনধীর দাশ উপস্থিত ছিলেন।

    আবৃত্তিকার ও সংগীত শিল্পী সায়ন্তী ভট্টাচার্য্য এর চমৎকার সঞ্চালনায় এরপর আভোগী কানাড়া রাগে একক বাঁশি পরিবেশন করেন বেতার ও টিভি শিল্পী রনধীর দাশ।  শিল্পীর সাথে যথাযথ  তবলা সঙ্গত করেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী অর্পা চৌধুরী।

    এরপর বিশিষ্ট গীটার শিল্পী বেতার ও টিভি শিল্পী বাবুল কান্তি দে ও টিভি ও বেতার শিল্পী কাপ্তাই প্রেসক্লাব ও উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি কাপ্তাইয়ের  সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তকে সঙ্গীতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য লয়কারী সংগীত বিদ্যালয়ের পক্ষ হতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বেতার ও টিভি শিল্পী শিবু চৌধুরী।

    এসময় সংবর্ধিত ব্যক্তিরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, যেকোন সম্মাননা একজন শিল্পীকে নতুন করে কাজ করতে অনুপ্রেরণা যোগায়। তাঁরা সংগঠনের এই কার্যক্রমের ভুয়সী প্রশংসা করেন।

    সম্মাননা পর্ব শেষে শিবু চৌধুরীর পরিচালনায় এক ঝাঁক ক্ষুদে তবলা শিল্পী ত্রিতালে তবলার সমবেত লহড়া পরিবেশন করেন। ত্রিতালে সেলামী দিয়ে তাদের পরিবেশনা শুরু হয়। এরপর একে একে তারা কায়দা বিস্তার, টুকরা, পরণ ও চক্রদার পরিবেশন করে দর্শকের তুমুল করতালিতে সিক্ত হন। নান্দনিক এই অনুষ্ঠানে তবলা শিল্পী  নিলম বিশ্বাসের একক তবলা কভার দর্শকদের অনাবিল আনন্দ প্রদান করেন।

    এছাড়া  শিল্পী পুনম চৌধুরীর কন্ঠে একক গান, নৃত্য প্রশিক্ষক  সুচনা বনিকের পরিচালনায়  “মাধুরী নৃত্যকলা একাডেমি” নৃত্য শিল্পীদের সমবেত নৃত্য পরিবেশনা, অর্পা চৌধুরী ও অর্কি চৌধুরীর দ্বৈত তবলা কাভার,  ছোটদের দ্বৈত সংগীত, ছোটদের তবলা কভার অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করে।

  • কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনামূলক র‍্যালি

    কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু সচেতনামূলক র‍্যালি

    কাপ্তাই ( রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

    রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসন এবং চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের সার্বিক সহযোগিতায়  ডেঙ্গু সচেতনা মূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    “রাখিব চারপাশ পরিষ্কার, করিব ডেঙ্গু প্রতিকার,এই প্রতিপাদ্যে শনিবার সকাল ১০টায়  র‍্যালিটি হাসপাতাল চত্বর হতে শুরু হয়ে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে শেষ হয়।

    এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রুইহলা অং মারমা,কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দপ্তরের  প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরুণ কান্তি চাকমা, চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম  প্রোগাম ম্যানেজার  বিজয় মারমাসহ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার, স্টাফ এবং এনজিও কর্মীরা র‍্যালিতে অংশ নেন।

  • রাজশাহী বিভাগে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন

    রাজশাহী বিভাগে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন

    রিপোর্টার শাফায়েত হোসেন।

    জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৫-এ রাজশাহী বিভাগে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক মনোনীত হয়েছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন। প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় তাকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বাছাই কমিটি রাজশাহী বিভাগের সভাপতি বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ ও সদস্য সচিব প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক নূর আখতার জান্নাতুল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
    আসমা শাহীন শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হওয়ায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তার সহকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান। এই অর্জন তিনি নাটোর জেলার জনসাধারণের জন্য উৎসর্গ করেছেন।
    জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন বলেন, ‘জেলার সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতার জন্য এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
    বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য আসমা শাহীন ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর নাটোরের জেলা প্রশাসক হিসেবে নাটোরে যোগদান করে জেলার বিভিন্ন উন্নয়নে অবদান রাখেন।

    জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন নাটোরের সর্বস্তরের প্রশাসন কর্মকতা থেকে শুরু করে সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

  • এলএলপি পাম্পে বদলে যাচ্ছে শাহজাদপুরের চরাঞ্চলের কৃষকের জীবন

    এলএলপি পাম্পে বদলে যাচ্ছে শাহজাদপুরের চরাঞ্চলের কৃষকের জীবন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ)।

    যমুনা নদী তীরবর্তী শাহজাদপুরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে একসময় সেচের পানির অভাবে বছরের পর বছর অনাবাদি পড়ে থাকত বহু জমি। পানির সংকটের কারণে কৃষকদের সীমিত পরিসরে চাষাবাদ করতে হতো, ফলে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনও অর্জন করা সম্ভব ছিল না। তবে আধুনিক সেচ প্রযুক্তি লো-লিফট পাম্প (এলএলপি) ব্যবহারের ফলে সেই চিত্র এখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। নদী থেকে সহজে পানি উত্তোলনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় চরাঞ্চলের কৃষকরা সারা বছর বিভিন্ন ফসল আবাদ করতে পারছেন। এতে কৃষি উৎপাদন যেমন বেড়েছে, তেমনি কৃষকদের জীবন-জীবিকায়ও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।
    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় চলতি বছরে শাহজাদপুর উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে ১১টি এলএলপি পাম্প বিতরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের পাশাপাশি কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত ও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।
    কৃষি বিভাগ জানায়, এর আগে বোরো ধান, ভুট্টা, সরিষা, চীনাবাদাম ও বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে সেচের জন্য কৃষকদের নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। পর্যাপ্ত পানির অভাবে অনেক জমি বছরের দীর্ঘ সময় অনাবাদি পড়ে থাকত। বর্তমানে এলএলপি পাম্পের মাধ্যমে নদী থেকে স্বল্প খরচে দ্রুত পানি উত্তোলন করে জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি ফসলের ফলনও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
    উপজেলার খুকনী ইউনিয়নের আরকান্দি চরের কৃষক বোরহান উদ্দিন বলেন, “আগে সেচের অভাবে বছরে একটি ফসলের বেশি আবাদ করা সম্ভব হতো না। এখন কৃষি অফিস থেকে পাওয়া এলএলপি পাম্পের মাধ্যমে সহজেই জমিতে সেচ দিতে পারছি। এ বছর চীনাবাদাম ক্ষেতে নিয়মিত সেচ দেওয়ার ফলে ফলন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আগে প্রতি হেক্টরে যেখানে এক টনের মতো উৎপাদন হতো, এবার সেখানে প্রায় দুই টন চীনাবাদাম পেয়েছি। এতে আয় বেড়েছে, সংসারের অবস্থাও আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে।”
    কৃষকদের এমন অভিজ্ঞতা চরাঞ্চলে আধুনিক সেচ প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাবের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। সেচ সুবিধা বাড়ার ফলে এখন অনেক কৃষক একাধিক মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের ফসল আবাদ করছেন, যা কৃষি উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “শাহজাদপুর একটি চরবেষ্টিত উপজেলা হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে সেচ সংকট এখানকার কৃষির অন্যতম প্রধান সমস্যা ছিল। বর্তমানে ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় কৃষকরা বিভিন্ন আধুনিক কৃষি সেবা পাচ্ছেন। এলএলপি পাম্প তার মধ্যে অন্যতম। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন এবং চরাঞ্চলে ফসলের নিবিড়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।”
    তিনি আরও বলেন, “আধুনিক সেচ প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বিস্তৃত করা গেলে চরাঞ্চলের কৃষিতে নতুন বিপ্লব ঘটবে। উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে সামগ্রিক গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।”
    স্থানীয়দের মতে, এলএলপি পাম্প শুধু সেচ সুবিধা নিশ্চিত করেনি, বরং চরাঞ্চলের কৃষকদের স্বাবলম্বী হওয়ার নতুন পথও তৈরি করেছে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক পরিবারে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। একসময় যে কৃষকরা সেচ সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকতেন, আজ তাদের মুখে ফুটেছে স্বস্তি ও আশার হাসি।
    কৃষি সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আধুনিক সেচ প্রযুক্তির এ সফল উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকলে শাহজাদপুরের চরাঞ্চল অদূর ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম উৎপাদনশীল কৃষি অঞ্চলে পরিণত হতে পারে। একই সঙ্গে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার

  • কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে বিষধর শঙ্খিনী সাপ অবমুক্ত 

    কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে বিষধর শঙ্খিনী সাপ অবমুক্ত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি:

    ৪ জুন বৃহস্পতিবার রাঙামাটির কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানের রামপাহাড় বিটে একটি বিষধর শঙ্খিনী সাপ অবমুক্ত করা হয়েছে।

    কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান জানান, বুধবার  রাতে কাপ্তাই উপজেলার কেপিএম কলাবাগান এলাকা হতে বণ্যপ্রাণী সাপ উদ্ধারকারী দলের কাপ্তাই প্রতিনিধি ইমরান হোসেন ইমন বিষধর শঙ্খিনী সাপটি  উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করে।

    পরে  পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা( ডিএফও) এস এম সাজ্জাদ হোসেন এর নির্দেশনায় সাপটিকে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানের রাম পাহাড় বিটে অবমুক্ত করা হয়।

    এসময়  রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা  মেহরাজ উদ্দিন আহমেদ,  রামপাহাড় বিট কর্মকর্তা মিঠু তালুকদার, কাপ্তাই বণ্যপ্রাণী সাপ উদ্ধারকারী দলের কাপ্তাই প্রতিনিধি ইমরান হোসেন ইমনসহ বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কাপ্তাই উপজেলা  বণ্যপ্রাণী সাপ উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    কাউখালী প্রতিনিধি।
     পিরোজপুরের কাউখালীতে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
    বুধবার (৩ জুন) রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃত আসামি জাকির হোসেন (৪৬) উপজেলা শংকরপুর গ্রামের মৃত বারেক তালুকদারের ছেলে।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাউখালী থানার একটি বিশেষ টিম মাদক উদ্ধারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা রাতে শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালায়।
    এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীর জাকির পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করে । পরে তার হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তল্লাশি করে বিশেষভাবে মোড়ানো অবস্থায় ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে।
    কাউখালী থানার ওসি মোঃ এবাদ আলী জানান, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে নিজ এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন।
    এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    আসামিকে আজ বৃহস্পতিবার পিরোজপুরের কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
  • দোকান হতে উদ্ধার হওয়া অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত 

    দোকান হতে উদ্ধার হওয়া অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    কাপ্তাই নতুন বাজার মুদি দোকান হতে উদ্ধার হওয়া অজগর সাপ কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করা হয়েছে।

    বুধবার সকাল ১১টায় কাপ্তাই নতুন বাজার ব্যবসায়ী বিকাশে দোকান হতে সাপটি উদ্ধার করে বন বিভাগ।

    কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান জানান, দোকান ব্যবসায়ী তাঁর দোকানের ভিতর একটা আজগর সাপ দেখতে পেয়ে বন বিভাগকে সংবাদ দেয়।পরে বন বিভাগের লোকজন গিয়ে দোকান হতে উদ্ধার করা অজগর সাপটি বিকালে কাপ্তাই ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করে।

    উদ্বার হওয়া অজগর সাপটি দৈর্ঘ্য পাঁচ ফুট ওজন প্রায় চার কেজি।

    সাফটি অবমুক্ত করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক  মোঃ জামাল উদ্দিন তালুকদার সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ আবু কাওসার,কাপ্তাই রেঞ্জ অফিসার, মামুনুর রহমান,কর্ণফুলী রেঞ্জ অফিসার আবু নাঈম,কাপ্তাই সদর বিট অফিসার, আব্দুল্লাহ আল নাঈম,ব্যাং ছড়ি বিট অফিসার, জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার প্রমূখ। এসময় বনকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন  ।

