Category: সারাদেশ
-

কাউখালীতে পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস না থাকায় ভোগান্তিতে গ্রাহকরা
কাউখালী প্রতিনিধি।পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের কোনো জোনাল অফিস না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় গ্রাহকরা। বিদ্যুৎ সংযোগ, বিল সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা লাইন সমস্যার সমাধানের জন্য গ্রাহকদের দূরবর্তী অফিসে যেতে হচ্ছে, ফলে সময় ও অর্থ—দুইয়েরই অপচয় হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজারো গ্রাহক বিদ্যুৎ সেবা পেলেও প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট কোনো জোনাল অফিস না থাকায় তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে পিরোজপুর জেলার হুলারহাট জোনাল অফিসের ওপর। এতে করে ছোটখাটো সমস্যার সমাধান করতেও দিন পার হয়ে যাচ্ছে।ভুক্তভোগী একাধিক গ্রাহক জানান, বিদ্যুৎ বিল সংশোধন, নতুন সংযোগ বা মিটার সংক্রান্ত যেকোনো কাজে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। অনেক সময় অফিসে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে ফিরে আসতে হয়। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে কাউখালী উপজেলায় একটি পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস স্থাপন করা হোক, যাতে তারা সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারে এবং ভোগান্তি থেকে মুক্তি পায়। -

কাপ্তাইয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু: অংশ নিচ্ছে ৩৩৫ জন পরীক্ষার্থী
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা সদর বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে। চলবে ২০এপ্রিল থেকে ২৬ পর্যন্ত।
শুক্রবার সকাল ১০ টায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। এবার কাপ্তাই উপজেলার ৬১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন বলে জানান ,কাপ্তাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম। তিনি আরোও বলেন, প্রথমদিন গনিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের সব জায়গায় গত ১৫ এপ্রিল হতে পরীক্ষা শুরু হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের কারনে ২ দিন পিছিয়ে আজ শুক্রবার হতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন্দ্রের বাহিরে অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে প্রথমদিন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন উপজেলা সদর বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।
এসময় কাপ্তাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী শিক্ষা অফিসার আঁখি তালুকদার, কেন্দ্র সচিব জগদীশ চন্দ্র দাশ, হল সুপার রতন চন্দ্র দাশ উপস্থিত ছিলেন।
-

শাহজাদপুরে ৫ বছরের শিশুকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ চাচাদের বিরুদ্ধে
আবু মোঃ মঈনউদ্দীন মিঠু
শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে মাহতাব হোসেন হৃদয় (৫) নামের এক শিশুকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন চাচাদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের মার্জান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হৃদয় ফারুক হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যরা জানান, একই গ্রামের মৃত হাতেমের ছেলে হামেদ আলী বাড়িতে টয়লেট নির্মাণের জন্য ফারুক হোসেনের গোয়ালঘরের পাশে মাটি ফেলছিলেন। এতে বাধা দিলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

এ সময় হামেদের পক্ষ নিয়ে তার ভাই পেশকার, আশকার, হাকিম ও মোক্তার লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ফারুক হোসেন সন্তানকে কোলে নিয়ে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হামেদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করলে তার কোলে থাকা শিশু হৃদয় মাটিতে পড়ে যায়।
ফারুক হোসেন পালাতে সক্ষম হলেও শিশুটি গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত হামেদ, পেশকার, আশকার, মোক্তার ও হাকিম বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়।
শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. নাজমুল কাদের জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। পরবর্তী সময়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
-

কাউখালীতে কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।
পিরোজপুরের কাউখালীতে “বাল্য বিবাহকে না বলি,সঞ্চয়ে ভবিষ্যৎ গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, উপজেলার দরিদ্র মহিলাদের জন্য সমন্বিত পল্লী কর্মসংস্থান সহায়তা প্রকল্প (ইরেসপো)-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের আওতায় কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণ সামগ্রী ও চেক বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ই এপ্রিল(বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২ ঘটিকার সময়,বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড(বিআরডিবি) কাউখালী শাখার আয়োজনে,উপজেলার কেউন্দিয়া শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ কর্মশালা বাস্তবায়ন করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মাসুম মিয়া,৩ নং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আহসান হাবিব মিলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিংসহ সামাজিক অবক্ষয় রোধে কিশোরীদের সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষার প্রতি মনোযোগী হয়ে নিজেদের দক্ষ করে তোলারও কোন বিকল্প নেই। শিক্ষাজীবন থেকেই সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুললে ভবিষ্যৎ নিরাপদ করা সম্ভব।
জানা যায় এ প্রকল্পের আওতায় একজন উপকারভোগী ২০০ টাকা সঞ্চয় করলে সরকার অতিরিক্ত ৪০০ টাকা প্রদান করছে, যা দরিদ্র নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করবে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কিশোরীরা জানান, এ ধরনের কর্মসূচি তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতন ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে ৮ জন শিক্ষার্থীকে চেক প্রদান ও ২৬ জন পরীক্ষার্থীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের মাঝে কলম,স্কেল ও ফাইল বিতরণও করা হয়।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ রকিব হোসেন। -

