Category: অপরাধ

  • আখাউড়ায় ইয়াবা,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজা, গ্রেফতার ২

    আখাউড়ায় ইয়াবা,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজা, গ্রেফতার ২

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আখাউড়ায় পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের এসব অভিযানে গ্রেফতার হয় ২ জন।

    আশুগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, শনিবার, ১৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আশুগঞ্জের খড়িয়ালা বাসস্ট্যান্ডে একটি পিকআপভ্যানে অভিযান চালিয়ে ১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় কসবা উপজেলার আড়াইবাড়ির মো. সুমন মিয়া (২৮) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    এদিকে শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে আখাউড়া পৌর এলাকার দেবগ্রামে অভিযান চালিয়ে ২০ পিস ইয়াবাসহ মামুন চৌধুরী (৩৪) নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামুন চৌধুরীর টয়লেটের উপর থেকে এসব ইয়াবা উদ্ধার করেন পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ফেনীর পরশুরামে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের হামলায় এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্যা আহত

    ফেনীর পরশুরামে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের হামলায় এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্যা আহত

    আবুল হাসনাত তুহিন:-

    ফেনীর পরশুরামে স্থানীয় এক নারীকে উত্ত্যক্ত ও মারধর করার অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে আসামিদের হামলায় এক উপ পরিদর্শক (এসআই)সহ তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
    স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

    উপজেলা পৌর এলাকার দক্ষিণ কোলাপাড়া গ্রামের গুনাগাজি বাড়িতে শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ জানায়, জৈনেক শেফালী আক্তারকে উত্ত্যক্ত ও মারধর করায় কোলাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ফারুক হোসেনের দুই ছেলে ফয়সাল ও রাজিবের বিরুদ্ধে পরশুরাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। হামলাকারী দুজনে উপজেলা যুবদলের সদস্য বলে জানা যায়।

    পরশুরাম থানার এসআই মুন্না শুক্রবার সকালে দুই কনস্টেবলকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আবার উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ দুই পক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে দেন। এসময় ফারুক হোসেন ও তার দুই ছেলে ফয়সাল ও রাজিব ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় পরশুরাম থানার এসআই মুন্না কনস্টেবল রুহুল আমিন এবং নাজমুল আহত হন।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেজাউল করিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষের ঘটনা শুনে মীমাংসার চেষ্টা করেন এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারো উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ মীমাংসা করে দেন এ সময় এক পক্ষ পুলিশের উপর অতর্কিতভাবে হামলা করে।
    পরশুরাম থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মুন্না বলেন, “শেফালী আক্তারকে উত্তক্ত করায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের তদন্ত চলাকালীন সময়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আবার উত্তেজনা দেখা যায় ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শেষে উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে দিয়ে চলে আসার সময় ফারুক হোসেন ও তার দুই ছেলে রাজিব ও ইমাম হোসেন ফয়সাল ধারালো অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা করে এতে আমি সহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে”।

    পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নুরুল হাকিম বলেন শেফালী আক্তার নামে এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারো উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে আসার সময় ফারুক ও তার ছেলেদের হামলায় পুলিশের এসআই সহ ২ কনস্টেবল গুরুতর আহত হয়েছে। স্থানীয়রা পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে প্রশ্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। হামলাকারিদের গ্রেফতারের পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

  • আখাউড়ায় ৩৫ বোতল স্কাফ সিরাপ সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    আখাউড়ায় ৩৫ বোতল স্কাফ সিরাপ সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানকালে এস.আই(নিরস্ত্র) মোঃ এমরান হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স সহ আখাউড়া থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করা কালীন সময়ে -১৩/১১/২০২৫ ইং তারিখ, বিকাল ৫টা.৫০ ঘটিকার সময় আখাউড়া থানাধীন আখাউড়া পৌরসভাস্থ, খড়মপুর বাইপাস চৌরাস্তার মোড় সংলগ্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া টু আখাউড়া চেকপোষ্ট গামী পাকা রাস্তার উপর হইতে ৩৫ বোতল স্কাফ সিরাপ সহ মোঃ সুমন মিয়া(৪০), পিতা-মৃত সিরাজ মিয়া, মাতা-সুরাইয়া বেগম, সাং-হীরাপুর, ৫নং ওয়ার্ড, থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

    তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। উপরোক্ত মাদক নামক স্কাফ সিরাপ জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করে, আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

  • কাপ্তাইয়ে বন মামলার আসামী ভাঙা সোহেল গ্রেপ্তার  

    কাপ্তাইয়ে বন মামলার আসামী ভাঙা সোহেল গ্রেপ্তার  

    কাপ্তাই প্রতিনিধি।

    রাঙামাটির কাপ্তাই থানা পুলিশের  অভিযানে বন মামলার আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) আসামি  সোহেল পাটোয়ারী প্রকাশ ভাঙা সোহেলকে(৩২) রাঙামাটি আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তার আসামি ১নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন এর ৭ নং ওয়ার্ডের কোব্বাতের ঘোনার  মোহাম্মদ আলী পাটোয়ারীর ছেলে।

    কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কায় কিসলু (ওসি)জানান,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসআই আবদুর রব চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নস্থ সিনেমা হল এলাকাথেকে ভাঙা সোহেলকে গ্রেপ্তার করে।

    ভাঙা সোহেল  কেপিএম এর  নিজস্ব  বন থেকে গাছ  কাটার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে কাপ্তাই থানায় আরোও ৫ টি মামলা রয়েছে বলে ওসি জানান।

    উল্লেখ্য, সোহেল পাটোয়ারীর অত্যাচারে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে সম্প্রতি মানববন্ধন করেছে।

  • কাউখালীতে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আর.এস.ডি.এম দাখিল মাদ্রাসার সুপার এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ

    কাউখালীতে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আর.এস.ডি.এম দাখিল মাদ্রাসার সুপার এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ

    কাউখালী প্রতিনিধি।

    পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের আর.এস.ডি.এম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানার দেলোয়ার হোসাইন এর বিরুদ্ধে নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিভিন্ন অনিয়ম ও উৎকোচের অভিযোগ উঠেছে।

    এলাকাবাসী ও আবেদনকারীদের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে আগামী ১৫ নভেম্বর ঐ মাদ্রাসায় ৪র্থ শ্রেনীর ৪টি পদে নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষায় প্রবেশপত্র পাওয়া আবেদনকারী কামরুল ইসলাম, মিরাজ সরদার, দাতা সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রুস্তুম আলী সরদার, অভিভাবক সহ এলাবাসী অভিযোগ করেন যে, উক্ত মাদ্রাসার সুপার দেলোয়ার হোসাইন এর উপস্থিতিতে নিয়োগ পরীক্ষা ও ভাইবা অনুষ্ঠিত হইলে পরীক্ষা সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছতা থাকবে না। অভিযোগকারী প্রার্থী কামরুল বলেন নিয়োগ দিবে মর্মে আমার নিকট টাকা দাবী করে। অভিযোগকারীরা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রুস্তুম আলী সরদার বলেন, মাদ্রাসায় বসে পরীক্ষা হলে অনিয়ম হবে। আমাদের দাবী নিয়োগ পরীক্ষাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হইলে নিয়োগ সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ হবে।

    অভিযোগকারী মিরাজ বলেন, মাদ্রাসার সুপার মাদ্রাসার পরিত্যাক্ত কক্ষের মালামালসহ মাদ্রাসার গাছ বিক্রি করেছেন। এর পূর্বে নিয়োগেও স্বচ্ছতা ছিলনা।

    মাদ্রাসার সুপার মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন বলেন, নিয়োগের ব্যাপারে আমি কোন প্রার্থীর নিকট থেকে আর্থিক লেনদেন করি নাই। নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আশুগঞ্জ ১২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা সহ ইমরান ও ইউসুফ গ্রেফতার