     

  • কাউখালী পরিসংখ্যান অফিসে জনবল সংকট

    কাউখালী পরিসংখ্যান অফিসে জনবল সংকট

    কাউখালী প্রতিনিধি।
     পিরোজপুর কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে দীর্ঘদিন ধরে চরম জনবল সংকটের কারণে দাপ্তরিক ও মাঠ পর্যায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অফিসের পাঁচটি পদের মধ্যে চারটিই শূন্য থাকায় বর্তমানে কার্যত একজন কর্মকর্তার ওপর ভরসা করেই চলছে সব কাজ। ফলে সরকারি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
    অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার, জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী এবং চেইনম্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ চারটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। বর্তমানে মোঃ আসাদুজ্জামান নামে একজন ‘পরিসংখ্যান তদন্তকারী’ কর্মকর্তা একাই পুরো অফিসের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। দাপ্তরিক কাজ থেকে শুরু করে অফিসের পরিচ্ছন্নতা সবই তাকে করতে হচ্ছে।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, অফিসে এসে প্রায়ই কাউকে পাওয়া যায় না। জরুরি তথ্য, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত পরিসংখ্যান বা বিভিন্ন জরিপের কাজে এসে অনেককেই খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। বেতকা এলাকার তাইজুল ইসলাম জানান, “একটি জরুরি কাগজের জন্য তিন দিন অফিসে গিয়েছি, কিন্তু তালা বন্ধ দেখে ফিরে আসতে হয়েছে। পরে শুনলাম একজন মাত্র লোক থাকায় তিনি বাইরে গেলে অফিস বন্ধ থাকে।” কুমিয়ান গ্রাম থেকে আসা লাইজু বেগম বলেন, সরকারি অফিসে এসে অফিসের লোক না পেলে ভোগান্তি বাড়ে।
    কাউখালীতে  দায়িত্বরত পরিসংখ্যান তদন্তকারী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “জনবল না থাকায় স্বাভাবিক কাজ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। কাউখালীর উপজেলার কাজের পাশাপাশি আমাকে জেলা ও অন্য উপজেলার বিভিন্ন জরিপ ও শুমারি কাজেও অংশ নিতে হয়। আমি একা যখন ফিল্ডে যাই, তখন অফিস বন্ধ রাখা ছাড়া উপায় থাকে না।
    এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “পরিসংখ্যান অফিসের এই জনবল সংকটের বিষয়টি আমরা জানি। জেলা সমন্বয় সভায় এটি তোলা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
  • পার্বত্য মন্ত্রীকে পূঃর্ণবহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন 

    পার্বত্য মন্ত্রীকে পূঃর্ণবহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন 

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ২৯৯ রাঙামাটি আসনের  নির্বাচিত সাংসদ এ্যাড. দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রীপদ হতে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার প্রতিবাদে কাপ্তাই উপজেলায় মানববন্ধন করেছে সর্বস্তরের জনসাধারণ।

    বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলা সদর বড়ইছড়ি কাপ্তাই -চট্টগ্রাম সড়কে কাপ্তাইয়ের সর্বস্তরের জনসাধারণ ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।  মানববন্ধনে আগত বক্তারা বলেন পার্বত্য মন্ত্রীকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। প্রিয় মন্ত্রী এ্যাডঃ দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগ   প্রত্যাহার পূর্বক স্বপদে বহালের দাবী জানান।