কাপ্তাই শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
রাঙামাটির কাপ্তাই শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা শিক্ষক উত্তম কুমার শিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ।
প্রধান অতিথি ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ দিলদার হোসেন , কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হাসান, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ ইউসুফ মিয়া,বিদ্যালয়ের শিক্ষক কাউছার মিয়া,ফেরদৌসী আক্তারসহ প্রমুখ।
প্রধান অতিথি ইউএনও বলেন,নির্ভয়ে পরীক্ষা দিবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। স্কুল শিক্ষকগন তোমাদের যে ভাবে পড়ালেখা করিয়েছে তোমরা সেভাবেই পরীক্ষা দিবে।
পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা স্কুলের প্রধান শিক্ষককে সম্মাননা স্বরূপ পুরস্কার তুলে দেন।পরে দোয়া ও মুনাজাত করেন অত্র বিদ্যালয়ের হেড মাওলানা মুহাম্মদ আমির হোছাইন।
এসময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্যএবারের অত্র বিদ্যালয় হতে মোট ৩৮জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা অংশগ্রহণ করবে।একই দিনে কাপ্তাই উপজেলার প্রতিটি মাধ্যমিক স্কুল ও মাদরাসার এস,এস,সি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়।
-

কাউখালীতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন
মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা সদরের দাসেরকাঠী গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ দরগাবাড়ি খালের পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৫ই এপ্রিল(বুধবার) বিকাল ৫ঃ৩০ ঘটিকার সময়,
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন।
জানা যায়,পুনঃখননকৃত খালটি মেম্বার আলী শেখের বাড়ি থেকে মোতাচ্ছের মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত,যা দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যার কারণে স্থানীয়দের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই জলাবদ্ধতা নিরসনে এবং কৃষি ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনায় খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক অধ্যক্ষ আলোমগীর হোসেন এবং কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম কিসমত,উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম আহসান কবীর,সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
তারা বলেন, খাল পুনঃখননের ফলে বর্ষা মৌসুমে জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে,ফলে জলাবদ্ধতা হ্রাস পাবে এবং কৃষি জমিতে চাষাবাদে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এর পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান অতিথি আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার দেশব্যাপী টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তিনি সংশ্লিষ্টদের কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন,সরকারের এসব উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান ।
উপস্থিত জনতা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন,এ ধরনের উদ্যোগ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আশ্বাসও প্রদান করেন।
তারা আরও জানান,খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে এলাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। -