    আশুগঞ্জ ১২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা সহ ইমরান ও ইউসুফ গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮/১১/২০২৫ ইং সকাল ০৮:৫০ ঘটিকা সময় আশুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম থানা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা টু সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ গোলচত্বরে চেকপোস্ট করা কালে ০১টি পিকআপ আটক করে। এ সময় পিকআপটি তল্লাশী করে ১২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয় এবং উদ্ধারকৃত মালামাল উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    আসামি ১। মোঃ ইমরান হোসেন প্রকাশ ইমন (২২)
    পিতা- মোঃ শাহা আলী, মাতা মোসাঃ ইসমতারা
    গ্রাম-গড় গোবিন্দপুর। ২। মোঃ ইউসুফ (২০)
    পিতা- মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাতা- ফাহিমা বেগম
    গ্রাম- গড় গোবিন্দপুর উভয় থানা- সখিপুর
    জেলা- টাঙ্গাইল।

    আসামিদের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করে আসামিদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ফেনীতে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা, প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    ফেনীতে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা, প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    আবুল হাসনাত তুহিন ,ফেনী:-

    বৈষম্য বিরোধী মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার নামে “ওসি ডিবি ফেনী” হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে প্রতারণা।প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, ৯টি মোবাইল সেটসহ ৮১ টি মোবাইল সিম উদ্ধার।

    মর্ম সিংহ ত্রিপুরা, পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র), অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডি বি), ফেনী জেলা গত ১১/১০/২০২৫ তারিখে স্থানীয় গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারেন যে মোবাইল সিম নং- ০১৭২৭****** ব্যবহার কারী অজ্ঞাত নামা আসামি ও আসামিদের, কয়েকদিন আগে হতে ফেনী ডিবি বা ওসি ডিবি পরিচয় দিয়ে অথবা ওসি ডিবির নাম “মর্ম সিংহ ত্রিপুরা” পরিচয়ে অজ্ঞাত নামা আসামিরা বিভিন্ন জনের সাথে প্রতারণা করে আসছে। পরবর্তীতে তিনি মোবাইল স্ক্রীন শর্টের ছবি পান যে, অজ্ঞাত নামা আসামী বা আসামীরা মোবাইল সিম নং-০১৭২৭****** টির মাধ্যমে Profile Picture এ বর্তমানে ও সি ডিবি হিসাবে কর্মরত মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এর পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় চেয়ারে বসা হাফ ছবি এবং Cover Picture এ পুলিশের উর্ধতন অফিসারের সরকারী গাড়ীর ছবি আপলোড করে “ওসি ডিবি ফেনী” নামে হোয়াটস একাউন্ট খুলেছে। সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী না হয়েও অজ্ঞাত নামা আসামি বা আসামিরা প্রতারণার উদ্দেশ্যে মোবাইল ডিভাইসে মোবাইল সিম দ্বারা হোয়াটস এপ একাউন্ট খুলে পুলিশের পোষাক পরিহিত ছবি ব্যবহার/ আপলোড করে এবং পুলিশের গাড়ীর ছবি ব্যবহার/ আপলোড করে পুলিশ তথা সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসাবে মিথ্যা পরিচয় দেয়। প্রাথমিক অনুসন্ধান, ঘটনার সহিত জড়িত আসামিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পর ফেনী জেলার ওসি ডিবি মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে ফেনী মডেল থানার মামলা নং ৬। তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ হন ডিবির এস আই তানিম।
    ফেনী জেলার পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এর সার্বক্ষণিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র অফিসার ইন চার্জ জনাব মর্ম সিংহ ত্রিপুরা এর প্রত্যক্ষ তদারকীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ ডিবি টিম অভিযানে নামে। অভিযান পরিচালনা করে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন,১। মোঃ জয়নাল (৪০), পিতা-আবু বকর, গ্রাম- ঘর দুয়ারা, থানা-রাউজান, জেলা-চট্টগ্রাম।২। মোঃ ইমরান (২৬), পিতা-মৃত ইসমাইল চৌধুরী, মাতা-রোশনারা বেগম, সাং-চৌধুরী বাড়ি, ঢেমশা দক্ষিণ ওমর পালা, ইউনিয়ন-নলুয়া, থানা-সাতকানিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম এর নিকট হতে ৪ টি মোবাইল সেট সহ ৩। আরিফুল ইসলাম আরমান (১৮), পিতা মোঃ আলাউদ্দিন, মাতা মোছেনা আক্তার লিপি, সাং- মিয়াজী বাড়ি, দক্ষিণ আবুপুর, ইউনিয়ন-শর্শদি, থানা-ফেনী সদর, জেলা-ফেনী। প্রাথমিক ভাবে উক্ত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করে। তাদের মোবাইল ফোন যাচাই করে এবং তাদের স্বীকারোক্তি মতে ৪। মাহাবুবুর রহমান (৫৬), পিতা-মৃত মোঃ হোসেন, গ্রাম- বিবিরহাট, সোহেল ম্যানশন, মুরাদপুর, থানা-পাঁচলাইশ, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নিকট হতে ০১ টি মোবাইল সেটসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের হেফাজত হতে ৮১টি সীম ও ৯টি মোবাইল পাওয়া যায়।

