মোঃ মেহেদী হাসান,কাউখালী।
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা সদরের দাসেরকাঠী গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ দরগাবাড়ি খালের পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৫ই এপ্রিল(বুধবার) বিকাল ৫ঃ৩০ ঘটিকার সময়,
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন।
জানা যায়,পুনঃখননকৃত খালটি মেম্বার আলী শেখের বাড়ি থেকে মোতাচ্ছের মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত,যা দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যার কারণে স্থানীয়দের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই জলাবদ্ধতা নিরসনে এবং কৃষি ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনায় খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক অধ্যক্ষ আলোমগীর হোসেন এবং কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম কিসমত,উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম আহসান কবীর,সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
তারা বলেন, খাল পুনঃখননের ফলে বর্ষা মৌসুমে জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে,ফলে জলাবদ্ধতা হ্রাস পাবে এবং কৃষি জমিতে চাষাবাদে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এর পাশাপাশি স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান অতিথি আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার দেশব্যাপী টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তিনি সংশ্লিষ্টদের কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন,সরকারের এসব উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান ।
উপস্থিত জনতা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন,এ ধরনের উদ্যোগ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আশ্বাসও প্রদান করেন।
তারা আরও জানান,খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে এলাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।