কাপ্তাইয়ের চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে জল উৎসবে পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
কাপ্তাই প্রতিনিধি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো কেবল আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, বরং এগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তিনি বলেন, সাংগ্রাই হলো মারমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। এই উৎসবকে ঘিরে এখানে সকল ধর্ম বর্ণ জাতি গোষ্ঠীর মিলন ঘটেছে। এদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। সকলে মিলে মিশে সকল জাতিসত্তার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।তাকে রাঙামাটি তথা কাপ্তাই উপজেলা বাসি বিপুল ভোটে বিজয়ী করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
তিনি বুধবার সকাল দশটায় রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চিংমরম বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গনে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা (জল উৎসব) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরো বলেছেন এবার পার্বত্যাঞ্চলে ১১টি জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসবগুলো পালন করেছে। স্ব স্ব সম্প্রদায় তাদের স্ব স্ব নামে এ উৎসব পালন করেছে।
এর ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে আমাদেরকে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।
পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবগুলো আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক। এই সংস্কৃতির ধারাকে আরও শক্তিশালী করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
চিংমরম বৌদ্ধ বিহারে মাঠে অনুস্টিত সাংগ্রাঁই জল উৎসব যেন প্রাণের উৎসব, উৎসবে আনন্দে মাতোয়ারা হাজার দর্শক, পুরানো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে মারমা সম্প্রদায় পালন করে আসছেন মাহা: সাংগ্রাই রি লং পোয়ে বা সাংগ্রাই জল উৎসব। যুবক যুবতীরা একে অপরকে পানি ছিটানো মাধ্যমে সকল দু:খ গ্লানি বেদনাকে ধুয়ে মুছে দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।
নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি,ঐহিত্যকে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে সাংগ্রাঁই জল উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক উথোয়াই মং মারমার সভাপতিত্বে ও সানুচিং মারমা এবং সাচিং উ মারমার সঞ্চালনায় এসময় অন্যান্যের মধ্যে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সহ সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভুট্রো,সাইফুল ইসলাম পনির,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয় মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব রবীন্দ্র চাকমা, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, কাপ্তাই সার্কেল জাহেদুল ইসলাম, রাজস্থলী সার্কেল এএসপি নুরুল আমিন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ, সম্পাদক মোঃ ইয়াছিন মামুনসহ সরকারী বেসরকারি পদস্থ কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও হাজার হাজার লোকের সমাগম ঘটেছে।ভোর হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নাচ গান পরিবেশনার পাশাপাশি মাঠের একপাশে মারমা তরুন তরুনীরা জল খেলায় মেতে উঠেন। এছাড়া এদিন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ছাড়াও সাংগ্রাই মহা শোভাযাত্রা বের করা হয়।
সাংগ্রাই জল উৎসবে অংশ নিতে আসা মারমা সম্প্রদায়ের তরুণ তরুণীরা বলেন,আজ আমরা সাংগ্রাই উৎসবে এসেছি জল ছিটাতে। পুরাতন বর্ষকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করতে। এটা আমাদের প্রাণের উৎসব।
১৫ এপ্রিল মূল সাংগ্রাই জল উৎসব হলেও গত ১৩ এপ্রিল হতে বিহার প্রাঙ্গনে বসেছে বৈশাখী মেলা। ব্যবসায়ীরা নানা প্রকার পসরা নিয়ে এসেছেন চিংমরম বৌদ্ধ বিহার মাঠে। এছাড়া নববর্ষকে ঘিরে বিহারে দায়ক দায়িকারা বৌদ্ধ পুজা, বৌদ্ধ মূর্তিকে স্নান, বয়স্কদের স্নান করানো সহ নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করেছেন।
-

উৎসবমুখর পরিবেশে শাহজাদপুরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন
সবুজ হোসেন রাজা ,স্টাফ রিপোর্টার।
বিপুল উৎসাহ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম দিন ১লা বৈশাখ।
এ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সকালে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাসফিকা হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে শাহজাদপুরের ঐতিহাসিক রবীন্দ্র কাছারি বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যা নতুন বছরের আগমনে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়। -

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন
সবুজ হোসেন রাজা, স্টাফ রিপোর্টার।
১লা বৈশাখ ১৪৩৩ (১৪ এপ্রিল ২০২৬) সোমবার রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ৯:০০টায় বৈশাখী শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দিবসের আরম্ভ হয়। শোভাযাত্রাটি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ থেকে শুরু হয়ে শাহজাদপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-২ এ গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে বৈশাখী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হাসান তালুকদার। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩-এর শুভেচ্ছা জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩। এদিনটি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ আবহমান সংস্কৃতির অন্যতম স্তম্ভ, উদার মানবিক সংস্কৃতির উজ্জ্বলতম নিদর্শন। এদেশের জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় পহেলা বৈশাখ আমাদের উদ্বুদ্ধ করে আসছে। এটি আমাদের শক্তি যাকে অবলম্বন করে, ৭১ এবং ২৪-এর চেতনাকে লালন করে আগামীর সমৃদ্ধ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে।
ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় বলেন, পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩, নতুন বছর বয়ে আনুক গণমানুষের অধিকার, ন্যায় বিচার ও সমতার নতুন অঙ্গীকার। দেশের অগ্রগতি, শান্তি ও উন্নয়নের পথে শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ প্রতিষ্ঠায় আমরা সবাই একসাথে এগিয়ে যাবো এই হোক নববর্ষের প্রত্যাশা এবং আমাদের দৃর প্রত্যয়।
তিনি বলেন, নববর্ষ অতীতের সকল জরাজীর্ণতা, গ্লানি এবং অপসংস্কৃতিকে ঝেড়ে ফেলে আমাদের সবার জীবনে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। তিনি আবারও সবাইকে পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩-এর শুভেচ্ছা জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।
এছাড়াও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-২ এ বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় মেলার স্টল পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) জনাব নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, ছাত্রহল ও ছাত্রীহলের প্রভোস্ট এবং হাউজ টিউটরবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
পরবর্তীতে বিকাল ৩:৩০ মিনিটে ব্যান্ডদল কৃষ্ণপক্ষ-এর পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
-

শাহজাদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন
আবু সুফিয়ান নোমান, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি ।
বিপুল উৎসাহ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর প্রথম দিন ১লা বৈশাখ।
এ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সকালে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাসফিকা হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করে।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে শাহজাদপুরের ঐতিহাসিক রবীন্দ্র কাছারি বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যা নতুন বছরের আগমনে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়।