    মর্ম সিংহ ত্রিপুরা ওসি ডিবি ফেনী জানান,তাদের মোবাইল ফোন যাচাই করে এবং প্রাথমিক তদন্তকালে জানা যায় আসামি মাহবুবুর রহমান সহ আসামিরা প্রতারিত করার ভিকটিম এর নাম্বার সংগ্রহ করে। নিজেরা বিভিন্ন সিম ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন সরকারী অফিসারের নাম, ছবি বা লোগো আপলোড করে হোয়াটস এপ একাউন্ট তৈরী করে চাকুরী দেবার, মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার ইত্যাদি নাম করে ভিকটিমদের ফোন দিয়ে ও মেসেজের মাধ্যমে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়।

    জব্দ কৃত মোবাইলে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। ফেনী ওসি ডিবির নাম করে বৈষম্য বিরোধী মামলা হতে অব্যাহতি দেয়ার নাম করে কথোপকথনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। জব্দকৃত মোবাইলে পুলিশ অফিসারদের ডাউনলোড করা ছবি, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নামের তালিকা সহ মোবাইল নাম্বার পাওয়া যায়। এছাড়াও তারা সরকারী নিয়োগ ও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে কার্য উদ্দরের কথা বলে গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ করে প্রতারণা করে থাকে বলে জানা যায়।

    আসামিদের নামে পূর্বেও এমন প্রতারণা করার মামলা আছে। আসামিরা একটা বিশাল প্রতারক চক্র গড়ে তুলেছে মর্মে জানা যাচ্ছে। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। আসামীদের’কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • বিলাসপুরে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে আতঙ্ক, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

    বিলাসপুরে ফের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষে আতঙ্ক, দুই পক্ষের উত্তেজনা চরমে

    শাহাজাদী সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

    রবিবার (২ নভেম্বর) ভোরে ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারিকান্দি এলাকায় টানা বিস্ফোরণে পুরো অঞ্চল কেঁপে ওঠে, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি ককটেলের বিস্ফোরণ শোনা গেছে।

    সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায় এবং সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিলাসপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য নিয়ে কুদ্দুস বেপারী ও আবদুল জলিল মাদবর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। চলতি বছরের ৫ এপ্রিলও এলাকায় একই ধরনের ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার পর বিস্ফোরক আইনে মামলা হলে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন কারাগারে যান। সম্প্রতি কুদ্দুস জামিনে বের হলেও জলিল এখনও কারাগারে রয়েছেন।

    সম্প্রতি আবারও উত্তেজনা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন বেপারী (কুদ্দুস সমর্থক) ও তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল (জলিল সমর্থক) দুই পক্ষের সমর্থকদের মাঝে শনিবার সন্ধ্যায় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতবোমার বিস্ফোরণ হয়। তারই ধারাবাহিকতায় রবিবারের সংঘর্ষ শুরু হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আট সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন তরুণ হাতে লাল বালতি নিয়ে দৌড়ে ককটেল ছুড়ছে। মুহূর্তেই চারদিক কেঁপে ওঠে, ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালায় ও বাড়িঘর ভাঙচুর করে। আহতদের মধ্যে যুবদল কর্মী সালাউদ্দিন ও কামালের নাম পাওয়া গেছে। অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

    জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বলেন,“দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আবারও নাশকতা ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছি।”

    তিনি জানান, ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। এখনও কোনো মামলা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    এদিকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন ও তাইজুল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্র মতে, তারা সংঘর্ষের পর আত্মগোপনে চলে গেছেন।

    এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

  • আশুগঞ্জ পুলিশের অভিযানে ১৪৬ কেজি গাঁজা, পিকআপ ও মোটর সাইকেল সহ ৪ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    আশুগঞ্জ পুলিশের অভিযানে ১৪৬ কেজি গাঁজা, পিকআপ ও মোটর সাইকেল সহ ৪ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ষোঘ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে থানা পুলিশের দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ ৪ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ।

    এ সময় তাদের হেফাজত থেকে মোট ১৪৬ কেজি গাঁজা, একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়।

    পুলিশ জানায়,  ১ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে থানার একটি বিশেষ টিম প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করে। সকাল ০৭:১০ ঘটিকায় আলমনগর এলাকা থেকে ১৩০ কেজি গাঁজাসহ ২জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—১। মোঃ আব্দুল আলীম প্রকাশ মওসুম (৩১), পিতা- ঝাড়ু মিয়া, মাতা- লাকী বেগম, সাং- কমলপুর আমলাপাড়া, থানা- ভৈরব, জেলা- কিশোরগঞ্জ। ২। সাকিব (২২), পিতা- চান মিয়া, মাতা- ফাতেমা বেগম, সাং- রতনপুর, থানা- রায়পুরা, জেলা- নরসিংদী। তাদের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানসহ গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

    পরবর্তীতে সকাল ০৮:৩০ ঘটিকার সময় আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অপর একটি টিম সোনারামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন—১। সাগর আহম্মেদ (২৮), পিতা- নুর হোসেন, মাতা- খাদিজা আক্তার, সাং- খড়কী নোয়াপাড়া, থানা- মাধবপুর, জেলা- হবিগঞ্জ।২। রফিকুল হাসান সাব্বির (২০), পিতা- ফোরকান হোসাইন, মাতা- রোকসানা আক্তার, সাং- পিপড়াখালী সিকদার বাড়ী, থানা- মির্জাগঞ্জ, জেলা- পটুয়াখালী। তাদের কাছ থেকে একটি কালো রঙের Suzuki Gixxer মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত সকল মাদকদ্রব্য ও যানবাহন উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে। এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।

    আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, মাদক নির্মূলে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ কর্তৃক ৪ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ কর্তৃক ৪ কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক কারবারী গ্রেফতার

    লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষ (স্টাফ রিপোর্টার)।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০/১০/২০২৫ ইং ১১.২০ ঘটিকার সময় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানাধীন সুলতানপুর ইউনিয়নের টাংগার পার এলাকা হইতে ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে।

    এ সময় তাদের হেফাজতে থাকা (চার) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় । উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের নাম ও ঠিকানা:

    ১। মোঃ আল আমিন প্রকাশ সাজ্জাদ (২৬)
    পিতা- নাজির হোসেন
    মাতা- আসমা বেগম
    সাং- মসজিদ পাড়া ৪নং ওয়ার্ড
    থানা – আখাউড়া
    জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
    বর্তমান ঠিকানা, উথারিয়া পাড়া, সিঙ্গার বিল
    থানা- বিজয়নগর
    ২। সুমাইয়া আক্তার (২১)
    পিতা খোকন মিয়া
    সাং বাগানবাড়ি, কাশিনগর
    থানা- বিজয়নগর
    জেলা- ব্রাহ্মণবাড়ীয়া

    এ সংক্রান্তে আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।