    কাপ্তাই উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সঞ্চলনায় মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইকরাম হোসেন বেলাল, জেলা বিএনপি সদস্য অজিত কার্বারী,  রাঙামাটি জেলা শ্রমিক দল সম্পাদক কবিরুল ইসলাম কবির, উপজেলা মহিলা নেত্রী নুর নাহার বেগম, কাপ্তাই উপজেলা শ্রমিকদল সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান ডালিম, কর্ণফুলী কলেজ ছাত্রদল সাবেক আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন অপু, উপজেলা  কৃষকদল সভাপতি নুরুল হক বাচা, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে আরও বক্তব্য রাখেন কেপিএম শ্রমিক নেতা মোঃ আনিসুর রহমান, সামসুজ্জাান চৌধুরী রকি,  ওয়াগ্গা বিএনপি সাবেক সভাপিত মোঃ একরাম মেম্বার, নাসির উদ্দীন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপি সদস্য মোঃ মাসুদ, মোঃ বিসমিল্লাহ,মোঃ মফিজুর রহমান, ইকবাল হোসেন জুয়েল,রাশেদুল ইসলাম সুজন,সাবেক ছাত্র নেতা ওসমান গনি তনু প্রমুখ।

    এসময়  বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল. মহিলাদল সহ সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন।

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও কাপ্তাইয়ের বিনোদন কেন্দ্রে উপচেপড়া ভীড়

    ঈদের তৃতীয় দিনেও কাপ্তাইয়ের বিনোদন কেন্দ্রে উপচেপড়া ভীড়

    কাপ্তাই প্রতিনিধি। 

    ঈদের তৃতীয় দিনেও  রাঙামাটির  কাপ্তাইয়ের বিনোদন স্পটগুলোতে শত শত পর্যটকের আগমন ঘটেছে ।

    বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা হতে  বিনোদন প্রেমীদের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায় । কেউ কাপ্তাই লেক এবং কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ভ্রমন করছেন, আবার শিশুরা  শিশু পার্কে আনন্দে ঈদের খুশি উপভোগ করছেন।

    কাপ্তাই ওয়াগ্গা প্যানোরোমা জুঁম রেস্তোরাঁয় গিয়ে দেখা যায়, এখানে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটেছে। কর্ণফুলী নদীর কোল ঘেষেঁ অবস্থিত এই পর্যটন কেন্দ্রের সু- বিশাল জায়গা জুড়ে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন স্থাপনা আর শিশুদের জন্য রয়েছে শিশু পার্ক।

    কাপ্তাই শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউসে গিয়ে দেখা যায়, এখানে অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটেছে। কুমিল্লা  জেলার  নুরুল আলম এবং মিজানুর রহমান জানান , আমরা বন্ধুদের নিয়ে প্রথমবারের মতো কাপ্তাইয়ে বেড়াতে এসেছি। জায়গাটি খুবই সুন্দর, আমরা কাপ্তাইয়ের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়েছি। যদি কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলি নদীতে একটি ক্যাবেল কার বসানো হতো তাহলে আরো বেশি ভালো লাগতো।

    এসময় শিলছড়ি নিসর্গ রিভার ভ্যালি এন্ড পড হাউস এর ম্যানেজার  জাকির হোসেন বলেন,   এই  ঈদে টানা ছুটিতে  আমাদের বিনোদন কেন্দ্রে প্রচুর পর্যটক এসেছে। আমাদের সব  কটেজ  গুলো  বুকিং আছে।

    এদিকে কাপ্তাই শিলছড়ি ফ্লোটিং প্যারাডাইস এর পরিচালক মো: সোহেল বলেন, এবার ঈদে আমাদের রেস্টুরেন্টে পযাপ্ত পরিমাণ পর্যটক এসেছে।

    এদিকে কাপ্তাই নৌ বাহিনী শহীদ মোয়াজ্জেম ঘাঁটি পরিচালিত লেক প্যারাডাইস ও সেনাবাহিনী পরিচালিত জীবতলী লেকশোর,  লেকভিউ, রিভারভিউ, কাপ্তাই লেকের মাঝে অবস্থিত  রাইংখ্যং আইল্যান্ড,  শিলছড়ি পাহাড়িকা পিকনিক স্পট, চন্দ্রলোক ক্যাম্পিং সাইট, বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্র সহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য পর্যটক ঈদের ছুটি উপভোগ করতে এসেছেন পরিবার পরিজন ও বন্ধু বান্ধব নিয়ে ।

    কাপ্তাই থানার  ওসি  শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল   জানান, পর্যটন শহর কাপ্তাইয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিনিয়ত দায়িত্ব পালন করছেন।